স্টাফ রিপোর্টার
রাষ্ট্রায়ত্ব সকল পাটকল অবিলম্বে চালু, দুর্নীতি-লুটপাট-ভুলনীতি বন্ধ ও আধুনিকায়ন করা এবং অবসরপ্রাপ্ত ও কর্মরতসহ শ্রমিকদের সকল পাওনা অবিলম্বে পরিশোধসহ ১৪ দফা দাবিতে পাটকল রক্ষায় সম্মিলিত নাগরিক পরিষদের উদ্যোগে আজ ৯ সেপ্টেম্বর বিকেল ৫টায় খালিশপুর শিল্পাঞ্চলে গণমিছিল অনুষ্ঠিত হয়। প্লাটিনাম জুট মিল গেট হতে শুরু হয়ে ক্রিসেন্ট ও খালিশপুর জুট মিল হয়ে নতুন রাস্তার মোড় পর্যন্ত গণমিছিল শেষে অনুষ্ঠিত সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন পরিষদের আহ্বায়ক এড. কুদরত-ই-খুদা এবং পরিচালনা করেন সদস্য সচিব এস এ রশীদ। বক্তব্য রাখেনÑবাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) কেন্দ্রীয় সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স, কেন্দ্রীয় সদস্য ও খুলনা জেলা সভাপতি ডাঃ মনোজ দাশ, যুগ্ম আহ্বায়ক আহ্বায়ক ও নাগরিক নেতা এড. আ ফ ম মহসিন, ওয়ার্কার্স পার্টি (মার্কসবাদী) কেন্দ্রীয় সদস্য ও শ্রমিক নেতা মোজাম্মেল হক, বাম জোট ও বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদ খুলনা জেলা সমন্বয়ক জনার্দন দত্ত নাণ্টু, ইউনাইটেড কমিউনিস্ট লীগ খুলনা জেলা সম্পাদকম-লীর সদস্য আনিসুর রহমান মিঠু, গণসংহতি আন্দোলন খুলনা জেলা সমন্বয়ক মুনীর চৌধুরী সোহেল, টিইউসি খুলনা জেলা সভাপতি এইচ এম শাহাদাৎ, সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্ট খুলনা জেলা সাধারণ সম্পাদক আব্দুল করিম, সিপিবি খুলনা জেলা সদস্য মিজানুর রহমান বাবু, খুলনা মহানগর সাধারণ সম্পাদক এড. মোঃ বাবুল হাওলাদার, ইউসিএলবি খুলনা জেলা সম্পাদকম-লীর সদস্য মোস্তফা খালিদ খসরু, কাজী দেলোয়ার হোসেন, খুলনা উন্নয়ন ফোরামের চেয়ারম্যান শরীফ শফিকুল হামিদ চন্দন, বৃহত্তর আমরা খুলনাবাসী’র সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান খোকন, খালিশপুর ব্যবসায়ী মালিক সমিতি’র সাধারণ সম্পাদক ডাঃ মোসাদ্দেক হোসেন বাবলু, বৃহত্তর খুলনা উন্নয়ন সংগ্রাম সমন্বয় কমিটির যুগ্ম মহাসচিব আফজাল হোসেন রাজু, সমাজতান্ত্রিক মহিলা ফোরাম খুলনা জেলা আহ্বায়ক কোহিনুর আক্তার কণা, বাংলাদেশ যুব ইউনিয়ন খুলনা জেলা সভাপতি এড. নিত্যানন্দ ঢালী, সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক জয়ন্ত মুখার্জী, শ্রমিক নেতা সামশেদ আলম শমশের, নজরুল ইসলাম মল্লিক, জালাল মোল্লা, মেহেদী হাসান বিল্লাল, অলিয়ার রহমান, নূরুল ইসলাম, নাজিম উদ্দিন জয়, আবুল হাসেম, জসিম গাজী, হামজা গাজী, আব্দুর রাজ্জাক তালুকদার, আব্দুল্লাহ ফয়সল, শামস শারফিন, গোবিন্দ বৈদ্য, মোঃ ইসমাইল, নাসিমা আক্তার, বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন কেন্দ্রীয় সভাপতি মোলাম মোস্তফা, খুলনা নগর আহ্বায়ক আল আমিন, সম্পাদক অনীক ইসলাম, বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন খুলনা জেলা নেতা সৌরভ সমাদ্দার, কৃষ্ণেন্দু বাছাড়, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট খুলনা জেলা সদস্য মাহিলা আক্তার আনিকা প্রমুখ।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, সরকার রাষ্ট্রায়ত্ব ২৫টি পাটকল বন্ধ করে দিয়ে স্থায়ী, বদলী ও দৈনিক ভিত্তিক প্রায় ৭০ হাজার শ্রমিককে বেকার করে তাদের পরিবারকে অন্ধকার ভবিষ্যতের দিকে ঠেলে দিয়েছে। যে দুর্নীতি ও ভুলনীতির কারণে এসব মিলগুলো লোকসান হয়েছে, তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে তার দায় শ্রমিকদের উপর চাপিয়ে দিয়ে প্রায় ২৬ হাজার কোটি টাকার সম্পদ দেশীয় লুটপাটকারী ও পাটপণ্যের বাজার ভারতের হাতে তুলে দিতেই সরকার পাটকলগুলো বন্ধ করেছে। নেতৃবৃন্দ বলেন, কোনোভাবেই এসব মিল পিপিপি, লীজ বা ব্যক্তিমালিকানায় দেয়া চলবে না। শ্রমিক-কর্মচারী ঐক্য পরিষদ (স্কপ)-এর প্রস্তাবনা অনুযায়ী মাত্র ১২শ কোটি টাকা ব্যয়ে আধুনিকায়ন করতে হবে। একই সাথে অবসরপ্রাপ্ত ও কর্মরতসহ সকল শ্রমিকদের বকেয়া পাওনা এককালীন পরিশোধ করতে হবে। অবিলম্বে দাবি মেনে না নিলে আগামীদিনে আরও বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলার দৃঢ়প্রত্যয় ব্যক্ত করেন নেতৃবৃন্দ। সমাবেশ থেকে আগামী ১৩ সেপ্টেম্বর বিকেল ৪টায় পিপলস গোল চত্বরে সংহতি সমাবেশ কর্মসূচির ঘোষণা করা হয়।










































