স্পোর্টস ডেস্ক।।
প্রথম সেশনের হতাশা কিছুটা কাটিয়ে দ্বিতীয় সেশনে ম্যাচে ফেরার ইঙ্গিত দিল বাংলাদেশ। তিনটি উইকেট তুলে নিয়ে স্বাগতিকদের কিছুটা হলেও চাপে ফেলেছিল সফরকারীরা।
তবে ইনোসেন্ট কাইয়ার দেড়শ ছোঁয়া ইনিংস এবং ক্রেগ আরভিন ও ওয়েসলি মাধেভেরের দৃঢ় ব্যাটিংয়ে দ্বিতীয় দিনের চা বিরতিতেও স্বস্তি পায়নি নাজমুল হোসেন শান্তর দল। হারারে টেস্টের দ্বিতীয় দিনে চা বিরতিতে যাওয়ার আগে ৫ উইকেটে ৩৫০ রান তুলে ২১০ রানের লিড নিয়ে দ্বিতীয় সেশন শেষ করেছে জিম্বাবুয়ে।
প্রথম দিন ১ উইকেটে ১৩৬ রান নিয়ে ব্যাটিং শুরু করা জিম্বাবুয়ে দ্বিতীয় দিনের প্রথম সেশনে আরও ১১৩ রান যোগ করে হারায় মাত্র একটি উইকেট। মধ্যাহ্ন বিরতিতে তাদের সংগ্রহ ছিল ২ উইকেটে ২৪৯ রান। তবে বিরতির পর কিছুটা ছন্দে ফেরে বাংলাদেশের বোলাররা। দ্বিতীয় সেশনের প্রথম ওভারেই তাইজুল ইসলামের বলে এগিয়ে এসে খেলতে গিয়ে ক্যাচ তুলে দেন ব্রায়ান বেনেট।
৬৭ বলে ৫৯ রান করে ফিরেন এই ব্যাটার। তার ১০৭ রানের জুটিই প্রথম সেশনে বাংলাদেশকে চাপে ফেলেছিল। এরপর ইনোসেন্ট কাইয়া ও অধিনায়ক ক্রেইগ আরভিন ইনিংস এগিয়ে নেন। একপ্রান্ত আগলে রেখে ক্যারিয়ারের সেরা ইনিংস খেলতে থাকেন কাইয়া। শেষ পর্যন্ত ২২৭ বলে ১৭টি চারে ১৪০ রান করে তাইজুলের বলেই সিলি মিড-অফে ক্যাচ দিয়ে বিদায় নেন। কাইয়ার বিদায়ের পরের বলেই আরও একটি সাফল্য পায় বাংলাদেশ। অসম্ভব একটি দ্বিতীয় রান নিতে গিয়ে রানআউট হন টাফাডজাওয়া সিগা। মাত্র ২ বল খেলে ১ রান করেন তিনি।
একই ওভারে এলবিডব্লিউর জোরালো আবেদনেও সাড়া দেননি আম্পায়ার। পুরো ইনিংসজুড়েই কয়েকটি সম্ভাবনাময় আবেদন নাকচ হয় বাংলাদেশের। ডিআরএস না থাকায় সেগুলোর কোনোটি রিভিউও নিতে পারেনি সফরকারীরা। চা বিরতির ঠিক আগে ৮০ ওভার শেষ হতেই দ্বিতীয় নতুন বল নেয় বাংলাদেশ। নতুন বল হাতে প্রথম ওভারেই জোরালো আবেদন করেছিলেন বোলাররা। তবে সেখানেও আঙুল ওঠেনি আম্পায়ারের।
দ্বিতীয় সেশনে তিন উইকেট হারালেও জিম্বাবুয়ের রান তোলার গতি থামাতে পারেনি বাংলাদেশ। ওয়েসলি মাধেভেরে ও ক্রেইগ আরভিন সতর্ক ব্যাটিংয়ে দলকে চা বিরতি পর্যন্ত নিয়ে যান। ৮৮ ওভার শেষে জিম্বাবুয়ের সংগ্রহ ৫ উইকেটে ৩৫০ রান। আরভিন ও মাধেভেরে অপরাজিত থেকে শেষ সেশনে নামবেন। আরভিন ৪৯ ও মাধেভেরে ৩৬ রানে অপরাজিত আছেন।
১৪০ রানে অলআউট হওয়া বাংলাদেশের বিপক্ষে জিম্বাবুয়ে এখন ২১০ রানে এগিয়ে। ম্যাচে ফিরতে হলে শেষ সেশনের স্বাগতিকদের অলআউট করার বিকল্প নেই শান্তদের।











































