স্টাফ রিপোর্টার।।
খুলনার খালিশপুরে বন্ধ থাকা ক্রিসেন্ট জুট মিলে পাটকল চালু না করে মুরগির ফিড কারখানা স্থাপনের উদ্যোগের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন পাটকল শ্রমিকরা।
শুক্রবার (৭ আগস্ট) বিকেল ৫টা থেকে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদল খালিশপুর আঞ্চলিক কমিটির উদ্যোগে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। বিকেল ৫টায় ক্রিসেন্ট জুট মিল গেটে প্লাটিনাম, দৌলতপুর, ক্রিসেন্ট ও খালিশপুর জুট মিলের বন্ধ হয়ে যাওয়া বিভিন্ন পাটকলের শ্রমিকরা সমবেত হন। পরে তারা বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। বিকেল সাড়ে ৫টায় বিআইডিসি সড়কে মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এতে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের নেতাকর্মীরাও অংশ নেন।
মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদল খালিশপুর আঞ্চলিক কমিটির আহ্বায়ক আবু দাউদ দীন মোহাম্মদ মৃধা। প্রধান অতিথি ছিলেন খালিশপুর থানা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আলী বাবু। বিশেষ অতিথি ছিলেন খালিশপুর থানা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. বিপ্লবুর রহমান কুদ্দুস।
এছাড়া বক্তব্য দেন জাতীয়তাবাদী পাট শ্রমিকদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি মো. আবুল কালাম জিয়া, খুলনা বিভাগীয় খাদ্য পরিবহন সড়কপথ কর্মচারী ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ হুমায়ুন কবির, ১০ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর ও বিএনপি নেতা মো. ফারুক হোসেন হিলটন, ১২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মো. জাহিদুর রহমান, ১৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. আবুল কালাম, ৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মো. সাইফুল, সাধারণ সম্পাদক মো. সবুজ হাওলাদার, শ্রমিক নেতা মো. ওমর ফারুক, মো. জাহাঙ্গীর হোসেন, মো. রেজাউল ইসলাম, মো. ইউসুফ শিকদার, মনির হোসেন, মো. ফরিদ, মো. আব্দুর রাজ্জাক তালুকদার, মো. সাইদুল ইসলাম ও মো. সেলিমসহ অন্যান্য নেতারা।
বক্তারা অভিযোগ করেন, ক্রিসেন্ট জুট মিল লিজ গ্রহণকারী প্রতিষ্ঠান মাহাবুব অ্যান্ড কোং পাটকলটি পুনরায় চালু না করে সেখানে মুরগির ফিড কারখানা স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে, যা এলাকার শ্রমিকদের স্বার্থবিরোধী। তারা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা পাটকলগুলো চালু হলে হাজার হাজার শ্রমিকের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং খুলনার ঐতিহ্যবাহী পাটশিল্প পুনরুজ্জীবিত হবে।
মানববন্ধন থেকে বক্তারা অবিলম্বে ফিড কারখানা স্থাপনের উদ্যোগ বন্ধ করে ক্রিসেন্ট জুট মিলকে পূর্বের মতো পাটকল হিসেবে চালুর দাবি জানান। একই সঙ্গে তারা ক্রিসেন্ট জুট মিলের মহাব্যবস্থাপক কামরুল ইসলামকে প্রত্যাহারের জন্য বিজেএমসির চেয়ারম্যানের প্রতি আহ্বান জানান।
তবে এ বিষয়ে মাহাবুব অ্যান্ড কোং, বিজেএমসি বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোনো বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।











































