স্টাফ রিপোর্টার।।
ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা শাখায় কর্মরত নিরাপত্তা প্রহরী মো. সফিকুল ইসলাম (৪২) মারা গেছেন। গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় নগরীর একটি বেসরকারি ক্লিনিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।
শুক্রবার রাত ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবনসংলগ্ন মসজিদের সামনে তাঁর জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে মরদেহ গোপালগঞ্জের গ্রামের বাড়িতে নিয়ে দাফন করা হয়।
সফিকুল ইসলামের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রেজাউল করিম। এক শোকবার্তায় তিনি মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানান।
এ ছাড়া উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. হারুনর রশীদ খান, ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মো. নূরুন্নবী, রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. এস এম মাহবুবুর রহমান, ছাত্রবিষয়ক পরিচালক ও নিরাপত্তা তত্ত্বাবধায়ক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. মো. সালাউদ্দীন এবং সংশ্লিষ্ট শাখার কর্মকর্তা-কর্মচারীরা শোক প্রকাশ করেছেন।
এ ছাড়া, খুলনা বিভাগে ডেঙ্গুর সংক্রমণ ও প্রকোপ অব্যাহত রয়েছে। স্বাস্থ্য বিভাগের আজ শনিবারের সর্বশেষ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ২৫২ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। তাদের মধ্যে সরকারি হাসপাতালে ২২৯ জন এবং বেসরকারি হাসপাতালে ২৩ জন চিকিৎসা নিচ্ছে।
একই সময়ে আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছরে বিভাগে ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৮।
খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. শেখ মো. মোশাররফ হোসেন জানান, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত বিভাগে মোট ৮ হাজার ৫৩২ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছে। তাদের মধ্যে ৭ হাজার ৩১৭ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে। বর্তমানে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে ৯৭০ জন। উন্নত চিকিৎসার জন্য বিভিন্ন জেলা থেকে ২১৭ জনকে অন্যত্র পাঠানো হয়েছে।
জেলাভিত্তিক হিসাবে খুলনা জেলায় ডেঙ্গুর সংক্রমণ সবচেয়ে বেশি। এ জেলায় এখন পর্যন্ত ৩ হাজার ১৫২ জন রোগী শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শনাক্ত হয়েছেন ১ হাজার ৯২৩ জন।










































