যশোর অফিস।।
যশোরের অভয়নগরে নিষিদ্ধ চরমপন্থী সংগঠনের এক সক্রিয় সদস্যকে গুলি করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। সোমবার দুপুরে উপজেলার রানাগাতী গ্রামের একটি সুপারি বাগান থেকে পুলিশ তাঁর গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করে। নিহত বাহারুল মল্লিক (৪৬) রানাগাতী গ্রামের হাকিম মল্লিকের ছেলে। পরিবারের সদস্যদের দাবি, চরমপন্থী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার কারণে প্রায় ২০ বছর ধরে তিনি পলাতক ছিলেন।
পুলিশ জানান, সোমবার সকাল ৯টার দিকে রানাগাতী গ্রামের আব্দুর রশিদের সুপারি বাগানে রক্তাক্ত অবস্থায় এক ব্যক্তির মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। পরে তাঁরা বিষয়টি পুলিশকে জানান। খবর পেয়ে অভয়নগর থানা পুলিশ ও বাসুয়াড়ী ক্যাম্পের পুলিশ দুপুর ১২টার দিকে ঘটনাস্থলে গিয়ে বাহারুলের মরদেহ উদ্ধার করে।
পুলিশ আরও জানায়, বাহারুলের মুখের থুতনিতে গুলির চিহ্ন রয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে এক রাউন্ড গুলির বুলেট উদ্ধার করা হয়েছে। তাঁর হাঁটু দিয়েও রক্ত বের হওয়ার চিহ্ন পাওয়া গেছে।
নিহতের ছোট ভাই মামুন মল্লিক বলেন, ‘আমার ভাই চরমপন্থী দলের সঙ্গে জড়িত থাকার কারণে প্রায় ২০ বছর পলাতক ছিল। এ কারণে পরিবারের সঙ্গেও তাঁর কোনো সম্পর্ক ছিল না। গতকাল সোমবার সকালে জানতে পারি, বাড়ি থেকে প্রায় আধা কিলোমিটার দূরে একটি সুপারি বাগানে তাঁর লাশ পড়ে আছে। কী কারণে তাঁকে হত্যা করা হয়েছে, তা আমরা জানি না।’
অভয়নগর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. লুৎফর রহমান বলেন, নিহত বাহারুল নিষিদ্ধ চরমপন্থী সংগঠনের সদস্য ছিলেন বলে জানা গেছে। অভ্যন্তরীণ কোন্দলের জেরে তাঁকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তাঁর মুখের থুতনিতে গুলির চিহ্ন পাওয়া গেছে।
মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য যশোর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।










































