Home খেলাধুলা বিগ ব্যাশ লিগের উদ্বোধনী ম্যাচ খেলতে কেন ভারতে যাবেন না মুস্তাফিজ

বিগ ব্যাশ লিগের উদ্বোধনী ম্যাচ খেলতে কেন ভারতে যাবেন না মুস্তাফিজ

4

স্পোর্টস ডেস্ক।।

টি-টোয়েন্টি লিগে এ বছর ভারতের মাটিতে খেলার সুযোগ এসেছিল দুবার। প্রথমবার আইপিএলে, দ্বিতীয়বার বিগ ব্যাশে।

কিন্তু একবারও হচ্ছে না মুস্তাফিজুর রহমানের। সর্বশেষ আইপিএল নিলামে ৯ কোটি ২০ লাখ রুপিতে মুস্তাফিজকে কিনেছিল কলকাতা নাইট রাইডার্স। তবে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) নির্দেশে শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশি পেসারকে ছেড়ে দিতে বাধ্য হয় ফ্র্যাঞ্চাইজিটি।

এবার প্রথমবারের মতো ভারতের মাটিতে হতে যাচ্ছে অস্ট্রেলিয়ার সবচেয়ে জনপ্রিয় টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট বিগ ব্যাগ লিগ।

সেই ম্যাচেও দেখা যাবে না মুস্তাফিজকে। আগামী ১২ ডিসেম্বর চেন্নাইয়ের এমএ চিদাম্বরম স্টেডিয়ামে বিগ ব্যাশের ১৬তম আসরের উদ্বোধনী ম্যাচে মুখোমুখি হবে মুস্তাফিজের দল মেলবোর্ন রেনেগেডস ও বর্তমান চ্যাম্পিয়ন পার্থ স্করচার্স।

তবে এই ম্যাচের আগেই সংযুক্ত আরব আমিরাতের আইএলটি২০-তে ব্যস্ততা থাকায় চেন্নাইয়ে যেতে পারবেন না মুস্তাফিজ। মেলবোর্ন রেনেগেডসের পক্ষ থেকেই বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

আইএলটি২০-এর দায়িত্ব শেষ করে অস্ট্রেলিয়ায় দলের সঙ্গে যোগ দেবেন তিনি। আইএলটি২০-এর পঞ্চম আসর শুরু হবে আগামী ২১ নভেম্বর, শেষ হবে ২০ ডিসেম্বর। টুর্নামেন্টে মুস্তাফিজ খেলবেন দুবাই ক্যাপিটালসের হয়ে। লিগ পর্বে দুবাই ক্যাপিটালসের শেষ ম্যাচ ১৪ ডিসেম্বর। ওদিকে বিগ ব্যাশের উদ্বোধনী ম্যাচ ১২ ডিসেম্বর।

এ কারণে মেলবোর্ন রেনেগেডসের হয়ে প্রথম কয়েকটি ম্যাচ খেলতে পারবেন না মুস্তাফিজ। জেসন বেহরেনডর্ফ কাঁধের চোটে পুরো মৌসুম থেকে ছিটকে যাওয়ায় তার বিকল্প হিসেবে মুস্তাফিজকে দলে ভিড়িয়েছে মেলবোর্ন রেনেগেডস। বিগ ব্যাশে এবারই প্রথম খেলবেন ‘দ্য ফিজ’। বিদেশি লিগগুলোর মধ্যে এর আগে তিনি আইপিএল, পিএসএল, এলপিএল, টি২০ ব্ল্যাস্ট ও আইএলটি২০ তে খেলেছেন।

গত বছরের ডিসেম্বরে আইপিএল নিলামে মুস্তাফিজকে নিয়ে বেশ প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়েছিল। শেষ পর্যন্ত ৯ কোটি ২০ লাখ রুপিতে তাকে কিনেছিল ‘বলিউড বাদশাহ’ শাহরুখ খানের দল কলকাতা নাইট রাইডার্স।

কিন্তু সেই সময় বাংলাদেশ-ভারতের সম্পর্কে টানাপোড়েন, রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের কারণে বিসিসিআইয়ের নির্দেশে মুস্তাফিজকে বাদ দেয় কলকাতা।

এর প্রতিবাদে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে ভারতে দল পাঠায়নি বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।