Home খেলাধুলা ‘আবার জেতা কঠিন, তবে অসম্ভব নয়’

‘আবার জেতা কঠিন, তবে অসম্ভব নয়’

2

স্পোর্টস ডেস্ক।।

২০২২ সালে কাতার বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার ৩৬ বছরের অপেক্ষার অবসান হয় লিওনেল মেসির জাদুতে। আর্জেন্টিনার তৃতীয় বিশ্বকাপ জয়ের পেছনের কারিগর ছিলেন অখ্যাত লিওনেল স্কালোনি। সেই স্কালোনি এখন অনেক পরিণত। তাঁর কোচিংয়েই যুক্তরাষ্ট্র-কানাডা-মেক্সিকোয় বিশ্বকাপ খেলতে যাচ্ছে আর্জেন্টিনা।

বিশ্বকাপ শুরু হতে মাসখানেকের কম সময় বাকি। গত শুক্রবার (১৬ মে) এই বিশ্বকাপ নিয়ে কনমোবেলের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে স্কালোনি জানিয়েছেন, আরও একটি বিশ্বকাপ জেতা খুবই কঠিন, তবে অসম্ভব নয়। সে সঙ্গে মেসির ভবিষ্যৎ নিয়েও কথা বলেছেন তিনি।

স্কালোনি এরই মধ্যে বিশ্বকাপের জন্য ৫৫ জনের প্রাথমিক তালিকা জমা দিয়েছেন। কয়েক দিনের মধ্যে সে তালিকা থেকে ২৬ জনের চূড়ান্ত স্কোয়াড বেছে নেবেন তিনি। বিশ্বকাপ নিয়ে নিজের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করতে গিয়ে শুরুতেই বলেন, ‘বিশ্বকাপ খুবই কঠিন। এখানে শুধু ভালো খেললেই হয় না, ছোটখাটো অনেক বিষয় ঠিকঠাক মতো করতে হয়। সব সময়ের মতো আমরা আবার চেষ্টা করব (কাপ জিততে)। কারণ আর্জেন্টিনা প্রতিবারই বিশ্বকাপে অংশ নিয়েই শীর্ষস্থানে পৌঁছাতে চায়। এটা খুবই কঠিন, তবে অসম্ভব নয়।’

স্কালোনির দলের অধিনায়ক লিওনেল মেসি শেষ বিশ্বকাপ খেলতে যাচ্ছেন। তবে মেসির খেলা নিয়ে ৪৮ বছর বয়সী এ কোচ কোনো ভবিষ্যদ্বাণী করতে চান না, ‘তার খেলা দেখতে পারাটাই তো একটা চমৎকার বিষয়। এটা তার শেষ বিশ্বকাপ হোক বা না হোক। সবাই তাকে খেলতে দেখতে চায়।

আমি ভাবতে পছন্দ করি যে সে খেলা চালিয়ে যাবে। এর বিপরীত ভাবলে আপনি কষ্ট পাবেন। যেমনটা হয়েছিল দিয়েগোর (ম্যারাডোনা) বেলায়।’ মেসির খেলা নিয়ে স্কালোনি আরও যোগ করেন, ‘সে আর খেলবে না, সেটা ভাবলেই কেমন যেন একটা অশান্তি লাগে। তাই আমি বর্তমানে মনোযোগ দিতেই আগ্রহী।’

দায়িত্ব নেওয়ার পর স্কালোনির কোচিংয়ে আর্জেন্টিনা ২০২২ বিশ্বকাপ ও দুটি কোপা আমেরিকা জিতেছে। অথচ তাঁকে নিয়োগ দেওয়ার সময় ম্যারাডোনার মতো কিংবদন্তিও বেশ হতাশ হয়েছিলেন তাঁর মতো অনভিজ্ঞ ও লোপ্রোফাইল একজনকে আর্জেন্টিনার কোচ করায়। কিন্তু একের পর এক শিরোপা জেতায় সেই সমালোচকরাই এখন তাঁর প্রশংসা করেন।

এ সফলতার রহস্য সম্পর্কে স্কালোনি বলেন, ‘আমরা কোনো কিছুই ভাগ্যের ওপর ছেড়ে দিই না। আমরা তাদের (খেলোয়াড়দের) যা বলি, তা খুবই সংক্ষিপ্ত। আমরা তাদের সবকিছু জানাইও না। কারণ আমরা তাদের অভিভূত করে ফেলতে পারি। যেটা আসলেই গুরুত্বপূর্ণ, শুধু সেটাই আমরা খেলোয়াড়দের বলি। আমরা নিজেরাও খেলোয়াড় ছিলাম। তাই জানি তাদের কী প্রয়োজন। খেলোয়াড়দের সঙ্গে আমাদের ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রয়েছে।’

আসন্ন বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা আছে ‘জে’ গ্রুপে। সেখানে তাদের সঙ্গী অস্ট্রিয়া, আলজেরিয়া ও জর্ডান। আগামী ১৬ জুন আলজেরিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে আসর শুরু করবে বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।