স্পোর্টস ডেস্ক।।
দেশের ৫০০ ক্রীড়াবিদকে ক্রীড়া কার্ডের আওতায় আনার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। বর্তমানে ৩০০ ক্রীড়াবিদকে কার্ড দেওয়া হয়েছে। শিগগিরই আরও ৯৫ জনকে এই তালিকায় যুক্ত করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
রোববার সচিবালয়ে ক্রীড়াবিদদের ক্রীড়া কার্ডের সুবিধার আওতায় আনতে পরিবহন মালিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন আমিনুল হক।
ক্রীড়া কার্ডধারীদের জন্য সরকারি ও বেসরকারি গণপরিবহনে ছাড়ে যাতায়াতের সুযোগ চালুর বিষয়ে সভায় আলোচনা হয়েছে। পাশাপাশি ক্রীড়াবিদদের দুর্ঘটনা, চিকিৎসা ব্যয় ও জীবনের ঝুঁকি মোকাবিলায় স্বাস্থ্যসেবা, জীবনবীমা ও ঝুঁকিবীমার আওতায় আনার উদ্যোগও নেওয়া হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে সরকারি ও বেসরকারি বীমা প্রতিষ্ঠানগুলোকে সম্পৃক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
আমিনুল হক বলেন, ‘দেশের ৩০০ জন ক্রীড়াবিদকে ক্রীড়া কার্ড দেওয়া হয়েছে ও ভাতার আওতায় আনা হয়েছে। মোট ৫০০ ক্রীড়াবিদকে ক্রীড়া কার্ড দেওয়া হবে। তবে ৩১ জনকে ভাতা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। ৪ মাস পর পর অ্যাথলেটদের পারফরম্যান্স মূল্যায়ন করে এই তালিকা হালনাগাদ করা হবে। প্রতি চারমাস পরপর কিছু বাদ পড়বে বা নতুন করে অন্তর্ভুক্ত হবে।’
আরও ৯৫ জনকে শিগগিরই অন্তর্ভুক্ত করার কথা জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘শিগগিরই ৯৫ জনকে নতুন করে সংযোজন করছি। পর্যাপ্ত ক্রীড়াবিদ পাওয়া যায়নি, তাই ৫০০ জনের কোটা পূরণ হয়নি। ভালো ক্রীড়াবিদ পেলে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।’
চলতি অর্থবছরের বাজেটে ক্রীড়া ভাতা ও নতুন ক্রীড়া কার্যক্রমের জন্য প্রায় ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রয়েছে বলেও জানান তিনি। এর মধ্যে ক্রীড়া ভাতার জন্য বছরে বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৬০ কোটি টাকা।
এশিয়ান গেমসের পারফরম্যান্স নিয়েও কথা বলেন আমিনুল হক। তিনি বলেন, ‘এশিয়ান গেমস বা ফুটবলের সার্বিক ফল নিয়ে খুব বেশি হতাশ না। প্রাথমিকভাবে ফল হতাশাজনক হলেও, ভুল থেকে শিক্ষা নিতে চাই। এনএসসির মূল্যায়ন কমিটি করতে বলা হয়েছে, রিপোর্ট পেলে সার্বিক বিষয় তুলে ধরবো।’
সভায় যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ রেলওয়ে, বিআইডব্লিউটিএ, ডিএমটিসিএল, জীবন বীমা কর্পোরেশন, বাংলাদেশ নৌপরিবহন মালিক সমিতি ও পরিবহন খাতের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।








































