স্টাফ রিপোর্টার
বুধবার খুলনায় করোনা শনাক্তের রেকর্ড হয়েছে। খুলনা মেডিকেল কলেজ পিসিআর ল্যাবে ৯৭টি নমুনায় করোনা পজিটিভ রিপোর্ট এসেছে। খুমেকের উপাধ্যক্ষ ডা. মেহেদী নেওয়াজ জানান, বুধবার খুমেকের পিসিআর মেশিনে মোট ২৮৪ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। যার মধ্যে খুলনা জেলার নমুনা ছিলো ২৭০টি।
এদের মধ্যে ১০২ জনের নমুনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। যার মধ্যে ৯৭জনই খুলনা জেলার। এছাড়া বাগেরহাটের ২ জন, যশোরের ২ জন ও নড়াইলের ১ জন রয়েছেন।
খুলনা সিভিল সার্জনের দপ্তর থেকে জানা গেছে, খুলনায় বুধবার দুপুর পর্যন্ত করোনা রোগীর সংখ্যা ছিল ৪৯২ জন। যার মধ্যে মারা গেছে ৯ জন, স্স্থ্যু হয়েছেন ৭৫ জন, বাকিরা এখনো চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এছাড়া বুধবার ৯৭ টি পজিটিভ নমুনার মধ্যে কয়েকটি ফলোআপ বাদে প্রায় ৯০ জনের অধিক নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন।
খুমেকে আরও তিনজন মৃত্যু
স্টাফ রিপোর্টার
খুমেকে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে এক বৃদ্ধ ও উপসর্গ নিয়ে আরও দুজনের মৃত্যু হয়েছে। তবে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়া বৃদ্ধের মরদেহ নিতে পরিবারের কেউ আসেনি।
বুধবার তাদের মৃত্যু হয়। করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা যান ৮৫ বছরের বৃদ্ধ ইয়াদ আলী, করোনার উপসর্গ নিয়ে খুলনা মেডিকেল কলেজে মারা গেছেন রূপসা উপজেলার সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান খান বজলুর রহমান (৬০) ও মনিকা বেগম (৬৫)।
করোনা হাসপাতালের চিকিৎসক মিজানুর রহমান বলেন, কুষ্টিয়ার ফিলিপনগর এলাকার বাসিন্দা তেতুল মন্ডলের ছেলে ইয়াদ আলী করোনায় আক্রান্ত হয়ে ১৫ জুন রাতে করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালে ভর্তি হন। বুধবার বিকেলে তার মৃত্যু হয়। তার স্বজনদের না পেয়ে কুষ্টিয়ার সিভিল সার্জন মরদেহ নেয়ার জন্য রাতে অ্যাম্বুলেন্স পাঠিয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফু কর্নারে করোনার উপসর্গ নিয়ে ১৬জুন ভর্তি হওয়া খুলনা সদর থানা এলাকার মনিকা বেগম গতকাল দুপুরে এবং রূপসা উপজেলার নৈহাটি ইউনিয়নের সাকেব চেয়ারম্যান খান বজলুর রহমান মারা গেছেন।










































