ক্রীড়া প্রতিবেদক
এতদিন লন্ডনে বসে ফুটবলারদের হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে দিকনির্দেশনা দিয়ে আসছিলেন কোচ জেমি ডে। অনেকদিন পর গতকাল রবিবার সরাসরি মাঠে এসে ছাত্রদের পরখ করলেন বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের ইংলিশ কোচ।
করোনাভাইরাসের প্রকোপ শুরুর আগে দেশে ফিরে গিয়েছিলেন। এলেন সাত মাস পর। এতদিন পর মাঠের অনুশীলনে ফিরে ডে বেশ খুশি। বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে সুফিল-ইব্রাহিমদের সঙ্গে বিভিন্ন ট্যাকটিকস নিয়ে কাজ করেছেন । অনুশীলনের পরে সহকারী কোচ স্টুয়ার্ট ওয়াটকিস ও নতুন গোলকিপার কোচ লেস কিভলিকে নিয়ে ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত হয়েছিলেন। সেখানে ডে বলেছেন, ‘খেলোয়াড়েরা কঠোর পরিশ্রম করে যাচ্ছে। কয়েকদিনের অনুশীলনেই তাদের উন্নতি চোখে পড়েছে। অনেকদিন পর অনুশীলনে তাদের দেখতে পেয়ে আমি খুশি।’
আগামী ১৩ ও ১৭ নভেম্বর নেপালের বিপক্ষে দুটি প্রীতি ম্যাচ। সেই লক্ষ্যে বাংলাদেশ দলের এই প্রস্তুতিপর্ব। ডেও অপেক্ষায় আছেন ম্যাচ খেলার জন্য, ‘আমি ম্যাচ খেলার অপেক্ষায় আছি। আগেও আমি এই কথা বলেছি যে এটা শুধু ফলনির্ভর খেলা নয়। অবশ্যই জয় আমাদের কাম্য, তবে একইসঙ্গে বাংলাদেশে মাঠের খেলাটা ফিরিয়ে আনাটাও লক্ষ্য।’
মাঠে খেলোয়াড়দের অনুশীলন দেখে ডে খুশিই হয়েছেন, ‘এটা ২০ দিনের অনুশীলন। এই সময়ে পুরো ফিট হওয়াটা কঠিন। তবে ওদের আগামী কিছুদিনের মধ্যে ফিটনেস লেবেল সর্বোচ্চ পর্যায়ে আসবে। ম্যাচ খেলার জন্য উপযুক্ত হবে। তবে আমি খুশি খেলোয়াড়দের দেখে এবং যেভাবে তারা অনুশীলন করছে। তাদের দৃষ্টিভঙ্গিটাও দেখে ভালো লাগছে। আমাদের এখনও ফিটনেস নিয়ে বেশি কাজ করতে হবে।’
ওয়ালটন খুলনা প্রেসক্লাবে মিডিয়া কাপ ক্রিকেটের লোগো উন্মোচন
ক্রীড়া প্রতিবেদক
খুলনা প্রেসকাবের আয়োজনে ও ওয়ালটনের পৃষ্ঠপোষকতায় প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ওয়ালটন খুলনা প্রেসকাব মিডিয়া কাপ টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট টুর্নামেন্ট। গতকাল রবিবার সকালে খুলনা প্রেসকাব মেম্বার লাউঞ্জে টুর্নামেন্টের লোগো উন্মোচন করা হয়েছে। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে টুর্নামেন্টের লোগো উন্মোচন করেন খুলনা জেলা প্রশাসক ও খুলনা প্রেসকাবের প্রধান উপদেষ্টা মো. হেলাল হোসেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ওয়ালটনের এরিয়া ম্যানেজার শাহানুর আলম। লোগো উন্মোচন অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন খুলনা প্রেসকাবের সভাপতি এস এম নজরুল ইসলাম। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন কাবের সাধারণ সম্পাদক মামুন রেজা। অনুষ্ঠানটির সার্বিক দায়িত্ব পালন করেন কাবের সহকারী সম্পাদক (ক্রীড়া ও সমাজ কল্যাণ) আহমদ মুসা রঞ্জু।
এই অনুষ্ঠানে লটারির মাধ্যমে টুর্নামেন্টের সূচিও চূড়ান্ত করা হয়। খুলনার সাংবাদিকদের অংশগ্রহণে মোট চারটি দল ফ্রাঞ্চাইজিভিত্তিক এ টুর্নামেন্টে খেলছে। টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণকারী দলগুলো হলো রূপসা টাইগার্স, শিবসা ওয়ারিয়র্স, মধুমতি চ্যালেঞ্জার্স ও ভৈরব রাইডার্স। আগামী ৬ নভেম্বর খুলনা জেলা স্টেডিয়ামে টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচে রূপসা টাইগার্স মুখোমুখি হবে শিবসা ওয়ারিয়র্সের। একই দিন বিকেলে মধুমতি চ্যালেঞ্জার্সের প্রতিপক্ষ ভৈরব রাইডার্স।
লোগে উন্মোচন অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মধুমতি চ্যালেঞ্জার্সের মালিক মোহাম্মদ আলী সনি, রূপসা টাইগার্সের মালিক এস এম নজরুল ইসলাম, ভৈরব রাইডার্সের মালিক এস এম সাহিদ হোসেন ও শিবসা ওয়ারিয়ার্সের মালিক মো. তরিকুল ইসলাম। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন খুলনা প্রেসকাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. সাহেব আলী ও এস এম জাহিদ হোসেন, যুগ্ম-সম্পাদক এস এম কামাল হোসেন, কোষাধ্যক্ষ সোহেল মাহমুদ, সহকারী সম্পাদক বিমল সাহা, নির্বাহী সদস্য হাসান আহমেদ মোল্লা, কাব সদস্য শেখ দিদারুল আলম, আলমগীর হান্নান, কৌশিক দে, বাপ্পী খান, দেবব্রত রায়, এ এইচ এম শামিমুজ্জামান।
মেয়েদের লিগেও হবে করোনা পরীক্ষা
ক্রীড়া প্রতিবেদক
করোনাভাইরাসের আঘাতে গত মার্চেই মেয়েদের লিগ বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। এতোদিন বাসায় থেকে অনুশীলন করেছে তারা। তবে আবারও তাদের খেলায় ফেরানোর উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন(বাফুফে)। স্থগিত হওয়া লিগ শুরু হচ্ছে আগামী ৭ নভেম্বর থেকে। তবে লিগ শুরুর আগে অংশগ্রহণকারী সব দলেরই করোনা পরীক্ষা করাবে বাফুফে। সেখানে ‘নেগেটিভ’ হলেই মাঠে নামার অনুমতি পাবে অংশ নেওয়া সাতটি দল।
বাফুফের মহিলা উইং কমিটির চেয়ারম্যান মাহফুজা আক্তার কিরন বলেছেন সেই কথাই, ‘আমরা আবারও মেয়েদের লিগ শুরু করতে যাচ্ছি। এবার সব ধরনের স্বাস্থ্য সুরক্ষা মেনেই লিগ মাঠে গড়াবে। করোনা পরীক্ষায় যারা নেগেটিভ হবে, তারাই খেলতে পারবে। আমরা পুরো বিষয়টি মনিটরিং করবো। আশা করছি, ভালোভাবে আবারও লিগ শুরু করা যাবে।’ কমলাপুরে বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামে শুরুর দিন বিকাল ৩ টায় মুখোমুখি হবে বসুন্ধরা কিংস ও এফসি উত্তর বঙ্গ।এমনিতে বসুন্ধরা কিংস ৫ ম্যাচে ১৫ পয়েন্ট নিয়ে আছে শীর্ষে। দলের অধিনায়ক সাবিনা খাতুন ১৫ গোল করে অন্যদের চেয়ে এগিয়ে। এছাড়া নাসরিন একাডেমি এক ম্যাচ কম খেলে ৯পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে আছে।
সিরিজ জিতে নিল পাকিস্তান
ক্রীড়া প্রতিবেদক
জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে এক ম্যাচ হাতে রেখেই ওয়ানডে সিরিজ জিতে নিয়েছে পাকিস্তান। সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে ৬ উইকেটে জিতেছে মিসবাহ-উল-হকের শিষ্যরা। গতকাল রবিবার রাওয়ালপিন্ডিতে জিম্বাবুয়ের দেওয়া ২০৭ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে অধিনায়ক বাবর আজমের ফিফটিতে ৩৫.২ ওভারে ৪ উইকেটে ২০৮ রান করে পাকিস্তান। এর আগে ইফতিখার আহমেদের আগুন ঝরানো বোলিংয়ের সামনে জিম্বাবুয়ে থেমে যায় ৪৫.১ ওভারে ২০৬ রানে।
টসে জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে দলীয় ২৭ রানে ২ উইকেট হারায় জিম্বাবুয়ে। এরপর ওপেনার চারি (২৫) ও আগের ম্যাচের সেঞ্চুরিয়ান ব্রেন্ডন টেইলর (৩৬) চেষ্টা করেন বিপর্যয় সামাল দিতে। এই দুজনের বিদায়ের পর জিম্বাবুয়েকে একাই টেনে নিয়ে যান শন উইলিয়ামস। তবে তাকে সঙ্গ দিতে পারেননি কেউ।
অষ্টম উইকেট হিসেবে উইলিয়ামস সাজঘরে ফেরেন দলীয় ১৭১ রানে। তার ৭০ বলে ৭৫ রানের দায়িত্বশীল ইনিংসটি সাজানো ছিল ১০ চার ও ১ ছক্কায়।
পাকিস্তানের হয়ে ইফতিখার ১০ ওভারে ৪০ রান দিয়ে নেন সর্বোচ্চ ৫ উইকেট। ২ উইকেট নিয়েছেন মুহাম্মদ মুসা।
জবাব দিতে নেমে শুরুটা দুর্দান্ত করে পাকিস্তান। ওপেনিং জুটিতেই তাদের স্কোরবোর্ডে জমা হয় ৬৮ রান। আবিদ আলী ২২ রান করে বিদায় নেন টেন্ডাই চিসোরোর বলে। এরপর ফিফটি থেকে এক রান দূরে থাকতে টেন্ডাইয়ের দ্বিতীয় শিকারে পরিণত হন আরেক ওপেনার ইমাম-উল-হক। এরপর অবশ্য জিম্বাবুয়েন বোলারদের সুবিধা করতে দেননি বাবর। হায়দার আলী ২৯ ও মোহাম্মদ রিজওয়ান ব্যক্তিগত ১ রানে বিদায় নিলেও ইফতিখারকে সঙ্গে নিয়ে দলকে দাপুটে জয় এনে দিয়ে মাঠ ছাড়েন তিনি। বাবরের ৭৪ বলে ৭৭ রানের ইনিংসটি সাজানো ছিল ৭ চার ও ২ ছক্কায়।
এত বাজে অবস্থায় বার্সেলোনা
ক্রীড়া প্রতিবেদক
ভিয়ারিয়ালকে ৪-০ এবং সেল্টা ভিগোকে ৩-০ গোলে হারিয়ে নতুন মৌসুমের শুরুটা করেছিল স্প্যানিশ কাব বার্সেলোনা। লা লিগায় নিজেদের হারানো শিরোপা পুনরুদ্ধারের মিশনে এমন শুরু আশাবাদী করে তুলেছিল ভক্ত-সমর্থকদের। কিন্তু এরপরই যেনো জিততে ভুলে গেলো রোনাল্ড কোম্যানের শিষ্যরা।
উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের দুই ম্যাচে দারুণ জয় পেলেও, লা লিগায় বিতিকিচ্ছিরি অবস্থায় পড়ে গেছে বার্সেলোনা। গত ২ অক্টোবর সেল্টার মাঠ থেকে ৩-০ গোলে জিতে আসার পর খেলা চার ম্যাচে আর জয়ের দেখা পাননি লিওনেল মেসি, অ্যান্তনিও গ্রিজম্যান, ফিলিপ কৌতিনহোরা। বার্সেলোনার পড়তি পারফরম্যান্সের শুরুটা গত ৫ অক্টোবর সেভিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ থেকে। সেদিন ১-১ গোলে ড্র করেছিল তারা। এরপর হেরে যায় গেটাফে (০-১) ও রিয়াল মাদ্রিদের বিপক্ষে মর্যাদার এল ক্যাসিকো (১-৩) ম্যাচে। সবশেষ শনিবার রাতে আলাভেসের বিপক্ষেও জিততে পারেনি তারা, ম্যাচ শেষ হয়েছে ১-১ ব্যবধানে।
পিএসজিকে সামলাচ্ছেন এমবাপ্পে
ক্রীড়া প্রতিবেদক
চ্যাম্পিয়নস লিগে গোড়ালিতে চোট পেয়েছেন পিএসজি ফরোয়ার্ড নেইমার। সেই চোটে মধ্য নভেম্বর পর্যন্ত তাকে আর পাওয়া যাচ্ছে না। এছাড়া আরও কিছু খেলোয়াড়ও ইনজুরিতে রয়েছেন। এই অবস্থায় আক্রমণের সব ভার গিয়ে পড়েছে কিলিয়ান এমবাপ্পের কাঁধে। শক্ত প্রতিপক্ষ নঁতের বিপক্ষে অবশ্য সেই দায়িত্ব ভালোই সামলেছেন তিনি। তার অসাধারণ নৈপুণ্যে ৩-০ গোলে জিতে শীর্ষেই রয়েছে পিএসজি।
প্রথমার্ধ আক্রমণ-প্রতি আক্রমণে খেলা জমে উঠলেও সুযোগ নষ্ট করেছে দুই দল। দুটি স্পষ্ট সুযোগ হাতছাড়া করেছেন এমবাপ্পে। বিরতির ১০ মিনিট আগে নঁতের মুয়ানি শট নিলেও তার বাঁকানো শট চলে যায় পোস্টের বাইরে। দ্বিতীয়ার্ধে তুলনামূলক গোছানো খেলার ফল হিসেবে ৪৭ মিনিটে এগিয়ে যায় পিএসজি। বাম প্রান্ত থেকে এমবাপ্পের দেওয়া ক্রস থেকে গোল গোলটি করেছেন অ্যান্ডার হেরেরা। ৬৩ মিনিটে এমবাপ্পে ফাউলের শিকার হলে বিলম্বিত ভার রিভিউর পর পেনাল্টি পায় পিএসজি। স্পট কিক থেকে স্কোর ২-০ করেন এমবাপ্পে। ৭ মিনিট পর নঁতেও পেনাল্টির দেখা পেয়েছিল। কিন্তু কেদার বাম্বার শট ফিরিয়ে দলকে রক্ষা করেছেন পিএসজি গোলকিপার কেইলর নাভাস। ৮৮ মিনিটে আবারও নিজেদের ভুলের মাশুল দিয়েছে নঁতে। হজম করে তৃতীয় গোল। নিজেদের বক্সে নঁতের খেলোয়াড় ভুল করে বল পাঠিয়ে দেন সারাবিয়ার কাছেই। সুবর্ণ সুযোগে জালে বল জড়িয়ে দেন এই স্প্যানিশ উইঙ্গার।
জয় দিয়ে শীর্ষে ফিরেছে লিভারপুল
ক্রীড়া প্রতিবেদক
ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে পিছিয়ে পড়েও জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে লিভারপুল। অ্যানফিল্ডে ওয়েস্ট হামকে তারা হারিয়েছে ২-১ গোলে।
এই জয়ের পর ঘরের মাঠে ৬৩ ম্যাচ অপরাজেয় থাকার আগের রেকর্ডে ভাগ বসিয়েছে লিভারপুল। অথচ নিজেদের মাঠে ইয়ুর্গেন কপের শিষ্যদের শুরুটা ছিল হতাশাজনক! দশম মিনিটে প্রতিপক্ষের শট হেডে কিয়ার করতে গিয়েছিলেন লিভারপুল ডিফেন্ডার জো গোমেজ। দুর্বল সেই হেড গিয়ে পড়েছিল ওয়েস্ট হাম তারকা ফর্নালসের কাছে। তিনি সুযোগ পেয়ে জালে পাঠিয়ে দেন বল। পিছিয়ে পড়ার পরই আক্রমণে ধার বাড়িয়েছে লিভারপুল। তবে বিরতির আগে তারা সমতা ফেরায় পেনাল্টির সুবাদে। সালাহকে বিপজ্জনক অঞ্চলে ফেলে দিয়েছিলেন আর্থার মাসুয়াকু। স্পট কিক থেকে গোলটি করেছেন মিশরীয় এই ফরোয়ার্ড-ই।
দ্বিতীয়ার্ধে ফিরমিনোর বদলে মাঠে নামেন ইয়োতা। নামার পর নিজের ঝলক দেখাতে শুরু করেন তিনি। ৮০ মিনিটে স্কোর করেছিলেন। কিন্তু ভার রিভিউতে দেখা যায় প্রতিপক্ষ গোলকিপারের ওপর ফাউল করেছিলেন সাদিও মানে। যে কারণে বাতিল করা হয় এই গোল। তবে ৫ মিনিট বাদে আর কোনও ভুল হয়নি। বদলি শাকিরির কাছ থেকে পাওয়া থ্রু বল জালে পাঠিয়ে স্বাগতিকদের জয়ের আনন্দে ভাসান ইয়োতা।
মুলার-জিনাব্রির গোলে বায়ার্নের জয়
ক্রীড়া প্রতিবেদক
টমাস মুলার ও সের্গে জিনাব্রির গোলে বুন্দেসলিগায় কোলনের বিপক্ষে ২-১ ব্যবধানের জয় তুলে নিয়েছে বায়ার্ন মিউনিখ। আর এ জয়ের ফলে লিগে টানা চতুর্থ ম্যাচে পূর্ণ তিন পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়ল হ্যান্স ফিকের শিষ্যরা।
শনিবার কোলনের মাঠে অতিথি হিসেবে খেলতে গিয়ে ম্যাচের ১৩তম মিনিটে পেনাল্টি থেকে এগিয়ে যায় বায়ার্ন। প্রতিপক্ষের হ্যান্ডবলের সুযোগে রেফারি পেনাল্টির বাঁশি বাজালে সেখান থেকে স্পট কিকে মুলার দলকে লিড এনে দেন। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন জিনাব্রি। ডান দিক দিয়ে ডি-বক্সে ঢুকে বাঁ পায়ের শটে দূরের পোস্ট দিয়ে বল জালে পাঠান এই জার্মান ফরোয়ার্ড। দ্বিতীয়ার্ধের শেষদিকে ব্যবধান কমায় কোলন। ৮২তম মিনিটে স্বাগতিকদের ডমিনিক ড্রাক্সলার গোল করেন। গোলটিতে প্রথমে অফসাইডের বাঁশি বাজলেও পরে ভিএআরে সিদ্ধান্ত বদলে গোল দেওয়া হয়। তবে আর কোনো সুযোগ না পাওয়ায় শেষ পর্যন্ত জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে বায়ার্ন।
লিগে ছয় ম্যাচে পাঁচ জয়ে ১৫ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে উঠেছে বায়ার্ন। সমান পয়েন্ট নিয়ে দুইয়ে আছে বরুশিয়া ডর্টমুন্ড।
অবসর ভেঙে লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগে ইরফান পাঠান
ক্রীড়া প্রতিবেদক
অবসর ভেঙে আবারও টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ফিরছেন সাবেক ভারতীয় অলরাউন্ডার ইরফান পাঠান। লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগে তাকে চুক্তিবদ্ধ করেছে ক্যান্ডি টাস্কার্স। যে দলটির মালিক বলিউড তারকা সালমান খানের পরিবার।
এই দলে পাঠানের সঙ্গে ড্রেসিং রুম ভাগাভাগি করবেন ক্রিস গেইল, স্থানীয় তারকা কুশল পেরেরা, লঙ্কান টি-টোয়েন্টি স্পেশালিস্ট কুশল মেন্ডিস, নুয়ান প্রদীপ ও ইংলিশ পেসার লিয়াম প্লাঙ্কেট। এছাড়া দলটির কোচিং স্টাফ হিসেবে রয়েছেন সাবেক লঙ্কান অধিনায়ক হাসান তিলকারতেœ। লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগের উদ্বোধনী আসর মাঠে গড়াবে ২১ নভেম্বর। চলবে ১৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত।
রেকর্ড গড়লেন আলিম দার
ক্রীড়া প্রতিবেদক
ফিল্ড-আম্পায়ার হিসেবে ওয়ানডেতে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ পরিচালনার রেকর্ড গড়েছেন আলিম দার। ৫২ বছর বয়সী পাকিস্তানি আম্পায়ার ভেঙে দিয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকান আম্পায়ার রুডি কোয়ের্টজেনের রেকর্ড।
গতকাল রবিবার রাওয়ালপিন্ডিতে পাকিস্তান বনাম জিম্বাবুয়ের তিন ওয়ানডে সিরিজে দ্বিতীয় ম্যাচ পরিচালনা করতে নেমে এই মাইলফলকে পা রাখেন আলিম দার। আম্পায়ার হিসেবে এটি তার ২১০তম ম্যাচ। এর আগে ২০৯ ম্যাচ পরিচালনা করে রেকর্ডটি গড়েছিলেন কোয়ের্টজেন। এর আগে রেকর্ড ৩৮৭টি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ম্যাচ পরিচালনা করেছেন তিনি। তার মধ্যে আছে ১৩২ টেস্ট ম্যাচ পরিচালনা করার রেকর্ড। গত বছরের ডিসেম্বরে এই মাইলফলকে পা রাখেন তিনি। পার্থে অস্ট্রেলিয়া বনাম নিউজল্যান্ডের ম্যাচটি দিয়ে ১২৯তম টেস্ট পরিচালনা করতে নেমে আলিম দার ভেঙে দেন জ্যামাইকান আম্পায়ার স্টিভ বাকনারের রেকর্ড।
এছাড়া টি-টোয়েন্টি ম্যাচ পরিচালনার করার ক্ষেত্রে দ্বিতীয় স্থানে আছেন তিনি। ৪৬ ম্যাচ পরিচালনা করেছেন আলিম দার। ৪৯ ম্যাচ পরিচালনা করে শীর্ষে আছেন তার স্বদেশি আম্পায়ার আহসান রাজা।
কানের রেকর্ডে ভাগ বসালেন মুলার
ক্রীড়া প্রতিবেদক
বুন্দেসলিগায় পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে উঠে এসেছে ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়ন বায়ার্ন মিউনিখ। শনিবার কোলনে অনুষ্ঠিত ম্যাচে স্বাগতিকদের ২-১ গোলে হারিয়েছে বায়ার্ন। এ দিন বুন্দেসলিগায় অলিভার কানের সর্বোচ্চ ম্যাচ জয়ের রেকর্ডে ভাগ বসিয়েছেন থমাস মুলার। ৩১বছর বয়সী মুলার শুরুতেই পেনাল্টি থেকে গোল করে এগিয়ে দেন সফরকারীদের। এ ম্যাচ দিয়ে কিংবদন্তী গোলরক্ষক অলিভার কানের ২৬০ টি লিগ ম্যাচ জয়ের সহাবস্থানে পৌঁছে যান মুলার।
ম্যাচের ১৩ মিনিটে পেনাল্টি থেকে গোল করে চ্যাম্পিয়নদের এগিয়ে দেন মুলার। বিরতিতে যাওয়ার আগমুহূর্তে প্রতিআক্রমণ থেকে গ্যানাব্রি ব্যবধান দ্বিগুন করেন। দ্বিতীয়ার্ধে কোলন একটি গোল পরিশোধ করে। ম্যাচে দ্বিতীয় গোল করা সার্জ গ্যানাব্রি বলেন, ‘এটি আমাদের সেরা পারফর্মেন্স ছিল না। আমরা প্রতিপক্ষকে ম্যাচে ফেরার সুযোগ দিয়েছি।’
জিম্বাবুয়ের সর্বোচ্চ সেঞ্চুরির মালিক ব্রেন্ডন টেইলর
ক্রীড়া প্রতিবেদক
রাওয়ালপিন্ডিতে পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে ১১২ রান করেন জিম্বাবুয়ের সাবেক অধিনায়ক ব্রেন্ডন টেইলর। এটা ছিল তার ১৯৭তম ওয়ানডেতে ক্যারিয়ারের ১১তম ও পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথম সেঞ্চুরি। ম্যাচটি জিততে না পারলেও জিম্বাবুয়ের পক্ষে সর্বোচ্চ সেঞ্চুরির মালিক এখন টেইলর। তিনি সাবেক অধিনায়ক অ্যন্ডি ফাওয়ারকেও ছাপিয়ে গেছেন।
তিন ফরম্যাট মিলিয়ে টেইলরের সেঞ্চুরি এখন ১৭টি। আর অ্যন্ডি সেঞ্চুরি করেছেন ১৬টি। টেইলর ৩১ টেস্টে ৬টি, ১৯৭ ওয়ানডেতে ১১টি সেঞ্চুরি করেছেন। টি-টোয়েন্টিতে তার কোনো সেঞ্চুরি নেই। অন্যদিকে জিম্বাবুয়ের সোনালী যুগের সুপারস্টার অ্যন্ডি ফাওয়ার ৬৩ টেস্টে ১২টি, ২১৩ ওয়ানডেতে ৪টি সেঞ্চুরি করেছেন। জিম্বাবুয়ের পক্ষে সর্বোচ্চ সেঞ্চুরিতে তৃতীয়স্থানে আছেন অ্যন্ডির ভাই গ্র্যান্ট ফাওয়ার। তিনি ২৮৮ ম্যাচে ১২টি সেঞ্চুরি করেছেন।










































