Home খেলাধুলা রোনানকে নাম্বার নাইনে খেলানোর পরিকল্পনা ডুলির

রোনানকে নাম্বার নাইনে খেলানোর পরিকল্পনা ডুলির

3

ক্রীড়া প্রতিবেদক

শেষ হয়নি ক্লাবের ব্যস্ততা। এরই মধ্যে ডাক পড়েছে দেশকে প্রতিনিধিত্ব করার। সেই ডাকে সাড়া দিয়ে গতকাল রোববার রাজধানীর একটি পাঁচতারকা হোটেলে রিপোর্টিং করেছেন তপু বর্মন-মিতুল মারমারা। সবারই লক্ষ্য ও স্বপ্ন একটাই– সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ। ২৩ বছর পর দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবলের শ্রেষ্ঠত্ব ফিরে পাওয়ার সুযোগ এবার হোমগ্রাউন্ডে। আগামী ৫-১৭ নভেম্বর ঢাকায় অনুষ্ঠেয় সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের প্রস্তুতি গতকাল শুরু করেছে থমাস ডুলির দল। আর ক্যাম্প শুরুর প্রথম দিনেই একজন নিখুঁত স্ট্রাইকারের সংকটের কথা ফুটে উঠেছে বাংলাদেশ কোচের কণ্ঠে। তবে আশার কথাও শুনিয়েছেন ডুলি। যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী রোনান সুলিভানকে দিয়ে নাম্বার নাইন সংকট দূর হবে বলে বিশ্বাস বাংলাদেশ কোচের।

সর্বশেষ ইন্দোনেশিয়ায় অনুষ্ঠিত ফিফা আসিয়ান কাপে বাংলাদেশের স্কোরিং সমস্যা ফুটে উঠেছিল। রাকিব হোসেন-ফয়সাল আহমেদ পারেননি প্রকৃত নাম্বার নাইন হতে। তাই তো বাংলাদেশকে অনূর্ধ্ব-২০ সাফের শিরোপা জেতাতে মুখ্য ভূমিকা পালন করা রোনানের শরণাপন্ন হন ডুলি। এখন শুধু রোনানই নন, মাহি খানকে দিয়েও নাম্বার নাইনের শূন্যতা পূরণের আশা বাংলাদেশ কোচের। স্ট্রাইকার নির্বাচন নিয়ে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন ডুলি। তাঁর মতে, একজন প্রকৃত নাম্বার নাইনের শারীরিক লড়াইয়ে টিকে থাকা, প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারদের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা এবং গোলের সুযোগ কাজে লাগানোর সামর্থ্য থাকতে হবে।

‘সবাই জানে আমরা একজন নাম্বার নাইন খুঁজছি এবং আমাদের হাতে সেটা নেই। একজন সেন্ট্রাল ফরোয়ার্ডের কিছু নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্য থাকতে হয়। তাকে গোলরক্ষক বা ডিফেন্ডারের সামনে গিয়ে বলের প্রথম স্পর্শটা নেওয়ার সাহস দেখাতে হয়। বিপক্ষ দলের সবচেয়ে শক্তিশালী ডিফেন্ডার আপনাকে কনুই দিয়ে, হাঁটু দিয়ে আঘাত করতে পারে। আপনি যদি বক্সে গিয়ে শারীরিক লড়াইয়ে ভয় না পান এবং যেখানে ব্যথা পাওয়ার ভয় আছে, সেখানেও নির্ভয়ে ঝাঁপিয়ে পড়তে পারেন, তবেই আপনি একজন প্রকৃত নাম্বার নাইন। আমাদের তেমন কেউ নেই। রোনান তাদের মধ্যে একজন এবং খানও (মাহি) তাদের মধ্যে একজন। তাই তারা আমাদের সঙ্গে আছে সেই নাম্বার নাইন পজিশনটা পূরণ করার জন্য, যেটা আমাদের ভীষণভাবে প্রয়োজন।’

সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে গ্রুপ ‘এ’তে বাংলাদেশ খেলবে ভুটান ও শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে। ৫ নভেম্বর ভুটানের মুখোমুখি হবেন লাল-সবুজের দলটি। আগে থেকেই জানা ছিল ফিফা উইন্ডোর আগে টুর্নামেন্ট শুরু হওয়ায় ভুটান ম্যাচে খেলতে পারবেন না হামজা চৌধুরী। এখন শুধু হামজা নয়, আরেক প্রবাসী ফারহান আলী ওয়াহিদকেও প্রথম ম্যাচে পাওয়া যাবে না বলে রোববার নিশ্চিত করেছেন ডুলি। ৮ কিংবা ৯ নভেম্বর তারা দলের সঙ্গে যোগ দিবেন। সে ক্ষেত্রে দ্বিতীয় ম্যাচের জন্য তাদের পাওয়ার আশা করছেন কোচ।