স্পোর্টস ডেস্ক
হ্যারি কেইন, না লামিনে ইয়ামাল…. নাকি অন্য কারও হাতে উঠছে এবারের ব্যালন ডি’অর? আপাতত বাজারে এ দুজনের নামই বেশি উচ্চারিত হচ্ছে। লিওনেল মেসি ও কিলিয়ান এমবাপ্পের নামও শোনা যাচ্ছে। ফ্রান্স ফুটবল সাময়িকীর দেওয়া ফুটবলের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ ব্যক্তিগত পুরস্কারটি কার হাতে উঠছে, সে নামটা জানতে ফুটবলপ্রেমীদের আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হবে। আজ সোমবার লন্ডনের প্যালাডিয়াম থিয়েটারে রাত ৮টায় (বাংলাদেশ সময় রাত ২টায়) বিজয়ীর হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হবে।
ইএসপিএন সকারে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী সম্ভাব্য বিজয়ী হিসেবে সবচেয়ে এগিয়ে আছেন ৩৩ বছর বয়সী হ্যারি কেইন। তাদের জরিপে তিন ভাগের দুই ভাগ ভোট পেয়েছেন বায়ার্ন মিউনিখের এ ইংলিশ স্ট্রাইকার। ১৯ বছর বয়সী ইয়ামালের পক্ষে তাদের জরিপে ২৮ শতাংশ ভোট পড়েছে। এরপর আছেন কিলিয়ান এমবাপ্পে ও লিওনেল মেসি। ৩০ জনের সংক্ষিপ্ত তালিকায় উল্লেখযোগ্য আরও কয়েকটি নাম হলো আর্লিং হালান্ড, ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, রদ্রি, জুড বেলিংহাম, উসমান দেম্বেলে, মাইকেল ওলিসে, ভিতিনহা, পাউ কুবার্সি প্রমুখ। তবে শেষ বেলায় এসে লড়াইটা তিনজনের মধ্যে সীমাবদ্ধ হয়ে গেছে বলে আভাস পাওয়া যাচ্ছে। সে তিনজন হলেন হ্যারি কেইন, লামিনে ইয়ামাল ও কিলিয়ান এমবাপ্পে।
বিশ্বকাপে দুর্দান্ত নৈপুণ্যের কারণে ফাইনালের আগ পর্যন্ত ফেভারটি ছিলেন লিওনেল মেসি। আর বিশ্বকাপজয়ী লামিনে ইয়ামাল যদি ফাইনালে গোল পেতেন, তাহলে তখনই ব্যালন ডি’অরের জন্য অপ্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে যেতেন। ১৯ বছর বয়সী এই তরুণ ফাইনালে প্রতিপক্ষের পোস্টে ৪টি শট নিয়েও গোলের দেখা না পাওয়ায় আদতে কিছুটা পিছিয়ে পড়ে গেছেন বলেই মনে করছেন বোদ্ধারা। তবে স্পেন বিশ্বকাপ জেতায় এবং বার্সার হয়ে দুর্দান্ত ফর্মের কারণে ইয়ামালকে খুব একটা পিছিয়েও রাখা যাচ্ছে না। তিনি নাকি এই পুরস্কার উদযাপনের প্রস্তুতিও নিয়ে ফেলেছেন।
স্পেনের রেডিও স্টেশন কাদেনা কোপ সূত্রে জানা গেছে, ইয়ামাল ব্যক্তিগত বিমানে ঘনিষ্ঠজনদের নিয়ে মহাসমারোহে লন্ডনে ব্যালন ডি’অর অনুষ্ঠানে যাচ্ছেন। গেল মৌসুমে বার্সাকে লা লিগা জেতানোর পথে ১৬টি গোল করার পাশাপাশি ১১টি অ্যাসিস্ট করেছিলেন তিনি। এর পরও ব্যালন ডি’অর দৌড়ে হ্যারি কেইন নাকি এগিয়ে গেছেন। বায়ার্ন মিউনিখের এই স্ট্রাইকার গত মৌসুমে ৬৫ ম্যাচে রেকর্ড ৭৩টি গোল করেছেন।
ফিফা র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষ ১০০টি দেশের ১০০ জন অভিজ্ঞ সাংবাদিক নিয়ে ব্যালন ডি’অরের জুরি বোর্ড গঠিত হয়। সেই বোর্ডের প্রতি সদস্য তাদের বিবেচনা অনুযায়ী সেরা ১০ জন ফুটবলারকে ক্রমানুসারে সাজিয়ে যথাক্রমে ১৫, ১২, ১০, ৮, ৭, ৫, ৪, ৩, ২ ও ১ পয়েন্ট দেন। এই ভিত্তিতে যিনি সর্বোচ্চ পয়েন্ট পাবেন, তাঁর হাতেই উঠবে ব্যালন ডি’অর। এ অনুষ্ঠানটি ঐতিহ্যগতভাবেই প্যারিসে অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। ৭০তম আয়োজন লন্ডনে করার পেছনে বিশেষ কারণ রয়েছে। ১৯৫৬ সালে প্রথম ব্যালন ডি’অর বিজয়ী ইংল্যান্ডের স্ট্যানলি ম্যাথুসের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছিল ব্ল্যাকপুল শহরে। তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা থেকেই এবার লন্ডনে হচ্ছে অনুষ্ঠান।











































