স্পোর্টস ডেস্ক।।
আইসিসিকে পাঠানো আমিনুল ইসলাম বুলবুলের একটি চিঠিকে ঘিরে বাংলাদেশ ক্রিকেটে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বাংলাদেশের পূর্ণ সদস্যপদ স্থগিত, আইসিসির তহবিল বন্ধ এবং আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট থেকে বাংলাদেশকে সাময়িকভাবে বাদ দেওয়ার অনুরোধ জানিয়ে আইসিসির কাছে চিঠি দিয়েছেন বিসিবির সাবেক সভাপতি আমিনুল।
যদিও ভিডিও বার্তায় এমন দাবি ‘সম্পূর্ণ মিথ্যে’ বলে উড়িয়ে দিয়েছেন তিনি। এই বিতর্কের মধ্যেই সোমবার নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন বিসিবির আরেক সাবেক সভাপতি ফারুক আহমেদ। তাঁর দাবি, আলোচিত চিঠি সম্পর্কে তিনি কিছুই জানেন না।
আলোচিত এই চিঠি নিয়ে বিসিবির সাবেক সভাপতি ফারুক আহমেদ দাবি করেছেন, আইসিসিকে চিঠি পাঠানোর বিষয়ে তাঁর কোনো সম্পৃক্ততা নেই, এমনকি বিষয়টি সম্পর্কেও তিনি নিশ্চিত নন, ‘আইসিসিকে চিঠি দেওয়ার ব্যাপারে কিছুই জানি না। জানি না মানে একদমই জানি না। পুরোটা পড়ে দেখারও সময় ছিল না, ব্যস্ত ছিলাম।
এ ব্যাপারে আমি কিছুই জানি না, আপনাদের পরিষ্কার করার জন্য বলে দিচ্ছি।’
ফারুক আরও বলেন, ‘বেশিরভাগ সময় দেখা গেছে, কোনো ঘটনা ঘটলেই আমাকে টেনে আনা হয়। আমি এটার অংশ আছি কি না, একটা স্বার্থান্বেষী মহল আমাকে জড়িয়ে ফেলে। এজন্যই মনে করেছি, বিষয়টি সবার কাছে পরিষ্কার করা দরকার। আইসিসিকে চিঠি দেওয়ার ব্যাপারে আমি কিছুই জানি না।’
আইসিসিকে পাঠানো চিঠিতে তার কোন হাত না থাকার বিষয়টি নিযে ফারুক যুক্তি দিলেন, ‘আমিও তো বোর্ড সভাপতি ছিলাম। আমাকে সরানোর প্রক্রিয়াও ঠিক ছিল না। তখন কিন্তু আমি আইসিসিকে অভিযোগ করিনি। একটা চিঠিও দিইনি। সে জায়গা থেকে মোটামুটি নিশ্চিত থাকতে পারেন, এখানে আমার হাত নেই, আমি জানি না।’
চিঠির ব্যাপারে কিছু না জানলেও ফারুক জানান সেই চিঠির একটি কপি তাঁর কাছে এসেছিল। তবে সেটিই আইসিসিতে পাঠানো হয়েছে কি না, সে বিষয়ে তিনি নিশ্চিত নন, ‘চিঠিটা আমি দেখেছি গত পরশু। পয়েন্ট বাই পয়েন্ট আমার কাছে এসেছে। আমি পুরোটা পড়িনি। তবে আইসিসিতে গেছে কি না বলতে পারব না, কারণ এখন আইসিসির সঙ্গে আমার কোনো যোগাযোগ নেই।’
ফারুকের মতে বিষয়টি পরিষ্কার করতে পারবেন একমাত্র আমিনুল ইসলাম বুলবুলই, ‘আমিনুল ইসলাম বুলবুল হয়তো একটা বিবৃতি দিয়েছেন। উনিই বিষয়টা পরিষ্কার করতে পারবেন। আইসিসির কাছে চিঠি গেছে কি না, এ ব্যাপারে আমার কাছে কোনো তথ্য নেই।’
চিঠিতে বুলবুলের বোর্ডের অন্য সদস্যদের সমর্থন ছিল কি না এমন প্রশ্নের জবাবে ফারুক বলেন, ‘বলেছি তো, রিটের স্বাক্ষর আছে। তবে আইসিসির এই চিঠিতে আমার কোনো স্বাক্ষর নেই। আমি আলাদা করে কোনো সই করিনি। কেউ যদি বের করে দিতে পারে, তাকে চ্যালেঞ্জ করছি।’











































