Home আঞ্চলিক ক্যাশলেস ট্রানজেকশনে বছরে ১০ হাজার কোটি টাকা বাঁচানো সম্ভব: গর্ভনর

ক্যাশলেস ট্রানজেকশনে বছরে ১০ হাজার কোটি টাকা বাঁচানো সম্ভব: গর্ভনর

6


স্টাফ রিপোর্টার
বাংলাদেশ ব্যাংকের গর্ভনর মো: মোস্তাকুর রহমান বলেছেন, বর্তমানে দেশে টাকা ছাপানো ও নোট ব্যবস্থাপনায় প্রতি বছর প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকা ব্যয় হচ্ছে| ক্যাশলেস ট্রানজেকশনের মাধ্যমে এই ব্যয়ের ৫০ শতাংশও সাশ্রয় করা গেলে বছরে ১০ হাজার কোটি টাকা বাাঁচানো সম্ভব| মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস (এমএফএস) বর্তমান ক্যাশ-ইন ও ক্যাশ-আউট মডেলের কারণে ক্যাশলেস সোসাইটি পুরোপুরি বাস্তবায়ন হচ্ছে না| তাই ন্যাশনাল পেমেন্ট সিস্টেম অব বাংলাদেশ (এনপিএসবি) অধীনে ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে পিটুপি (পার্সন টু পার্সন) লেনদেন ও কিউআর কোড ভিত্তিক পেমেন্টকে উৎসাহিত করা হচ্ছে| ব্যাংকগুলো কিউআর কোড ব্যবহার শুরু করলে লেনদেন খরচ নামমাত্র বা প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ে প্রায় শূন্যের কোঠায় নেমে আসবে|
শনিবার (১৬ মে) সকালে নগরীর একটি অভিজাত হোটেলে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম ষান্মাসিক মুদ্রানীতি প্রনয়ন বিষয়ে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন|
বাংলাদেশ ব্যাংক খুলনার উদ্যোগে সভার বিষয়বস্তু ও উদ্দেশ্য তুলে ধরেন ডেপুটি গর্ভনর ড. হাবিবুর রহমান, মুদ্রানীতি বিষয়ক তথ্য উপস্থাপন করেন প্রধান কার্যালয়ের নির্বাহী পরিচালক মাহমুদ সালাউদ্দিন নাসের| ¯^াগত বক্তব্য দেন ব্যাংকের খুলনার নির্বাহী পরিচালক মো. রুকনুজ্জামান|
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান আরো বলেন, দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়নকে বিকেন্দ্রীকরণ ও প্রান্তিক মানুষের দোরগোড়ায় ব্যাংকিং সেবা পৌঁছে দিতে বড় ধরনের সংস্কার ও নতুন উদ্যোগের ঘোষণা দিয়েছেন| আগামী ১ জুলাই থেকে দেশজুড়ে শুধুমাত্র সর্বজনীন ‘বাংলা কিউআর’ ব্যবস্থা চালু থাকবে| কোনো ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান নিজ¯^ বা প্রোপাইটরি কিউআর কোড ব্যবহার করতে পারবে না| ঢাকা-কেন্দ্রিক সেন্ট্রালাইজড বা এককেন্দ্রিক অর্থনীতি পরিহার করে গ্রামীণ ও আঞ্চলিক অর্থনীতিকে শক্তিশালী করাই এখন সরকারের মূল লক্ষ্য|
বাংলাদেশ ব্যাংক গর্ভনর ‘ওয়ান ভিলেজ ওয়ান প্রোডাক্ট’ ও আঞ্চলিক উন্নয়ন, ক্ষুদ্র ও কৃষি ঋণের পরিধি বৃদ্ধি, পাচার হওয়া ফেরত আনা এবং খুলনার সম্ভাবনা ও ক্রিয়েটিভ ইকোনমি বিষয়ে তাঁর অভিমত তুলে ধরেন|
তিনি বলেন, টাকা পাচারের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ ব্যাংকের কঠোর অবস্থানে রয়েছে| ইতিমধ্যে ১০টি বিদেশি এজেন্সির সাথে চুক্তি করা হয়েছে এবং যুক্তরাজ্য সরকারের সাথে একটি বিশেষ সহযোগিতা চুক্তি সই হয়েছে| ব্যাংক থেকে টাকা চুরি হওয়ায় কমার্শিয়াল ব্যাংকগুলোকেও আইনি লড়াইয়ে শক্ত ভূমিকা নিতে হবে|