শরণখোলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি।।
বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলায় নিজ বাড়ি থেকে এক দম্পতির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে একটি হাতে লেখা চিরকুট উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিকভাবে পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রীকে হত্যার পর স্বামী আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন বলে ধারণা করা হলেও, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন না পাওয়া পর্যন্ত মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে না বলে জানিয়েছেন পুলিশ।
আজ বৃহস্পতিবার উপজেলার রাজৈর গ্রামের আব্দুল মজিদ হাওলাদারের বাড়ি থেকে কবির হাওলাদার ও তার স্ত্রী হালিমা বেগমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে সুরতহাল শেষে মরদেহ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য বাগেরহাট জেলা হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
নিহতদের স্বজনরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক কলহের কারণে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিরোধ চলছিল। তাদের ধারণা, সেই বিরোধের জেরেই এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে। তবে পুলিশ বলছে, তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যাচ্ছে না।
ঘটনাস্থল থেকে একটি হাতে লেখা চিরকুট উদ্ধার করেছে পুলিশ। চিরকুটে লেখা ছিল, ‘এই মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী নয়।’ চিরকুটটি কে লিখেছেন এবং এর সঙ্গে ঘটনার কোনো যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
পুলিশের ভাষ্য, হালিমা বেগমের গলায় আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। এ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।
নিহত দম্পতির সাত বছর ও দুই মাস বয়সী দুটি সন্তান রয়েছে। ঘটনার সময় দুই মাস বয়সী শিশুটি ঘরেই ছিল। স্বজন ও প্রতিবেশীরা জানান, বাবা-মায়ের মরদেহের পাশেই কান্নারত অবস্থায় শিশুটিকে দেখতে পান তারা।
শরণখোলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রোকেয়া খানম বলেন, ‘ঘটনাস্থল থেকে একটি চিরকুট উদ্ধার করা হয়েছে। পাশাপাশি মরদেহে পাওয়া আলামতও গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এবং ঘটনার বিস্তারিত সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।’











































