Home আঞ্চলিক নড়াইলে বৃদ্ধার ঘর-বাড়ি ভাঙচুর ও জমি দখলের অভিযোগ

নড়াইলে বৃদ্ধার ঘর-বাড়ি ভাঙচুর ও জমি দখলের অভিযোগ

12

নড়াইল প্রতিনিধি
নড়াইলে এক বিধবা বৃদ্ধার ঘর-বাড়ি ভাঙচুর ও জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে। নিজের বসত ভিটায় ফিরতে এখন দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন ওই নারী। ঘটনাটি ঘটেছে নড়াইল সদর উপজেলার চণ্ডিবরপুর ইউনিয়নের রতডাঙ্গা গ্রামে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শুভা রাণী বিশ্বাস নড়াইল সদর থানায় একটি অভিযোগ করেছেন। অভিযুক্তরা একই গ্রামের মৃত গোবিন্দ অধিকারীর ছেলে শুসান অধিকারী ও সমীর অধিকারী।
ভুক্তভোগী শুভা রানী অভিযোগে উল্লেখ করেছেন, অভিযুক্ত শুসান ছোটবেলা থেকে শুভা রানীদের বাড়িতে থেকে তাদের জমিতে কাজকর্ম করতেন। বছর খানেক আগে শুভা রাণীর স্বামী মারা যান। এরপর থেকে শুভা রাণী একাই বসবাস করতেন। একপর্যায়ে গত ১২ ফেব্রুয়ারি শুসান ও সমীর লোকজন নিয়ে শুভা রাণীর বাড়িতে এসে তার ঘরবাড়ি ভেঙে ফেলেন। এসময় শুভা রাণী বাড়ি ভাঙতে বাঁধা দিলে শুসান বলেন, তোমার স্বামী আমাকে জমি লিখে দিয়েছে, তোমরা আমাদের বাড়ি খালি করে দাও। শুভা রাণী বলেন, আমার স্বামী জমি লিখে দিলে তো আমি জানতাম। ওরা জাল দলিল করে জমি দখল করেছে। এ নিয়ে আদালতে মামলাও চলছে। আদালত এখনো কোনো রায় দেয় নি। ঘরবাড়ি ভাঙতে এলে আমি বাঁধা দিছিলাম, ওরা শোনেনি। পরে থানায় অভিযোগ দিয়ে এসে দেখি, ঘরের মেঝের মাটি পর্যন্ত কেটে ফেলেছে। গাছ-গাছালি কেটে ফেলেছে। বাধ্য হয়ে ওইদিনই শুভা রাণী নড়াইল সদর থানায় লিখিত অভিযোগ করেছি। কিন্তু এখনো কোনো প্রতিকার পায়নি। তারা আমার জমিতে ঘর নির্মাণ অব্যাহত রেখেছেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত শুসান বলেন, ঘরবাড়িসহ এই জমি আমার কেনা। আমার ঘর-দরজা নষ্ট হয়ে গেছে, তাই ভেঙে নতুন করে ঘর করতিছি।জমির মালিকানা নিয়ে চলমান বিষয়টি স্বীকার করে শুসান বলেন, আমাকে জমিতে উঠতে না দেওয়ার জন্য মিথ্যা মামলা করেছে। মামলায় এখনো কারও পক্ষে রায় হয়নি। কিন্তু আদালত আমাকে জমিতে উঠতেও নিষেধ করিনি। তাই আমার বাড়ি আমি ভাঙছি।
নড়াইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকতা(ওসি) মো. সাজেদুল ইসলাম বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর বিট অফিসার প্রেরন করি। জানা যায় নিজেরা নিজের বাড়ি ভেঙ্গে ঘর তৈরী করছে, জমি নিয়ে আদালতে মামলা চলমান আছে।