Home আঞ্চলিক খুলনার বাজারে শীতকালীন সবজি-মাছের দাম চড়া

খুলনার বাজারে শীতকালীন সবজি-মাছের দাম চড়া

4

স্টাফ রিপোর্টার।।

খুলনার বাজারে শীতকালীন সবজি উঠতে শুরু করেছে। তবে সরবরাহ বাড়লেও মৌসুমি এসব সবজির দাম তুলনামূলক বেশী। স্থিতিশীল আছে মাংসের ও মাছের বাজার।

রোববার (৮ নভেম্বর) নগরীর নতুন বাজার, মিস্ত্রিপাড়া বাজার ও নিউ মার্কেট বাজার থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

সবজির বাজারে, ফুলকপি ৬০-৭০ টাকা কেজি, বাঁধাকপি ৬০-৭০, মুলা ৫০, পালংশাক ৩৫-৪০, টমেটো ১৪০-১৫০, করলা ৫০-৬০, বেগুন ৬০-৭০, বরবটি ৭০-৮০, কুমড়া ৪০-৫০, লাউ ৩০-৪০ টাকা পিস ও শিম প্রকারভেদে ১০০-১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। কাঁচামরিচ ১৮০-২০০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।

মাছের বাজারে, প্রতি কেজি রুই ২৬০ থেকে ৩০০ টাকা, কাতলা ৩০০ থেকে ৩২০, তেলাপিয়া ১৮০ থেকে ২০০, পাঙাশ ১৭০ থেকে ২০০, চাষের কৈ ২০০ থেকে ২২০, দেশি কৈ ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা, চাষের শিং ৫০০ থেকে ৬০০, টেংরা ৫০০ থেকে ৫৫০, বোয়াল ৬০০ থেকে ৮০০, চিংড়ি ৬৫০ থেকে ৭৫০ এবং ভেটকি মাছ ৭০০ থেকে ৭৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

অন্যদিকে ব্রয়লার মুরগী ১৮০-১৯০ টাকা কেজি, কক ২৪০-২৪৫, দেশি মুরগী ৬০০-৬২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। গরুর মাংস ৭৫০ টাকা কেজি ও খাসির মাংস ১২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

সবজি বিক্রেতা সেলিম মিয়া বলেন, বাজারে শীতকালীন সবজি উঠতে শুরু করেছে। তবে পাইকারি বাজার এখনো দাম কমেনি। এজন্য খুচরা বাজারেও দাম বেশি। কিন্তু সরবরাহ বৃদ্ধি পেলে দাম কমে যাবে। গরমের সময়ের সবজির দাম অনেকটা কমেছে। লাল শাকের আঁটি ১০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে। লাউ ও পেঁপে জাতীয় সবজির দাম অনেক কমেছে। তবে সবজির দাম সামনে আরও কিছুটা কমবে বলে তিনি জানান।

মাছ বিক্রেতা হানিফ বাজুয়া বলেন, ছোটো মাছ ও সমুদ্রের মাছের দাম তুলনামূলক কম আছে। অন্যান্য মাছের দাম বৃদ্ধি পায়নি। তবে বাজারে ক্রেতা অনেক কম। বড় মাছ বিক্রি কমে গেছে। মাছের বাজারে মন্দা চলতেছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

বাজারে আসা মেহেদি হাসান পাপ্পু বলেন, বাজারে সবকিছুর দাম বেড়েছ। লেবু ১০ টাকা হালি ছিলো, তা এখন ২০ টাকা। ৩০ টাকার কুমড়া ৪০-৫০ টাকার নিচে পাওয়া যায় না। আর মাছ বাজারে ১ কেজি ছোট চিংড়ি ৫৫০-৬০০ টাকার নিচে নেই।

অন্য একজন ক্রেতা হেলেনা খাতুন বলেন, একমাত্র মুরগির বাজার ঠিক আছে। দুই- তিন মাস ধরে এক দামেই মুরগী বিক্রি হচ্ছে। কিন্তু সবজি ও মাছ বাজার শেয়ার মার্কেটের মতো হয়েছে। সকালে দাম কম থাকলে বিকালে দাম বৃদ্ধি পায়। মাছের দাম নিয়ে দরকষাকষি করার সুযোগ থাকে না। ব্যবসায়ীরা এক দাম চেয়ে বসে থাকেন।