স্টাফ রিপোর্টার
খুলনার ৬টি আসনেই শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী নেই আওয়ামী লীগ প্রার্থীদের। মনোনয়ন বঞ্চিত দলের কোনো নেতাও হননি স্বতন্ত্র প্রার্থী। এবারের নির্বাচনে ২৯ জন প্রার্থীর মধ্যে ২২ জনই নতুন মুখ। তাদের বেশিরভাগ প্রার্থীকেই চেনেন না এলাকার ভোটাররা। ফলে কিছুটা নির্ভার রয়েছেন নৌকার মাঝিরা।
এবারের নির্বাচনে খুলনার ৬টি আসনে নিবন্ধিত ভোটার প্রায় ২০ লাখ। এসব আসনে ভোটযুদ্ধে নেমেছেন ২৯ প্রার্থী। যারা ১০টি রাজনৈতিক দলের ও স্বতন্ত্র হিসাবে মনোনয়নপত্র জমা দেন। তবে, আওয়ামী লীগ প্রার্থীকে টক্কর দেয়ার মতো কেউ নেই। স্থানীয়রা বলছেন, প্রার্থীদের একটি বড় অংশেরই, ভোটে মাঠে নামতে পারাটাই বড় কথা।
স্থানীয়রা জানান, শক্তিশালী প্রার্থী আমরা দেখতে পারছি না। সে ক্ষেত্রে নির্বাচন প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হবে বলে আমরা মনে করি না। উৎসবমুখর যে নির্বাচন সেটা অনেকটা মেলানো হবে বলে মনে করি।
আওয়ামী লীগের ৬ প্রার্থী ও খুলনা-৩ আসনের জাকের পার্টি মনোনীত ছাড়া বাকি ২২ জন এবারই প্রথম নেমেছেন ভোটের মাঠে। এছাড়া, ১০টি দলের মধ্যে ৪টিই কিংসপার্টি, তৃণমূল বিএনপি, বিএনএম, বাংলাদেশ কংগ্রেস ও বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোট।
খুলনা-৬ আসনের বাংলাদেশ কংগ্রেসের প্রার্থী মির্জা গোলাম আজম বলেন, মানুষের সঙ্গে আমরা অত্যন্ত সম্পৃক্ত। মানুষের সঙ্গে আগেও ছিলাম, এখনও আছি আর ভবিষ্যতেও থাকবো।
খুলনা-৬ আসনের তৃণমূল বিএনপির প্রার্থী মো. নাদির উদ্দিন খান বলেন, খুলনা-৬ আসন আমি বেছে নিয়েছি। ওখান থেকে আমি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছি তৃণমূল বিএনপির প্রার্থী হিসেবে।
শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতা না থাকায় নির্বাচন নিয়ে কিছুটা নির্ভার রয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা। খুলনা-৩ আসনের আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী এস এম কামাল হোসেন বলেন, জনগণ যদি অংশগ্রহণ করে এবং নির্বাচন যদি ভালো হয়, আমরা মনে করি সেই নির্বাচন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে একটি ভালো নির্বাচন হবে।
খুলনা-৪ আসনের আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আব্দুস সালাম মূর্শেদী বলেন, আবার জনগণকে সেবা করতে চাই। আমি নির্বাচনকে কোনোভাবেই চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিচ্ছি না। আমি মনে করি এটি গণতন্ত্রের বিজয় এবং গণতন্ত্রের চর্চার একটি অংশ।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, বড় কয়েকটি দল নির্বাচনে না আসায় প্রার্থী হয়েছেন অপরিচিত অনেকেই। এ ব্যাপারে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) খুলনার সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট কুদরত ই খুদা বলেন, রাজনীতি যখন সঠিকভাবে পরিচালিত না হয়, রাজনীতি যখন জনসমর্থনে না থাকে তখন অপরিচিত প্রার্থীর সুযোগ বা কোন বৃহত্তর রাজনৈতিক দলের মদতপুষ্ট প্রার্থীর আবির্ভাব ঘটে।









































