Home খেলাধুলা কিউট-বিএসপিএ স্পোর্টস কার্নিভাল

কিউট-বিএসপিএ স্পোর্টস কার্নিভাল

3

স্পোর্টস ডেস্ক।।

‘কিউট-বিএসপিএ স্পোর্টস কার্নিভাল-২০২৬’-এর পর্দা নেমেছে আজ। এবারের আয়োজনে ‘মো. আবদুল মান্নান লাডু ট্রফি’ (স্পোর্টসম্যান অব দ্য ইয়ার) জিতেছেন মিদুল হাসান।

প্রথম রানারআপ হয়েছেন মনজুর এলাহী শান্ত এবং দ্বিতীয় রানারআপ জাহিদ মুনীর। বাংলাদেশ স্পোর্টস প্রেস অ্যাসোসিয়েশনের (বিএসপিএ) শতাধিক সদস্যের অংশগ্রহণে ৮টি ডিসিপ্লিনের ১২টি ইভেন্টে এবারের প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।

প্রতিযোগিতায় সাঁতারে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পাশাপাশি ক্যারম দ্বৈতে (মো. জহিরুল ইসলামের সঙ্গে) শিরোপা জিতে বর্ষসেরার মুকুট পরেন মিদুল হাসান। এছাড়া তিনি ক্যারম এককে ও ১০০ মিটার স্প্রিন্টে রানারআপ এবং আর্চারিতে তৃতীয় স্থান অর্জন করেন।

প্রথম রানারআপ মনজুর এলাহী শান্ত শুটিং ও শটপুটে চ্যাম্পিয়ন এবং ক্যারম এককে তৃতীয় হয়েছেন। অন্যদিকে, কলব্রিজ ও টুয়েন্টি নাইনে (সুদীপ্ত আহমদ আনন্দের সঙ্গে) চ্যাম্পিয়ন এবং দাবায় তৃতীয় হয়ে দ্বিতীয় রানারআপ হয়েছেন জাহিদ মুনীর।

সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রতিযোগিতার পৃষ্ঠপোষক প্রতিষ্ঠান মৌসুমী ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের (কিউট) চেয়ারম্যান এবং ওয়ার্ল্ড আর্চারি এশিয়া ও বাংলাদেশ আর্চারি ফেডারেশনের সভাপতি কাজী রাজীব উদ্দিন আহমেদ চপল।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক বলেন, সুস্বাস্থ্যের জন্য ক্রীড়া সাংবাদিকদেরও খেলাধুলায় যুক্ত থাকা জরুরি। এই আয়োজন বছরব্যাপী করার পাশাপাশি সারাদেশের ক্রীড়া সাংবাদিকদের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।

এছাড়া আসন্ন এশিয়ান গেমসের পর আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পদক সম্ভাবনাময় ইভেন্টগুলোকে অগ্রাধিকার দিয়ে দীর্ঘমেয়াদি প্রশিক্ষণ ও বরাদ্দের মাধ্যমে দেশের ক্রীড়াঙ্গনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনার বিষয়ে সরকারের পরিকল্পনার কথা জানান প্রতিমন্ত্রী।

অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য দেন বিএসপিএর সাধারণ সম্পাদক সুদীপ্ত আহমদ আনন্দ এবং প্রতিযোগিতার সার্বিক দিক তুলে ধরেন ক্রীড়া উপ-কমিটির চেয়ারম্যান কাজী শহীদুল আলম। শেষে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন বিএসপিএ সভাপতি রেজওয়ান উজ জামান।

পুরস্কার বিতরণের পাশাপাশি একই অনুষ্ঠানে বিএসপিএর নবীন সদস্যদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়। প্রতিবছরের মতো এবারও আয়োজনের শেষে ছিল ঐতিহ্যবাহী মেজবান।