দিঘলিয়া প্রতিনিধিঃ
খুলনার রেলিগেট-নগরঘাট ফেরিতে ৭ দিনের তদন্ত চলা অবস্থায় রেলিগেট পাড়ে ফেরির ইজারাদার ফিরোজ মোল্লা অবৈধ চাঁদাবাজি ও ফেরিতে রশিদ ছাড়া অতিরিক্ত টোল উত্তোলন চলছে।
রশিদ ছাড়া অতিরিক্ত টোল আদায় ও চাঁদাবাজি বন্ধের আরজি নিয়ে ভুক্তভোগীরা কয়েকদফা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দাখিল পর সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আনিসুজ্জামান মাসুদ গত ২৭ আগষ্ট থেকে ৭ দিনের সময় বেঁধে দিয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করে ফেরিতে পাঠিয়েছেন একটি তদন্ত টিম, কিন্তু তদন্ত কর্মকর্তার উপস্থিতিতেই রেলিগেট পাড়ের চাঁদাবাজি ও ফেরিতে রশিদ ছাড়া অতিরিক্ত টোল উত্তোলন চলছে। চাঁদাবাজি ও অতিরিক্ত টোল উত্তোলনের বিষয়ে জানতে চাইলে তদন্ত কর্মকর্তা জানান, আমাকে শুধু গাড়ি কাউন্টিং এর জন্য পাঠানো হয়েছে অতিরিক্ত টোল ও চাঁদাবাজি এটা আমার দেখার বিষয় নয়। ভুক্তভোগীদের প্রশ্ন তদন্তের নামে সংশ্লিষ্ট সংস্থা আমাদের সাথে প্রতারণা করছে?
উল্লেখ্য, ইতিপূর্বে উপ-বিভাগীয় প্রধান প্রসেনজিৎ পালকে প্রধান করে ৩ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছিল। তদন্ত কমিটির তদন্ত প্রতিবেদনে ফেরি ও ফেরিঘাটের বিভিন্ন অনিয়মের বিষয়টি উঠে আসার পরও ইজারাদারের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। গত ১৩ই আগস্ট জেলা আইনশৃঙ্খলা মাসিক সভায় ফেরির বিভিন্ন অনিয়মের বিষয়টি উত্থাপিত হলে নির্বাহী প্রকৌশলী সরেজমিনে এসে সকল অনিয়ম দূর করার জন্য ইজারাদারকে মৌখিকভাবে সতর্ক করে সাত দিনের সময় বেঁধে দিয়ে যান, কিন্তু কে শোনে কার কথা।
প্রতি মাসে উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা মাসিক সভায় অনিয়ম ও চাঁদাবাজির বিষয়ে উত্থাপিত হচ্ছে, খুলনা পুলিশ সুপার অফিসের তদন্ত, বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দাখিলের পর, বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় লেখালেখির পরও বন্ধ হচ্ছে না ইজারাদারের চাঁদাবাজি। ভুক্তভোগীরা ইজারাদার ফিরোজ মোল্লা ও তার নিয়োজিত চাঁদাবাজ সিদ্দিক মুন্সী, দেলোয়ার ও গনিমিয়ার বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য দুর্নীতি দমন কমিশন দুদক, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ।










































