স্টাফ রিপোর্টার
খুলনা বিভাগের দশ জেলার ৩৬টি আসনের মধ্যে এবার ৬টি আসনে ৮ জন নারী প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। আওয়ামী লীগ, জাকের পার্টি, জাতীয় পার্টি, জেপি ও তৃণমূল বিএনপির একজন করে প্রার্থী এবং স্বতন্ত্র তিনজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নেমেছেন। আওয়ামী লীগের প্রার্থী সুবিধাজনক অবস্থানে থাকলেও অন্য প্রার্থীদের তেমন পরিচিতি নেই নির্বাচনী এলাকায়। আওয়ামী লীগের প্রার্থী ৩ বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।
খুলনার ৬টি আসনের ২৯ প্রার্থীর মধ্যে নারী প্রার্থী রয়েছেন মাত্র ১ জন। খুলনা-২ আসনে অন্য ৭ প্রার্থীর সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নেমেছেন জাকের পার্টির ফরিদা পারভীন। তবে ভোটের মাঠে তিনি নতুন মুখ। নির্বাচনী এলাকায় পরিচিতি নেই তার। এ ব্যাপারে ফরিদা পারভীন বলেন, আমার স্বামী কে এম ইদ্রিস আলী এই আসন থেকে ৩ বার নির্বাচন করেছেন। এবার দল আমাকে মনোনয়ন দিয়েছে। খুলনার মানুষের জন্য কাজ করার উদ্দেশ্যে আমি প্রার্থী হয়েছি।
বাগেরহাট-৩ আসনে আওয়ামী লীগের হাবিবুন নাহার এবারও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এ আসনের অন্য প্রার্থীরা হলেন জাতীয় পার্টির মো. মনিরুজ্জামান মনি, জাসদের শেখ নুরুজ্জামান মাসুম, বিএনএম’র সুব্রত মণ্ডল, বাংলাদেশ কংগ্রেসের মফিজুল ইসলাম গাজী, তৃণমূল বিএনপির ম্যানুয়েল সরকার, স্বতন্ত্র প্রার্থী ও জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ইদ্রিস আলী ইজারাদার।
হাবিবুন নাহার ২০০৮ সালের নির্বাচন, ২০১৮ সালের উপ-নির্বাচন ও পরে একই বছর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ আসন থেকে নির্বাচিত হয়েছিলেন। বর্তমানে তিনি পরিবেশ ও বন উপমন্ত্রী। এ আসনটিতে তার শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী নেই।
হাবিবুন নাহার বলেন, আসন্ন নির্বাচনে মানুষের আস্থা নৌকার উপরেই থাকবে। অন্য যারা এই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন তাদের আসলে জনপ্রিয়তা বা ভোট কোনোটাই নেই। সেক্ষেত্রে এই আসনে নিরঙ্কুশভাবে নৌকা বিজয়ী হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
ঝিনাইদহ-১ আসনে ৬ প্রার্থীর মধ্যে নারী প্রার্থী ২ জন। তারা হলেন জাতীয় পার্টির মনিকা আলম ও স্বতন্ত্র মুনিয়া আফরিন। শৈলকুপা উপজেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি মনিকা আলম বলেন, রাজনীতিতে নারী-পুরুষের কোনো পার্থক্য নেই। আমি একজন রাজনৈতিক ব্যক্তি এটিই আমার বড় পরিচয়। তাই অন্যান্য রাজনৈতিক দলের নেতাদের মতো আমি আমার রাজনৈতিক ও ভোটের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছি। রাজনীতি বা ভোটের মাঠে আমি নারী বলে কোনো বাধা দেখছি না।
নড়াইল-১ আসনে ৬ প্রার্থীর মধ্যে নারী প্রার্থী ২ জন। তারা হলেন স্বতন্ত্র চন্দনা হক ও জাতীয় পার্টি-জেপি’র শামীম আরা পারভীন (ইয়াসমিন)। এর মধ্যে চন্দনা হক এ আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য কবিরুল হক মুক্তির স্ত্রী।
সাতক্ষীরা-১ আসনে ১১ প্রার্থীর সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন তৃণমূল বিএনপির সুমি ইসলাম। সাতক্ষীরা-৪ আসনে ৮ প্রার্থীর মধ্যে স্বতন্ত্র মাসুদা খানম একমাত্র নারী প্রার্থী। তবে যশোর, কুষ্টিয়া, মাগুরা, চুয়াডাঙ্গা ও মেহেরপুর জেলায় কোনো নারী প্রার্থী নেই।









































