স্পোর্টস ডেস্ক।।
মুশফিকুর রহিম যখন জাতীয় দলের অধিনায়ক তখন ভালো পেসার সংকট ছিল দেশে। তাই বেশির ভাগ টেস্টে এক পেসার নিয়ে খেলতে হয়েছে। কন্ডিশন অনুকূলে থাকলে বড় জোর দুজন পেসার। একাদশে তৃতীয় পেসার নেওয়ার মতো তেমন কেউ ছিলেনও না। আর এখন বোলিং ইউনিট বলতে পেস বোলার।
পেসারদের দাপটের কারণে স্পিনার খেলানোর সুযোগ কম। নাহিদ রানা, তাসকিন আহমেদ, শরিফুল ইসলাম, এবাদত হোসেনকে নিয়ে স্কোয়াড গড়ার পরও পেছন থেকে পুশ করছেন হাসান মাহমুদ, খালেদ আহমেদের মতো নিয়মিত টেস্ট বোলাররা। এই দলে আবার দেড়শ কিলোমিটার গতির বোলার ম্যাচে রোমাঞ্চ ছড়ান নাহিদ রান। টেস্ট দলে এই পেসারের উপস্থিতি মুশফিককেও মুগ্ধ করে।
নাহিদ রানাকে নিয়ে বলতে গিয়ে লিগের খেলায় ফিরে গেলেন মুশফিক, ‘নাহিদ সম্পর্কে যদি বলি ওকে আমি প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট থেকেই চিনি। আমি রাজশাহীতে যখন শেষবার খেলেছি দুই বছর আগে তখনই রানাকে দেখেছি। কাছে থেকে ওকে দেখা এবং ওর সঙ্গে খেলা তখন থেকে ভালো লেগেছে। আমি জানতাম সে আন্তর্জাতিকে অবশ্যই খেলবে। ওর শেখার যে আগ্রহ বা নিজের উন্নতি করার যে ইচ্ছা তা সাধারণ তরুণ খেলোয়াড়দের মধ্যে কম থাকে।’
চাপাই এক্সপ্রেসের টেস্ট অভিষেক হয়েছে এই সিলেটে শ্রীলংকার বিপক্ষে। অভিষেক ইনিংসেই আগুণঝড়া বোলিং করে তিন উইকেট শিকার করেছিলেন। রাওয়ালপিন্ডির জোড়া টেস্টে নিজের জাত চিনিয়েছিলেন দেড়শ কিলোমিটার গতিতে বল করে। শেষ ইনিংসে চার উইকেট নিয়েছিলেন। ঢাকা টেস্টে সেই পাকিস্তানকে হারানোর নায়ক রানা। পাঁচ উইকেট নিয়ে ১০৪ রানের জয় উপহার দিয়েছিলেন দলকে। দ্বিতীয় ইনিংসে ৪.৫ ওভারের দ্বিতীয় স্পেলে ৪ ব্যাটারকে আউট করেছিলেন।
নাহিদের আজকের রানা হয়ে উঠার পেছনের ঘটনা জানালেন মুশফিক, ‘আমি, ফরহাদ হোসেন ভাই, জুনায়েদ সিদ্দিকী ছিল ও অমি (জহুরুল ইসলাম) ভাই ছিলেন। সিনিয়র খেলোয়াড়দের কাছে গিয়ে রানা জানতে চাইতো, ভাই আমি উইকেট টু উইকেট করলে কেমন হয়, লাইফ স্টাইলটা কেমন হবে। ওই সময় তাকে দেখে আমি সত্যিই অবাক হয়েছিলাম এবং খুশি ছিলাম।’ টাইগার এই ফাস্ট বোলার জাতীয় দলকে লম্বা সময় সার্ভিস দেবে বলে আশা করেন মুশফিক।
এক সময়ে তিন সংস্করণের অধিনায়ক মুশফিক টি২০ এবং ওয়ানডে থেকে অবসর নিয়েছেন। তাওহীদ হৃদয়রা উইকেটরক্ষক এ ব্যাটারের জায়গা পূরণ করেছেন। তিনি আশা করেন টেস্ট দলেও তিন চারজন ভালো মানের ব্যাটার দেখে যেতে পারবেন বিদায় বলার আগে।











































