স্পোর্টস ডেস্ক।।
বিশ্বকাপ ফাইনাল খেলা শেষে উত্তপ্ত পরিস্থিতি হয়েছে। মাঠের মধ্যেই হাতাহাতি, ধাক্কাধাক্কি হয় আর্জেন্টিনা ও স্পেনের ফুটবলারদের। বেশি আগ্রাসী ভঙ্গিতে দেখা যায় লিয়োনেল মেসির সতীর্থদের। হঠাৎ কেন এই বিবাদ হল? তার নেপথ্যে কী কারণ ছিল? অবশেষে তা প্রকাশ্যে এসেছে।
স্পেনের কয়েক জন ফুটবলার আনন্দে উৎসব করতে শুরু করেন। আর্জেন্টিনার কয়েক জন হতাশ হয়ে শুয়ে পড়েন। মাঠের মাঝখানে দু’দলের ফুটবলারদের মধ্যে ঝামেলা শুরু হয়। প্রথমে একে অপরের প্রতি গালিগালাজ ছিল। এর পর ফুটবলারেরা হাতাহাতি এবং ধাক্কাধাক্কিতে জড়িয়ে পড়েন।
বিবাদের শুরু আর্জেন্টিনার নিকোলাস ওটামেন্ডি ও স্পেনের অধিনায়ক রদ্রির মধ্যে। ওটামেন্ডি রদ্রিকে বলেন, ‘কম কথা বলো মূর্খ। গোটা সপ্তাহ জুড়ে তো কাঁদুনি গেয়েছ। তুমি আর লাপোর্তে খালি অভিযোগ করেছ। রেফারিকে নিয়ে অনেক অভিযোগ ছিল। ঠিক করোনি।’
তা শুনে রদ্রি বলেন, ‘আমি কিন্তু তোমাকে সম্মান করি।” ওটামেন্ডি থামার পাত্র ছিলেন না। তিনি আরও বলেন, “ম্যাচের আগে অত কথা বলার দরকার ছিল না।’ এ বার রেগে যান রদ্রিও। তিনি বলেন, “কেন এত বাজে কথা বলছ?” তার পরেই আসরে চলে আসেন আর্জেন্টিনার লিয়ান্দ্রো পারেদেস। ব্যস, কথা কাটাকাটি গড়ায় হাতাহাতিতে।
মাঠে নামার পর থেকেই পারেদেস শারীরিক ফুটবল খেলছিলেন। পাঁচ মিনিটের মধ্যে হলুদ কার্ডও দেখেছিলেন। ম্যাচের পর এরিক গার্সিয়ার সঙ্গে ঝামেলায় জড়ান তিনি। গার্সিয়ার গলা চেপে ধরেন। এর পর ঝামেলা করেন গাভির সঙ্গে। গাভিকে ঠেলে ফেলে দেন মাঠে। তার পরেই পারেদেসকে লাল কার্ড দেখান রেফারি। খেলা শেষ হয়ে যাওয়ায় সে দিকে লক্ষ্য ছিল না সকলের। লাল কার্ড দেখার অর্থ, এঞ্জোর মতো পারেদেসও আর্জেন্টিনার হয়ে পরবর্তী ম্যাচ খেলতে পারবেন না।








































