Home আঞ্চলিক খুলনার রাজনৈতিক অঙ্গনের মহানায়ক ‘দাদুভাই’র বিদায়

খুলনার রাজনৈতিক অঙ্গনের মহানায়ক ‘দাদুভাই’র বিদায়

109

শরিফুল ইসলাম টিপু ও সালমান ফয়সাল

না ফেরার দেশে চলে গেলেন খুলনার রাজনৈতিক অঙ্গনের এক মহানায়ক, বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ, সাবেক সংসদ সদস্য ও বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের সৈনিক এম নূরুল ইসলাম দাদু ভাই (ইন্নালিল্লাহি…রাজিউন)। বুধবার (২১ অক্টোবর) সকাল ৮টার দিকে খুলনার সিটি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে বার্ধক্যজনিত কারণে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। তার বয়স হয়েছিল ৯১ বছর। মৃত্যুকালে নুরুল ইসলাম তিন ছেলে ও এক মেয়েসহ অসংখ্য, আত্মীয়-স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

ভাষাসংগ্রামী এম নূরুল ইসলাম দাদু ১৯৩৪ সালের ২ মে খুলনা মহানগরীর ২০ বাবুখান রোড এলাকায় সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা ডা. খাদেম আহমেদ এবং মা আসিয়া খাতুন। তিনি উচ্চ মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট পাস করার পর ছাত্রজীবনে নিখিল বাংলা মুসলিম ছাত্রলীগের খুলনা শাখার সাধারণ সম্পাদক, ১৯৫২ সালে হক-ভাসানী-সোহরাওয়ার্দীর যুক্ত ফ্রন্টে, ১৯৫৭ সালে ন্যাপের খুলনা শাখার প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক, ১৯৬২ সালে খুলনার জাহানাবাদ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান, ১৯৬৮-৬৯-এর ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দান, ১৯৭১-এর মহান মুক্তিযুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন, ১৯৭২ সালে ন্যাপের খুলনা মহানগর শাখার সভাপতি ও কেন্দ্রীয় সদস্য, ১৯৭৮ সালে প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের জাতীয়তাবাদী যুক্তফ্রন্টে যোগদান, ১৯৭৯ সালে খুলনা মহানগর বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এবং কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য, ২০০১ সালে খুলনা-৪ আসন (রূপসা-তেরখাদা-দিঘলিয়া) থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। সর্বশেষ তিনি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি সবার কাছে ‘দাদু’ নামে পরিচিত ছিলেন।

সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা আর ভালোবাসায় সিক্ত:

ভাষাসৈনিক মহানগর বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি সাবেক সংসদ সদস্য এম নুরুল ইসলাম দাদু ভাই মৃত্যুর খবর পেয়ে মুহুর্তের মধ্যে গগণ বাবু মোড়ের বাসায় বিএনপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ সমবেদনা জ্ঞাপনে ছুটে আসেন। এরপর বেলা সাড়ে ১২টায় তার মরদেহ দীর্ঘ দিনের রাজনৈতিক সেই ৬নং কেডি ঘোষ রোডের দলীয় কার্যালয়ের সামনে আনা হয়। এর আগেই প্রিয় নেতাকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে দলীয় কার্যালয়ের সামনে জড়ো হন বিএনপির সকল স্তরের নেতাকমী। সেখানে নেতাকর্মীদের মাঝে শোকাবহ পরিবেশের সৃষ্টি হয়। তাঁকে এক নজর দেখতে কফিনের পাশে ভীড় করতে থাকেন উপস্থিত নেতাকর্মীরা। খুলনা মহানগর ও জেলার শীর্ষ নেতৃবৃন্দ দলীয় পতাকা তার মৃতদেহ আচ্ছাদিত করেন। এরপর শুরু হয় শ্রদ্ধা জানানোর পর্ব। প্রথমে পুষ্পমাল্য অর্পন করে শ্রদ্ধা জানায় খুলনা মহানগর ও জেলা বিএনপির নেতাকর্মীরা। একে একে সদর, সোনাডাঙ্গা, দৌলতপুর, খানজাহান আলী থানা বিএনপি, তেরখাদা উপজেলা, রূপসা থানা, দিঘলিয়া থানা, ডুমুরিয়া থানা, দাকোপ উপজেলা, ফুলতলা থানা বিএনপি, মহানগর ও জেলা ছাত্রদল, নগর ও জেলা যুবদল, নগর ও জেলা স্বেচ্ছাসেবক দল, নগর ও জেলা শ্রমিক দল, মৎস্যজীবী দল, তাতী দল, মহিলা দল, জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম, জাসাস, জিয়া পরিষদ মহানগর ও জেলা শাখা, জিয়া শিশু কিশোর সংগঠন, কৃষক দলসহ বিভিন্ন থানা ও ওয়ার্ড বিএনপি এবং অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ। এছাড়া বিকালে সার্কিট হাউস মাঠে পুস্তমাল্য অর্পন করেন খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র, খুলনা মহানগর ও জেলা আওয়ামী লীগ, খুলনা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটি, কেসিসি কাউন্সিলর ফোরাম, বন্ধন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, বৃহত্তর আমরা খুলনাবাসী, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি খুলনা মহানগর ও জেলা শাখা, জাতীয় কবি নরজরুল ইসলাম পরিষদ, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ খুলনা মহানগর। বিকাল খুলনা সার্কিট হাউজ মাঠে জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। জানাজার নামাজ পড়ান টাউন জামে মসজিদের ভারপ্রাপ্ত খতিব হাফেজ মাওলানা আবু দাউদ। জানাজার নামাজ শেষে টুটপাড়া কবরস্থানে পিতার কবরের পাশে দাফন করা হয় ভাষা সৈনিক এম নুরুল ইসলাম দাদু ভাইকে। জানাযায় উপস্থিত ছিলেন খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ও নগর আ’লীগের সভাপতি তালুকদার আব্দুল খালেক, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আ’লীগের সভাপতি শেখ হারুনুর রশিদ, সাবেক সংসদ সদস্য মিজানুর রহমান, নগর আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক এমডিএ বাবুল রানা, এমরান হোসেন। বিএনপি নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম মঞ্জু, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, জেলা বিএনপির সভাপতি এড. শফিকুল আলম মনা, নগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনি, সিনিয়র সহ-সভাপতি সাহারুজ্জামান মোর্ত্তজা, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আমীর এজাজ খান, বিএনপি নেতা সৈয়দ সাবেরুল ইসলাম সাবু, মীর কায়সেদ আলী, শেখ মোশাররফ হোসেন, জাফরউলাহ খান সাচ্চু, এড. এসআর ফারুক, সিরাজুল ইসলাম, স ম আব্দুর রহমান, ইকবাল হোসেন, শেখ জাহিদুল ইসলাম, অধ্যক্ষ তারিকুল ইসলাম, মনিরুজ্জামান মন্টু, শেখ আব্দুর রশিদ, জুলফিকার আলী জুলু, আরিফুজ্জামান অপু, মোলা খায়রুল ইসলাম, সিরাজুল হক নান্নু, মাহবুব কায়সার, নজরুল ইসলাম বাবু, আসাদুজ্জামান মুরাদ, সাইফুর রহমান মন্টু, আবু হোসেন বাবু, কামরুজ্জামান টুকু, আশরাফুল আলম নান্নু, শহিদুল আলম, শেখ মোশারফ হোসেনসহ থানা, ওয়ার্ড, ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গসহযোগি সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং সাংবাদিক, প্রকৌশলী, ব্যবসায়ী, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। জামায়াত নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় সেক্রেটারী মিয়া গোলাম পরোয়ার, মাওলানা আবুল কালাম আজাদ, মাওলানা এমরান হোসেন, মাওলানা শফিকুল আলম, মাওলানা মাহফুজুর রহমান, এড. শাহ আলম। জাতীয় পার্টির নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন এড. লতিফুর রহমান লাবু, সিরাজ উদ্দিন সেন্টু, আবুল হোসেন, মুজিবর রহমান, ইসলামী আন্দোলনের নগর সেক্রেটারী শেখ মোঃ নাসির উদ্দিন, মাওলানা ভাষানী পরিষদের সভাপতি শেখ আ: হালিম, কবি নজরুল গবেষণা পরিষদের সভাপতি সৈয়দ আলী হাকিম, মরহুম এম নুরুল ইসলাম দাদু ভাইয়ের ছেলে আরিফুল ইসলাম ও মনিরুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া সমবেদনা জানাতে আসেন জেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক এড. সুজিত অধিকারী।

খুলনা মহানগর বিএনপির শোক :

বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টামন্ডলীর সদস্য ভাষাসৈনিক এম নুরুল ইসলাম দাদু ভাইয়ের মৃত্যুতে শোক জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন নগর বিএনপির সভাপতি সাবেক সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম মঞ্জু, সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক মেয়র মনিরুজ্জামান মনি, সাহারুজ্জামান মোর্ত্তজা, মীর কায়সেদ আলী, শেখ মোশাররফ হোসেন, জাফরউলাহ খান সাচ্চু, জলিল খান কালাম, সিরাজুল ইসলাম, এড. ফজলে হালিম লিটন, স ম আব্দুর রহমান, শেখ ইকবাল হোসেন, শেখ জাহিদুল ইসলাম, অধ্যক্ষ তারিকুল ইসলাম, শেখ আমজাদ হোসেন, অধ্যাপক আরিফুজ্জামান অপু, সিরাজুল হক নান্নু, মো. মাহবুব কায়সার, নজরুল ইসলাম বাবু, আসাদুজ্জামান মুরাদ, এস এম আরিফুর রহমান মিঠু ও ইকবাল হোসেন খোকন প্রমুখ।

খুলনা বিএনপির ৩ দিনের শোক:

খুলনা মহানগর বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য ভাষা সৈনিক এম নুরুল ইসলাম দাদু ভাইয়ের মৃত্যুতে ৩ দিনের (বৃহস্পতিবার থেকে শনিবার) শোক ঘোষনা করেছে খুলনা বিএনপি।  শোক কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে সকল দলীয় কার্যালয়ে দলীয় পতকা অর্ধনম্মিতকরণ, কালো পতকা উত্তোলন ও কালো ব্যাজ ধারণ, থানা পর্যায়ে দোয়া স্ব স্ব থানা বিএনপি নিজেদের সুবিধামত সময়ে পালন করবে, বাদ জুম্মা ওয়ার্ড/ইউনিয়ন পর্যায়ে দোয়া এবং শুক্রবার বাদ আছর নগর ও জেলা বিএনপির উদ্যোগে দলীয় কার্যালয়ে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে।

বিভিন্নমহলের শোক:

ভাষাসৈনিক, মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক, বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ এম নুরুল ইসলাম দাদুভাইয়ের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন বিভিন্নমহল। বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি খুলনা জেলা ও মহানগর কমিটির নেতৃবৃন্দ গভীর শোক ও শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে বিবৃতি প্রদান করেছেন। বিবৃতিদাতা নেতৃবৃন্দ হলেনÑওয়ার্কার্স পার্টি, খুলনা জেলা সভাপতি কমরেড এড. মিনা মিজানুর রহমান, মহানগর সভাপতি কমরেড শেখ মফিদুল ইসলাম, জেলা সাধারণ সম্পাদক কমরেড আনসার আলী মোল্লা, মহানগর সাধারণ সম্পাদক কমরেড এস এম ফারুখ-উল ইসলাম, জেলা ও মহানগর সম্পাদকম-লীর সদস্য কমরেড দেলোয়ার উদ্দিন দিলু, কমরেড গৌরাঙ্গ প্রসাদ রায়, কমরেড শেখ মিজানুর রহমান, কমরেড মনির আহমেদ, কমরেড খলিলুর রহমান, কমরেড আব্দুস সাত্তার মোল্লা, কমরেড নারায়ণ সাহা, কমরেড আমিরুল ইসলাম, নির্বাহী সদস্য শেখ সাহিদুর রহমান, কমরেড মনিরুজ্জামান, কমরেড সন্দীপন রায়, কমরেড রেজাউল করিম খোকন, কমরেড কৌশিক দে বাপী, কমরেড আঃ হামিদ মোড়ল, কমরেড মোঃ আলাউদ্দিন, কমরেড মনির হোসেন, কমরেড আরিফুর রহমান বিপ্লব, কমরেড এড. কামরুল হোসেন জোয়ার্দ্দার, কমরেড অজয় দে, কমরেড বাবুল আখতার, কমরেড হাফিজুর রহমান, কমরেড গৌরী ম-ল প্রমুখ। যৌথভাবে বিবৃতি দিয়েছেন খুলনা জেলা বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। বিবৃতিদাতারা হলেন খুলনা জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম মনিরুল হাসান বাপ্পী, সহ সভাপতি খান জুলফিকার আলী জুলু, মোস্তফা উল বারী লাভলু, শেখ আলী আজগর, যুবদল সভাপতি এস এম শামীম কবির, স্বেচ্ছাসেকবদল সভাপতি তৈয়বুর রহমান, শ্রমিকদল সভাপতি বাবু উজ্জ্বল কুমার সাহা, যুবদল সাধারন সম্পাদক ইবাদুল হক রুবায়েদ, ওলামাদল আহবায়ক আলহাজ্ব হাফেজ মাও. ফারুক হোসেন, জাসাস আহবায়ক সাইদুজ্জামান খান, স্বেচ্ছাসেকবদল সাধারন সম্পাদক আতাউর রহমান রুনু, শ্রমিকদল সাধারন সম্পাদক খান ইসমাইল হোসেন, ছাত্রদল সভাপতি আব্দুল মান্নান মিস্ত্রী, সাধারন সম্পাদক গোলাম মোস্তফা তুহিন, মহিলাদল সাধারন সম্পাদক এ্যাড. সেতারা সুলতানা, মৎস্যজীবীদল সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক আজিজুল ইসলাম, ওলমাদল সদস্য সচিব হাফেজ মাও. নজরুল ইসলাম, জাসাস সদস্য সচিব শহিদুল ইসলাম শহিদ, হাফিজুর রহমান, অধ্যাপক আইয়ুব আলী, মতিউর রহমান বাচ্চু, মিরাজুর রহমান মিরাজ, খান আইয়ুব আলী, রফিকুল ইসলাম বাবু, মাসুদ জমাদ্দার, আরিফুর রহমান, শফিকুল ইসলাম শফিক, আবু মুসা, হাবিবুর রহমান হবি, আব্দুল মালেক, মাসুম বিল্লাহ, খান আনোয়ার হোসেন, শেখ ইউসুফ আলী, ইলিয়াস মল্লিক, শেখ আব্দুর রহমান, হিরাঙ্গীর হোসেন হিরু, হিরু মোড়ল প্রমূখ। মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি শরিফুল ইসলাম বাবু, তারেক হাবিবুল্লাহ, রিয়াজ শাহেদ, ইফতেখার জামান নবীন, শামীম আশরাফ, শরিফুল ইসলাম সাগর, সাইফুল ইসলাম, আল আমিন তালুকদার প্রিন্স, আব্দুল্লাহ কিমিয়া সাদাত, আব্দুল্লাহ আল মামুন, মল্লিক জাহিদুল ইসলাম, বেল্লাল হোসেন, রবিউল আলম, মোঃ ফিরোজ আহমেদ, সৈয়দ আব্দুল্লাহ, জহিরুল ইসলাম শাকিল, আশিকুর রহমান আশিক, সোহাগ আহমেদ, শেখ মসফিকুর হাসান অভি, আরিফুর রহমান আরিফ, সাজ্জাদ হোসেন জিতু, মাহিম আহমেদ রুবেল, রাজিবুল আলম বাপ্পি, মাহমুদুল হাসান মুন্না, আব্দুল আহাদ শাহীন, মাসুদ রানা, রাজু আহমেদ রাজ, খায়রুল ইসলাম পিয়াস, জিল্লুর রহমান, আরিফুর রহমান, শরীফ চৌধুরী সোহেল, হৃদয় হোসেন রিপন, আল হাসিব বিল্লাহ, শামীম রেজা, সামুরাই হোসেন মাসুদ, ইমরান হোসেন, মিজানুর রহমান শাকিল, ইবাদুল ইসলাম, আশিক মাহমুদ নকিব, আবু হানিফা সুমন, মোঃ নাজিম উদ্দিন, মশিউর রহমান তুষার, রাজু হাওলাদার জুম্মান, তুহিন ইসলাম, শেখ আল মামুন, এবাদত হোসেন, মনিরুজ্জামান মনি, জিয়াউর রহমান জুয়েল, নাজমুল হোসেন, আকরাম হোসেন, ইয়াসিন শেখ ডালিম, শাহাবুদ্দীন শাওন, ইজবুর রহমান ইমুল, মোঃ আলাদ হোসেন, আল আমিন হোসেন, মুস্তাহিদুল হক দিহান, আবির হোসেন, ইয়াসিন শেখ, মোঃ হোসেনুজ্জামান হোসেন, সাইমুন রিয়াজ, আব্দুর রহমান, শেখ শামসাদ হোসেন আবিদ, সাব্বির বিন সারাফাত, মোঃ নাঈম ইসলাম প্রমুখ। ফুলতলা উপজেলা কমিটির আহবায়ক অধ্যাপক ডা: গাজী আঃ হক, যুগ্ম আহবায়ক এস এ রহমান বাবুল, মোঃ সেলিম সরদার, মনির হাসান টিটো, শেখ আবুল বাশার, শেখ লুৎফর রহমান, অহিদুজ্জামান নান্না, শেখ আঃ সালাম, হারুন অর রশিদ, আনোয়ার হোসেন বাবু প্রমুখ। জিয়া পরিষদ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সভাপতি ও খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ডিন প্রফেসর ড. মোঃ হারুনর রশীদ খান, খুলনা বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ হুমাউন কবীর, জেলা সভাপতি অধ্যাপক মনিরুল হক বাবুল, মহানগর সভাপতি এ্যাডঃ মশিয়ুর রহমান নান্নু, অধ্যাপক শফিকুল আলম, এস,এম মোহাম্মদ আলী, কাজী ফেরদাউস বাবু, মোঃ সফিকুর রহমান, অধ্যাপক শেখ মুনিবুর রহমান, অধ্যাপক রবিউল ইসলাম, মোঃ মিসকাত হোসেন, অধ্যাপক জাকির হোসেন, মোঃ মিজানুর রহমান মিজান, মোঃ হাবিবুর রহমান, মোঃ মনজুর রহমান, অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম, এ্যাডঃ মহসীন মোল্লা, এ্যাডঃ আব্দুস সোবাহান, মোঃ জাহিদুর রহমান রাজু, এমএম এ বাসার, মোঃ নাসির উদ্দিন, মোঃ খোরশেদ আলম, মোঃ রবিউল ইসলাম মোঃ সাইফুল ইসলাম শামীম, শেখ আবু সাঈদ, মোঃ মাহমুদুল হাসান, মুকুল হোসেন মোল্লা, রবিউল ইসলাম রবি, এস এম আজমীরুল হামজা জেমস, মল্লিক আলমগীর সিদ্দিকী, মোঃ জায়েদ আলম, মোঃ আলী মোর্ত্তজা, এস এম মারুফ আহমদ প্রমুখ।