স্টাফ রিপোর্টার
অন্তর্র্বতীকালীন সরকারের নির্লিপ্ততায় সারাদেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি এবং দেশের বিরুদ্ধে চলমান ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে খুলনায় পৃথক বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে মহানগর ও জেলা যুবদল। কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার বিকাল সাড়ে চারটায় এই কর্মসূচি পালিত হয়।
খুলনা রেলস্টেশনের সামনে থেকে খুলনা মহানগর যুবদলের আহ্বায়ক আব্দুল আজিজ সুমনের নেতৃত্বে একটি বিশাল বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। মিছিলটি নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে দলীয় কার্যালয়ের সামনে এসে শেষ হয়। পরে সেখানে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা মহানগর বিএনপি’র সভাপতি অ্যাডভোকেট শফিকুল আলম মনা এবং প্রধান বক্তা ছিলেন খুলনা মহানগর বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন। সমাবেশটি পরিচালনা করেন খুলনা মহানগর যুবদলের সদস্য সচিব রবিউল ইসলাম রুবেল।
সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে খুলনা মহানগর বিএনপি’র সভাপতি অ্যাডভোকেট শফিকুল আলম মনা বলেন, “আমরা দীর্ঘ ১৫ বছর দেশনায়ক তারেক রহমানের নেতৃত্বে সংগ্রামের মাধ্যমে ফ্যাসিবাদকে বাংলাদেশ থেকে বিতাড়িত করেছি, কিন্তু তার ছায়া এখনো রয়ে গেছে।” তিনি অভিযোগ করেন, একটি মহল সারা বাংলাদেশে ষড়যন্ত্র করছে এবং আগামী নির্বাচনকে বানচাল করার পাঁয়তারা চালাচ্ছে।
অ্যাডভোকেট মনা আরও বলেন, “দেশনায়ক তারেক রহমান যে ৩১ দফা দিয়েছেন, তার ভিত্তিতেই আগামী দিনে সর্বদলীয় সরকার প্রতিষ্ঠিত হবে। সেই নির্বাচনকে বানচাল করার জন্যই এই ষড়যন্ত্র চলছে। বিএনপি ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে ১৭ বছর ধরে আপোসহীনভাবে লড়াই করেছে এবং ভবিষ্যতেও করবে।”
তিনি যুবদলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, “আসুন আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ হই। আমাদের কাঙ্ক্ষিত বিজয়, মানুষের ভোটের অধিকার ফিরিয়ে আনা এবং বাংলাদেশে তারেক রহমানের সরকার প্রতিষ্ঠা না করা পর্যন্ত আমরা জীবনের শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে হলেও লড়াই চালিয়ে যাব। মানুষের গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার জন্য আমাদের এই সংগ্রাম অব্যাহত থাকবে।”
সমাবেশে প্রধান বক্তা শফিকুল আলম তুহিন এবং সভাপতি আব্দুল আজিজ সুমনও বর্তমান পরিস্থিতি ও সরকারের ভূমিকার তীব্র সমালোচনা করে বক্তব্য রাখেন। বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশকে কেন্দ্র করে যুবদলের বিভিন্ন থানা থেকে বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন।
অপরদিকে বৃহস্পতিবার বিকাল ৩টায় খুলনা জেলা যুবদলের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা যুবদলের আহ্বায়ক ইবাদুল হক রুবায়েদ।
জেলা যুবদলের সদস্য সচিব নাদিমুজ্জামান জনির সঞ্চালনায় উপস্থিত ছিলেন জেলা যুবদলের সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুল্লাহেল কাফি সখা, মোল্লা আইয়ুব হোসেন, জাবির আলী, মাশকুর হাসান ফ্রান্স, ওয়াহিদুজ্জামান সোহাগ, তানভীর আহমেদ সুমন, তৌহিদুজ্জামান মুকুল, মোল্লা হুমায়ুন কবির, শফিকুল ইসলাম বাচ্চু, প্রভাষক মঞ্জুর রশিদ, আবু বকর সিদ্দিক নিরু, কুদরত-ই-এলাহী স্পিকার, আরিফুজ্জামান দুলু, সন্দিপ চট্টোপাধ্যায়, জাহিদুর রহমান শোভন, মোমিনুর রহমান সাগর, ইয়ারুল ইসলাম রিপন, রাসেল আহমেদ নাসিম, রুবেল মীর, মোল্লা মশিউর রহমান, রবিউল ইসলাম রবি, সরদার ইমরান হোসেন, বাহাদুর মুন্সী, আনোয়ারুল ইসলাম, আমিনুল ইসলাম বুলবুল, সরদার বিল্লাল হোসেন, আঃ আমিন গাজী নয়ন, সরদার পীর আলী, আশিকুজ্জামান আশিক, মাহমুদুল হাসান মিঠু, মোস্তাফিজুর রহমান আজিবর, মুন্না সরদার, ইসানুর রহমান ইসান, আজমল হোসেন লিটন, মোঃ রাশেদ সানি, শেখ আব্দুর রাজ্জাক, মিজবাউল হক শুভ, শাওন ইবনে আকবর, আব্দুল্লাহ আল মামুন রাজু, সেলিম চৌধুরী, তৌহিদুর রহমান শান্ত, মোঃ জাহিদ হাসান, রেজাউল করিম খোকন, নাজমুস সাকিব, হিরণ চৌধুরী, তুষার মোল্লা, মাইনুল ইসলাম মিন্টু, জুয়েল বিশ^াস, মাসুদ রানা, শফিক মোল্লা, মোঃ মহসিন, ইউসুফ মোড়ল, খান আবুল কালাম আজাদ, রমজান গাজী, পারভেজ গাজী, ইকরামুল ইসলাম, বদিয়ার রহমান, দেলোয়ার হোসেন, মাসুদুর রহমান, ইউনুস আলী, সোহাগ গোলদারসহ খুলনা জেলার অন্তর্গত ৯টি উপজেলা ও ২টি পৌরসভা যুবদলের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী।











































