Home খেলাধুলা আড়ংঘাটায় গ্রামবাংলার ষাঁড়ের লড়াই

আড়ংঘাটায় গ্রামবাংলার ষাঁড়ের লড়াই

17


জাহিদুর রহমান
“নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে যুব সমাজকে মাদক থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার বিকল্প নেই” এই শ্লোগানকে সামনে রেখে আড়ংঘাটা ইউনিয়ন বিএনপির ১নং ওয়ার্ডের সার্বিক তত্ত্বাবধানে আয়োজন করা হয় গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী ‘ষাঁড়ের লড়াই’। হারিয়ে যাওয়া বাংলার ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনার পাশাপাশি যুব সমাজকে খেলাধুলার মাধ্যমে সচেতন ও সক্রিয় রাখাই ছিল এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য।
আড়ংঘাটা ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে হাজারো দর্শকের উপস্থিতিতে আয়োজনটি প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। আয়োজনের সভাপতিত্ব করেন দৌলতপুর থানা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মতলুবুর রহমান মিতুল এবং সঞ্চালনায় ছিলেন আড়ংঘাটা ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিশ্র।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা মহানগর বিএনপির সভাপতি এডভোকেট এস এম শফিকুল আলম মনা। তিনি বলেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি সবসময় যুব সমাজকে সচেতন, স্বনির্ভর ও দেশপ্রেমিক হিসেবে গড়ে তুলতে চায়। মাদকের করাল গ্রাস থেকে তরুণ প্রজন্মকে রক্ষা করতে আমাদের শেকড়ের খেলাগুলোকে নতুনভাবে তুলে ধরতে হবে।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন, দৌলতপুর থানা বিএনপির সভাপতি এম মুর্শিদ কামাল, দিঘলিয়া উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোঃ সাইফুল রহমান মিন্টু মোল্লা, দৌলতপুর থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শেখ ইমাম হোসেন এবং আড়ংঘাটা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. রাসেলুজ্জামান রাসেল।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন রাজউর রহমান প্রিন্স, খুরশিদ আলম লেলিন, শাহরিয়ার রানা, মহিদুল ইসলাম, হান্নান মোল্লা, জামাল হোসেন, জাবির শেখ, এহসানুল ইসলাম শিথিল, মানিক সরদার, হৃদয় বিশ্বাস, ফারুক শেখ, এখলাস মোল্লা, সেলিম মল্লিক, নুর ইসলাম, মাসুম রেজা, আকাশ, আমিন মোল্লা, সিয়াম মোল্লা প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, শুধু রাজনৈতিক বক্তব্য নয়, বরং বাস্তব উদ্যোগের মাধ্যমেই তরুণদের মাঝে নতুন বাংলাদেশ গড়ার প্রেরণা ছড়িয়ে দিতে হবে। মাদক, সন্ত্রাস, ও বেকারত্ব থেকে মুক্তি পেতে হলে খেলাধুলা, সংস্কৃতি ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের বিকল্প নেই।
ষাঁড়ের লড়াইয়ে অংশ নেওয়া প্রতিযোগীরা তাদের প্রশিক্ষিত ষাঁড় নিয়ে মাঠে নেমে একের পর এক চমকপ্রদ লড়াই উপহার দেন। তীব্র উত্তেজনা আর হর্ষধ্বনিতে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো মাঠ এলাকা।
আড়ংঘাটায় আয়োজিত এই ঐতিহ্যবাহী খেলাটি শুধু বিনোদনই নয়, বরং সামাজিক বার্তা ছড়িয়ে দেওয়ার একটি মাধ্যম হয়ে উঠেছে। ভবিষ্যতেও এ ধরণের আয়োজন অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন আয়োজকরা।