Home আঞ্চলিক সারা খুলনা অঞ্চলের সব খবরা-খবর

সারা খুলনা অঞ্চলের সব খবরা-খবর

135
 ‘উচ্ছে গ্রামে’ প্রতিদিন বিক্রি হয় ৫ লাখ টাকার উচ্ছে

গুণীজন স্মৃতি পরিষদের সাংস্কৃতিক আড্ডায় বক্তারা: জ্যেষ্ঠ নাগরিকরা আমাদের বোঝা নয়, তাঁরাই আমাদের পথপদর্শক

খবর বিজ্ঞপ্তি

জ্যেষ্ঠ নাগরিকরা শারীরিকভাবে কিছুটা দুর্বল হয়ে পড়লেও তাঁদের সঞ্চিত পরিপক্ক অভিজ্ঞতা পরবর্তী প্রজন্মকে পথ দেখায়। কাজ মানুষকে গতিশীল রাখে। জ্যেষ্ঠ নাগরিকদের যেহেতু বয়সের কারণে কম কর্মোক্ষম বা সরাসরি উৎপাদনশীল কাজের সাথে নিজেদের হয়তো জড়িত করতে পারেন না, তাই তারা যাতে সৃজনশীল, আনন্দদায়ক, হালকা বা সহজ এবং পাশাপাশি বিশ্রাম নিতে পারেন, সেদিকে নজর দিতে হবে। জীবন সায়াহ্নে অনেক কিছুর জন্যই এখন সে অন্যের ওপর নির্ভরশীল। আধুনিক বিশ্বের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে বিভিন্ন সেবামূলক কার্যক্রম গ্রহণের মাধ্যমে বাংলাদেশের জ্যেষ্ঠ নাগরিকদের জনগোষ্ঠীর জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন করতে হবে। শুধু সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা নয়, পাশপাশি বেসরকারি এবং জনকল্যাণমূলক সংগঠনগুলোকেও সুনির্দিষ্ট কর্মসূচি নিয়ে এগিয়ে আসতে হবে যা জ্যেষ্ঠ নাগরিকদের সুন্দর জীবন নিশ্চিত করতে পারে। এভাবে বললেন গুণীজন স্মৃতি পরিষদের সাংস্কৃতিক আড্ডায় বক্তারা।

শনিবার বিকাল ৫টায় গুণীজন স্মৃতি পরিষদের  আয়োজনে জ্যেষ্ঠ নাগরিকদের সাংস্কৃতিক আড্ডা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন গুণীজস স্মৃতি পরিষদের সভাপতি এ্যাডঃ শামীমা সুলতানা শীলু। সভা পরিচালনা করেন সংগঠনের প্রতিষ্টাতা সাধারন সম্পাদক সাংবাদিক মহেন্দ্রনাথ সেন। অন্যানদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন অধ্যক্ষ আওয়াল রাজ, এ্যাডঃ মোমিনুল ইসলাম, গোপী কৃষাণ মৃন্ধড়া, ডাঃ দিদারুল ইসলাম শাহীন, এস এম শাহনেওয়াজ আলী, মাছুদ মাহামুদ, বিধান চন্দ্র রায়,  ক্যাটটেন (অবঃ) ডি কে হালদার, সেলিম বুলবুল, মানস রায় , প্রদীপ কুমার দাশ, এস এম সোহরাব হোসেন, এ্যাডঃ সাবিত্রী চক্রবর্ত্তী, আফরোজা জেসমিন বীথি, রিপন বিশ^াস, দিলারা নাসরিন,দেবী প্রসাদ ঘোষ,ধরা দেবী দাস, সৈয়দ আলী হাকিম, জয় কুমার বৈদ্য, এ্যাডঃ খান মনিরুজ্জামান,দীপ কুমার বৈদ্য, লতামন্ডল, অশোক মন্ডল, সাংবাদিক এস এম রাশীদুল আহসান বাবলু প্রমুখ। সভায় বক্তারা দাবি করেন, জ্যেষ্ঠ নাগরিকদের আর্থিক সমস্যা বিবেচনায় এনে গণপরিবহণে তাঁদের জন্য আসন সংরক্ষণসহ টিকেট ৪০% অথবা ৫০% রেয়াতে প্রদানের ব্যবস্থা করা; তাদের মানসকি ও শারীরিক স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের জন্য সরকারি- বেসরকারি হাসপাতালে বেড ও কেবিন সংরক্ষণসহ কনসেশন রেটে (২০% বা ৪০%) স্বাস্থ্য সেবার ব্যবস্থা করা এবং ঔষধ ও পথ্যসামগ্রী পাওয়ার ব্যবস্থা করা; আর্থিক সেবা প্রাপ্তির ক্ষেত্রে ব্যাংকে তাদের জন্য হেলপ ডেস্ক ও পৃথক কাউন্টার রাখার ব্যবস্থা করা; সার্কিট হাউজ, ডাকবাংলো, পর্যটন মোটেল এবং বেসরকারি হোটেল রিসোর্টে তাঁদের জন্য হ্র্রাসকৃত মূল্যে সিট সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা; জাতীয় বিভিন্ন সমস্যা, দুর্যোগে সিনিয়র সিটিজেনদের যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর ব্যবস্থা করা এবং সর্বশেষ সরকারি-বেসরকারি কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় এবং ট্রেনিং সেন্টারে রিসোর্স পার্সন অথবা অতিথি বক্তা হিসেবে জ্যেষ্ঠ নাগরিকদের সম্পৃক্ত করার ব্যবস্থা বা পরিকল্পনা নিতে হবে।

 

 

মহেশপুরে পল্লী চিকিৎসকের দেওয়া ঔষধ খেয়ে ৫ মাসের শিশুর মৃত্যুর অভিযোগ

মহেশপুর(ঝিনাইদহ)প্রতিনিধি,

ঝিনাইদহের মহশেপুরে এক পল্লী চিকিৎসকের ঔষধ খেয়ে ৫ মাসের শিশু আনিচুর রহমানের মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। শিশু আনিচুর রহমানকে শনিবার বিকালে ঔষধ খাওয়ানোর পর রাতেই তার করুন মৃত্যু হয়। নিহত শিশু ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার ঝিটকিপোতা গ্রামের আশানুর রহমানের ছেলে।

নিহত শিশুর মা জানান, শুক্রবার বিকালে আমার ছেলে পাতলা পায়খানা জনিত রোগে অসুস্থ হলে জিন্নাহনগর বাজারে আব্দুল হান্নানের র্ফামেসিতে নিয়ে যাই। চিকিৎসক হান্নান শিশুটিকে দেখে টোজা ও ইরোমাইসি সিরাপ দেন। পরে বাড়ীতে নিয়ে শিশুটিকে চিকিৎসকের পরামর্শে অনুযায়ী ঔষধ সেবনের পরই আরো অসুস্থ হয়ে পরে। সন্ধ্যায় শিশুটিকে জিন্নাহনগর বাজারের জুলফিকারের ক্লিনিকে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাকে অক্সিজেনও দেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে রাতে ঐ পল্লী চিকিৎসক হান্নানের কাজে নিয়ে গেলে তিনি মৃত ঘোষনা করেন।

নিহত শিশুর পরিবারের দাবি পল্লী চিকিৎসক আব্দুল হান্নানের ভুল চিকিৎসার কারনেই শিশু আনিচুর রহমানের মৃত্যু হয়েছে।

পল্লী চিকিৎসক আব্দুল হান্নান জানান, শিশুটির সামান্য পাতলা পায়খানা জনিত রোগের চিকিৎসা দেওয়া হয়েছিলো। আমি তাকে টোজা ও ইরোমাইসিন দিয়েছিলাম। তবে শিশুটির যশোরে চিকিৎসা চলছিল। মাত্র দ’ুদিনের সামান্য ডায়রিয়াতে এন্টিবায়োটিক দেওয়া হলো জানতে চাইলে পল্লী চিকিৎসক আব্দুল হান্নান জানান, এটি দেওয়া যায়। সাথে খাবার স্যালাইন খাওয়াতে বলা হয়েছিল।

এদিকে শিশুটির মৃত্যুর পর পল্লী চিকিৎসক দোকান বন্ধ করে বিষয়টি মিমাংসার জন্য এলাকার নেতাদের কাছে ততবির শুরু করেছেন।

মহেশপুর থানার ওসি খন্দকার শামীম উদ্দিন জানান, এ বিষয়ে এখনো কেউ কোন অভিযোগ করেনি।

 

 

সাবেক শিক্ষামন্ত্রী মরহুম এ.এস.এইচ.কে সাদেক-এর ১৬ তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

আলমগীর হোসেন কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি:

সাবেক শিক্ষামন্ত্রী মরহুম এ.এস.এইচ.কে সাদেক-এঁর ১৬ তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে কেশবপুর উপজেলা আওয়ামীলীগের উদ্যোগে দলীয় কার্যালয়ে স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। ২০০৭ সালের ৯ সেপ্টেম্বর কেশবপুর পৌর শহরেরে নিজ বাসভবনে সকাল ৭ টায় এ মহান নেতার আকস্মিক মৃত্যু হয়। বাকরুদ্ধ হয়ে পড়ে কেশবপুরবাসী। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৩ বছর। সাবেক শিক্ষামন্ত্রী মরহুম এ,এস,এইচ,কে সাদেক ১৯৩৪ সালের ৩০ এপ্রিল যশোরের কেশবপুর উপজেলার বড়েঙ্গা গ্রামের একটি সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম ইয়াহিয়া সাদেক (যুগ্ম কমিশনার), মাতা আসগারুন্নিসা সাদেক। ৭ ভাই ও ২ বোনের মধ্যে এ, এস,এইচ.কে সাদেক ৩য়। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৩ বছর।

তিনি ১৯৪৯ সালে হেয়ার স্কুল, কলকাতা থেকে এস.এস.সি, ১৯৫১ সালে এইচ.এস.সি ও ১৯৫৪ সালে বি.এ (সম্মান) অর্থনীতি, ১৯৫৫ সালে (কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়) এম.এ (অর্থনীতি) সাফল্যের সাথে পাস করেন। এছাড়া ১৯৭০-৭১ সালে যুক্তরাজ্যের নাফিল্ড ফাউন্ডেশন ও ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ফেলোশিপ লাভ করেন।

১৯৫৬ সালে তিনি সিভিল সার্ভিস অব পাকিস্তান (সি.এস.পি) ক্যাডারে যোগদান করেন। ১৯৫৯-৬১ পর্যন্ত মহাকুমা প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৬৬-৬৭ সালে কুমিল্লার জেলা প্রশাসক ও ১৯৬৯-৭০ সালে পূর্ব পাকিস্তান গভর্নরের সচিব হন, তিনি প্রতিরক্ষাসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব ও আন্তর্জাতিক সংস্থায় বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজ উদ্দীন আহমদ-এর সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে তিনি স্বাধীনতার সময় মহান মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয় সহযোগীতাসহ দেশে, বিদেশে ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে গুরুত্বপূর্ণ পদে নিযুক্ত ছিলেন। তিনি সর্বশেষ দেশের জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব হিসাবে দায়িত্ব পালনকালে ১৯৮৮ সালের ২৫ মার্চ স্বেচ্ছায় চাকুরী থেকে অবসর গ্রহণ করেন।

কর্মজীবনে রাষ্ট্র তথা আন্তর্জাতিক ভাবে তিনি বিভিন্ন স্বীকৃতিতে ভুষিত হন। কর্মক্ষেত্রে সকল প্রকার লোভ লালসার উর্দ্ধে থেকে এক কর্মযোগী মানুষ ছিলেন এ.এস.এইচ.কে সাদেক। তিনি অন্তরে যা লালন করতেন, বিশ্বাস করতেন, ব্যক্তিজীবনে তা বাস্তবে প্রতিফলনের চেষ্টা করতেন। তিনি দেশের সার্বিক উন্নয়ন ও সাধারণ মানুষের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করার প্রয়াসে বঙ্গবন্ধুর আদর্শে উদ্ভাসিত হয়ে একজন সক্রিয় মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে ১৯৯২ সালে বঙ্গবন্ধু আদর্শের রাজনৈতিক সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগে যোগদান করেন এবং কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য মনোনিত হন। স্বল্প সময়ের ব্যবধানে দলীয় রাজনীতিতে অগ্রণী ভূমিকায় মুগ্ধ হয়ে বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা তাকে যশোর-৬, জাতীয়-৯০ কেশবপুর আসন থেকে ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন দেন এবং তিনি নৌকা প্রতীক নিয়ে বিপুল ভোটের ব্যবধানে এ আসন থেকে জয়লাভ করেন।

১৯৯৬ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি আওয়ামী লীগ সরকারের শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি শিক্ষামন্ত্রী হওয়ার পর শিক্ষাক্ষেত্রে এক আমূল পরিবর্তন সাধন করেন। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শিক্ষাপদ্ধতির সাথে সমন্বয় রেখে দেশের সকল ফলাফলে ‘জিপিএ’ সিস্টেম চালু করার পাশাপাশি সৃজনশীল পদ্ধতি প্রবর্তনসহ শিক্ষাক্ষেত্রে তাঁর অবদান ছিল আকাশ ছোঁয়া। পশ্চাতপদ কেশবপুর উপজেলার সকল ক্ষেত্রে তাঁর হাত দিয়ে ব্যাপক উন্নয়ন হয়।

তিনি ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস রূপে স্বীকৃতি আদায় এবং সুন্দরবনকে ইউনেস্কোর অধীনে অন্তর্ভুক্ত করতে সফল হয়েছিলেন। যার স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁকে ২০১০ সালে মরণোত্তর একুশে পদক প্রদান করে সম্মানিত করা হয়।

ব্যক্তি হিসেবে তিনি ছিলেন অমায়িক, নম্র, ভদ্র এবং কখনো পরনিন্দা করতেন না। কখনো অন্যের গালমন্দ করে নিজেকে হাইলাইট করেননি। তিনি কাজে বিশ্বাসী ছিলেন, দেশ ও জাতির উন্নয়নে বিশ্বাসী ছিলেন। নিজের এলাকায় দলকে সুসংগঠিত করার জন্য সবসময় সোচ্চার থাকতেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের দুর্নীতিমুক্ত রাখতে তিনি সবসময় খুব কঠোর ছিলেন। অবৈধ কোনো নিয়মনীতি তিনি কখনো মেনে নেননি বা প্রশ্রয় দেননি। তাই কিছু লোভী বা স্বার্থান্বেষী মানুষ তাঁর প্রতি ছিল বিদ্বেষ মনোভাবাপন্ন। তবে পরবর্তীতে তিনি তা বুঝতে পেরে তাদেরকে এড়িয়ে চলেছেন। আসলে তাঁর মধ্যে ছিল বঙ্গবন্ধুর আদর্শচেতনা ও দৃঢ় মনোভাবাপন্ন ব্যক্তিত্ব যেটা একজন আদর্শ নেতার মধ্যে লুকিয়ে থাকা উচ্চমানের বৈশিষ্ট্য হিসেবে গণ্য হয়।

২০০১ সালে সারাদেশে আওয়ামী লীগের পরাজয় হলেও তিনি এমপি হয়েছিলেন কারণ তাঁর কাজ-কর্ম ও উন্নয়ন ছিল কেশবপুরবাসীর কাছে অভূতপূর্ব। পরবর্তীতে ১/১১ ধরপাকড়ের সময় তাঁর সাবেক কর্মকান্ডের হিসাব-নিকাশে শিক্ষাক্ষেত্রে কোনো দুর্নীতি খুঁজে পাওয়া যায়নি এবং তাঁর গায়ে কোনো কলঙ্ক লেপন করতে পারেনি কেউ। কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাস ২০০৭ সালের ৯ সেপ্টেম্বর এ মহান নেতার আকস্মিক মৃত্যুতে কেশবপুরবাসী বাকরুদ্ধ হয়ে পড়ে।

অপরদিকে তাঁর স্ত্রী বেগম ইসমাত আরা সাদেক যশোর-৬ (কেশবপুর) নির্বাচনী এলাকা থেকে ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি দশম জাতীয় সংসদের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী হয়েছিলেন। এরপর ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী হয়েছিলেন। গত ২০১৮ সালের ২১ জানুয়ারি তিনিও না ফেরার দেশে চলে গেছেন।

 

 

 

রূপসায় বর্তমান সরকারের উন্নয়ন তুলে ধরে মনোনয়ন প্রত্যাশী সফিকুর রহমান পলাশের গনসংযোগ

রূপসা প্রতিনিধি

আসন্ন দ্বাদশ নির্বাচন উপলক্ষে খুলনা-৪ আসনে আওয়ামীলীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী,খুলনা মহানগর যুবলীগের সভাপতি সফিকুর রহমান পলাশ আজ ৯ সেপ্টেম্বর বিকাল থেকে সন্ধ্যা অবধি পূর্ব রূপসা ঘাট এলাকায় বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন তুলে ধরে গনসংযোগ করে প্রচার করেন।

 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামীলীগ নেতা আলমগীর মল্লিক,খুলনা জেলা যুবলীগের সাবেক সহ-সভাপতি আজিজুল হক কাজল,রূপসা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি শক্তিপদ বসু,রূপসা ,ফেরদৌস হোসেন লাবু,আওয়ামীলীগ নেতা নাসির হোসেন সজল,মাহবুবুর রহমান,মৃন্ময় ধর শিপন, জিয়াউল ইসলাম লিপন,কামরুজ্জামান কামু,মাহির শেখ,যুবলীগ নেতা প্রদীপ বিশ্বাস,কামরুল ইসলাম মোল্যা,সাঈদুর রহমান ছগির, আবু আহাদ হাফিজ বাবু,জামাল ফকির,সৈয়দ আশিক আহসান লিখন, বাদল মোল্যা, শুভঙ্কর রায়,অসিত কুমার পাত্র,আব্দুর রহিম মিনা, রঞ্জু হালদার, পিন্টু মল্লিক,মহানগর ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি আসাদুজ্জামান বাবু,জব্বার আলী হীরা,জহির আব্বাস,মোঃ হেলাল,শাহাজান ব্যাপারী, শাহানাজ হোসেন মিলন,জনী খান,শাহাবুদ্দিন খান শুভ, ইউসুফ শেখ,আঃ আজিজ শেখ,হাসান আলী,শেখ শামীম,ছাত্রলীগ নেতা আবদুল্লাহ আল মামুন,মাসুম শেখ,সাইফুল ইসলাম, আববার বিশ্বাস

 

 

রূপসায় ৩ কেজি গাজা সহ ২ সহোদর গ্রেফতার

রূপসা প্রতিনিধি

রূপসা উপজেলার ঘাটভোগ ইউনিয়নের নতুনদিয়া গ্রামে ৩ কেজি গাঁজা সহ ২ সহোদের কে আটক করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর । এ ব্যাপারে রূপসা থানায় মাদকদ্রব্য আইনে মামলা হয়েছে  । থানা পুলিশ জানায়, আজ ৯ সেপ্টেম্বর সকালে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের একটি টিম উক্ত গ্রামে মৃত ভরত বৈরাগীর পুত্র অমল বৈরাগী (৩৬) এবং শ্যামল বৈরাগী (৪১ ) এর বাড়িতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালায় । এ সময় তাদের ঘর তল্লাশি করে ৩ কেজি গাজা উদ্ধার করা হয় । এ ব্যাপারে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (খুলনা) উপ পরিদর্শক বদরুল হাসান ২ সহোদর আসামি করে মামলা দায়ের করেছেন । আসামিদের কোট হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে  হয়েছে  ।

 

অভয়নগরে ১১৩টি অবৈধ কয়লার চুল্লী ধ্বংস করে দিলো প্রসাশন

তামিম আহমেদ মনির

অভয়নগরে কাঠ পুড়িয়ে অবৈধ কয়লা তৈরি, চুল্লী তৈরী কারীদের ক্ষমতার জোর কোথায়, হুমকিতে পরিবেশ শিরোনামে গত ৬ সেপ্টেম্বর সংবাদ প্রকাশের পর অবশেষে অভয়নগর উপজেলা প্রসাশন ও যশোর পরিবেশ অধিদপ্তরের উদ্যোগে ভ্রাম্যমাণ আদালত উপজেলার সিদ্দিপাশা ইউনিয়নের আমতলা এলাকা ও সোনাতলা গ্রামে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে ১১৩টি অবৈধ চুলা ধ্বংস করে মাটির সাথে গুড়িয়ে দেয় এবং একটি অবৈধ টলিসহ একগাড়ি কয়লা জব্দ করে মামলা দেওয়া হয়। শনিবার (৯সেপ্টেম্বর) সকাল আনুঃ ১১টা থেকে সন্ধ্যা ৬ টা পযন্ত ওই অভিযান চালানো হয়। ওই ভ্রাম্যমাণ আদালত চলাকালীন অবৈধ চুলা তৈরি কারীরা পলাতক ছিলো। ফলে, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা যায়নি। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন অভয়নগর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) থান্দার কামরুজ্জামান ও যশোর জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী উপপরিচালক মোঃ হারুনর রশীদ । এসময় ভ্রাম্যমাণ আদালতের সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন স্থানীয় সোনাতলা বাজার অস্থায়ী পুলিশ ক্যাম্পের পুলিশ ও অভয়নগর থানার এএসআই শামছুর রহমান। এছাড়াও ছিলেন, দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার পত্রিকার অভয়নগর প্রতিনিধি মোঃ কামাল হোসেন, বাংলা টিভির অভয়নগর প্রতিনিধি জসিম উদ্দিন বাচ্চু, এশিয়া টিভির অভয়নগর প্রতিনিধি রবিউল ইসলাম, দৈনিক খুলনাঞ্চল পত্রিকার অভয়নগর প্রতিনিধি তামিম আহমেদ মনির,,, দৈনিক আজ কালের সংবাদের অভয়নগর প্রতিনিধি হান্নান শেখসহ উপজেলা প্রসাশনের কর্মকর্তাবৃন্দ। এবিষয়ে অভয়নগর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) থান্দার কামরুজ্জামান বলেন, এসব অবৈধ চুল্লীর কারণে মানুষের শ্বাসকষ্ট জনিত রোগ হয়, এরকম অবৈধ চুলা তৈরী কারীদের বিরুদ্ধে অভিযান চলছে, পরবর্তীতে এমন চুলা তৈরি করলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে, এরকম অভিযান অব্যহত থাকবে।

 

 

মৃত্তিকা সংস্থার আয়োজনে অধিকার ভিত্তিক সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত

খবর বিজ্ঞপ্তি

সাতক্ষীরা শ্যামনগর উপজেলার ৭ নং মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়নে ১ নং ওয়ার্ডের উত্তর কদমতলা মুন্ডাপাড়ায় উন্নয়ন মূলক সেবাদানকারী বেসরকারি সংস্থা যা এনজিও ব্যাুরো অনুমোদন প্রাপ্ত।সংস্থাটি দলিত অনাগ্রসর জনগোষ্ঠীর অধিকার ভিত্তিক সচেতনতামূলক (জরমযঃ ইধংবফ অধিৎবহবংং সবঃঃরহম)নারীর ক্ষমতায়নে মানবাধিকার সুরক্ষা, আইনের সহায়তা উন্নয়নে লক্ষে কাজ করছে।শনিবার ৯ সেপ্টেম্বর বিকাল ৪ টার সময় কদমতলা মুন্ডা সম্প্রদায়ের ২০ জন নারীর মাঝে অবহিতকরন সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মৃত্তিকা সমাজ উন্নয়ন মূলক প্রতিষ্ঠানের প্রোগ্রাম ম্যানেজার আনজুয়ারা খাতুন, ফিল্ড অর্গানাইজার কারমিন সুলতানা,রোবিনা খাতুন প্রমুখ।এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন দলিত অনাগ্রসর  জনগোষ্ঠীর শাফলা দলের সদস্য বৃন্দ। শাফলা দলের নারীর মধো সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের কমিটি গঠন করা হয়।

প্রোগ্রাম ম্যানেজার আনজুয়ারা খাতুন তার বক্তব্য বলেন, মানবাধিকার বলতে আমাদের ধারণা শুধু নিপীড়ন,হতে মুক্তি বা বাক স্বাধীনতা মধ্যেয় সীমাবদ্ধ নয়।মানবাধিকার বলতে মানুষের বেঁচে থাকা, শরীরিক, নিরাপত্তা, স্বাধীনতা, সন্মানজনক, অবস্থার, উন্নয়ন প্রভূতি প্রয়োজনীয় সকল অধিকারকে বোঝায়। এ সময় দলিত জনগোষ্ঠীর নারীর ক্ষমতায়নের মধ্যে তাদের বিভিন্ন সমস্যা কথা তুলে ধরেন।তারা বলেন আমরা বিভিন্ন সেবা থেকে বঞ্চিত যাহাতে আমরা সংস্থার মাধ্যেমে বিভিন্ন সেবা পেতে পারি তাহার কথা জানান।  সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন মৃত্তিকা সমাজ উন্নয়নের প্রতিষ্ঠানের প্রোগ্রাম ম্যানেজার আনজুয়ারা খাতুন।

 

 

স্বাধীন সমাজকল্যাণ যুব সংস্থার বৃক্ষরোপণ ও গাছের চারা বিতরণ

খবর বিজ্ঞপ্তি

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবেলা, প্রকৃতির সৌন্দর্য বর্ধন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং সবুজ পরিবেশ গড়তে খুলনার কয়রা উপজেলার দক্ষিণ বেদকাশীর আংটিহারা এলাকায় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন স্বাধীন সমাজকল্যাণ যুব সংস্থার উদ্যোগে জনসাধারণের মাঝে ৩ শতাধিক ফলদ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা বিতরণ করা হয়েছে। শনিবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টার দিকে সংগঠনের কার্যালয় চত্বরে জনসাধারণের মাঝে গাছের চারা বিতরণ করেন স্বাধীন সমাজকল্যাণ যুব সংস্থার সভাপতি মোঃ আবু সাঈদ খান। এসময় উপস্থিত ছিলেন দক্ষিণ বেদকাশী ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম খান, স্বাধীন সমাজকল্যাণ যুব সংস্থার সাধারণ সম্পাদক সাইফুর রহমান, সহ-সভাপতি আহাদ আলী খান, সদস্য শাহ আলমগীর মিলন, আতিয়ার রহমান, শাহিনুর, মুকুল বিশ্বাস, সঞ্জয় মন্ডল, সবুজ খান, মোঃ আবু রায়হান খান, সাঈদ গাজী, আনিসুর, জুলকার নাইম প্রমুখ। গাছের চারা বিতরণ শেষে সংগঠনের সদস্যরা কার্যালয়ের আশেপাশের রাস্তার দুইপাশে ফলদ, বনজ ও ঔষধি বৃক্ষরোপণ করেন।#

 

পাইকগাছায় আবারো চেতনা নাশক ছিটিয়ে অজ্ঞান করে  সোনা গহনা টাকাপয়সা লুট

পাইকগাছা প্রতিনিধি

পাইকগাছায় চেতনা নাশক ছিটিয়ে অজ্ঞান করে একের পর এক সোনা গহনা ও টাকাপয়সা লুটে নিচ্ছে একটি চক্র। এ নিয়ে এলাকায় মানুষের মাঝে ভয়ের সৃষ্টি হয়েছে। বৃহষ্পতিবার রাতে রাড়ুলী ইউনিয়নের সর্বস্ব লুটে নেয়ার পর শুক্রবার রাতে উপজেলার গদাইপুর ইউনিয়নের গদাইপুর গ্রামের বিকাশ ঘোষের বাড়িতে বিকাশ ঘোষ(৫৫) কে চেতনানাশক ছিটিয়ে অজ্ঞান করে সোনাগহনা ও নগদ টাকা চুরি করে নিয়ে গেছে। বিকাশ ঘোষের ভাই তপন ঘোষ জানান, আমার ভাই বিকাশ ঘোষ রাতে খাওয়া শেষে রাত ১২ টার দিকে ঘুমিয়ে পড়ে। সকালে ঘুম থেকে উঠতে দেরী দেখে তাকে ডাকা ডাকি করলে সে অচেতন হয়ে পড়ে রয়েছে। পরে দেখা গেছে দরজা ভেঙ্গে ঘরে ঢুকে সোনাগহনা ও টাকা পয়সা নিয়ে তারা পালিয়ে যায়। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। পাইকগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ রফিকুল ইসলাম জানান, ইতিমধ্যে অজ্ঞান পাটির তিন সদস্যকে গ্রেফতার করে জেল হাজতে পাঠিয়েছি। আশা করছি গত দুই দিনে অজ্ঞানকরে টাকা পয়সা লুটে নেয়া ঘটনাটি খুব শিঘ্রই উৎঘাটন করে গ্রেফতার করতে পারবো বলে আশা করছি।

 

পাইকগাছায় ১ মাসে ১৬ জন ডেঙ্গু রুগি সনাক্ত: ১ জনের মৃত্যু

পাইকগাছা প্রতিনিধি

পাইকগাছায় শনিবার সকালে হাসপাতালে মফিজুল নামে এক ডেঙ্গু রুগী ভর্তি হয়েছে। এ নিয়ে  গত ১ মাসে ১৬ জন ডেঙ্গু রুগি সনাক্ত ও ১ জনের মৃত্যু হয়েছে। গত ১৫ আগষ্ট হত ৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পাইকগাছা হাসপাতালে জ্বর নিয়ে ভর্তি হয়েছে ৫০ জন। তার ভিতর ১৬ জন রুগী ডেঙ্গু সনাক্ত হয়েছেন। ডেঙ্গু রোগে সনাক্তরা হলেন, গত ১৬ আগষ্ট গদাইপুর ইউনিয়নের গীতারানী(৭০) নামে এক নারী ভর্তি হয়  হাসপাতালে। সে ২৩ অক্টবর মারা যায়। ডেঙ্গু আক্রান্ত অন্যরা হলেন, উপজেলার কপিলমুনি ইউনিয়নের রেজাকপুরের জামেলা বেগম(৫৫), গদাইপুর ইউনিয়নের মটবাটি গ্রামের মামুন(৩০), কপিলমুনি ইউনিয়নের মালথ গ্রামের জাহিন(৭), জাবিন (১২), চাঁদখালী ইউনিয়নের আমির আলী(২০), সোলাদানা ইউনিয়নে ভ্যকট মারী গ্রামের শারমীন(২২), বেতবুনিয়ার জয়নাব(৩৪), হরিঢালী ইউনিয়নের রহিমপুর গ্রামের সাকিব(২০), লতিফা(৩৭), কপিলমুনি ইউনিয়নের শিলেমানপুর গ্রামের আহাদ আলী(৪০), রেজাকপুর গ্রামের মফিজুল(৩৫), রাড়ুলী ইউনিয়নের কাটিপাড়ার মতিয়ার(২০), লস্কর ইউনিয়নের মিজানুর(৪৮), সুভদ্রা(৮০), গড়ুইখালী ইউনিয়নের আবু তাহের(৩০)। তারা উন্নত চিকিৎসার খুলনায় চলে গেছে আনেকেই হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি গেছে। পাকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা নিতিষ গোলদার জানান, জ্বর নিয়ে ভর্তি হলে তাকে ডেঙ্গু পরিক্ষা করা হচ্ছে। যাদের ডেঙ্গুরোগ সনাক্ত হচ্ছে তাদেরকে আলাদা ওয়ার্ডে সেবা দেয়া হয়েছে। বর্তমানে মফিজুল নামে ওই ব্যক্তি ভর্তি রয়েছে।

 

 

সুষ্ঠু সমাজ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় সাংবাদিকদের কাজ করতে হবে: ইউএনও আল-আমিন

পাইকগাছা প্রতিনিধি

নবাগত পাইকগাছা  উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ আল-আমিন বলেছেন ভাষা আন্দোলন ও মহান মুক্তিযুদ্ধ সহ বাঙালি জাতির  প্রতিটি মুক্তি সংগ্রামে গণমাধ্যম তথা সাংবাদিকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। তিনি বলেন স্বাধীনতা পরবর্তী দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতিকে এগিয়ে নিতে সাংবাদিকদের ভূমিকা অব্যাহত রয়েছে।  গণমাধ্যম রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ উল্লেখ করে ইউএন ও আল-আমিন বলেন সাংবাদিকরা হচ্ছে সমাজের দর্পণ, তাদের কলমের মাধ্যমে সমাজের নানা অনিয়ম ও অসঙ্গতি গুলো দেশের মানুষ জানতে পারে, পাশাপাশি সাংবাদিকদের সহযোগিতা ছাড়া দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতিকে এগিয়ে নেওয়া এবং শতভাগ   সরকারি সেবা নিশ্চিত করা  সম্ভব নয়। তিনি সুষ্ঠু সমাজ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে সত্য ও ন্যায়ের পথে থেকে কাজ করার জন্য সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানান। শনিবার সকালে পাইকগাছা প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় কালে উপজেলা প্রশাসনের নবাগত  নির্বাহী কর্মকর্তা এসব কথা বলেন। প্রেসক্লাবের সভাপতি অ্যাডভোকেট এফএমএ রাজ্জাকের সভাপতিত্বে ও যুগ্ম সম্পাদক এন ইসলাম সাগরের সঞ্চালনায় মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি তৃপ্তি রঞ্জন সেন ও মোঃ আব্দুল আজিজ, সাধারণ সম্পাদক এম মোসলেম উদ্দিন আহমেদ, কোষাধক্ষ  এসএম বাবুল আক্তার, সাবেক সভাপতি জি এ গফুর, সাবেক সাধারণ সম্পাদক এসএম আলাউদ্দিন সোহাগ, স্নেহেন্দু বিকাশ, বি সরকার, এম আর মন্টু, রবিউল ইসলাম, নজরুল ইসলাম, আলাউদ্দীন রাজা, প্রমথ রঞ্জন সানা,ইমদাদুল হক, আব্দুর রাজ্জাক বুলি, কৃষ্ণ রায়, আবুল হাশেম, অমল মন্ডল, পূর্ণ চন্দ্র মন্ডল ও বদিউজ্জামান।

 

ফকিরহাটের লখপুরে মহিলা আ’লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন

ফকিরহাট প্রতিনিধি।

বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামী লীগ ফকিরহাটের লখপুর ইউনিয়ন শাখার ৫নং জাড়িয়া মাইট কুমরা ওর্য়াডের ত্রি-বাষিক সম্মেলন ও কমিটি গঠন অনুষ্ঠান শনিবার (৯ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৫টায় জাড়িয়া ইসলামীয়া দাখিল মাদ্রাসা মাঠে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সামিরা বেগমের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি স্বপন দাশ। বিশেষ অতিথি ছিলেন সাধারন সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ (সাহেব) ও সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সুবীর কুমার মিত্র। উদ্ভোধন করেন, উপজেলা মহিলা আ’লীগের সভাপতি মল্লিকা রানী দাস। ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারন সম্পাদক মোঃ সেলিম শেখ ও সাবেক ছাত্রলীগ নেতা মনিরুজ্জামান মনির যৌথ সঞ্চালনায় এতে আরো বক্তৃতা করেন যুগ্ম-সাধারন সম্পাদক শেখর রঞ্জন দেবনাথ, সাংগঠনিক সম্পাদক তপন দেবনাথ ভজন, ইউনিয়ন আ’লীগের সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান এম,ডি সেলিম রেজা, সাধারন সম্পাদক আসপিয়ার হোসেন, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক শেখ আহম্মদ আলী ও বেতাগা ইউনিয়ন মহিলা আ’লীগের সভাপতি নিলুফার ইয়াসমীন প্রমুখ। সভা শেষে সামিরা বেগমকে সভাপতি ও জোঁসনা বেগমকে সাধারন সম্পাদক নির্বাচিত করা হয়। ##

 

 

 

ডুমুরিয়ায় গুটুদিয়া মঠে দুস্কৃতিকারীদের হামলায় সাবেক সভাপতি আহত

ডুমুরিয়া প্রতিনিধি

ডুমুরিয়ায় জন্মাষ্টমীতে তু”ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে কতিপয় দুস্কৃতিকারীদের হামলায় মন্দির কমিটির সাবেক সভাপতি আহত হয়েছে। আহত তুষার কবিরাজ ডুমুরিয়া হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। শুক্রবার সন্ধ্যায় উপজেলার গুটুদিয়া মঠ আশ্রমে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

এলাকাবাসী ও আহত’র পরিবার সূত্রে জানা যায়, উপজেলার গুটুদিয়া মঠ আশ্রমে শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উপলক্ষে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ধর্মীয় অনুষ্ঠান শুরুর পূর্ব মুহূর্তে তু”ছ ঘটনার প্রতিবাদে পরদিন শুক্রবার বিকেলে এক আলোচনা সভার আয়োজন করে মন্দির কমিটি। কমিটির সভাপতি পিন্টু বিশ্বাসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় এ্যাডভোকেট রবীন্দ্রনাথ মন্ডলের বক্তব্যের শেষে অতর্কিত ভাবে মন্দিরের সাবেক সভাপতি তুষার কবিরাজ (৫৩) কে হামলা করে আহত করে কতিপয় দুস্কৃতিকারী। এরপর ¯’ানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ডুমুরিয়া হাসপাতালে ভর্তি করে। আহত তুষার কবিরাজ জানান,মঠ আশ্রমে কমিটি নিয়ে নানা কারণে দীর্ঘদিন বিরোধ চলে আসছে। তারই জের ধরে তিমির রায়,অসিত মন্ডল, গোবিন্দ সরকার, শেখর মন্ডল, দেবাশীষ মন্ডল ও পিন্টু বিশ্বাস ঘটনার দিন আমাকে অতর্কিত হামলা করে গুরুতর আহত করে। ঘটনা প্রসঙ্গে আওয়ামীলীগ নেতা এ্যাডভোকেট রবীন্দ্রনাথ মন্ডল বলেন, আমার বক্তব্য শেষে একটি হট্টগোল শুনতে পেয়ে আমি তড়িঘড়ি ¯’ান ত্যাগ করি,পরে কি হয়েছে জানি না। কমিটির সভাপতি পিন্টু বিশ্বাস ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন,মঠ আশ্রম কেন্দ্রিক পূর্ব একটা সমস্যা আছে তারই জের ধরে সভা চলাকালীন তুষার কবিরাজ কে মারপিটের ঘটনা ঘটেছে।###

 

 

ডুমুরিয়ায় আওয়ামীলীগ নেতার মৃত্যুতে শোক

ডুমুরিয়া প্রতিনিধি

ডুমুরিয়ায় সদর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি খান নজরুল ইসলাম (৬৫) ইন্তেকাল করেছেন। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন)। শনিবার সকাল ৭টা রাজধানীর একটি হাসপাতালে ব্রেনষ্ট্রোক জনিত কারণে চিকিৎসাধীন অব¯’ায় তিনি মারা যান। মৃত্যু কালে তিনি স্ত্রী, এক কন্যা, দুই পুত্র সহ অসংখ্য আত্মীয় স্বজন ও গুনগ্রাহী রেখে গেছেন। গতকাল আছর নামাজ বাদ বড় বাজার জামে মসজিদের সামনে জানাজা নামাজ শেষে পারিবারিক কবর¯’ানে তাকে দাফন করা হয়েছে। জানাজায় রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপ¯ি’ত ছিলেন। বিশিষ্ট সমাজসেবক প্রয়াত নজরুল ইসলাম ডুমুরিয়া বড় বাজার জামে মসজিদের সভাপতি,বড় বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি সহ একাধিক সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন। তার মৃত্যুতে গভীর শোক ও শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করে বিবৃতি দিয়েছেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি সংসদ সদস্য নারায়ণ চন্দ্র চন্দ, জেলা আওয়ামীলীগ নেতা এ্যাডভোকেট রবীন্দ্রনাথ মন্ডল, মোস্তফা কামাল খোকন, শাহনেওয়াজ হোসেন জোয়ার্দার, সরদার আবু সালেহ, মোখলেছুর রহমান বাবলু, আবু সাঈদ সরদার,গাজী এজাজ আহমেদ, বিমল কৃষ্ণ বসাক, জিএম ফারুক হোসেন,কাজি আলমগীর হোসেন, গোবিন্দ ঘোষসহ সকল সহযোগী অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

 

 

 

মোংলা-খুলনায় রেল চলবে অক্টোবরের শেষে, বিকশিত সুন্দরবনের পর্যটন শিল্প

 

মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি

দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের উন্নয়নের ডানায় যুক্ত হতে যাচ্ছে আরো একটি পালক। কয়েক দফায় সময়ক্ষেপণ শেষে আগামী অক্টোবরের শেষে চালু হতে যাচ্ছে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সমুদ্র বন্দর মোংলার সাথে দেশের অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক রেল যোগাযোগ।অক্টোবেরের তৃতীয় কিংবা চতুর্থ সপ্তাহে এ রেলপথের আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হবে।

 

শনিবার (৯সেপ্টেম্বর) দুপুরে মোংলা-খুলনা রেল লাইন পরিদর্শনে এসে মোংলা-খুলনা রেল পথ নির্মাণের প্রকল্প পরিচালক মোঃ আরিফুজ্জামান এসব কথা বলেন।তিনি বলেন, মোংলা-খুলনা রেল পথের নির্মাণ কাজ এখন একেবারেই শেষের পথে। আগামী অক্টোবরের শেষের দিকে এ রেলপথ (খুলনার ফুলতলা রেল স্টেশন থেকে মোংলা বন্দরের দিগরাজ) দিয়ে রেল চলাচল শুরুর পরিকল্পনা নিয়েই কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে। ইতিমধ্যেই এ রেল পথের ৯৮ভাগ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। বাকী মাত্র দুই ভাগ রেল পথ ও সামান্য ফিনিশিংয়ের নির্মাণ কাজ চলমান রয়েছে। এ রেল চলাচল শুরু হলে মোংলা বন্দরসহ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ব্যবসা-বাণিজ্যে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে বলে জানান তিনি।

 

প্রকল্প পরিচালক মোঃ আরিফুজ্জামান আরো বলেন, ট্রানজিট সুবিধার আওতায় মোংলা বন্দর থেকে পাশ্ববর্তী দেশ ভারত, নেপাল ও ভুটানের মধ্যে পণ্য পরিবহণ সাশ্রয় ও সহজ করতে খুলনার ফুলতলা রেল স্টেশন থেকে মোংলা বন্দরের জেটি পর্যন্ত রেল পথ স্থাপনের প্রকল্পটির নির্মাণ কাজ শুরু হয় ২০১০সালে। শুরুতেই প্রকল্প মেয়াদ ২০১৩সালের ডিসেম্বরে শেষ হয়ার কথা থাকলেও নির্দিষ্ট সময়ে প্রকল্পের কাজ শেষ করতে পারেননি সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান। ২০১০সালের ২১ডিসেম্বর জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় মোংলা-খুলনা রেললাইন নির্মাণ প্রকল্পটি অনুমোদন দেয়া হয়। প্রথম দফায় প্রকল্পটির ব্যয় ধরা হয় ১হাজার ৭শ ২১কোটি টাকা। নির্ধারিত সময়ে প্রকল্পের কাজ শেষ না হওয়ায় প্রথম সংশোধনীতে ব্যয় বেড়ে দাঁড়ায় ৩হাজার ৮শ ১কোটি টাকায়। ২০২১ সালের ডিসেম্বরে প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও তা সম্ভব হয়নি।

 

তবে দ্বিতীয় দফা সংশোধনের পর সর্বশেষ ২০২২সালের ৩১ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় বৃদ্ধি করা হয়। সে সঙ্গে ব্যয় বেড়ে দাঁড়ায় ৪হাজার ২শ ৬০কোটি ৮৮লাখ টাকা। এরমধ্যে ভারতীয় ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান লারসেন অ্যান্ড টুব্রো রূপসা নদীর উপর রেল সেতুর নির্মাণ কাজ করে। বাকী কাজ করছে ভারতীয় ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ইরকন ইন্টারন্যাশনাল।

এ প্রকল্পটির কাজ তিনটি ভাগে বিভক্ত। এরমধ্যে রয়েছে রূপসা নদীর উপর রেল সেতু নির্মাণ, মুল রেল লাইন স্থাপন ও টেলিকমিউনিকেশন এবং সিগন্যালিং স্থাপন। শুরু থেকেই প্রকল্পটি নানা ধরণের বাঁধার মুখে পড়ে। তিন বছর মেয়াদের কাজটির জন্য ঠিকাদার নিয়োগ দিতে সময় লাগে দুই বছর। আর এ ধীর গতির কারণে তিন বছর মেয়াদের প্রকল্পটি ১হাজার ৭শ ২১ কোটি টাকা থেকে বেড়ে দাঁড়ায় ৪হাজার ২শ ৬০কোটি টাকায়। দুই দফায় প্রকল্প সংশোধনের কারণে এই

ব্যয় বেড়েছে ২হাজার ৫শ ৩৯কোটি টাকা। তবে তৃতীয় দফায় প্রকল্পের মেয়াদ বাড়লেও ব্যয় বাড়েনি বলে দাবী সংশ্লিষ্ট এ কর্মকর্তার।

 

মোংলা বন্দর ব্যবহারকারী মোস্তাক আহমেদ মিঠু, এইচ, এম দুলাল ও মশউর রহমান বলেন, বর্তমান সরকার দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সঙ্গে সারা দেশের নিরবিচ্ছিন্ন যোগাযোগের জন্য যেমন পদ্মা সেতু নির্মাণ করেছেন। তেমনি নিরবিচ্ছিন্ন রেল যোগাযোগের ক্ষেত্রে মোংলা বন্দরের সঙ্গে রেল যোগাযোগ স্থাপন করেছেন। এতে গার্মেন্টস পণ্যসহ বিভিন্ন পণ্য যেমন কম খরচে মোংলা বন্দর থেকে পরিবহণ করা যাবে। তেমনি মোংলা বন্দর দিয়ে রপ্তানীও করা যাবে। এতে ব্যবসা বাণিজ্যের আরও গতি বেড়ে অর্থনৈতিক স্বচ্ছলতা বৃদ্ধি পাবে।

 

বাগেরহাট-০৩ আসনের (মোংলা-রামপাল) সংসদ সদস্য ও পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী হাবিবুন নাহার বলেন, দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নে আওয়ামী লীগ সরকারের প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা সব সময় আন্তরিক। এ রেল লাইনটি মোংলা বন্দর পর্যন্ত সংযোগ দেয়া হচ্ছে। এতে মোংলা বন্দরের সঙ্গে সারাদেশ এমনকি পাশ্ববর্তী দেশ ভারত, নেপাল ও ভুটানের সঙ্গে মোংলা বন্দরের পণ্য পরিবহণে বিশেষ ভূমিকা রাখবে। বিশেষ করে দেশের সাদা সোনা খ্যাত চিংড়ি রপ্তানী হয় চট্রগ্রাম বন্দর দিয়ে এবার সেই জটিলতার নিরসন হবে।

উপমন্ত্রী হাবিবুন নাহার আরো বলেন, এ রেল চালু হওয়ার সুবাদে দেশ-বিদেশের দর্শনার্থীদের ক্ষেত্রে সুন্দরবন ভ্রমণ সহজ ও আনন্দদায়ক হবে। এতে সুন্দরবনে পর্যটকদের আগমনও বৃদ্ধি পাবে। সেই সাথে  যেমনি রেলের আয় বাড়বে তেমনি বনবিভাগের আয় বাড়বে বলে জানান তিনি।

 

 

দাকোপ থানা পুলিশের অভিযানে বাজুয়ায় গাঁজা সহ আটক ২ ও সাজা প্রাপ্ত পলাতকআসামী আটক-২

বাজুয়া (দাকোপ)  প্রতিনিধি

খুলনার দাকোপে থানা পুলিশের অভিযানে গাঁজা সহ হাতে নাতে পুলিশ দুই জনকে আাটক করে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। এছাড়াও বিভিন্ন মামলায় পলাতক সাজা প্রাপ্ত পরোয়ানা ভুক্ত আসামী ২ জনকে আটক করেছে থানার পুলিশ। দাকোপ থানা পুলিশ সুত্রে জানা যায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ৮ সেপ্টেম্ববর শুক্রবার রাত আনুমানিক সাড়ে ১০টা দাকোপ থানাধীন কৈলাশ গঞ্জ ইউনিয়নের হরিণ টানা গ্রামের আশোক খানের মাছের ঘরের গেটের সামনে ইটের সোলিং রাস্তার উপর গাঁজা বিকিনি হচ্ছে। এমন সংবাদের ভিত্তিতে দাকোপ থানার এস আই মোঃ রুবেল হোসেন ও নূর মোহাম্মদ শহিদ এর নেতৃত্বে , কোং হেলালুর রহমান, শুভ চৌধুরী, ও ইব্রাহিম সহ থানা পুলিশের চৌকুস দল তৎক্ষনাৎ ঘটনা স্হলে গিয়ে আভিযান চালায়। এ সময়ে গাঁজা বিকিনি অবস্থায় বাজুয়া সদর এলাকার অমূল্য দাসের পুত্র প্রশান্ত দাস ( ২৭) ও একই এলাকার সুধান্য দাসের পুত্র তরুণ দাস(২২) কে গাঁজা সহ হাতে নাতে আটক করে। পুলিশ আটক দুই জনকে ব্যাপক জিজ্ঞাসা করলে তাঁরা ঘটনা সত্যতা স্বীকার করে। এব্যাপারে দাকোপ থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ২০১৮ সালের আইনে ৩৬(১)এর ১৯(ক)/৪১ ধারায় মামলা দিয়ে আটক দুই জনকে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। এছাড়াও বিভিন্ন মামলায় অভিযুক্ত গ্রেফতারী পরোয়ানা ভুক্ত পলাতক আসামীহ জনকে আটক করে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে বলে বলে জানা যায়। দাকোপ থানার অফিসার ইনচার্জ উজ্জ্বল কুমার দক্ত বলেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে এমন ধরনের অভিযান অব্যহত থাকবে। এ ধরনের অপরাধীকে কোন প্রকার ছাড় দেওয়া হবেনা।

 

রামপালে ঔষধ প্রশাসনের সাথে কেমিস্ট সমিতির মতবিনিময় সভা

রামপাল (বাগেরহাট) সংবাদদাতা

রামপালের ফয়লাহাট ঔষধ প্রশাসনের সাথে ক্যামিষ্ট সমিতির নেতৃবৃন্দের সাথে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (৯ সেপ্টেম্বর)  সকাল ১০ টায় ফয়লাহাটের দবির উদ্দিন ফার্মেসীর ২য় তলায় কেমিস্ট সমিতির সভাপতি শেখ আবু দাউদের শেখ সভাপতিত্বে ও সরদার মহিদুল ইসলামের সঞ্চলনায়  সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 

সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য দেন বাগেরহাট জেলা ড্রাগ সুপার মোহাম্মদ মেহেদী হাসান। এ সময় তিনি বলেন নকল ভেজাল আনরেজিস্টার্ড ও মেয়াদ উত্তীর্ণ ঔষধ প্রতিরোধে রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র ব্যাতিত এন্টিবায়োটিক সেবন ও বিক্রয় না করা গুড ডিসপেন্সিং প্রাকটিস। এ বিষয়ে ঔষুধ ব্যাবসায়ীদের জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম চালাতে হবে। ঔষধ ব্যাবসায়ীরা কোন মেয়াদ উত্তীর্ণ ঔষধ দোকানে রাখেতেই পারবেন না। এ বিষয়েও তিনি জরুরি দিকনির্দেশনা দেন। অনুষ্ঠানে উপজেলার ক্যামিষ্ট সমিতির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

 

পাইকগাছা রিপোর্টার্স ইউনিটি’র আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ও ইউএনও ওসির মতবিনিময়

কপিলমুনি (খুলনা) প্রতিনিধি

খুলনার পাইকগাছায় রিপোর্টার্স ইউনিটি’র আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ও ইউএনও  ওসির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার দুপুরে পাইকগাছা রিপোর্টার্স ইউনিটি’র আল মদিনা মার্কেটে অস্থায়ী কার্যালয় আনুষ্ঠানিক ভাবে ফিতা কেটে উদ্বোধন ও মতবিনিময় করেন পাইকগাছা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ আল-আমিন ও পাইকগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ রফিকুল ইসলাম।

 

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ আল-আমিন বলেন সাংবাদিকতা একটি মহান পেশা। পেশাদারিত্ব থেকে কাজ করতে হবে। দেশ ও জনগণের স্বার্থে সাংবাদিকতা করতে হবে। তিনি আরো বলেন, আমি পাইকগাছা বাসীর জন্য কাজ করতে এসেছি। আমি আমার জায়গা থেকে জনকল্যনে সবসময় কাজ করে যাবো।

 

ওসি মোঃ রফিকুল ইসলাম বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময়ে আমি সাংবাদিকতার সাথে ছিলাম। তাই সাংবাদিকদের জন্য সবসময় আমার সহযোগিতা থাকবে। তিনি আরো বলেন, সংবাদ লেখার সময় খেয়াল রাখতে হবে কেউ যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয়।

 

পাইকগাছা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি শেখ সেকেন্দার আলী’র সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক ফসিয়ার রহমানের সঞ্চালনায় মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন সিনিয়র সাংবাদিক ও নির্বাহী সদস্য জি এম মিজানুর রহমান মিজান, সিনিয়র সহ-সভাপতি আসাদুল ইসলাম, যুগ্ন সম্পাদক জিয়াউদ্দিন নায়েব, দপ্তর সম্পাদক মানছুর রহমান জাহিদ, কোষাধ্যক্ষ ফিরোজ আহম্মেদ, জহুরুল হক, সদস্য কাজী সোহাগ, আনারুল ইসলাম, শাফিযার রহমান প্রমুখ।

 

আদ্-দ্বীনের উদ্যোগে সাতক্ষীরায় বিনামূল্যে চক্ষু, ডায়াবেটিস, হার্ট ও প্রোস্টেট স্বাস্থ্য ক্যাম্প

 

খবর বিজ্ঞপ্তি

 

আদ্-দ্বীন আকিজ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উদ্যোগে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ঝাউডাঙ্গায় বিনামূল্যে চক্ষু, ডায়াবেটিস, হার্ট ও প্রোস্টেট স্বাস্থ্য সেবা ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সকাল ১০টায় ঝাউডাঙ্গা মাধ্যমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন মাঠে এ ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়। আনুষ্ঠানিকভাবে এ সেবা কার্যক্রম উদ্বোধন করেন আদ্-দ্বীন ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক ডা. শেখ মহিউদ্দিন।

 

 

 

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মো: নজরুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান বাবু, ঝাউডাঙ্গা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি আলহাজ্ব এস এম শওকত হোসেন, সাতক্ষীরা সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি শেখ আব্দুর রশিদ, সাধারণ সম্পাদক মো: শাহজাহান আলী প্রমুখ। এছাড়াও বক্তব্য প্রদান করেন আদ্-দ্বীন ওয়েলফেয়ার সেন্টারের পরিচালক মো: ফজলুল হক, আদ্-দ্বীন চক্ষু প্রকল্পের সহকারী জেনারেল ম্যানেজার মো: রবিউল ইসলাম।

 

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ঝাউডাঙ্গা কলেজের অধ্যক্ষ খলিলুর রহমান। বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত পাঁচশতাধিক চক্ষু, ডায়াবেটিস, হার্ট ও প্রোস্টেট রোগী এ ক্যাম্পের মাধ্যমে সেবা গ্রহণ করেন।

 

আদ্-দ্বীন ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক ডা. শেখ মহিউদ্দিন বলেন, স্বাস্থ্য সেবা মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে আদ্-দ্বীন নিরলস পরিশ্রম করছে। আমরা সেবার মাধ্যমে স্রষ্টার কাছে যেতে চাই। আপনাদের সেবা দিতে পেরে আমরা অত্যন্ত কৃতজ্ঞ। আপনাদের কাছে অনুরোধ আপনারা আমাদের সেবার কথা অন্যদের জানিয়ে সকলকে সেবা নেওয়ার সুযোগ তৈরি করে দিন। সেটাই আমাদের স্বার্থকতা।

 

 

 

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, আদ্-দ্বীন স্বাস্থ্যসেবায় অনন্য ভূমিকা পালন করছে। করোনা মহামারীসহ দেশে নানা দুর্যোগে সরকারের পাশাপাশি আদ্-দ্বীন ভূয়সী অবদান রেখেছে। বিনামূল্যে চোখের ছানি অপারেশনসহ অন্যান্য সেবা পেয়ে মানুষ দৃষ্টি শক্তি ফিরে পেয়েছে। তাদের জনকল্যাণমূলক কাজ অব্যাহত থাকুক এটাই প্রত্যাশা। এছাড়াও বক্তারা সাতক্ষীরায় একটি আদ্-দ্বীন হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা ও সুপেও পানির ব্যবস্থা করার অনুরোধ করেন।

 

 

 

স্মার্ট কার্ডের আওতায় আসছে খুবি

খবর বিজ্ঞপ্তি

সময়ের চাহিদা অনুযায়ী ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ গড়ার অভিলক্ষ্যে ডিজিটালাইজেশনের পথে এগিয়ে যাচ্ছে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়। এবার আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত স্মার্ট কার্ডের আওতায় আসছেন এ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মাহমুদ হোসেনের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় তথ্যও সংগ্রহ করা হয়েছে। দ্রুতই সকল প্রক্রিয়া সম্পন্নের পর এ কার্ড সিস্টেম চালু হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল।

এই স্মার্ট কার্ডে শিক্ষার্থীদের নাম, নিবন্ধন নম্বর, আইডি কোড, ছবি, ডিসিপ্লিন, হল কোড, বর্ষ ব্যক্তিগত সব তথ্য সংরক্ষণ করা হবে। এছাড়া শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ক্ষেত্রেও প্রয়োজনীয় ব্যক্তিগত সব তথ্য থাকবে এই স্মার্ট কার্ডে। এটি ব্যবহার করে প্রাথমিক পর্যায়ে লাইব্রেরিতে চেক ইন-চেক আউট, সেলফ বুক ইস্যু, সেলফ বুক রিটার্ন, অটো গেট পাশ, বুক হোল্ডিং এর মতো সুবিধাগুলো পাওয়া যাবে। পরবর্তীতে পর্যায়ক্রমে মেডিকেল সুবিধা, জিমনেশিয়াম, আবাসিক হল, ইন্টারনেট সার্ভিসসহ বিভিন্ন ধরনের সুযোগ-সুবিধা এর আওতায় আসবে। ইতোমধ্যে কার্ড তৈরির জন্য সকল ডিসিপ্লিন, আবাসিক হল ও দপ্তর থেকে প্রয়োজনীয় সকল তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে।

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রন্থাগারিক (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর মো. সারওয়ার জাহান বলেন, এই স্মার্ট কার্ড তৈরির কাজ এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। এটি ব্যবহার করে সকল শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ লাইব্রেরিতে চেক ইন, চেক আউট, সেলফ বুক ইস্যু, সেলফ বুক রিটার্ন, অটো গেট পাশ, বুক হোল্ডিং ইত্যাদি সুবিধা পাবেন। আইসিটি সেলের পরিচালক প্রফেসর ড. কাজী মাসুদুল আলম বলেন, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মাহমুদ হোসেন দায়িত্ব গ্রহণের পর বিশ্ববিদ্যালয়কে ডিজিটলাইজেশনের জন্য নানা ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করেন। যার বাস্তবায়ন ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের অনলাইনে ভর্তি ও রেজিস্ট্রেশন, ডি-নথির বাস্তবায়ন, আবাসিক হলের সিট বুকিং, অ্যাপস্ ব্যবহার করে ঢাকাস্থ গেস্ট হাউজের রুম বুকিং, অনলাইনে চাকরির আবেদন, আধুনিক সুবিধা সম্বলিত স্মার্ট ক্লাস রুম, প্রশিক্ষণ কক্ষ, ল্যাব উল্লেখযোগ্য। শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের স্মার্ট কার্ডের আওতায় আনার এ উদ্যোগ বাস্তবায়ন হলে বিশ্ববিদ্যালয় ডিজিলাইজেশনের ক্ষেত্রে আরও এগিয়ে যাবে।

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মাহমুদ হোসেন বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত-সমৃদ্ধ আধুনিক প্রযুক্তি নির্ভর ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ গড়ার যে অভিলক্ষ্যে দেশকে এগিয়ে নিচ্ছেন, তা বাস্তবায়নে সকল পর্যায় থেকে উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। বাংলাদেশকে সব দিক থেকে স্মার্ট দেশে পরিণত করার মূল চাবিকাঠি হলো ডিজিটাল সংযোগ। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়কে ডিজিটালাইজেশনের জন্য স্মার্ট কার্ডের আওতায় আনার এই উদ্যোগ স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার ক্ষেত্রে দেশকে আরও একধাপ এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

 

মোংলার দিগরাজের শান্তি নগর আবাসিক এলাকায় বার্ষিক ফুটবল টুর্নামেন্ট- ২০২৩ অনুষ্ঠিত

বাজুয়া (দাকোপ) প্রতিনিধি

মোংলার দিগরাজের শান্তি নগর আবাসিক এলাকায় বার্ষিক ফুটবল টুর্নামেন্ট- ২০২৩ অনুষ্ঠিত। ২০২৩ এর ৪ দলীয় ফুটবল খেলা ০৮ সেপ্টেম্বর  শুক্রবার সকাল ৮ থেকে সন্ধ্যা ৬ টা পর্যন্ত শান্তি নগর আবাসিক এলাকার মাঠে অনুষ্ঠিত হয়। ফাইনাল খেলায় নিছা স্পোর্টস একাদশ বনাম এইচ আর স্পোর্টস একাদশ অপরের মুখোমুখি হয়। খেলায় এইচ আর স্পোর্টস ২-০ গোলে  নিছা স্পোর্টস একাদশের বিপক্ষে জয়লাভ করে। বিজয়ী দল এইচ আর স্পোর্টস এর অধিনায়ক বাবুল হোসেন বলেন ভালো খেলা হয়েছে। তাই বলতে চাই গত বছরও ফাইনাল খেলেছি এবারও উঠলাম ফাইনালে জিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছি সত্যিই খুব আনন্দ লাগছে। বুড়ির ডাবুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান উদয় শংকর বিশ্বাস বলেন যুবসমাজকে মাদক মুক্ত করার জন্য এলাকাবাসীর  এই আয়োজন। কারণ আজকের যুবক আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। নতুন প্রজন্মকে বাঁচাতে হলে খেলাধুলার বিকল্প কিছু নাই। এতে যুবকরা সুস্থ ও সবল মানুষ হয়ে গড়ে উঠবে। দিগরাজ শান্তি নগর আবাসিক এলাকার ছেলেরা সত্যি খুবই ভালো খেলে। তাদের খেলার প্রশংস্যা করতে হয়। এভাবেই ভালো প্লেয়ার তৈরি  হয়ে থাকে। সাথে সাথে তিনি ইউনিয়ন বাসীর সকলকে আগামী দিনে আরো ভালো খেলা দেখার জন্য মাঠে আসার জন্য আহবান জানান। খেলায় উপস্থিত ছিলেন আবাসিক এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা এবং মাঠে প্রচুর দর্শক উপস্থিত হয়ে খেলা উপভোগ করেন।

নগরীতে পুলিশের অভিযানে ৪ পিস স্বর্ণের বার উদ্ধার

স্টাফ রিপোর্টার

রূপসা ব্রীজ হইতে জিরোপয়েন্টগামী সড়ক সংলগ্ন খুলনা টেক্সটাইল ইন্সটিটিউট এর সামনে পাঁকা রাস্তার উপর স্পিড ব্রেকার এর পাশে নিয়মিত চেকপোস্টে খুলনা-সাতক্ষীরাগামী টুঙ্গীপাড়া এক্সপ্রেস পরিবহনে তল্লাশি চালিয়ে ৪ পিস স্বর্ণের বার উদ্ধার করেছে লবণচরা থানা পুলিশ। ৭ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ১০টার দিকে তল্লাশি চালানো হয় ।

কেএমপির বিশেষ পুলিশ সুপার (সিটি স্পেশাল ব্রাঞ্চ) রাশিদা বেগম জানান, ৭ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ১০টার দিকে রূপসা ব্রীজ হইতে জিরোপয়েন্টগামী সড়ক সংলগ্ন খুলনা টেক্সটাইল ইন্সটিটিউট এর সামনে পাঁকা রাস্তার উপর স্পিড ব্রেকার এর পাশে নিয়মিত চেকপোস্টে খুলনা-সাতক্ষীরাগামী টুঙ্গীপাড়া এক্সপ্রেস পরিবহনে তল্লাশি চালায় লবণচরা থানা পুলিশের একটি চৌকশ টিম। এসময় গাড়ীর ভিতরে পুলিশ দেখে গাড়ী থেকে আনুমানিক ৪৫ বছর বয়স্ক অজ্ঞাতানামা এক পুরুষ নেমে আসে। গাড়ীর বাহিরে রাস্তায় দাড়িয়ে থাকা এএসআই এমদাদুল হক উক্ত ব্যাক্তিকে ডাক দেন এবং তার কাছে অবৈধ কিছু আছে কি না সেটা জানতে চান এবং তার দিকে অগ্রসর হন। উক্ত লোকটি তার পকেটে থাকা একটি শপিংব্যাগ বের করেন। এএসআই এমদাদুল হক উক্ত লোকের হাতে থাকা শপিং ব্যাগের ভিতরে দেখার জন্য অগ্রসর হইলে লোকটি হঠাৎ তার হাতে থাকা শপিং ব্যাগ রাস্তায় ফেলে দিয়ে দৌড়ে পালিয়ে যায়। বাগ্যের মধ্যে রক্ষিত কালো টেপে মোড়ানো অবস্থায় ৪ পিস স্বর্ণের বার পাওয়া যায়। জব্দকৃত স্বর্নের বারের ওজন ৪৭৪ গ্রাম, যার মূল্য অনুমান ৪২ লাখ ৬৬ হাজার টাকা।

 

নগরীতে ডিবির অভিযানে ফেন্সিডিল ও চোলাই মদসহ

স্টাফ রিপোর্টার

নগরীতে কেএমপি’র গোয়েন্দা পুলিশের মাদক বিরোধী অভিযানে ৮০ বোতল ফেন্সিডিল ও ২০ লিটার চোলাই মদসহ ৩ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

গত ২৪ ঘন্টায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার মাদক ব্যবসায়ীরা হলেন উত্তর কাশিপুর রাজধানীর মোড়ের মো. আব্দুর রহিমের স্ত্রী খায়রুন বেগম (৪৮) ও তার ছেলে মো. সাগর (২৪) এবং খালিশপুর

৩নং বিহারী ক্যাম্প এর মৃত. আজিম খাঁনের ছেলে হায়দার খাঁন (৫৫)।

কেএমপির বিশেষ পুলিশ সুপার (সিটি স্পেশাল ব্রাঞ্চ) রাশিদা বেগম জানান, গত ২৪ ঘন্টায় নগরীর বিভিন্ন থানা এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান চালায় পুলিশ। এসময় ৮০ বোতল ফেন্সিডিল ও ২০ লিটার চোলাই মদসহ ৩ মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ২টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

 

কেএমপির অভিযানে মাদকসহ গ্রেপ্তার ৩

স্টাফ রিপোর্টার

মহানগর পুলিশের মাদক বিরোধী অভিযানে নগরীর বিভিন্ন থানা এলাকা হতে ৫০০ গ্রাম গাঁজা, ৭৪ পিস ইয়াবা ও ৮ লিটার চোলাই মদসহ ৩ মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গত ২৪ ঘন্টায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার মাদক কারবারিরা হলেন নগরীর বৈকালী পালপাড়ার মৃত. দুলাল খলিফার ছেলে মো. রফিক খলিফা (৩৫), দৌলতপুর পাবলা চুন্নুর বটতলা এলাকার  মো. গোলাম রব্বানী শেখের ছেলে মো. হাসান ওরফে গোল্ডেন হাসান (২৫) ও ডুমুরিয়া থানার বাহাদুরপুর আবাসনের মৃত. শেখ মবিনউদ্দিন এর ছেলে মো. আনিছুর রহমান (৫৫)।

কেএমপির বিশেষ পুলিশ সুপার (সিটি স্পেশাল ব্রাঞ্চ) রাশিদা বেগম জানান, গত ২৪ ঘন্টায় নগরীর বিভিন্ন থানা এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান চালায় পুলিশ। এসময় ৫০০ গ্রাম গাঁজাসহ ৩ মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ৩টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

 

 

শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ আজ উন্নয়ন-সমৃদ্ধির মহাসোপানে: সেখ জুয়েল

খবর বিজ্ঞপ্তি

বঙ্গবন্ধু শেখ মুুজিবুর রহমানের ভ্রাতুষ্পুত্র ও খুলনা-২ আসনের সংসদ সদস্য সেখ সালাহউদ্দিন জুয়েল বলেছেন, দেশ এগিয়ে চলেছে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণের পথে। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ আজ উন্নয়ন-সমৃদ্ধির মহাসোপানে। জাতিসংঘ ও বিশ্বব্যাংকের মানদণ্ড অনুযায়ী স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে বেরিয়ে উন্নয়নশীল দেশের কাতারে প্রবেশ করছে বাংলাদেশ। উন্নয়ন সহযোগী বিশ্বব্যাংক, আইএমএফের মতে, অর্থনৈতিক ভঙ্গুরতা আর অর্থনৈতিক ঝুঁকি মোকাবিলার সূচকেও অনন্য অর্জন রয়েছে বাংলাদেশের। তিনি আরো বলেন, অর্থনৈতিক ও সামাজিক অনেক সূচকে ভারত, পাকিস্তান, ভিয়েতনামসহ পৃথিবীর বহু দেশকে পেছনে ফেলেছে বাংলাদেশ। শুধু তা-ই নয়, একসময় বৈদেশিক সহায়তা ছাড়া চলতে না পারা বাংলাদেশ এখন নিজস্ব অর্থায়নেই পদ্মা সেতুর বাস্তবায়ন করছে। এছাড়া মেট্রোরেল, পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, মাতারবাড়ী বিদ্যুৎকেন্দ্র, এক্সপ্রেসওয়ের মতো মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নেও বাংলাদেশ তার সক্ষমতা প্রমাণ করছে। খাদ্যেও স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছে বাংলাদেশ। আর দেশের এই বিস্ময়কর সাফল্যের কারিগরই হচ্ছেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য কন্যা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তারই নেতৃত্বে বাংলাদেশ আগামীতে স্মার্ট বাংলাদেশে পরিণত হবে। স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে আগামী দ্বাদশ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ তথা শেখ হাসিনাকে আবারও প্রধানমন্ত্রী করতে হবে।

গতকাল শনিবার বিকালে নগরীর ডাকবাংলা, সিমেট্টি রোড, ফুল মার্কেট ও বেনী বাবু রোড এলাকায় গণসংযোগ ও পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন। এসময়ে উপস্থিত ছিলেন মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এমডিএ বাবুল রানা, সদর থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি এ্যাড. মো. সাইফুল ইসলাম, সোনাডাঙ্গা থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান বুলু বিশ্বাস, ২৩নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি চৌধুরী মিনহাজ উজ জামান সজল, মহানগর শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক রনজিত কুমার ঘোষ, মহানগর যুবলীগের সভাপতি সফিকুর রহমান পলাশ, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি এম এ নাসিম, ড. সাঈদুর রহমান, শওকাত হোসেন সহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

 

 

 

মরক্কোয় শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহত হাজার ছাড়াল

খুলনাঞ্চল ডেস্ক

মরক্কোতে শক্তিশালী ভূমিকম্পে ১০৩৭ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন পাঁচ শতাধিক। বিগত একশ বছরেও এমন ভয়াবহ ভূমিকম্প দেখেনি দেশটির বাসিন্দারা। মাত্র ২০ সেকেন্ডেই ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয় কয়েকটি শহর। অনেকে ঘুমের মধ্যেই প্রাণ হারান। ধসে পড়া ভবনের নিচে এখনো অনেকে চাপা পড়ে আছেন। ফলে হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

 

স্থানীয় সময় শুক্রবার রাত ১১টা ১১ মিনিটে রিখটার স্কেলে ৬ দশমিক ৮ মাত্রার এ ভূমিকম্প আঘাত হানে। প্রথম ভূমিকম্পটির ১৯ মিনিট পর আরেকটি ভূকম্পন হয়। রিখটার স্কেলে দ্বিতীয় ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৪ দশমিক ৯। রাতে প্রাণরক্ষায় অনেকে বাড়িঘর ছেড়ে বেরিয়ে আসেন। শনিবারও শত শত মানুষকে সড়কের পাশে বসে থাকতে দেখা গেছে। খবর বিবিসি, রয়টার্স ও এএফপির।

 

মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থার তথ্যমতে, মরক্কোর চতুর্থ বৃহত্তম শহর মারাকেচ থেকে প্রায় ৭৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে আটলাস পর্বতমালায় ভূমিকম্পটির উৎপত্তি হয়। উৎপত্তিস্থলের গভীরতা ছিল ১৮ দশমিক ৫ কিলোমিটার।

 

মরক্কোর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ভূমিকম্পে মারাকেচ, আল-হাউজ, ওয়ারজাজেট, আজিলাল, চিচাউয়া, তারউদান্ত এলাকায় বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বেশিরভাগ প্রাণহানি ঘটেছে পাহাড়ি এলাকায়, যেখানে দ্রুত পৌঁছানো কঠিন।

 

মারাকেচের বাসিন্দারা জানান, ভূমিকম্পের কারণে প্রাচীন এ শহরের বেশকিছু ভবন ভেঙে পড়েছে। স্থানীয়  টেলিভিশন চ্যানেলে প্রচারিত ফুটেজে দেখা গেছে, মসজিদের একটি মিনার ভেঙে পড়েছে। কিছু ভাঙাচোরা গাড়ির ওপর এর ধ্বংসাবশেষ পড়ে থাকতে দেখা গেছে।

 

মারাকেচের বাসিন্দা ইদ ওয়াজিজ হাসান বলেন, এখানকার বাড়িঘরগুলো গাদাগাদি করে তৈরি করা। ফলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বেশি হয়েছে। ধ্বংসাবশেষ সরানোর মতো ভারী সরঞ্জামাদি মানুষের কাছে নেই। তারা খালি হাতেই ধ্বংসাবশেষ সরানোর চেষ্টা করছেন।

 

আরেক বাসিন্দা ব্রাহিম হিম্মি জানান, তিনি শহরটিতে বেশকিছু অ্যাম্বুলেন্স আসা-যাওয়া করতে দেখেছেন। অনেক ভবনে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। আবারও ভূকম্পের আশঙ্কায় মানুষ খোলা আকাশের নিচে অবস্থান করছেন।

 

৪৩ বছর বয়সি হাউদা হাফসি বলেন, ঘরের সিলিং থেকে ঝাড়বাতি ভেঙে পড়ার পর আমি দৌড়ে বাইরে চলে আসি। আমি এখনো সন্তানদের নিয়ে রাস্তায় আছি। আমাদের ভয় লাগছে।

 

ডালিলা ফাহেম নামের আরেক নারী বলেন, তার বাড়িতে ফাটল দেখা দিয়েছে। আসবাবপত্র নষ্ট হয়েছে। রাতে ভূমিকম্পের সময় জেগে ছিলেন ডালিলা। তিনি মনে করেন, এর জন্যই প্রাণে বেঁচে গেছেন। ডালিলা বলেন, ভাগ্য ভালো, তখনো আমি ঘুমাইনি।

 

পার্বত্য গ্রাম আসনির বাসিন্দা মুন্তাসির ইত্রি বলেন, এখানকার বেশিরভাগ ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আমার প্রতিবেশীরা ধ্বংসস্তূপে চাপা পড়েছে। হাতের কাছে যা পাওয়া যাচ্ছে, তা দিয়েই স্থানীয় লোকজন আটকে পড়া লোকজনকে উদ্ধারের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

 

আসনির আরেকটু পশ্চিমে তারৌদান্ত অঞ্চলের বাসিন্দা শিক্ষক হামিদ আফকার ভূমিকম্পের সময় ঘর থেকে বাইরে বের হয়ে আসেন। হামিদ বলেন, ২০ সেকেন্ডের মতো কম্পন হয়েছে। দরজাগুলো আপনাআপনি খুলছিল আর বন্ধ হচ্ছিল। আমি দ্রুত তৃতীয় তলা থেকে নিচে নেমে আসি।

 

এদিকে ভয়বাহ এ ভূমিকম্পে হতাহতের ঘটনায় সমবেদনা জানিয়েছেন বিশ্ব নেতারা। ভ্যাটিকান পোপ এ নিয়ে গভীর দুঃখ প্রকাশ করেন। ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাত্রেঁদ্ধা বলেছেন, ফ্রান্স প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য সাহায্য করতে প্রস্তুত। মরক্কোর প্রতিবেশী স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ মরক্কোর জনগণের প্রতি সংহতি ও সমর্থন ব্যক্ত করেন। জার্মান চ্যান্সেলর ওলাফ স্কোলজ বলেছেন, আমরা বিধ্বংসী ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে আছি।

 

ডেঙ্গুতে একদিনে ১০ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ২৭৪৮

ঢাকা অফিস

গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে ডেঙ্গুতে ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছর ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ৭১৬ জনে।

 

এই সময়ে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন দুই হাজার ৭৪৮ জন।

 

শনিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের ডেঙ্গুবিষয়ক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

 

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে দেশের বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২ হাজার ৭৪৮ জন। এদের মধ্যে ঢাকার বাসিন্দা ১ হাজার ৫১ জন ও ঢাকার বাইরের ১ হাজার ৬৯৭ জন।

 

চলতি বছরের এ পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এক লাখ ৪৫ হাজার ৩৩৫ জন। এদের মধ্যে রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতালে ৬৬ হাজার ৬৫ জন আর ঢাকার বাইরের হাসপাতালগুলোতে ভর্তি হয়েছেন ৭৯ হাজার ২৭০ জন।

 

এই সময়ে আক্রান্তদের মধ্যে হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন এক লাখ ৩৪ হাজার ৪২১ জন। এদের মধ্যে ঢাকার বাসিন্দা ৬১ হাজার ১৪১ জন এবং ঢাকার বাইরের ৭৩ হাজার ২৮০ জন।

 

ঐক্যের ডাক ফখরুলের

ঢাকা অফিস

‘সরকার ক্ষমতায় থাকার জন্য ষড়যন্ত্র করছে, চক্রান্ত করছে’- এমন মন্তব্য করে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘আমাদের অধিকারগুলো কেড়ে নেওয়া হচ্ছে। আজকে জনগণ রাস্তায় নেমে যে আওয়াজ তুলছে আওয়ামী লীগের সে আওয়াজ কেড়ে নেওয়ার শক্তি নেই। আসুন, আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ হই। যতই চক্রান্ত করুক, কোনো লাভ নেই…।’

 

শনিবার বিকালে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সামনে মহানগর উত্তর ও দক্ষিণের গণমিছিল শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে ফখরুল এসব কথা বলেন। এক দফা আন্দোলনের কর্মসূচির অংশ হিসেবে এ গণমিছিল করে বিএনপি।

 

বিএনপির মহাসচিব বলেন, ‘আজকে এই রোদ বৃষ্টির মধ্যে আপনাদের উপস্থিতি প্রমাণ করে, এদেশের মানুষ সরকারকে না জানিয়ে দিয়েছে। দেশের মানুষ শেখ হাসিনার সরকারকে আর ক্ষমতায় দেখতে চায় না।’

 

তিনি বলেন, ‘সরকার ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য সমস্ত অনৈতিক কাজগুলো করছে। দেশের জনপ্রিয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে কারাগারে আটক করে রেখেছে। তিনি অত্যন্ত অসুস্থ অবস্থায় মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন। এই মুহূর্তে দেশনেত্রীকে মুক্তি দিতে হবে। কারাগারে আটক নেতাকর্মীদের মুক্তি দিতে হবে। সবার মামলা প্রত্যাহার করতে হবে।’

 

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের এক বক্তব্যকে উদ্ধৃত করে বিএনপি মহাসচিব ফখরুল বলেন, ‘আওয়ামী লীগ নিজেরা আক্রমণ করে বিরোধী দলের ওপর দোষ চাপাবে। দলের নেতাকর্মীদের সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। বুকে সাহস ও শক্তি নিয়ে ভয়াবহ এই দানব সরকারকে পরাজিত করতে হবে। দলমত নির্বিশেষে কৃষক শ্রমিক মেহনতি মানুষ সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। এই ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনেই সরকারকে পরাজিত করে নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন করে জনগণের সরকার করতে হবে।’

 

সমাবেশে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেন, ‘আওয়ামী লীগের এক নেতা বলেন, বিএনপি যদি ক্ষমতায় আসে তাহলে আওয়ামী লীগের কেউ নিরাপদে থাকতে পারবে না। আমরা বলতে চাই আওয়ামী লীগ যদি আবার ক্ষমতায় আসে দেশের একজন মানুষও নিরাপদে থাকতে পারবে না। দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব থাকবে না। তাই এ আপদ বিদায় করতে হবে।’

 

বিএনপির স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ‘খালেদা জিয়াকে তিলে তিলে মেরে ফেলার চেষ্টা করছে। খালেদা জিয়া যদি বিদেশে চিকিৎসা না পায়, তাহলে আর কেউ যেন বিদেশে চিকিৎসার জন্য সুযোগ না পায়। আজকে খালেদা জিয়ার মুক্তি মানে গণতন্ত্রের মুক্তি।’

 

ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমান উল্লাহ আমানের সভাপতিত্বে এবং ঢাকা মহানগর উত্তরের সদস্য সচিব আমিনুল হকের সঞ্চালনায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবদুস সালাম, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী, যুবদলের সভাপতি সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক রাজিব আহসান, ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রাশেদ ইকবাল খান প্রমুখ বক্তব্য দেন।

 

মানুষের অঙ্গহানির ভিডিও ছড়িয়ে শক্তির জানান দিত তারা

ঢাকা অফিস

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে পূর্বশত্রুতার জেরে সম্প্রতি আরমান নামে এক যুবকের হাতের কবজি চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে বিচ্ছিন্ন করে সন্ত্রাসীরা। তারা আগেও একই কায়দায় লোকজনের অঙ্গ বিচ্ছিন্ন করেছে। নৃশংসতার এসব ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে নিজেদের শক্তির জানান দিত তারা।

 

শনিবার কারওয়ান বাজারে  র‌্যাবের মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানান সংস্থাটির আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন। প্রকাশ্যে কুপিয়ে আরমানের কবজি বিচ্ছিন্ন করে ভিডিও ভাইরালের ঘটনায় সাতজনকে গ্রেপ্তারের তথ্য জানাতে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলো রাফিদুল ইসলাম রানা ওরফে রাফাত, আহমেদ খান, হানিফ হোসেন জয়, হাসান ওরফে গুটি হাসান, রমজান, মো. রাজু ও তুষার হাওলাদার। শুক্রবার ঢাকা ও বাগেরহাটে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে র্যামব।

 

 

খন্দকার আল মঈন জানান, চার-পাঁচ বছর ধরে মোহাম্মদপুর এলাকায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা চালিয়ে মানুষের শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ ও কবজি বিচ্ছিন্ন করে দিত ১৫-২০ জনের একটি গ্রুপ। পরে এসব নৃশংসতার ভিডিও ধারণ করে টিকটকের বিভিন্ন আইডিতে ছড়িয়ে দিত তারা। এভাবে মানুষের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করে আধিপত্য বিস্তার, ছিনতাই, চাঁদাবাজি ও মাদক কেনাবেচা করত গ্রুপটি।

 

তিনি আরও জানান, গ্রেপ্তার সাতজন মোহাম্মদপুর ও আশপাশের এলাকার একটি সন্ত্রাসী গ্রুপের সদস্য। তাদের নেতৃত্বে রয়েছে রাফাত, তুষার ও আনোয়ার। তারা পথচারীদের চাপাতিসহ ধারালো অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে টাকা ও দামি জিনিসপত্র ছিনতাই করত। চাঁদাবাজিসহ আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ঢাকা উদ্যান, আদাবর, শ্যামলী, মোহাম্মদপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় দেশীয় ধারালো অস্ত্র নিয়ে সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালাত তারা। এমনকি বিভিন্ন ব্যক্তির স্বার্থ হাসিলের জন্য ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী হিসেবেও কাজ করত।

 

আরমানের কবজি বিচ্ছিন্ন করার বিষয়ে খন্দকার আল মঈন বলেন, পূর্বশত্রুতার জেরে আরমানের বাঁ হাতে চাপাতি দিয়ে কোপ দিয়ে কবজি বিচ্ছিন্ন করে তুষার। একই সঙ্গে রাফাত চাপাতি দিয়ে আরমানের ডান হাত প্রায় বিচ্ছিন্ন করে। ঘটনার পর গ্রুপের প্রধান ‘হিটম্যান’ হিসেবে পরিচিত রাফাত গ্রেপ্তার এড়াতে প্রথমে ফরিদপুর, পরে বাগেরহাটে চলে যায়।

 

শেখ হাসিনার সঙ্গে সেলফি তুললেন জো বাইডেন

খুলনাঞ্চল ডেস্ক

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তাঁর মেয়ে সায়মা ওয়াজেদের সঙ্গে ভারতের নয়াদিল্লিতে জি২০ সম্মেলনস্থলে সেলফি তুলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।

 

 

 

 

শনিবার নয়াদিল্লির ভারত মন্ডপম কনভেনশন সেন্টারে জি২০ শীর্ষ সম্মেলনে শেখ হাসিনার সঙ্গে সেলফি তোলেন জো বাইডেন। এসময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন তাঁর মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ।

সেলফি তোলাকালে তাঁদের তিনজনের সামনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন ও মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিনকেনকেও দেখা যায়।

 

বাইডেন নিজেই সেলফি তুলেছেন শেখ হাসিনার সঙ্গে: ওবায়দুল কাদের

ঢাকা অফিস

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘এতদিন বিএনপি হোয়াইট হাউজের দিকে তাকিয়ে ছিলো- বাইডেন সাহেব নিষেধাজ্ঞা দিয়ে আওয়ামী লীগকে হটিয়ে বিএনপিকে ক্ষমতায় বসাবে। কিন্তু আজ দেখলেন বাইডেন সাহেব নিজেই সেলফি তুলেছেন শেখ হাসিনার সঙ্গে। সঙ্গে পুতুলও ছিলো। এই দৃশ্য দেখে বিএনপির এখন কী হবে? এখন কোন যাত্রা। পতনযাত্রা না, পশ্চাৎযাত্রা। তারা পেছনে হাঁটতে শুরু করবে। কেবল পেছনে।’

 

শনিবার বিকেলে সারাদেশে বিএনপির আন্দোলনের নামে নৈরাজ্য সন্ত্রাস আর ভাঙচুরের প্রতিবাদে শান্তি সমাবেশ করেছে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ। সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

 

 

বিএনপির গণমিছিল নিয়ে আ.লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘যতটুকু দেখেছি মনে হয় না, জনগণ আর গণমিছিলে আসবে না। নেতাকর্মীরা আল লন্ডনের দিকে তাকায় না। এখন ফখরুল সাহেব কী দেখাবেন।’

 

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বিএনপি দেশে মিথ্যাচারের মহামারি এনেছে। বিএনপির বদৌলতে সারাদেশে ছড়িয়ে পড়েছে। তাদের একজন গ্রামের কর্মীকেও মিথ্যা বলতে শিখিয়েছে। অবিরাম মিথ্যাচার করে যাচ্ছে। সিঙ্গাপুর থেকে শলাপরামর্শ নিয়ে এসেছেন ফখরুল সাহেব, এখন কী করবেন? নেতাকর্মীদের আর কত মিথ্যা আশ্বাস দেবেন।’

 

তিনি আরও বলেন, ‘বিএনপি সব সিটে ক্যান্ডিডেট খাড়া করে দিয়েছে। একজন দুইজন করে, কোথাও আরো বেশি। ওপরে ওপরে আন্দোলন, তলে তলে নির্বাচন- এমন অবস্থা বিএনপির। যার যত বেশি টাকা, সে তত বেশি লন্ডনে পাড়ি জমাচ্ছে। নির্বাচন না করলে বিএনপির মনোনয়ন বাণিজ্য কীভাবে হবে? খেলায় হেরে গেছে ওরা। খালি নির্বাচনটা হওয়া বাকি। ফাইনাল খেলাতেও বিএনপি হেরে যাবে।’

 

ঢাকা দক্ষিণের এই কর্মসূচিতে আরও উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও জাতীয় সংসদের উপনেতা মতিয়া চৌধুরী, কামরুল ইসলাম, মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ প্রমুখ।

 

মাগুরা জেলা বিএনপির বিবৃতি:‘নেতাকর্মীকে পুলিশ দিয়ে হয়রানি করছে ছাত্রলীগ’

নিজস্ব প্রতিনিধি

মাগুরায় বিএনপি নেতাকর্মীকে পুলিশ দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। রাতের আঁধারে বাড়ি বাড়ি হানা দেওয়া হচ্ছে। এতে অনেকেই ঘরছাড়া এবং পরিবার পরিজনের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের দিয়ে ছাত্রলীগ এ হয়রানি করছে বলে দাবি করেছেন জেলা জাতীয়তাবাদী দলের আহ্বায়ক আলী আহম্মদ ও সদস্য সচিব আক্তার হোসেন। শনিবার এক বিবৃতিতে তারা এ অভিযোগ করেন।

 

বিবৃতিতে বলা হয়, গত ৬ সেপ্টেম্বর শহরের চৌরঙ্গী মোড়ে শান্তিপূর্ণ মিছিল করে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মীরা। এ সময় হামলা চালায় ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মী। তারা গুলিও চালায়। অস্ত্র হাতে কয়েকজনের ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়েও পড়েছে। তাদের গ্রেপ্তার না করে উল্টো ছাত্রলীগের এক কর্মীর মামলায় সেই ঘটনার জন্য বিএনপি নেতাকর্মীকে হয়রানি করছে পুলিশ। ছাত্রলীগ নেতাদের কথায় এ কাজ করছে তারা।

 

 

জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি আশরাফুজ্জামান শামীম বলেন, নির্বিচারে আমাদের ওপর হামলা ও গুলি বর্ষণ করা হলো। আবার আমাদের নেতাকর্মীর নামেই মিথ্যা মামলা হয়েছে। এখন প্রশাসন দিয়ে আমাদের নানাভাবে হয়রানি করা হচ্ছে।

 

মাগুরা জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হামিদুল ইসলাম বলেন, ছাত্রলীগের কর্মীদের ওপর স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকর্মীর হামলার ঘটনায় ৭ সেপ্টেম্বর বারিউর ইসলাম রিয়াদ নামে এক কর্মী বাদী হয়ে ১০৫ ব্যক্তিকে আসামি করে থানায় মামলা করেছেন। আমরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই আইনি প্রক্রিয়ায় ওই ঘটনায় জড়িতদের বিচারের দাবি জানাই।

 

জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আলী আহম্মদ ও সদস্য সচিব আক্তার হোসেন বলেন, অস্ত্রের মহড়া দিল ছাত্রলীগ। বিএনপি নেতাকর্মীর ওপর গুলিও চালাল তারা। উল্টো মিথ্যা মামলাও দায়ের করল তারা। প্রশাসনও প্রকৃত অপরাধী ও অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের না খুঁজে বিএনপি নেতাকর্মীর বাসায় হানা দিচ্ছে, হয়রানি করছে।

 

এ বিষয়ে জানতে মাগুরা সদর থানার ওসি শেখ সেকেন্দার আলীর সঙ্গে একাধিকবার চেষ্টা করেও তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। জবাব দেননি ফোনকলেরও।

 

সহকারী পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, যুবকের অস্ত্র হাতে যে ছবিটি ফেসবুকে ভাইরাল এবং বিভিন্ন মিডিয়াতে এসেছে, আমরা তার পরিচয় নিশ্চিত করে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা করছি। পুলিশ আইনি প্রক্রিয়ায় মামলাটির তদন্ত চালাচ্ছে, কাউকে হয়রানি করছে না।

 

 

তিন হাজার দুস্থ মানুষের মুখে পোলাও-মাংস

যশোর অফিস

যশোর সরকারি এমএম কলেজের শিক্ষার্থীদের সমাজসেবামূলক প্রতিষ্ঠান আইডিয়া সমাজকল্যাণ সংস্থার সাপ্তাহিক একটি প্রকল্প ‘আইডিয়া ফ্রাইডে মিল’। প্রতি শুক্রবার দুপুরে শিক্ষার্থীরা নিজেদের হাতে রান্না করে পোলাও-মাংস নিয়ে রাস্তায় থাকা অনাহারীদের কাছে পৌঁছে দেন। কখনও নিয়ে যান বৃদ্ধাশ্রমে অথবা বস্তিতে, কখনও এতিম শিশু, শ্রমজীবী মানুষকে দাওয়াত দেন আইডিয়া প্রাঙ্গণে।

 

শুক্রবার সংস্থাটির প্রাঙ্গণে আয়োজন করা হয় শততম ফ্রাইডে মিলের। ভিন্নধর্মী এই আয়োজনের অতিথি হিসেবে দাওয়াত পান শ্রমজীবী, গৃহকর্মী, রিকশাচালকসহ ১৭০ জন সুবিধাবঞ্চিত নারী, শিশু, বৃদ্ধ। তাদের পোলাও, মাংস, ডিম দিয়ে আপ্যায়ন করা হয়।

 

 

সপ্তাহে এক দিন এভাবে পরিবার-পরিজন নিয়ে পোলাও-মাংস খেতে পেরে খুশি হতদরিদ্র মানুষ। আর শততম সপ্তাহ উপলক্ষে যশোরসহ দেশের ২৪ জেলায় ফ্রাইডে মিলের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এভাবে দরিদ্রদের মুখে খাবার তুলে দিতে পেরে খুশি সংগঠনের স্বেচ্ছাসেবকরা।

 

সংস্থার স্বেচ্ছাসেবীরা জানান, একাধারে চলেছে ৯৯টি সপ্তাহ। গতকাল শুক্রবার ছিল ফ্রাইডে মিলের শততম সপ্তাহ। এদিন যশোরসহ ঢাকা, খুলনা, কুষ্টিয়া, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, টাঙ্গাইল, খাগড়াছড়ি, বরিশাল, ময়মনসিংহ, সিলেট, রংপুর, বরগুনাসহ ২৪টি জেলায় স্বেচ্ছাসেবীদের মাধ্যমে উদযাপিত হলো আইডিয়ার ১০০তম ফ্রাইডে মিল। এদিন ২৪ জেলায় পোলাও, মাংস ও ডিম বিতরণ করা হয়েছে দরিদ্র, অসহায় ও ছিন্নমূল তিন হাজার মানুষের মাঝে।

 

আইডিয়ার প্রধান উপদেষ্টা যশোর সরকারি এমএম কলেজের সহকারী অধ্যাপক হামিদুল হক শাহীন বলেন, ‘আইডিয়া ফ্রাইডে মিল আমাদের তৃপ্তিরই আরেক নাম। ৯৯ সপ্তাহ আগে মাত্র ১ হাজার টাকা দিয়ে শিক্ষার্থীদের বলেছিলাম, সপ্তাহে এক দিন কিছু মানুষের কাছে ভালো খাবার পৌঁছে দিতে পারি আমরা। এভাবেই শুরু। এরপর সুহৃদ, বন্ধু-পরিজন যুক্ত হওয়ায় এর বহর বেড়েই চলেছে। এবার ১০০তম সপ্তাহে তাই মহাসমারোহে পালিত হলো এই আয়োজন। আজীবন এটা চালিয়ে যাওয়ার ইচ্ছা আমাদের।’

 

আইডিয়া ফ্রাইডে মিলের কো-অর্ডিনেটর ও আইডিয়া সমাজকল্যাণ সংস্থার সাবেক সভাপতি শাহারিয়ার ইয়াসমিন মীম বলেন, প্রতি শুক্রবার আইডিয়ান স্বেচ্ছাসেবীরা দুপুরে খাবার পৌঁছে দেন অনাহারী মানুষের কাছে। আইডিয়াতে সদস্যদের নিজেদের উপার্জিত অর্থের পাশাপাশি এই উদ্যোগ পরিচালনায় যুক্ত হয়েছেন অনেকেই।

 

আইডিয়া সমাজকল্যাণ সংস্থার সাধারণ সম্পাদক জান্নাতুল ফেরদৌস বলেন, এই অনুভূতি সত্যিই অভূতপূর্ব। নিজেরা বাজার করে, রান্না করে যখন হঠাৎ কোনো অনাহারীর সামনে খাবার দিই, খুশিতে অনেকে কেঁদে দেন। অনেকে কবে পোলাও-মাংসের স্বাদ পেয়েছেন, তা বলতে পারেন না। ফ্রাইডে মিলের খাবার পেয়ে দরিদ্র, ছিন্নমূল মানুষ যে হাসি দেন; সে হাসি যেন স্বর্গীয় হাসি।

 

এদিকে ফ্রাইডে মিলের সেঞ্চুরি উপলক্ষে যশোরে আইডিয়া প্রাঙ্গণে ‘আইডিয়া ফ্রাইডে মিল, শততম সপ্তাহের কথামালা’ শিরোনামে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ভিন্নধর্মী এই আয়োজনের সম্মানিত অতিথি ছিলেন শ্রমজীবী মুন্তাজ আলী, গৃহকর্মী আসুরা বেগম, রিকশাচালক জহির ইসলাম ও ঘরামী আবুল কাশেম বরুস। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আইডিয়া সমাজকল্যাণ সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান উপদেষ্টা হামিদুল হক শাহীন।

 

 

 

প্রেমের নামে অশ্লীল ভিডিও ধারণ, ২ ইউপি সদস্যসহ আটক ৪

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

প্রেমের প্রলোভন দেখিয়ে ডেকে এনে অশ্লীল ভিডিও ধারণ করে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে শুক্রবার দুই নারী ইউপিসহ ৪ জনকে আটক করেছে পুলিশ।

তারা হলেন, ঝিনাইদহ সদর উপজেলার মহারাজপুর ইউনিয়নের সংরক্ষিত মহিলা সদস্য নুর নেহা, সুরাট ইউনিয়নের ইউপি সদস্য জাহানারা বেগম, কালীগঞ্জ উপজেলার রাকড়া গ্রামের রুহানি আক্তার শিলা ও সদর উপজেলার কুলফা ডাঙা গ্রামের আজিম মণ্ডল।

 

জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে ঝিনাইদহ ও কালীগঞ্জের চক্রটি প্রলোভন দেখিয়ে নিজ বাড়িতে নিয়ে মোবাইলের মাধ্যমে অশ্লীল ছবি ধারণ করে থাকে। এরপরে ভুক্তভোগীদের সম্মানহানি করার ভয় দেখিয়ে অর্থ আদায় করে আসছিল। এ বিষয়ে অভিযোগ পাওয়ার পরে অভিযান চালিয়ে তাদেরকে আটক করা হয়েছে। ওসি শাহীন উদ্দিন বলেন, আটক চারজনের কাছ আরও অনেকের নাম জানা গেছে। বাকিদের আটক করার জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে

 

 

সুদখোররা এলে আমার শরীরটাকে কেটে ওদের দেবেন, লিখে ব্যবসায়ীর আত্মহত্যা

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

ঝিনাইদহে পাড়া-মহল্লায় গ্রামে-গঞ্জে সুদখোরদের দৌরাত্ম্য চরমে। ঋণের টাকা পরিশোধ করতে না পেরে সদর উপজেলার হলিধানী ইউনিয়নের রামচন্দ্রপুর গ্রামের শহীদুল ইসলামের ছেলে ব্যবসায়ী সিরাজুল ইসলাম সুরুজ চিরকুট লিখে আত্মহত্যা করেছেন। তিনি লিখেছেন- ‘সুদখোররা টাকা চাইতে এলে আমার শরীরটাকে কেটে ওদের দিয়ে দেবেন।’ শুক্রবার দুপুর ২টার দিকে এ ঘটনা ঘটেছে।

 

পরিবারিক সূত্রে জানা গেছে, সুরুজ সৌদি আরবে দীর্ঘদিন শ্রমিকের কাজ করেছেন। কয়েক বছর আগে দেশে ফিরে স্থানীয় হলিধানী বাজারে একটি কনফেকশনারির দোকান করে জীবিকা নির্বাহ করছিলেন। তিনি দুই ছেলেকে বিদেশ পাঠান। এ সময় ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়েন তিনি। বন্ধ হয়ে যায় ব্যবসা। দোকান ছেড়ে দেন। সুদের টাকার জন্য তাকে হুমকি-ধমকি দিয়ে আসছিল এলাকার সুদখোরেরা। ঘটনার দিন জনৈক সুদখোর ফোন করেন তাকে। এতে ভয়ে বাড়ি থেকে বেরিয়ে গিয়ে শ্বশুর মৃত আলি আহমদের বাড়ির দুইতলায় ফ্যানের রডের সঙ্গে গলায় রশি দিয়ে আত্মহত্যা করেন তিনি।

 

সুরুজের পকেটে একটি চিরকুট পাওয়া গেছে। ওই চিরকুটে তিনি লিখেছেন, ‘সুধখোরদের অত্যাচারে বাঁচতে পারলাম না, আমার জায়গা-জমি বাড়ি সব বিক্রি করে দিয়েছি। একেকজনের কাছ থেকে যে টাকা নেওয়া- তার সাত-আট-দশগুণ টাকা দিয়েও রেহাই দিল না তারা। কেউ কেস করেছেন কেউ অপমান-অপদস্ত করেছেন, আমি আর সহ্য করতে পারছি না- তাই বিদায় নিলাম। আমার জানাজা হবে কিনা জানি না। যদি হয়- তখন সব সুদখোররা টাকা চাইতে এলে আমার শরীরটাকে কেটে ওদের দিয়ে দেবেন। সুদখোরদের বিচার আল্লাহ করবে। সুদখোরদের নাম বললাম না কিন্তু তারা সবাই টাকার জন্য আসবে। তখন বুঝতে পারবেন তারা কারা। আমি ক্ষমার অযোগ্য, তবু ক্ষমা করে দেবেন।’

 

সুরুজের স্ত্রী সবুরা খাতুন বলেন, ‘আমার স্বামী সুদখোরদের অত্যাচারে এবং তাদের চাপে আত্মহত্যা করেছেন, আমি এর বিচার চাই।’

 

সদর থানার ওসি শেখ মোহাম্মদ সোহেল রানা বলেন, ঘটনাটি শুনেছি। এ বিষয়ে অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে, বিষয়টি আমরা খতিয়ে দেখব।

 

খরস্রোতা কাজলা এখন মেহেরপুরের অভিশাপ

মেহেরপুর প্রতিনিধি

একসময় প্রবল স্রোত নিয়ে বয়ে যাওয়া ঐতিহ্যবাহী কাজলা নদী এখন মেহেরপুরের অভিশাপে পরিণত হয়েছে। গাংনীর কাজলা এখন গবাদি পশুর চারণভূমি। এর কোথাও বা রবিশষ্য চাষ হয়। দীর্ঘদিন ড্রেজিং না করার পাশাপাশি দখল প্রতিযোগিতায় কাজলা হারিয়েছে নাব্য। ভরাট হওয়ায় বর্ষায়ও নদীর কোথাও পানি মেলে না। প্রভাবশালীদের দখল প্রতিযোগিতায় খরস্রোতা কাজলা এখন ছোট নালা।

মেহেরপুরের গাংনীর বড় নদী মাথাভাঙ্গা। কাজীপুর ইউনিয়নের মাথাভাঙ্গা থেকে কাজলা নদীর উৎপত্তিস্থল ৩০ কিলোমিটার। উৎপত্তিস্থল থেকে এ নদী হিন্দা মাঠ, নওয়াপাড়া, ভাটপাড়া, গাড়াডোব এবং সদর উপজেলার আমঝুপি গ্রাম হয়ে ভৈরব নদে মিশেছে। মাথাভাঙ্গা নদীটি গঙ্গার শাখা নদী ভারতের জলঙ্গীর সঙ্গে সংযুক্ত। ফলে বর্ষায় পানিতে কানায় কানায় পূর্ণ থাকত কাজলা। প্রতিবছর উৎপাদিত হতো কোটি কোটি টাকার মাছ। সেই কাজলায় ভাটপাড়া অংশের দেড়-দুই কিলোমিটার পুনর্খননের কারণে সব সময় পানিতে থইথই করে। বাকি অংশে এই বর্ষায়ও কোথাও পানির দেখা মেলে না। পরিবেশবাদীদের মতে, জীববৈচিত্র্যের প্রয়োজনে এ নদীর খনন জরুরি হয়ে পড়েছে।

 

সরেজমিন দেখা যায়, মেহেরপুর-কুষ্টিয়া সড়কে কাজলা নদীর ব্রিজের দক্ষিণাংশে নদীর তলদেশে চরে বেড়াচ্ছে গবাদি পশু। উত্তরাংশে দুইশ গজের মতো তলদেশে হাঁটুসমান পানি। নদীপারের রহমত আলী বলেন, কাজলার বুকে একসময় বড় বড় নৌকা পাটবোঝাই করে কলকাতার মোকামে বাজারজাত করা হতো। তখন যোগাযোগমাধ্যমই ছিল এই নদীপথ। গাড়াডোব অংশে দেখা যায়, নদীর দুই পাড় কেটে সমতল করেছে প্রভাবশালী দখলদাররা। নদীর তলদেশে রবিশষ্যও চাষ হয়। ওই গ্রামের আজিজুল হক মাস্টার বলেন, ‘কাজলা হয়েই কলকাতার সঙ্গে পানিপথে যোগাযোগ হতো। ইংরেজ বণিকরা এই নদী দিয়ে এ দেশে যাতায়াত করতেন। কাজলা নদীর তীরেই ভাটপাড়া নীল কুঠি প্রতিষ্ঠিত হয়। একসময় এই নদীর পানি সেচে ব্যবহৃত হয়েছে। দেশীয় মাছ পাওয়া যেত প্রচুর পরিমাণ। কিন্তু এসব আজ শুধুই ইতিহাস, মেহেরপুরের ইতিহাসের বইয়ের বিষয়।’

 

কাজলার এমন দুর্দশায়ও আশার আলো দেখাচ্ছে ভাটপাড়া ইকোপার্ক। গাংনীর ভাটপাড়া নীলকুঠিতে ২০১৩ খ্রিষ্টাব্দে ইকোপার্ক প্রতিষ্ঠার সময় পশ্চিম ও দক্ষিণ পাশে নদীর দেড় কিলোমিটার অংশ পুনর্খনন করা হয়। ফলে ওই অংশে এখন সারা বছরই পানি থাকে। পুনর্খনন করা অংশে ছোট ছোট নৌকায় চলাচল করেন দর্শনার্থীরা। এমনভাবে নদীর বাকি অংশও পুনর্খনন করা গেলে স্থানীয় কৃষি ও মৎস্যজীবীদের জন্য এই নদী ফের আশীর্বাদে রূপান্তরিত হবে বলে স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ আশা করছেন।

 

গাংনী উপজেলা সমবায় অফিসার মাহবুবুল হক মন্টু বলেন, ‘পুনর্খনন না হওয়ায় নদীটি মৃতপ্রায়। নদীর প্রাণ ফেরাতে এলাকার মানুষের আশীর্বাদে পরিণত করতে পুনর্খনন জরুরি। স্থানীয় প্রভাবশালীরা দুপাড় দখল করে চাষাবাদ করায় নদীটি সংকীর্ণ হয়ে পড়েছে। অতিসত্বর পুনর্খনন করে দখলদারদের উচ্ছেদ করা না গেলে নদীটি বিলীন হয়ে যাবে। মেহেরপুর-২ গাংনী আসনের সংসদ-সদস্য মোহাম্মদ শাহিদুজ্জামান খোকন বলেন, ‘জাতীয় সংসদে কাজলা নদীর খনন কাজের জন্য একটি প্রস্তাবনা উপস্থাপন করা হয়েছে। আশা করা যায়, নদীটি পুনর্খননে অতিসত্বর দরপত্র আহ্বানের মাধ্যমে খনন শুরু হবে।

 

চার দিনের সফরে ঢাকায় কান্নি উইগনারাজা

ঢাকা অফিস

জাতিসংঘের সহকারী মহাসচিব এবং ইউএনডিপির এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের আঞ্চলিক পরিচালক কান্নি উইগনারাজা চার দিনের সফরে ঢাকায় এসেছেন।

শনিবার (৯ সেপ্টেম্বর) তার ঢাকায় আসার তথ্য নিশ্চিত করেছে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির (ইউএনডিপি) বাংলাদেশ অফিস।

 

৯ থেকে ১২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এই সফরে তিনি ভাসানচর এবং কক্সবাজারে যাবেন। সেখানে রোহিঙ্গাদের সঙ্গে দেখা করবেন এবং জাতিসংঘ-সমর্থিত হস্তক্ষেপের প্রভাব নিজে পর্যবেক্ষণ করবেন।

 

 

কান্নি জাতীয় সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেনের সঙ্গে সাক্ষাৎ এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিবসহ গুরুত্বপূর্ণ সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন।

 

 

বৈঠকগুলো ইউএনডিপি ও বাংলাদেশ সরকারের মধ্যে সহযোগিতা জোরদার করার পাশাপাশি এই অঞ্চলে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

 

প্রতারণার উদ্দেশ্যে লিঙ্গ পরিবর্তন, অন্যের এনআইডিতে সিমকার্ড

ঢাকা অফিস

বিদেশে লোক পাঠানোর কথা বলে আল সাফার ইন্টারন্যাশনাল নামে একটি চক্র রাজধানীর গুলশান ১ নম্বরে অফিস নেয়। ওই অফিসের ঠিকানা ব্যবহার করে ফেসবুকে বিভিন্ন ছদ্মনাম দিয়ে ভুয়া পেইজ খোলে। পেইজগুলোতে কুয়েতে উচ্চ বেতনে চাকরির বিজ্ঞাপন দেয়া হতো। বিজ্ঞাপন দেখে আকৃষ্ট হয়ে সাধারণ লোকজন যোগাযোগ করলে তাদের প্রতারণার ফাঁদে ফেলে টাকা-পয়সা আত্মসাৎ করতো। এরপর তাদের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনের সিম বন্ধ করে আত্মগোপনে চলে যেত। এমনকি প্রতারণার উদ্দেশ্যে চক্রের সদস্যরা লিঙ্গও পরিবর্তন করেন।

প্রতারণার মাধ্যমে কোটি টাকা আত্মসাৎ করা এমন একটি চক্রের তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা ওয়ারী বিভাগ। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- মো. শরিফুল ইসলাম (৪২), আবরার জাওয়ার তন্ময় ওরফে রেজাউল করিম রেজা ওরফে হৃদি মাহাজাবিন (২৬) ও আহিয়ান শিশির ওরফে কামরুজ্জামান শিশির (২৯)।

 

শুক্রবার গভীর রাতে রাজধানীসহ বান্দরবানের নাইক্ষংছড়ি এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা ওয়ারী বিভাগের সংঘবদ্ধ অপরাধ ও গাড়ি চুরি প্রতিরোধ টিম। গ্রেপ্তারকৃতদের কাছ থেকে প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত ৪০টি পাসপোর্ট, ৯টি জাল ভিসা, জাল ভুয়া বিএমইটি কার্ডের ফটোকপিসহ মোবাইল ও সিম উদ্ধার করা হয়েছে।

 

 

গোয়েন্দা কর্মকর্তারা জানান, গত ৭ আগস্ট গুলশান থানায় প্রতারণার একটি মামলা হয়। ওই মামলা তদন্তকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এবং তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় বান্দরবান জেলার নাইক্ষংছড়ি এলাকা থেকে চক্রের মূলহোতা ও এজাহারনামীয় আসামি শরিফুল ইসলামকে শুক্রবার দিবাগত রাত সোয়া ১টার দিকে গ্রেপ্তার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তার দেয়া তথ্যে একই চক্রের সক্রিয় সদস্য এজাহারনামীয় আসামি আবরার জাওয়ার তন্ময়কে ও আহিয়ান শিশির ওরফে কামরুজ্জামান শিশিরকে একই দিন রাজধানীর ভাটারা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

 

 

গোয়েন্দা কর্মকর্তারা জানান, প্রতারক চক্রটি বিদেশে লোক পাঠানোর নামে আল সাফার ইন্টারন্যাশনাল নামে গুলশান-১ একটি অফিস খোলে। ওই অফিসের ঠিকানা ব্যবহার করে ফেসবুকে বিভিন্ন ছদ্মনাম দিয়ে ভুয়া পেইজ খোলে এবং ফেসবুক পেইজগুলোতে বিজ্ঞাপন দিয়ে কুয়েতে উচ্চ বেতনে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে সাধারণ মানুষকে প্রতারণার ফাঁদে ফেলে টাকা-পয়সা আত্মসাৎ করে। পরে তারা তাদের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনের সিম বন্ধ করে আত্মগোপনে চলে যায়।

 

 

চক্রটি মূলত ছদ্মনাম ব্যবহার করে এবং অন্যের এনআইডি দিয়ে মোবাইল সিম তুলে প্রতারণা করছিলো।

 

 

 

এছাড়াও চক্রটি কুয়েতের আরবিতে লেখা বিভিন্ন ব্যক্তির সঠিক ভিসা কপি সংগ্রহ করে এবং একটি সঠিক ভিসা নম্বর ব্যবহার করে ফটোশপের মাধ্যমে বিদেশগামী ব্যক্তির নাম, পাসপোর্ট নম্বরসহ অন্যান্য তথ্য সংযুক্ত করে কুয়েতের জাল ভিসা তৈরি করে। ওই জাল ভিসা, পাসপোর্টের ফটোকপি নিয়ে বিদেশগামী ব্যক্তিরা বিভিন্ন টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার থেকে ৩ দিনের ট্রেনিং সম্পন্ন করে সার্টিফিকেট গ্রহণ করতো। পরে ওই জাল ভিসা, পাসপোর্ট এবং ট্রেনিংয়ের সার্টিফিকেট নিয়ে একজন বিদেশগামী ব্যক্তি প্রবাসী কল্যাণ ও জনশক্তির প্রধান কার্যালয়সহ বিভিন্ন জেলার জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে অবস্থিত ফিংগার প্রিন্ট অফিসে ফিংগার প্রিন্ট দেয়ার জন্য যান। কিন্তু কুয়েতের সরকারি ওয়েব সাইটে ভিসা নম্বর চেক করে অ্যাপলিকেশন স্টাটাস এপ্রুভড থাকায় অফিসগুলো থেকে বিদেশগামী ব্যক্তিদের ফিংগার প্রিন্ট গ্রহণ করা হতো এবং স্টাটাস অব বায়ো-ফিংগার এনরোলমেন্ট সাকসেস বলে এক কপি যাত্রীদের দেয়া হতো।

 

এছাড়া প্রতারকরা একটি সঠিক বিএমইটি ক্লিয়ারেন্স কার্ডের স্ক্যান কপিতে বিদেশগামী ব্যক্তির নাম-ঠিকানা লিখে তা রঙিন কপি প্রিন্ট করে দেখিয়ে বলে যে আপনার বিএমইটি কার্ড কমপ্লিট হয়েছে। এই তথ্য জানিয়ে প্লেনের টিকিট দেখিয়ে যাত্রীদের কাছ থেকে চুক্তি করা পুরো টাকা নিয়ে নেয়। এভাবে প্রতারণার মাধ্যমে চক্রটি অর্ধশতাধিক মানুষের কাছ থেকে প্রায় ১ কোটি ৩৫ লাখ ৫৫ হাজার টাকা হাতিয়ে নিয়েছে।

 

 

ডিএমপি’র অতিরিক্ত কমিশনার (গোয়েন্দা) মো. হারুন অর রশীদ বলেন, গুলশান থানায় দায়ের করা মামলার তদন্ত করে একটি প্রতারক চক্রের তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারা প্রতারণার মাধ্যমে কোটি টাকা হাতিয়েছে। গ্রেপ্তার শরিফুল ইসলামের নামে বিভিন্ন থানায় প্রতারণার ৪টি, আবরার জাওয়ার তন্ময় ওরফে রেজাউল করিম রেজা ওরফে হৃদি মাহাজাবিনের নামে একটি প্রতারণা ও জাল জালিয়াতির মাধ্যমে অর্থ আত্মসাতের মামলা আছে। আবরার জাওয়ার তন্ময় ও কামরুজ্জামান শিশির উভয়ই ট্রান্সজেন্ডার ব্যক্তি। প্রতারণার উদ্দেশ্যে তারা লিঙ্গ পরিবর্তন করে হৃদি মাহাজাবিন থেকে আবরার জাওয়ার তন্ময় ওরফে রেজাউল করিম রেজা এবং শারমিন থেকে কামরুজ্জামান শিশির এর পরিচয় ধারণ করে। ডিবির নিবিঢ় তদন্তে তাদের প্রকৃত পরিচয় উদ্ধার হয়েছে।

 

ডিবির এই কর্মকর্তা বিদেশ যেতে কোনো এজেন্সি সম্পর্কে ভালভাবে যাচাই-বাচাই না করে টাকা-পয়সা লেনদেন না করতে সাধারণ জনগণকে পরমার্শ দিয়েছেন।

 

 

আজ সন্ধ্যায় ঢাকা আসছেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট মাক্রোঁ

ঢাকা অফিস

জি-২০ সম্মেলন শেষ করে নয়া দিল্লি থেকে রোববার সন্ধ্যায় ঢাকা আসছেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ। ৩৩ বছর পর ফ্রান্সের কোনও প্রেসিডেন্ট বাংলাদেশ সফর করতে যাচ্ছেন। এর আগে এসেছিলেন ১৯৯০ সালে ফ্রান্সের তখনকার প্রেসিডেন্ট ফ্রাঁসোয়া মিতেরাঁ।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, ফরাসি প্রেসিডেন্ট বাংলাদেশে ১৯ ঘণ্টা অবস্থান করবেন।

 

জানা গেছে, রোববার (১০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে একটি বিশেষ ভিভিআইপি ফ্লাইটে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নামবেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট। তার আগে নয়া দিল্লি থেকে জি-২০ সম্মেলন শেষ করে দেশে ফিরবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বিমানবন্দরে মাক্রোঁকে স্বাগত জানাবেন প্রধানমন্ত্রী। এসময় মাক্রোঁকে অভ্যর্থনা জানাবেন বঙ্গবন্ধুর কনিষ্ঠ কন্যা শেখ রেহানা ও তার ছেলে রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক ববি।

 

 

এর আগে, ২০২১ সালে ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে দ্বিপক্ষীয় সফরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ফরাসি প্রেসিডেন্টকে ঢাকা সফরের আমন্ত্রণ জানান। সেই আমন্ত্রণে ইমানুয়েল মাক্রোঁ ঢাকা সফরে আসছেন।

 

কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, রোববার রাত ৯টায় হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে শেখ হাসিনার সৌজন্যে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও রাতের ভোজসভায় যোগ দেবেন মাক্রোঁ। এরপরই রাত ১০টার দিকে তিনি ধানমন্ডি লেক ও ব্রিজ ঘুরে দেখবেন। এরপর তিনি যাবেন বাংলাদেশের লোকজ সংস্কৃতির ধারক জলের গান ব্যান্ডের লিড ভোকালিস্ট রাহুল আনন্দের ওয়ার্কশপে। সেখানে শুনবেন রাহুল আনন্দের গান। পরে তিনি হোটেলে ফিরে যাবেন।

 

 

পরদিন সোমবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন করবেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট। এসময় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও দর্শনার্থী বইয়ে তিনি স্বাক্ষর করবেন।

 

পরে সকাল সোয়া ১০টার দিকে যাবেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে। সেখানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে বৈঠক করবেন। এসময় কয়েকটি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর হবে। সবশেষে দুদেশের একটি যৌথ প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হতে পারে। এরপর আধাঘণ্টা একান্তে কথা বলবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ফরাসি প্রেসিডেন্ট। এ ছাড়া, দুপুর ১২টার দিকে ঢাকায় ফ্রান্স দূতাবাসে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন ইমানুয়েল মাক্রোঁ। সেখান মধ্যাহ্নভোজে অংশ নেবেন।

 

সফর শেষে দুপুর ২টা ৩০মিনিটে ঢাকা ছাড়বেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট।

 

বিমানবন্দরে তাকে বিদায় জানাবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আব্দুল মোমেন। এসময় ফ্রান্সের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ক্যাথরিন কোলোনাও উপস্থিত থাকবেন।

 

 ‘উচ্ছে গ্রামে’ প্রতিদিন বিক্রি হয় ৫ লাখ টাকার উচ্ছে

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি

সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলায় ভুরুলিয়া ইউনিয়নের হাটছালা গ্রামে গেলেই দেখা মিলবে ফসলের মাঠভরা উচ্ছে গাছের মাচা। এই একটি মাত্র সবজি চাষ করে বদলে গেছে পুরো গ্রামের চিত্র। গ্রামজুড়ে উচ্ছে চাষের কারণে হাটছালা গ্রাম পরিচিতি পেয়েছে ‘উচ্ছের গ্রাম’ নামে। এই উচ্ছেচাষে স্বচ্ছলতা ফিরেছে গ্রামের শতাধিক পরিবারের।

 

গ্রামটি থেকে প্রতিদিন প্রায় ৩০০ মণ উচ্ছে বাজারজাত করা হচ্ছে। প্রতিকেজি উচ্ছে বর্তমানে ৩৫ থেকে ৪০ টাকা দরে বিক্রি করেন চাষিরা। সেই হিসাবে এই এক গ্রাম থেকেই দিনে চার লাখ ৮০ হাজার টাকার উচ্ছে বিক্রি করেন চাষিরা।

শ্যামনগর উপজেলা কৃষি অফিস সূত্র জানায়, চলতি মৌসুমে হাটছালা গ্রামে ২৫ হেক্টর জমিতে উচ্ছের চাষ হয়েছে। থেকে প্রতিদিন প্রায় ৩০০ মণ উচ্ছে বাজারজাত করা হচ্ছে। তাদের দেখাদেখি পার্শ্ববর্তী কাশিমাড়ি ইউনিয়নের গোবিন্দপুর ও শংকরকাটিসহ কয়েকটি গ্রামেও বেড়েছে উচ্ছের আবাদ।

হাটছালা গ্রামের কৃষক বিশ্বজিৎ গায়েন জানান, চলতি মৌসুমে তিনি ৩ বিঘা জমিতে উচ্ছে চাষ করেছেন। বর্তমানে প্রতিদিন ২০০ থেকে ২৫০ কেজি উচ্ছে বিক্রি করছেন। এই মৌসুমে উচ্ছে বিক্রি করে তার আয় হবে প্রায় এক লাখ টাকা।

 

একই গ্রামের কৃষক পতিরাম মন্ডল বলেন, উচ্ছে চাষ করতে প্রথমে ভয় পাচ্ছিলাম। উপকূলীয় এলাকায় কী হবে তা নিয়ে শঙ্কা ছিল। তবে উচ্ছে চাষ আমার ভাগ্য বদলে দিয়েছে। আমার আর্থিক স্বচ্ছলতা এসেছে। বর্তমানে আমাদের গ্রামের একশোর বেশি পরিবার এই উচ্ছে চাষ করছে।

 

তিনি বলেন, বাগান থেকেই ব্যাপারীরা এসে উচ্ছে পাইকারি কিনে নিয়ে যান। এখানকার আবহাওয়া লবণাক্ত হলেও আমাদের গ্রামের পানি মিষ্টি। এছাড়া বেলে-দোঁআশ মাটি হওয়ায় ফসলের আবাদ ভালো হয়েছে।

কৃষক অনুপ মন্ডল বলেন, আমাদের গ্রামের প্রতিটি বাড়িতে উচ্ছের আবাদ রয়েছে। শুরুতে ব্যাপারীরা প্রতি কেজি উচ্ছে ৯০ থেকে ১০০ টাকায় কিনেছেন। বর্তমানে ৩৫ থেকে ৪০ টাকা দরে বিক্রি করছি। এখান থেকে প্রতিদিন ১০ থেকে ১৫ জন ব্যাপারী গাড়িভরে উচ্ছে কিনে নিয়ে যান। ঢাকা, চট্টগ্রাম, যশোর, খুলনাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে পাইকাররা এখানে আসেন।

 

স্থানীয় বাসিন্দা মো. শাহাজান জানান, প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে হাটছালা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনের সড়কে উচ্ছে বেচাকেনার হাট বসে। বাইরের ব্যাপারীরা এখান থেকেই পাইকারি দরে উচ্ছে কিনে নিয়ে যান। আমাদের গ্রামের উচ্ছে সারাদেশে চলে যায়।

 

শ্যামনগর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. নাজমুল হুদা বলেন, উচ্ছে কাঁচা তরকারি হিসেবে খুবই জনপ্রিয়। পাশাপাশি এর ঔষধী গুণও রয়েছে। উচ্ছেচাষে অধিক লাভ হয়। মাটি ও পরিবেশ অনুকূলে থাকায় ভুরুলিয়া ইউনিয়নের হাটছালা গ্রামের কৃষকেরা উচ্ছে চাষে উদ্বুদ্ধ হয়েছেন। কৃষি বিভাগ থেকে তাদের সব ধরনের প্রশিক্ষণ ও সহযোগিতা করা হচ্ছে।

 

 

 

তিনি বলেন, চলতি মৌসুমে শ্যামনগর উপজেলার ৫০ হেক্টর জমিতে উচ্ছের আবাদ হয়েছে। এর মধ্যে ভুরুলিয়া ইউনিয়নের হাটছালা গ্রামেই উচ্ছের আবাদ হয়েছে ২৫ হেক্টর জমিতে। আগামীতে এই উপজেলায় উচ্ছে চাষ সম্প্রসারিত হবে।

 

 

সবার জন্য সমৃদ্ধ ভবিষ্যত নিশ্চিত করতে বিশ্ব নেতাদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান

খুলনাঞ্চল ডেস্ক

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সবার জন্য মর্যাদাপূর্ণ জীবন ও সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সাথে এগিয়ে আসার জন্য বিশ্ব নেতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

 

 

এখানে প্রগতি ময়দানে ভারত ম-পন সম্মেলন কেন্দ্রে জি-২০ শীর্ষ সম্মেলন ২০২৩-এ ‘এক পরিবার’ শীর্ষক অধিবেশনে বক্তৃতাকালে তিনি বলেন, ‘বৈশ্বিক পরিবারের সমান সদস্য হিসেবে আমাদের অবশ্যই সকলের মর্যাদাপূর্ণ জীবন ও সমৃদ্ধ ভবিষ্যতের জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করতে হবে।’

 

এ প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় সব চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে আগামী দিনে একটি উন্নত বিশ্ব গড়ার লক্ষে জি-২০ নেতাদের কাছে পাঁচ দফা সুপারিশ তুলে ধরেন।

 

 

তিনি তার প্রথম সুপারিশে বলেন, টেকসই উন্নয়নের জন্য ২০৩০ এজেন্ডা বাস্তবায়ন জি-২০-সহ সকল বহুপক্ষীয় উদ্যোগের আলোচ্যসূচির শীর্ষে থাকা উচিত।

 

তিনি তার দ্বিতীয় সুপারিশে বলেছেন, স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের জন্য জি-২০-এর উচিত শুল্কমুক্ত, কোটামুক্ত বাজারে প্রবেশাধিকার ও একতরফা শুল্ক অগ্রাধিকারের বর্ধিতকরণ এবং মসৃণ ও টেকসই রূপান্তর নিশ্চিত করতে উত্তরণের পর একটি উল্লেখযোগ্য সময় সীমার জন্য ধারাবাহিকভাবে ট্রিপস (টিআরআইপিএস) ছাড়ে সহায়তা করা।

 

প্রধানমন্ত্রী তার তৃতীয় মতামতে বলেন, জি-২০ কৃষিসহ প্রয়োজনীয় পণ্যের মসৃণ, সময়োপযোগী ও অনিশ্চিত সরবরাহ নিশ্চিত করতে তাদের বাজার খোলা রেখে দুর্বল অর্থনীতির দেশগুলোর পাশে দাঁড়াতে পারে।

 

 

চতুর্থত তিনি বলেন, শান্তিপূর্ণ, ন্যায্য ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গঠনের জন্য বিশ্ব জনসংখ্যার অর্ধেক নারীর প্রতি সমান মনোযোগ দিতে হবে।

 

শেখ হাসিনা তার চূড়ান্ত সুপারিশে বলেছেন যে বিশ্বব্যাপী মানব উন্নয়ন নিশ্চিত করতে অংশীদার, আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান, বেসরকারি খাত এবং অন্যান্য স্টেকহোল্ডারদের সহায়তায় দক্ষিণ-দক্ষিণ এবং ত্রিভুজাকার সহযোগিতা জোরদার করতে হবে।

 

বর্তমান বিশ্ব অর্থনীতিকে বিবেচনায় রেখে একটি ন্যায্য ও সুষ্ঠু অর্থনৈতিক শৃঙ্খলার জন্য সম্মিলিতভাবে কাজ করার সময় এসেছে উল্লেখ করে তিনি আরো বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি জি-২০ উন্নয়নশীল দেশগুলোর উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় সহায়ক হবে।’

 

 

সরকার প্রধান বলেছেন, কোভিড-১৯ মহামারী, নিষেধাজ্ঞা এবং পাল্টা নিষেধাজ্ঞা যা বিশ্বব্যাপী সরবরাহ শৃঙ্খলাকে ব্যাহত করেছে এবং খাদ্য, জ্বালানী এবং সার সংকট সারা বিশ্বের মানুষের ওপর অসহনীয় জীবনযাত্রা চাপিয়ে দিয়েছে।

 

শেখ হাসিনা উল্লেখ করেন, ‘যদিও আমরা এক বিশ্ব, এক পরিবারের কথা বলি, আমরা কি সেটা দেখানোর জন্য কিছু করছি? প্রতি রাতে ৮০ কোটিরও বেশি মানুষ বা বিশ্ব জনসংখ্যার ১০ শতাংশ, ক্ষুধা নিয়ে ঘুমাতে যায়। যেখানে, বিশ্ব প্রতি বছর সামরিক খাতে ১.৯ ট্রিলিয়ন ডলার ব্যয় করে, অথচ ২৬ ঘণ্টার সামরিক ব্যয়ের মাত্র ৫.৫ বিলিয়ন দিয়ে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণদের জন্য খাদ্য নিশ্চিত করা সম্ভব।

এছাড়াও বিশ্বব্যাপী বছরে নষ্ট হওয়া খাদ্য দিয়ে ২০০ কোটি মানুষের খাদ্যের যোগান দেয়া সম্ভব বলে তিনি উল্লেখ করেন।

 

শেখ হাসিনা বলেন, ‘বরং এর পরিবর্তে দুঃখজনকভাবে ধনী দেশগুলো বাংলাদেশে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের মতো দরিদ্রদের জন্য সাহায্য কমিয়ে দিচ্ছে।’

 

বাংলাদেশের কথা বলতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০০৯ সালে গণতন্ত্র ও জনগণের মৌলিক অধিকার ফিরে আসে।

 

তিনি আরো বলেন, ‘পরবর্তী সাড়ে ১৪ বছরে বাংলাদেশে অভূতপূর্ব আর্থ-সামাজিক পরিবর্তন হয়েছে।’

 

 

এ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার দারিদ্র্য ৪১ দশমিক ৫ শতাংশ থেকে ১৮ দশমিক ৭ শতাংশে, চরম দারিদ্র্য ৫ দশমিক ৬ শতাংশে এবং মাথাপিছু আয় পাঁচগুণ বাড়াতে সক্ষম হয়েছে।

 

তিনি উল্লেখ করেন, টেকসই উন্নয়নের জন্য ২০৩০ এজেন্ডা বাস্তবায়ন আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।

 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা এসডিজি বাস্তবায়ন ও অর্জনের জন্য ‘সমগ্র সমাজ’ পদ্ধতি গ্রহণ করেছি। বাংলাদেশ ২০২১ সালে এসডিজি অগ্রগতি পুরস্কার পেয়েছে।’

 

তিনি উল্লেখ করেন যে, সর্বজনীন প্রাথমিক শিক্ষায় বাংলাদেশ উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে। শিক্ষার হার ২০০৬ সালের ৪৫ শতাংশ থেকে গত দেড় দশকে ৭৫.৬ শতাংশে উন্নীত হয়েছে।

 

তিনি বলেন, বর্তমানে, প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তির হার ৯৮ শতাংশ।

 

তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশ স্বাস্থ্য খাতেও উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে যেখানে গড় আয়ু ২০০৬ সালের ৫৯ বছর থেকে বেড়ে এখন ৭৩ বছর হয়েছে।

 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের শিশুমৃত্যুর হার ৮৪ থেকে প্রতি হাজারে ২১ এ নেমে এসেছে এবং মাতৃমৃত্যুর হার প্রতি লাখে ৩৭০ থেকে ১৬১ হয়েছে।’

 

তিনি বলেন, ১৮,৫০০ কমিউনিটি ক্লিনিক এবং গ্রামীণ স্বাস্থ্যকেন্দ্র স্বাস্থ্যসেবা গ্রামীণ মানুষের দোরগোড়ায় নিয়ে যাচ্ছে।

 

 

জাতিসঙ্ঘ একটি প্রস্তাব গ্রহণ করে এই প্রচেষ্টাকে ‘শেখ হাসিনা উদ্যোগ’ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। আমরা কোভিড-১৯ ব্যবস্থাপনায়ও প্রশংসনীয় সাফল্য অর্জন করেছি।

 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, নারীর ক্ষমতায়নে বাংলাদেশ শক্তিশালী চ্যাম্পিয়ন।

 

ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের জেন্ডার গ্যাপ ইনডেক্স রিপোর্ট-২০২২ অনুযায়ী দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ শীর্ষে রয়েছে।

 

তিনি আরো বলেন, ‘আমরা ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের জ্ঞানভিত্তিক, আধুনিক, উন্নত দেশ বা সোনার বাংলায় রূপান্তরিত করতে চাই।’ সূত্র : বাসস

 

পাটের দাম কম, লোকসানে সাতক্ষীরার কৃষক

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি

সাতক্ষীরায় নতুন পাটের আশানুরূপ মূল্য না পাওয়ায় কৃষকেরা লোকসানের মুখে পড়ছেন। পাটের এমন দরপতনে চাষিদের উৎপাদন খরচও উঠছে না। এদিকে পাটের দরপতনের কারণে অধিকাংশ ব্যবসায়ী পাট কিনছেন না। আর যাঁরা কিনছেন, তাঁদের কাছে কম দরেই চাষিরা পাট বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন।

 

কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে পাট চাষ করতে যা খরচ হয়েছে, বিক্রি করে ওই খরচ উঠছে না। বিশেষ করে ইজারা নিয়ে কিংবা বর্গাচাষিদের বিঘাপ্রতি পাঁচ হাজার থেকে সাত হাজার টাকা লোকসান হচ্ছে। কৃষকদের অভিযোগ সরকারিভাবে সরবরাহ করা রবি পাট-১ (দেশি) জাতের বীজে উৎপাদন অনেক কম হয়েছে। ফলে লোকসান বেড়েছে। চলতি বছর পাটের মূল্য না পাওয়ায় তাঁরা আগামী বছর আর পাট চাষ করবেন না।

 

 

 

সাতক্ষীরা জেলা কৃষি বিভাগের উপপরিচালকের কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, চলতি বছর জেলার সাতটি উপজেলায় ১১ হাজার ৬২০ হেক্টর জমিতে পাট চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। এর মধ্যে দেশি জাতের পাট চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয় ২০ হেক্টর জমিতে আর তুষা জাতের পাট চাষের লক্ষ্যমাত্রা ১১ হাজার ৬০০ হেক্টর জমিতে। সেখানে আবাদ হয়েছে ১১ হাজার ৮৫৩ হেক্টর জমিতে। এর মধ্যে দেশি জাতের পাট আবাদ হয়েছে ৮২ হেক্টর জমিতে আর তুষা জাতের পাট আবাদ হয়েছে ১১ হাজার ৭৭১ হেক্টর জমিতে। সব মিলিয়ে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে চলতি মৌসুমে ২৩৩ হেক্টর বেশি জমিতে পাট চাষ হয়েছে।

 

সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ঝাউডাঙ্গা এলাকার পাটচাষি মনিরুল ইসলাম বলেন, তিনি গত বছর চার বিঘা জমিতে পাট চাষ করেছিলেন। খরচ বাদ দিয়ে যে পাট হয়েছিল, তাতে তাঁর বিঘাপ্রতি চার থেকে পাঁচ হাজার টাকা লাভ হয়েছে। গত বছর প্রতি মণ পাট বিক্রি করেছিলেন এ সময়ে ২ হাজার ৬৫০ টাকা থেকে ২ হাজার ৭০০ টাকায়। এবার বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৭০০ টাকা থেকে ১ হাজার ৮০০ টাকায়। খরচ বাদে তাঁর প্রতি বিঘায় লোকসান হচ্ছে সাত হাজার। একই কথা বলেন সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ফিংড়ি গ্রামের পাটচাষি সুশংকর বিশ্বাস, হাচিম গ্রামের প্রশাস্ত ঘোষ, গোবিন্দকাটি গ্রামের জহুরুল ইসলাম ও ওয়ারিয়া গ্রামের রবিউল ইসলাম। তবে নিজের জমি হলে লোকসান কমে দুই হাজার টাকা হবে।

 

 

ঝাউডাঙ্গা মোকামের আড়তদার সুব্রত ঘোষ জানান, গত বছর তিনি ২০ হাজার মণ পাট কিনেছিলেন। প্রথম অবস্থায় কিছু লাভে বিক্রি করতে পারলেও পরে লোকসানে বিক্রি করেছেন প্রায় ছয় হাজার মণ। পাটের চাহিদা না থাকায় তিনি এবার পাঠ কেনা বন্ধ করেছেন। একই মোকামের আবদুল খালেক গত বছর পাট কিনেছিলেন আট হাজার মণ। শেষের দিকে ক্রেতা না থাকায় প্রায় এক লাখ টাকা লোকসান হয়েছে। চলতি মৌসুমে পাট উৎপাদনের জন্য কৃষকদের আগাম টাকা দিয়েছিলেন। ওই সব কৃষকদের কাছ থেকে শুধু পাট কিনছেন বাধ্য হয়ে।

 

কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এক বিঘা জমি পাট চাষের জন্য উপযোগী করতে ১ হাজার ৮০০ টাকা খরচ হয়। তিনবারে নিড়ানির জন্য খরচ হয় ৩ হাজার ৫০০ টাকা, বীজ খরচ ৩০০ টাকা, সার ও কীটনাশক ৫ হাজার টাকা, সেচ ৮০০ টাকা, কাটা ৬ হাজার টাকা এবং ধোয়া ও শুকানো ৪ হাজার ৭৫০ টাকা। সব মিলিয়ে এক বিঘা জমি চাষ করতে খরচ হয় ২২ হাজার ১৫০ টাকা। বিঘাপ্রতি তুষা জাতের পাট উৎপাদন হয় ১০ মণ আর দেশি পাট উৎপাদন হয় ৯ মণ। সেই হিসাবে ১০ মণ পাট বিক্রি হয় ১৮ হাজার টাকায়। পাশাপাশি এক বিঘা জমির পাটখড়ি বিক্রি করা যাচ্ছে আড়াই হাজার টাকায়।

 

সাতক্ষীরা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. সফিকুল ইসলাম জানান, পাট উৎপাদনের পরপরই সব কৃষক একসঙ্গে পাট বাজারে নিয়ে গেলে আড়তদারেরা তাঁদের ইচ্ছেমতো মূল্য দেন। যদি কিছুদিন রেখে কৃষক বিক্রি করেন, সে ক্ষেত্রে দাম ভালো পাওয়া যায় উল্লেখ করে তিনি বলেন, সরকার কর্তৃক মূল্য নির্ধারণ হলে কৃষকেরা লোকসানে পড়ত না।