Home আঞ্চলিক খুলনা এসএসসি-৯৮-এর ব্যতিক্রমী ‘চড়ুইভাতি’

খুলনা এসএসসি-৯৮-এর ব্যতিক্রমী ‘চড়ুইভাতি’

2

ছোট চড়ুইদের ডানায় আনন্দের রঙ

স্টাফ রিপোর্টার
খুলনায় ব্যতিক্রম আয়োজন ও উপস্থাপনায় অনুষ্ঠিত হলো খুলনা এসএসসি-৯৮-এর সদস্যদের দিনব্যাপী ‘চড়ুইভাতি’। সম্প্রতি নগরীর প্লাটিনাম জুট মিল অফিসারর্স ক্লাবে অনুষ্ঠিত আয়োজনটি শুধু শুধু পিকনিক নয়; বড় চড়ুইদের ভালোবাসায় ছোট চড়ুইদের জন্য সাজানো একদিনের আনন্দ, আত্মবিশ্বাস আর প্রতিভা প্রকাশের উৎসব। এখানে বড়দের চেয়ে ছোটদের জন্যই তৈরি হয়েছিল মঞ্চ। উদ্দেশ্য ছিল তাদের সামনে আসার সুযোগ করে দেওয়া, নিজেদের প্রতিভা প্রকাশের সাহস জোগানো এবং বড়দের সঙ্গে আনন্দ ভাগ করে নেওয়ার একটি উন্মুক্ত পরিবেশ তৈরি করা।
দিনের শুরুতেই ছোট্ট চড়ুইদের উপস্থাপনা ও পরিবেশনায় পবিত্র ধর্মীয়গ্রন্থ পাঠের মধ্য দিয়ে আয়োজনের সূচনা। এরপর জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী মামুনের প্রেজেন্স থ্রোতে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে সাংস্কৃতিক পর্বের উদ্বোধন হয়।
কণ্ঠশিল্পী মামুনের প্রেজেন্স থ্রোতে ‘কঐখ-৯৮’ গান-এসএসসি-৯৮ গ্রুপকে উৎসর্গ করা একটি বিশেষ পরিবেশনা। সঙ্গে ছিলেন খুলনার অন্যতম কণ্ঠশিল্পী ও কম্পোজার হায়দার। গানটির মধ্য দিয়ে যেন বন্ধুদের দীর্ঘ পথচলা, স্মৃতি আর একসঙ্গে থাকার আনন্দ নতুন করে ফিরে আসে। গান পরিবেশন করেন স্বনামধন্য বেতারশিল্পী রুনা। তাঁর সঙ্গে ছিল সোনিয়া ও পূজার পরিবেশনা।
পরিবেশিত হয় জনপ্রিয় ‘খাঁচার ভিতর অচিন পাখি’, ‘ধামাধাম মাস্ত কালান্দার’সহ নানা গান। আর মঞ্চে প্রথমবারের মতো কণ্ঠশিল্পী লুকানের পারফরম্যান্সও ছিল নজরকাড়া। ইভেন্ট প্ল্যানিংয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন কণ্ঠশিল্পী মামুন ও তারেক। উপস্থাপনায় ছোট্ট চড়ুই উজান, সঙ্গে টপি ও রনি। সাংস্কৃতিক অংশের ব্যতিক্রমী পরিকল্পনা ও সিকুয়েন্স তৈরিতে কণ্ঠশিল্পী মামুনের সঙ্গে কাজ করেন শান্তা, সুদীপ্ত ও লোপা। খেলাধুলায় জয়নাল (বিকেএসপি), ফুড ম্যানেজমেন্টে রুহুল আমিন তালুকদার সোহাগ, ব্যবস্থাপনায় বাকিবিল্লাহ, সুদীপ্ত, মিজান, বিপ্লব, রানা, নিপা, সুমন, জাহিদ, সোনিয়া, লোপা, দিনার, মামুন, শান্তা, রবি, জিতু প্রমুখ।
আয়োজনের আনন্দের পাশাপাশি ছিল স্বীকৃতি দেওয়ার পর্বও। মেধাবী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। এ পর্বে ছিলেন তারেক, লোপা, সোহাগসহ অনেকে। ছোটদের জন্য আয়োজনের আরেকটি অভিনব সংযোজন ছিল ‘চড়ুইটোকেন’-যার মাধ্যমে কমন গিফট প্রদানের উদ্যোগ নেওয়া হয়। এই পর্বে দায়িত্ব পালন করেন শান্তা, সোনিয়া ও লোপা। পরিবারের বড়দেরও রাখা হয় সম্মানের জায়গায়। অনুষ্ঠানে কয়েকজন দুলাভাই ও ভাবিকেও সম্মানিত করা হয়।