Home আঞ্চলিক সারা খুলনা অঞ্চলের খবর

সারা খুলনা অঞ্চলের খবর

15

নৌবাহিনী কর্তৃক ৩০০ দুস্থ পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ

খবর বিজ্ঞপ্তি

বিশ্বব্যাপি ছড়িয়ে পরা করোনা ভাইরাস এর সংক্রমণ রোধকল্পে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর দায়িত্বপ্রাপ্ত এলাকায়, পথে-ঘাটে, রাস্তায়, মহলায়, বাজারে, মোড়ে-মোড়ে জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে যাচ্ছে। সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তার লক্ষ্যে তাদের টহল অব্যাহত রেখেছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে অসহায় ও দুস্থ পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে নৌবাহিনী। কমান্ডার খুলনা নেভাল এরিয়ার তত্ত্বাবধানে নৌ ঘাঁটি বানৌজা শের-ই-বাংলা  কর্তৃক পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলার লালুয়া এলাকায় ৩০০টি অসহায় ও দুস্থ পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়। বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা প্রদানের অংশ হিসেবে মোতায়েনকৃত নৌবাহিনী কন্টিনজেন্ট বরগুনা জেলা সদর, বামনা ও পাথরঘাটা এলাকায় নিয়মিত টহলের পাশাপাশি জনসচেতনতামূলক কার্যক্রমসহ উপজেলাসমূহের বিভিন্ন স্থানে ১৫০টি সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করে। সাধারণ জনগণকে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিতকরণ, একান্ত প্রয়োজনে বাড়ির বাহিরে অবস্থানের ক্ষেত্রে মুখে মাস্ক পরিধানের জন্য নির্দেশনা প্রদান করা হয়। জনগণকে কাঁচা বাজার, ঔষধের দোকান ও মসজিদ ব্যবহারে সরকারী নীতিমালা অনুসরণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বলা হয়। বিকাল চার ঘটিকার পর সকল দোকানপাট বাধ্যতামূলকভাবে বন্ধ রাখতে ব্যবসায়ীদের বোঝানো হয়। নৌ কন্টিনজেন্ট মংলা সামাজিক জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে দিগরাজ বাজার, বুড়িরডাঙ্গা, চাদপাই, আপাবাড়ি, মংলা বাজার, মংলা বন্দর, হাসপাতাল চত্ত্বর ও ফেরিঘাট এলাকায় টহল অব্যাহত রেখেছে। করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ সর্ম্পকিত বিভিন্ন লিফলেট বিতরণ এবং রাস্তা ও যানবাহনে ১০% কোরিনযুক্ত জীবাণুনাশক পানি ছিটিয়ে জীবাণুমুক্ত করা হয়। নৌ কন্টিনজেন্ট মংলা জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন কার্যক্রমে সহায়তা প্রদানসহ নিয়মিত টহল ও জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে ।

কপিলমুনিতে ভৌতিক বিল আর বিদ্যুতের লুকোচুরিতে জনদূর্ভোগ বাড়ছে

পলাশ কর্মকার, কপিলমুনি

খুলনার কপিলমুনিতে ঘন ঘন বিদ্যুৎ লুকোচুরি ও বর্ধিত বিলের কারণে গ্রাহকরা নাকাল হচ্ছেন। গ্রীষ্মের এই দাবাদাহে বিদ্যুতের অস্থিরতায় এলাকাবাসী চরম দুর্ভোগে পড়েছেন।

গত মার্চ, এপ্রিল ও মে মাসে লকডাউনের সময় ঘন ঘন বিদ্যুৎ চলে যাওয়াতে ঘর বন্দি মানুষ সীমাহীন দুর্ভোগে পড়েন। প্রধানমন্ত্রী যেখানে লকডাউন ও রোজার সময় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নির্দেশ দিলেও তাঁর কথা উপেক্ষিত হয়ে চলেছে প্রতিমূহুর্তে। প্রতিদিন দিনে রাতে কমপক্ষে ৭/৮ বার বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে এখানে। বিদ্যুৎ ঘন ঘন চলে যাওয়াতে করোনায় আতংকিত ঘর বন্দি মানুষ প্রচন্ড গরমে একটু স্বস্তির জন্য গৃহত্যাগ করতে বাধ্য হয়।

গত রোজায় সেহরী ও ইফতারের সময়ও বিদ্যুতের আসা যাওয়া ছিল লক্ষনীয়। তবে বর্তমান বিদ্যুতের লুকোচুরি প্রকট আকার ধারন করেছে। বিদ্যুতের লুকোচুরিতে মানুষের স্বাভাবিক জীবন যাত্রায় ব্যাঘাত ঘটেছে। ভ্যাবসা গরমে হোমকোয়ারেন্টিনে থাকা গর্ভবতী মা শিশু ও বয়োবৃদ্ধরা শারীরিক অসুস্থতার শিকার হচ্ছেন। এদিকে বিদ্যুতের লুকোচুরির মধ্যে বর্ধিত বিলের কারণে গ্রহকদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। একদিকে বিদ্যুতের চরম লুকোচুরি অন্যদিকে ভৌতিক বিলের কারণে করোনায় আর্থিক বিপর্যস্থ কপিলমুনি জনপদের মানুষ দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।

হরিঢালী ইউনিয়ন বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শ্যামল কান্তি ঘোষ বলেন, ‘আমি বাড়িতে যে ইলেকট্রনিক সামগ্রী ব্যাবহার করি তা মাস ভেদে বিল সামান্য কম বেশি হয়। কিন্তু চলতি সালের মার্চে ব্যাবহৃত ইউনিট ১২৫, এপ্রিলে ব্যবহৃত ইউনিট ১৫০ এবং মে মাসে ব্যবহৃত ইউনিট ২৫০। আমার প্রশ্ন এক লাফে ১‘শ ইউনিট বাড়লো কিভাবে।

আশিষ রায় অভি বলেন, ‘এ যাবতকাল আমার আবাসিক মিটারে ৫শ-৬শ টাকা বিল ওঠে কিন্তু এবার বিল করেছে ১৬‘শ টাকা।’

এলাকার আলিম, আনোয়ারুল ইসলাম, মঈনুদ্দনি হাজরা, জানান অসহনীয় এই গরমে বিদ্যুৎ তো মাঝে মাঝে উধাও হচ্ছে আবার সেই সাথে ভৌতিক বিল। শুধু আমরা না এলাকার বহু মানুষ ভৌতিক বিলের শিকার হয়েছি। জানতে চাইলে কপিলমুনি পল্লী বিদ্যুৎ ইনচার্জ সোবাহান হোসেন জানান, ঘুর্ণিঝড় আম্পানের কারণে লন্ডভন্ড এলাকায় আমাদের লোকবল কম থাকলেও অত্যন্ত দ্রুততার সাথে কপিলমুনিতে বিদ্যুৎ সরববাহ করতে সক্ষম হয়েছি। তবে এখনো যান্ত্রিক ত্রুাটি থাকায় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ সম্ভব হচ্ছে না। তাছাড়া উধ্বর্তন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে এপ্রিল ও মে মাসে করোনার কারনে সরাসরি মিটারের কাছে যেয়ে ইউনিট নেয়া নিষেধ ছিল বলে আনুমানিক বিল করা হয়। এ কারণে বিল অনেক ত্রুটি হয়েছে। তবে আগামী বিলে বর্র্ধিত বিল সমন্বয় করে বিল করা হবে বলে জানান। এছাড়া খুব সহসায় বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে বলে আশ্বস্ত করেন।

ঝড়ের আগেও বিদুতের এই লুকোচুরি সম্পর্কে সহকারী জুনিয়রি ইঞ্জিনিয়ার মো; মনিরুজ্জামান জানান, কোন লোডশেডিং নেই বললেও ¯্রফে যান্ত্রিক ক্রুটির জন্যে বিদুত্যের এই বিড়ম্বনা হয়েছে। আমাদের দায়িত্ব ও আন্তরিকতার কোন ঘাটতি নেই বলেও তিনি  জানান।’                

ঝিকরগাছায় এলকোহল পানে ৬ জনের মৃত্যু

যশোর অফিস

যশোরের ঝিকরগাছায় গত ২৪ ঘন্টায় বিষাক্ত এলকোহল পানে ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। চিকিৎসাধীন রয়েছেন আরো চার জন। মৃত্যুর কারণ নিয়ে সংশ্লিষ্ট পরিবারগুলোর বিরুদ্ধে লুকোচুরির অভিযোগও পাওয়া গেছে।

মৃতরা হলো, উপজেলার রাজাপুর গ্রামের হাবিল গাজী (৬০), বর্ণি গ্রামের ফারুক হোসেন (৪০), হাজীরআলী গ্রামের আসমত আলী (৫০), পুরন্দরপুর গ্রামের হামিদুর রহমান (৫৫), রাজাপুর গ্রামের নুর ইসলাম খোকা (৫৫) ও ঋষিপাড়ার নারায়ন (৫৫)।

ঝিকরগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে কাউরিয়ার রিপন দাস (৪০) ও কিশোর দাস (৩২)। সকালে হাসপাতাল থেকে পালিয়েছে সেলিম হোসেন (৩৪)।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন কিশোর দাস জানায়, সোমবার সকালে সে রাজাপুর গ্রামের হাবিল গাজীর কাছ থেকে সাড়ে ৩০০ টাকায় এক বোতল এলকোহল কিনে বাড়িতে এসে কাকী  দুখিনি দাস ও সে পান করে। তার কিছুক্ষণ পর তারা অসুস্থ হয়ে পড়ে। পূর্বেও সে তার বাড়ি থেকে নেশাজাতদ্রব্য কিনেছে বলে জানায়।

গুরুতর অসুস্থ নাফিজ হোসেন নামে আরেকজন জানিয়েছে, সোমবার সকালে রাজাপুর গ্রামের মিন্টুর নিকট থেকে এলকোহল কিনে সে, নুর ইসলাম খোকা, নারায়ন ও হামিদুর পান করে। বাড়িতে আসার কিছুক্ষণের মধ্যে তারা সবাই অসুস্থ হয়ে পড়লে তাদেরকে যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় নুর ইসলাম খোকা, হামিদুর ও নারায়ন মারা যায়। ওই দিন গভীর রাতে তাদেরকে দাফন করা হয়। পরের দিন মঙ্গলবার রাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায়  হাবিল গাজী, ফারুক হোসেন ও আসমত আলী মারা যায়।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. রাশিদুল আলম জানিয়েছেন, সোমবার ৪জন বিষাক্ত এলকোহল পান করে হাসপাতালে ভর্তি হন। একজনের অবস্থা অবনতি হলে তাকে যশোর জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। আর একজন আজ (মঙ্গলবার) সকালে হাসপাতাল থেকে পালিয়েছে।

থানার ওসি আবদুর রাজ্জাক জানিয়েছেন, মৃতরা সকলেই কমবেশি বিষাক্ত এলকোহল পান করেছিল বলে খবর শোনা গেছে। তবে তাদের পরিবার বিষয়টি লুকিয়ে রেখেছিল। মৃত হাবিল গাজী কিছুদিন আগে মাদকসহ সস্ত্রীক আটক হয়েছিল। তার নামে একাদিক মামলা আছে। কিন্তু মৃত ব্যক্তিদের সকলকে হাসপাতাল থেকে হৃদরোগে মৃত্যু দেখিয়ে ছাড়পত্র দেয়া হয়েছে।

গৃহবধূ সুবর্না সাহা এক সপ্তাহ নিখোঁজ

ইলিয়াস হোসেন, তালা প্রতিনিধি

তালা উপজেলার জেয়ালা নলতা গ্রামের যুগোল সাহার মেয়ে সুবর্না সাহা (২২) এক সপ্তাহ নিখোঁজ রয়েছে। এক সন্তানের জননী সুবর্না যশোরের মনিরামপুর উপজেলের হোগলাডাঙ্গা গ্রামের ভক্ত সাহার স্ত্রী। এ ঘটনায় নিখোঁজ গৃহবধূর বাবা থানায় ডায়েরি করেছেন। যুগোল সাহা জানান, তার কন্যা সুবর্না সাহা বুধবার (১০ জুন) সকালে শ^শুর বাড়ি মনিরামপুর উপজেলের হোগলাডাঙ্গা গ্রাম থেকে বের হয়  অদ্যবধি আর ফিরে আসেনি।  বিভিন্ন আত্মীয়-স্বজনের বাড়িতে অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তার কোন সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না। একমাত্র শিশু পুত্রকে রেখে বাড়ি থেকে বের হয় সে। তারা জামাই ভক্ত সাহা একজন মুদি ব্যবসায়ী। তিনি সকালে খাওয়া-দাওয়া শেষে দোকানে চলে যান। তিনি আরও জানান, তার মেয়েরে গায়ের রং ফর্সা,মুখমন্ডল গোলাকার, লম্বা ৫ ফুট ১ ইি  এবং বাড়ি থেকে বের হবার সময় হালকা লাল রঙের শাড়ি পরা ছিল। নিরুপায় হয়ে মনিরামপুরা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করেছেন তিনি, যার নং ৪৭৪,তারিখ- ১৩/০৬/২০২০ খ্রিঃ। এদিকে কেউ যদি তার মেয়ের সন্ধান পান তবে ০১৯৬১-৮৪৮৮৩০ মোবাইল নাম্বরে যোগাযোগ করার জন্য সহৃদয়বানদের কাছে অনুরোধ করেছেন তিনি।

তালায় স্ত্রীর অধিকার পেতে সমাজপতিদের দ্বারে ঘুরছে ঝিনেদাহ’র মেয়ে

তালা প্রতিনিধি

স্ত্রী হিসেবে অধিকার পেতে ঝিনাইদহ’র মেয়ে কল্পনা খাতুন তালা উপজেলা প্রশাসন সহ সমাজপতীদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছে। তালার মদনপুর গ্রামের হামিদুর রহমান লিটন নামের এক প্রতারকের খপ্পরে পড়ে ওই মেয়েটি চরম অসহায়ত্ব’র মাঝে ও অমানবিক জীবন যাপন করছে। ঝিনাইদহ জেলার কোটচাঁদপুর উপজেলার ইকড়া গ্রামের মেয়ে মোছা. কল্পনা খাতুন জানান, পিতা-মাতা বিহিন অবস্থায় মামার বাড়ি থেকে অনেক কষ্ট করে সে বড় হয়। পরবর্তীতে ঢাকার আশুলিয়া এলাকার একটি গার্মেন্টসে চাকরি করার সুবাদে তালা উপজেলার মদনপুর গ্রামের মৃত আকিম উদ্দীনের ছেলে হামিদুর রহমান লিটনের সাথে তার পরিচয়। একপর্যায়ে উভয়ের মধ্যে প্রেমজ সম্পর্ক গড়ে উঠলে প্রতারক হামিদুর রহমান ও তার কথিত বোন রহিমা বেগম’র প্ররোচনায় ২০১৮ সালের ২০ অক্টোবর ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত’র নোটারী পাবলিক’র কার্যলয় ও কেরানীগঞ্জের এক বিবাহ রেজিষ্টারের মাধ্যমে ১ লক্ষ টাকা দেনমোহরে তাদের বিয়ে হয়। বিয়ের সময় ঘরে স্ত্রী থাকার পরও প্রতারক হামিদুর রহমান লিটন বিষয়টি গোপন করে।

ভুক্তভোগী কল্পনা খাতুন বলেন, বিয়ের পর হামিদুর রহমান তাকে নিয়ে ঢাকায় এবং যশোরে ২ বছর ঘর সংসার করে। একপর্যায়ে হামিদুর রহমান লিটন যৌতুৃকের দাবীতে বিভিন্ন সময়ে অসহায় কল্পনা খাতুনের উপর শারীরিক ও মানষিক নির্যাতন চালাতে থাকে। কিন্তু কল্পনা খাতুন তাকে যৌতুকের টাকা দিতে না পারায় হামিদুর তাকে যশোরে রেখে বাড়িতে পালিয়ে আসে। এরপর থেকে অর্থ ও খাদ্য সংকটে চরম অসহায় হয়ে পড়া কল্পনা খাতুন একপর্যায়ে তালা উপজেলার মদনপুর গ্রামে আসলে স্বামী হামিদুর রহমান তাকে ধরে নিয়ে একটি ঘরে আটকিয়ে রাখে এবং ব্যপক মারপিট করে তাড়িয়ে দেয়। এঘটনায় স্বামীর সংসার ফিরে পাওয়া সহ যৌতুক’র দাবীতের নির্যাতন করার প্রতিকার পেতে কল্পনা খাতুন স্থানীয় সমাজপতীদের দ্বারে দ্বারে ঘুরলেও কেউ তাকে সহযোগীতা করেনি। পুলিশ বিভাগের উর্দ্ধতন পদে চাকরি করা এলাকার এক কৃত্বি সন্তানের নাম ভাঙ্গিয়ে হামিদুর রহমান লিটন দীর্ঘ বছর ধরে প্রভাব বিস্তার সহ সাধারন মানুষের উপর হামলা, নির্যাতন চালানোয় কোনও মানুষ অসহায় কল্পনা খাতুনকে সহযোগীতা করতে সাহস পায়নি বলে নির্যাতিত মেয়েটির অভিযোগ। এবিষয়ে জানতে চাইলে কল্পনাকে চেনেননা বলে হামিদুর রহমান লিটন প্রথমেই দাবী করেন। কিন্তু কিছুক্ষন পরে অবশ্য কল্পনাকে তিনি চিনতে পারেন এবং বলেন, অনেক আগে আমি তাকে বিয়ে করেছিলাম। তবে, আমি তার কাছে কখনও যৌতুক দাবী বা নির্যাতন করিনি এবং তাকে তালাক দিয়েছি। কিন্তু তালাক পাবার কথা অস্বীকার করে কল্পনা খাতুন জানান, মদনপুর গ্রামের মানুষ ভয়ে আমাকে সহযোগীতা না করায় বাধ্য হয়ে নির্যাতনের প্রতিকার ও সংসার ফেরৎ পেতে তালা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. ইকবাল হোসেন দপ্তরে একটি আবেদন করেছি।

করোনা ভাইরাস সংক্রমন প্রতিরোধে সাতক্ষীরায় চলছে ভ্রমাম্যমান আদালতের অভিযান: মোট ৩৭ লক্ষাধিক টাকা জরিমানা আদায়

খান নাজমুল হুসাইন, সাতক্ষীরা

করোনা ভাইরাস সংক্রমন প্রতিরোধে সামাজিক দূরত্ব ও মাস্ক পরিধান নিশ্চিত করতে সাতক্ষীরায় নির্বাহি ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে সেনাবাহিনী, পুলিশ ও র‌্যাবসহ আইনশৃংখলা বাহিনীর সদস্যদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। জেলা শহরসহ বিভিন্ন উপজেলা গুলোতে এই অভিযান অব্যাহত থাকলেও সাধারন মানুষ যেন কিছুতেই মানছেননা সামাজিক দূরত্ব। একই সাথে অনেকেই ব্যবহার করছেননা মাস্ক। এরফলে আইন শৃখংলা বাহিনীর সদস্যরা রীতিমত হিমশিম খাচ্ছেন।

এদিকে, সরকারী আদেশ অমান্য করে সামাজিক দূরত্ব বজায় না রাখা ও মাস্ক ব্যবহার না করায় ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে গত ২৪ ঘন্টায় ৪২ টি মামলায় ২১ হাজার ৮০০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। আর গত ১ জুন থেকে ১৬ জুন পর্যন্ত ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে ৩৬৫টি মামলায় ১ লাখ ৬২ হাজার ৬০০টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। এছাড়া জেলায় করোনা প্রতিরোধে শুরু থেকে আজ পর্যন্ত ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে তিন শতাধিক মামলায় মোট ৩৭ লক্ষাধিক টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে বলে জেলা প্রশাসনের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

২৪নং ওয়ার্ড আ’লীগের সাবেক সভাপতি’র সহধর্মিনীর ইন্তেকালে নেতৃবৃন্দের শোক

খবর বিজ্ঞপ্তি

২৪নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি কাজী বেলায়েত হোসেনের সহধর্মিনী এবং মহানগর আওয়ামী লীগ নেতা কাজী জাহিদুল ইসলাম ও যুবলীগ নেতা কাজী কামাল হোসেনের মা আবেদা বেগম (৭৭) ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহে ….. রাজেউন)। গতকাল বুধবার ভোর ৫টায় ইকবালনগরে নিজবাসভবনে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুকালে তিনি ৫ ছেলে ২ মেয়ে নাতি নাতনি ও আত্মীয় স্বজন সহ অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে গেছেন। মরহুমের নামাজে জানাযা বাদ আসর ইকবাল নগর জামে মসজিদে অনুষ্ঠিত হয়। জানাযা শেষে মরহুমাকে বসুপাড়া কবরস্থানে দাফন করা হয়।

অপরদিকে আবেদা বেগমের মৃত্যুর সংবাদ পেয়ে খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সিটি মেয়র আলহাজ্ব তালুকদার আব্দুল খালেক, সাধারণ সম্পাদক এম ডি এ বাবুল রানা শোকাহতদের বাড়িতে যান। নেতৃবৃন্দ শোকাহতদের ধৈর্য্য ধারনের জন্য সান্তনা দেন। এ সময়ে উপস্থিত ছিলেন, আওয়ামী লীগ নেতা সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মিজানুর রহমান মিজান, এ্যাড. রজব আলী সরদার, মো. মুন্সি মাহবুব আলম সোহাগ, কাউন্সিলর জেড এ মাহমুদ ডন, মো. জাহাঙ্গীর হোসেন খান, কাউন্সিলর আলী আকবর টিপু, এ্যাড. মো. সাইফুল ইসলাম, কাউন্সিলর ফকির মো. সাইফুল ইসলাম, বীরমুক্তিযোদ্ধা এনামুল হক, সফিকুর রহমান পলাশ, শেখ মো. আবু হানিফ, শেখ শাহজালাল হোসেন সুজন, মঈনুল ইসলাম নাসির, আতাউর রহমান শিকদার রাজু, শাহ মো. জাকিউর রহমান জাকির, মো. আব্দুল হালিম, শেখ আব্দুল কাদের, এস এম আসাদুজ্জামান রাসেল, মোর্শেদ আহমেদ রিপন, সাবেক কাউন্সিলর সাহিদুর রহমান, এস এম সিরাজুল ইসলাম, মো. শওকাত হোসেন, রাশিদুল ইসলাম রিপন, মোড়ল হাবিবুর রহমান, মাসুমুর রশীদ, মো. আইয়ুব আলী, মাসুদ রানা, মাসুদ হোসেন সোহান, মাহামুদুর রহমান রাজেশ, খুলনা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি এস এম জাহিদ হোসেন, দক্ষিণাঞ্চল প্রতিদিনের সম্পাদক এস এম সাহিদ হোসেন সহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

এদিকে আবেদ বেগমের মৃত্যুতে গভীর শোক, শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা ও মরহুমার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিবৃতি দিয়েছেন, শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান এমপি, খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সিটি মেয়র আলহাজ্ব তালুকদার আব্দুল খালেক, খুলনা জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব শেখ হারুনুর রশীদ, খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এম ডি এ বাবুল রানা, জেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. সুজিত কুমার অধিকারী সহ আওয়ামী লীগের সকল স্তরের নেতৃবৃন্দ।

অনুরুপ শোক বিবৃতি দিয়েছেন, সদর থানা আওয়ামী লীগ সভাপতি এ্যাড. মো. সাইফুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক কাউন্সিলর ফকির মো. সাইফুল ইসলাম।

সংসদ সদস্যের শোক: কাজী বেলায়েত হোসেনের সহধর্মিনী এবং জাহিদুল ইসলাম ও কাজী কামাল হোসেনের মা আবেদা বেগমের মৃতুতে গভীর শোক, সমবেদনা ও মরহুমার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিবৃতি দিয়েছেন, খুলনা-২ আসনের সংসদ সদস্য সেখ সালাহউদ্দিন জুয়েল।

এস এম কামাল হোসেনের শোক: কাজী বেলায়েত হোসেনের সহধর্মিনী এবং জাহিদুল ইসলাম ও কাজী কামাল হোসেনের মা আবেদা বেগমের মৃতুতে গভীর শোক, সমবেদনা ও মরহুমার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিবৃতি দিয়েছেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কার্যনির্বাহী সংসদের সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল হোসেন।

শেখ সোহেলের শোক : কাজী বেলায়েত হোসেনের সহধর্মিনী এবং জাহিদুল ইসলাম ও কাজী কামাল হোসেনের মা আবেদা বেগমের মৃতুতে গভীর শোক, সমবেদনা ও মরহুমার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিবৃতি দিয়েছেন, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালক শেখ সোহেল।

ঝিনাইদহে ৫ কেজি ৭’শ গ্রাম রুপা ও ২২ লাখ টাকাসহ ২ জন আটক

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

ঝিনাইদহ সদর উপজেলার ভেটেরিনারী কলেজের সামনে থেকে পাচারের সময় ৫ কেজি ৭’শ গ্রাম রুপা ও ২২ লাখ টাকাসহ ২ জন আটক গোয়েন্দা পুলিশ। বুধবার দুপুরে সদর উপজেলার হলিধানী এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়। আটককৃতরা হলো-মানিকগঞ্জ উপজেলার সিংগাইল উপজেলার গোবিন্দল গ্রামের মৃত রাজা মিয়ার ছেলে তোফাজ্জেল হোসেন (৪০) ও একই গ্রামের আনোয়ার হোসেনের ছেলে আমিনুল ইসলাম (২০)। ঝিনাইদহ ডিবি ওসি আনোয়ার হোসেন জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তারা জানতে পারে মেহেরপুর থেকে ঝিনাইদহ হয়ে রুপা ঢাকায় পাচার হচ্ছে। এমন সংবাদের ভিত্তিতে ডিবি ইন্সপেক্টর নজরুল ইসলাম, এস আই আব্দুল আলিম, এস আই সেলিম রেজা, এএসআই আলিম সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে হলিধানী এলাকার ভেটেরিনারী কলেজের সামনে চেকপোস্ট বসায় পুলিশ। সন্দেহ হলে একটি মোটর সাইকেলের গতিরোধ করে মোটর সাইকেলের ২ আরোহীকে তল্লাসী করে। এসময় তাদের কাছ থেকে ৫ কেজি ৭’শ গ্রাম রুপা ও ২২ লাখ নগদ টাকা উদ্ধার করা হয়।

করোনা ভাইরাস শনাক্তে খুবিতে আরটি-পিসিআর ল্যাব স্থাপনের উদ্যোগ, ইউজিসির সহায়তা কামনা

খবর বজ্ঞিপ্তি

করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে খুলনায় এই ভাইরাস শনাক্তে ব্যাপকভাবে নমুনার চাপ বৃদ্ধি পাওয়ায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে পৃথক একটি রিয়েল টাইম আরটি-পিসিআর ল্যাব স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এ ব্যাপারে প্রাথমিক যোগাযোগ ও প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায় কেন্দ্রীয় গবেষণাগারে এই ল্যাব স্থাপন করা হবে। এই ল্যাব স্থাপনে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের কাছে সহায়তা কামনা করছেন। প্রয়োজনীয় সহায়তা পেলে ল্যাবটি স্থাপনের কাজ যথাসম্ভব শীঘ্র শুরু হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই ল্যাবটি করোনা ভাইরাস শনাক্ত ছাড়াও অন্যান্য অণুজীব পরীক্ষায়ও কাজে আসবে। বুধবার সকাল সাড়ে ১১ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি বিষয়ে এক পর্যালোচনা সভার সভাপতি উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ফায়েক উজ্জামান এই উদ্যোগের কথা ব্যক্ত করেন।

এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর সাধন রঞ্জন ঘোষ, সংশ্লিষ্ট নৈতিকতা কমিটি, কোর কমিটি, ইনোভেশন কমিটি, ওয়ার্কিং কমিটির সদস্যবৃন্দ, বিভিন্ন স্কুলের (অনুষদ) ডিন, রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত), বিভিন্ন ডিসিপ্লিন (বিভাগ) প্রধান, সিইটিএল ও আইকিউএসির পরিচালক, কমিটির অন্যান্য সদস্য, বিভিন্ন বিভাগীয় প্রধানবৃন্দ, সংশ্লিষ্ট অতিরিক্ত পরিচালক এবং ফোকাল পয়েন্ট কর্মকর্তা সংযুক্ত থেকে তাদের মতামত ব্যক্ত করেন।

উপাচার্য বলেন বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি প্রাতিষ্ঠানিক দক্ষতা বৃদ্ধি এবং স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতের ক্ষেত্রে কার্যকর ভূমিকা রাখছে। তিনি চলতি অর্থ বছরের বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্জন এবং আগামী অর্থ বছরের পরিকল্পনা ও চ্যালেঞ্জ নিয়েও আলোচনা করেন এবং বেশ কিছূ নির্দেশনা দেন। সভায় কিছু সমস্যা চিহ্নিত হয় এবং তা সমাধানে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়।

উপাচার্য চলমান করোনা ভাইরাস পরিস্থিতিতে একাডেমিক কার্যক্রম ভার্চুয়ালভাবে পরিচালনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রস্তুতির কথা উল্লেখ করে বলেন এক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ দেশের বিভিন্ন স্থানে অবস্থানরত শিক্ষার্থীদের নেটওয়ার্ক সুবিধা প্রদান। এ ব্যাপারে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের উচ্চ পর্যায়ে যোগাযোগ করা হয়েছে বলেও জানান। করোনা পরিস্থিতির মধ্যেও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভৌত অবকাঠামোর কাজ এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে তিনি পরিকল্পনা উন্নয়ন এবং প্রকৌশল বিভাগকে প্রয়োজনীয় দিক-নির্দেশনা দেন। করোনা পরিস্থিতি চলমান থাকাকালীন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারিবৃন্দ তাদের মাসিক বেতন-ভাতা তারা যাতে সহজ উপায়ে পেতে পারেন সে জন্য অর্থ ও হিসাব বিভাগকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়।

দিঘলিয়ার  বারাকপুর ইউনিয়নের লক্ষিকাঠি এলাকায় সরকারি গাছ কর্তন জানেনা বনবিভাগ   

খানজাহান আলী থানা প্রতিনিধি

খুলনার দিঘলিয়া উপজেলার বারাকপুর ইউনিয়নে ঘুর্নিঝড় আম্পানের মধ্যে পড়ে যাওয়া সরকারি গাছ কর্তন করা হয়েছে। 

গত ৬ জুন সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় বারাকপুর ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের  লক্ষিকাটি এলাকায় ঝড়ের মধ্যে সড়কের পাশে পরে যাওয়া সরকারি চম্বল ও শিশু গাছ কেটে নছিমনে করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।  এসময় গাছকাটা শ্রমিক লাখোহাটি গ্রামের মালেক পাটোয়ারি পুত্র রাজু ও রহমান শেখের পুত্র নজরুল এর  কাছে জানতে চাইলে তারা  বলেন আমরা ১টি  চম্বল ও ১ টি শিশু গাছ দিঘলিয়া  উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও বারাকপুর  ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গাজী জাকির হোসেনের নির্দেশক্রমে  কাটছি । দিঘলিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ হাফিজ আল আসাদ বলেন সরকারি গাছ কাটার ব্যাপারে আমি  জানিনা ।  দিঘলিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান শেখ মারুফুল ইসলাম বলেন বারাকপুর ইউনিয়নে ঝড়ে পড়ে যাওয়া সরকারি  গাছ কাটার বিষয়ে আমার কোন   কিছু জানা নেই । বারাকপুর ইউপি চেয়ারম্যান গাজী জাকির হোসেন বলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশে গাছ কেটে ইউনিয়ন পরিষদে রাখা হয়েছে ।  বিভাগিয় বন কর্মকর্তা সামাজিক বন বিভাগ (বাগেরহাট) আবুল কালাম জানান  বনজ সম্পদ পরিবহন বিধিমালায় সরকারি বা ব্যক্তিগত মালিকানাধিন যে কোন জমিতে কোনো গাছ থাকলেই সেতা নিজের ইচ্ছামতো কাটতে পারেনো , এজন্য স্থানিয় বনবিভাগের কাছ থেকে ওই বৃক্ষ কাটা ও পরিবহনের অনুমতি নিতে হয় । দিঘলিয়া উপজেলা বন কর্মকর্তা মোঃ রজব আলী বলেন গাছ কাটার ব্যাপারে আমার কিছু জানা নেই । এলাকার স্থানিয় বাসিন্দা মোঃ ফয়সাল বলেন ইউপি চেয়ারম্যান গাজী জাকির হোসেন বিভিন্নউর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করে প্রায়ই সরকারি গাছ কর্তন করে বিক্রি করেন যা নিরপেক্ষ তদন্ত করলে বেরিয়ে আসবে ।

এসিল্যান্ড অফিসের নাজির করোনা আক্রান্ত

মণিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি

যশোরের মণিরামপুরে মনিরুজ্জামান মুকুল (৩০) নামে এক যুবক করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। তিনি অভয়নগর এসিল্যান্ড অফিসের নাজির। মুকুল মণিরামপুরের জলকর রোহিতা গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত স্কুল শিক্ষক আমজাদ হোসেনের ছেলে। বর্তমানে তিনি গ্রামের বাড়িতে কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন। এরআগে তিনি অভয়নগরে সরকারি কোয়ার্টারে থাকতেন। বুধবার (১৭ জুন) সকালে যশোর সিভিল সার্জন অফিস থেকে তার করোনা পজেটিভ ফলাফল আসে। মণিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. অনুপ কুমার বসু এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এই নিয়ে মণিরামপুরে করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়ালো ১৫ জনে। যারমধ্যে ১১ জন ইতিমধ্যে সুস্থ হয়েছেন। ডা. অনুপ বলেন, গত রোববার (১৪ জুন) মণিরামপুর হাসপাতাল থেকে নয় জনের নমুনা সিভিল সার্জন অফিসের মাধ্যমে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ^বিদ্যালয়ের জেনোম সেন্টারে পাঠানো হয়। তারমধ্যে বুধবার মনিরুজ্জামান মুকুলের পজেটিভ রিপোর্ট আসে।

বুধবার সকালে মোবাইল ফোনে মুকুল জানান, জ¦রে আক্রান্ত হয়ে দুই সপ্তাহ আগে গ্রামের বাড়িতে চলে আসেন। পরে করোনা টেস্ট করানোর জন্য গত রোববার মণিরামপুর হাসপাতালে এসে নমুনা দেন তিনি। যে দিন নমুনা দিয়েছেন সেই দিনও তার শরীরে জ¦র ছিল না। এখন তিনি সুস্থ আছেন।

ডাঃ রাকিব খান নিহত ও চিকিৎসকদের কর্মবিরতিতে মহানগর বিএনপির উদ্বেগ

খবর বিজ্ঞপ্তি

বাংলাদেশ মেডিকেল এ্যাসোসিয়েশন (বিএমএ) জেলা শাখার আজীবন সম্মানিত সদস্য, নগরীর গল্লামারীস্থ রাইসা কিনিকের মালিক ও বাগেরহাট ম্যাটস্’র অধ্যক্ষ ডাঃ আব্দুর রাকিব খানকে মৃত রোগীর স্বজনদের প্রহার পরবর্তী নিহতের ঘটনায় গভীর মর্মাহত খুলনা মহানগর বিএনপি’র নেতৃবৃন্দ। একই সাথে স্বাস্থ্যখাতের শ্রেষ্ঠ সংকটকালে চিকিৎসকদের কর্মবিরতিতে না গিয়ে স্বাস্থ্য সেবা ফিরে আসার আহ্বান জানানো হয়েছে। গতকাল বুধবার খুলনা মহানগর বিএনপি নেতৃবৃন্দ এক বিবৃতিতে খুলনার স্বাস্থ্যখাতের বর্তমান প্রেক্ষাপটে চিকিৎসকদের সাথে সহমর্মিতা, খুলনা তথা দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলবাসীর স্বাস্থ্যসেবা ব্যাহত হওয়ায় শঙ্কা ও উদ্বেগ প্রকাশ করেন। বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ করোনা মহামারীকালে সকলকে ধর্মীয় মূল্যবোধে সর্বোচ্চ মানবিক আচরণের উদ্যত্ত্ব আহ্বান জানিয়েছেন।

বিএনপি নেতারা বলেন, যদি সত্যিই চিকিৎসকের অবহেলায় বা ত্রুটিতে রোগীর মৃত্যু হয়ে থাকে; তাহলে রোগীর স্বজনরা আইনের আশ্রয় নিতে পারবেন। কিন্তু আইন-আদালতের সভ্য সংস্কৃতির দিকে না গিয়ে অত্যন্ত নির্দয়ভাবে বেধড়ক মারপিট করে জাতির সেবক একজন চিকিৎসককে মেরে ফেললো; এটা অমার্জনীয়! দুঃখজনক। প্রকৃত অর্থে, ন্যায্য বিচারহীনতার সংস্কৃতিতে রাষ্ট্রের বিচার ব্যবস্থায় আস্থা ও বিশ্বাস হারিয়ে মানুষ এতোটাই বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। সরকার বিচার বিভাগকে দলীয়করণের কারণেই সাধারণ মানুষের এই প্রহসনের বিচার ব্যবস্থার প্রতি আস্থা নেই। সে কারণেই জাতির মহান সেবক চিকিৎসকদের উপরে চড়াও হতে পেরেছে ওরা। রাষ্ট্র চিকিৎসকদের নিরাপত্তা দিতে বার বার ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে। প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস সংক্রমন শনাক্তের শুরু থেকেই সরকার চিকিৎসকদের কার্যকর প্রতিরোধক দিতে ব্যর্থ হয়েছে। যার ফলে খুলনাতেও অন্তত দুই ডজন চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মী করোনা সংক্রমিত হয়েছেন; দেশে ইতোমধ্যে প্রাণ হারিয়েছেন ৩২জন চিকিৎসক। বৈশ্বিক এ ক্রান্তিকালে দুঃসাহসিক চিকিৎসকদের অসামান্য সেবা ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে রচিত হবে। এ অবস্থায় অবিলম্বে স্বাস্থ্য সেবা ফিরে আসার জন্য চিকিৎসকদের প্রতি মানবিক আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপি নেতৃবৃন্দ। একই সাথে মরহুম চিকিৎসক আব্দুর রাকিব খানের মাগফেরাত কামনা ও এঘটনায় দায়েরকৃত মামলার আসামীদের গ্রেফতারপুর্বক দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তারা।

বিবৃতিদাতারা হলেন বিএনপির চেয়ারপাসনের উপদেষ্টা ভাষাসৈনিক এম নুরুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও মহানগর শাখার সভাপতি নজরুল ইসলাম মঞ্জু, সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনি, সাহারুজ্জামান মোর্ত্তজা, সৈয়দা নার্গিস আলী, মীর কায়সেদ আলী, শেখ মোশারফ হোসেন, জাফরউলাহ খান সাচ্চু, জলিল খান কালাম, সিরাজুল ইসলাম, এড. ফজলে হালিম লিটন, অধ্যক্ষ তারিকুল ইসলাম, শেখ আমজাদ হোসেন, অধ্যাপক আরিফুজ্জামান অপু, সিরাজুল হক নান্নু, আসাদুজ্জামান মুরাদ, এসএম আরিফুর রহমান মিঠু ও ইকবাল হোসেন খোকন প্রমুখ।

 “গরীবের ডাক্তার” নামে খ্যাত ডাঃ রাকিব খানের মৃত্যুতে মহানগর বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের ক্ষোভ ও শোক

খবর বিজ্ঞপ্তি

খুলনা মহানগর বিএনপি এবং অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দগন এক যুক্ত বিবৃতিতে বলেন, বাগেরহাট মেডিকেল এ্যাসিস্ট্যান্ট ট্রেনিং স্কুলের অধ্যক্ষ, খুলনার গল্লামারীস্থ রাইসা কিনিকের মালিক খুলনায় “গরীবের ডাক্তার” হিসাবে খ্যাত ডাঃ আব্দুল রাকিব খান গত ১৫ই জুন’২০২০ রোগীর স্বজনদের হামলায় আহত হয়ে আবু নাসের বিশেষায়িত হাসপাতালের আইসিইউ-তে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৬ই জুন মৃত্যুবরণ করেন। তাঁর এই মৃত্যুতে গভীর দুঃখ, হতাশা ও শোক প্রকাশ করে বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, গল্লামারী পুলিশ বক্সের লাগোয়া রাইসা কিনিক, সেখানেই প্রশাসনের নাকের ডগায় জনৈকা রোগীর উত্তেজিত স্বজনদের নির্মম হামলার শিকার হয়ে মৃত্যুবরণ করলেন একজন নিরঅহঙ্কারী পরোপকারী স্বনামধন্য চিকিৎসক, যিনি এলাকায় “গরীবের ডাক্তার” নামে খ্যাত। তাঁরা ডাঃ আব্দুল রাকিবের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেণ এবং শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করে বলেন, বাংলাদেশে আজ আইনের শাসন নেই বলেই গু-া-মাস্তান, দুবৃত্তরা দূর্বিনীত হয়ে উঠেছে এবং তাদের হাত থেকে কেউই নিরাপদ নয়, যার প্রকৃষ্ট উদাহরণ ডাঃ রাকিবের এভাবে অকালে চলে যাওয়া। করোনাকালীন এই সময়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ডাক্তারগণ যেখানে রোগীদের সেবা দিচ্ছেন সেখানে সরকার ডাক্তারসহ সকল পেশাজীবি সর্বোপরি নাগরিকদের নিরাপত্তা দিতে পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে। তাঁরা অবিলম্বে ডাঃ রাকিবের হন্তাকারীদের খুঁজে বের করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করার জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের নিকট দাবী জানান এবং ডাক্তার, নার্সসহ সকল পেযাজীবিদের সর্বোপরি নাগরিকগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করারও জোর দাবী জানান। বিবৃতি দাতাগন খুলনা মহানগর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি জনাব সাহারুজ্জামান মোর্ত্তজা, মহানগর বিএনপির উপদেষ্টা জাফরউল্লাহ খান সাচ্চু, মহানগর বিএনপির যুব বিষয়ক সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন, মহানগর বিএনপির স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক আজিজুল হাসান দুলু, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুদ পারভেজ বাবু, সহ-প্রচার সম্পাদক কেএম হুমায়ুন কবির, ইকরামুল কবির মিল্টন, মহানগর যুবদলের সভাপতি মাহবুব হাসান পিয়ারু, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি একরামুল হক হেলাল, মহানগর শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক মজিবর রহমান, মহানগর মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক আজিজা খানম এলিজা, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র সহ-সভাপতি শফিকুল ইসলাম শাহীন, মহানগর ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি মোঃ তারিকুল ইসলাম, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক ফারুক হিল্টন, যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি নেহিবুল হাসান নেহিম, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল আজিজ সুমন, মহানগর ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক হেলাল আহম্মেদ সুমন, কাউন্সিলর মাজেদা খাতুন, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক মুনতাসির আল মামুন প্রমূখ।

ঘুমের মধ্যে সাপের কামড়, প্রাণ গেলো দুই জনের

মেহেরপুর প্রতিনিধি

সাপের কামড়ে নারীসহ দুই জনের মৃত্যু হয়েছে মেহেরপুরে। তারা হলেন মেহেরপুর সদর উপজেলার আমঝুপি ইউনিয়নের খোকসা গ্রামের মল্লিকপাড়ার নুর ইসলামের স্ত্রী ছিতারন নেছা (৪৭) ও বুড়িপোতা ইউনিয়নের গোভীপুর গ্রামের দক্ষিণপাড়ার মৃত ফকির মহাম্মদের ছেলে কৃষক জালাল উদ্দীন (৫৮)।

মঙ্গলবার (১৭ জুন) দিবাগত রাতে নিজ ঘরে ঘুমিয়ে থাকা অবস্থায় বিষাক্ত সাপ কামড় দিলে অসুস্থ্ হয়ে পড়েন ছিতারন নেছা। এসময় পরিবার ও প্রতিবেশীরা তাকে উদ্ধার করে মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এদিকে সদর উপজেলার বুড়িপোতা ইউনিয়নের গোভীপুর  গ্রামে ঘরে ঘুমন্ত অবস্থায় একটি বিষধর সাপে জালাল উদ্দীনকে কামড় দিলে তিনিও অসুস্থ হয়ে পড়েন । সঙ্গে সঙ্গে তাকে মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

একই পরিবারের আট জনের ৬ জনই করোনায় আক্রান্ত

যশোর প্রতিনিধি

যশোরে শহরের পুরাতন কসবার রায়পাড়ায় একই পরিবারের ৫ সদস্য করোনায় আক্রান্ত। এর মধ্যে দুই বছরের একটি শিশু রয়েছে। পরিবারের এক সদস্য আগে থেকেই করোনায় আক্রান্ত। মঙ্গলবার (১৭ জুন) স্বাস্থ্য বিভাগ এ তথ্য জানিয়েছে। পুরাতন কসবা রায়পাড়া এলাকার আক্রান্ত পরিবারটির এক সদস্য জানান, তাদের পরিবারের সাত জনের নমুনা দেওয়া হয়েছিল। পাঁচ জনের রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। আর তার বড় ভাই বিদ্যুৎ বিভাগের ঠিকাদার আগে থেকেই করোনায় আক্রান্ত। কাজের সূত্রে তার ভাই ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ থেকে এ মাসের প্রথম দিকে যশোরে ফেরেন। এরপর তার জ্বর হলে নমুনা পরীক্ষা করা হলে রিপোর্ট পজিটিভ আসে। তিনি বর্তমানে খুলনায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তিনি আরও জানান, ৯ জুন থেকে তাদের বাড়ি লকডাউন। কিন্তু প্রশাসন তাদের খোঁজ-খবর নেয় না। তার দুই বছরের সন্তানের জন্য দুধ কিনতে কেউ সহযোগিতা করে না। অথচ অভিযোগ পেয়ে পুলিশ তাদের বাড়ির বাইরে বের না হতে বলেছে।

স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, নতুন শনাক্ত হওয়াদের মধ্যে রয়েছেন যশোর শহরের সার্কিট হাউজ পাড়ার বাসিন্দা ও অগ্রণী ব্যাংক নড়াইলের লোহাগড়া শাখার ম্যানেজার হাসান তারেক (৪১)। আরও আছেন শহরের চাঁচড়া এলাকার বাসিন্দা ও জেলা শ্রমিক লীগের সহ-সম্পাদক সেলিম রেজা পান্নু (৪৫)। শ্রমিক লীগের এই নেতার পরিবারের এক সদস্য আগে থেকেই করোনায় আক্রান্ত। যশোর সিভিল সার্জনের মুখপাত্র ডা. রেহেনেওয়াজে বলেন, আক্রান্ত সবাইকে নিজ নিজ বাড়িতে আইসোলেশনে রাখা হয়েছে। তাদের বাড়ি লকডাউন করেছে স্থানীয় প্রশাসন।

 ঝিনাইদহে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ২৭ জনকে ৫৯ হাজার ২’শ টাকা জরিমানা

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

করোনার সংক্রমন রোধে সামাজিক দুরত্ব, স্বাস্থ্য বিধি না মানা, মাস্ক না পরাসহ নানা অপরাধে ২৭ জনকে ৫৯ হাজার ২’শ টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। মঙ্গলবার বিকাল থেকে বুধবার সকাল পর্যন্ত জেলা সদরসহ বিভিন্ন উপজেলায় এ অভিযান চালানো হয়। জেলা প্রশাসক সরোজ কুমার নাথ জানান, করোনার সংক্রমন রোধে জেলা ব্যাপী ভ্রাম্যমাণ আদালত চালানো হচ্ছে। এসময় বিনা কারণে বাইরে ঘোরাঘুরি করা, মাস্ক ব্যবহার না করাসহ নানা অপরাধে ২৭ জনকে জরিমানা করা হয়। এ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।

সাবেক হুইপ সুজা’র স্ত্রীর মাগফিরাত কামনায় কয়রা উপজেলা ছাত্রলীগের দোয়া

খবর বিজ্ঞপ্তি

খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক, খুলনা-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও জাতীয় সংসদের সাবেক হুইপ মরহুম এস এম মোস্তফা রশিদী সুজা’র স্ত্রী খোদেজা রশিদীর প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে তার আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল করেছে কয়রা উপজেলা ছাত্রলীগ। বুধবার (১৭ জুন) বাদ আসর কয়রা দলীয় কার্যালয়ে এ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন কয়রা উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মোঃ শরিফুল ইসলাম টিংকু, সাধারণ সম্পাদক (ভারপ্রাপ্ত) মোঃ আমিনুল হক বাদল, জেলা ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক মাসুদ রানা, উপজেলা ছাত্রলীগের নেতা মফিজুল ইসলাম, বেলাল আহমেদ বিল্লু, আমিনুর রহমান রাজা, শেখ জুবায়ের, শেখ আশিক, মেহেদী হাসান, সোহাগ, সাবির হোসেন শান্তু, আফজাল, মেজবা প্রমুখ। দোয়া মোনাজাত পরিচালনা করেন মাওলানা আঃ কাদের।

যশোরে নতুন করে ২৫ জনের করোনা শনাক্ত

যশোর অফিস

গত ২৪ ঘণ্টায় যশোরে নতুন করে ২৫ জনের শরীরে করোনাভাইরাসের অস্তিত্ব শনাক্ত হয়েছে। এবং পুরাতন ২জন রোগীর আবারও করোনা পজেটিভ এসেছে, সব মিলিয়ে ২৭ জনের নমুনা পজেটিভ এসেছে। এই প্রথম একদিনে এতো বেশি সংখ্যক নমুনা পজেটিভ হলো। বুধবার যশোরে ১৪০টি নমুনা পরীক্ষা করে নতুন ও পুরাতন রোগীর ২৭টি পজেটিভ রিপোর্ট এসেছে। যশোরের সিভিল সার্জন ডা.শেখ আবু শাহীন নিশ্চিত করেছেন।

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) জেনোম সেন্টারের পরীক্ষণ দলের সদস্য ড. তানভীর ইসলাম বলেন, তাদের ল্যাবে আজ যশোরের ১৪০টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে ২৭টি পজেটিভ রেজাল্ট দেয়।

এছাড়া নড়াইলের নড়াইলের পরীক্ষা করা একমাত্র নমুনাটি ছিল পজেটিভ। ঝিনাইদহের ৪৫টি নমুনা পরীক্ষা করে একটির ফল পজেটিভ আসে। আর সাতক্ষীরার ৬টি ও মাগুরার ১৬টি নমুনা পরীক্ষা করা হলে এর সবগুলোই নেগেটিভ ফল দেয়। সব মিলিয়ে যবিপ্রবি জেনোম সেন্টারে মঙ্গলবার মোট ২১৯ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে ৩০টি নমুনা ছিল পজেটিভ। বাদবাকি ১৮৯টি ছিল নেগেটিভ।

পরীক্ষা সংক্রান্ত তথ্যাদি সংশ্লিষ্ট জেলার সিভিল সার্জন অফিসে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানান ড. তানভীর। যশোরের সিভিল সার্জন ডা. শেখ আবু শাহীন বলেন, যবিপ্রবি থেকে আসা পজেটিভ নমুনাগুলোর মধ্যে, সদর উপজেলার ৫টি তার ভিতর জেল খানার ১ জন, শহর তলীর বিরামপুরের ১জন, পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ড রেলরোড এলাকার ৩জন, অভয়নগর উপজেলার ১৫জন, শার্শা উপজেলার ১জন, কেশবপুর উপজেলার ২জন, মনিরামপুর উপজেলায় ১জন, চৌগাছা উপজেলায় ১জন। ইতিমধ্যে গোটা যশোর জেলাকে ৩টি ভাগে ভাগ করে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। নতুন করে আক্রান্ত করোনা রোগী বাড়ি কোন এলাকায় পড়ছেন, তা দেখে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

গত মঙ্গলবার থেকে যশোরের ১৭টি এলাকাকে রেড জোন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। ওই জোন লকডাউন করা হয়েছে। ইয়োলো ও গ্রিন জোনের জন্যও রয়েছে বিশেষ কিছু নির্দেশনা।

মাস্ক না পরায় ঝিকরগাছায় ছয়জন দন্ডিত

যশোর অফিস

চলমান করোনা পরিস্থিতিতে ঝিকরগাছায় মাস্ক ব্যবহার না করায় ভ্রাম্যমাণ আদালত ছয় ব্যক্তিকে জরিমানা করেছেন।

বুধবার সকালে ঝিকরগাছা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুমী মজুমদার শহরের রেড জোনভুক্ত দুই ও তিন নম্বর ওয়ার্ডসহ বাসস্ট্যান্ড এলাকা পরিদর্শনে যান। ওই সময় পথচারীসহ ক্রেতা-বিক্রেতাদের অনেকের মুখে মাস্ক ছিল না। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তখন সেখানে আদালত বসিয়ে মাস্ক ব্যবহার না করার অপরাধে ছয় ব্যক্তিকে মোট সাড়ে ১৭ হাজার টাকা জরিমানা করে তা আদায় করেন।

উপজেলা নির্বাহী অফিসারের অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর মো. শাহাজালাল এই তথ্য দিয়েছেন।

আদালত চলাকালে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সঙ্গে ছিলেন সেনাবাহিনীর সার্জেন্ট ওবাইদুর রহমান, ঝিকরগাছা থানার এসআই আল-আমিন, উপজেলা পরিষদের সিএ ইমদাদুল হক ইমদাদ প্রমুখ।

যশোরে ইমাম মুয়াজ্জিনদের চেক হস্তান্তর

যশোর অফিস

করোনা পরিস্থিতিতে আর্থিক দুর্গতিতে থাকা মসজিদের ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে পাওয়া সহায়তার চেক হস্তান্তর করেছে যশোর পৌরসভা।

বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে যশোর মিউনিসিপ্যাল প্রিপারেটরি স্কুল চত্বরে এ আর্থিক সহায়তা হস্তান্তর করেন পৌরসভার মেয়র জহিরুল ইসলাম চাকলাদার রেন্টু।

মেয়র জানান, করোনাভাইরাস প্রার্দুভাবের কারণে সব শ্রেণি-পেশার মানুষ আর্থিক সংকটে পড়েছেন। প্রধানমন্ত্রী সব পেশার মানুষকে প্রয়োজন অনুসারে সহায়তা দিচ্ছেন। তারই অংশ হিসেবে যশোর পৌর এলাকার ১০৫টি মসজিদের ২১০ জন ইমাম ও মুয়াজ্জিনকে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। ইমামরা তিন হাজার ও মুয়াজ্জিনরা দুই হাজার টাকা করে অর্থ সহায়তা পাচ্ছেন।

চেক হস্তান্তরকালে জেলা ইমাম পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা বেলায়েত হুসাইনসহ পৌর কাউন্সিলররা উপস্থিত ছিলেন।

সাতক্ষীরায় প্রকাশ্যে জীবন নাশের হুমকি সদর থানায় সাধারণ ডায়েরি

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি ঃ

সাতক্ষীরার আলিপুর উঁচুপোতা গ্রামের জমিজমা সংক্রান্ত  পূর্ব শত্রুতার জের ধরে প্রতিপক্ষের হামলায় ভিকটিম রেহেনা খাতুন (৩৫), গুরুতর জখম হয়ে সদর হাসপাতালে ০৭/০৬/২০২০ ইং ভর্তি থেকে তার নুনদায় একই গ্রামের মৃত: মফিজ উদ্দীনের পুত্র নূর ইসলাম বাদী হয়ে সদর থানায় মামলা করেন যার নং-৩৪, তারিখ ০৯/০৬/২০২০। এতে মামলার ভিকটিম রেহেনা খাতুন জানান, মামলা প্রত্যাহারের জন্য আমাকে বিভিন্ন ভাবে চাপ ও হুমকি দিচ্ছে। মামলা প্রত্যাহার করিব না হয় যেইভাবেই হোক তোর ও তোর সন্তানকে খুন করে গুম করবো, প্রয়োজনে তোর বসত বাড়ি ও মৎস্য ঘেরের যে কোন অজ্ঞাত স্থানে মাদক ও অবৈধ অস্ত্র রেখে মিথ্যা মামলায় ফাঁসাবো এবং তারা আরও বলেন যে, তোর মৎস্য ঘেরে বিষ প্রয়োগ করে ক্ষতি সাধন করিবো। এ ঘটনায় রেহেনা খাতুন বাদী হয়ে সাতক্ষীরা সদর থানায়, আলীপুর উঁচুপোতা গ্রামের মৃত আসমতুল্লাহ গাইনের পুত্র সাহেব আলী(৪০), কবির হোসেন(৪৫),আক্তার হোসেন(৩৬) ,একই গ্রামের কবির হোসেনের পুত্র ইসমাইল হোসেন(২৩), মৃত আকবর সরদারের পুত্র ফারুক হোসেন(৪২), জামাত আলী সরদারের পুত্র আঃ হাকিম(৪২), আসামী করে একটি সাধারণ  ডায়েরী করেন। যাহার নং-১০৭০, তারিখ ১৭/৬/২০২০। রেহেনা খাতুন বলেন তাদের নামে মামলা করেও  আমি ও আমার পরিবার জীবনের হুমকির মুখে বসবাস করছি। পুলিশ সুপারের কাছে আসামীদের গ্রেপ্তার পূর্বক শাস্তির দাবী জানান। এ বিষয়ে সাতক্ষীরা সদর থানার ওসি আসাদুজ্জামানের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন আসামীদের দ্রুত আটক পূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সুন্দরবনের শরণখোলা স্টেশন কর্মকর্তার মৃত্যু

শরণখোলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি ঃ

পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের শরণখোলা স্টেশন কর্মকর্তা মো. শামসুল হক (৫৯) মারা গেছেন। বুধবার দুপুর ১টার দিকে তিনি অফিসে অবস্থানকালে অসুস্থ হয়ে পড়নে। বিকেল ৩টার দিকে শরণখোলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করেন। ওই বন কর্মকর্তা দীর্ঘদিন ধরে ডায়াবেটিস, হাইব্লাড প্রেসার ও হার্টের সমস্যায় ভুগছিলেন।

শরণখোলা রেঞ্জের সহকারী বনসংরক্ষক (এসিএফ) মো. জয়নাল আবেদীন জানান, মো. শামসুল হক (ফরেষ্টার) ২০১৮ সালের ২৮অক্টোবর পূর্ব সুন্দরবনের শরণখোলার স্টেশন কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করেন। তিনি টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার মহিষামুরা গ্রামের মৃত ইমাম উদ্দিন মাষ্টারের ছেলে। তার স্ত্রী ও একটি কন্যা সন্তান রয়েছে। শামসুল হকের মৃত্যুতে বনবিভাগে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তার মরদেহ গ্রামের বাড়িতে পাঠানো হয়েছে।

শরণখোলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. এসএম ফয়সাল আহমেদ জানান, ওই বন কর্মকর্তাকে হাসপাতালে আনার আগেই মারা গেছেন। তিনি ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ ও হার্টের সমস্যা ছিল বলে তার সহকর্মীদের মাধ্যমে জানা গেছে।

আরএমও জানান, যেহেতু বর্তমানে সারা দেশেই করোনার প্রাদুর্ভাব। তিনি করোনাভাইরাস সংক্রমিত কিনা নিশ্চিত হওয়ার জন্য তার স্যাম্পল রাখা হয়েছে।

শরণখোলায় এখনো হাটু কাঁদায় মানুষের চলাচল

শরণখোলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি

শরণখোলা উপজেলার সাউথখালী ইউনিয়নের ৯নং খুড়িয়াখালী ওয়ার্ডের পিলের রাস্তা এটি। হাটুকাদা ভেঙ্গে চলাচলের এমন দৃশ্য এখন আর কোথাও দেয়া যায় না। সরকারের উন্নয়নের ছোঁয়ায় প্রত্যান্ত গ্রামেও সাধারণত ইট দিয়ে হলেও রাস্তা পাঁকা করন করা হয়েছে। এডিপি, এলজিএসপি, টিআর-কাবিখাসহ উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদের বিভিন্ন তহবিল থেকে জনদুর্ভোগের এসব কাজ গুলো করার কথা। কিন্তু সাউথখালী ইউনিয়নের অবস্থা দেখে মনে হয় সেখানে যেন সরকারের কোন উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি। সাধারণ মানুষের প্রশ্ন সরকারি অর্ধ তাহলে কোথায় যায়?

রাস্তাটির দৈর্ঘ্য এক কিলোমিটার। রাস্তার পশ্চিম দিকে রয়েছে গ্রামীণ ডাকঘর, একটি মাদ্রাসা ও একটি বাজার। পূর্বদিকে আঞ্চলিক মহাসড়ক। রাস্তার পশ্চিম অংশে কয়েক হাজার লোকের বসবাস। ওই এলাকার বাসিন্দাদের স্কুল-কলেজ, মাদ্রাসা ও উপজেলা সদরে যাতায়াতের একমাত্র রাস্তা এটি। বর্ষাকালে একটু বৃষ্টি হলেই হাটু সমান কর্দমাক্ত হয়ে নারী-পুরুষ, শিশু ও অসুস্থ রোগী নিয়ে চলাচলে এলাকাবাসীর চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। র্দীঘদিন ধরে এ অবস্থা চলতে থাকায় জনপ্রতিনিধিদের উপর চরম ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী।

স্থানীয় বাসিন্দা মোঃ রাসেল মুন্সি, মোফাজ্জেল হাওলাদার, হালিম হাওলাদার, ফয়সাল বয়াতী জানান, শরণখোলা উপজেলায় এরকম আর কোন রাস্তা আছে বলে মনে হয় না। আমাদের এ রাস্তাটি জন প্রতিনিধিদের চোখে পড়ে না। ক্ষোভ প্রকাশ করে তারা বলেন, ২০ বছর আগের মতো এখনো যদি হাটু সমান কাদা ভেঙ্গে চলাচল করতে হয় তাহলে সরকারি অর্থ কোথায় ব্যয় হয়। আমারা এ দুর্ভোগ থেকে মুক্তি চাই।

সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোঃ বাচ্ছু মুন্সি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে এ রাস্তাটির আবস্থা খারপ। ছাত্র-ছাত্রীসহ এলাকাবাসীর চলাচলে দুর্ভোগের আর সীমা নেই। তবে বিষয়টি নিয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সাথে কথা বলার পর মঙ্গলবার (১৬ জুন) রাস্তাটির মাপ দিয়ে কাগজ জমা দিয়ে আসি।

সাউথখালী ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ মোজাম্মেল হোসেন বলেন, এ রাস্তাটি পাঁকা করার জন্য স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগে প্রস্তাব দেয়া হয়েছে। এবছর না হলেও আশা করি আগামী বছর রাস্তার কাজ শুরু হবে।

শরণখোলা এলজিইডি’র উপ-সহকারী প্রকৌশলী মোঃ রেজাউল করিম জানান, ওই রাস্তাটি বৃহত্তর বাগেরহাট উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। প্রকল্পের ডিপিপি পাশ করা হলে দরপত্র আহ্বান করা হবে।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সরদার মোস্তফা শাহিন বলেন, রাস্তাটি যাতে ইট দিয়ে পাঁকা করন হয় তার জন্য প্রকল্প বাস্তবায় কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

অভয়নগর এসিল্যান্ড অফিসের নাজির করোনা আক্রান্ত, বাড়ি লকডাউন

মণিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি

মণিরামপুরে মনিরুজ্জামান মুকুল (৩০) নামে এক যুবক করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। তিনি অভয়নগর এসিল্যান্ড অফিসের নাজির। মুকুল মণিরামপুরের জলকর রোহিতা গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত স্কুলশিক্ষক আমজাদ হোসেনের ছেলে। বর্তমানে তিনি গ্রামের বাড়িতে কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন। এর আগে তিনি অভয়নগরে সরকারি কোয়ার্টারে থাকতেন। বুধবার সকালে যশোর সিভিল সার্জন অফিস থেকে তার করোনা পজেটিভ ফলাফল জানানো হয়।মণিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. অনুপকুমার বসু এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এই নিয়ে মণিরামপুরে করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়ালো ১৫তে; যার মধ্যে ১১ জন ইতিমধ্যে সুস্থ হয়েছেন। ডা. অনুপ বলেন, গত রোববার মণিরামপুর হাসপাতাল থেকে নয়জনের নমুনা সিভিল সার্জন অফিসের মাধ্যমে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় জেনোম সেন্টারে পাঠানো হয়। তারমধ্যে বুধবার মনিরুজ্জামান মুকুলের পজেটিভ রিপোর্ট আসে।

বুধবার সকালে মোবাইল ফোনে মুকুল জানান, জ্বর আক্রান্ত হয়ে দুই সপ্তাহ আগে তিনি গ্রামের বাড়িতে চলে আসেন। পরে করোনা টেস্ট করানোর জন্য ১৪ জুন (রোববার) মণিরামপুর হাসপাতালে এসে নমুনা দিয়েছিলেন। যে দিন নমুনা দিয়েছেন সেই দিনও তার শরীরে জ্বর ছিল না। এখন তিনি সুস্থ আছেন।

করোনাকালীন গঠিত রোহিতা ইউনিয়নের স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য মেহেদী হাসান বলেন, ‘মুকুলের করোনা পজেটিভ রিপোর্ট আসার পর তার খোঁজ নিয়েছি। তিনি বাড়িতে কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন।’

এদিকে আইসোলেশন নিশ্চিত করতে বুধবার দুপুরে মুকুলের বাড়িতে যান ইউএনও আহসান উল্লাহ শরিফী। এসময় বাড়ি লকডাউন করাসহ মুকুলের শারীরিক বিষয়ে খোঁজখবর নেন তিনি।

মণিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক মুসাব্বিরুল ইসলাম রিফাত, স্বেচ্ছাসেবী দলের উপজেলা মেন্টর আল হেলাল মামুন এসময় উপস্থিত ছিলেন।

যুবলীগ নেতা কাজী কামালের মায়ের মৃত্যুতে নগর ছাত্রলীগের শোক

খবর বিজ্ঞপ্তি

খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের ২৪নং ওয়ার্ড শাখার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মরহুম কাজী বেলায়েত হোসেনের সহধর্মিণী, খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ নেতা কাজী জাহিদ হোসেন, সাবেক খুলনা জেলা ছাত্রলীগ নেতা কাজী জাকির হোসেন এবং খুলনা মহানগর যুবলীগের আহবায়ক কমিটির সদস্য কাজী কামাল হোসেনের মায়ের মৃত্যুতে আমরা খুলনা মহানগর ছাত্রলীগ পরিবার গভীর ভাবে শোকাহত। আমরা মহানগর ছাত্রলীগ পরিবার তার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করছি। মহান আল্লাহ চাচিআম্মাকে জান্নাতবাসিনী করুক,,,আমিন।

উল্লেখ্য যে তিনি দীর্ঘদিন যাবৎ শারীরিক বিভিন্ন অসুস্থতা জনিত কারনে শহীদ শেখ আবু নাসের বিশেষায়িত হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন এবং বুধবার সকাল ৫ ঘটিকায় মৃত্যুবরণ করেন (ইন্নালিল্লাহি….রাজিউন)। বিবৃতিদাতারা হলেন খুলনা মহানগর ছাত্রলীগের সভাপতি ও মহানগর যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক শেখ শাহাজালাল হোসেন সুজন ও মহানগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান রাসেল।

ইন্দুরকানীতে করোনা উপসর্গ  নিয়ে এক পল্লী চিকিৎসক মৃত্যু

ইন্দুরকানী(পিরোজপুর)প্রতিনিধি ঃ

ইন্দুরকানী উপজেলায় সদরে গত বৃহস্পতিবার করোনা উপসর্গ নিয়ে মারা যান নির্মল চন্দ্র দাস  (৬১) নামের একজন পল্লী চিকিৎসক। অজানা কারণে তার ইন্দুরকানী বাজারের বাড়িটি কে লকডাউন, বাড়ির  অন্যান্য সদস্যদের নমুনা সংগ্রহ করা বা আইসোলেশনের ব্যবস্থা কিছুই করা হয় না।  ইতিমধ্যে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন নির্মলের বড় ভাই সুনীল চন্দ্র দাস (৬৬)। তিনি ও একজন পল্লী চিকিৎসক। মঙ্গলবার তার শ্বাস কাঁশ শুরু হয়। তাই তাকে পিরোজপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে আসেন। সেখানে ভর্তি দেখিয়ে তাকে পাঠানো হয় আম্বিয়া  হাসপাতালে আইসোলেশনে।

সুনীল চন্দ্র যখন আম্বিয়া হাসপাতালে যান তখন তিনি নিজেই হেঁটে দোতলায় ওঠেন। কিন্তু ঐ হাসপাতালে কোনো লোকজন না দেখে তার পরিবারের লোকজন সিভিল সার্জন সাহেব কে ফোনে জানালে একজন নার্স এসে সুনীলকে অক্সিজেন দেয়ার সাথে সাথে তিনি মারা যান। পাঁচ দিনের ব্যবধানে দুই ভাইয়ের মৃত্যু হয়।

সালমা রহমান হ্যাপী জানান, সুনীলের স্ত্রী ও ভাবী মরদেহ গাড়িতে তুলতে কাউকে না পেয়ে আমাকে ফোন করে সাহায্য চায়। তারা আমাকে ফোন করে বলেন, দেখেন টাকা দিয়েও যদি হয় কাউকে  একটু পাঠিয়ে দিন। কিন্তু কাউকে পেলাম না। আমারা প্রশাসনকে জানালাম। তারা আশ্বাস দিলেন। কিন্তু কেউ যাচ্ছে না দেখলে ওই দুই মহিলা আর ভাইর ছেলে মরদেহকে টেনে টেনে দোতলা থেকে নামিয়েএনে ড্রাইভের সহায়তায় এম্বুলেন্সে উঠিয়ে ইন্দুরকানী নিয়ে যায়।সুনীলের মরদেহ ইন্দুরকানীতে যখন পৌঁছায় তখন রাত ১ টা। তার শেষকৃত্য করার মত তখন কেউ নেই।

এবার এম্বুলেন্স থেকে চিতায় নেয়ার মত কাউকে আর পাওয়া গেল না। খবর পেয়ে ছুটে আসলেন ইন্দুরকানী থানার ওসি হাবিবুর রহমান। সাথে পুলিশের সাহসী একটি দল।

পিরোজপুরের মানবিক এসপি হায়াতুল ইসলাম খান সাহেবের নির্দেশে ইন্দুরকানী থানার ওসি হাবিবুর রহমান সাহেব সুনীল বাবুকে সমাধিস্থ করার ব্যবস্থা করেন।  এ সময় থেমে থেমে বৃষ্টি চলছে। সেউতিবাড়িয়ায় গ্রামের বাড়ির শ্বশানে তখন ঘুটঘুটে অন্ধকার। কোন আপনজনের দেখা নেই। আপনজন বলতে মৃতের শোকাহত স্ত্রীসহ দু একজন নারী ও সদ্য প্রয়াত ভাইয়ের ছোট ছেলে। তারাও বাগানের মধ্যে দূরে দাড়িয়ে। এরই  মধ্যে  বৃষ্টিতে ভিজে ওসির নেতৃত্বে এসআই ফরিদ, শহিদুল, মনমথ, এএসআই শাহাদত, হাসপাতালের গাড়ী চালক ইকরামুলসহ পুলিশ সদস্যরা মাটি খোঁড়ার আয়োজন করেন। কিন্তু কোদাল খোন্তা কই পাবেন। ওসি নিজে বেশ কয়েকটি ঘরের দরজায় কড়া নারেন। কিন্তু কেউ সাড়া দেয়নি। অনেক কষ্টে মাটি খোঁড়ার সরঞ্জাম সংগ্রহ করেন তারা। এরপরে পুলিশ সদস্য ও গাড়ি চালক মিলে মাটি খুঁড়ে সমাধি তৈরী করেন। তারাই  সমাধিস্থ করেন এই  পল্লী চিকিৎসককে। রাত সাড়ে তিনটার দিকে

তাকে শেষ বিদায় জানান পুলিশ সদস্যরা। ইন্দুরকানী থানার ওসি হাবিবুর রহমান জানান, একটা সময় রাত বিরাতে অসুস্থ রোগীদের সেবা দিয়ে সুস্থ করে তুলেছেন দুই ভাই সুনীল এবং নির্মল। ইন্দুরকানীর পল্লী চিকিৎসায় তাদের পরিবারের অবদান অনেক। অর্ন্তন্ত দীর্ঘ বছর ধরে তারা এই  এলাকার সাধারনে রোগীদের সেবা দিয়েছেন। কিন্তু সেই  সুনীল ডাক্তারের শেষ বিদায়ের সময় তার পরিবারের ও আত্মীয়স্বজন কাউকে  খুঁজেও পাওয়া যায়নি। আশপাশের লোকদের অনেক ডেকেও কাউকে পাইনি। এমনকি একটি মাটি খোঁড়ার কোদাল চেয়েও পাই নাই। সারারাত ভিজে সুনিল চন্দ্রকে এম্বুলেন্স থেকে সমাধিস্থ করা পর্যন্ত সব কাজ আমরা করি।

মোড়েলগঞ্জে ন্যাশনাল সার্ভিস কর্মসূচির সমাপনী অনুষ্ঠান

মোড়েলগঞ্জ(বাগেরহাট) প্রতিনিধি

বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জে ন্যাশনাল সার্ভিস কর্মসূচির (৭্য ম পর্ব) কর্মসূচির সমাপনী অনুষ্ঠান বুধবার অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব এ্যাড. শাহ–আলম বাচ্চু।

 উপজেলা অফিসার্স কাব মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন সহকারী কমিশনার(ভূমি)রঞ্জন চন্দ্র দে। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হক মোাজাম, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ফাহিমা খানম, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা রতন কুমার দাস, অধ্যাপক জাকির হোসেন রিয়াজ। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রেসকাবের সহসভাপতি গনেশ পাল, অর্থ ও দপ্তর সম্পাদক এম.পলাশ শরীফ। বক্তব্য রাখেন ন্যাশনাল সার্ভিস কর্মসূচির উপজেলা আহবায়ক শেফালী আক্তার রাখি, মাসুম হোসেন প্রমুখ।

কৃষকনেতা খান বজলুর রহমানের মৃত্যুতে সিপিবি’র শোক ও সমবেদনা জ্ঞাপন

খবর বিজ্ঞপ্তি

বাংলাদেশের কৃষক সমিতির জেলা নেতা, উপজেলা কমিটির অন্যতম নেতা, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান খান বজলুর রহমানের মৃত্যুতে গভীর শোক ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) খুলনা জেলা ও মহানগরের পক্ষে বিবৃতি প্রদান করেছেনÑখুলনা জেলা সভাপতি ডাঃ মনোজ দাশ, খুলনা মহানগর সভাপতি এইচ এম শাহাদাৎ, জেলা সাধারণ সম্পাদক এড. রুহুল আমিন, মহানগর সাধারণ সম্পাদক এড. বাবুল হাওলাদার। অনুরূপ বিবৃতি প্রদান করেছেন বাংলাদেশ কৃষক সমিতির খুলনা জেলা সভাপতি নিতাই গাইন ও সাধারণ সম্পাদক এস এ রশীদ।

সাংবাদিক হিমালয়ের শ্বশুর এবং অভিজিৎ পালের ঠাকুরমার মৃত্যুতে খুলনা নাগরিক সমাজের শোক

খবর বিজ্ঞপ্তি

দৈনিক পূর্বাঞ্চল ও দৈনিক সমকালের স্টাফ রিপোর্টার হাসান হিমালয়ের শ্বশুর এবং ইন্ডিপেন্ডেন্ট টেলিভিশনের খুলনা ব্যুরোর স্টাফ রিপোর্টার অভিজিৎ পালের ঠাকুরমার মৃত্যুতে গভীর শোক ও শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে বিবৃতি প্রদান করেছেন খুলনা নাগরিক সমাজের নেতৃবৃন্দ। বিবৃতিদাতারা হলেনÑখুলনা নাগরিক সমাজের আহবায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব এ্যাড. আ ফ ম মহসীন ও সদস্য সচিব এ্যাড. মোঃ বাবুল হাওলাদারসহ নেতৃবৃন্দ।

মোড়েলগঞ্জে ২ হাজার পরিবারকে জরুরি খাদ্য সহায়তা দিলেন মেয়র এ্যাড.মনিরুল হক

এম.পলাশ শরীফ,মোড়েলগঞ্জ

করোনা সংকট মোকাবেলায় বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জে দুই হাজার পরিবারকে জরুরি খাদ্য সহায়তা দেওয়া হয়েছে।

বুধবার বিকেল ৪টার দিকে পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি পৌরসভা মেয়র এসএম মনিরুল হক তালুকদার পৌর এলাকার কর্মহীন অসচ্ছল পরিবারের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ১০ কেজি করে চাল বিতরণ করেন। ৩নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর অলিউর রহমান অলি, আজিজুর রহমান মিলন, কুরসিয়া সিদ্দিকসহ অন্যান্য কাউন্সিলরগন এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

পৌরসভা মেয়র এ সময় কর্মহীন লোকদের উদ্দেশে বলেন, শেখ হাসিনা যতদিন ক্ষমতায় থাকবে ততদিন কেউ না খেয়ে থাকবেনা। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত শেখ হাসিনার ত্রাণতহবীল সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে। মেয়র মনিরুল হক তালুকদার এ সময় সকলকে অনুরোধ করে আরো বলেন, এই সংকটকে পুজি করে কেউ অসৎ হবার চেষ্টা করবেন না। ভালো থাকতে হলে সকলে নীজ বাড়ির আঙ্গিনায় যে টুকু সম্ভব ফসল ফলানোর চেষ্টা করুন।

নগরীতে ভোক্তা অধিকার সংস্থার ত্রাণ বিতরন

স্টাফ রিপোর্টার

নগরীর ডাকবাংলো, শিববাড়ী মোড় ও সোনাডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন এলাকায় শতাধিক ইজিবাইক ও রিক্সাচালকের মাঝে আম, আপেল, কাগজী লেবু, ভিটামিন সি ট্যাবলেট, ওরস্যালাইন ও মাস্ক বিতরণ করা হয়েছে।

গতকাল বুধবার সরকারি ব্রজলাল কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক এবং ভোক্তা অধিকার সংস্থা সিসিএস-সিওয়াইবি করোনায় স্বেচ্ছাসেবী, খুলনা জেলা সমন্বয়ক মেহেদী হাসান শেখ এ সামগ্রীগুলো বিতরণ করেন। 

খুলনা করোনা পরিস্থিতির কারণে স্বল্পআয়ী এসব মানুষের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা  বাড়াতে এমন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং ভবিষ্যতেও এমন আরো উদ্যোগ নেবেন বলে তিনি জানান নেতৃবৃন্দরা। এসময় উপস্থিত ছিলেন সিসিএস-সিওয়াইবি “করোনায় স্বেচ্ছাসেবী” সংগঠনের খুলনা সদর থানা সমন্বয়ক মো. আল আমিন ইসলাম, সোনাডাঙ্গা মডেল থানা সমন্বয়ক মো শামীম হোসেন, খালিশপুর থানা সমন্বয়ক মো. মমিনুর রহমান শেখ, ফুলতলা থানা সমন্বয়ক শাকিলা আক্তার প্রমুখ।

ঝাউডাঙ্গায় দৈনিক কালের চিত্রের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

ঝাউডাঙ্গা প্রতিনিধি

সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ঝাউডাঙ্গা প্রেসকাবে সাতক্ষীরা থেকে প্রকাশিত দৈনিক কালের চিত্র পত্রিকা ৯ম বর্ষে পদার্পন উপলক্ষে আলোচনা সভা ও কেক কাঁটা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল বুধবার বেলা ১২টার দিকে প্রেসকাব কার্যালয়ে প্রেসকাবের সভাপতি শেখ খায়রুল ইসলামের সভাপতিত্বে এ আলোচনা সভা ও কেক কাঁটা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন দৈনিক বেতনানদী অনলাইন পত্রিকার সম্পাদক ও প্রেসকাবের সাধারন সম্পাদক মো. আব্দুস সালাম, তাহসিন এন্টার প্রাইজের ম্যানেজার রবিউল ইসলাম। উপস্থিত ছিলেন প্রেসকাবের সিনিয়ার সহ-সভাপতি দৈনিক পত্রদূত পত্রিকার নিজস্ব প্রতিনিধি মনিরুল ইসলাম মনি, দৈনিক দক্ষিনের মশালের সহ-সম্পাদক ও ঝাউডাঙ্গা প্রেসকাবের সহ-সভাপতি হুমায়ন কবির মিরাজ, দৈনিক খুলনাঞ্চলের জেলা প্রতিনিধি খান নাজমুল হুসাইন, দৈনিক আজকের বসুন্ধরা জেলা প্রতিনিধি ও প্রেসকাবের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক সাবিনা ইয়াসমিন পলি, দৈনিক কালের চিত্রের বল্লী প্রতিনিধি মিলন হোসেন, ঝাউডাঙ্গা প্রেসকাবের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক আরিফ হোসেন, ২৪ ঘন্টা টিভির রিপোর্টার শরিফুল ইসলাম, দৈনিক সুপ্রভাত সাতক্ষীরার বল্লী প্রতিনিধি মামুনুর রশিদ,  জনতার মিছিল শাহারিয়া হোসেন, সাতক্ষীরা টুডে‘র বিশেষ প্রতিনিধি মোমিনুর রহমান সবুজ, সাতক্ষীরা প্রতিদিন রিপোর্টার আজারুল ইসলাম, সিমান্ত প্রেসকাবের সাধারন সম্পাদক অহিদুজ্জামান, দৈনিক বেতনানদী অনলাইন পত্রিকার উপদেষ্ঠা কাজল সরদার, সমাজসেবক গফুর মোড়ল, ব্যবসায়ী মোকলেছুর রহমান মন্টু প্রমুখ। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন দৈনিক কালের চিত্রের ঝাউডাঙ্গা প্রতিনিধি আজিজুল ইসলাম আজিজ।