মণিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি
মোবাইল কিনে না দেওয়ায় যশোরের মণিরামপুরে রাখি ম-ল (১৪) নামে অষ্টম শ্রেণি পড়–য়া এক স্কুল ছাত্রী আত্মহত্যা করেছে। রোববার সকালে উপজেলার সুজাতপুর গ্রামে নিজ ঘরে আড়ার সাথে ওড়না জড়িয়ে সে আত্মহত্যা করেছে বলে স্বজনদের দাবি। রাখি ওই গ্রামের অনুকুল ম-লের মেয়ে। সে বাজেকুলটিয়া বালিকা বিদ্যালয়ের ছাত্রী ছিল। পুলিশ রাখির লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠিয়েছে।
এদিকে রোববার সন্ধ্যায় পৌরশহরের হাকোবায় চুমকি দত্ত (২৮) নামে এক গৃহবধূকে শ^াসরোধে হত্যার অভিযোগ উঠেছে স্বামীর বিরুদ্ধে। চুমকি মণিরামপুর বাজারের পাদুকাভবন সংলগ্ন বাড়ির তরুন চন্দ্রের মেয়ে এবং পৌরসভার হাকোবা ব্রিজসংলগ্ন এলাকার মৃত্যুঞ্জয় দত্তের স্ত্রী। নয় বছর আগে তাদের বিয়ে হয়েছিল। ওই দম্পত্তির চার বছর বয়সী নেহা দত্ত নামে এক মেয়ে রয়েছে।
চুমকির দাদাবাবু মিহির কুমারসহ স্বজনদের অভিযোগ, পারিবারিক কলহের জেরে রোববার সন্ধ্যায় মৃত্যুঞ্জয় চুমকিকে মারপিট করে। একপর্যায়ে গলা টিপে ধরে তার মাথা দেওয়ালের সাথে আঘাত করে। এরপর মৃত্যু নিশ্চিত করতে তাকে বালিশ চাপা দেওয়া হয়েছে। পরে তারা বিষয়টি আত্মহত্যা বলে প্রচার দেয়। লাশের গলায় ডানপাশে বৃদ্ধাঙ্গুলের ছাপ রয়েছে। এছাড়া মারপিটের বিষয়টি শিশু নেহা পুলিশকে জানিয়েছে।
তবে মৃত্যুঞ্জয়ের ছোট ভাই আকাশ দত্তের দাবি, স্বামীর ওপর অভিমান করে রোববার রাত ১২টার দিকে চুমকি ঘরের আড়ার সাথে ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে। তাকে উদ্ধার করে মণিরামপুর হাসপাতালে নিলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক চুমকিকে মৃত ঘোষণা করেন।
মণিরামপুর থানার এসআই কাজী নাজমুস সাকিব বলেন, লাশের গলায় আঙ্গুলের ছাপ রয়েছে। বিষয়টি সন্দেহজনক। লাশ মর্গে পাঠানো হচ্ছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।











































