Home আঞ্চলিক মাঠে মাঠে হলুদের সমারহ: কেশবপুরে সরিষা চাষে বাম্পার ফলনের সম্ভবনা

মাঠে মাঠে হলুদের সমারহ: কেশবপুরে সরিষা চাষে বাম্পার ফলনের সম্ভবনা

4

আলমগীর হোসেন, কেশবপুব

যশোরের কেশবপুর উপজেলার বিস্তৃত ফসলেন মাঠজুড়ে হলুদের সমারহ; নৈস্বর্গিক রুপের আভায় দিগন্ত ছুয়েছে। হেমন্তের সকালে হালকা কুঁয়াশার চাদরে মোড়ানো সোনালী রোদের উঞ্চতায় মৌমাছিরা মধু আহরনে গুনজন তুলেছে সরিষা ক্ষেতে। সরিষা ফুলের গন্ধে বিভোর সারা মাঠ। কেশবপুরে বিস্তৃত মাঠজুড়ে বারী সরিষা চাষের উৎসবে মেতেছে কৃষকেরা। তার পরও অর্জিত হচ্ছে না সরকারি ভাবে নেওয়া সরিষা চাষের লক্ষ্য মাত্রা। এ বছর সরিষা চাষের লক্ষ্য মাত্রা অর্জিত না হলেও কৃষকের মাঠে আগাম জাতের বারী সরিষা চাষে বাম্পার ফলনের সম্ভবনা দেখা দিয়েছে।

কেশবপুরের কৃষকেরা বোরো আবাদের আগে একই জমিতে আগাম বারী-১৪ ও বারী-৯ জাতের সরিষা চাষ করে আসছে দীর্ঘদিন ধরে। আর সরিষার বাম্পার ফলন ঘরে তোলার সাথে সাথে কৃষি অধিদপ্তর কর্তৃক প্রদপ্ত বার্ষিক লক্ষ্য মাত্রা অর্জিত করতে সক্ষম হয়। পাশা-পাশি অধিক ফলনশীল বারী-১৪ ও বারী-৯ জাতের এই সরিষা চাষ করে কৃষকেরা বোরো আবাদের খরচ উঠিয়ে নেয়। এ বছর নতুন করে বারী-৭, বারী-৯,বারী-১৫, বারী-১৭ ও বারী- ১৮  জাতের উচ্চ ফলনশীল সরিষা চাষ শুরু করেছে। এ সব জাতের সরিষা ৭০ থেকে ৮৫ দিনের মধ্যে কৃষকেরা ঘরে তুলতে পারে। যার ফলে কৃষকেরা সরিষা চাষের পরে খুব সহজে বোরো আবাদ করতে পারে। যে কারণে উপজেলাব্যাপী কৃষকরা সরিষা চাষে ঝুকছেন। প্রতি বছরের ন্যায় এবছরও তারা আগাম সরিষা চাষ শুরু করেছে।

উপজেলা কৃষি অফিসার মহাদেব চন্দ্র সানা জানিয়েছেন, সরিষা চাষে ২০২০ সালের  ১ হাজার হেক্টর জমিতে সরিষা চাষের লক্ষ্য মাত্র নির্ধারণ করা হলেও এখনও পর্যন্ত মাত্র ৬’শ ৮৫ হেক্টর জমিতে সরিষা চাষ অর্জিত হয়েছে। তবে আরো কিছু বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে, কারণ অনেকেই নাবিতে আবাদ শুরু করেছে।