স্পোর্টস ডেস্ক।।
অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ২০০৩ সালের পর প্রথমবার টেস্ট সিরিজ খেলতে গেছে বাংলাদেশ। তবে মূল সিরিজ শুরুর আগে একমাত্র প্রস্তুতি ম্যাচেই কঠিন পরীক্ষার মুখে পড়েছে নাজমুল হোসেন শান্তর দল। ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া একাদশের বিপক্ষে অভিজ্ঞ ব্যাটারদের ব্যর্থতায় বড় সংগ্রহ গড়তে পারেনি বাংলাদেশ।
শেষ পর্যন্ত মেহেদী হাসান মিরাজের দুর্দান্ত সেঞ্চুরিতে ভর করে অলআউট হওয়ার আগে ২৬৩ রান তোলে সফরকারীরা।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ডারউইনে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশ অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। তবে শুরু থেকেই ব্যাটিংয়ে ধস নামে। দলীয় ৭ রানে কোনো রান না করেই বিদায় নেন ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম। হ্যানো জ্যাকবসের বলে স্যাম কন্সটাসের হাতে ক্যাচ দেন তিনি।
অন্য ওপেনার সাদমান ইসলাম কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। কোরি রকিচোলির বলে আউট হওয়ার আগে ৪৭ বলে ৩১ রান করেন তিনি। এরপর মুমিনুল হক ১৬ রান করে একই বোলারের শিকার হন। অভিজ্ঞ মুশফিকুর রহিম মাত্র চার বল খেলেই রানের খাতা না খুলে ফিরে গেলে মধ্যাহ্ন বিরতির আগেই ৭৮ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে বাংলাদেশ।
এরপর নাজমুল হোসেন শান্ত ও অমিত হাসান জুটি গড়ে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন। তবে অমিত ১৫ এবং শান্ত ৩৭ রান করে আউট হলে আবারও চাপে পড়ে দল। পরে সৌম্য সরকারও ১৬ রান করে ফিরে যান।
একপ্রান্তে অবশ্য দারুণ দৃঢ়তা দেখান মেহেদী হাসান মিরাজ। নিয়মিত বিরতিতে অন্যপ্রান্তে উইকেট পড়লেও দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে দলকে সম্মানজনক সংগ্রহ এনে দেন তিনি। ১৪১ বল মোকাবিলা করে ১১টি চার ও ৪টি ছক্কায় অপরাজিত ১০৯ রান করেন এই অলরাউন্ডার। তার সেঞ্চুরির সৌজন্যেই ৭৫.৫ ওভারে অলআউট হওয়ার আগে বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৬৩ রান।
ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া একাদশের হয়ে সবচেয়ে সফল বোলার ছিলেন অফস্পিনার কোরি রকিচোলি। তিনি একাই শিকার করেন ৬ উইকেট। বাকি চার বোলার একটি করে উইকেট নেন। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, স্বাগতিক একাদশের কোনো বোলারই এখনো আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক করেননি।











































