খুলনাঞ্চল ডেস্ক।।
সমকামীদের সম্পর্ক ও অধিকারকে স্বীকৃতি দিলেও, তাদের বিয়েকে এখনই আইনি স্বীকৃতি দেয়নি ভারতের শীর্ষ আদালত। এ বিষয়ে দেশটির কেন্দ্রীয় সরকারকে একটি কমিটি গড়ার কথা বলা হয়েছে সুপ্রিম কোর্টের পক্ষ থেকে। কেন্দ্র যদিও আগে থেকেই ওই কমিটি তৈরির প্রস্তাব দিয়েছিল। টানা ১০ দিন ধরে শুনানি চলে এ ইস্যুতে। অবশেষে মঙ্গলবার এর রায় ঘোষণা করেন প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়ের নেতৃত্বাধীন পাঁচ বিচারপতি সাংবিধানিক বেঞ্চ। এতে অন্য যে বিচারকেরা ছিলেন তারা হচ্ছেন, বিচারপতি সঞ্জয় কিষাণ কউল, বিচারপতি হিমা কোহলি বিচারপতি এস রবীন্দ্র ভট্ট এবং বিচারপতি এস নরসিংহ। রায়ে পাঁচ বিচারপতি একমত হননি। অন্যদিকে এই প্রসঙ্গে ভারতের সরকারের পক্ষ থেকে প্রথম থেকেই বিরোধিতা করা হয়েছে।
রায়ে পাঁচ বিচারকই সমকামিতাকে স্বীকৃতি দেন। তবে সমকামীদের বিয়ে আইনি বৈধতা পায়নি। জানা গেছে, ভারতের সরকারের সঙ্গে বেশ কয়েকটি রাজ্যও সমকামী বিয়ের বিরোধিতা করেছে।
সরকার পক্ষ আদালতে জানিয়েছিল, সমলিঙ্গে বিবাহ হল শহুরে অভিজাত এক ধারণা। দেশের সামাজিক মূল্যবোধ থেকে এই ধারণার অবস্থান অনেক দূরে বলেও দাবি করা হয়েছে ভারত সরকার পক্ষ থেকে। যদিও মঙ্গলবার আদালত রায় ঘোষণার পূর্বে, সমকামিতাকে শহুরে বিষয় নয় বলেও উল্লেখ করেছে।
সমলিঙ্গের বিয়ে ইস্যুতে ভারতের সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড় বলেন, আইন এমনটা কোনও ভাবেই ধরে নিতে পারে না কেবলমাত্র বিষমকামী জুটিই ভাল বাবা-মা হতে পারে। তিনি আরও বলেন, বিবাহ নামক প্রতিষ্ঠানটি কোনও অনড়, অটল বিষয় নয়। এই মামলায় আদালতের পর্যবেক্ষণ, জীবনসঙ্গী বেছে নেওয়া জীবনের সঙ্গে ওতপ্রোত ভাবে জড়িত, জীবনের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। সমকামী মানুষেরা যেন বৈষম্যের শিকার না হন, হেনস্থার শিকার না হন, সেদিকে নজর রাখার কথা বলা হয়েছে। আদালত মঙ্গলবার জানায়, কোনো বিয়ের স্বীকৃতি আইন ছাড়া সম্ভব নয়। কিন্তু এ বিষয়ে আইন আদালত প্রণয়ন করতে পারে না।











































