Home আঞ্চলিক খুবিতে টিস্যুকালচারের মাধ্যমে নতুন বৈশিষ্ট্যের ধানের জাত উদ্ভাবনে গবেষণা প্লটের নমুনা শস্য...

খুবিতে টিস্যুকালচারের মাধ্যমে নতুন বৈশিষ্ট্যের ধানের জাত উদ্ভাবনে গবেষণা প্লটের নমুনা শস্য কর্তন

14


গবেষণার সাফল্য যেনো সাধারণ মানুষের কল্যাণে আসে সেদিকে সবিশেষ লক্ষ্য রাখতে হবে: উপাচার্য

খবর বিজ্ঞপ্তি


খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের এগ্রোটেকনোলজি ডিসিপ্লিনের  তিনজন  গবেষকের নেতৃত্বে খুলনাঞ্চলে আমন মৌসুমে চাষকৃত স্থানীয় জাতের তিনটি ধানের টিস্যুকালচারের মাধ্যমে নতুন বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন ধানের জাত উদ্ভাবন প্রচেষ্টার গবেষণা প্লটের নমুনা শস্য কর্তন আজ ৩ ডিসেম্বর বেলা ১২টায় ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান গবেষক প্রফেসর ড. মোঃ মনিরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে ধান কেটে আনুষ্ঠানিক শস্য কর্তন উদ্বোধন করেন উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ফায়েক উজ্জামান। এর আগে এক সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি বলেন, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিগত এক দশক ধরে গবেষণা কার্যক্রম বৃদ্ধির প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। যার ফলে এখানকার শিক্ষকদের মধ্যে গবেষণা মনস্কতা যেমন বেড়েছ, তেমনি গবেষণা কার্যক্রমও বেড়েছে। এগ্রোটেকনোলজি ডিসিপ্লিনের প্রফেসর ড. মোঃ মনিরুল ইসলামের নেতৃত্বে স্থানীয় জাতের ধানের নতুন বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন জাত উদ্ভাবনে গবেষণায় যে সাফল্য এসেছে তা আশাব্যঞ্জক। আশা করা যায় আগামী দু’এক বছরের মধ্যে এটি নতুন জাত হিসেবে স্বীকৃতি পাবে এবং তা কৃষকদের কল্যাণে আসবে। তিনি বলেন গবেষণার সাফল্য যেনো সাধারণ মানুষের কল্যাণে আসে সেদিকে গবেষকদের সবিশেষ লক্ষ্য রাখতে হবে। নতুন জাত হিসেবে  ধানের সারিটি কটঅঞ-১৭০১ স্থানীয় জাতের স্থলে চাষ হলে কৃষকের এক মাস সময় বাঁচবে, ফলন বেশি হবে এবং চালের মান ভালো হওয়ায় তা জনপ্রিয় হবে। একই সাথে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম ও ভাবমূর্তি বৃদ্ধি পাবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। উপাচার্য এই গবেষণা কার্যক্রমের সাফল্য কামনা করেন। নমুনা শস্য কর্তনপূর্বে আরও শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন জীববিজ্ঞান স্কুলের ডিন প্রফেসর ড. মোঃ রায়হান আলী, এগ্রোটেকনলজি ডিসিপ্লিন প্রধান প্রফেসর ড. সরদার শফিকুল ইসলাম, বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা সেলের পরিচালক প্রফেসর ড. আশীষ কুমার দাশ এবং কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর খুলনার উপ-পরিচালক মোঃ হাফিজুর রহমান। প্রধান গবেষক প্রফেসর ড. মোঃ মনিরুল ইসলাম জানান  তাদের গবেষণাধীন ধানের সারিটির এ পর্যন্ত যে ফলাফল পাওয়া গেছে তা অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক। এই ধানের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হবে স্থানীয় রাণীসেলুট ধানের চেয়ে একমাস আগে পাকবে, গাছের আকৃতি অপেক্ষাকৃত খাটো হওয়ায় ঢলে পড়ার প্রবণতা কম এবং ঢলে পড়লেও ধান ঝরে পড়বে না। চালের আকার ছোট হওয়ায় তা সার্বজনীন জনপ্রিয় হবে। ভাত খেতে হবে সুস্বাদু। স্থানীয় জাতের চেয়ে এর ফলন প্রতি হেক্টরে এক টন বেশি হবে। তিনি আরও জানান বর্তমানে চাষাধীন স্থানীয় জাতগুলো যদি যথাযথ মূল্যায়ন ও সংরক্ষণের ব্যবস্থা না নেয়া হয়, তাহলে তা অচিরেই চাষ বিলুপ্ত হয়ে যাবে। কারণ, স্থানীয় ধানের এ জাতগুলো হচ্ছে মূল্যবান জিনের ভান্ডার, যা biotic, abiotic resistant এবং মূল্যবান ভিটামিন ও মিনারেল সমৃদ্ধ।  নমুনা শস্য কর্তন অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিজ্ঞান প্রকৌশল ও প্রযুক্তিবিদ্যা স্কুলের ডিন প্রফেসর ড. আফরোজা পারভীন, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি প্রফেসর ড. মাহমুদ হোসেন এবং গবেষণা কার্যক্রমের সহযোগী একই ডিসিপ্লিনের শিক্ষক জয়ন্তী রায় এবং আব্দুল্লাহ আল মামুন। এছাড়াও সংশ্লিষ্ট ডিসিপ্লিনের  শিক্ষক ও কর্মকর্তা কর্মচারিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

আকস্মিকভাবে মৃত্যুবরণকারী খুবির শিক্ষক প্রফেসর শামীম আখতারের সন্তানদের
শিক্ষা সহায়তায় শিক্ষকদের এক দিনের বেতনের অর্থ প্রদান

খবর বিজ্ঞপ্তি


খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োটেকনোলজি এন্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং ডিসিপ্লিনের প্রফেসর ড. মোঃ শামীম আখতার সম্প্রতি আকস্মিকভাবে মৃত্যুবরণ করেন। তাঁর রেখে যাওয়া ২টি কন্যা সন্তানের ভবিষ্যৎ লেখাপড়ার সহায়তা স্বরূপ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির উদ্যোগে সংগৃহীত শিক্ষকদের একদিনের বেতনের সমপরিমাণ অর্থ প্রদান করা হয়েছে। আজ ৩ ডিসেম্বর ২০২০ খ্রি. তারিখ সকাল ১১টায় উপাচার্যের কার্যালয়ে শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ফায়েক উজ্জামান তাঁর স্ত্রীর হাতে এই চেক হস্তান্তর করেন। তিনি তাঁর সন্তানদের খোঁজখবর নেন এবং আর্থিক এই সহায়তা তাদের ভবিষ্যৎ শিক্ষাজীবনে কল্যাণে আসবে বলে আশা করেন। একইসাথে শিক্ষক সমিতির এ উদ্যোগকে মহতি ও মানবিক বলে উল্লেখ করে ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। শিক্ষক সমিতির সভাপতি প্রফেসর ড. মাহমুদ হোসেন সমিতির নির্বাহী কমিটির সভার মাধ্যমে গৃহীত এ সিদ্ধান্ত শিক্ষকদের পরিবারের জন্য অত্যন্ত সহায়ক হবে এবং ভবিষ্যতে শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দ এই ধারা অব্যাহত রাখবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর ড. আশীষ কুমার দাস জানান খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের এক দিনের মূল বেতনের সমপরিমাণ অর্থ ৬ লাখ ২৭ হাজারেরও বেশি টাকা সংগৃহীত হয় যা চেক আকারে প্রদান করা হয়েছে। এ সময় জীববিজ্ঞান স্কুলের ডিন প্রফেসর ড. মোঃ রায়হান আলী, সমিতির সহ-সভাপতি প্রফেসর মোঃ শরীফ হাসান লিমন ও কোষাধ্যক্ষ প্রফেসর ড. উৎপল কুমার কর্মকারসহ সমিতির নির্বাহী কমিটির অন্যান্য সদস্য উপস্থিত ছিলেন।      

খুবিতে স্বেচ্ছায় রক্তদান সংগঠন
বাঁধনের উদ্যোগে শীতবস্ত্র বিতরণ

খবর বিজ্ঞপ্তি


আজ ৩ ডিসেম্বর ২০২০ খ্রি. তারিখ বেলা সাড়ে ১২ টায় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের পুরাতন খেলার মাঠে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় স্বেচ্ছায় রক্তদান সংগঠন বাঁধনের উদ্যোগে সমাজের অস্বচ্ছল মানুষের মধ্যে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে শীতবস্ত্র বিতরণ করেন উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ফায়েক উজ্জামান। তিনি মুমূর্ষ রোগীদের জীবন রক্ষায় বাঁধনের স্বেচ্ছায় রক্তদান কার্যক্রমকে মহতি উদ্যোগ হিসেবে আখ্যায়িত করে তাদের নিবেদিতপ্রাণ ভূমিকার প্রশংসা করেন।

একইসাথে তিনি তাদের সংগঠনের মানবিক দিকেরও প্রশংসা করে বলেন শীতার্ত মানুষের মধ্যে শীতবস্ত্র বিতরণ তাদের আরও একটি উল্লেখ্যযোগ্য কাজ। তিনি শিক্ষা গ্রহণের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদেরকে মানবিক চেতনার বিকাশের উপর জোর দেন এবং ভবিষ্যতে পেশাগত জীবনে এই ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখার আহবান জানান। এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের উপদেষ্টা প্রফেসর ড. আশীষ কুমার দাস এবং সহকারী ছাত্র বিষয়ক পরিচালক মোহাম্মদ রাকিবুল হাসান সিদ্দিকী। সংগঠনের সভাপতি নিলয় কুমার সরকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠাটি সঞ্চালনা করেন বাঁধনের সদস্য মোঃ মাকসুদুল ইসলাম। পরে প্রধান অতিথি শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র হিসেবে কম্বল বিতরণ করেন। এ সময় সহকারী ছাত্র বিষয়ক পরিচালক প্রশান্ত কুমার বিশ্বাসসহ সংগঠনের সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।