Home আঞ্চলিক সারা খুলনা অঞ্চলের খবর

সারা খুলনা অঞ্চলের খবর

54

মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে পাইকগাছায় যুবলীগের বৃক্ষরোপণ ও গাছের চারা বিতরণ

খবর বিজ্ঞপ্তি
মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় আওয়ামী যুবলীগের কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে পাইকগাছা উপজেলা যুবলীগের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ ও গাছের চারা বিতরণ করা হয়েছে। গত বুধবার দুপুরে পাইকগাছা সরকারি কলেজ চত্বরে গাছের চারা বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন খুলনা-৬ (কয়রা-পাইকগাছা) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোঃ আক্তারুজ্জামান বাবু। উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক শেখ আনিছুর রহমান মুক্তর সভাপতিত্বে এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোঃ আনোয়ার ইকবাল মন্টু, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি শেখ মোঃ আবু হানিফ, আনন্দ মোহন বিশ্বাস, জেলা যুবলীগ নেতা জসিম উদ্দীন বাবু, শামীম সরকার, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান শিয়াবুদ্দিন ফিরোজ বুলু, প্রভাষক ময়নুল ইসলাম, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান কাজল কান্তি বিশ্বাস, যুবলীগ নেতা শেখ শহিদ হোসেন বাবুল, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি সাংবাদিক তৃপ্তি রঞ্জন সেন, যুবনেতা মোঃ আকরামুল ইসলাম, মোঃ হাসানুজ্জামান, পৌর যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক জগদীশ চন্দ্র রায়, গৌতম রায়, মৃগাংক, সোহলে শিকদার, শেখ জিয়াদুল ইসলাম জিয়া, দীপংকর মন্ডল, সাবেক ইউপি সদস্য নাজমা কামাল, জেলা ছাত্রলীগ নেতা মৃনাল কান্তি বাছাড়, পার্থ প্রতিম চক্রবর্তী, মাসুদুর রহমান মানিক, মোঃ মফিজুল ইসলাম, পৌর ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক রায়হান পারভেজ রনি প্রমুখ।

সবজি চাষে বেশি লাভবান হাওয়া কৃষকেরা ঝুঁকছে সবজি চাষের দিকে

স্টাফ রিপোর্টার
ধান চাষের চেয়ে সবজি চাষে খরচ কম, লাভ বেশি। অল্প সময়ের মধ্যে স্বল্প পরিশ্রমে ফসল পাওয়া যায়। তাছাড়া সময়মতো পানি দাও, সার দাও আরও কত ঝামেলা, তাই ১৫ বিঘা জমিতে আমন ধান আবাদ না করে সবজি চাষ করছি। এতে ঝামেলা কম, লাভও বেশি। কথাগুলো বলছিলেন খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার চুকনগর গ্রামের চাষি মেহেদী হাসান বাবলু। শুধু মেহেদী নন, অধিকাংশ চাষিই এখন সবজি চাষের দিকে ঝুঁকছেন। ডুমুরিয়ার কুলবাড়িয়া, ধূলবাড়িয়া, শরাফপুর, আকড়া, খর্ণিয়া, বরাতিয়া, চুকনগর, পাঁচপোড়া, মধুগ্রাম ও গুটুদিয়া গ্রামে এ বছর ব্যাপক হারে সবজি চাষ হয়েছে। মৌসুমের শুরুতে বাজারে প্রায় সব ধরনের সবজির দাম ভালো পাওয়ায় খুশি চাষিরা।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কার্যালয় সূত্রমতে, চলতি রবি মৌসুমে উপজেলায় ৩ হাজার ৫শ’ হেক্টর জমিতে বিভিন্ন ধরনের সবজির আবাদ হয়েছে। গত বছর উপজেলায় সবজি আবাদ হয়েছিল ৩ হাজার ১ শ’ হেক্টর জমিতে। এ বছর সবজির আবাদ বেড়েছে ৪০০ হেক্টর জমিতে। উপজেলায় এ বছর আমন ধান আবাদ হয়েছে ১৫ হাজার ৫৫০ হেক্টর জমিতে, যেখানে গত বছর আবাদ হয়েছিল ১৫ হাজার ৯৫০ হেক্টর জমিতে।
ডুমুরিয়া উপজেলার চুকনগর, খর্ণিয়া, কুলবাড়িয়া, শরাফপুর ও পাঁচপোড়া এলাকায় ধানের পাশাপাশি বিস্তীর্ণ জমিতে ব্যাপক হারে সবজির চাষ হয়েছে। এসব জমিতে শিম, চিচিঙ্গা, ধুন্দুল, ঢেঁড়স, বরবটি, করলা, মরিচ, বেগুন, টমেটোসহ বিভিন্ন ধরনের সবজির চাষ হয়েছে।
চাষিদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ২০১৭ সালের পর থেকে বোরো ও আমন ধান আবাদ করে ন্যায্যমূল্যে না পাওয়ায় কৃষকদের ব্যাপক লোকসান গুনতে হয়েছে। ধান আবাদ করে লাভের মুখ দেখতে গিয়ে উল্টো অনেক কৃষক ঋণের জালে জড়িয়ে পড়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন। ন্যায্যমূল্য না পাওয়ায় কৃষকেরা ধান চাষে উৎসাহ হারিয়ে ফেলছেন। এই লোকসান থেকে বাঁচতে অনেক কৃষক আস্তে আস্তে সবজি চাষের দিকে ঝুঁকছেন। বিশেষ করে ক্ষুদ্র ও মাঝারি পর্যায়ের কৃষক যাঁরা সাধারণত নিজেরা শ্রম দিতে পারেন, এমন কৃষকেরা ধান চাষ ছেড়ে দিয়ে সবজি চাষের দিকে বেশি ঝুঁকছেন।
উপজেলার শরাফপুর গ্রামের কৃষক সরোয়ার হোসেন বলেন, তাঁর ছয় বিঘা আবাদি জমি রয়েছে। সবজি চাষের জন্য এবার আড়াই বিঘা জমিতে ধান চাষ করেননি। ওই আড়াই বিঘা জমিতে তিনি শিম ও করলা চাষ করেছেন। অথচ বিগত বছরগুলোতে সরোয়ার তাঁর ছয় বিঘা জমিতে ধান আবাদ করতেন।
সরোয়ার বলেন, বাজারে এখন নতুন ধানের দাম মণপ্রতি সর্বোচ্চ ৭৪০ টাকা। আড়াই বিঘা জমিতে খুব বেশি হলে ৬০ মণ ধান পাওয়া যাবে। ৬০ ধান বিক্রি করে আসবে ৪৪ হাজার ৪০০ টাকা। অথচ আড়াই বিঘা জমিতে লাগানো শিম, ঝিঙা, ধুন্দুল ও করলা বিক্রি করে তাঁর প্রায় ৫০ হাজার টাকা এসেছে। আরও দুই থেকে তিন মাস তিনি এই সবজি বিক্রি করতে পারবেন।
কুলবাড়িয়া গ্রামের আরেক চাষি মিজানুর রহমান বলেন, ধান চাষের চেয়ে সবজি চাষে খরচ কম, লাভ বেশি। ধানের দাম না পাওয়ায় এলাকার অনেক কৃষক ধান আবাদ ছেড়ে দিয়ে সবজি চাষে ঝুঁকছেন। ন্যায্যমূল্য না পেলে ধীরে ধীরে ধানের আবাদ আরও কমবে।
পাঁচপোড়া গ্রামের রেহেনা বেগম নামের এক কৃষাণী বলেন, গত বছরের চেয়ে এ বছর আমি বেশি জমিতে সবজি ও তরমুজ আবাদ করেছি। ইতিমধ্যে আমার খেতের চিচিঙ্গা, ধুন্দুল ও তরমুজ ওঠা শুরু করেছে। বাজারে দামও ভালো।
ডুমুরিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মোছাদ্দেক হোসেন বলেন, এই অঞ্চলের মাটি সবজি চাষের জন্য খুবই উপযোগী। বিশেষ করে কুলবাড়িয়া, ধূলবাড়িয়া. চুকনগর, খর্ণিয়া ও বরাতিয়া এলাকায় ব্যাপক হারে সবজি চাষ হচ্ছে এবং প্রতি বছর সবজি চাষ বাড়ছে।
তিনি আরও বলেন, সবজির আবাদ বাড়ার বিষয়টি খুবই ইতিবাচক। গত কয়েক মৌসুম ধরে ধানের দামটা অস্বাভাবিক কম ছিল। এ জন্য কৃষকেরা সবজির দিকে বেশি ঝুঁকছেন। কৃষি বিভাগ থেকে কৃষকদের কম খরচে অধিক লাভ হয় এমন ফসল আবাদে উৎসাহিত করা হচ্ছে।

ফকিরহাটে ২শতাধিক পরিবারের মাঝে স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী বিতরন

ফকিরহাট প্রতিনিধি
বাগেরহাটের ফকিরহাটের বেতাগা ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোগে ২শতাধিক পরিবারের মাঝে স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী বিতরন করা হয়েছে। বুধবার সকাল ১১টায় ২০১৯-২০অর্থ বছরে এলজিএসপি-৩ প্রকল্পের আওতায় কোভিড-১৯ পরিস্থিতি মোকাবেলায় করোনা কারিন স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী বিতরন করা হয়। উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি স্বপন দাশ প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে উরোক্ত সামগ্রী বিতরন করেন। ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ ইউনুস আলী শেখ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ তানভীর রহমান। সিআইজি ফেরামের সাধারন সম্পাদক মোঃ নাজমুল হুদার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন হাইসাওয়া প্রকল্পের প্রগ্রাম অফিসার মোঃ মাহাবাবুর রশীদ, ইউপি সচিব এসএম দাউদ আলী, সংরক্ষিত মহিলা সদস্যা সন্ধ্যা রানী দাশ, রাফেজা বেগম, কামরুন্নার নীপা, সদস্য আব্দুর রাজ্জাক, আসাদুজ্জামান তুহিন ও ফোরকান শিকারী সহ বিভিন্ন ব্যাক্তিবর্গ। অনুষ্ঠানে ২শতাধিক পরিবারের মাঝে ৫টি করে স্বাস্থ্য সুরক্ষা মাক্স, ৩টি সাবান ও ব্লিসিলিং পাউডার বিতরন করা হয়। শেষে নির্মাণকৃত হাত ধোয়ার ষ্টেশনের শুভ উদ্ভোধন করা হয়।

বাগেরহাটে বিদ্যুৎস্পর্শে কৃষক নিহত


বাগেরহাট প্রতিনিধি


বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে খালে ঝুলে থাকা বিদ্যুতের তারে জড়িয়ে খালে পড়ে ইদ্রিস আলী (৬৫)নামে এক কৃষক নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার সকাল ৭টার দিকে মোরেলগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের একটি দল খালে তল্লাশী করে ইদ্রিস আলীর মৃতদেহ উদ্ধার করে। বুধবার দিবাগত রাত ৩ টার দিকে বহরবুনিয়া গ্রামের কৃষক ইদ্রিস হাওলাদার বিদ্যুৎস্পর্শে ছিটকে নৌকা থেকে খালে পড়ে নিখোঁজ হয়।

নিহত ইদ্রিস ঘটনার সময় নৌকা যোগে ধানের চারা নিয়ে শেখপাড়া গ্রাম থেকে নীজ বাড়ি বহরবুনিয়ার উদ্দেশে যাচ্ছিলেন। এ সময় নিহত ইদ্রিস আলীর সাথে থাকা একই গ্রামের মজিদ হাওলাদার বলেন, খালের মধ্যে ঝুলে থাকা বিদ্যুতের তারে জড়িয়ে নৌকা থেকে খালে পড়ে যায় ইদ্রিস। পরে ফায়ার সার্ভিসের লোকজন সকালে তার মরদেহ উদ্ধার করে। এ বিষয়ে নিহতের ছেলে কাওছার হাওলাদার অভিযোগ করে বলেন, বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষের অবহেলায় খালের মধ্যে ঝুলে থাকা বিদ্যুতের তারে জড়িয়ে তার বাবা মারা গেছেন। এ ঘটনা সম্পর্কে পল্লী বিদ্যুৎ মোরেলগঞ্জ জোনাল ম্যানেজার দিলিপ কুমার বাইন বলেন, বিদ্যুতের তার ঝুলে থাকার বিষয়ে ৩/৪দিন পূর্বে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। একটি খাম্বা হেলে পড়েছে। আজ সেখানে দুর্ঘটনার কথা শুনেছি। লোক পাঠানো হয়েছে।
এ বিষয়ে থানার ওসি মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যাবস্থা নেওয়া হবে।

মহেশপুর থেকে ২টি পাইপগান উদ্ধার

মহেশপুর(ঝিনাইদহ)প্রতিনিধিঃ
ঝিনাইদহের মহেশপুর থেকে ২টি পাইপগান উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার গভীর রাতে উপজেলার নওদাগ্রাম থেকে পরিত্যাক্ত অবস্থায় দেশীয় তৈরী পাইপগান ২টি উদ্ধার করা হয়। জানা যায়, মহেশপুর থানার এএসআই সজল মন্ডল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে গভীর রাতে নওদাগ্রামের পাকা রাস্তার ধারে অভিযান চালায়। এসময় বস্তাবন্দি অবস্থায় দেশীয় তৈরী ২টি দীর্ঘদিনের পুরাতন পাইপগান উদ্ধার করে। মহেশপুর থানার অফিসার ইনচার্জ সাইফুল ইসলাম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নওদাগ্রামি থেকে পরিত্যাক্ত অবস্থায় ২টি পাইপগান উদ্ধার করা হয়েছে। দেশীয় তৈরী পাইপগান ২টি দীর্ঘদিনের পুরাতন বলে তিনি জানান। তবে কে বা কারা রাস্তার ধারে কি উদ্দেশ্যে পাইপগান ২টি লুকিয়ে রেখেছিলো তা খতিয়ে দেখা হবে।

আত্মহত্যা নাকি হত্যা তদন্তের দাবী জাতীয় মানবাধিকার সমিতি’র

খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনা বিএনপি নেতার এম.এ ছালেকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধারে গভীর উদ্বেগ ও উৎকন্ঠা প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ জাতীয় মানবাধিকার সমিতি। ৩ সেপ্টেম্বর বৃহষ্পতিবার গণ মাধ্যমে প্রেরিত এক বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ এই উৎকন্ঠা ও উদ্বেগের কথা জানান। বাংলাদেশ জাতীয় মানবাধিকার সমিতি’র চেয়ারম্যান মোঃ মঞ্জুর হোসেন ঈসা, মহাসচিব এ্যাড.সাইফুল ইসলাম সেকুল এবং সাংগঠনিক সম্পাদক লায়ন আল আমিন যৌথ বিবৃতিতে আরো বলেন, খুলনা খালিশপুরের ৯নং ওয়ার্ডের এম.এ ছালেক তিনি শুধু বিএনপি’র রাজনীতির সাথেই সম্পৃক্ত ছিলেন না বরং তিনি সামাজিক দায়বদ্ধতা নিয়ে মানুষের অধিকার ও গণতন্ত্রের পক্ষেও কাজ করেছেন। খুলনায় সবুজ বনায়নে তার বিশেষ ভূমিকা রয়েছে। সবার সাথে হাস্যউজ্জল মিশুক এম.এ ছালেক কিভাবে তার ঝুলন্ত মরদেহ পাওয়া গেল তার সঠিক তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করা সময়ের দাবী।তিনি যেভাবে সমাজ সচেতন ছিলেন কোন ভাবেই আত্মহত্যার মত কাজ করতে পারেন না। তার অকাল মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেন এবং শোকাহত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন। উল্লেখ্যঃ খুলনা মহানগরীর খালিশপুর মুজগুন্নী থেকে বিএনপি নেতা এম এ ছালেকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার ( ০১ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে মুজগুন্নী মেলার মাঠ এলাকার নিজ ঘর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

টেকসই উন্নয়ন ও ইনকাম জেনারেটিং প্রকল্পে প্রতিবন্ধিদের ভুমিকা শীর্ষক আলোচনা

ফুলবাড়ীগেট(খুলনা)প্রতিনিধি
গণসেবা সংস্থা ও প্রচেষ্টা বাংলাদেশ এর যৌথ আয়োজনে ৩ সেপ্টেম্বর বেলা ১১টায় শিরোমণিস্থ গণসেবা সংস্থার নিজস্ব কার্যালয়ে ডাঃ এসএম হক এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন সমাজ সেবা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মুহাম্মদ ইব্রাহীম। ছায়াবৃক্ষের প্রধান নির্বাহী মাহবুব আলম বাদশার পরিচালনায় বিশেষ অতিথি ছিলেন গণসেবা সংস্থার নির্বাহী পরিচালক শেখ আব্দুস সালাম, প্রচেষ্টা বাংলাদেশ এর নির্বাহী পরিচালক ফারজানা ইয়াসমিন বিথী, কাজী নাজমুল হুদা, নাদিম হোসেন, শিক্ষকা মনিরা সুলতানা, লুৎফর রহমান লিটন, শেখ মাসুম বিল্লাহ, শেখ ইমদাদুল ইসলাম, মোঃ মহসিন, মিয়া খালিদ, শেখ আলমগীর হোসেন, আবুল কালাম আজাদ প্রমুখ। সভায় বক্তারা প্রতিবন্ধীদের নিয়ে শারিরিক প্রতিবন্ধকতা জয় করে পৃথিবীতে অসংখ্য ব্যক্তি বিখ্যাত হয়েছেন। তাই মনোবল দৃঢ় রেখে শিক্ষা অর্জন করে প্রতিবন্ধীদের সমাজের অন্যদের মতো কাজ করে আত্মনির্ভরশীল হতে হবে।

ফেইসবুক আইডি হ্যাক করে সরকার বিরোধী পোষ্ট দেয়ায় থানায় জিডি

ফুলবাড়ীগেট(খুলনা)প্রতিনিধি
কেসিসি ২নং ওয়ার্ডের এলএমএস শেখ জাহিদুর রহমানের নামে ভুয়া ফেইসবুক আইডি খুলে ডিজিটাল এবং তথ্য প্রযুক্তি আইন অমান্য করে সরকার বিরোধী পোষ্ট দেয়ায় দৌলতপুর থানায় সাধারণ ডায়েরী(জিডি) করেছেন ভুক্তভোগী শেখ জাহিদুর রহমান।জিডিতে উল্লেখ অজ্ঞাতন্ম্ ব্যক্তি মিথ্যা ষড়যন্ত্র মুলকভাবে গত ৩১ আগষ্ট আমার নাম ব্যবহার করে ফেইসবুক আইডি খুলে সরকার বিরোধী বিভিন্ন ধরনের উস্কানীমুলক পোষ্ট করায় আমি মর্মাহত। আমার কোন ফেইসবুক আইডি নাই। অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিরা রাজনৈতিক কারণে আমাকে হেয়প্রতিপন্ন এবং ক্ষতিসাধন করার চেষ্টা করছে। আমি বিষয়টি গণ্যমান্য ব্যক্তিদেরসহ সকলকে অবগত করেছি যে, শেখ জাহিদুর রহমান নামের ছবি সহ ফেইসবুক আইডিটি আমার না এবং আমি অদ্যবধি কোন ফেইসবুক আইডি খুলি নাই। দৌলতপুর থানায় জিডি নং- ২৮, তারিখ-০১/০৯/২০২০।

টেকনোলজিস্টদের চাকরী স্থায়ীকরণের দাবী

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি
ঝিনাইদহে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে করোনার নমুনা সংগ্রহের কাজ করছেন ৯ জন স্বেচ্ছাসেবক মেডিকেল টেকনোলজিস্ট। তবে তারা পান না কোন প্রকার সরকারী সুযোগ সুবিধা। এমনকি দেওয়া হয় না কোন সম্মানী বা ভাতা। স্বাস্থ্য বিভাগ তাদের দিয়ে ঝুঁকিপুর্ণ কাজ করালেও নিয়োগ দেওয়ার কোন ব্যবস্থাই করছেন না। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছেন স্বেচ্ছাসেবকরা। মেডিকেল টেকনোলজিস্ট স্বেচ্ছাসেবক সাব্বির রহমান সাকি জানান, করোনা শুরুর পর থেকে জেলার সদর হাসপাতালে করোনার নমুনা সংগ্রহের জন্য স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজ করছেন রাশেদুল ইসলাম, সাব্বির রহমান, লুনা খাতুন ও হাবিবুর রহমান।
এদের মধ্যে হাবিবুর রহমান করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন। শৈলকুপায় মেডিকেল টেকনোলজিস্ট হিসেবে সেচ্ছায় কাজ করছেন শশি ও মেহেরাব হোসন। এছাড়া কালীগঞ্জে আব্দুল আওয়াল, হরিণাকুন্ডুতে তৌহিদ ও কোটচাঁদপুরে সোহেল পারভেজ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করলেও তাদের নিয়োগ প্রদানের বিষয়টি ঝুলে আছে।
তাদের অভিযোগ, দেশের অন্যান্য স্থানে মেডিকেল টেকনোলজিস্ট স্বেচ্ছাসেবিদের সরকার থেকে নিয়োগ দেওয়া হলেও ঝিনাইদহে নিয়োগ না দেওয়ায় হতাশ তারা। বিষয়টি নিয়ে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালের তত্বাবধায়ক ডাঃ হারুন অর রশিদ জানান, উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ কোন উদ্যোগ নিলে এসব স্বেচ্ছাসেবকদের ব্যাপারে সুপারিশ করা হবে।
এ ব্যাপারে খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডাঃ রাশেদা সুলতানা জানান, প্রথম দিকে জরুরী ভিত্তিত্বে আইইডিসিআর তালিকা চেয়েছিল। তখন তারা ঢাকা থেকেই কিছু মেডিকেল টেকনোলজিস্ট (ল্যাব) স্থায়ীকরণ করেছে। তিনি বলেন, এখন যারা সেচ্ছাসেবী হিসেবে জেলা ও উপজেলা হাসপাতালে কাজ করছেন পরবর্তীতে নিয়োগ হলে তারাই অগ্রাধিকার পাবেন।

গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠায় ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: মঞ্জু

খবর বিজ্ঞপ্তি
বিএনপির ৪২তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে থানায় থানায় বৃক্ষরোপন কর্মসূচির প্রথম দিন গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় খানজাহান আলি থানা বিএনপির উদ্যোগে ফুলবাড়ি গেট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপন কর্মসূচির উদ্বোধন করেন কেন্দ্রীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও নগর বিএনপির সভাপতি নজরুল ইসলাম মঞ্জু।
এসময় মঞ্জু বলেন, এই দেশের রাজনীতিতে একদলীয় শাসন ব্যবস্থার পরিবর্তে বহুদলীয় গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা ফিরিয়ে এনেছিলেন দলের প্রতিষ্ঠাতা ও স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ জিয়াউর রহমান। জিয়াউর রহমান সত্যিকার অর্থে সম্ভাবনাময় বাংলাদেশে গড়ে তোলেন। তিনি খুব অল্প সময়ে সমস্ত জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করেছেন। বাংলাদেশি দর্শনের ভিত্তিতে দেশকে উন্নয়নের অগ্রগতির দিকে এগিয়ে নিয়েছিলেন।’ বাংলাদেশে বৃক্ষরোপনের মত সামাজিক কর্মসূচি সূচনা তাঁর উদ্যোগেই। দেশের সীমানা ছাড়িয়ে পবিত্র নগরী সুদূর মক্কায় আরাফাতের ময়দানসহ সৌদি আরবে নিম বৃক্ষ লাগিয়ে তিনি এক যুগন্তকারী ইতিহাস রচনা করেছিলেন। ৯০ এর গণঅভ্যূথানের পর ৯১ এর নির্বাচনে ঐতিহাসিক বিজয় লাভ করে সরকার গঠনের পর দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া বৃক্ষরোপনকে একটি সামাজিক আন্দোলনের রূপ দিয়েছিলেন। বৃক্ষরোপন কর্মসূচির উদ্বোধনে উপস্থিত ছিলেন নগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনি, মীর কায়সেদ আলী, শেখ ইকবাল হোসেন, অধ্যক্ষ তারিকুল ইসলাম, সিরাজুল হক নান্নু, শেখ সাদী, আবু সাঈদ হাওলাদার, সৈয়দ এনামুল হাসান ডায়মন্ড, আলমগীর হোসেন, মুরাদ হোসেন, অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম, মীর মনিরুল ইসলাম ছোট্ট, আব্দুর রব মুন্সি, মোঃ ইকবাল হোসেন, মোল্যা সোহাগ হোসেন, শেখ সাদি, এমদাদ হোসেন, আশরাফ ঢালী, জামাল হোসেন, কাজী সহিদুল ইসলাম, মোল্যা সোলায়মান হোসেন, আলহাজ্ব শেখ আল আমিন,মোঃ আজম, গোলাম কিবরিয়া, সাহাদাত হোসেন সাজু, মাসুম খান, সজিব, হাসান, জসিম, নাসির উদ্দিন, আনোয়ার হোসেন, ফরহাদ হোসেন, উজ্জল,রফিকুল ইসলাম, মীর সওকাত হোসেন হিট্টু, আব্দুল হাই রুমি, কালাম,তৈয়ব,মিজানুর রহমান, বিল্লাল হোসেন, আল আমিন হাওলাদার রাসেল মাহমুদ, মাসুম, বিপ্লব প্রমুখ।

আজকের নগরী।।
আজ শুক্রবার সকাল ১১টায় সোনাডাঙ্গা থানা বিএনপির উদ্যোগে বয়রা হাজী ফয়েজ উদ্দিন স্কুল মাঠে বৃক্ষরোপন কর্মসূচির উদ্বোধন।

বিএনপি নেতা মহিবুজ্জামানের মাতা ও শ্রমিক নেতা আজিজের ইন্তেকালে নগর বিএনপির শোক

খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনা নগর বিএনপির দপ্তর সম্পাদক মহিবুজ্জামান কচির মাতা জেরিনা খাতুন (৮৮) ও ২০নং ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক, খুলনা মটর শ্রমিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি এম এ আজিজ (৬২) ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না…..রাজিউন)।
বুধবার দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে নগরীর হাজী মহসিন রোডের নিজ বাসভবনে বার্ধক্যজনিত কারণে জেরিনা খাতুন মৃত্যুবরণ করেন। তিনি ছেলে, নাতি, পোতাসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন রেখে গেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার বাদ আছর আলিয়া মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে জানাযা শেষে তাকে টুটুৃপাড়া সরকারি কবরস্থানে দাফন করা হয়।
গতকাল বৃহস্পতিবার বেলা ১২টার দিকে নগরীর সোনাডাঙ্গা নিজ বাসভবনে মৃত্যুবরণ করেন বিএনপি ও শ্রমিক নেতা এম এ আজিজ। তিনি স্ত্রী ও দু’ছেলে রেখে যান। গতকাল বাদ এশা শেখপাড়া তেতুল তলা মোড়ে জানাযা শেষে তাকে বসুপাড়া সরকারি কবরস্থানে দাফন করা হয়।
তাদের মৃত্যুতে গভীর শোক, শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা এবং আত্মার মাগফেরাত কামনা করেছেন নগর বিএনপি’র নেতৃবৃন্দ। নেতৃবৃন্দরা হলেন বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টামন্ডলীর সদস্য ভাষাসৈনিক এম নুরুল ইসলাম, নগর বিএনপির সভাপতি সাবেক সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম মঞ্জু, সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক মেয়র মনিরুজ্জামান মনি, সাহারুজ্জামান মোর্ত্তজা, মীর কায়সেদ আলী, শেখ মোশাররফ হোসেন, জাফরউলাহ খান সাচ্চু, জলিল খান কালাম, সিরাজুল ইসলাম, এড. ফজলে হালিম লিটন, স ম আব্দুর রহমান, শেখ ইকবাল হোসেন, শেখ জাহিদুল ইসলাম, অধ্যক্ষ তারিকুল ইসলাম, শেখ আমজাদ হোসেন, অধ্যাপক আরিফুজ্জামান অপু, সিরাজুল হক নান্নু, মোঃ মাহবুব কায়সার, নজরুল ইসলাম বাবু, আসাদুজ্জামান মুরাদ, এসএম আরিফুর রহমান মিঠু ও ইকবাল হোসেন খোকন প্রমুখ।

খুলনায় জুট মিল শ্রমিকদের অনশন

স্টাফ রিপোর্টার
খুলনার শিরোমণি শিল্পাঞ্চলের ব্যক্তি মালিকানাধীন মহসেন জুট মিলের ছাঁটাইকৃত শ্রমিকদের যাবতীয় পাওনা পরিশোধের দাবিতে অনশন কর্মসূচি পালন করেছেন শ্রমিকরা। বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে মহসেন জুট মিলের প্রধান ফটকের সামনে অনশন কর্মসূচি পালন করেন তারা। জাতীয় মজুরি বোর্ডের সদস্য শহিদুল্লাহ খার সভাপতিত্বে ও ক্ষতিগ্রস্ত শ্রমিক পরিবারের সন্তান সাইফুল্লাহ তারেকের পরিচালনায় অনশন কর্মসূচিতে সংহতি প্রকাশ করে বক্তব্য দেন আটরা গিলাতলা ইউপি চেয়ারম্যান শেখ মনিরুল ইসলাম। এতে আরও বক্তব্য দেন- খুলনা জেলা তাঁতী লীগের সদস্য সচিব কাজী আজাদুর রহমান হিরোক, শ্রমিকদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মুক্তিযোদ্ধা মাহাতাব উদ্দিন, ক্বারী আছহাফ উদ্দিন, ইঞ্জিল কাজী, কাগজী ইব্রাহীম, মিলের সাবেক সিবিএ সাধারণ সম্পাদক খান গোলাম রসুল, আমির মুন্সি, আইনউদ্দিন, প্রবীর বিশ্বাস ও সাংবাদিক মিহির রঞ্জন বিশ্বাস। পরে শ্রমিকদের শরবত পান করিয়ে অনশন ভাঙান চেয়ারম্যান শেখ মনিরুল। এদিকে, অনশন কর্মসূচি চলাকালে শ্রমিক নেতারা বলেন, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মিল মালিককে গ্রেফতার ও শ্রমিকদের চূড়ান্ত পাওনা পরিশোধ না করলে ৮ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত খুলনা-যশোর মহাসড়কের শিরোমণিতে রাজপথ, রেলপথ অবরোধ করা হবে। এছাড়া অবরোধ কর্মসূচি সফল করার লক্ষ্যে আগামীকাল শুক্রবার বিকেল ৪টায় মহসেন শ্রমিক কলোনিতে শ্রমিক জনসভা অনুষ্ঠিত হবে বলেও জানান শ্রমিক নেতারা।

বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে গেছে ভবদহ অঞ্চল, দুর্ভোগে লক্ষাধিক মানুষ

যশোর অফিস
আগস্টের অব্যাহত বৃষ্টিতে যশোরের ভবদহ অঞ্চলের মাঠ-ঘাট তলিয়ে গিয়েছিল। সর্বশেষ গত বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হওয়া মাঝারি ও ভারি বৃষ্টিতে পানি ঢুকে পড়েছে অভয়নগর ও মনিরামপুর উপজেলার কমপক্ষে ৪০টি গ্রামে। বৃষ্টির পানিতে এসব গ্রামের বেশিরভাগ বাড়িঘর, শিক্ষা এবং ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান তলিয়ে গেছে। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন পানিবন্দি লক্ষাধিক মানুষ। এদিকে ভবদহ অঞ্চলে টিআরএম বাস্তবায়নের দাবিতে বুধবার যশোরে সংবাদ সম্মেলন শেষে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি দিয়েছে ভবদহ পানি নিস্কাশন আন্দোলন কমিটি। যশোর আবহাওয়া অফিস সূত্র জানায়, এ বছর যশোরে মে মাসে ২৫৮ মিলিমিটার, জুনে ৪১৫ মিলিমিটার, জুলাইয়ে ২৩৭ মিলিমিটার এবং আগস্টে ৪১০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।

জেলার অভয়নগর, মনিরামপুর ও কেশবপুর উপজেলা এবং খুলনার ডুমুরিয়া ও ফুলতলা উপজেলার অংশবিশেষ নিয়ে ভবদহ অঞ্চল। অভয়নগর উপজেলার ভবানীপুর গ্রামে শ্রী নদীর ওপর নির্মিত ভবদহ স্লুইচগেট দিয়ে মূলত এলাকার ৫৪টি বিলের পানি নিস্কাশন হয়। পলি পড়ে এলাকার পানি নিষ্কাশনের একমাত্র মাধ্যম মুক্তেশ্বরী, টেকা, শ্রী ও হরি নদী নাব্যতা হারিয়েছে। ফলে নদী দিয়ে পানি নিষ্কাশিত হচ্ছে না। এই অবস্থায় বৃষ্টির পানিতে এলাকার বিলগুলো প্লাবিত হয়েছে। বিল উপচে পানি ঢুকেছে সংলগ্ন গ্রামগুলোতে। ভবদহ স্লুইচগেট রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে থাকা পানি উন্নয়ন বোর্ড, যশোরের কার্যসহকারী ফারুক আহমদ মোল্যা বলেন, ভবদহ স্লুইসগেটের ২১ পোল্ডারের সবকটি পলিতে তলিয়ে গেছে। সেগুলো পরিস্কারের কাজ চলছে। এখন প্রবল জোয়ার আসছে। গেট দিয়ে জোয়ারের পানি ঢুকছে। কিন্তু ভাটায় কম পানি বের হচ্ছে।
পানিতে ঘর-বাড়ি তলিয়ে যাওয়ায় দুর্ভোগে পড়েছেন ভবদহ অঞ্চলের লক্ষাধিক মানুষ। কেউ কেউ ঘরবাড়ি ছেড়ে আশ্রয় নিয়েছেন উঁচু সড়কের ওপর। অনেক পরিবার ঘরের মধ্যে মাচা করে সেখানে থাকার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। অভয়নগর উপজেলার গ্রামগুলোর মধ্যে কোথাও আংশিক আবার কোথাও বেশিরভাগ বাড়িতে পানি উঠেছে। এসব গ্রামের বাসিন্দারা জানান, ইতোমধ্যে গ্রামগুলোর শত শত বাড়ি ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পানি উঠেছে। রাস্তা তলিয়ে যাওয়ায় অনেক জায়গায় যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে আছে। প্রতিদিনই এক-দুই ইঞ্চি করে পানি বাড়ছে। মনিরামপুর উপজেলার হাটগাছা গ্রামের রবিতা রায় ঘর ছেড়ে পাশের উঁচু ইটের সড়কের ওপর আশ্রয় নিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘উঠোনে মাজা জল, ঘরের মধ্যে হাঁটু জল। ঘরে থাকা যাচ্ছে না। পরিবারের তিনজন সদস্য এবং ১৭টি মুরগি ও চারটি হাঁস নিয়ে রাস্তার ওপর টিনের চালা দিয়ে সেখানে থাকছি। চারটি গরু আছে। গোয়ালে জল। গরুর খাবার নেই। খুব কষ্টে আছি।’॥হঅভয়নগর উপজেলার ডুমুরতলা গ্রামের কৃষক শিবপদ বিশ্বাস বলেন তিনিও ইট দিয়ে খাট উঁচু করে সেখানে থাকছেন। ফের ভারি বৃষ্টি হলে সড়কে আশ্রয় নিতে হবে।॥হগৃহবধূ সুপ্রিয়া বৈরাগী বলেন, ‘ভবদহ মানুষ মারার কল করে প্রতি বছর নদী খননের নামে কোটি কোটি টাকা খরচ দেখিয়ে লুটপাট করা হচ্ছে। আর আমরা জলে ডুবে মরছি।’ অভয়নগর উপজেলার সুন্দলী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বিকাশ রায় বলেন, সুন্দলী ইউনিয়নে ১৪টি গ্রামের মধ্যে ১২টিতে বাড়িঘরে পানি উঠেছে। এলাকার বিলগুলো আগে থেকেই জলাবদ্ধ হয়ে রয়েছে। এসব বিলে এবার আমন ধান হয়নি। ভবদহ পানি নিষ্কাশন সংগ্রাম কমিটির আহ্বায়ক রণজিৎ বাওয়ালী বলেন, ইতোমধ্যে এলাকার ৪০টি গ্রামে জল ঢুকে পড়েছে। অনেক ঘরবাড়ি পানিতে তলিয়ে গেছে। টিআরএম (জোয়ারাধার) ছাড়া জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে না। দ্রুত সভা করে বিল কপালিয়ায় টিআরএম বাস্তবায়ন এবং পানি নিষ্কাশনের দাবিতে আমরা আন্দোলন শুরু করব। ভবদহ পানি নিস্কাশন আন্দোলন কমিটির আহ্বায়ক এনামুল হক বাবুল বুধবার যশোরে সংবাদ সম্মেলনে জানান, তারা ইতোমধ্যে পানি নিস্কাশনের দাবিতে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি দিয়েছেন। পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক গত জানুয়ারিতে ভবদহে আসলে আমরা টিআরএম বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছিলাম। তিনি আশ্বস্ত করেছিলেন। কিন্তু আজও তা না করে আবারও ৮০৮ কোটি টাকার প্রকল্প নেওয়া হয়েছে যেখানে টিআরএম কর্মসূচি নেই। এটা লুটপাট ছাড়া আর কিছুই হবে না। যশোর পানি উন্নয়ন বোর্ডে নির্বাহী প্রকৌশলী তাওহীদুল ইসলাম বলেন, গত বছর ১০ কিলোমিটার নদীর পাইলট চ্যানেল খনন করা হয়েছিল। খননের পর পলিতে নদী সম্পূর্ণ ভরাট হয়ে গেছে। এবার শ্রী নদীর এক হাজার ৩০০ মিটার খনন করা হয়েছে। এ ছাড়া মুক্তেশ্বরী নদীর দুই দশমিক ১০ কিলোমিটার এবং ভবদহ স্লুইচগেটের উজান ও ভাটিতে শ্রী নদীতে ২০০ মিটার করে ৪০০ মিটার খননের কাজ চলছে। তিনি বলেন, ভবদহের একটি অঞ্চলের পানি আমডাঙ্গা খাল হয়ে ভৈরব নদে যায়। কিন্তু এবার ভৈরব নদে অনেক উচ্চতায় জোয়ার আসছে। ফলে পানি নিষ্কাশনের পরিবর্তে ভৈরব নদ থেকে আমডাঙ্গা খাল দিয়ে উল্টো পানি ঢুকছে। এ জন্য আমডাঙ্গা খালের ওপর অবস্থিত ছয় কপাটের স্লুইসগেট বন্ধ রাখা হয়েছে। জোয়ারের চাপ কমে গেলে দুই-এক দিনের মধ্যে পানি নেমে যাবে।

খুলনা বিভাগে আরও ১৬৪ জনের করোনা শনাক্ত

স্টাফ রিপোর্টার
খুলনা বিভাগে করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) শনাক্তের ১৬৯তম দিনে রোগীর সংখ্যা সাড়ে ১৯ হাজার ছুঁই ছুঁই করছে। গত বুধবার সকাল ৮টা থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ১৬৪ জন শনাক্তের মধ্য দিয়ে এখন বিভাগে মোট সংখ্যাটা ১৯ হাজার ৪৭৫ জন। খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক রাশেদা সুলতানা বৃহস্পতিবার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, একই সময়ে বিভাগে নতুন করে ২৫২ জন সুস্থ হওয়ায় এ পর্যন্ত বিভাগে সুস্থ হয়েছেন ১৪ হাজার ৫৯৫ জন। শনাক্ত বিবেচনায় বিভাগে সুস্থ হওয়ার হার ৭৫ শতাংশ। রাশেদা সুলতানা আরও জানান, বিভাগে নতুন সংক্রমিত ১৬৪ জনের মধ্যে চুয়াডাঙ্গায় ৫ জন, যশোরে ৩৭, ঝিনাইদহে ২৬, খুলনায় ৪৫, কুষ্টিয়ায় ৩১, মাগুরায় ৫, মেহেরপুরে ৭ এবং নড়াইলে ৮ জন। এ সময়ে বাগেরহাট ও সাতক্ষীরায় কোনো রোগী শনাক্ত হয়নি। স্বাস্থ্য বিভাগ জানায়, বিভাগে এ পর্যন্ত শুধু খুলনা জেলায় সর্বোচ্চ ৫ হাজার ৭৯০ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এ ছাড়া বাগেরহাটে ৯০৭ জন, চুয়াডাঙ্গায় ১ হাজার ২৭৮, যশোরে ৩ হাজার ৩৭৬, ঝিনাইদহে ১ হাজার ৬৮৮, কুষ্টিয়ায় ২ হাজার ৮৩১, মাগুরায় ৮২১, মেহেরপুরে ৫৪৩, নড়াইলে ১ হাজার ২০৫ ও সাতক্ষীরায় ১ হাজার ৩৬ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, ২৪ ঘণ্টায় বিভাগে কোভিডে মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি। তবে বিভাগে করোনায় মৃতের সংখ্যা ৩৩১। এ পর্যন্ত মারা যাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে খুলনায় ৮৪ জন, কুষ্টিয়ায় ৬২, বাগেরহাটে ২১, চুয়াডাঙ্গায় ৩০, যশোরে ৩৯, ঝিনাইদহে ২৭, মাগুরায় ১২, মেহেরপুরে ১২, নড়াইলে ১৬ ও সাতক্ষীরায় ২৮ জন রয়েছেন। বিভাগে করোনায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৬৯ শতাংশ।

ছেলে হত্যার বিচারের দাবিতে রাস্তায় মা

নড়াইল প্রতিনিধি
দেড় বছর পার হয়েছে। শিশুসন্তান সাব্বির হোসেন হত্যার বিচার চেয়ে বিভিন্ন দপ্তরে ঘুরেছেন দরিদ্র মা আন্না বেগম। তিনি থাকেন নড়াইল পৌরসভার বিজয়পুর গ্রামের বাবার বাড়িতে। এক ছেলে ও এক মেয়ের সংসার চালাতে কখনো ভ্যানগাড়ি চালিয়েছেন তিনি। আবার কখনো সবজি ও ফলমূল বিক্রি করেছেন। ছেলে হত্যার বিচার চেয়ে বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে নড়াইল প্রেসকাবের সামনে ব্যানার নিয়ে দাঁড়ান আন্না বেগম। এ সময় তাঁর শিশুকন্যা রোকসানা ছাড়া আর কেউ পাশে ছিলেন না। সাব্বির হোসেন উজিরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র ছিল। মায়ের কষ্টের কথা ভেবে সে স্কুল ছুটির পর নিজে ভ্যান চালাত। গত বছরের ১৫ মার্চ বিকেলে ভ্যানগাড়ি নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয় সাব্বির। কিন্তু আর সে ফিরে আসেনি। দুদিন পর নড়াইল-গোবরা সড়কের কাড়ারবিলের একটি ডোবা থেকে তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। সাব্বিরকে হত্যা করে তার ব্যাটারিচালিত ভ্যানগাড়িটি ছিনিয়ে নেয় দুর্বৃত্তরা। পরে ১৯ মার্চ কারও নাম উল্লেখ না করে সদর থানায় মামলা করেন আন্না বেগম। মামলার অগ্রগতি না দেখে তাঁর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মামলাটি সিআইডিতে হস্তান্তর করা হয়। মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) আরমিন বলেন, ‘মামলাটি আমরা চার মাস পর হাতে পাই। তখন ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার সন্দেহে তিনজনকে গ্রেপ্তার করে জেলহাজতে পাঠানো হয়। পরে তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ডে আনা হয়।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমরা দোষীদের খুঁজে বের করার চেষ্টা করছি। অধিকতর তদন্তের স্বার্থে আদালতে অভিযোগপত্র দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।’ আন্না বেগম জানান, ১৮ বছর আগে কালিয়া উপজেলার পেড়লী ইউনিয়নের খড়ড়িয়া গ্রামের শাহাদাত হেসেনের সঙ্গে পারিবারিকভাবে তাঁর বিবাহ হয়। পরে শ্বশুরবাড়ির লোকদের নিযার্তনে স্বামীর ঘর ছেড়ে তিনি সন্তানদের নিয়ে বাবার বাড়িতে চলে আসেন। সন্তানদের বাঁচাতে তিনি ভ্যানগাড়ি চালিয়েছেন, কখনো সবজি ও ফলমূল বিক্রি করেছেন। তিনি বলেন, ‘আমি গরিব মানুষ। আমার কেউ নেই বলে আমার সন্তান হত্যার বিচার পাচ্ছি না। এখানে আমার সঙ্গে গ্রামের কেউ আসেননি। আমি ছেলে হত্যার বিচার চাই।’

খুলনা করোনা হাসপাতালে তিনজনের মৃত্যু

স্টাফ রিপোর্টার
খুলনার বয়রা নূর নগর এলাকার করোনা হাসপাতালে ১৫ ঘণ্টার মধ্যে তিন ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টা থেকে বৃহস্পতিবার সকাল নয়টার মধ্যে তাঁরা মারা যান। মারা যাওয়া তিনজন হলেন সিদ্দিকুর রহমান (৬০), আয়েশা খাতুন (৬০) ও সলেমান বিশ্বাস (৬২)। হাসপাতালের সমন্বয়ক শেখ ফরিদ উদ্দিন বলেন, বৃহস্পতিবার সকাল নয়টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সিদ্দিকুর রহমান মারা যান। তাঁর বাড়ি নড়াইলের কালিয়ার উপজেলায়। করোনা পজিটিভ হয়ে তিনি গত ৩১ আগস্ট হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। সকালে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার আয়েশা খাতুনেরও মৃত্যু হয়েছে। গত ২৯ আগস্ট তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। এর আগে বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে মারা যান সলেমান বিশ্বাস। করোনা পজিটিভ হয়ে গত ৫ আগস্ট রাতে তিনি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। তাঁর বাড়ি যশোর সদরের বলাডাঙ্গায়।

পবিত্র কুরআনে অগ্নিসংযোগকারীদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে’: ইসলামী আন্দোলন

খবর বিজ্ঞপ্তি
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের খুলনা মহানগরের নেতৃবৃন্দ সুইডেনের মালমো শহরে মুসলমানদের পবিত্র ধর্মীয় গ্রন্থ কুরআনে অগ্নি সংযোগের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করে এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) এক বিবৃতিতে বলেন, পবিত্র কুরআনে অগ্নি সংযোগ করে সন্ত্রাসীরা মুসলমানদের অন্তরে আগুন জ্বালিয়ে দিয়েছে। ইসলাম ও মানবতার দুশমনদের বিরুদ্ধে বিশ্বমুসলিমকে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। এ জঘন্য ও উসকানিমূলক আচরণের জবাব কঠিনভাবে দিতে হবে। নেতৃদ্বয় বলেন, এ ঘটনার মাধ্যমে সারা বিশ্বে একটি অশান্ত পরিবেশ তৈরি করে মুসলমানদের বিরুদ্ধে নতুন ছক আঁটা হচ্ছে। যা একটি নির্দিষ্ট ধর্মের মানুষের প্রতি ঘৃণার প্রকাশ ঘটানো হচ্ছে এবং ভয়াবহ যুদ্ধের দিকে আহ্বান করা হচ্ছে। সুইডেন ও ডেনমার্কে ইসলামবিদ্বেষী উগ্রপন্থী গোষ্ঠী কর্তৃক মহাগ্রন্থ পবিত্র কোরআন অবমাননার ঘটনা উস্কানীমূলক। নেতৃবৃন্দ বলেন, ডেনমার্কের কট্টর দক্ষিণপন্থী ও উগ্রবাদী রাজনীতিক রাসমুস পালাদুনের পরিকল্পনাতেই তার সমর্থকরা পবিত্র কুরআনে অগ্নি সংযোগের ঘটনা ঘটিয়েছে। সুইডেনের উগ্রবাদী গোষ্ঠী একের পর এক বর্ণবাদ এবং জঘন্য অপরাধ করে যাচ্ছে। ইসলাম ও মুসলমানদের বিরুদ্ধে একের পর এক ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে। সুইডিশ সরকারকে এ ঘটনায় জোরালো পদক্ষেপ নিতে হবে। তারা এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নিতে সুইডিশ সরকারের প্রতি আহ্বান জানান। একই সাথে বাংলাদেশসহ বিশ্বের সকল মুসলিম রাষ্ট্রসমূহকে এই জঘন্য ঘটনার প্রতিবাদে বর্বর সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান। বিবৃতিদাতারা হলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ খুলনা মহানগর সভাপতি মুফতী আমানুল্লাহ, সহ সভাপতি মাওঃ মোজাফ্ফার হোসাইন, মুফতী মাহবুবুর রহমান, সেক্রেটারী শেখ মোঃ নাসির উদ্দিন, জয়েন্ট সেক্রেটারী মাওঃ দ্বীন ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক জিএম সজীব মোল্লা, সহ সাংগঠনিক মোল্লা রবিউল ইসলাম তুষার, প্রচার সম্পাদক মোঃ আব্দুর রশীদ, সহ প্রচার গাজী ফেরদাউস সুমন, দপ্তর সম্পাদক মোঃ শরিফুল ইসলাম, সহ দপ্তর মোঃ সাইফুল ইসলাম, অর্থ সম্পাদক মুক্তিযুদ্ধা জিএম কিবরিয়া, সহ অর্থ আলহাজ্ব মোমিনুল ইসলাম, প্রশিক্ষণ সম্পাদক মুফতী আমিরুল ইসলাম, সহ প্রশিক্ষণ মাওঃ হাফিজুর রহমান, ছাত্র ও যুব বিষয়ক মাওঃ ইমরান হোসাইন, কৃষি ও শ্রম বিষয়ক আলহাজ্ব আমজাদ হোসেন, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক মাওঃ শায়খুল ইসলাম বিন হাসান, আইন বিষয়ক সম্পাদক এ্যাডভোকেট কামাল হোসেন, সমাজ কল্যাণ সম্পাদক আলহাজ্ব আব্দুস ছালাম, মহিলা ও পরিবার বিষয়ক ডাঃ মাওঃ নাসির উদ্দিন, সংখ্যালঘু বিষয়ক আলহাজ্ব আবু তাহের, নির্বাহী সদস্য শেখ হাসান ওবায়দুল করীম, মাওঃ সিরাজুল ইসলাম, আলহাজ্ব জাহিদুল ইসলাম, হাফেজ আব্দুল লতিফ প্রমুখ।

ফকিরহাটে আম্পানে ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে উপকারন বিতরন

ফকিরহাট প্রতিনিধি
বাগেরহাটের ফকিরহাটের বেতাগা ইউনিয়ন পরিষদ চত্তরে বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় করোনা পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্য বিধি মেনে বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির বাগেরহাট ইউনিটের সহযোগীতায় ঘূর্ণিঝড় আম্পানে ক্ষতিগ্রস্থ অসহায় পরিবারের মাঝে তারপলিন, শেল্টার টুল কিটস্,হাইজিন পার্সেল ও ডিগনিটি কিটস্ বিতরণ করা হয়। ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ ইউনুস আলী শেখ এর সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান স্বপন দাশ। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির বাগেরহাট ইউনিটের নির্বাহী সদস্য সরদার আবুল কালাম মিন্টু ও শুভদিয়া ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব শহীদুল ইসলাম। এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পিলজংগ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি অঞ্জন কুমার দে, সাধারন সম্পাদক মোড়ল জাহিদুল ইসলাম ও শুভদিয়া ইউপি সদস্য প্রদীশ অধিকারী। আম্পানে ক্ষতিগ্রস্থ ২৭টি পরিবারের মাঝে তারপলিন, শেল্টার টুল কিটস্,হাইজিন পার্সেল ও ডিগনিটি কিটস্ বিতরণ করা হয়।

রূপসা দারুসুন্নাত তৈয়াবিয়া এতিমখানার নতুন ভবনের ভিত্তি প্রস্তর উদ্বোধন

রূপসা প্রতিনিধি
সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে রূপসা উপজেলা দারুসুন্নাত তৈয়াবিয়া এতিমখানার আধুনিক নতুন ভবনের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন এর শুভ উদ্বোধন ৩রা সেপ্টেম্বর দুপুরে মাদ্রাসা চত্বরে অনুষ্ঠিত হয়। এতিমখানার সভাপতি সৈয়দ মোরশেদুল আলম বাবুর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উদ্বোধন করেন বিশিষ্ট ক্রীড়িবিদ ও মিঃ বাংলাদেশ আজাদ আবুল কালাম। এসময় উপস্থিত ছিলেন থানা অফিসার ইনচার্জ(ভারপ্রাপ্ত) সরদার ইব্রাহিম সোহেল, মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা হাসিবুর রহমান, সাধারন সম্পাদক নজরুল ইসলাম সরকার, এস এম হারুন আর রশিদ, শিক্ষক মোঃ হাসিব শেখ, আসলাম হোসেন, মারুপ হালদার, হাফেজ ওবায়দুল্লাহ, মোতাহার হোসেন, আওয়ামীলীগ নেতা আকতার ফারুক, নাজির হোসেন, যুবলীগের আঃ মজিদ ও স্বেচ্ছাসেবকলীগের আজিজুল ইপসলাম প্রমূখ।

মোল্লাহাটে উচ্চ আদালতের আদেশ অমান্য করে ভবন নির্মানের অভিযোগ

বাগেরহাট প্রতিনিধি
বাগেরহাটের মোল্লাহাটে উচ্চ আদালতের আদেশ অমান্য করে ভবন নির্মানের অভিযোগ উঠেছে জনৈক শেখ ফয়জুল করিম পিন্টুর বিরুদ্ধে। ফয়জুল করিমের ভাইয়ের মেয়ে ফাহমিনা করিমের আবেদনের প্রেক্ষিতে হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা স্বত্তেও তিনি মোল্লাহাট বাজার সংলগ্ন ৩৭ শতক জমির উপর ভবন নির্মান করে যাচ্ছেন। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কাজ না করার জন্য বললেও ফয়জুল করিম তার ৩০ থেকে ৩৫ জন শ্রমিক দিয়ে কাজ করাচ্ছেন এমন অভিযোগ করেন ফাহমিনা করিম।
ফাহমিনা করিম বলেন, আমার বাবা শেখ রেজাউল করিম মৃত্যুবরণ করার পর থেকে আমার চাচা আমাদের পৈত্রিক সম্পত্তি জোর দখল করে নেওয়ার চেষ্টা করে। নায্য পাওনা বুঝে পেতে ২০১৯ সালে বাগেরহাট আদালতে বাটোয়ারা মামলা করি(মামলা নং ৮৪/১৯)। এরপরে আমার চাচা শেখ ফয়জুল করিম পিন্টু বাজার সংলগ্ন ৩৭ শতক জমির উপর ভবন নির্মানের চেষ্টা করেন। আমরা মৌখিকভাবে নিষেধ করার পরেও চাচা ভবন নির্মান কাজ চালিয়ে যাচ্ছিলেন। আমরা হাইকোর্টে আবেদন করলে উচ্চ আদালত ভবন নির্মানে নিষেধাজ্ঞা দেয়। নিষেধাজ্ঞা বলবত থাকা স্বত্তেও আমার চাচা অতিরিক্ত শ্রমিক নিয়ে ভবন নির্মান করে যাচ্ছেন। আমরা উপজেলা প্রশাসন ও মোল্লাহাট থানা পুলিশকে জানানোর পরে তারা কাজ করে যাচ্ছেন। আমরা এখন কি করব আদালত নিষেধাজ্ঞা দিলেও যদি কাজ করে তাহলে আমরা কোথায় যাব। আমার ন্যায্য পাওনা প্রাপ্তির জন্য এই নিষেধাজ্ঞা বলবত রাখার অনুরোধ করছি এবং ন্যায় বিচার চাই। ফাহমিনা করিম আরও বলেন, আমার চাচাতো ভাই ইমরুল করিম পুলিশের এসআই হওয়ার সুবাধে স্থানীয়দের এবং আমাদের বিভিন্ন হুমকী ধামকী দিয়েছে। যার ফলে আমাদের আদালতে নিষেধাজ্ঞা স্বত্তেও কেউ তাদের বিরুদ্ধে কোন কথা বলছেন না। এবিষয়ে শেখ ফয়জুল করিম পিন্টুর সাথে একাধিক বার ফোন করা হলে তিনি রিভিস করেননি। মোল্লাহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ গোলাম কবির বলেন, এটাতো আমাদের কাজ নয়, আদালতের নির্দেশ বাস্তবায়ন করার দায়িত্ব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার। তিনি আমাদের সহযোগিতা চাইলে পুলিশ দেওয়া হবে। মোল্লাহাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাফফারা তাসনীন বলেন, উপজেলা সদরে পারিবারিক জমিজমা সংক্রান্ত বিবাদের বিষয়টি আমাদের অবহিত করার পর আমরা উভয় পক্ষকে ডেকে কথা বলেছি। আদালতের নির্দেশনার বিষয়ে আমরা তাদেরকে অবহিত করেছি।

সরকারি মৎস্য বীজ খামারে উৎপাদিত মাছের পোনা প্রাতিষ্ঠানিক জলাশয়ে বিতরণ

বাগেরহাট প্রতিনিধি
বাগেরহাট সরকারি মৎস্য বীজ উৎপাদন খামারে উৎপাদিত কার্প জাতীয় মাছের পোনা বিভিন্ন প্রাতিষ্ঠানিক জলাশয়ে বিতরণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (০৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বাগেরহাট সদর উপজেলা মৎস্য ভবন চত্বরে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের কাছে এই পোনা হস্তান্তর করা হয়। পোনা হস্তান্তর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, মৎস্য অধিদপ্তরের খুলনা বিভাগীয় উপ-পরিচালক নারায়ন চন্দ্র মন্ডল। এসময় বাগেরহাট জেলা মৎস্য কর্মকর্তা ড. মোঃ খালেদ খনক, বাগেরহাট সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সরদার নাছির উদ্দিন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মাদ মোছাব্বেরুল ইসলাম, সদর উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান রিজিয়া পারভীন, সদর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা ফেরদাউস আনছারি, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাদিয়া সুলতানা, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা নুরে জান্নাত, মৎস্য বীজ উৎপাদন খামারের ব্যবস্থাপক নির্মল কুমার কুন্ডুসহ গন্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
এদিন বাগেরহাট সদর উপজেলা পরিষদের পুকুর, রাধা বল্লব গুচ্ছ গ্রাম পুকুরসহ ২০টি জলাশয়ে ৪‘শ কেজি কার্প জাতীয় মাছের পোনা বিতরণ করা হয়েছে। এর আগেও এই খামারের উৎপাদিত পোনা বিভিন্ন জলাশয়ে অবমুক্ত করেছে বাগেরহাট জেলা মৎস্য বিভাগ।

বাজার উন্নয়নে এলজিইডির বাস্তবায়নে কচুয়ায় ভবন নির্মান কাজের উদ্বোধন

বাগেরহাট প্রতিনিধি
বাগেরহাটের কচুয়ায় দেশব্যাপি গ্রামীণ বাজার উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় উপজেলার তালেশ^র বাজার উন্নয়নে চারতলঅ ভিত বিশিষ্ঠ দুইতলা ভবন নির্মান কাজের উদ্ভোধন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে দুই কোটি ৫৭ লাখ ৫১ হাজার দুইশ আট টাকা ব্যায়ে নির্মিত এ ভবন নির্মান কাজের উদ্ভোধন করেন জেলা প্রশাসক মো.মামুনুর রশিদ। এসময়ে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেনবাগেরহাট জেলা পুলিশ সুপার পংকজ চন্দ্র রায়, নির্বাহী প্রকৌশলী (এলজিইডি)জিএম. মজিবুর রহমান, সিনিয়র সহকারী প্রকৌশলী মো. মাহামুদ হাসান, জেলা আওয়ামীলীগ নেতা মো.ফিরোজুল ইসলাম, কচুয়া উপজেলা চেয়ারম্যান এস.এম. মাহফুজুর রহমান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুজিৎ দেবনাথ, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাজমা সরোয়ার, বাগেরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্যের এপিএস এ্যাড. রেজোয়ান আহমেদ চয়ন, কচুয়া উপজেলা প্রকৌশলী মো. আনিসুর রহমান, কচুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) মো.মনিরুল ইসলাম, মঘিয়া ইউনিয়ন চেয়ারম্যান এ্যাড.পংকজ কান্তি অধিকারী। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) এর বাস্তবায়নে আগামী ৮অক্টোবর ২০২১ তারিখের মধ্যে এ কাজ সম্পন্ন করা হবে।

রূপসায় নতুনহাট বাজার আধুনিকতার কাজের উদ্বোধন

রূপসা প্রতিনিধি
রূপসা উপজেলার নৈহাটি ইউনিয়নের সামন্তসেনা (নতুনহাট) বাজার আধুনিক উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন ৩ রা সেপ্টেম্বর বেলা ১১টায় বাজার চত্বরে অনুষ্ঠিত হয়। দীর্ঘদিন ধরে জরাজীর্ণ ভাবে এবাজারে ব্যবসায়ীরা ব্যবসা করে আসছে। বৃষ্টি হলে পানি জমে থাকে। সাধারণ ক্রেতা ও বিক্রেতাদের অনেক সমস্যার মধ্যে পড়তে হয়। তাছাড়া টিনসেড (চান্দি)গুলো বিভিন্ন স্থানে ছিদ্র হওয়ার কারনে পানি পড়ে। প্রতি সপ্তাহে শনিবার ও বুধবার এ বাজারে হাট বসে। প্রায় ১০ গ্রামের মানুষ নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিষ ক্রয় বিক্রয় করতে আসে। এসকল মানুষের কথা চিন্তা করে খুলনা-৪ আসনের এমপি আব্দুস সালাম মূশের্দীর সার্বিক সহযোগিতায় বাজারটি উন্নয়নের জন্য ৩৫লাখ টাকা বরাদ্দের মাধ্যমে টেন্ডার অনুষ্টিত হয়। টেন্ডারে বাজারটির দুই পাশে বড় রাস্তা থাকবে এবং পাকা ভবন নির্মাণ করা হবে।
এ নির্মাণ কাজের শুভ উদ্বোধন করেন বিশিষ্ট ক্রীড়াবিদ মিঃ বাংলাদেশ নামে খ্যাত আজাদ আবুল কালাম, জেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সদস্য আঃ মজিদ ফকির, অধ্যক্ষ ফ ম আঃ সালাম, উপজেলা প্রকৌশলী এস এম ওয়াহিদুজ্জামান, ইউপি চেয়ারম্যান কামাল হোসেন বুলবুল, এমপির চীপ কো-অডিনেটর নোমান ওসমানী রিচি, প্রধান শিক্ষক সাবেক বাকির হোসেন বাকু, আওয়ামীলীগের দপ্তর সম্পাদক আকতার ফারুক, আকরাম হোসেন,ই্উপি সদস্য জাকির হোসেন, ইউনিয়ন যুবলীগের আহবায়ক বাদশা মিয়া, ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি ফ ম আইয়ুব আলী, সাধারণ সম্পাদক কামাল হোসেন, নাজির শেখ, ইলিয়াজ শেখ, বাজার কমিটির সভাপতি নুর মোহাম্মাদ, সাধারণ সম্পাদক আজমল ফকির, আঃ মান্নান, অনঙ্গ চট্টপাধ্যায়, খলিল খান, ছাত্রনেতা খায়রুজ্জামান সজল, সাকিব রায়হান প্রমূখ।

মোড়েলগঞ্জে অফিস সহকারীর উচ্চমান সহকারী পদে বদলী

মোড়েলগঞ্জ প্রতিনিধি
বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জ উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসের সহকারী কাম কম্পিউটার পদে কর্মরত মো. শাহাজান মিয়ার উচ্চমান সহকারী পদে পদোন্নতি হয়ে পটুয়াখালী ত্রাণ ও পূর্নবাসন কর্মকর্তার কার্যালয় বদলী হয়েছেন। তিনি মোড়েলগঞ্জ উপজেলায় অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার পদে ৮ বছর ২৬দিন সুনামের সাথে চাকুরি করেছেন। বৃহস্পতিবার উপজেলা নির্বাহী অফিস কার্যালয়ে থেকে তাকে বিদায়ী সংর্বধনা দেওয়া হয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. দেলোয়ার হোসেন, সহকারি কমিশনার (ভূমি) রঞ্জন চন্দ্র দে, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. নাসির উদ্দিন, ইঞ্জিনিয়ার সুভাংকর মন্ডল, খাউলিয়া চেয়ারম্যান মাষ্টার আবুল খায়ের, পুটিখালী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মাওলানা আব্দুল কাদের, প্রেসকাবের অর্থ ও দপ্তর সম্পাদক এম.পলাশ শরীফ এ সময় উপস্থিত ছিলেন। মো. শাহ জাহান মিয়ার গ্রামের বাড়ি বরগুনা সদর জেলা।

খুলনা চেম্বারের শোক

খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনা চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির সম্মানীত সদস্য মেসার্স বি জামান এন্ড সন্স এর স্বত্বাধিকারী মোঃ আসাদুজ্জামান সেলিম ও মোঃ মহিবুজ্জামান কচি এর মাতা মিসেস জেরিনা খাতুন (৮৮) বার্ধক্য জনিত কারণে অসুস্থ হয়ে ঢাকাস্থ একটি বেসরকারী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় অদ্য ০৩ সেপ্টেম্বর, ২০২০ তারিখ বৃহষ্পতিবার আনুমানিক রাত ০৩:৩০ টায় ইন্তেকাল করেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তিনি অত্যন্ত সদালাপী, মিষ্টভাষী ও দানশীল ছিলেন। তার এ মৃত্যুতে খুলনার সর্বস্তরের ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ের পক্ষ থেকে খুলনা চেম্বারের সভাপতি কাজি আমিনুল হক, উর্দ্ধতন সহ-সভাপতি শেখ আসাদুর রহমান, সহ-সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান বিশ্বাস বুলু, সহ-সভাপতি মোঃ মোস্তফা জেসান ভূট্টো, পরিচালকবৃন্দ গোপী কিষণ মুন্ধড়া, এম এ মতিন পান্না, জেড এ মাহামুদ ডন, এস এম ওবায়দুল্লাহ, আলহাজ্ব মোঃ মফিদুল ইসলাম টুটুল, ঠাকুর মোঃ শাহ্ আলম, জোবায়ের আহমেদ খান (জবা), মোঃ সিরাজুল হক, কাজী মাসুদুল ইসলাম, আলহাজ্ব মোঃ মোশাররফ হোসেন, শেখ আল্লামা ইকবাল তুহিন, মোঃ আবুল হাসান, দীপক কুমার দাস, মোঃ ইসলাম খান, উজ্জ¦ল কুমার গাঙ্গুলী, শেখ মোঃ গাউসুল আজম, খান সাইফুল ইসলাম, মোঃ মনিরুল ইসলাম মাসুম, মোঃ মাহবুব আলম ও চৌধুরী মিনহাজ-উজ-জামান এবং খুলনা চেম্বারের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ গভীর শোক প্রকাশ করে তার রুহের মাগফেরাত কামনা এবং মরহুমার শোকসন্তপ্ত পরিবারবর্গের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন।

খুলনা জেলা প্রশাসকের সাথে র্ভাচ্যুয়াল গনশুনানী অনুষ্ঠিত

দাকোপ (খুলনা) প্রতিনিধি
বেসরকারী এনজিও রুপান্তরের উদ্যোগে খুলনা জেলা প্রশাসকের সাথে এসডিজি ফোরামের নেতাদের ভ্যার্চুয়াল গনশুনানী অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার সকাল ১০টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয় অনুষ্ঠিত শুনানীতে শুভেচ্ছা বক্তৃতা করেন রূপান্তরের নির্বাহী পরিচালক স্বপন কুমার গুহ। এনজিওটির নির্বাহী পরিচালক রফিকুল ইসলাম খোকনের পরিচালনায় প্রশ্নোত্তর পর্বে আলোচনা করেন এসডিজি ফোরামের জেলা কমিটির আহবায়ক অধ্যাপক আনোয়ারুল কাদির। শুনানীতে অংশ্রগ্রহন করেন অ্যাডঃ সেলিনা আক্তার পিয়া, মোঃ জুলফিকার আলী, আলফ্রেড রনজিৎ মন্ডল, সাংবাদিক মোঃ নুরুজ্জামান, প্রদীপ সরকার, তাপক বিশ্বাস, কৃষ্ণ গোপাল সেন, রিমন রায়, মরিনা পারভীন, অ্যাডঃ পপি ব্যানার্জী, এস এম, মাহাবুবুর রহমান। এসময় উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকারের উপ-পরিচালক, মোঃ ইকবাল হোসেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক জিয়াউল রহমান, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট মোঃ ইউসুফ আলী, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মোঃ মহিউদ্দিন হাসান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মোছাঃ শাহনাজ পারভীন, সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মোঃ ইসমাইল হোসেন, সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিষ্টেট মোঃ তকী সফসাল তালুকদার, সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মিডিয়াসেল দেবাশীষ বসাক, সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট এস এম রাসেল ইসলাম নুর, সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট শারমীন জাহান লুনা প্রমুখ।

দাকোপে করোনা প্রতিরোধে সাংবাদিকদের সাথে ফ্রেন্ডশিপের মতবিনিময়

দাকোপ (খুলনা) প্রতিনিধি
খুলনার দাকোপে বেসরকারী উন্নয়ন সহযোগি সংস্থা ফ্রেন্ডশিপের আয়োজনে করোনা প্রতিরোধে গণমাধ্যম কর্মীদের অবদান ও করণীয় নিয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। কিং আব্দুল্লাহ বিন আব্দুল আজিজ প্রোগ্রামের অর্থায়নে এবং ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের মাধ্যমে কানাডিয় সংস্থা গ্র্যান্ড চ্যালেঞ্জের বাস্তবায়নে বুধবার বিকাল ৫টায় দাকোপ প্রেসকাব মিলনায়তনে প্রেসকাবের সভাপতি শচীন্দ্রনাথ মন্ডলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় সংস্থাটির কর্মকান্ড তুলে ধরেন সিনিয়র প্রকল্প বিশেষজ্ঞ ডাঃ আবুল হোসেন। তিনি বলেন করোনা মহামারী সময়ে উপজেলার প্রান্তিক অঞ্চলে বসবাসকারী প্রায় ৫ হাজার মানুষকে বিশেষ স্বাস্থ্যসেবা দিয়ে যাচ্ছেন। এসময় বক্তৃতা করেন কাবের সম্পাদক জি.এম রেজা, সংস্থার মনিটারিং এন্ড ইভালুয়েশন প্রধান রাসেল হুসেন, সিনিয়র সুপারভাইজার মোঃ হাসিবুল হোসেন টুটুল, সাংবাদিক মোঃ শিপন ভূঁইয়া, আজগর হোসেন ছাব্বির, গোবিন্দ বিশ্বাস, মোজাফফার হোসেন, এস এম মামুনুর রশিদ, ফ্রেন্ডশিপের জুনায়েদ আলী সাকী, লিপি আক্তার রাবেয়া ইসলাম স্মৃতি, যুথিকা সরকার প্রমুখ।

ফুলতলায় মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার সাথে শিক্ষক অনলাইন কাস বিষয়ক মতবিনিময় সভা

ফুলতলা প্রতিনিধি
ফুলতলা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) জান্নাতুল ফেরদৌসের সাথে অধ্যক্ষ, প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকদের অনলাইন কাস বিষয়ক এক মতবিনিময় সভা বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় অফিস কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন অধ্যক্ষ গাজী মারুফুল কবির, প্রধান শিক্ষক তাপস কুমার বিশ্বাস, প্রেমচাঁদ দাস, সহকারী প্রধান শিক্ষক তরুনকান্তি সেন, শিক্ষক শ্যামলী দত্ত, ত্রিদীপ রায়, ইয়াছিন মোল্যা, তৈহিদ রেজা, ফারুকুল ইসলাম, সোহাগ হোসেন, মিলন কুমার মন্ডল, রফিকুল ইসলাম প্রমুখ। সভায় সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক ৯ সদস্য বিশিষ্ট অনলাইন কাস পরিচালনা কমিটি গঠন, রেজিষ্টার সংরক্ষণ ও ৬ষ্ঠ শ্রেণি থেকে শুরু করে ১০ শ্রেণি পর্যন্ত পর্যায়ক্রমে স্কুলে গিয়ে সকল শিক্ষকদের অনলাইনে কাস নেয়ার নির্দেশনা প্রদান করা হয়।

খানজাহান আলী থানা হিন্দুবৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের শোক জ্ঞাপন ও প্রার্থনা সভা অনুষ্ঠিত

খবর বিজ্ঞপ্তি
মুক্তিযুদ্ধের ৪ নং সেক্টর কমান্ডার , বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড ( অধুলানুপ্ত বাংলাদেশ রাইফেলস ) এর প্রতিষ্ঠাতা মহাপরিচালক , বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যান ট্রাস্ট ও বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্পোরেশনের সাবেক রেচয়ারম্যান এবং হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মেজর জেনারেল ( অবঃ) সি . আর দত্ত ( বীর উত্তম ) এর পরলোকগমনে তার আতœার চিরশান্তি কামনায় বাংলাদেশ হিন্দুবৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের খানজাহান আলী থানা শাখার উদ্যোগে বৃহস্পতিবার সন্ধা ৭ রর আফিলগেট পাল পাড়া মন্দিে প্রাঙ্গনে এক প্রার্থনা সভা অনুষ্ঠিত হয় । হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের খানজাহান আলী থানা সভাপতি কমল কৃষ্ণ পালের সভাপতিত্বে ও সহ সভাপতি যোসেফ সিকদারের পরিচালনায় প্রার্থনা সভায় বক্তব্য রাখেন সাধারন সম্পাদক মিলন মজুমদার, আশুতোষ বিশ^াস ,সুভাষ পাল, জোছনা দাশ , সাংবাদিক মিহির রঞ্জন বিশ^াস, সন্তস পাল, পল্টু কুন্ডা , কার্তিক রায় , চঞ্চল পাল, দুলাল বিশ^াস, শংকর পাল, জুয়েল প্রমুখ । সভায় শোক সন্তপ্ত পরিবার- পরিজনের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করা হয় ।

দেবহাটা থানা পুলিশের অভিযানে আটক ২

কে এম রেজাউল করিম
দেবহাটা থানা পুলিশের অভিযানে দেবহাটা সার্কেল মোঃ শেখ ইয়াছিন আলী স্যারের তত্ত্বাবধানে এবং দেবহাটা থানার অফিসার ইনচার্জ জনাব বিপ্লব কুমার সাহা এর নেতৃত্বে দেবহাটা থানা এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, গ্রেফতারী পরোয়ানা তামিল ও বিশেষ অভিযান পরিচালনা কালে বুধবারে (২ই সেপ্টেম্বর) এএসআই মোঃ শামীম হোসেন, সঙ্গীয় ফোর্স এর সহায়তায় দেবহাটা থানাধীন বেজোরআটি এলাকা হইতে জিআর-১৫২/১৩ (দেবঃ)এর আসামী জাকির হোসেন, পিতা-কওছার মোড়ল, সাং-বেজোরআটি, থানা-দেবহাটা, জেলা-সাতক্ষীরাকে গ্রেফতার করেন এবং ইং-০৩/০৯/২০২০ তারি এএসআই (নিঃ) মোঃ রসিদুল ইসলাম সঙ্গীয় ফোর্সের সহায়তায় দেবহাটা থানাধীন পারুলিয়া বাজার এলাকা হইতে সিআর-১৩৭/১৬ এর আসামী- আব্দুস সামাদ মোল্যা, পিতা-শামছুর রহমান, গ্রাম-পারুলিয়া, থানা-দেবহাটা, জেলা-সাতক্ষীরাকে গ্রেফতার করেন।আসামীদ্বয়কে বিচারার্থে ইং-০৩/০৯/২০২০ তারিখ বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়।

কেশবপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় এক বাইসাইকেল আরোহী নিহত

কেশবপুর প্রতিনিধি,
কেশবপুরে বুধবার সন্ধ্যায় মোটরসাইকেলের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে বাইসাইকেল আরোহী কৃষক মুক্তার আলী শেখ (৩৮) নিহত হয়েছেন। এলাকাবাসী জানায়, উপজেলার চিংড়া বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে সাগরদাঁড়ি-চিংড়া সড়কের মালোপাড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনায় বাইসাইকেল আরোহী মুক্তার আলী মারাত্মক আহত হলে খুলনায় উন্নত চিকিৎসার জন্য নেওয়া হলে ওইদিন রাতেই মারা যান। নিহত মুক্তার আলী উপজেলার বগা গ্রামের আব্দুস সাত্তার শেখের ছেলে।

কেশবপুরে খেলতে গিয়ে পানিতে ডুবে এক শিশুর করুণ মৃত্যু

কেশবপুর প্রতিনিধি
কেশবপুরে উপজেলার সন্ন্যাসগাছা গ্রামে বুধবার বিকেলে পানিতে ডুবে এক শিশুর করুণ মৃত্যু হয়েছে। এলাকাবাসী জানায়, সন্ন্যাসগাছা গ্রামের শহিদুল ইসলামের আড়াই বছর বয়সী শিশু কন্যা সুরাইয়া (২)নদীর পাড়ে খেলতে গিয়ে পানিতে পড়ে মারা যায়। পরিবারের লোকজন খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে বাড়ির পাশে ভদ্রা নদীর পানি থেকে তার মৃতদেহ উদ্ধার করে। এলাকার ইউপি সদস্য জিয়াউর রহমান পানিতে পড়ে শিশুর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

শ্রীউলায় রিং বাঁধের কাজ পরিদর্শনে উপজেলা চেয়ারম্যান

আশাশুনি প্রতিনিধি
আশাশুনি উপজেলার শ্রীউলায় ভেড়ী বাঁধ ভেঙ্গে প্লাবিত এলাকাকে রক্ষার্থে নির্মানাধীন রিং বাঁধের কাজ পরিদর্শন করেছেন উপজেলা চেয়ারম্যান এবিএম মোস্তাকিম। বৃহস্পতিবার উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে সাথে নিয়ে তিনি এলাকা পরিদর্শনে যান। উপজেলার শ্রীউলা ইউনিয়নের হাজরাখালী ও প্রতাপনগরের কোলা ঘোলাসহ বিভিন্ন স্থানে পাউবো’র বেড়ী বাঁধ ভেঙ্গে ইউনিয়নের ২২ গ্রাম ও আশাশুনি সদরের কয়েকটি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। বাঁধটি রক্ষা করা সম্ভব হয়নি। বাধ্য হয়ে মাড়িয়ালা টু কোলা রিং বাঁধ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এই রিং বাঁধের কাজ পরিদর্শন করতে গমন করেন উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি এবিএম মোস্তাকিম। পরিদর্শনকালে এবিএম মোস্তাকিম বলেন, বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক, পাউবো’র নির্বাহী প্রকৌশলীর সাথে আমার কথা হয়েছে। আমরা অতি দ্রুত রিং বাঁধের কাজ শেষ করব। বাঁধ শেষ হলে শ্রীউলা ইউনিয়নের হাজরাখালী, কলিমাখালী (আংশিক), মাড়িয়ালা (আংশিক) ও প্রতাপনগর ইউনিয়নের কোলা ও হিজলিয়ার একটি অংশ বাইরে থাকবে ঠিকই, কিন্তু শ্রীউলার প্রায় ২০টি এবং আশাশুনি সদর ইউনিয়নের ১৪ গ্রামে জোয়ারের পানি ওঠা-নামা বন্ধ হয়ে জনভোগান্তি কমবে। যারা রিং বাঁধ এর বাইরে পানিবন্দি থাকবে তাদেরকে সরকারি সহযোগিতার মাধ্যমে সাময়িক ভাবে আবাসন ব্যবস্থা করে দেওয়া হবে। বৃহত্তর স্বার্থে আমাদের সবাইকে ত্যাগ স্বীকার করে এগিয়ে আসতে হবে এবং কাজে সহযোগিতা করতে হবে। তাহলে এই এলাকা রক্ষা করা সম্ভব হবে। এসময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মীর আলিফ রেজা, শ্রীউলা ইউপি চেয়ারম্যান আবু হেনা সাকিল, উপজেলা আওয়ামী লীগ সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সামাদ বাচ্চু, উপজেলা কৃষক লীগ সভাপতি স ম সেলিম রেজা সেলিম, ইউপি সদস্য ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

আশাশুনি পিডিবিএফ কার্যালয়ে সভা অনুষ্ঠিত

আশাশুনি প্রতিনিধি
আশাশুনি উপজেলা পল্লী দারিদ্র বিমোচন ফাউন্ডেশ (পিডিবিএফ) এর এক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে পিডিবিএফ কার্যালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা সিনিয়র দারিদ্র বিমোচন কর্মকর্তা বিএম ফিরোজ আহমেদের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, পিডিবিএফ এর উপ-সহকারী পরিচালক আবুল হাসান। সভায় পিডিবিএফ উপজেলা কার্যালয়ের সকল কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন। সভায় ফাউন্ডেশনের বিভিন্ন কার্যক্রম নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

শ্রীউলায় একশ’ পরিবারের মাঝে খাদ্য বিতরণ

আশাশুনি প্রতিনিধি
আশাশুনি উপজেলার শ্রীউলা ইউনিয়নে প্লাবিত মানুষের মাঝে খাদ্য বিতরণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে এ খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়। উপজেলার শ্রীউলা মহিষকুড়ে নদী ভাঙ্গনে প্লাবিত ও মানবেতর জীবন যাপনকারী ১০০ পরিবারের মধ্যে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়। খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করে ভালোবাসার খুলনা, খুলনা ব্লাড গ্রুপ, খুলনা ফুড গ্রুপ, বাগেরহাট ব্লাডব্যাংক এবং সাতক্ষীরা ব্লাড ব্যাংক। সাতক্ষীরা ব্লাড ব্যাংকের ৩য় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে খাদ্য সামগ্রী বিতরণের মাধ্যমে এখন থেকে ভালোবাসার খুলনা, খুলনা ব্লাড গ্রুপ, খুলনা ফুড গ্রুপ, বাগেরহাট ব্লাড ব্যাংক এবং সাতক্ষীরা ব্লাড ব্যাংক এক সাথে কাজ করবে বলে জানান, সংগঠনের উপদেষ্টা মন্ডলী, সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক।