ঝিনাইদহ প্রতিনিধি
ঝিনাইদহ সদর উপজেলার ডাকবাংলা উত্তর নারায়ণপুর গ্রামে স্বামীর বাড়িতে ৯ বছরের এক কন্যা সন্তান নিয়ে ৫ দিন যাবৎ অনশন শুরু করেছে তার স্ত্রী । গত বৃহস্পতিবার থেকে এই অনশন চালিয়ে যান তিনি। খোজ নিয়ে জানা যায়, ২০০৯ সালে সদর উপজেলার ডাকবাংলা উত্তর নারায়ণপুর গ্রামের মৃত খাদিমুলের ছেলে মেহেদী হাসান বাবুর সাথে পাশ্ববর্তী ডাকবাংলা বাজারের মৃত এহেসানুল হক এর মেয়ে রোকসানা খাতুনের বিয়ে হয়। বিয়ের পরে তাদের ঘরে মেহেমিন মারিয়া নামের এক কন্যা সন্তানের জন্ম হয়।
স্ত্রী রোকসানা অভিযোগ করেন, ২০০৯ সালে আমরা সম্পর্ক করে বিবাহ করেছি। বিবাহের পর আমার শ্বশুর বাড়ির লোকজন মেনে না নেওয়ায় আমার স্বামী আমাকে নিয়ে ঝিনাইদহ শহরের পাগলাকানাই এলাকায় বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাস ও সংসার করে আসছিল। পরে তাদের ঘরে একটি কন্যা সন্তান জন্ম লাভ করে। এরই মাঝে গত কিছুদিন ধরে আমার স্বামী আমার সাথে কোন যোগাযোগ না করায় আমি আমার স্বামীর বাড়িতে আসি। আমাকে ওই বাড়িতে শ্বাশুড়ির নেতৃত্বে স্বামীর পরিবারের লোকজন আমার এবং আমার সন্তানকে আটকিয়ে রাখে। এ খবর পেয়ে ঝিনাইদহ সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ঘটনাস্থলে পৌছে আমাকে তাদের কাছে বুঝিয়ে রেখে আসে। এ ঘটনায় বুধবার এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে বিচার শালিসের দিন ধার্য করা হয়েছে উপজেলা পরিষদ কার্যালয়ে।
তবে এসকল নির্দেশ উপেক্ষা করে আমার শ্বশুর বাড়ির লোকজন আমার এবং সন্তানকে ফেলে রেখে বাড়ি থেকে সরে পড়েছে। বর্তমান আমি ওই বাড়িতে সন্তান নিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছি। আমি এ ঘটনায় সুষ্ঠ বিচার দাবি করছি।

ঝিনাইদহে করোনায় পুলিশ কর্মকর্তার মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ২১
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি
করোনা ভাইরাস সংক্রমণে আক্রান্ত হয়ে বাংলাদেশ পুলিশের আরও এক গর্বিত সদস্য এএসআই (সশস্ত্র) দলিল উদ্দিন বিশ্বাস (৫৮) করোনা উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে। সে যশোর জেলার কোতয়ালি থানার নওদা গ্রামের বাসিন্দা ও ঝিনাইদহ পুলিশ লাইন্সে কর্মরত ছিলেন। মঙ্গলবার নতুন করে জেলায় আরও ২১ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছে।
খোজ নিয়ে যানা যায়,করোনায় আক্রান্ত হয়ে তিনি গত ২৫ জুলাই রাজারবাগ কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালে ভর্তি হন। তাকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) রেখে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়। সোমবার দিবাগত রাতে করোনার সাথে যুদ্ধে হেরে গিয়ে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
বাংলাদেশ পুলিশের ব্যবস্থাপনায় মরদেহ মরহুমের গ্রামের বাড়ি পাঠানো হয়েছে। সেখানে জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে ধর্মীয় বিধান অনুযায়ী পারিবারিক কবরস্থানে মরদেহ দাফন করা হয়েছে।
করোনায় বাংলাদেশ পুলিশের গর্বিত সদস্য এএসআই (সশস্ত্র) মোঃ দলিল উদ্দিন বিশ্বাসের মৃতুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন ঝিনাইদহ পুলিশ সুপার মোঃ হাসানুজ্জামান (পিপিএম)সহ পুলিশ সদস্যবৃন্দ।










































