Home আঞ্চলিক কুয়েট শিক্ষক-ছাত্রলীগ নেতা ও পুলিশসহ ১৫জনের বিরুদ্ধে সাবেক শিক্ষার্থীর মামলা

কুয়েট শিক্ষক-ছাত্রলীগ নেতা ও পুলিশসহ ১৫জনের বিরুদ্ধে সাবেক শিক্ষার্থীর মামলা

36


স্টাফ রিপোর্টার
খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট) শিক্ষার্থী লুৎফর রহমানকে আটক করে নির্যাতন ও প্রাণনাশের চেষ্টার অভিযোগ কুয়েটের প্রফেসর, সাবেক রেজিষ্ট্রার, ছাত্রলীগ সভাপতি ও পুলিশ কর্মকর্তাসহ ১৫জনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের হয়েছে।
১৬ ফেব্রুয়ারি মুখ্য মহানগর হাকীমের আমলী আদালতে আরজিটি দাখিল করেন সাবেক শিক্ষার্থী লুৎফর রহমান। আদালতের বিচারক মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রকিবুল ইসলাম অভিযোগটি আমলে নিয়ে খানজাহান আলী থানার অফিসার ইনচার্জকে নিয়মিত মামলা রুজু ও আদালতকে অবহিত করার আদেশ প্রদান করেছেন।
মামলার আসামিরা হলেন, কুয়েট সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপার্টমেন্টের প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আলমগীর হোসেন, মেকানিকাল ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপার্টমেন্টের প্রফেসর ড. সোবহান মিয়া, সাবেক রেজিষ্ট্রার জি এম শহিদুল ইসলাম, কুয়েট ছাত্রলীগ সাবেক সভাপতি সাফায়াত হোসেন নয়ন, সাধারন সম্পাদক আলী ইমতিয়াজ সোহান, ছাত্রলীগ কর্মী মো. আসাদুজ্জামান, লালন শাহ্ হলের ছাত্রলীগ কর্মী রুদ্রনীল সিংহ প্রভ, এইচ এম তানবীর রেজওয়ান সিদিক, আল ইশমাম, রেশাদ রহমান, তরিকুল তিলক, পরিমল কুমার রায়, আলী ইবনুল সানি, তারিক আহমেদ শ্রাবন ও দৌলতপুর থানার তৎকালিন অফিসার ইনচার্জ আনোয়ার হোসেন।
আদালতে দাখিল করা অভিযোগে বলা হয়, কুয়েট শিক্ষার্থী লুৎফর রহমান লালন শাহ্ হলে থাকতেন। ছোটবেলা থেকে তিনি মাদ্রাসায় পড়াশুনা করতেন ও পারিবারিকভাবে ধার্মিক। তিনি নিয়মিত নামাজ-রোজা ও ইবাদাত বন্দেগী করতেন। সে কারণে আসামীরা তাকে শিবির হিসাবে সন্দেহ করতো। ২০১৭ সালের ১ এপ্রিল রাত ১০টার দিকে আসামিরা তাকে তার রুম থেকে ডেকে হলের গেস্ট রুমে নিয়ে যায়। সেখানে তারা তাকে কিল, চড়, ঘুষি ও লাথি মারতে থাকে। এক পর্যায়ে ক্রিকেট স্ট্যাম্প নিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে নির্দয়ভাবে পিটাতে থাকে। পরবর্তীতে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আসামীদের বিরুদ্ধে কোন আইনগত বাবস্থা গ্রহণ না করে উল্টো গ্রেপ্তার করে। পরবর্তীতে নাশকতার মামলা দায়ের করে বিশেষ ক্ষমতা আইনের ২৫(২) ধারায় খানজাহান আলী থানায় (মামলা নং-২ তাং-০২/০২/২০১৭) দায়ের করেন।
ভুক্তভোগী জানান, তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় জেলখানায় থেকে ২০ দিন হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে হয়। তার দুটি কিডনীই নষ্ট হয়ে গেছে। এখন ডায়ালাইসিস নিয়ে বেঁচে থাকতে হচ্ছে। শিক্ষার্থী লুৎফর রহমান এ ঘটনায় ১৫জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত আরো ১০/১৫জনকে আসামি করে আদালতে মামলা দায়ের করেছেন।