স্পোর্টস ডেস্ক।।
সৌহার্দ্যের কথা মাথায় রেখে ম্যাচ শেষে ভারতের ড্রেসিংরুমে গিয়েছিলেন পাকিস্তানের ক্রিকেটাররা। যেন প্রকাশ্যে না হলেও গোপনে হ্যান্ডশেক হয়। কিন্তু সেখানে গিয়েও হতাশ হতে হয় সালমান আলী আঘাদের। মন যে তখনো গলেনি ভারতের।
তাই গোপনেও আর হ্যান্ডশেক হয়নি। এশিয়া কাপে হ্যান্ডশেক করার জন্য পর্দার আড়ালেও যে চেষ্টা চালানো হয়েছিল সেটাই এবার জানালেন পাকিস্তানের অধিনায়ক সালমান। পাকিস্তানের এআরওয়াই পডকাস্টে নতুন এই তথ্যই দিলেন তিনি।
সালমান বলেছেন, ‘সংবাদ সম্মেলন এবং ট্রফির ফটোসেশনে আমরা হ্যান্ডশেক করি।
টসের সময় আমি স্বাভাবিকই ছিলাম। তবে আমার মনে হচ্ছিল পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকবে না। কিন্তু বিষয়টা যে হ্যান্ডশেক না করা পর্যন্ত গড়াবে এতটা ভাবিনি। ম্যাচ রেফারি আমাকে বললেন হ্যান্ডশেক হবে না।
আমি বললাম, সমস্যা নেই। ম্যাচ হারার পর আমরা তাদের ড্রেসিংরুমে গিয়েছিলাম। কিন্তু তখনো হ্যান্ডশেক করেনি তারা।’
এশিয়া কাপে ভারত-পাকিস্তানের ক্রিকেটাররা হ্যান্ডশেক না করায় তা নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা হয়। বলা যায়, টুর্নামেন্টের সব আলো কেড়ে নিয়েছিল এই বিতর্কিত ঘটনাটি।
এর প্রভাব ছোটদের মাঝেও পড়েছিল। অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপে হ্যান্ডশেক করেনি দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীদের ভবিষ্যৎ তারকারাও।
বিষয়টা ক্রিকেটের জন্য মোটেও ভালো নয় জানিয়ে সালমান বলেছেন, ‘আমি অনেকবারই বলেছি, এটা ঠিক নয়। আপনি যখন একজন রোল মডেল সেই বিবেচনায় এটা মোটেও ভালো ছিল না।’









































