স্টাফ রিপোর্টার:
আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায় এই অঞ্চলের শিক্ষা বিস্তার, সমবায় আন্দোলন, শিল্প বিস্তারে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখেছেন। অধুনাবিলুপ্ত খুলনা টেক্টটাইল মিলটি তাঁর উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত। মহান এই কর্মবীর মানুষটির প্রতি শ্রদ্ধাজ্ঞাপনের লক্ষ্যে আমরা তাঁর নামে কৃষি বিশ^বিদ্যালয়ের নামকরণ করতে পারি। পাঠ্য পুস্তকে এই বিজ্ঞনীর জীবনী , সম্মাননা প্রদান ,লাইব্রেরী স্থাপনসহ বছরের দুইদিনব্যাপী বিজ্ঞান মেলা করার লক্ষে খুলনায় গঠিত হলো খুলনায় আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায় ট্রাষ্ট। ট্রাষ্টে কামরুজ্জামান টুকু আহবায়ক ও ডা: শেখ বাহারুল আলম সদস্য সচিব কওে কমিটি গঠণ করা হয়েছে। ট্রাস্টে অন্যান্য সদস্যরা হলেন অ্যডভোকেট আ ফ ম মহসীন, সাংবাদিক গৌরাঙ্গ নন্দী, শামীমা সুলতানা শীলু, গোপী কৃষাণ মুন্ধড়া, সাংবাদিক মহেন্দ্রনাথ সেন।
বুধবার বেলা ১১টায় বিএমএ মিলনায়তনে গুণীজন স্মৃতি পরিষদের উদ্যোগে খুলনা কুষি বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায়ের নামে নামকরণ ও খুলনা কালেকটরেট চত্বওে খুলনা জেলার মনিষীদেও ভাস্কর্য স্থাপনের দাবি নিয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন বাগেরহাট জেলা পরিষদেও চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা কামরুজ্জামান টুকু।
সভা পরিচালনা করেন বিএমএ খুলনা শাখার সভাপতি ডা: শেখ বাহারুল আলম। সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন খুলনা নাগরিক সমাজের আহবায়ক অ্যডভোকেট আ ফ ম মহসীন, খুলনা উন্নয়ন ফোরামের চেয়ারম্যান শরীফ শফিকুল হামিদ চন্দন, এস এম আউয়াল রাজ, খুলনা সিটি ল কলেজের অধ্যক্ষ এম এ আউয়াল, খুলনা চেম্বার অফ কমার্সেও পরিচালক গোপী কৃষাণ মুন্ধড়া, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক মো: শেখ সাদী ভঁঞা, সাংবাদিক গৌরাঙ্গ নন্দী, সাংস্কৃতিক কর্মী হুমায়ুন কবির ববি, নারী নেত্রী শামীমা সুলতানা শীলু, ওয়ার্কার্স পার্টির শেখ মফিদুল ইসলাম, এস এম ফারুখ উল ইসলাম, নাগরিক নেতা শাহিন জামাল পণ, পূজা উদযাপন পরিষদেও সাধারণ সম্পাদক প্রশান্ত কুন্ডু, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি শেখ মো: আবু হানিফ, এস এম সোহরাব হোসেন, নিরাপদ সড়ক চাই এর আহবায়ক এস এম ইকবাল হোসেন বিপ্লব, ইসরাত আরা হীরা, রতন কুমার নাথ, জেসমিন আরা, কৃষ্ণা দাশ, বিশ্বজিৎ দে মিঠু, পাপ্পু সরকার, গুণীজন স্মৃতি পরিষদের সমন্বয়কারি ও একুশে টেলিভিশনের সাংবাদিক মহেন্দ্রনাথ সেন প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, পশ্চাদপদ শিক্ষা ও অর্থনীতির দেশে জন্মগ্রহণকারী এই কৃতি মানুষটি মৌলিক জ্ঞানশাস্ত্রে যেমন অবদান রেখেছেন, তেমনি শিক্ষকতা, সমাজসেবা, সমবায় আন্দোলন, উদ্যোক্তা হিসেবে ও ভূমিকা রেখেছেন। ওষুধ শিল্প স্থাপনেতাঁর কৃতিত্ব অতুলনীয়।
বেঙ্গল ফার্মাসিউটিক্যালস তাঁর অনন্য সৃষ্টি। একেবারে সাধারণ জীবনাপনকারী এই মানুষটি সারাজীবন সমাজের হিতার্থে কাজ করেছেন। নিজে যা আয় করেছেন তার চেয়েও বেশী দান করেছেন। মানবপ্রেমী এই মানুষটির শেষ জীবন কেটেছে কলকাতার বিজ্ঞান কলেজের একটি ছোট্ট কক্ষে। মারা গিয়েছেন ছাত্রের কোলে মাথা রেখে।








































