ঢাকা অফিস।।
নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) ‘আওয়ামী লীগের আজ্ঞাবহ ও বিতর্কিত রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান’ বলে মন্তব্য করেছে বিএনপি। দলটি বলেছে, ১৮ ডিসেম্বর থেকে জাতীয় নির্বাচনের ভোট গ্রহণের আগ পর্যন্ত কোনো রাজনৈতিক কর্মসূচি আয়োজনের অনুমতি না দিতে ইসির চিঠি দেওয়ার ঘটনা নজিরবিহীন ও গণবিরোধী সিদ্ধান্ত। ভাগবাটোয়ারার মাধ্যমে ডামি নির্বাচন আয়োজনের যে অপপ্রয়াস, সেটিকে পৃষ্ঠপোষকতা করতেই ইসি জনবিরোধী সিদ্ধান্তটি নিয়েছে।
বৃহস্পতিবার বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে এসব কথা বলা হয়।
ইসির সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিএনপি আরও বলেছে, সরকারের আদিষ্ট হয়ে জনগণের আকাঙ্ক্ষার বিরুদ্ধে গিয়ে ইসির এই দুরভিসন্ধি একাধারে অনৈতিক, অবৈধ ও অসাংবিধানিক। এর নিন্দা জানাচ্ছে তারা। গণতান্ত্রিক মতপ্রকাশের অধিকারকে রুদ্ধ করার এই অশুভ উদ্যোগ দেশের চলমান রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক সংকটকে আরও ঘনীভূত করবে।
বিবৃতিতে বলা হয়, এমন সিদ্ধান্তে আবার প্রমাণিত হয়, এই ইসির অধীনে সুষ্ঠু কোনো নির্বাচন কিংবা সবার জন্য সমান সুযোগ সম্ভব নয়। এর আগে নামসর্বস্ব রাজনৈতিক দলকে নিবন্ধন এবং ‘ভুয়া প্রতিষ্ঠানকে’ নির্বাচনী পর্যবেক্ষক হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে সরকারের নির্দেশনা প্রতিপালন করেছে মেরুদণ্ডহীন নির্বাচন কমিশন।
বিএনপির দাবি, ২০১৪ ও ২০১৮ সালের পুনরাবৃত্তি ঘটিয়ে ২০২৪ সালেও প্রহসনমূলক নির্বাচনের ছক এঁকেছে আওয়ামী লীগ। ভোট অংশগ্রহণমূলক করার ন্যূনতম পরিবেশও সৃষ্টি করেনি নির্বাচন কমিশন। এসব নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে জনমনেও।











































