স্টাফ রিপোর্টার
খুলনা মহানগরীর খালিশপুরে মো. ফিরোজ হোসেন (৪৩) নামের এক যুবকের রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। পুলিশ ও সাংবাদিকদের সহযোগিতায় শনিবার (৩০ নভেম্বর) ময়নাতদন্ত শেষে তার পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়।
তার মৃত্যুর জন্য সৎমায়ের দিকে অভিযোগের তির ছুড়েছে অনেকে। নিহত ফিরোজ খালিশপুরের মরহুম মোহাম্মদ আলী হোসেন ও মরহুমা মিনু পারভিনের ছেলে। ফিরোজের ছোট বোন মোসাম্মাৎ জুলিয়া আক্তার ববি বলেন, তার মায়ের মৃত্যুর পর বাবা দ্বিতীয় বিয়ে করেন। এরপর থেকে সৎ মা আনজিরা বেগম বিভিন্নভাবে ফিরোজ হোসেনকে মারধর করতেন। খাবার না দিয়ে রুমে আটকে রাখতেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি। নির্যাতনের এক পর্যায়ে মানসিকভাবে ভারসাম্যহীন হয়ে পড়েন ফিরোজ।
২১ ও ২২ নভেম্বর ফিরোজকে রুমে আটকে রেখে মুখ বেঁধে মারধর করারও অভিযোগ করেন ববি। ২৮ নভেম্বর সকালে ঘরের তালা ভেঙে ফিরোজকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে ওই দিন রাত ৩টার দিকে তার মৃত্যু হয়। তবে বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেন সৎমা।
খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের খালিশপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম বলেন, ফিরোজের পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে মরদেহ ময়নাতদন্ত করা হয়। তারপর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।










































