শরণখোলা প্রতিনিধি।।
পূর্ব সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জের পৃথক স্থান থেকে বনদস্যুরা একটি ফিশিং ট্রলারসহ ১৫ জেলেকে অপহরণ করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে সুন্দরবনের ভাঙ্গা, আমবাড়িয়া ও নারিকেলবাড়িয়া এলাকায় এসব অপহরণের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় জেলে ও মহাজনদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।
শরণখোলা রেঞ্জের জেলেপল্লী দুবলা টহল ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ফরেস্ট রেঞ্জার) মিল্টন রায় রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে মোবাইল ফোনে জানান, শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে সাগরসংলগ্ন সুন্দরবনের ভাঙ্গা, আমবাড়িয়া ও নারিকেলবাড়িয়া এলাকায় জেলেদের বহরে অজ্ঞাতপরিচয় বনদস্যুরা হামলা করে। তারা প্রতি নৌকা থেকে একজন করে মোট ১৫ জেলেকে তুলে একটি ট্রলারে করে নিয়ে যায়।
এর মধ্যে ১০ জেলের নাম জানা গেছে। তারা হলেন—আরিফ (২৫), সগীর (৩৪), মিঠু (৩০) ও ফেরদৌস (২৮)। তাদের বাড়ি খুলনায়। অন্যরা হলেন ইব্রাহিম (৩৫), ইমরান (২৫), মোস্তাফিজুর (৩৫), আলামিন (২৮), হানিফ (৩৮) ও মারুফ (৪৯)। তাদের বাড়ি বরগুনার পাথরঘাটা ও তালতলী এলাকায়। অপর পাঁচজনের নাম জানা যায়নি।
এসব জেলে বন বিভাগের পাস নিয়ে চরপাটা, পোকা জাল ও বড়শি দিয়ে সুন্দরবনের খালে মাছ ধরছিলেন। শরণখোলা এলাকার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন জেলে-মহাজন বলেন, জেলে অপহরণের ঘটনায় জেলে ও মৎস্য ব্যবসায়ীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। অপহৃত জেলেদের উদ্ধার ও দস্যু দমনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর আশু হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন মৎস্যজীবীরা।
কোস্টগার্ড পশ্চিম জোনের মোংলা কার্যালয়ের কর্মকর্তারা বলেন, সুন্দরবনে জেলে অপহরণের খবর জানা নেই। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখা হবে।









































