বিশেষ প্রতিনিধি ॥
ভারতে হত্যা হওয়া ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনারের কন্যা মুমতারিন ফেরদৌস ডরিন ও কালীগঞ্জ পৌরসভার মেয়র আশরাফুল আলমকে হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে মুমতারিন ফেরদৌস ডরিন ফেসবুক স্ট্যাটাসে এ তথ্য জানান। পোস্টের সাথে একটি অস্ত্রের ছবিও দেওয়া হয়েছে।
ফেসবুক স্ট্যাটাসে ডরিন লিখেছেন, ইমোতে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জের মেয়র আশরাফুল আলমকে হত্যার হুমকি দিয়েছে সেই সাথে আমাকেও।
মেয়র আশরাফুলের ইমোতে পাঠানো মেসেজে উল্লেখ করেছে, কিরে আশরাফুল ভালো হলি না, আনারের মতো কি ডরিনের লাশতো কিমা কিমা করতে চাস। তুইও ভালো হয়ে যা, আর ডরিনকেও ভালো হয়ে যেতে ক, না হইলে দ’ুজনের লাশ কিমা কিমা করে ফেলামু, বাদ যাবে না কিন্তু। সাথে অস্ত্রের ছবি দিয়েছে।
ডরিন তার ফেসবুক স্ট্যাটাসে লিখেছেন, এমন বার্তা দিয়ে কি বোঝাতে চাচ্ছে তারা? আমার বাবার বিচার, জড়িতদের ফাঁসি চাই। কোন আসামী যেনো বাংলার মাটি থেকে জামিন বা বের না হতে পারে সেইটি মমতাময়ী মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টিআকর্ষণ করতে চাই। সেই সাথে আইন ও বিচার, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী মহোদয়সহ ডিবির হস্তক্ষেপ কামনা করছি। যারা এ হত্যার হুমকি দিয়েছে অবিলম্বে তদন্ত করে জড়িতদের গ্রেপ্তার করার দাবি জানাচ্ছি। কে বা কার অনুসারী এ হুমকি দিয়ে বিচার ও শাস্তি দাবি থেকে এক পা পিছু হটবো না।
এমপি কন্যা আরো উল্লেখ করেছেন, জেলা ও উপজেলাসহ যেখানে গোটা বিশ্বের মানুষ তিন তিনবার নির্বাচিত এমপি হত্যার ঘটনা শুনেছে। আসামীরা জেলহাজতে রয়েছে। দুই দেশে তদন্ত চলছে, আমিসহ পরিবার ডিএনএ টেষ্ট করতে কোলকাতাতে যাবো সেইখানে ইমুর মাধ্যমে হুমকি দিয়ে আমাদের কি বোঝাতে চায় তারা। মোটেও ভয় বা ভীতি বা হারানোর কিছু নেই। সাহস থাকলে বাবার কাছে পাঠিয়ে দিন তবে দেশের সরকার ও দল এবং আইন শৃঙ্খলা বাহিনী ঠিকই খুজে পাবে আপনি কার বা কোন নেতার অনুসারি। এ ঘটনার পর আমি মোবাইলে মেসেজ বা বার্তা দিয়েছি সকলকে। ডিবির প্রধান হারুন অর রশিদ সাহেবকেও জানিয়েছি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, আইন ও বিচার মন্ত্রীসহ সকলের কাছে দ্রুত বাবার বিচার ও আমাদের যারা হুমকি দিয়েছে তাদের গ্রেপ্তারের দাবি জানাচ্ছি।
তবে এ ব্যাপারে জানতে কালীগঞ্জ থানার ওসি আবু আজিফের মুঠোফোনে চেষ্টা করা হলেও তিনি রিসিভ করেন নি।









































