
জলমার ভূমিদস্যু গৌরাঙ্গ বাহিনীর বিরুদ্ধে বসতবাড়ি ভাঙচুর ও জমি দখলের অভিযোগ: আটক ৩
স্টাফ রিপোর্টার।।
বটিয়াঘাটার জলমা ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড মেম্বার আলোচিত ভূমিদস্যু গৌরাঙ্গ হালদার ও তার বাহিনীর বিরুদ্ধে পাচঁ লাখ টাকা চাঁদার দাবিতে বসতবাড়ি, বাড়ির প্রচীর ভাঙচুর করেছে। শুধু ভাঙচুর করেই শেষ নয় তারা ২৭জন মালিকের ক্রয়কৃত সম্পত্তি দখলে নিতে সাইনবোর্ড টানিয়েছে।
ঘটনাটি ২৪ জুন সোমবার সকাল সাড়ে ১০টায় লবনচরা থানার নিজখামার এলাকায়। এব্যাপরে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। ভুক্তভোগীরা জানিয়েছেন গৌরাঙ্গ মেম্বার ও তাঁর বাহির বিরুদ্ধে একাধিক মামলা করবেন। বন্যা দাস নামে একজন গৌরাঙ্গ মেম্বারসহ ৬ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরো ৮০ জনের বিরুদ্ধে লবনচরা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অপরদিকে সৃষ্ট ঘটনায় পুলিশ গৌরাঙ্গ বাহিনীর ৩জনকে আটক করেছে।
বন্যা দাস তার লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করেন বাদল রায়, গৌরাঙ্গ হালদার, নৃপেন মন্ডল, ইলামন্ত রায়, মিলন বিশ্বাস ও অশোক রায়সহ অজ্ঞাতনামা ৭০/৮০ জন সোমবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তার বসত বাড়িতে আসে এবং তাকে ওই এলাকায় বসবাস করতে হলে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দিতে হবে। স্কুল শিক্ষিকা বন্যা দাশ চাঁদার টাকা দিতে অস্বীকার করলে বাদল রায়, গৌরাঙ্গ হালদার, নৃপেন মন্ডল ও অশোক রায়সহ আসামীরা উত্তেজিত হয়ে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করাসহ মারমুখী আচরন করে।
একপর্যায়ে বাদল রায়, গৌরাঙ্গ হালদার, নৃপেন মন্ডল ও অশোকে নেতৃত্বে অজ্ঞাতনামা আসামীরা অনাধিকারভাবে তার বাসার বাউন্ডারী ও একটি টিনশেট ঘর ভাঙতে শুরু করে। বসত ঘর ও বাউন্ডারীর দেওয়াল ভাঙতে প্রতিবেশী প্রিতম রায় বাধা দিলে ইলামন্ত রায় ও অজ্ঞাতনামা আসামীরা তাকে এলোপাতাড়ি ভাবে কিল-ঘুষি মারে।
এসময় প্রীতি রায় তাহার মোবাইল ফোন দিয়ে ভিডিও ধারণ করতে আসামীরা তার মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে আছাড় মেরে ভেঙ্গে ফেলে এবং ভাঙ্গা মোবাইলটি নিয়ে যায়। এছাড়াও আসামীরা প্রীতি রায়ের গলায় থাকা ১০ আনা ওজনের স্বর্ণের চেইন, যাহার মুল্য অনুমানিক মুল্য ৫৫ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয়।
ভুক্তভোগীদের ডাক-চিৎকারে স্থানীয় আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে অসামীরা পরবর্তীতে দেখে নিবে, ক্ষতি করবে, চাঁদা না দিলে জমিতে থাকতে দিবে না, প্রানে মারিয়া ফেলবে বলে হুমকি-ধামকি দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
এ ব্যাপারে ভুক্তভোগী নিতাই দাশ বলেন, গৌরাঙ্গ মেম্বার এলাকায় একটি ত্রাস বাহিনী তৈরী করেছেন, তাদের অত্যাচারে এলাকার কেউ শান্তিতে বসবাস করতে পারছে না। চাঁদাবাজি, জমি দখল নিত্য দিনের ঘটনা। তিনি বলেন চাঁদার দাবিতে তারা যে, ২৭জন মালিকের ১.৫০ একর সম্পতি দখলে নিয়েছেন। বাড়ির সীমানা প্রচীর ভাঙ্গচুর করে সম্পূর্ণ গুড়িয়ে দিয়েছেন। এলাকায় ত্রাসের সৃষ্টি করেছেন। দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তিনি।
এদিকে লবনচরা থানার ওসি মমতাজুল হক ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, বাদীর লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। মামলার প্রস্তুতি চলছে। অভিযুক্ত বাদল রায়, নৃপেন মন্ডল ও অশোককে আটক করা হয়েছে। বাকিদের আটকে অভিযান অব্যাহত আছে।
মতিউরের হদিস নেই, কাগজে-কলমে মন্ত্রণালয়ে যোগদান
বিশেষ প্রতিবেদক
বহুল আলোচিত ‘ছাগলকাণ্ডে’ সংশ্লিষ্ট কাস্টমস, এক্সসাইজ ও ভ্যাট অ্যাপিলেট ট্রাইব্যুনালের প্রেসিডেন্ট পদ হারানো জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর সদস্য (কাস্টমস ও ভ্যাট) ড. মো. মতিউর রহমানের হদিস পাওয়া যাচ্ছে না। তবে, অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগে সংযুক্তি করায় তিনি ইতোমধ্যে মন্ত্রণালয়ে যোগদান করেছেন। অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, পদ থেকে মতিউর রহমানকে সরিয়ে অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগে সংযুক্তি করার পরই তিনি ‘লোক পাঠিয়ে’ মন্ত্রণালয়ে যোগদান করেছেন। অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগে মতিউরের জন্য আলাদা কোনও কক্ষ নেই। এমনকি, তার বসার জন্য কোনও চেয়ার-টেবিলও নেই। অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগে সংযুক্ত করার পর তিনি মন্ত্রণালয়েও আসেননি। অন্য ব্যক্তির মাধ্যমে তিনি যোগদানপত্র পাঠিয়ে যোগ দিয়েছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানান, কাস্টমস, এক্সসাইজ ও ভ্যাট অ্যাপিলেট ট্রাইব্যুনালের প্রেসিডেন্ট পদ থেকে সরিয়ে মতিউর রহমানকে অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগে সংযুক্তি করার অর্থ হলো তাকে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) করা হয়েছে। সংস্থাপন বা জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের জন্য ওএসডি করার বিধান আছে। এর বাইরে অন্য বিভাগ, সংস্থা বা মন্ত্রণালয়ের জন্য ওএসডির বদলে সংযুক্ত করার পদ্ধতি চালু আছে। মতিউর রহমানের ক্ষেত্রে সেটিই করা হয়েছে।
ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, মতিউর রহমান পদোন্নতি পেয়ে এনবিআর’র সদস্য (কাস্টমস ও ভ্যাট) হয়েছেন। তিনি এখনও ওই পদেই আছেন। তবে, তাকে যেহেতু অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগে সংযুক্ত করা হয়েছে, সুতরাং তিনি এনবিআর’র কোনও কার্যক্রম করতে পারবেন না। তার কর্মক্ষেত্র হবে অভ্যান্তরীণ সম্পদ বিভাগ। অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগে তার জন্য আলাদা কোনও কক্ষ বা চেয়ার-টেবিল থাকবে না।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের এক কর্মকর্তা বলেন, মতিউর রহমানকে অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগে সংযুক্ত করার পর ইতোমধ্যে তিনি মন্ত্রণালয়ে যোগদান করেছেন। কিন্তু যোগদান করতে তিনি নিজে আসেননি। অন্য মানুষ পাঠিয়ে যোগদান করেছেন। মন্ত্রণালয়ে যোগ দিলেও তার জন্য আলাদা কোনও কক্ষ বা চেয়ার-টেবিল নেই।
এই কর্মকর্তা বলেন, আমরা গুঞ্জন শুনছি, মতিউর রহমান দেশে নেই। তিনি দেশের বাইরে চলে গেছেন। এ কারণেই হয়তো তিনি অন্যের মাধ্যমে যোগদানপত্র পাঠিয়ে যোগদান দিয়েছেন। অন্যের মাধ্যমে পত্র পাঠিয়ে যোগদান করার ক্ষেত্রে কোনও বাধা নেই।
ছাগলকাণ্ডে আলোচনায় আসার পর মতিউর রহমানকে সর্বশেষ ঈদের দ্বিতীয় দিন (১৮ জুন) একটি বেসরকারি টেলিভিশনের ইন্টারভিউতে দেখা যায়। এরপর বসুন্ধরা, ধানমন্ডিসহ মতিউরের বিভিন্ন বাসভবনে খোঁজ নিয়েও সন্ধান মেলেনি তার। এমনকি, কোরবানির ঈদের ছুটির পর অফিস খুললেও তিনি আর এনবিআর কার্যালয়ে আসেননি। গুঞ্জন রয়েছে, রোববার (২৩ জুন) বিকেলের দিকে আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে মতিউর ভারতে চলে গেছেন। এরপর পরিকল্পনা অনুযায়ী তিনি ভারত থেকে সরাসরি দুবাইয়ের উদ্দেশে রওনা দিতে পারেন। প্রভাবশালী একটি সিন্ডিকেট তাকে দেশত্যাগে সহযোগিতা করেছে।
এদিকে বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, ঈদের পর চট্টগ্রাম বিমানবন্দর দিয়ে মালয়েশিয়া চলে গেছেন ছাগলকাণ্ডে আলোচিত মুশফিকুর রহমান ইফাত, তার বোন ইফতিমা রহমান মাধবী ও মা শাম্মী আকতার। ইফাত মতিউরের দ্বিতীয় স্ত্রীর সন্তান।
অন্যদিকে, মতিউরের প্রথম স্ত্রী লায়লা কানিজ ও তার ছেলে দেশে থাকতে পারেন বলে জানা গেছে। সূত্র জানায়, লায়লা নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার বর্তমান চেয়ারম্যান। এই পদে গত ২৯ মে ভোট হওয়ার কথা ছিল। তবে সংঘর্ষের কারণে ভোট হয়নি। লায়লা উপজেলা নির্বাচনে এবারও চেয়ারম্যানপ্রার্থী।
উল্লেখ্য, ইফাতের ছাগল কেনার বিষয়টি প্রথমে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। এরপরই তা ‘টক অব দ্য কান্ট্রিতে’ পরিণত হয়। এরপর বেরিয়ে আসে এই কর্মকর্তা ও তার পরিবারের অঢেল অবৈধ সম্পদের খবর।
এদিকে, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) তার দুর্নীতি ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ অনুসন্ধান শুরু করতে তিন সদস্যের একটি টিম গঠন করে। একইদিন কাস্টমস, এক্সসাইজ ও ভ্যাট অ্যাপিলেট ট্রাইব্যুনালের প্রেসিডেন্ট পদ থেকে সরিয়ে তাকে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগে সংযুক্ত করা হয়। এ ছাড়া, তিনি হারিয়েছেন সোনালী ব্যাংকের পরিচালক পদও।
মতিউরের দায়িত্বে সুরেশ চন্দ্র বিশ্বাস:
ছাগলকাণ্ডে আলোচনায় আসার পর জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর সদস্য (কাস্টমস ও ভ্যাট) ড. মো. মতিউর রহমানকে কাস্টমস, এক্সসাইজ ও ভ্যাট অ্যাপিলেট ট্রাইব্যুনালের প্রেসিডেন্ট পদ থেকে সরি দেওয়া হয়েছে। তার জায়গায় ট্রাইব্যুনালের প্রেসিডেন্ট পদে অতিরিক্ত দায়িত্ব পেয়েছেন বিসিএস (শুল্ক ও আবগারি) ক্যাডারের কর্মকর্তা সুরেশ চন্দ্র বিশ্বাস। তিনি কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট আপিলেট ট্রাইব্যুনালের সদস্য (টেকনিক্যাল)।
সুরেশ চন্দ্র বিশ্বাসকে ট্রাইব্যুনালের প্রেসিডেন্ট পদে অতিরিক্ত দায়িত্ব দিয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ থেকে নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। উপসচিব মকিমা বেগম এ-সংক্রান্ত নির্দেশনায় সই করেছেন রোববার (২৩ জুন)।
নির্দেশনায় বলা হয়েছে, অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মচারী অর্থ বিভাগ কর্তৃক সময় সময় জারি করা আদেশে উল্লেখ করা হারে ও শর্তে কার্যভারভাতা পাবেন। অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মচারী অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত পদের সঙ্গে আবশ্যিকভাবে ‘অতিরিক্ত দায়িত্ব’ শব্দদ্বয় যোগ করবেন।
যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনে এই আদেশ জারি করা হয়েছে উল্লেখ করে এতে বলা হয়েছে, অবিলম্বে এটি কার্যকর হবে।
পাইকগাছায় ইউপি চেয়ারম্যান জি,এম আব্দুস ছালাম কেরু’র বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ
পাইকগাছা(খুলনা)প্রতিনিধি:
খুলনা জেলার পাইকগাছা উপজেলার গড়ইখালী ইউপি চেয়ারম্যান জি,এম আব্দুস ছালাম কেরু’র বিরুদ্ধে ত্রানের চাল আত্নসাৎ প্রসঙ্গে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের দপ্তরে যে অভিযোগ করা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন তিনি। চেয়ারম্যানের জনপ্রিয়তার ইমেজকে সংকটে ফেলতে এমন অসত্য মিথ্যা তথ্য প্রকাশ করা হচ্ছে বলে তার দাবী। এ বিষয়ে ইউপি চেয়ারম্যান জি, এম আব্দুস ছালাম কেরু বলেন, ঘূর্নিঝড় রেমালে ক্ষতিগ্রস্থ গড়ইখালী ইউনিয়নে উপজেলা পরিষদ থেকে ১২ মেঃ টন চাউল বরাদ্দ হয়। যার মধ্যে ১ম ধাপে ৫ মেঃ টন, ২য় ধাপে ২ মেঃ টন ও ৩য় ধাপে ৫ মেঃ টন চাউল বরাদ্দ হয়। এর মধ্যে সংসদ সদস্যের মাধ্যমে ২ মেঃ টন ও ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে ৫ মেঃ টন চাল বিতরন করা হয়। সর্বশেষ ঈদ-উল-আযহার আগের দিন ৫ মেঃ টন চাল বরাদ্দ হয়। সেকারনে ওই ৫ মেঃ টন চাল তুলতে না পারায় গত ২৩ জুন চাল তুলে ইউনিয়ন পরিষদের গোডাউনে রাখা হয়েছে। স্ব স্ব ওয়ার্ডের ইউপি সদস্যদের মাধ্যমে ঘূর্নিঝড় রেমালে ক্ষতিগ্রস্হদের তালিকার কার্যক্রম চলছে। তালিকা শেষ হলে চাল বিতরন করা হবে। তিনি আরো বলেন, আমার বিরুদ্ধে ত্রানের চাল আত্নসাৎ করা হয়েছে বলে সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে যে অভিযোগ দেয়া হয়েছে সেটি সত্য নয়।
ইউপি সদস্য গাউসুল করিম সরদার ও সংরক্ষিত ইউপি সদস্য নাছিমা আক্তার বলেন,আমরা রেমালে ক্ষতিগ্রস্হ মানুষের জন্য ১২মেঃ টন ইউনিয় পরিষদের অনুকুলে বরাদ্ধ হয়। তার মধ্যে ঈদের আগে ৭মেঃ টন চাল দেয়া হয়। আর ৫মেঃটন চাল পরিষদের গোডাউনে রয়েছে। বিতরনের জন্য তালিকা চলছে। তালিকা শেষ হলে ওই চাল বিতরন করা হবে। তবে ইউপি চেয়ারম্যানের নামে যে অভিযোগ করা হয়েছে তা সত্য না।
কালিগঞ্জ বিষ্ণুপুর মন্দিরের প্রসাদ খেয়ে শিশুর মৃত্যু, চিকিৎসাধীন ৭০ জন
কালিগঞ্জ প্রতিনিধি
সাতক্ষীরার কালিগঞ্জের বিষ্ণুপুরে মন্দিরের প্রসাদ (খিচুড়ি) খেয়ে কাব্য দত্ত (৬) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সোমবার(২৪ জুন) ভোর রাত ১ টার দিকে সাতক্ষীরা শিশু হাসাপাতালে মারা যায় সে।কাব্য দত্ত সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার বিষ্ণুপুর গ্রামের অশোক দত্তের নাতি এবং যশোরের কেশবপুর উপজেলার শৈলগাতি এলাকার উত্তম দত্তের ছেলে।এঘটনায় নারী শিশুসহ অন্তত ৭০জন অসুস্থ হয়ে বিভিন্ন হাসপাতাল ও ক্লিনিকে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে জানা গেছে।
বিষ্ণুপুর ইউপি চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম জানান, বানিয়ারজাঙ্গাল বাসন্তী পূজামন্দিরে প্রতি অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে হরি নাম সংকীর্তন আয়োজন করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় গত ২২ জুন শনিবার রাতে হরি নাম সংকীর্তন শেষে ভক্তদের মাঝে প্রসাদ হিসেবে খিচুড়ি প্রদান করেন মন্দির কতৃপক্ষ। ওই প্রসাদ খেয়ে পরদিন ৭০-৭৫ জন বমি ও ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হন। আক্রান্তরা কালিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, খুলনা আদ-দ্বীন হাসপাতালসহ বিভিন্ন জায়গায় ভর্তি হয়েছেন।
এর মধ্যে নানার বাড়িতে বেড়াতে এসে প্রসাদ খেয়ে অসুস্থ হওয়া শিশু কাব্য দত্তকে সাতক্ষীরা শিশু হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। কিন্তু অবস্থার অবনতি হতে থাকায় উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনায় নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতিকালে সোমবার ভোররাত একটার দিকে তার মৃত্যু হয়। মৃত শিশুর মরদেহ চুকনগরের শৈলগাতিতে বাবার বাড়িতে নেয়া হয়েছে।খিচুড়ি খাওয়ার পর কেন এত মানুষ অসুস্থ হলো সে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে ইউপি চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম জানিয়েছেন।
নওয়াবেঁকী গণমূখী ফাউন্ডেশনের অনিয়ম দূর্নীতি ও গ্রাহক হয়রানীর প্রতিবাদে মানববন্ধন
স্টাফ রিপোর্টার
নওয়াবেঁকী গণমূখী ফাউন্ডেশন (এনজিএফ) এর অনিয়ম দূর্নীতি ও গ্রাহক হয়রানীর প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে ভুক্তভোগী গ্রাহক ও এলাকাবাসী। সোমবার (২৪ জুন) সকাল ১১ টায় কৃষ্ণনগর বাজারে এনজিএফ এর শাখা অফিসের সামনে কালিকাপুর রোডে এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়।
মানববন্ধনে মাও: আইয়ুব হোসেনের সঞ্চালনায় বানিয়াপাড়া গ্রামের আ: সালামের স্ত্রী ভুক্তভোগী গ্রাহক ফিরোজা পারভীন বলেন ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ তারিখে তিনি এনজিএফ থেকে ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা ঋণ গ্রহণ করেন। ৮ কিস্তি পরিশোধের পর অবশিষ্ট ১ লাখ ৭৮ হাজার ৫শ’ টাকা এক কালিন এনজিএফ এর কৃষ্ণনগর শাখা অফিসে পরিশোধ করেন কিন্তু ঋণের ফাইলে থাকা ৩শ’ টাকার ননজুডিশিয়াল স্ট্যাম্প, ব্যাংক হিসাবের চেক এবং জামিনদার হিসেবে স্বামীর ইসলামী ব্যাংক কালিগঞ্জ শাখার চেক ফেরত চাইলে শাখার ম্যানেজাার আকবার হোসেন শাখায় অডিট চলছে জানিয়ে ওইদিন বিকেলে স্ট্যাম্প ও চেক পৌছে দেবেন বলে জানান। কিন্তু ফাইলের কাগজপত্র ফেরত না দিয়ে উল্টো সঞ্চয় হিসেবে জমা থাকা ২৮ হাজার ৮২ টাকা থেকে ২৬ হাজার ৫০ টাকা উত্তোলন করে নিয়েছেন। একপর্যায়ে মাঠকর্মী মোকাররম হোসেন তৈয়েবুর শাখা থেকে ছুটি নিয়ে চলে যান এবং শাখার ম্যানেজার বিভিন্ন অজুহাত দিয়ে সময় ক্ষেপন করতে থাকেন। পরবর্তীতে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে এনজিএফ’র পরিচালক লুৎফর রহমানের কাছে গেলে তিনি বিষয়টি দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দেন। কিন্তু তিনি বিষয়টি সমাধান করেননি উল্টো এনজিওর কাছে থাকা চেক ডিজঅনার করে তার বিরুদ্ধে তারা মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
আরেক ভুক্তভোগী গ্রাহক ফিরোজ মোড়লের স্ত্রী সেলিনা পারভীন তার বক্তব্য বলেন তিনি এনজিএফ থেকে ৯০ হাজার টাকা ঋণ গ্রহণ করেন ৬টি কিস্তি পরিশোধের পর সম্পূর্ণ টাকা এককালীন পরিশোধের জন্য ৬২ হাজার ৬শ’ টাকা দিয়েছেন কিন্তু সেলিনা পারভীনের ডকুমেন্টস ফেরত না দিয়ে এখন আবারও ৬৮ হাজার টাকা দাবি করা হচ্ছে। সেলিনা পারভীনের সঞ্চয়ের ১৪ হাজার টাকা থেকে ৫ হাজার টাকা ইতোমধ্যে অবৈধ পন্থায় উত্তোলণ করেছে এনজএফ কতৃপক্ষ। আবার ৬৮ হাজার টাকা না দিলে মামলা করবে বলে হুমকি দিচ্ছেন তারা। এছাড়া বানিয়াপাড়া গ্রামের আব্দুল গফফার গাজীর স্ত্রী ছখিনা খাতুন বলেন তার সঞ্চয় ছিল ১২ হাজার টাকা। তিনি এনজিএফ থেকে ঋণ না নিলেও তার নামে মাঠকর্মী ও ম্যানেজার যোগসাজশে ৩০ হাজার টাকা ঋণ তুলে নিয়েছেন।
বিষয়টি তিনি জানতে পেরে ম্যানেজারকে জানালে সঞ্চয়কৃত টাকা ফেরত দেয়ার পরিবর্তে উল্টো তার নামে তুলে নেয়া ঋণের কিস্তি পরিশোধ করতে হবে হুমকি দিচ্ছেন শাখা ব্যবস্থাপক আকবার হোসেন। আরেক ভুক্তভোগী গ্রাহক বানিয়াপাড়া গ্রামের সোহরাব মোড়লের মেয়ে ফতেমা তার বক্তব্য বলেন তিনি ১৫ হাজার টাকা মৌসুমী ঋণ গ্রহণ করেন যা ৬ মাস মেয়াদ শেষে এককালীন ১৭ হাজার টাকা পরিশোধ করেন। কিন্তু ওই ঋণটি পরিষোধ না দেখিয়ে একই কেন্দ্রের আরেক সদস্য জেসমিন সুলতানার নামে পুনরায় দেখানো হচ্ছে। ভুক্তভোগীরা নওয়াবেঁকী গণমূখী ফাউন্ডেশনের প্রতারণার ফাঁদে পড়ে দু:সহ জীবনযাপন করছেন বলে জানান।
এ ছাড়া মানব বন্ধনে বক্তব্য প্রদান করেন স্থানীয় বাসিন্দা রওশান আলী কাগুজী, সাদ্দাম হোসেন প্রমুখ। ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধন কর্মসূচি থেকে বক্তারা এনজিএফ এর অনিয়ম দূর্নীতি ও গ্রাহক হয়রানী বন্ধে যযথাযথ কতৃপক্ষের হস্তক্ষেপ ও আশু সমাধানের আহবান জানিয়েছেন।
কালিগঞ্জের পল্লীতে বিনা নোটিশে উচ্ছেদ করা হয়েছে ১৭ টি পরিবারকে
কালিগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
সাতক্ষীরার কালিগঞ্জের পল্লীতে ১৭টি ভুমিহীন পরিবরকে উচ্ছেদের ঘটনায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। শিশু বয়োবৃদ্ধসহ নারী পুরুষ আতঙ্কিত অবস্থায় ১৮ বছরের সাজানো গোছানো সংসার ভেঙ্গে রাস্থায় বসেছে। ঘটনাটি উপজেলার কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের রামনগর গ্রামের কেএম মোশাররফ হোসেন আদর্শ গ্রামে ঘটেছে।
সরেজমিন সুত্রে জানাগেছে, রামনগর খালপাড়ে সরকারি জায়গায় খাসজমিতে ২০০৩ সাল হতে বসবাসরত ১৭টি ভূমিহীন পরিবার। তৎকালীন ইউপি চেয়ারম্যান কেএম মোশাররফ হোসেন ঐ সতেরটি পরিবারকে বসবাসের সুযোগ করে দেয়। সেই থেকে নানান হুমকী ধামকী আর ভয়ভীতির মধ্যদিয়ে তারা বসবাস করে আসছিলো। হঠাৎ সোমবার (২৪জুন) সকালে ভ্যেকু মেশিন, ঢোলী ও বিভিন্ন এলাকা থেকে শতাধিক লাঠিয়াল জড়ো করে প্রভাবশালভ রামনগর এলাকার মৃত: শেখ লিয়াকত আলীর পুত্র নূরনবী (বাবু) ও তার জামাতা নাজমুল শাকিব। তারা আদালতের আদেশে ভুমিহীনদের উচ্ছেদ করছে বলে জানান। ইউনিয়ন সহকারী ভুমি কর্মকর্তা নুরুল ইসলাম জানান, আদালতের আদেশে তাদেরকে নিজ নিজ মালামাল সরিয়ে নিতে বলা হয়। তবে ঐখানে বসবাসকারী আব্দুস সাত্তার গাজীর ছেলে আলামিন গাজী (৩৫), মৃত মেছের আলী শেখের ছেলে শেখ আব্দুল আজিজ (৬০), মৃত আঃ বারি শেখের মেয়ে সফুরা খাতুন (৪৫), মৃত খোদা বক্স শেখের মেয়ে খাদিজা খাতুন, আবুল কাশেম পিং আবু বাক্কার গাইন এর ছেলে আবুল কাশেম (৪৫), আবুল হোসেন গাইন এর ছেলে সিরাজুল ইসলাম (৫১) ও আব্দুল্লাহ গাইন, ছন্নত আলী তরফদার, হোসেন আলী তরফদার, আবু বাক্কার গাইন, আলামিন গাইন গং জানান, তাদেরকে আদালতের কোনো নোটিশ দেওয়া হয়নি, এমনকি নায়েব অফিস থেকেও দেওয়া হয়নি কোনো নোটিশ। ১৭ টি পরিবারকে উচ্ছেদের বিষয়ে জানতে চাইলে ইউপি চেয়ারম্যান সাফিয়া পারভীন জানান, ভুমিহীন পরিবারদের পুনর্বাসন করে উচ্ছেদ করলে কিছুটা মানবিক হতো। তাদের আহাজারী আর আর্তনাদ এলাকায় তোলপাড়ের সৃষ্টি হয়েছে।
হজ্ব থেকে ফিরেই কর্মব্যস্ততায় খুবি উপাচার্য, নির্মাণাধীন কাজ পরিদর্শন
খবর বিজ্ঞপ্তি
পবিত্র হজ্বব্রত পালন শেষে দেশে ফিরেই গতকাল ২৩ জুন (রবিবার) খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে কর্মব্যস্ত সময় অতিবাহিত করেন উপাচার্য প্রফেসর ড. মাহমুদ হোসেন। বিকেলে তিনি নির্মাণাধীন মেইন গেট, ১০ তলা বিশিষ্ট জয়বাংলা ভবন, টিএসসি, জিমনেশিয়ামসহ বিভিন্ন অবকাঠামোর কাজ পরিদর্শন করেন। এসময় তিনি প্রকৌশল বিভাগ ও সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করার নির্দেশনা দেন। পরে উপাচার্য খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন স্কুল, ডিসিপ্লিন, বিভাগ ও আবাসিক হলসহ একাডেমিক ও প্রশাসনিক কাজের সার্বিক খোঁজ-খবর নেন। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও দিক-নির্দেশনা প্রদান করেন।
পরিদর্শনকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্মাণকাজ তদারকি কমিটির সদস্য প্রফেসর ড. লস্কর এরশাদ আলী, শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ রকিবুল হাসান সিদ্দিকী, অধিকতর অবকাঠামো উন্নয়ন শীর্ষক প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ড. মো. হাসানুজ্জামান, প্রধান প্রকৌশলী (ভারপ্রাপ্ত) এস এম মনিরুজ্জামান, উপাচার্যের ব্যক্তিগত সহকারী শেখ মঞ্জুর মোর্শেদ এবং সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং ঠিকাদার ও তাদের প্রতিনিধিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এদিকে ২৪ জুন (সোমবার) সকাল ৯টা থেকে দাপ্তরিক কাজে কর্মব্যস্ত সময় অতিবাহিত করেন উপাচার্য।
প্রসঙ্গত, পবিত্র হজ্বব্রত পালনের জন্য গত ২২ মে থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত ছুটি নেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মাহমুদ হোসেন। হজ্ব পালন শেষে গতকাল ২৩ জুন দেশে ফিরেই বিকেলে তিনি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে কর্মব্যস্ত হয়ে পড়েন।
নির্বাচন বর্জন বিবৃতিতে পেশাজীবি সাংবাদিক সুরক্ষা মঞ্চ খুলনার নেতৃবৃন্দের বিষ্ময় প্রকাশ
খবর বিজ্ঞপ্তি :
২৯ জুন খুলনা সাংবাদিক ইউনিয়ন (কেইউজে)-এর নির্বাচন বর্জন সংক্রান্ত একটি সংবাদ পড়ে বিষ্ময় প্রকাশ করেছেন পেশাজীবি সাংবাদিক সুরক্ষা মঞ্চ খুলনার নেতৃবৃন্দ। বর্জনকারীরা রাতের আধারে অবৈধ পন্থায় নিজেরা কমিটি গঠন করে রাতারাতি নেতা বনে যাওয়ার অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে। তাদের দেয়া সংবাদে বলা হয়েছে “অনিয়মতান্ত্রিক ভাবে গঠিত নির্বাচন কমিটির চেয়ারম্যান মুন্সি মো. মাহবুব আলম সোহাগ ঘোষিত খুলনা সাংবাদিক ইউনিয়ন (কেইউজে)-এর ২৯ জুনের নির্বাচন বৈধ নয়।”
নেতৃবৃন্দ বলেন, খুলনা সাংবাদিক ইউনিয়নের গঠনতন্ত্রের প্রত্যেকটি ধারা উপ-ধারা মেনেই প্রকাশ্যে এডহক কমিটি গঠিত হয়েছে। আর ওই বৈধ এডহক কমিটির সর্বসম্মত সিদ্ধান্তেই বর্তমান নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠন করা হয়েছে। নির্বাচন পরিচালনা কমিটি প্রত্যেকটি কর্মকান্ডই গঠনতন্ত্র অনুসরণ করে অত্যন্ত স্বচ্ছতার সাথে নির্বাচন সম্পূন্য করার কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। যে কারণেই এই নির্বাচন পরিচালনা কমিটির থেকে আনোয়ারুল ইসলাম কাজল, বিমল সাহা, দিলীপ বর্মণ পরিষদ প্রতিদ্বন্ধিতার লক্ষ্যে মনোনয়ন পত্র সংগ্রহ করেছেন। তারা মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের দিন তারা কোন মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেন নি। এখন নির্বাচনে পরাজয় নিশ্চিত বুঝতে পেরে নানা অজুহাত দেখিয়ে নির্বাচন কমিশনের উপর মিথ্যা দোষারোপ করছে বর্জনকারীরা। একই সাথে বর্জনকারীরা ভোটে অংশ নিয়ে পরাজয় রুখতে পারবে না বিধায় রাতের অন্ধকারে অবৈধ পন্থায় নিজেরা কমিটি গঠন করে রাতারাতি নেতা বনে যাওয়ার অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে। এমন কি তড়িঘড়ি করে অনার বোর্ডে তাদের নাম লিখেছে। তাদের এই অপচেষ্টা ও ষড়যন্ত্রের জবাব প্রকৃত সাংবাদিকরা ২৯ জুন দেবেন।
নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, যিনি ভোটার তালিকা নিয়ে আপত্তি জানিয়েছেন সেটি আদালতে মামলা এবং বিএফইউজে’র সুনির্দিষ্ট নির্দেশনার থাকায় কোন অবস্থাতেই আমলে নিতে পারে না নির্বাচন কমিশন। সঙ্গত কারণেই নির্বাচন কমিশন আপত্তি আমলে নেয়নি। খুলনা সাংবাদিক ইউনিয়নের ঐতিহ্য রক্ষার কাজে সাধারণ সদস্যদের বাধা দেয়ার এখতিয়ার কারোর নেই। এটি সাধারণ সদস্যদের হুমকি দেয়ার সামিল। নেতৃবৃন্দ হুমকি থেকে বিরত থেকে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে নিজেদের জনপ্রিয়তা যাচাই করার আহবান জানান। একই সাথে ২৯ জুন সাংবাদিক ইউনিয়নের নির্বাচনে ভোট প্রদানের জন্য সম্মানিত সকল ভোটারদের প্রতি আহবান জানিয়ে বিবৃতি প্রদান করেছেন ‘পেশাজীবী সাংবাদিক সুরক্ষা মঞ্চ, খুলনা’র আহবায়ক এস এম হাবিব, যুগ্ম আহবায়ক খুলনা সাংবাদিক ইউনিয়নের আহ্বায়ক এস এম জাহিদ হোসেন, খুলনা টিভি রিপোর্টাস ইউনিটির আহবায়ক ও সম্পাদক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মো. মুন্সি মাহবুব আলম সোহাগ, খুলনা টিভি জার্নালিস্ট এ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক আবু হেনা মোস্তফা জামাল পপলু, বিএফইউজের নির্বাহী সদস্য কৌশিক দে বাপী, খুলনা ক্রাইম রিপোর্টার্স এ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সুমন আহমেদ, খুলনা টিভি ক্যামেরা এসোসিয়েশনের আহবায়ক নেয়ামুল হোসেন কচি. খুলনা কোর্ট রিপোর্টার ইউনিটির সভাপতি এম এ জলিল, সদস্য সচিব বিএফইউজের যুগ্ম মহাসচিব মোঃ হেদায়েৎ হোসেন মোল্লাসহ আহবায়ক কমিটির সদস্যবৃন্দ।
খুলনায় স্মার্ট অফিস ব্যবস্থাপনা বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত
তথ্য বিবরণী
বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল (বিসিসি)’র খুলনা আঞ্চলিক কার্যালয়ের আয়োজনে সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য ‘স্মার্ট অফিস ম্যানেজমেন্ট ইউজিং স্মার্ট টুলস’ শীর্ষক দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ সোমবার বিসিসি খুলনা কার্যালয়ের প্রশিক্ষণল্যাবে অনুষ্ঠিত হয়। প্রশিক্ষণের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে ঢাকা থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন বিসিসি’র সিনিয়র সিস্টেম এনালিস্ট ও ইনচার্জ (প্রশিক্ষণ ও উন্নয়ন) মোঃ জফরুল আলম খান। বিশেষ অতিথি ছিলেন বিসিসি’র ম্যানেজার (সিস্টেমস) মোঃ গোলাম রববানী।
প্রশিক্ষণ উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথি বলেন, প্রশিক্ষণ নিলে দক্ষতা বাড়ে, কাজে গতি আসে। প্রযুুক্তির স্মার্ট টুলসগুলো আয়ত্ত করতে পারলে কর্মকর্তাদের কাজ আরও সহজ হবে ও কাজে দক্ষতা আসবে। বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল দক্ষতা উন্নয়নে প্রশিক্ষণ প্রদান করে থাকে। নাগরিকদের স্মার্ট সার্ভিস প্রদানের ক্ষেত্রে প্রযুুক্তিতে দক্ষ হওয়ার বিকল্প নেই। প্রযুক্তিকে আপন করে নিতে হবে। দাপ্তরিক কাজে প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে হবে।
বিসিসি’র খুলনা আঞ্চলিক কার্যালয়ের সহকারী মেইনটেন্যান্স ইঞ্জিনিয়ার মোঃ নাসির উদ্দীনের সঞ্চালনায় প্রশিক্ষণে প্রধান আলোচক ছিলেন খুলনা বিশ^বিদ্যালয়ের কম্পিউটার বিজ্ঞান ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক ড. রামেশ^র দেবনাথ। দিনব্যাপী এ প্রশিক্ষণে খুলনার ২৪টি সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা অংশ নেন।
যুগ্ম-সম্পাদকের খালুর ইন্তেকাল: খুলনা ক্রাইম রিপোর্টার্স এসোসিয়েশনের শোক
খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনা ক্রাইম রিপোর্টার্স এসোসিয়েশনের যুগ্ম-সম্পাদক আনিছুর রহমান কবির এর ছোট খালু ওয়াদুদ শেখ (৮৫) রবিবার (২৩ জুন) গোপালগঞ্জের কাঠি ইউনিয়নের তেলিগাতি গ্রামের নিজ বাসভবনে ইন্তেকাল করেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তিনি ২ মেয়ে ও ৩ ছেলেসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ, মরহুমের বিদেহী রুহের মাগফেরাত কামনা এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করে বিবৃতি দিয়েছেন খুলনা ক্রাইম রিপোর্টার্স এসোসিয়েশনের সভাপতি সুমন আহমেদ, সহ-সভাপতি নূর হাসান জনি ও শিশির রঞ্জন মল্লিক, সাধারণ সম্পাদক আহমদ মুসা রঞ্জু, যুগ্ম-সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম নূর ও আনিছুর রহমান কবির, কোষাধ্যক্ষ কামরুল হোসেন মনি, দপ্তর সম্পাদক জয়নাল ফরাজী, কার্যনির্বাহী সদস্য বিমল সাহা, ইয়াছিন আরাফাত রুমি ও রকিবুল ইসলাম মতি প্রমুখ।
শর্টসার্কিটের আগুনে পুড়ল ১৫ দোকান
কুমারখালী (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি
কুষ্টিয়ার খোকসা গোপগ্রাম বাজারে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে সৃষ্ট আগুনে ১৫টি দোকান পুড়ে গেছে। রোববার রাত ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, রাতে গোপগ্রাম বাজারের বধুয়া সুজ নামের দোকানে আগুন জ্বলতে দেখে সবাই মিলে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন এবং খোকসা ফায়ার সার্ভিসে খবর দেন। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা পৌঁছার আগেই আগুন ১৫টি দোকানে ছড়িয়ে পড়ে। পরবর্তীতে খোকসা ও কুমারখালী ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা প্রায় তিন ঘণ্টার প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন।
ভুক্তভোগী দোকান মালিক অলিউল্লাহ জানান, বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে মুহূর্তের মধ্যেই ছড়িয়ে পড়ে। বাজারের ১৫টি দোকান পুড়ে গেছে।
খোকসা ফায়ার স্টেশনের ইনচার্জ (ভারপ্রাপ্ত) নজরুল ইসলাম বলেন, সংবাদ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুনের ভয়াবহতা দেখে কুমারখালী ফায়ার স্টেশনে খবর দেন। যৌথভাবে তিনটি ইউনিট ৩ ঘণ্টার প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সমর্থ হন।
সাতক্ষীরায় মন্দিরে প্রসাদ খেয়ে শিশুর মৃত্যু, অসুস্থ অর্ধশতাধিক
সাতক্ষীরা প্রতিনিধি
সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে বাসন্তী পূজা মন্দিরে প্রসাদ (খিচুড়ি) খেয়ে কাব্য দত্ত নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন আরও ২৫ জন। সোমবার সকালে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে ডুমুরিয়া এলাকায় সে মারা যায়।
কাব্য দত্ত খুলনার চুকনগর সংলগ্ন শৈলগাতী গ্রামের উত্তম দত্তের ছেলে। নানা অশোক দত্তের বাড়িতে বেড়াতে এসে মায়ের সঙ্গে মন্দিরে সে।
সাতক্ষীরা শিশু হাসপাতালের কনসালটেন্ট ডাক্তার আব্দুর রাজ্জাক বলেন, শিশুটি খাদ্য বিষক্রিয়ায় অসুস্থ হয়ে পড়ে। তার অবস্থান অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেলে পাঠানো হয়।
কালিগঞ্জের বিষ্ণুপুর বানিয়াজাংগাল বাসন্তী পূজা মন্দিরের সভাপতি শংকর দত্ত বলেন, শনিবার রাতে মন্দির প্রাঙ্গণে পূর্ণিমা তিথি উপলক্ষে পূজা-অর্চনা চলছিল। কীর্তন শেষে ভক্তদের মধ্যে প্রসাদ হিসেবে খিচুড়ি বিতরণ করা হয়। পরদিন প্রসাদ খাওয়া ভক্তদের অনেকের বমি ও পাতলা পায়খানা হতে থাকে। সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে অসুস্থ ব্যক্তির সংখ্যা বাড়তে থাকে। পরে ২০ জনকে কালিগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ৫ জনকে খুলনার আদ-দ্বীন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এছাড়া অন্যরা স্থানীয় বিভিন্ন ক্লিনিকে ভর্তি রয়েছেন।
কালিগঞ্জ থানার ওসি মো. শাহীন স্থানীয়দের বরাত দিয়ে বলেন, রোববার রাতে কাব্য দত্তকে সাতক্ষীরা শিশু হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে সোমবার সকালে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হচ্ছিল, পথে তার মৃত্যু হয়। এ বিষয়ে তদন্ত করা হবে।
রূপসায় নদীতে ৫ বছরের শিশু কন্যা নিখোঁজ
রূপসা প্রতিনিধি
রূপসা উপজেলার নৈহাটি ইউনিয়নের শ্রীরামপুর এলাকায় সুমন বিশ্বাসের শিশু কন্যা রচনা বিশ্বাস (৫) নদীতে পড়ে নিখোঁজ হয়েছে । জানাগেছে সোমবার দুপুর ১২ টার দিকে শিশুকন্যার দাদা দুলাল বিশ্বাসের সাথে শিশুটি বাড়ির পার্শ্ববর্তী ভৈরব নদীতে গোসল করতে যায়। নাতনীকে নদীর পাড়ে রেখে দাদা দুলাল বিশ্বাস গোসল করতে নামলে নাতনী অসাবধানতা বসত পা পিছলে নদীতে পড়ে যায়। দাদা গোসল করে ওঠে তাকে আর দেখতে পাইনি । ইউপি সদস্য লিপিকা রানী দাস জানান, খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস এর একটি ডুবুরী দল ঘটনাস্থলে এসে সন্ধ্যা পর্যন্ত শিশুটিকে উদ্ধারের চেষ্টা করে। অবশেষে না পেয়ে তারা উদ্ধার অভিযান বন্ধ করে দেয় । শিশুটি নিখোঁজের ঘটনায় উক্ত এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে ।
জেলা বিএনপি’র সদস্য সচিব বাপ্পীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ ও খালেদা জিয়ার সুস্থ্যতায় খুলনাবাসীর কাছে দোয়া কামনা
খবর বিজ্ঞপ্তি
রাজনৈতিক প্রসহনের হয়রানিমুলক গায়েবী মামলায় খুলনা জেলা কারাগারে বন্দী অবস্থায় হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার পর জামিনে মুক্ত হয়ে অস্ত্রপচার ও দীর্ঘ চিকিৎসায় সুস্থ্য হয়ে উঠেছেন খুলনা জেলা বিএনপি’র সদস্য সচিব এসএম মনিরুল হাসান বাপ্পী। মহান সৃষ্টিকর্তার প্রতি শুকরিয়া জ্ঞাপন করে দলীয় নেতাকর্মী-সমার্থক তথা খুলনাবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন তিনি। গতকাল সোমবার (২৪ জুন) প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছেন তিনি। একই সাথে তিনবারের সাবেক সফল প্রধানমন্ত্রী বিএনপি চেয়ারপারসন ‘মাদার অব ডেমোক্রেসি’ বেগম খালেদা জিয়ার পরিপূর্ণ সুস্থ্যতা ও দীর্ঘায়ু কামনায় সকলের কাছে দোয়া প্রার্থনা করেছেন তিনি।
বিবৃতিতে তিনি বলেছেন, অসুস্থ হবার পর থেকে বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আগামীর রাষ্ট্রনায়ক জনাব তারেক রহমান, মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব এ্যাড. রুহুল কবীর রিজভী, কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক আলহাজ্ব রকিবুল ইসলাম বকুল ও তথ্য বিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলালসহ জাতীয় ও স্থানীয় বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী-সমাথর্করা নিয়মিত চিকিৎসার বিষয়ে খোঁজ-খবর রেখে ছিলেন। দ্রুত পরিপূর্ণ সুস্থ্যতায় মহান সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রাণভরে দোয়া/প্রার্থনা করেছেন। সে জন্য সকলের প্রতি বিনম্র কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন বিএনপি নেতা মনিরুল হাসান বাপ্পী।
প্রসঙ্গত্ব, গত ১৩ মে সন্ধ্যায় রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে খুলনা জেলা বিএনপি’র সদস্য সচিব এসএম মনিরুল হাসান বাপ্পীকে ভর্তি করা হয়। এরআগে, ৬ মে উচ্চআদালতের জামিনে মারাত্মক অসুস্থ অবস্থায় কারামুক্তির পর খুলনা সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তাঁকে ভর্তি করা হয়েছিল; সেখানে অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় উনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ওই হাসপাতালে হৃদযন্ত্রে দু’টি রিং পরানো হয় তার। পুলিশের গায়েবী অভিযোগে রাজনৈতিক প্রসহনের মামলায় খুলনা জেলা কারাগারে বন্দী অবস্থায় হৃদরোগে আক্রান্ত হলেও জেলা বিএনপি’র সদস্য সচিব এসএম মনিরুল হাসান বাপ্পীকে সুচিকিৎসা দেয়নি কারাকর্তৃপক্ষ। গত ২৪ এপ্রিল উচ্চআদালতের আগাম জামিনের মেয়াদ শেষ হলে জেলা ও দায়রা জজ আদালত খুলনার বিচারক মাহমুদা খাতুন জামিন শুণানী শেষে জেলা বিএনপির সদস্য সচিব এসএম মনিরুল হাসান বাপ্পীসহ ৩০ নেতাকর্মীকে কারাগারে প্রেরণের আদেশ দেন।।
খালেদা জিয়ার প্রতি সরকার অমানবিক ব্যবহার ও আচরণ করছেÑ মঞ্জু
খবর বিজ্ঞপ্তি
চিকিৎসা মানুষের মৌলিক অধিকার, কিন্তু ফ্যাসিস্ট সরকার অত্যন্ত সুপরিকল্পিত ভাবে দেশের তিনবারের নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে সুচিকিৎসা থেকে বঞ্চিত রেখেছে। খালেদা জিয়ার প্রতি সরকার অমানবিক আচরণ করছে। তার মানবাধিকার ও মানবতা যেভাবে তারা হরণ করছে, এটা যদি সত্যিকার গণতান্ত্রিক সরকার থাকতো তাহলে করতে পারতো না। দেশের সত্যিকার অর্থে আইনের শাসন ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা থাকলে এটা হতো না।
খুলনা বিএনপির উদ্যোগে সোমবার (২৪ জুন) বাদ আসর নগরীর শেখপাড়া তেঁতুলতলা মোড়স্থ সোনাডাঙ্গা থানা বিএনপির কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত মাদার অব ডেমোক্রেসি বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আশু রোগমুক্তি ও সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিলে এসব কথা বলেন খুলনা মহানগর বিএনপির সাবেক সভাপতি নজরুল ইসলাম মঞ্জু। তিনি আরও বলেন অনতিবিলম্বে যে বিধি-নিষেধ ও শর্ত আছে, তা তুলে নিন। যাতে বেগম খালেদা জিয়া বিদেশে উন্নত চিকিৎসা নিতে পারেন। যদি সেই শর্ত তুলে না নেন এবং খালেদা জিয়ার যদি কোন ক্ষতি হয় তাহলে সরকারকেই তার দায়-দায়িত্ব নিতে হবে। কেবল দায়-দায়িত্ব নয়, একদিন এই জনগণের বিচারের কাঠগড়ায় আপনাদেরকে দাঁড়াতে হবে। দোয়া পরিচালনা করেন মাওলানা আব্দুল গফ্ফার।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপির সাবেক সাধান সম্পাদক মো. মনিরুজ্জামান মনি, মীর কায়ছেদ আলী, জাফরউল্লাহ খান সাচ্চু, সিরাজুল হক নান্নু, নজরুল ইসলাম বাবু, আসাদুজ্জামান মুরাদ, ইকবাল হোসেন খোকন, মহিবুজ্জামান কচি, নিজাম উর রহমান লালু, সাদিকুর রহমান সবুজ, এড. আনোয়ার হোসেন, ইস্তিয়াক উদ্দিন লাভলু, মজিবর রহমান ফয়েজ, নিয়াজ আহমেদ তুহিন, কাজী শফিউল ইসলাম শফি, শেখ রুহুল আমিন, শেখ জামিরুল ইসলাম, ইশহাক তালুকদার, এড. সরফরাজ হিরো, শরিফুল আনাম, তরিকুল্লাহ খান, কামরান হাসান, শরিফুল ইসলাম বাবু, রবিউল ইসলাম রবি, মেজবাহ উদ্দিন মিজু, ওমর ফারুক, আব্দুল মতিন, তৌহিদুল ইসলাম খোকন, আশরাফ হোসেন, জাহিদ কামাল টিটো, বাচ্চু মীর, সাইমুন ইসলাম রাজ্জাক, নুরে আব্দুল্লাহ, খান শহিদুল ইসলাম, হেদায়েত হোসেন হেদু, রিয়াজুর রহমান, ইকবাল হোসেন, জাকারিয়া লিটন, আমিনুল ইসলাম বুলবুল, গুমায়ুন কবির, শাহাবুদ্দিন আহমেদ, হাবিবুর রহমান কাজল, মনিরুল ইসলাম, গাজী মিজানুজ্জামান তাজ, সৈয়দ গাজী, নাহিদ মোড়ল. ফিরোজ আহমেদ, মাসুদ রেজা, শাকিল আহমেদ, হাবিবুর রহমান, এড. রফিকুল ইসলাম, ওহিদুজ্জামান, আবু তালেব, শরিফুল ইসলাম, সাগর, আরিফুর রহমান অরিফ, মোল্লা আলী আহমেদ, আলমগীর হোসেন, আলম, মাহমুদুল হক মুন্না, আলম হাওলাদার, মোস্তফা জামান মিন্টু, সেলিম বড় মিয়া, আবউল হাকিম, হাফিজুর রহমান, গোলাম নবী ডালু, পারভেজ মোড়ল, শামীম খান, হাসমত হোসেন, সাখাওয়াত হোসেন, সোলাইমান মোল্লা, মিজানুর রহমান মিজান, এ আর রহমান, আবুল বাশার, ওহাব শরীফ, হুমায়ুন আজিজ ডাবলু, আলম হাওলাদার, শেখ সাজ্জাদ হোসেন, আসাবুর রহমান পাইলট, মারুফুর রহমান, আসাদ সানা, শামীম রেজা, হাফিজুর রহমান, হারুন মোল্লা, খাদেমুল বাশার, তুহিন ইসলাম, জুয়েল রানা, আরিফুল ইসলাম, পিএম শহিদ, কামরুল ইসলাম মিরাজ, শাহাজাহান হোসেন কালু, খোকন সরদার, আবু সাঈদ, শাহআলম, লতিফুর রহমান লতিফ, মনিরুজ্জামান বাবু, জামান চৌধুরী প্রমুখ।
ফকিরহাটের মানসা পালপাড়াই চা দোকানদারের মরদেহ উদ্ধার
ফকিরহাট প্রতিনিধি।
বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার বাহিরদিয়া-মানসা ইউনিয়নের মানসা পালপাড়া এলাকা থেকে কার্তিক কুমার পাল (৭২) নামের একজন চা দোকানদারের মরদেহ উদ্ধার করেছেন মডেল থানা পুলিশ। সোমবার (২৪ জুন) দুপুর ১২টার দিকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহত কার্তিক কুমার পাল মানসা পালপাড়া এলাকার মৃত কেনারাম পালের পুত্র। পরিবারের দাবী তিনি আত্মহত্যা করেছেন। পুলিশ জানান, সোমবার সকাল ১০টার দিকে স্থানীয়রা মানসা পালপাড়া এলাকায় নিহত কার্তিক পালকে বাড়ির পাশে নিজ বাগানে একটি আমগাছের ডালের সাথে গলায় গামছা দিয়ে ফাঁস লাগানো ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে মানসা স্থানীয় একটি ক্লিনিকে নিয়ে আসেন। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করেন। খবর পেয়ে সহকারী পুলিশ সুপার (সার্কেল) মো. রবিউল ইসলাম শামীম, থানা পুলিশের পরিদর্শক (ওসি) মো. আশরাফুল আলম ও উপ-পরিদর্শক (এসআই) অনুপ কুমার রায় ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এরপর মরদেহের প্রাথমিক সুরোতহাল প্রতিবেদন তৈরী শেষে মরদেহ উদ্ধার করেন। ফকিরহাট মডেল থানা পুলিশের পরিদর্শক (ওসি) মো. আশরাফুল আলম বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য বাগেরহাট সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। আইনী প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হবে। ময়না তদন্ত প্রতিবেদন আসলে তিনি কিভাবে মারা গেছেন তা সঠিক ভাবে জানা যাবে। #
উৎস শনাক্তকরণ রপ্তানিতে বিরাট ভূমিকা রাখবে : মৎস্য অধিদপ্তরের ডিজি
খবর বিজ্ঞপ্তি :
মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সৈয়দ মোঃ আলমগীর বলেছেন, শুধু মাছ উৎপাদন করলেই হবে না, রপ্তানি আয় বাড়াতে উৎপাদিত মাছের উৎস শনাক্তকরণ (ই-ট্রেসিবিলিটি) নিশ্চিত করতে হবে। এটা মৎস্য রপ্তানি বাড়াতে বিরাট ভূমিকা রাখবে। রোববার (২৩ জুন) ঢাকায় মৎস্য ভবন কনফারেন্স রুমে (২য় তলা) অনুষ্ঠিত ‘মৎস্য শিল্পে ই-ট্রেসিবিলিটি পাইলট কার্যক্রমের ফলাফলের উপর জাতীয় কর্মশালা’য় তিনি এ কথা বলেন।
মৎস্য অধিদপ্তরের সহযোগিতায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বিজনেস প্রমোশন কাউন্সিল এবং ফিস ফার্ম ওনার্স এসোসিয়েশন, বাংলাদেশ (ফোয়াব)’র অর্থায়নে ফোয়াব এ কর্মশালার আয়োজন করে। সভাপতিত্ব করেন ফিস ফার্ম ওনার্স এসোসিয়েশন, বাংলাদেশ (ফোয়াব)’র প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মোল্লা সামছুর রহমান (শাহীন)।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সৈয়দ মো. আলমগীর আরও বলেন, ‘উৎপাদিত মাছের উৎস শনাক্তকরণ নিশ্চিত করতে পারলে রপ্তানির ক্ষেত্রে বিরাট ভূমিকা রাখবে। নির্বাচনী ইশতেহারে ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল মৎস্য থেকে ১৫ হাজার কোটি টাকা আয় করা হবে। বিশ্বের ৫২ দেশে মাছ রপ্তানি হয়। আগামী দিনে মৎস্য সেক্টরে বিপ্লব ঘটিয়ে সারা বিশ্বকে দেখিয়ে দিতে পারি, স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার ক্ষেত্রে এই সেক্টর সবার আগে।’
সেমিনারে জানানো হয়, উৎস শনাক্তকরণ নিশ্চিত করা গেলে নিরাপদ খাদ্য পণ্য ক্রেতার হাতে পৌঁছে দেওয়া সহজ হবে। রপ্তানি বাণিজ্যে বহির্বিশ্বের ক্রেতাদের আস্থা অর্জন সম্ভব হবে। এতে মৎস্য খাতে রপ্তানি আয় অনেক বেড়ে যাবে।
ফোয়াবের সভাপতি মোল্লা সামছুর রহমান (শাহীন) বলেন, ‘নিরাপদ খাদ্য সরবরাহ আমাদের জন্য একটা চ্যালেঞ্জ। মৎস্য সেক্টরে উৎস শনাক্তকরণ নিশ্চিত করতে পারলে সেই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা সহজ হবে। বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলাদেশ করতে গেলে মৎস্য সেক্টর অনেক অবদান রাখতে পারে। রপ্তানি বাড়াতে মৎস্য উৎপাদনেও বিশেষ নজর দিতে হবে।’
কর্মশালায় বিশেষ অতিথি ছিলেন মৎস্য পরিদর্শন ও মান নিয়ন্ত্রণ দপ্তরের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মোঃ আবদুর রউফ, নিউজ ২৪ টেলিভিশনের নির্বাহী সম্পাদক রাহুল রাহা, আস্থা ফিড ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের চেয়ারম্যান মোঃ মোশাররফ হোসেন চৌধুরী। প্রধান আলোচক ছিলেন ফিস ফার্ম ওনার্স এসোসিয়েশন, বাংলাদেশ (ফোয়াব)’র চীফ টেকনিক্যাল এ্যাডভাইজার ড. খন্দকার হাবিবুর রহমান। সঞ্চালনা করেন ফোয়াব’র প্রকল্প ব্যবস্থাপক মোঃ মনিরুজ্জামান মনির। উপস্থিত ছিলেন ফিস ফার্ম ওনার্স এসোসিয়েশন, বাংলাদেশ (ফোয়াব)’র সাধারণ সম্পাদক মোঃ হাবিবুর রহমান রুবেল প্রমুখ। জাতীয় এ কর্মশালায় বিশ^বিদ্যালয় শিক্ষক, এফবিসিসিআই ও মৎস্য অধিপ্তরের কর্মকর্তা, প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রিক মিডিয়ার সাংবাদিক, মৎস্য সেক্টরের স্টেক হোল্ডারগণ, ফোয়াবের বিভিন্ন জেলার প্রতিনিধিসহ ৬০জন অংশ গ্রহণ করেন।
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে ৭৫ টি বৃক্ষ রোপন করেন এমপি কামাল
খবর বিজ্ঞপ্তি
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে নিজ নির্বাচনী এলাকায় ৭৫ টি বৃক্ষ রোপন করে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির শুভ সুচনা করেন সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ আওয়ামী সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল হোসেন। ২৪ জুন সোমবার সকালে বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন কালে তিনি বলেন প্রধানমন্ত্রীর দুর্নীতি সন্ত্রাস মাদক ও জঙ্গিবাদ মুক্ত বাংলাদেশ গড়তে হবে। দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌম থেকে শুরু করে সকল অর্জনের রাজনৈতিক নেতৃত্ব আওয়ামী লীগের মাধ্যমেই হয়েছে।
বঙ্গবন্ধুর পরে বাংলাদেশ নামক জাতি রাষ্ট্রকে অর্থনৈতিক ভাবে সমৃদ্ধ করে একটা আধুনিক ডিজিটাল স্মার্ট বাংলাদেশ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বেই হয়েছে। তলাবিহিন ঝুড়ির বাংলাদেশ কে এখন খাদ্যে উদ্বৃত্তের বাংলাদেশ বাংলাদেশে রুপান্তরিত করেছেন। এসময়ে সংসদ সদস্য এস এম কামাল হোসেন আরো বলেন দেশের এমন কোন অর্জন নেই যেখানে আওয়ামী লীগের স্পর্শ নেই। আওয়ামী লীগের অংশীদারিত্ব নেই। কেউ যদি চ্যালেঞ্জ করতে চান আমার সামনে আসতে পারেন। আওয়ামী লীগ কে ইয়াহিয়া থেকে টিক্কা, জিয়া থেকে এরশাদ সবাই নিঃশেষ করতে চেয়েছিলেন কিন্তু দিনশেষে ইতিহাস থেকে তারাই আস্তাকুঁড়ে নিক্ষেপ হয়েছে। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ৭৫ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে নিজ নির্বাচনী এলাকায় ফলজ, বনজ ও ঔষধী গাছের ৭৫ টি চারা রোপন করে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির শুভ সুচনা করেন সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ আওয়ামী সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল হোসেন।
শহীদ শেখ আবু নাসের বিশেষায়িত হাসপাতাল সহ খালিশপুর ও দৌলতপুরের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বৃক্ষ রোপন করেন।
এসময় তিনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা মোতাবেক নিজ বাড়ীর উঠানেও যদি ফাঁকা জায়গা থাকে তাহলে সেখানেও বৃক্ষ রোপন করার কথা বলেছেন। বর্তমান তীব্র তাপদহন থেকে বাঁচতে বৃক্ষ রোপনের বিকল্প নেই। বৃক্ষ রোপন কে একটা সামাজিক আন্দোলন হিসেবে এগিয়ে নিতে হবে। প্রতিটি স্কুল কলেজ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, রাজনৈতিক সংগঠনের নেতা কর্মীরা সবাই মিলে বৃক্ষ রোপন কর্মসূচি পালন করতে পারে। এজন্য উদ্যোগ গ্রহণ করার জন্য অনুরোধ করেন।
বৃক্ষ রোপন কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা সিটি করপোরেশনের মেয়র ও খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি তালুকদার আবদুল খালেক।
উদ্ভোদক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল হোসেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন খালিশপুর থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি একেএম সানাউল্লাহ নান্নু, দৌলতপুর থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ সৈয়দ আলী, সাধারণ সম্পাদক শহীদুল ইসলাম বন্দ, মহানগর আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি নুর ইসলাম বন্দ, প্যানেল মেয়র-২ এস এম খুরশিদ আহম্মেদ টোনা, ১৩নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি মোরশেদ আহমেদ মনি, সদস্য শেখ মাহাবুব হোসেন, ৯নং ওয়ার্ড কাউন্সিল মুশফিকুর রহমান লিটন, ৪নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর গোলাম রব্বানী টিপু, ৫নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ মফিজুর রহমান হিরু, সাধারণ সম্পাদক হারুনর রশীদ, জাফর ইকবাল মিলন, সাবেক কাউন্সিল হক সাহেব, আওয়ামী লীগ নেতা হেলাল মুন্সি, যুবলীগ নেতা বাচ্চু মোড়ল প্রমুখ।
খুলে গেছে স্টিল ব্রিজের নাট-বল্টু, পাটাতনের অবস্থাও নাজুক
নিজস্ব প্রতিনিধি
ঝিনাইদহের শৈলকূপা উপজেলার গাড়াগঞ্জ-কুমারখালী সড়কের বারইপাড়ায় কুমার নদের ওপর নির্মিত স্টিলের ব্রিজটি এখন চরম ঝুঁকিপূর্ণ। ব্রিজের বিভিন্ন অংশের নাট-বল্টু খুলে গেছে। জং ধরে ছিদ্র হয়ে গেছে ব্রিজের পাটাতন। ভেঙে গেছে ব্রিজের নিচের লোহার পাত। পুরো ব্রিজের পাটাতন দেবে গেছে। পারাপারের অনুপযোগী হয়ে পড়লে উপায় না পেয়ে তবুও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন এলাকার হাজারো মানুষ। এলাকাবাসী দ্রুত ব্রিজটি পুনঃনির্মাণের দাবি জানিয়েছেন।
তথ্য নিয়ে জানা গেছে, ১৯৯৫ সালে গাড়াগঞ্জ-কুমারখালী সড়কের কুমার নদের উপর ১১২ মিটার এই ব্রিজটি নির্মাণ করে ঝিনাইদহ সড়ক ও জনপথ বিভাগ। পরবর্তীতে ব্রিজটি ঝিনাইদহ এলজিইডির কাছে হস্তান্তর করা হয়। কুমার নদ পারাপারের একমাত্র এই স্টিলের ব্রিজটি কয়েক বছর ধরে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। মাঝে মধ্যে মেরামত করা হলেও জং ধরে মরিচা পড়ে গেছে স্টিলের পাত, নাট-বল্টু ও পাটাতন।
এ বিষয়ে শৈলকুপার বারইপাড়া গ্রামের বাসিন্দা সেলিম হোসেন জানান, স্টিলের এই ব্রিজ দিয়ে গাড়াগঞ্জ থেকে হাজার হাজার মানুষ চলাচল করে। কিন্তু ব্রিজের অনেক স্থানে জং ধরে ছিদ্র হয়ে গেছে। লোহার পাত ভেঙে যাওয়ায় যানবাহন চলার সময় দেবে যাচ্ছে। যেকোনো সময় ভেঙে গেলে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
গ্রামের মনিরুল ইসলাম ও কবির হোসেন জানান, ব্রিজের মাঝখানের পাত ভেঙে গর্ত হওয়ার কারণে, পড়ে গিয়ে মানুষের হাত পা কেটে যাচ্ছে। ভাঙা জায়গায় সাইকেল আটকে গিয়ে মানুষের মুখ থুবড়ে হচ্ছে।
ওই সড়কে চলাচলকারী করিমন চালক লতিফ হোসেন জানান, আমরা প্রতিক্ষণ শঙ্কা নিয়ে ব্রিজটি পার হচ্ছি। ব্রিজের মাঝ স্থানে পাটাতনের লোহার পাত ভেঙে গেছে। ব্রিজটি এলাকাবাসীর কাছে এখন মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে।
এ ব্যাপারে ঝিনাইদহ এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মনোয়ার উদ্দিন বলেন, এলাকাবাসীর জন্য ব্রিজটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আপাতত কোনো ব্রিজ নির্মাণের জন্য বরাদ্দ নেই। তবে ব্রিজটি চলাচলের উপযোগী রাখার জন্য আমরা প্রতিনিয়ত মেরামতের কাজ করছি। আগামীতেও এই মেরামত কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।









































