ঢাকা অফিস
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনানের পেছনে দাঁড়ানোকে কেন্দ্র করে রড, লাঠি, হকিস্টিক নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে তিনজন ছাত্রলীগ নেতা আহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। ইতোমধ্যে সংঘর্ষে অভিযুক্ত চার নেতা ও এক কর্মীকে সাময়িক বহিষ্কার করেছে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ।
মঙ্গলবার দুপুরে শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান মধুর ক্যান্টিনে আসেন। এ সময় ঢাবির বিজয় একাত্তর হল ছাত্রলীগ ও মাস্টার দা সূর্যসেন হল ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়ায়। এরমধ্যে আহত হয় সূর্যসেন হল ছাত্রলীগের উপ-দপ্তর সম্পাদক কামরুল হাসান ও কর্মী সাইদুর রহমান শান্ত এবং তিতুমীর কলেজ ছাত্রলীগের এক কর্মী।
এ দিকে ছাত্রলীগের দপ্তর সম্পাদক মেফতাহুল পান্থ স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বহিষ্কৃতরা হলেন, বিজয় একাত্তর হল ছাত্রলীগের ছাত্রবৃত্তি উপসম্পাদক আবদুল্লাহ আল মারুফ, প্রশিক্ষণবিষয়ক উপসম্পাদক ফিরোজ আলম অপি, কর্মসূচি ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপসম্পাদক মাশফিউর রহমান, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নিঝুম ইফতার ও কর্মী ফজলে নাভিদ অনন।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, শেখ ওয়ালী আসিফ ইনানকে সালাম দেওয়া ও নেতার পেছনে দাঁড়ানোকে কেন্দ্র করে সূর্যসেন হল ও বিজয় একাত্তর হল ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের মাঝে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরে একাত্তর হল মধুর ক্যান্টিন থেকে বের হয়ে স্টাম্প, হকিস্টিক নিয়ে বাইরে অপেক্ষা করে। মধুর ক্যান্টিন থেকে বের হলেই আবদুল্লাহ আল মারুফ, ফিরোজ আলম অপি, মাশফিউর রহমান, ফজলে নাভিদ অনন ও নিঝুম ইফতারসহ বেশ কয়েকজন সূর্যসেন হলের নেতাকর্মীদের হামলা করেন। পরে কেন্দ্রীয় কয়েকজন সিনিয়র নেতার হস্তক্ষেপে হামলা বন্ধ হলে গুরুতর আহত কামরুলকে মেডিকেলে পাঠানো হয়।
ঘটনার বিষয়ে সূর্যসেন হল শাখা ছাত্রলীগের উপ-প্রচার সম্পাদক আবু বকর সিদ্দিক প্রিন্স বলেন, কেন্দ্রীয় নেতাদের উপস্থিতিতে শত শত মানুষের সামনে সূর্যসেন হল ছাত্রলীগের উপ-দপ্তর সম্পাদক কামরুলের ওপর রড, লাঠি দিয়ে অতর্কিত হামলা করা হয়েছে। কামরুল এখন ঢাকা মেডিকেল কলেজে ভর্তি আছে। মাথায় সেলাই লেগেছে এবং ঠোঁট কেটে গেছে।
বহিষ্কারের বিষয়ে দপ্তর সম্পাদক পান্থ বলেন, তাদের বিরুদ্ধে সংগঠনের শৃঙ্খলা পরিপন্থী কাজে যুক্ত থাকার কিছু অভিযোগে সংগঠনের সকল কার্যক্রম থেকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে।










































