Home আঞ্চলিক সারা খুলনাঞ্চল’র খবর

সারা খুলনাঞ্চল’র খবর

30

আষাঢ়স্য প্রথম দিবস আজ

স্টাফ রিপোর্টার

মন চায় হৃদয় জড়াতে কার চিরঋণে/আজি ঝরো ঝরো মুখর বাদরদিনে…। সেই বাদরদিনের, বাদল-দিনের শুরু হলো। এসেছে বরষা, এসেছে নবীনা বরষা। আজ সোমবার ১ আষাঢ়, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ। আষাঢ়স্য প্রথম দিবস থেকে আনুষ্ঠানিক সূচনা হলো প্রিয় ঋতু বর্ষার। ষড়ঋতুর বাংলাদেশে বর্ষা খুব, খুবই উল্লেখযোগ্য। বছর ঘুরে আবারও এসেছে বর্ষণমুখর দিন। এরই মাঝে বদলাতে শুরু করেছে প্রকৃতি। এতদিনের রুক্ষ শুষ্ক প্রকৃতি বৃষ্টির জলে ধুয়ে সবুজ সতেজ হচ্ছে। উর্বর হচ্ছে ফসলের মাঠ। কবিগুরুর ভাষায়: তোমার মন্ত্রবলে পাষাণ গলে, ফসল ফলে-/মরু বহে আনে তোমার পায়ে ফুলের ডালা…। বর্ষাকে স্বাগত জানিয়ে নজরুল লিখেছেন: রিম্ঝিম্ রিম্ঝিম্ ঘন দেয়া বরষে।/কাজরি নাচিয়া চল, পুর-নারী হরষে…। ভাটি বাংলার সাধক উকিল মুন্সি ঘাটে নতুন পানি দেখে উতলা হয়ে গেয়েছিলেন: যেদিন হইতে নয়া পানি আইলো বাড়ির ঘাটে সখি রে/অভাগিনীর মনে কত শত কথা ওঠে রে…। বাঙালীর হৃদয়ে জমে থাকা কথা বর্ষায় ভাষা পায়। মন জাগিয়ে দিতে, আবেগ ভালবাসায় ভরিয়ে দিতে আসে বর্ষা। এবারও এসেছে। ষড়ঋতুর বাংলাদেশে অনেক কিছুই আর আগের মতো নেই। বর্ষাও দিন ক্ষণ অতো মানে না। অনেক দিন আগে থেকেই বৃষ্টি হচ্ছিল। ঝড়ো হাওয়া ভারি বর্ষণ মূলত আভাস দিচ্ছলÑ বর্ষা আসছে। আর প্রকৃত শুরু আজ থেকে। ঋতুর হিসেবে আষাঢ়-শ্রাবণ দুই মাস বর্ষাকাল। এ সময় জলীয় বাষ্পবাহী দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু সক্রিয় হয়ে ওঠে। ফলে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়। বছরের সবচেয়ে বেশি বৃষ্টি রেকর্ড করা হয় বর্ষায়। নিয়মিত বর্ষণে বদলে যায় চারপাশের পরিবেশ। বর্ষার ভারি বর্ষণে শরীর ধুয়ে নেয় প্রকৃতি। বেলী, বকুল, জুঁই, দোলনচাঁপা, গন্ধরাজ, হাসনাহেনার ঘ্রাণে ভরে ওঠে চারপাশ। আর মিষ্টি হাসি হয়ে ফোটে ‘বাদল দিনের প্রথম কদম ফুল।’ ময়ূর পেখম মেলে নাচে। বর্ষার অপরূপ রূপ দেখা যায় গ্রামবাংলায়। বিশেষ করে হাওড় অঞ্চলে। এ সময় বৃহত্তর সিলেট ও কিশোরগঞ্জের হাওড়ের ছবিটা আমূল বদলে যায়। গ্রীষ্মে হাওড়ের যে অংশ হাঁটার পথ, বর্ষায় তা অথৈ জলের নদী। শুকনো মৌসুমে যে জায়গায় হালচাষ করে কৃষক, ভরা বর্ষায় সেখানে জাল ফেলে মাছ ধরে জেলে। বর্ষায় ভাটি অঞ্চলের বাবা-মায়েরা নৌকোয় করে তাদের মেয়েকে নাইওর আনার ব্যবস্থা করেন। সেই দৃশ্য দেখে ভাটির বাউলেরা আরও গভীরতর অনুভূতির জায়গা চলে যান। তারা গেয়ে ওঠেন- গাঙে দিয়া যায়রে কত নায়-নাইওরির নৌকা সখি রে/মায়ে-ঝিয়ে বইনে-বইনে হইতেছে যে দেখা রে…। বর্ষায় এসব অঞ্চলে বিয়ের ধুম পড়ে। নৌকো করে বরযাত্রা। বউ নিয়ে বাড়ি ফেরা, সেও নৌকোয়। এ দৃশ্যটাও অদ্ভুত সুন্দর। প্রকৃতি পরিবেশের পাশাপাশি মানুষের হৃদয়েও নানাভাবে ক্রিয়া করে বর্ষা। মন মেঘের সঙ্গী হতে চায়। কবিগুরুর ভাষায়: মন মোর মেঘের সঙ্গী,/উড়ে চলে দিগ্দিগন্তের পানে/নিঃসীম শূন্যে শ্রাবণবর্ষণসঙ্গীতে/রিমিঝিম রিমিঝিম রিমিঝিম…। বর্ষায় মন কখনো ‘ময়ূরের মতো নাচে রে।’ আবার কখনো বেদনায় বেদনায় ডুবায়। তুমি যদি না দেখা দাও, কর আমায় হেলা,/কেমন করে কাটে আমার এমন বাদল-বেলা…। প্রিয়জন ছাড়া যেন কাটতে চায় না দিন। কারও কারও বুকে বাজে হারানোর ব্যথা। বর্ষায় সে যন্ত্রণার কথা কথা জানিয়ে কবি লিখেন: চেনা দিনের কথা ভেজা সুবাসে,/অতীত স্মৃতি হয়ে ফিরে ফিরে আসে।/এমনি ছলছল ভরা সে-বাদরে/তোমারে পাওয়া মোর হয়েছিল সারা…। আরও বহুকাল আগে রিক্ত বৈষ্ণব কবি বিদ্যাপতি লিখেছিলেন: এ সখি হামারি দুখের নাহি ওর।/এ ভরা ভাদর/মাহ ভাদর/শূন্য৬ মন্দির মোর…। এখানেই শেষ নয়, মহাকবি কালিদাস দেশান্তরিত যক্ষকে বর্ষাকালেই বিরহে ফেলেছিলেন। এসব বিবেচনায় বিরহের ঋতু বটে বর্ষা। বাদল দিনে বিরহকাতর হয়ে ওঠা বাঙালী মনের ব্যবচ্ছেদ করতে গিয়ে সমকালীন কবি নির্মলেন্দু গুণ বলেছেন, বর্ষাই একমাত্র নারী। একমাত্র রমণী। তিনি আমাদের প্রিয় দ্রৌপদী। বাকি পাঁচ ঋতু হচ্ছে মহাভারতের পঞ্চপা-ব! হয়তো এ কারণেই বর্ষায় বিরহ বেড়ে যায়। আমরা দেখি লোককবি দুর্বিন শাহ গাইছেন- প্রাণ সখিরে, আষাঢ় মাসে নতুন জোয়ার, ডুবায় গাঙ্গের দুটি পাড়/খেলব সাঁতার কারে সঙ্গে লইয়া…। আর নজরুলের সেই বিখ্যাত গান তো সকল বিরহীর: শাওন আসিল ফিরে সে ফিরে এলো না/বরষা ফুরায়ে গেল আশা তবু গেল না…। অন্যত্র প্রেমের কবি লিখেছেনÑ অথৈ জলে মাগো, মাঠ-ঘাট থৈ থৈ/আমার হিয়ার আগুন নিভিল কই…। এভাবে অসংখ্য কবিতারও জন্ম হয় বর্ষায়। বলা হয়ে থাকে, বর্ষা ঋতুতেই জীবনের প্রথম কাব্য রচনা করেন বাংলার কবিরা। পরিণত কবিও বর্ষাকে আশ্রয় করেন। সিলেট, সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কিশোরগঞ্জ, নেত্রকোনা এই সাতটি জেলার লোককবিরা বর্ষা দ্বারা বিশেষ প্রভাবিত হয়েছেন। তাদের কালজয়ী সৃষ্টি সে কথা বলে চলেছে। অবশ্য বর্ষার সবই উপভোগ্য উপকারের- এমনটি বলা যাবে না। ভারি বর্ষণে, পাহাড়ী ঢলে গ্রামের পর গ্রাম যে ভাসিয়ে নেয় সে-ও বর্ষা! অপেক্ষাকৃত নিচু এলাকার মানুষ এ সময় বন্যার আশঙ্কায় থাকে। কখনও কখনও কৃষকের ফসল পানিতে তলিয়ে যায়। শিলাবৃষ্টিতে নষ্ট হয়। শাহ আবদুল করিমের ভাষায় : আসে যখন বর্ষার পানি ঢেউ করে হানাহানি/ গরিবের যায় দিন রজনী দুর্ভাবনায়/ ঘরে বসে ভাবাগুনা নৌকা বিনা চলা যায় না/বর্ষায় মজুরি পায় না গরিব নিরুপায়…। একইভাবে ঝড়ে খেই হারানো জেলের নৌকোটি ঘাটে সব সময় ফিরতে পারে না! আর কর্দমাক্ত পথে পা পিছলে পড়ার গল্প তো প্রতিদিনের। বর্ষার কাছে কবিগুরুর তাই প্রার্থনা করে বলেন, এমন দিনে সকলের সবুজ সুধার ধারায় প্রাণ এনে দাও তপ্ত ধারায়,/বামে রাখ ভয়ঙ্করী বন্যা মরণ-ঢালা…।

রেড-ইয়েলো-গ্রিন জোনে যেভাবে কাজ চলবে

ঢাকা অফিস

করোনা সংক্রমণ রোধে জোনভিত্তিক লকডাউন বাস্তবায়নে কাজ শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন। স্বাস্থ্য অধিদফতর ইতোমধ্যে রেড, ইয়েলো ও গ্রিন জোনে কীভাবে কাজ হবে সেজন্য একটি গাইডলাইন প্রণয়ন করেছে। রবিবার (১৪ জুন) এই গাইডলাইন প্রকাশ করে স্বাস্থ্য অধিদফতর।

রেড জোন- উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা:

১। স্বাস্থ্যবিধি মেনে বর্ধিত শিফটে কৃষিকাজ করা যাবে

২। স্বাস্থ্যবিধি মেনে গ্রামাঞ্চলে কলকারখানা ও কৃষিপণ্য উৎপাদন কারখানায় কাজ করা যাবে, তবে শহরাঞ্চলে সব বন্ধ থাকবে।

৩। বাসা থেকেই অফিসের কাজ করবে।

৪। কোনও ধরনের জনসমাবেশ করা যাবে না। কেবল অসুস্থ ব্যক্তি হাসপাতালে যেতে পারবে।

৫। স্বাস্থ্যবিধি মেনে শুধু জরুরি প্রয়োজনে বাসা থেকে বের হতে পারবে, রিকশা, ভ্যান, সিএনজি, ট্যাক্সিতে বা নিজস্ব গাড়ি চলাচল করবে না।

৬। সড়ক পথ, নদী পথ ও রেল পথে জোনের ভেতরে কোনও যান চলাচল করবে না।

৭। জোনের ভেতর ও বাইরে মালবাহী জাহাজ কেবল রাতে চলাচল করতে পারবে।

৮। এই জোনের অন্তর্গত মুদি দোকান, ওষুধের দোকান খোলা থাকবে। রেস্টুরেন্ট ও খাবার দোকানে কেবল হোম ডেলিভারি সার্ভিস চালু থাকবে এবং বাজারে শুধু প্রয়োজনে যাওয়া যাবে। তবে শপিং মল সিনেমা হল, জিম/স্পোর্টস কমপ্লেক্স, বিনোদন কেন্দ্র বন্ধ থাকবে।

৯। আর্থিক লেনদেন বিষয়ক কার্যক্রম, যেমন- টাকা জমাদান, উত্তোলন স্বাস্থ্যবিধি মেনে কেবল এটিএম-এর মাধ্যমে করা যাবে।

১০। উক্ত এলাকার রোগীদের পর্যাপ্ত পরিমাণ নমুনা পরীক্ষার করতে হবে, শনাক্ত রোগীরা আইসোলেশনে (বাড়িতে আইসোলেশন সেন্টারে) থাকবে।

১১। মসজিদ উপাসনালয়ে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে ইবাদত করা যাবে।

ইয়েলো জোন- মাঝারি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা:

১। স্বাস্থ্যবিধি মেনে কৃষিকাজ করা যাবে।

২। স্বাস্থ্যবিধি মেনে কলকারখানা ও কৃষিপণ্য উৎপাদন কারখানায় ৫০ শতাংশ কর্মী কাজ করবে এবং জনসংকীর্ণ কারখানায় ৩৩ শতাংশ কর্মী বর্ধিত শিফটে কাজ করতে পারবে।

৩। স্বাস্থ্যবিধি মেনে অফিসে ৫০ শতাংশ কর্মী কাজ করবে। বাকিরা বাসা থেকেই কাজ করবে।

৪। ৩০ জনের বেশি জনসমাবেশ করা যাবে না।

৫। স্বাস্থ্যবিধি মেনে শুধু প্রয়োজনে বাসা থেকে বের হতে পারবে, রিকশা, ভ্যান, সিএনজি বা ট্যাক্সিতে একজন করে চলাচল করবে, ট্যাক্সি বা নিজস্ব গাড়িতে চলাচল করা যাবে।

৬। সড়ক পথ, নদী পথ ও রেল পথে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলাচল করা যাবে।

৭। জোনের ভিতরে ও বাইরে মালবাহী জাহাজ চলাচল করতে পারবে।

৮। এই জোনের অন্তর্গত মুদি দোকান, ওষুধের দোকান খোলা থাকবে, রেস্টুরেন্ট ও খাবার দোকানে কেবল হোম ডেলিভারি সার্ভিস চালু থাকবে এবং বাজারে শুধু নিত্যপ্রয়োজনে যাওয়া যাবে। তবে শপিং মল, সিনেমা হল, জিম, স্পোর্টস কমপ্লেক্স, বিনোদন কেন্দ্র বন্ধ থাকবে।

৯। আর্থিক লেনদেন বিষয়ক কার্যক্রম, যেমন- টাকা জমাদান-উত্তোলন স্বাস্থ্যবিধি মেনে সীমিত আকারে করা যাবে।

১০। উক্ত এলাকার রোগীদের পর্যাপ্ত পরিমাণ নমুনা পরীক্ষা করতে হবে, শনাক্ত রোগীরা আইসোলেশনে (বাড়িতে বা আইসোলেশন সেন্টারে) থাকবে। স্থানীয়ভাবে পর্যাপ্ত আইসোলেশনের ব্যবস্থা থাকবে।

১১। মসজিদ, উপাসনালয়ে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে ইবাদত করা যাবে।

সবুজ জোন, নিম্ন ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা:

১। স্বাস্থ্যবিধি মেনে কৃষিকাজ করা যাবে।

২। স্বাস্থ্যবিধি মেনে কলকারখানা ও কৃষি পণ্য উৎপাদন কাজ করা যাবে।

৩। স্বাস্থ্যবিধি মেনে অফিস খোলা থাকবে।

৪। ৩০ জনের বেশি জনসমাবেশ করা যাবে না।

৫। স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলাচল করা যাবে, তবে প্রয়োজন ছাড়া কিংবা আড্ডা দেওয়ার জন্য বের হওয়া যাবে না।

৬। সড়ক পথ, নদী পথ ও রেল পথে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলাচল করা যাবে।

৭। জোনের ভেতরে ও বাইরে মালবাহী জাহাজ চলাচল করতে পারবে।

৮। এই জোনের অন্তর্গত মুদি দোকান, ওষুধের দোকান, রেস্টুরেন্ট, চায়ের দোকান, সেলুন, বাজার ইত্যাদি স্বাস্থ্যবিধি মেনে খোলা রাখা যাবে। তবে শপিং মল, সিনেমা হল, জিম, স্পোর্টস কমপ্লেক্স, বিনোদন কেন্দ্র বন্ধ থাকবে।

৯। আর্থিক লেনদেন বিষয়ক কার্যক্রম, যেমন টাকা জমাদান-উত্তোলন স্বাস্থ্যবিধি মেনে সীমিত আকারে করা যাবে।

১০। উক্ত এলাকার রোগীর নমুনা পরীক্ষার সহজগম্যতা থাকতে হবে, শনাক্ত রোগীরা আইসোলেশনে (বাড়িতে বা আইসোলেশন সেন্টারে) থাকবে।

১১। মসজিদ-উপাসনালয়ে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে ইবাদত করা যাবে।

এছাড়া সব জোনের জন্য পালনীয় সাধারণ নিয়মাবলিতে বলা হয়েছে-

১। এলাকার সবাইকে বাধ্যতামূলক মাস্ক পরতে হবে, হাত ধোয়া, জীবাণুমুক্তকরণ ও পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে।

২। করোনা রোগ/সংক্রমণ শনাক্তকরণ, তাদের আইসোলেশন ও চিকিৎসা প্রদানের ব্যবস্থা করতে হবে।

৩। কন্টাক্ট ট্রেসিং ও তাদের কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিত করতে হবে।

৪। স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র, হাসপাতাল, জরুরি সেবামূলক প্রতিষ্ঠান খোলা থাকবে, অসুস্থ ব্যক্তি পরিবহনকারী যান, ব্যক্তিগত গাড়ি ও অ্যাম্বুলেন্স কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে চলাচল করবে।

৫। সকল প্রকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান- স্কুল, কলেজ, কোচিং সেন্টার বন্ধ থাকবে।

৬। স্থানীয় প্রশাসনের অনুমতি ছাড়া জনগণ এক জোন থেকে অন্য জোনে যাতায়াত করতে পারবে না। প্রত্যেক এলাকায় সীমিত পরিমাণে প্রবেশ ও বহিরাগমন পয়েন্ট নির্ধারণ করে কঠোরভাবে জনগণের যাতায়াত নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।

৭। এসব কার্যক্রম তদারকির জন্য কার্যকরী সামাজিক সম্পৃক্ততা এবং মাঠকর্মীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আরেক দফা ছুটি বাড়ছে

ঢাকা অফিস

করোনাভাইরাসের বিস্তার রোধ ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি আরেক দফা বাড়ানো হচ্ছে। আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত ছুটি বাড়ানোর নির্দেশনা সোমবার (১৫ জুন) শিক্ষা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে জারি করার কথা রয়েছে। শিক্ষা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

এর আগে গত ২৮ মে সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য ১৫ জুন পর্যন্ত ছুটি বাড়ানো হয়। এই ছুটির শেষ দিনে আবারও ছুটি বাড়ানোর নির্দেশনা দেওয়া হবে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আকরাম-আল-হোসেন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘চলতি মাস (৩০ জুন) পর্যন্ত ছুটি বাড়ছে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আজ (রবিবার) কথা হয়েছে। কাল সিদ্ধান্ত নেবো।’

প্রসঙ্গত, করোনাভাইরাসের বিস্তার রোধ ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তায় এ পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি কয়েক দফা বাড়ানো হয়। গত ১৭ মার্চ থেকে ১৫ জুন পর্যন্ত সাধারণ ছুটির সময় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। ছুটির সময় শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এমনকি ঘরে বসেই শিক্ষার্থীদের অনলাইনে পাঠদানের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ছুটি বাড়াতে মন্ত্রণালয়ের দুটি প্রস্তাবনা রয়েছে। একটি হলো ৩০ জুন পর্যন্ত এবং আরেকটি হচ্ছে ৩০ জুনের পরও ছুটি বাড়ানো। তবে আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত ছুটির বিষয়টি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য ‘আমার ঘরে আমার স্কুল’ শিরোনামে সংসদ টেলিভিশনে কাস চলছে এবং ইউটিউব চ্যানেলে ভিডিও কাস আপলোড করা হচ্ছে। এছাড়া, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য ‘ঘরে বসে শিখি’ শিরোনামে সংসদ টেলিভিশনে ভিডিও কাস চলছে। এই নামে একটি ওয়েব পোর্টালও ডেভেলপ করা হচ্ছে।

দীর্ঘ ছুটির কারণে সাধারণ এলাকার পাশাপাশি পাহাড়ি এলাকা, চরাঞ্চল ও হাওরসহ দুর্গম এলাকায় মোবাইল নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে শিক্ষার্থীদের পাঠদানের আওতায় আনারও চেষ্টা চলছে। পাশাপাশি কমিউনিটি রেডিও’র মাধ্যমে প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের পাঠদান কার্যক্রমের আওতায় আনার চিন্তাভাবনা হচ্ছে। তবে করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি কমিয়ে এবং কাস বাড়িয়ে ক্ষতিপূরণ করার কথা ভাবছে সরকার।

বনানী কবরস্থানে চির নিদ্রায় শায়িত হলেন বর্ষীয়ান রাজনীতিক নাসিম

বিশেষ প্রতিনিধি

চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন বর্ষীয়ান রাজনীতিক, মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, আওয়ামী লীগ সভাপতিমন্ডলীর সদস্য ও কেন্দ্রীয় ১৪ দলের সমন্বয়ক মোহাম্মদ নাসিম। রাজধানীর সোবহানবাগ জামে মসজিদ এবং বনানী কবরস্থান মসজিদে স্বাস্থ্য বিধি মেনে দু’দফা জানাজা শেষে রবিবার বেলা ১১টায় একাত্তরের এই বীর মুক্তিযোদ্ধাকে সম্পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বনানী কবরস্থানে দাফন করা হয়।

অনন্তলোকে গিয়েও প্রমাণ করে গেলেন কত বড় গণমানুষের নেতা ছিলেন শহীদ জাতীয় নেতা ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলীর পুত্র মোহাম্মদ নাসিম। করোনা সংক্রমণরোধে আগে থেকেই জানাজায় এবং দাফনের সময় মানুষকে আসতে বারণ করা হয়েছিল। চারদিকে পুলিশের ব্যারিকেড দিয়েও শোকার্ত মানুষকে থামানো যায়নি। শোকার্ত মানুষের আর্তনাদ ও আহাজারিতে শেষ বিদায়ের শ্রদ্ধায় দেশ যেন সেই স্বীকৃতি দিল তাকে। দেশের বর্ষীয়ান জনপ্রিয় নেতা ছিলেন ঠিকই। কিন্তু দেশের মানুষ যে তাকে হৃদয়ের মনিকোঠায় স্থান দিয়েছিল, কতটা ভালবাসত- করোনার কারণে স্বশরীরে উপস্থিত হতে না পারলেও তা দলমত নির্বিশেষে সব মানুষের শোকবার্তা, সামাজিক গণমাধ্যমে ব্যাপক ভালবাসার অর্ঘ তারই প্রমাণ দিয়েছে।

প্রথমে সিদ্ধান্ত ছিল বনানী কবরস্থানে মা আমেনা মনসুরের কবরেই দাফন করা হবে তার প্রিয় পুত্র জাতীয় নেতা মোহাম্মদ নাসিমের মরদেহ। কিন্তু ইসলামের শরিয়ত মতে, একই কবরে তিনজনের বেশি দাফন করা যায় না। বড় বড় আলেমদের সঙ্গে আলোচনার পর পরিবারের সদস্যরা নিজেরা বসে সেই সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করেন। মোহাম্মদ নাসিমের কবরে পরিবারের অন্য সদস্যরা ভবিষ্যতে যাতে ঠাঁই নিতে পারেন, সেই বিবেচনায় বনানী কবরস্থানের মায়ের কবরের অদূরে ঠিক করা সম্পূর্ণ আলাদা জায়গায় চিরনিন্দ্রায় শায়িত করা হয় রাজনীতির এই উজ্জ্বল নক্ষত্রকে।

এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে মোহাম্মদ নাসিমের বড় ছেলে সাবেক এমপি প্রকৌশলী তানভীর শাকিল জয় বলেন, ‘প্রথমে আমার দাদির (আমেনা মনসুর) কবরের পাশে বাবাকে দাফন করার কথা ছিল। পরে পারিবারিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলামকে অনুরোধ করে আলাদা একটা জায়গায় দাফন করেছি। আমার আম্মাসহ পারিবারিকভাবে আমরা চেয়েছি বাকি সবার কবর যেন একসঙ্গে হয়। তাছাড়া বড় বড় আলেম ও হুজুররা বলেছেন, এক কবরের উপর তিন জনের বেশি কবর দেয়া শরিয়তমত ঠিক হবে না। তাই আমার চাচা মারুফ আহমেদের কবরের কাছাকাছি বাবাকে দাফন করা হয়েছে। এ বিষয়টি আমরা প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনাকেও আমরা জানিয়েছি।’ তিনি জানান, ভারতীয় হাইকমিশনারও রবিবার আমাদের পরিবারের কাছে শোকবার্তা পাঠিয়ে আব্বার (মোহাম্মদ নাসিম) মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।

বনানীতে দ্বিতীয় জানাজা শেষে এই বীর মুক্তিযোদ্ধাকে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়। এ সময় বিউগলে বেজে ওঠে করুণ সুর। পরে জাতীয় ও দলীয় পতাকায় মোড়ানো হয় মোহাম্মদ নাসিমের কফিন। এরপর রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদের পক্ষে তার সামরিক সচিব মোহাম্মদ নাসিমের কফিনে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করেন। এরপর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে তার সামরিক সচিবও প্রয়াত জাতীয় এই নেতার কফিনে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানান।

পরে আওয়ামী লীগ ও ১৪ দলের পক্ষ থেকে প্রয়াত এই নেতার প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানানো হয়। এরপর সর্বস্তরের মানুষ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এর আগে সকাল সাড়ে নয়টায় রাজধানীর সোবহানবাগ মসজিদে মোহাম্মদ নাসিমের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর কিছুক্ষণের জন্য মরদেহ তার ধানমন্ডির বাসভবনে নেয়া হয়। বনানীতে জানাজা ও শ্রদ্ধা জানানো শেষে মোহাম্মদ নাসিমের মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয় বনানী কবরস্থানে। সেখানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে তাকে দাফন করা হয়।

সামাজিক দূরত্ব রক্ষায় জানাজা ও দাফন কাজে পুলিশের ব্যাপক তৎপরতা ছিল। বনানী কবরস্থানেই শায়িত আছেন মোহাম্মদ নাসিমের বাবা শহীদ জাতীয় চার নেতার অন্যতম ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী ও মাতা আমেনা মনসুর। বনানীতে জানাজায় উপস্থিত ছিলেন মরহুম মোহাম্মদ নাসিমের দুই ছেলে সাবেক এমপি তানভির শাকিল জয় এবং তন্ময় মনসুর। এছাড়া আওয়ামী লীগ নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন দলের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য ও কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক, এ্যাডভোকেট আব্দুল মতিন খসরু, এ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক, আব্দুর রহমান, রেলপথ মন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, মির্জা আজম, এস এম কামাল হোসেন, দফতর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, উপ-দফতর সম্পাদক সায়েম খান, কেন্দ্রীয় ডাঃ মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, জাতীয় পার্টির (জেপি) প্রেসিডিয়াম সদস্য এজাজ আহমেদ মুক্তা, গণআজাদী লীগের সভাপতি এসকে শিকদারসহ ১৪ দলের শরিক ওয়ার্কার্স পার্টি, জাসদ, সাম্যবাদী দল, গণতন্ত্র পার্টিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা।

জানাজায় শরিক হন ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ উত্তর ও দক্ষিণ, সহযোগী সংগঠন যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, কৃষক লীগ, শ্রমিক লীগ, ছাত্রলীগসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতাকর্মীরা। ঢাকা সিটি উত্তর সিটি কর্পোরেশন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন ও গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের মেয়রদের পক্ষ থেকেও মোহাম্মদ নাসিমের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়। মরহুমের পরিবারের পক্ষে জানাজায় পিতার জন্য দোয়া কামনা করেন মোহাম্মদ নাসিমের বড় ছেলে তানভির শাকিল জয়।

করোনা পরিস্থিতি বিবেচনায় সীমিত পরিসরে মোহাম্মদ নাসিমের জানাজার ব্যবস্থা করে আওয়ামী লীগ। বারবার সবার উদ্দেশে স্বাস্থ্যবিধি মানার কথা বলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম। কিন্তু মানুষের অনেক ভিড় ছিল অনেক। করোনা সংক্রমণ রোধে বনানী কবরস্থানে প্রবেশের সব প্রবেশমুখে কড়া ব্যারিকেড বসিয়ে সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ করা হয়, শ্রদ্ধা জানাতে আসা সাধারণ মানুষকে প্রবেশ না করতে বারংবার অনুরোধ করা হয়।

এদিকে আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য মোহাম্মদ নাসিমের মরদেহে শেষ শ্রদ্ধা জানিয়েছেন করোনা থেকে মুক্ত হওয়া গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডাঃ জাফরুল্লাহ চৌধুরী। রবিবার সকালে ধানমন্ডির গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতাল থেকে সরাসরি বনানী কবরস্থানে যান ডাঃ জাফরুল্লাহ চৌধুরী। তার সঙ্গে ছিলেন ‘জিআর কোভিড-১৯ ডট ব্লোট’ কিট প্রকল্পের সমন্বয়ক অধ্যাপক ডাঃ মুহিব উল্লাহ খোন্দকার এবং জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের দফতর প্রধান জাহাঙ্গীর আলম মিন্টু। প্রয়াত নেতার কফিনের সামনে দাঁড়িয়ে মুক্তিযোদ্ধা জাফরুল্লাহ চৌধুরী প্রয়াত মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ নাসিমকে স্যালুট করেছেন।

শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে দলের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক সাংবাদিকদের কাছে তার প্রতিক্রিয়ায় বলেন, ‘মোহাম্মদ নাসিম ভাইকে হারিয়ে আওয়ামী লীগ এবং দেশের অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে। আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা হারিয়েছেন একজন বিশ্বস্ত সহযোদ্ধাকে। বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন ছিল মোহাম্মদ নাসিম ভাইয়ের।’

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম বলেন, ‘বীর মুক্তিযোদ্ধা, অসম সাহসের অধিকারী, জনবান্ধব আপোসহীন নেতা ছিলেন মোহাম্মদ নাসিম। শেখ হাসিনার নেতৃত্বের প্রতি তিনি ছিলেন অবিচল।’

চট্টগ্রাম থেকে ফিরে সরাসরি বনানী কবরস্থানে গিয়ে মোহাম্মদ নাসিমের কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানান তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে ১৪ দলকে সংহত করতে মোহাম্মদ নাসিমের ভূমিকা ছিল অনন্য। তার মৃত্যু দেশ, রাজনীতি ও একইসঙ্গে আওয়ামী লীগের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি।

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ব্রেন স্ট্রোক হয়েছিল ৭২ বছর বয়সী মোহাম্মদ নাসিমের। লাইফ সাপোর্টে থাকা অবস্থায় শনিবার বেলা ১১টা ১০ মিনিটে মারা যান তিনি। ১৯৭৫ সালের ৩ নবেম্বর কারাগারে নিহত জাতীয় চার নেতার একজন এম মনসুর আলীর ছেলে মোহাম্মদ নাসিম সংসদে ষষ্ঠবারের মতো সিরাজগঞ্জ-১ আসনের মানুষের প্রতিনিধিত্ব করছিলেন। ১৯৮৬ সালে প্রথম সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন মোহাম্মদ নাসিম। এরপর ১৯৯১, ১৯৯৬, ২০০১, ২০১৪ ও ২০১৮ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন তিনি। শেখ হাসিনা ১৯৯৬ সালে সরকার গঠন করার পর ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান মোহাম্মদ নাসিম। পরের বছর মার্চে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বও তাকে দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মোহাম্মদ নাসিম এক সঙ্গে দুই মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন ১৯৯৯ সালের ১০ মার্চ পর্যন্ত। পরে মন্ত্রিসভায় রদ বদলে তিনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব পান। ২০১৪ সালে তাকে স্বাস্থ্যমন্ত্রী করেন শেখ হাসিনা। এবার মন্ত্রিত্ব না পেলেও দলের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য থাকার পাশাপাশি ১৪ দলীয় জোটের সমন্বয়ক ও মুখপাত্রের দায়িত্ব পালন করছিলেন মোহাম্মদ নাসিম। খাদ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতিও ছিলেন তিনি। রাজনীতির পাশাপাশি সমাজকল্যাণমূলক বিভিন্ন কর্মকান্ডে জড়িত ছিলেন মোহাম্মদ নাসিম। ঢাকাসহ নিজ এলাকা সিরাজগঞ্জে বেশ কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন করেছেন। মোহাম্মদ নাসিমের জন্ম ১৯৪৮ সালের ২ এপ্রিল সিরাজগঞ্জ জেলার কাজীপুর উপজেলায় এম মনসুর আলী ও মা মোসাম্মৎ আমেনা মনসুরের ঘরে।

শরণখোলায় আবারো দুই রাতে পাঁচ বাড়িতে চুরি

শরণখোলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি

বাগেরহাটের শরণখোলায় আবারো দুই রাতে পাঁচ বাড়িতে চুরি সংঘটিত হয়েছে। চোরেরা সিঁধ কেটে ঘরে প্রবেশ করে নগদ টাকা, মোবাইল ফোন, টিভি ও ইজি বাইকের ব্যাটারি চুরি করে নিয়ে যায়।

ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারগুলো জানায়, শনিবার দিবাগত গভীর রাতে একটি সংঘবদ্ধ চোরের দল সিঁধ কেটে উপজেলা সদরের উত্তর কদমতলা গ্রামের মোঃ সবুর মৃধার ঘর থেকে নগদ ১০ হাজার টাকা ও দুইটি মোবাইল ফোন, তার ভাই রুহুল মৃধার ঘর থেকে নগদ ৮ হাজার টাকা ও একটি মোবাইল ফোন এবং পার্শ্ববর্তী এলাকার শহিদুল হাওলাদারের ঘর থেকে চোরেরা ৪ হাজার টাকা ও একটি মোবাইল ফোন চুরি করে নিয়ে যায়। এছাড়া শুক্রবার দিবাগত রাতে দক্ষিণ রাজাপুর গ্রামের রেজাউল খানের ঘরে চোর প্রবেশ করে একটি এলইডি টেলিভিশন ও দুইটি মোবাইল ফোন এবং মালসা গ্রামের হবিব ফরাজির ইজিবাইকের চারটি ব্যাটারী চুরি করে নিয়ে যায়। গত ২৫ এপ্রিল থেকে ১৩ জুন পর্যন্ত একমাস ১৮ দিনে শরণখোলার বিভিন্ন হাট-বাজার ও গ্রামে অর্ধ শতাধিক চুরি সংঘটিত হয়েছে। শরণখোলা থানার অফিনার ইন চার্জ এসকে আব্দুল্লাহ আল সাইদ বলেন, এসব চুরির ব্যাপারে খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে। তাছাড়া, ছোটখাটো দু-একটি চুরির ঘটনা ঘটলেও এ বিষয়ে থানায় কেউ অভিযোগ করে না। এসব অপরাধ প্রবণতা ঠেকাতে শিগগরিই এলাকাভিত্তিক প্রতিরোধ কমিটি গঠন করা হবে।

মালয়েশিয়ায় বিদ্যুৎস্পর্শে বাংলাদেশী শ্রমিকের মৃত্যু

মণিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি :

মালয়েশিয়ায় বিদ্যুৎস্পর্শে আসাদুজ্জামান আসাদ (৪৫) নামে বাংলাদেশী এক শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। রোববার (১৪ জুন) বাংলাদেশ সময় সকাল ৬টার দিকে দেশটির সুবাং শহরে এঘটনা ঘটে। নিহত আসাদ যশোরের মণিরামপুর উপজেলার মুজগুন্নি গ্রামের মোকাম আলী বিশ্বাসের ছেলে। তিনি গত ১৫-১৬ বছর মালয়েশিয়ায় নির্মাণ শ্রমিক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। মণিরামপুরের শ্যামকুড় ইউপি চেয়ারম্যান মনিরুজ্জামান মনি মালয়েশিয়ায় আসাদুজ্জামানের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। নিহতের ছেলে আফজাল হোসেন মালয়েশিয়ায় পিতার কাছে কর্মরত আছেন। আফজালের বরাত দিয়ে ওই দেশে কর্মরত মুজগুন্নি গ্রামের নূর আলম বলেন, সাপ্তাহিক ছুটির দিন হওয়ায়  আজ (রোববার)  সকালে বাসায় ছিলেন আসাদ। সকাল ৬টার দিকে তিনি কক্ষের বাইরে গোসল করতে যান। এসময় পড়ে থাকা একটি তার গোছাতে গিয়ে বিদ্যুতায়িত হন আসাদ। বিদ্যুতের শক লেগে ছিটকে পড়েন তিনি। এসময় দেওয়ালে আঘাত লেগে গুরুত্বর আহত হয়ে মারা যান আসাদ।

এমইউজের একাংশের সাধারণ সম্পাদক (ভারপ্রাপ্ত) আবুল হাসান হিমালয়ের শ্বশুরের ইন্তিকাল

খবর বিজ্ঞপ্তি

মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন (এমইউজে) খুলনার সাধারণ সম্পাদক (ভারপ্রাপ্ত), খুলনা প্রেসকাবের সদস্য, দৈনিক সমকাল ও দৈনিক পূর্বাঞ্চলের স্টাফ রিপোর্টার আবুল হাসান হিমালয়ের শ্বশুর নূর ইসলাম ব্যাপারী (৭২) ইন্তিকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন)। আজ ১৪ জুন রোববার সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে বার্ধক্যজনিত কারণে চিকিৎসাধীন অবস্থায় খুলনা মহানগরীর শেখপাড়াস্থ নিজ বাসভবনে শেষ নি:শ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী এক মেয়ে, চার ছেলে, নাতি-নাতনি, আত্মীয়-স্বজন ও গুনগ্রাহী রেখে গেছেন। আছরবাদ শেখপাড়া বাজার আস্তানা জামে মসজিদে জানাজা শেষে বসুপাড়া কবরস্থানে দাফনের কথা রয়েছে।  নূর ইসলাম ব্যাপারী শেখপাড়া নতুন-পুরাতন লৌহ ব্যবসায়ী মালিক সমিতির সহ-সভাপতি ও ২০ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ছিলেন। এদিকে সাংবাদিক নেতা আবুল হাসান হিমালয়ের শ্বশুরের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করে বিবৃতি দিয়েছেন  বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন বিএফইউজের সভাপতি রুহুল আমিন গাজী ও মহাসচিব এম আব্দুল্লাহ, মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন (এমইউজে) খুলনার সভাপতি মো. আনিসুজ্জামান, সহ-সভাপতি এহতেশামুল হক শাওন ও কোষাধ্যক্ষ আব্দুর রাজ্জাক রানা, বিএফইউজের সাবেক সহ-সভাপতি ড. মো. জাকির হোসেন, সাবেক নির্বাহী সদস্য শেখ দিদারুল আলম ও এহতেশামুল হক শাওন।

বিএনপি নেতা বাবুর সুস্থতা কামনায় জেলা বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠন

খবর বিজ্ঞপ্তি

খুলনা জেলা বিএনপি’র যুগ্ম সম্পাদক, সাবেক ছাত্রনেতা আবু হোসেন বাবু করোনা’য় আক্রান্ত হয়েছেন। তার আশু রোগমুক্তি কামনা ও পরিবারের সকল সদস্যদের সুস্থ রাখবেন মহান রাব্বুল আলামিনের নিকট প্রার্থনা করে বিবৃতি দিয়েছেন খুলনা জেলা বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। বিবৃতিদাতারা হলেন খুলনা জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম মনিরুল হাসান বাপ্পী, সহ সভাপতি খান জুলফিকার আলী জুলু, মোস্তফা উল বারী লাভলু, শেখ আলী আজগর, ইলিয়াস মল্লিক, যুবদল সভাপতি এস এম শামীম কবির, স্বেচ্ছাসেকবদল সভাপতি তৈয়বুর রহমান, শ্রমিকদল সভাপতি বাবু উজ্জ্বল কুমার সাহা, যুবদল সাধারন সম্পাদক ইবাদুল হক রুবায়েদ, ওলামাদল আহবায়ক আলহাজ্ব হাফেজ মাও. ফারুক হোসেন, জাসাস আহবায়ক সাইদুজ্জামান খান, হাফিজুর রহমান, অধ্যাপক আইয়ুব আলী, মতিউর রহমান বাচ্চু, মিরাজুর রহমান মিরাজ, খান আইয়ুব আলী, স্বেচ্ছাসেকবদল সাধারন সম্পাদক আতাউর রহমান রুনু, শ্রমিকদল সাধারন সম্পাদক খান ইসমাইল হোসেন, ছাত্রদল সভাপতি আব্দুল মান্নান মিস্ত্রী, সাধারন সম্পাদক গোলাম মোস্তফা তুহিন, মহিলাদল সাধারন সম্পাদক এ্যাড. সেতারা সুলতানা, রফিকুল ইসলাম বাবু, মাসুদ জমাদ্দার, আরিফুর রহমান, শফিকুল ইসলাম শফিক, আবু মুসা, হাবিবুর রহমান হবি, আব্দুল মালেক, মাসুম বিল্লাহ, খান আনোয়ার হোসেন, শেখ ইউসুফ আলী, শেখ আব্দুর রহমান, হিরাঙ্গীর হোসেন হিরু, হিরু মোড়ল, মৎস্যজীবীদল সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক আজিজুল ইসলাম, ওলমাদল সদস্য সচিব হাফেজ মাও. নজরুল ইসলাম, জাসাস সদস্য সচিব শহিদুল ইসলাম শহিদ প্রমূখ।

ঝিনাইদহে নতুন করে আরও ১১ জন করোনায় আক্রান্ত

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

ঝিনাইদহে নতুন করে আরও ১১ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। এ নিয়ে জেলায় করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা দাড়ালো ৯৩ জন। সিভিল সার্জন ডাঃ সেলিনা বেগম জানান, রোববার সকালে খুলনা মেডিকেল কলেজ ল্যাব থেকে ঝিনাইদহে ৮৫ টি রিপোর্ট এসেছে। এর মধ্যে ১১ টি পজেটিভ। আক্রান্তরা হলেন হরিণাকুন্ডু উপজেলায় ২জন, কালীগঞ্জ উপজেলায় ৩ জন, কোটচাদপুর উপজেলায় ৫ জন এবং মহেশপুর উপজেলায় ১ জন। আক্রান্ত ৯৩ জনের মধ্যে সুস্থ্য হয়ে বাড়ী ফিরেছেন ৪৩ জন।

খুলনা জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা

তথ্য বিবরনী

খুলনা জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা রবিবার সকালে অনলাইনে (জুম প্রযুক্তি ব্যবহার করে) অনুষ্ঠিত হয়। খুলনার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হেলাল হোসেন তাঁর সম্মেলনকক্ষ থেকে সভায় সভাপতিত্ব করেন। সভায় খুলনা জেলায় যাতে করোনা পরিস্থিতি অবনতি না হয় তার জন্য জনসাধারণের স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে পুলিশ, বিজিবিসহ সংশ্লিষ্টদের তদারকি বাড়াতে হবে বলে সিদ্ধান্ত হয়। উপজেলাগুলোতে করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে প্রয়োজন হলে ঝুঁকিপূর্ণ ছোট ছোট এলাকাগুলো লকডাউন করার বিষয়ে আলোচনা হয়। সভায় আরও জানানো হয় খুলনা নগরীসহ উপজেলাগুলোতে বাড়িতে চিকিৎসা নেওয়া করোনায় আক্রান্ত রোগীরা পুলিশের নজরদারিতে আছেন। এছাড়া জনসাধারণকে মাস্ক ব্যবহারে উৎসাহিত করতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ ইউসুপ আলী জানান, গত মে মাসে খুলনা জেলায় মোট ১০৩টি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয় এবং ১৩২টি মামলা দায়ের করা হয়। জেলা পর্যায়ের বিভিন্ন দপ্তরের প্রধান, উপজেলা চেয়াম্যান ও  ইউএনওরা স্ব স্ব দপ্তরে বসে অনলাইনে এই সভায় অংশ নেন।

২০৪০ সালের মধ্যে তামাকমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় নিয়ে সেমিনার

তথ্য বিবরণী

বাংলাদেশকে ২০৪০ সালের মধ্যে তামাকমুক্ত করার প্রত্যয় নিয়ে খুলনায় সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমের আওতায় বিভাগীয় পর্যায়ের তামাক বিরোধী কমিটি রবিবার সকালে অনলাইনে (জুম প্রযুক্তি ব্যবহার করে) এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন খুললার বিভাগীয় কমিশনার ড. মুঃ আনোয়ার হোসেন হাওলাদার। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) হোসেন আলী খোন্দকার।

সেমিনারে জানানো হয়, তামাকের ধোঁয়ায়  মানবদেহের সাত হাজারের বেশি জন্য ক্ষতিকর রাসায়নিক আছে। এর মধ্যে ৭০টি উপাদান মানবদেহের ক্যান্সার সৃষ্টি করে। ৯০ ভাগ ফুসফুস ক্যান্সারের জন্য ধূমপান দায়ী। এছাড়া তামাক সেবনের মাধ্যমে ক্যান্সার, হৃদরোগ, স্ট্রোক, এ্যাজমা, ডায়বেটিকসহ বিভিন্ন অসংক্রমক রোগ হয়ে থাকে। তামাক মাদক সেবনের প্রবেশ পথ হিসেবে প্রমাণিত। বিশে^ প্রতিবছর ৭১ লাখের বেশি মানুষ তামাকের কারণে মৃত্যুবরণ করে।

অনুষ্ঠানে স্ব স্ব দপ্তরে বসে অনলাইনে যুক্ত হন খুলনা স্বাস্থ্য বিভাগের পরিচালক ডা. রাশেদা সুলতানা, খুলনা আঞ্চলিক তথ্য অফিসের উপপ্রধান তথ্য অফিসার ম জাভেদ ইকবাল, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) গোলাম মাঈনউদ্দিন হাসান, কর্মচারী কল্যাণ বোর্ডের উপপরিচালক মুঃ বিল্লাল হোসেন খান, বিভাগীয় শ্রম দপ্তরের পরিচালক মো. মিজানুর রহমান, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পরিচালক শাহীন বিন জামান, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষার উপপরিচালক নিভা রাণী পাঠকসহ বিভাগীয় পর্যায়ের ৩০ জন।

খুলনায় আগ্নেয়াস্ত্রের ই-লাইসেন্স কার্যক্রমের উদ্বোধন

তথ্য ব্বিরণী

খুলনায় আগ্নেয়াস্ত্রের ই-লাইসেন্স কার্যক্রমের উদ্বোধন ও বিতরণ অনুষ্ঠান রবিবার দুপুরে খুলনা জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। নুষ্ঠানে অনলাইন জুম প্রযুক্তি মাধ্যমে  প্রধান অতিথি ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান। প্রধান অতিথির বক্তৃতায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশের সুবিধা এখন সাধারণ মানুষ ঘরে বসে পাচ্ছেন। আগ্নেয়াস্ত্রের ই-লাইসেন্স কার্যক্রম একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ হিসেবে কাজ করবে। এরফলে উপকারভোগীরা যেমন ঘরে বসে লাইসেন্স নবায়ন সংক্রান্ত কাজ ঘরে বসে করতে পারবেন। তেমনি সকল আগ্নেয়াস্ত্রের একটি অনলাইন ডাটাবেজ তৈরি হবে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সহজে এসকল আগ্নেয়াস্ত্রের প্রয়োজনীয় তদারকি করতে পারবেন। তিনি আরও বলেন, সকল জেলায় পর্যায়ক্রমে আগ্নেয়াস্ত্রের ই-লাইসেন্স কার্যক্রম চাল হবে। অনুষ্ঠানে ঢাকা থেকে উদ্বোধক হিসেবে অনলাইনে যুক্ত ছিলেন খুলনা-২ আসনের সংসদ সদস্য সেখ সালাহউদ্দিন জুয়েল। খুলনা জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে হতে বিশেষ অতিথি ছিলেন খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন খুলনা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হেলাল হোসেন। এছাড়া অনলাইনে যুক্ত ছিলেন খুলনার বিভাগীয় কমিশনার ড. মুঃ আনোয়ার হোসেন হাওলাদার, খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার খন্দকার লুৎফুল কবির, খুলনা রেঞ্জ ডিআইজি ড. খঃ মহিদ উদ্দিনসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা। পরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানের পক্ষে খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক উপকারভোগীদের মাঝে আগ্নেয়াস্ত্রের ই-লাইসেন্স বিতরণ করেন। উল্লেখ্য, খুলনা জেলায় আগ্নেয়াস্ত্রের মোট লাইসেন্স দুই হাজার ৫৬১টি। এরমধ্যে প্রথম পর্যায়ে এক হাজার ৭৭টি আগ্নেয়াস্ত্রের ই-লাইসেন্স বিতরণ করা হবে।

রাজবাড়িতে সড়কে ঝরলো একই পরিবারের চারজনের প্রাণ

খুলনাঞ্চল রিপোর্ট

ঢাকায় যাওয়ার পথে রাজবাড়িতে সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের চার জন নিহত হয়েছেন। রবিবার সকাল ১০টার দিকে গোয়ালন্দ ঘাটের কাছে মর্মান্তিক এ দুর্ঘটনাটি ঘটে। এসময় আরো দুইজন আহত হয়েছেন। নিহতরা সকলেই মেহেরপুরের মুজিবনগর উপজেলার বল্লভপুর গ্রামের বাসিন্দা। এরা হলেন, ইউপি সদস্য শংকর বিশ্বাসের ছোট ভাই বিপুল বিশ্বাসের এর স্ত্রী সুব্রতা (৩০), ছেলে নিশান (৬), শাশুড়ি ডেজিনা (৫০) এবং শ্যালক শ্যামল (২৬)। দুর্ঘটনায় বিপুল বিশ্বাস ও প্রাইভেটকার চালক রাজনও আহত হয়েছেন। তাদের স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

আহত বিপুল বিশ্বাসের ভাই ইউপি সদস্য শংকর বিশ্বাস জানান, সকাল ৭টার দিকে তারা সকলে একটি প্রাইভেটকারে করে ঢাকা যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে সকাল ১০টার দিকে গোয়ালন্দ-ঢাকা সড়কে একটি ট্রাক পিছন থেকে কারটিকে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই ৪ জন প্রাণ হারান।

নাসিমের মৃত্যুতে ব্যঙ্গোক্তি, বেরোবি শিক্ষক মনিরা গ্রেপ্তার

খুলনাঞ্চল রিপোর্ট

আওয়ামী লীগের বর্ষীয়ান নেতা মোহাম্মদ নাসিমের মৃত্যুতে ফেসবুকে ব্যঙ্গোক্তি করায় পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছেন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) বাংলা বিভাগের প্রভাষক সিরাজাম মনিরা। গতকাল ১৩ জুন, শনিবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে তাকে সর্দারপাড়া এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে রংপুরের তাজহাট থানা পুলিশ। ছাত্রজীবনে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ইউনিয়নের সহ-সভাপতি সিরাজাম মুনিরাকে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের করা আইসিটি মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানা গেছে। তাকে গ্রেপ্তারের তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয় পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মুহিব্বুল ইসলাম। জানা যায়, ১৩ জুন, শনিবার আওয়ামী লীগের সভাপতিম-লীর সদস্য ও ১৪ দলের সমন্বয়ক মোহাম্মদ নাসিমের মৃত্যুর পরপরই তাকে ব্যঙ্গোক্তি করে একটি ফেসবুক পোস্ট দেন সিরাজাম মনিরা। তবে কিছুক্ষণ পরই সেটি মুছে ফেলেন তিনি। তবে ততক্ষণে স্পর্শকাতর সেই পোস্টটির স্ক্রিনশট ভাইরাল হয়ে যায়। এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় আওয়ামীপন্থী শিক্ষক সংগঠন ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে অভিযুক্তের চাকরিচ্যুতের দাবি জানান। তখন তার বিরুদ্ধে মামলা প্রস্তুতি নেয়া হয়। তবে তাকে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের করা আইসিটি আইনের মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে নিশ্চিত করেন মেট্রোপলিটন তাজহাট থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রবিউল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের করা আইসিটি আইনে করা মামলায় শিক্ষক সিরাজাম মুনিরাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মামলা নম্বর ৮, তারিখ ১৪/০৬/২০২০।’ তবে গ্রেপ্তারের পর তাকে কোথায় রাখা হয়েছে এবিষয়ে কিছু বলেননি তিনি। পুলিশের এই কর্মকর্তা বলেন, ‘নিরাপত্তার স্বার্থে বলা যাচ্ছেনা, তবে পুলিশ হেফাজতে আছেন।’ এ বিষয়ে ভিন্ন দাবি তুলে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগ সভাপতি তুষার কিবরিয়া বলেন, ‘আমার দায়ের করা মামলায় সিরাজাম মনিরাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, কিন্তু গ্রেপ্তারের ৩০ মিনিট পর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের লোকজন এসে প্রশাসনের মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর চেষ্টা করছে।’

মোড়েলগঞ্জে গভীর রাতে অগ্নিকান্ডে ৫ দোকান পুড়ে ছাই

মোড়েলগঞ্জ প্রতিনিধি

বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জ পৌর সদরের নব্বইরশি বাসষ্ট্যান্ডে শনিবার রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে ৫টি দোকান পুড়ে সম্পূর্ণ ভস্মিভূত হয়ে ১০ লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। অগ্নিকান্ডে রাসেল শেখ ও দুলাল শেখের মোটর যন্ত্রপাতির দোকান, লাল মিয়ার দোকান, আব্দুল আজিজের মাছের ডিপো, নান্না হাওলাদারের গ্যারেজ সম্পূর্ণ পুড়ে যায়। ক্ষতিগ্রন্থ দোকান মালিক রাসেল শেখের পিতা মাহাবুব শেখ জানান, অগ্নিকান্ডে তা ছেলের দোকানের ৬-৭ লক্ষ টাকার মালামাল পুড়ে গেছে। মোড়েলগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্সের ষ্টেশন অফিসার সঞ্জয় দেবনাথ জানান, ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ২ ঘন্টা কাজ করে আগুন নিয়ন্ত্রনে সক্ষম হয়। বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে এ অগ্নিকান্ডের সূত্রপাত হয়।

জাতীয় ওলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদ খালিশপুর থানা কমিটি গঠন

খবর বিজ্ঞপ্তি

রবিবার, সকাল ৮ টায় জাতীয় ওলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদ খালিশপুর থানা শাখার জরুরী সভা মোহাম্মাদি নূরানী মাদ্রাসায় অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন আইম্মা পরিষদ মহানগর সাধারণ সম্পাদক মুফতী আব্দুল্লাহ ইয়াহইয়া। বিশেষ অতিথি ছিলেন মহানগর সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতী আলী আহমাদ, জরুরী সভায় উপস্থিত ছিলেন,  মুফতী জাকির আশরাফ, মাওলানা হাফিজুর রহমান, হাফেজ মাওলানা শরিফুল ইসলাম, মুফতী আবু সালেহ, মাওলানা নাসির উদ্দীন আহসান, মুফতী আব্দুল্লাহ, মাওলানা মাজহারুল ইসলাম, মাওলানা মফিজুর রহমান, মাওলানা আবু জাফর মোঃ সালেহ, হাফেজ আব্দুল মালেক, মোঃ মেহেদী হাসান সহ বিভিন্ন মসজিদ ইমাম ওলামায়ে কেরাম। সভায় আহবায়ক কমিটি বিলুপ্ত করে পূণাঙ্গ কমিটি গঠন হয়। সভাপতি মুফতী আবু সালেহ, সাধারণ সম্পাদক মুফতী জাকির আশরাফ, সাংগঠনিক সম্পাদক হাফেজ মাওলানা শরিফুল ইসলাম।

খুলনা প্রেসকাবের শোক

খবর বিজ্ঞপ্তি

খুলনা প্রেসকাবের স্থায়ী সদস্য, দৈনিক সমকাল ও দৈনিক পূর্বাঞ্চলের স্টাফ রিপোর্টার আবুল হাসান হিমালয়ের শ্বশুর নূর ইসলাম ব্যাপারী (৭২) রোববার সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে বার্ধক্যজনিত কারণে খুলনা মহানগরীর শেখপাড়াস্থ নিজ বাড়িতে ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি … রাজিউন)। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক মেয়ে, চার ছেলে, নাতি-নাতনি, আত্মীয়-স্বজন ও গুনগ্রাহী রেখে গেছেন। আছরবাদ শেখপাড়া বাজার আস্তানা জামে মসজিদে মরহুমের জানাজা শেষে বসুপাড়া কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।

এদিকে সাংবাদিক আবুল হাসান হিমালয়ের শ্বশুরের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ, শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন খুলনা প্রেসকাবের সভাপতি এস এম নজরুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক মামুন রেজাসহ নির্বাহী পরিষদের সদস্যবৃন্দ।

পাইকগাছায় প্রতারক আটক

পাইকগাছা প্রতিনিধি

পাইকগাছায় চাকুরি দেয়ার নামে একটি মটর সাইকেল ও নগদ টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগে রায়হান (২০) নামে এক প্রতারককে পুলিশ আটক করেছে। সে উপজেলার দেলুটি গ্রামের হারুন গাজীর ছেলে। এ ঘটনায় পাইকগাছা থানায় মামলা হয়েছে।

মামলার বিবরণে জানা যায়, উপজেলার গোপালপুর গ্রামের আফিল গাজীর ছেলে আব্দুর রউফকে দক্ষিণ গোপালপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নৈশ প্রহরী-কাম-দপ্তরী পদে চাকুরি পাইয়ে দেবে বলে প্রতারক রায়হান দেড় লাখ টাকা চুক্তি করে। এজন্য প্রতারক রায়হান রউফের কাছ থেকে নগদ ৩৮ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়। বাকি টাকা বাবদ রউফের ব্যবহৃত ডিসকভার মটর সাইকেলটি নিয়ে নেয় এবং তার হাতে একটি ভুয়া নিয়োগপত্র দেয়। যাচাই করে ভুয়া প্্রমানিত হলে আব্দুর রউফ থানায় অভিযোগ করলে  পুলিশ রায়হানকে শনিবার সন্ধ্যায় গ্রেপ্তার করে। এ প্রতারণার সাথে লস্কর গ্রামের সবুর সানার ছেলে কামাল সানা ও ডুমুুরিয়ার শাহাপুরের সাইদুর গাজীর ছেলে হারুন জড়িত বলে রায়হান পুলিশকে জানিয়েছে বলে ওসি এজাজ শফী জানান।

পাইকগাছার রাস্তার উপর থেকে মিনিবাস চুরি

পাইকগাছা প্রতিনিধি

পাইকগাছার লোনাপানি কেন্দ্রের সামনে রাস্তার উপর থেকে একটি মিনিবাস চুরি হয়েছে। শনিবার রাতে খুলনা-জ-০৫০০৩৫ নং মিনি বাস পুরাতন হেলপার রাব্বি ও ইয়াছিন নামে দু’শ্রমিক এ চুরির সাথে জড়িত আছে বলে গাড়ী মালিক জানিয়েছেন।

গাড়ীর মালিক ডুমুরিয়া উপজেলার চুকনগরের জীবন নন্দীর ছেলে নিতাই নন্দী জানান, তার গাড়ীর নতুন হেলপারের কাছে চাবি ছিল। পুরাতন হেলপার যশোরের মাগুরার রাব্বি শনিবার পাইকগাছায় আসে এবং নতুন হেলপার সোহেলের কাছ থেকে কৌশলে চাবিটি নিয়ে নেয়। রাত সাড়ে ৮টায় স্ট্যান্ড থেকে গাড়ীটি লোনাপানি কেন্দ্রের সামনে পিচের রাস্তার উপর পাকির্ং করে রাখে। গভীর রাতে তারা গাড়িটি নিয়ে পালিয়ে যায় তিনি জানান। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছিল। এব্যাপারে লাইন সেক্রেটারী শেখ জাহিদুল ইসলাম বলেন, এতবড় বাস চুরি করা দুঃসাহসিক  ব্যাপার। সংগঠনের পক্ষ থেকে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।

কর্মসংস্থান খাতে জতীয় বাজেটের ৫% বরাদ্দ না থাকায় যুব ইউনিয়নের প্রতিবাদ সভা

খবর বিজ্ঞপ্তি

প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটে কর্মসংস্থান খাতে ৫% বরাদ্দ না থাকায় কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে বাংলাদেশ যুব ইউনিয়ন খুলনা জেলা শাখার উদ্যোগে এক প্রতিবাদ সভা রবিবার বেলা ১১টায় দলীয় কার্যালয়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে অনুষ্ঠিত হয়। যুব ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় সদস্য ও খুলনা জেলা সভাপতি এড. নিত্যানন্দ ঢালীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য রাখেনÑযুব ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় প্রেসিডিয়াম সদস্য এড. মোঃ বাবুল হাওলাদার, সাবেক যুব ইউনিয়ন ও বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) মহানগর নেতা মিজানুর রহমান বাবু, যুব ইউনিয়ন নেতা সৈয়দ রিয়াসাত আলী রিয়াজ, ডাঃ গৌরাঙ্গ সমাদ্দার প্রমুখ।

প্রতিবাদ সভায় বক্তারা বলেন, এমনিতেই দেশে শিক্ষিত বেকারের সংখ্যা দিন দিন আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। তার উপর চলমান করোনা ভাইরাস সংক্রমণের কারণে ব্যাপক জনগোষ্ঠী বেকার হয়ে পড়েছে, যার পরিণতিতে ভয়াবহ আকার ধারণ করার সমূহ আশঙ্কা বিদ্যমান। এমতাবস্থায় যুব সমাজের পক্ষে বাংলাদেশ যুব ইউনিয়ন কর্মসংস্থান খাতে জাতীয় বাজেটের ন্যূনতম ৫% বরাদ্দের দাবী জানিয়ে আসছিল। কিন্তু করোনা সংক্রান্ত কর্মসংস্থানহীনতাকে সরকার সম্পূর্ণরূপে উপেক্ষিত রেখে বাজেট প্রণয়ন করেছে। বক্তারা বাজেটে কর্মসংস্থান খাতে বাজেট বৃদ্ধির আহ্বান জানান। 

সাতক্ষীরায় আম্পানে ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে খুলনা বিএনপির ত্রান বিতরণ

ঘূর্ণিঝড়ে দূর্গত মানুষের পাশে দাড়ানোর জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান

খবর বিজ্ঞপ্তি

বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান দেশনায়ক তারেক রহমানের নির্দেশনায় ঘূর্ণিঝড় আম্ফানে সাতক্ষীরায় ক্ষতিগ্রস্থ ৪০০ পরিবারের মাঝে রবিবার ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেছেন খুলনা মহানগর ও জেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ। ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের মাঝে চাল, ডাল, আলু, পেঁয়াজ, লবন ও বিশুদ্ধ খাবার পানি ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়। বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও মহানগর বিএনপি’র সভাপতি, সাবেক সংসদ সদস্য জনাব নজরুল ইসলাম মঞ্জু উপস্থিত থেকে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণের কথা ছিল। কিন্তু তার সহধর্মিণী মানবাধিকার সংগঠক এ্যাডঃ সৈয়দা সাবিহা করোনা পজেটিভ হওয়ায় পরিবারসহ আইসোলেশনে থাকায় নজরুল ইসলাম মঞ্জু ত্রাণ কার্যক্রমে উপস্থিত থাকতে পারেননি। এদিন সকাল ১০ টায় শ্যামনগর উপজেলার কাশিমাড়ি ও গাবুরায় চাঁদনীমুখা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ক্ষতিগ্রস্থ অসহায় মানুষের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন খুলনা জেলা ও মহানগরের পক্ষে বিএনপি’র জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য, খুলনা মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক, খুলনা সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র, বীর মুক্তিযোদ্ধা মনিরুজ্জামান মনি। গত ১২ জুন সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার প্রতাপনগর, আনুলিয়া ইউনিয়নের ক্ষতিগ্রস্থদের ত্রান সামগ্রী আশাশুনি উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রুহুল কুদ্দুসের নিকট হস্তান্তর করা হয়। এর আগে গত ৩ জুন আম্পানে কয়রায় ক্ষতিগ্রস্থ ৫০০ পরিবারের মাঝে ত্রান সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

ত্রান সামগ্রী বিতরণকালে কেসিসির সাবেক মেয়র মনিরুজ্জামান মনি বলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের নিদেশনার আলোকে গত ২০ মে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া স্মরণকালের বিধ্বংসী ঘূণিঝড়ে হাজার হাজার উপকূলবাসী মানুষ দারুণভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ায় তাদের পাশে দাড়ানোর উদ্দেশ্যে এ কাযক্রম পরিচালনা করা হয়। ক্ষতিগ্রস্থ এলাকার মানুষের দু:খ দুদশায় সমবেদনা জানাতে এবং সীমিত হলেও যথাসাধ্য সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিতে বিএনপি সবসময় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। দীঘ দেড় দশকে এ অঞ্চলের মানুষের জন্য টেকসই উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ না করায় বারবার উপকূলের মানুষ প্রতারণার শিকার হয়েছে। 

ঘূর্ণিঝড়ে দূর্গত মানুষের পাশে দাড়ানোর জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, যতদিন বাঁধ নিমান না হয় ততদিন উপকূলবাসীর মানবিক কমসূচির আওতায় আনতে হবে। ক্ষতিগ্রস্থ এলাকার মানুষের ক্ষতিপূরণ এবং পূনবাসনের ব্যবস্থা করতে হবে। সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধায়নে উপকূলীয় অঞ্চলে টেকসই বেড়ীবাঁধ নির্মাণ করতে হবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা বিএনপি’র আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট সৈয়দ ইফতেখার আলী, খুলনা মহানগর বিএনপির সহ-সভাপতি আব্দুর রহমান, যুগ্ম সম্পাদক অধ্যক্ষ তারিকুল ইসলাম, সাতক্ষীরা জেলা বিএনপি’র যুগ্ম আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিব, খুলনা মহানগর বিএনপির প্রচার সম্পাদক আসাদুজ্জামান মুরাদ, ত্রান বিতরণ কার্যক্রমের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় থাকা খুলনা মহানগর জাসাসের আহ্বায়ক মেহেদি হাসান দিপু, শ্যামনগর উপজেলা বিএনপি’র সহ-সভাপতি, চেয়ারম্যান মাসুদুল আলম, খুলনা সদর থানা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ইউসুফ হারুন মজনু, খুলনা মহানগর বিএনপির সহ-দপ্তর সম্পাদক শামসুজ্জামান চঞ্চল, মোহাম্মদ আলী, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক সোলায়মান কবির, কেন্দ্রীয় আইনজীবী ফোরামের সদস্য এ্যাড, আব্দুস সালাম, সাতক্ষীরা জেলা যুবদল নেতা হাসান শাহরিয়ার রিপন, শ্যামনগর উপজেলা যুবদলের সভাপতি আজিজুর রহমান আজিবর, সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম দুলু, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা নুরুজ্জামান, কাশিমাড়ী ইউনিয়ন বিএনপি নেতা জামিরুল ইসলাম বাবু, আব্দুর রশিদ, মফিজুর রহমান, আকতার ফারুক, গাবুরা ইউনিয়ন বিএনপি নেতা খায়রুল ইসলাম মিলন, মাসুদ রানা, আবু হানিফ সুমন, আব্দুস সালাম, জি এম কওসার আলি, মোস্তাফিজুর রহমান রিপন, মেহেদি হাসান টুটুল, শাহাজাহান সিরাজ, আমিনুর রহমান প্রমুখ।

শরণখোলায় গার্মেন্টকর্মী নির্যাতনের ঘটনায় ৩ পুলিশ কোজড

শরনখোলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি

শরণখোলায় পুলিশের নির্যাতনে গামেন্টস কর্মী নির্যাতনের ঘটনায় জড়িত তিন পুলিশকে বাগেরহাট পুলিশ লাইনে কোজড করা হয়েছে। এরা হচ্ছে, এস.আই বিশ্বজিৎ, কনেষ্টবল মোঃ সেলিম ও মোঃ সোহাগ। রোববার সকালে পুলিশ সুপারের নির্দেশে তারা পুলিশ লাইনে যোগদানের জন্য শরণখোলা ত্যাগ করেন। এর আগে শনিবার রাতে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রিয়াজুল ইসলাম শরণখোলায় এসে ঘটনাটি তদন্ত করেন। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রিয়াজুল ইসলাম জানান, ওই তিন পুলিশকে সাময়িকভাবে পুলিশ লাইনে কোজড করা হয়েছে। তবে তদন্তকালে গার্মেন্টস কর্মী স্বপন পুলিশের সাথে একটু ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে এবং এতে তার কোন অভিযোগ নেই বলে তিনি  জানান। এসময় স্বপনের দাবীর প্রেক্ষিতে তার বিরুদ্ধে মামলাটি তদন্ত করে প্রত্যাহারের জন্য তদন্তকারী কর্মকর্তাকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

পুলিশের নির্যাতনের শিকার উপজেলার মধ্য খোন্তাকাটা গ্রামের বাসিন্দা নাদের হাওলাদারের ছেলে গার্মেন্টস কর্মী স্বপনের ভাই আঃ হালিম জানান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের কাছে স্বপন নির্যাতনের বর্ণনা দেন। এসময় শরণখোলা থানার ওসির প্রস্তাবে তারা মিমাংসায় রাজি হন। যেহেতু ওই পুলিশদের কোজড করা হয়েছে তাই আমাদের আর কোন অভিযোগ নেই।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, গত বুধবার (১০জুন) সকালে পারিবারিক বিরোধের ঘটনায় দায়ের করা একটি মামলায় স্বপনকে গ্রেফতার করতে যায় শরণখোলা থানা পুলিশের একটি দল। এসময় পুলিশের এসআই বিশ^জিতের নেতৃত্বে কনেস্টবল সেলিম ও সোহাগ তার বাড়িতে প্রবেশ করেন। স্বপনের স্ত্রী শারমিন ঘরের দরজা খুলতেই পুলিশ ঘরে প্রবেশ করে ঘুমন্ত স্বপনকে বিছানা থেকে টেনে হিঁচড়ে নামিয়ে মারধর শুরু করেন। পুলিশ স্বপনকে ঘর থেকে মারতে মারতে রাস্তায় নিয়ে যায় এবং রাস্তায় ফেলে স্বপনকে উপর্যপুরী মারপিট করতে থাকে। এরপর থানায় নিয়ে পুলিশের নির্যাতনে স্বপন অজ্ঞান হয়ে পড়েন। এরপর পুলিশ তাকে প্রথমে শরণখোলা হাসপাতালে এবং পরে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় বিভিন্ন সংবাদপত্রে খবর প্রকাশিত হলে তদন্ত শুরু করে পুলিশ।

সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে মংলা ও বরগুনায় নৌ কন্টিনজেন্ট কর্তৃক জনসচেতনতামূলক টহল

খবর বিজ্ঞপ্তি

করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতি রোধকল্পে সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সংক্রমিত এলাকাসমূহ পর্যায়ক্রমে রেড জোন, ইয়োলা জেন এবং গ্রীন জোনে বিভক্ত করণসহ নানাবিধ সচেতনতামূলক কার্য পরিচালনা করছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী। সকল এলাকায় প্রচার করা হয় লকডাউন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। সাধারণ জনগণকে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিতকরণ, একান্ত প্রয়োজনে বাড়ির বাহিরে অবস্থানের ক্ষেত্রে মুখে মাস্ক পরিধানের জন্য নির্দেশনা প্রদানসহ বিভিন্ন জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী। জনগণকে কাঁচা বাজার, ঔষধের দোকান ও মসজিদ ব্যবহারে সরকারী নীতিমালা অনুসরণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে আসছে নৌ সদস্যরা। বর্তমান পরিস্থিতিতে অসহায় ও দুস্থ পরিবারের দরজায় দরজায় গিয়ে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণসহ বিভিন্ন জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে নৌবাহিনী। সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে ও বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা প্রদানের অংশ হিসেবে মোতায়েনকৃত নৌবাহিনী কন্টিনজেন্ট বরগুনা জেলা সদর, বামনা, বেতাগী, তালতলী ও পাথরঘাটা এলাকায় নিয়মিত টহলের পাশাপাশি জনসচেতনতামূলক কার্যক্রমসহ উপজেলাসমূহের বিভিন্ন স্থানে ১০০টি সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করা হয়। এ সময় সাধারণ জনগণকে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিতকরণ, একান্ত প্রয়োজনে বাড়ির বাহিরে অবস্থানের ক্ষেত্রে মুখে মাস্ক পরিধানের জন্য নির্দেশনা প্রদান করা হয়। এছাড়া যানবাহন চলাচলের ক্ষেত্রে ইজিবাইক, মাহেন্দ্রের যাত্রীবহনের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ দু’জন যাত্রী নিয়ে চলাচল করতে পারবে এবং মোটরসাইকেল হেলমেটসহ একজন চলাচলের নির্দেশ প্রদান করা হয়। প্রত্যেকের মাক্স ব্যবহার বাধ্যতামূলক কোন অবস্থাতেই মাক্স মুখের নিচে ঝুলিয়ে রাখলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের হুশিয়ারি করা হয়। নৌ কন্টিনজেন্ট মংলা সামাজিক জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে দিগরাজ বাজার, বুড়িরডাঙ্গা, বৈদ্যমারী, চটেরহাট, চরকানাই, চাদপাই, আপাবাড়ি, মংলা বাজার, হাসপাতাল চত্ত্বর ও ফেরিঘাট এলাকায় টহল অব্যাহত রেখেছে। করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ সর্ম্পকিত বিভিন্ন লিফলেট বিতরণ, এছাড়া রাস্তা ও যানবাহনে ১০% কোরিনযুক্ত জীবাণুনাশক পানি ছিটিয়ে জীবাণুমুক্ত করা হয়। নৌ কন্টিনজেন্ট জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন জনসচেতনতামূলক কার্যক্রমে সহায়তা প্রদানসহ নিয়মিত টহল ও জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে ।

অবৈধ স্থাপনার কারণে খনন কাজ বিঘিœত হওয়ায় সরকারী খাল পুনরুদ্ধার অভিযান: মোংলার কামারডাঙ্গা খালের উপর ও দু’পাশের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ শুরু

মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি

অবৈধ স্থাপনার কারণে খনন কাজ বিঘিœত হওয়ায় মোংলার বুড়িরডাঙ্গার কামারডাঙ্গা সরকারী রেকর্ডিয় খালের উপর ও দুইপাশে গড়ে উঠা স্থাপনা উচ্ছেদ কাজ শুরু হয়েছে। রবিবার সকাল থেকে মোংলাÑঘাষিয়াখালী আর্ন্তজাতিক নৌ চ্যানেলের এ সংযোগ খাল পুনরুদ্ধার অভিযান শুরু করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নয়ন কুমার রাজবংশী ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের বাগেরহাটের উপ বিভাগীয় প্রকৌশলী মো: আরিফ হোসেন। এ সময় নৌবাহিনী, পুলিশসহ স্থানীয় ভূমি অফিস ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারও উপস্থিত ছিলেন। প্রায় ১০ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যরে এ খালের প্রায় ৬ কিলোমিটার খনন করা গেলেও অবৈধ স্থাপনার কারণে বাকী ৪ কিলোমিটার খননে বিঘেœর সৃষ্টি হয়। যার প্রেক্ষিতে সরকারী খালের উপর ও দুইপাশের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ কার্যক্রম শুরু করেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। খাল ভরাট হয়ে যাওয়ায় খালের দুইপাড়ের খাস জমি দখল করে বহুতল ভবন নির্মাণ করেন জনৈক আব্বাস জোমাদ্দার, দুলাল জোমাদ্দার ও মো: শহীদ। এছাড়া অন্যান্যরাও কাঁচাঘরবাড়ী নির্মাণ করে খাস জমি দখলে নিয়ে নেন। রবিবার শুরু হওয়া এ উচ্ছেদ কার্যক্রম আগামী ৩দিন ধরে অব্যাহত থাকবে বলে জানয়িছে অভিযান পরিচালনাকারীরা।

২০নং আ’লীগ নেতা নুর ইসলাম ও আব্দুল হাই-এর মৃত্যুতে নেতৃবৃন্দের শোক

খবর বিজ্ঞপ্তি

২০নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সহ-সভাপতি নুর ইসলাম ব্যাপারী (৭২) এবং ওয়ার্ড শ্রমিক লীগের সভাপতি লাভলু পাটোয়ারীর বাবা আব্দুল হাই পাটোয়ারী (৭৭) ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহে ……….. রাজেউন)। নুর ইসলাম ব্যাপারী পড়ে গিয়ে মাথায় আঘাত লেগে গতকাল রবিবার বেলা ১১টায় এবং আব্দুল হাই পাটোয়ারী স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুকালে তারা ছেলে মেয়ে নাতি নাতনি ও আত্মীয় স্বজন ও অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে গেছেন। নুরইসলাম ব্যাপারীর নামাজে জানাযা বাদ আসর শেখপাড়া আস্তানা জামে মসজিদে এবং আব্দুল হাই পাটোয়ারীর নামাজে জানাযা ফেরিঘাট জিন্নাহ মসজিদে অনুষ্ঠিত হয়। জানাযা শেষে মরহুমকে বসুপাড়া কবরস্থানে দাফন  করা হয়। এদিকে নুর ইসলাম ব্যাপারী এবং আব্দুল হাই পাটোয়ারীর মৃত্যুর সংবাদ পেয়ে খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সিটি মেয়র আলহাজ্ব তালুকদার আব্দুল খালেক, সাধারণ সম্পাদক এমডিএ বাবুল রানা শোকাহতদের পাশে যান। নেতৃবৃন্দ তাদের পাশে কিছু সময় অবস্থান করেন এবং ধৈর্য্য ধারনের জন্য সান্তনা দেন। পরে নেতৃবৃন্দ নামাজে জানাযায় অংশগ্রহণ করেন। এ সকল অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, আওয়ামী লীগ নেতা মল্লিক আবিদ হোসেন কবীর, আবুল কালাম আজাদ কামাল,  মো. মুন্সি মাহবুব আলম সোহাগ, খোন্দকার মজিবর রহমান, মোকলেসুর রহমান বাবলু, তসলিম আহমেদ আশা, কাউন্সিলর গাউসুল আযম, কাউন্সিলর মাহমুদা বেগম, আরাজুল ইসলাম আরজু, জাহাঙ্গীর আলী মন্টু, মো. মোক্তার হোসেন, চ. ম. মুজিবর রহমান, মীর মো. লিটন, মো. আকবর হোসেন, মো. তোতা মিয়া, মো. শাহাদাৎ হোসেন, কামরুল ইসলাম, ইউসুফ আলী সাদা, এম আসাদুজ্জামান মুন্না, মিলকন হোসেন রুমি সহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ। অপরদিকে নুর ইসলাম ব্যাপারী এবং আব্দুল হাই পাটোয়ারীর মৃত্যুতে গভীর শোক, শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা ও মরহুমদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিবৃতি দিয়েছেন, শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান এমপি, খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সিটি মেয়র আলহাজ্ব তালুকদার আব্দুল খালেক, খুলনা-২ আসনের সংসদ সদস্য সেখ সালাহউদ্দিন জুয়েল, কেন্দ্রিয় সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল হোসেন, খুলনা জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব শেখ হারুনুর রশীদ, খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এমডিএ বাবুল রানা, জেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. সুজিত অধিকারী, খুলনা-১ আসনের সংসদ সদস্য পঞ্চানন বিশ্বাস, খুলনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য নারায়ন চন্দ্র চন্দ, খুলনা-৬ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মো. আকতারুজ্জামান বাবু, সোনাডাঙ্গা থানা আওয়ামী লীগ সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান বুলু বিশ্বাস, সাধারণ সম্পাদক তসলিম আহমেদ আশা, মহানগর শ্রমিক লীগের সভাপতি আবুল কাশেম মোল্লা, সাধারণ সম্পাদক রনজিত কুমার ঘোষ, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সভাপতি চ. ম. মুজিবর রহমান, সাধারণ সম্পাদক মীর মো. লিটন।

নগর আ’লীগের সাবেক নেতা মুক্তিযোদ্ধা হাবিবকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন

খবর বিজ্ঞপ্তি

খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক সদস্য এবং ১৪নং ওয়ার্ডের সাবেক সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা শেখ হাবিবুর রহমান (৭৩) ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহে ……… রাজেউন)। রবিবার রাত সাড়ে ১২টায় স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী রেখে আত্মীয় স্বজন ও অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে গেছেন। তাঁর নামাজে জানাযা জোহর বাদ খালিশপুরে পুরাতন যশোর রোড বন্দ গেটে অনুষ্ঠিত হয়। জানাযা শেষে মরহুমকে তার পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। এর আগে বীরমুক্তিযোদ্ধা হাবিবুর রহমানকে রাষ্ট্রীয় ভাবে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়। তাঁর মৃত্যুর সংবাদ পেয়ে মৃত্যুর সংবাদ পেয়ে খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সিটি মেয়র আলহাজ্ব তালুকদার আব্দুল খালেক, সাধারণ সম্পাদক এমডিএ বাবুল রানা শোকাহতদের পাশে যান। নেতৃবৃন্দ তাদের পাশে কিছু সময় অবস্থান করেন এবং ধৈর্য্য ধারনের জন্য সান্তনা দেন। পরে নেতৃবৃন্দ নামাজে জানাযায় অংশগ্রহণ করেন। এ সকল অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, আওয়ামী লীগ নেতা নুর ইসলাম বন্দ, মো. আশরাফুল ইসলাম, অধ্যা. আলমগীর কবীর, মো. মফিদুল ইসলাম টুটুল, শেখ শহিদুল ইসলাম, এ কে এম সানাউল্লাহ নান্নু, মনিরুল ইসলাম বাশার, কাউন্সিলর শেখ মোশারাফ হোসেন, হুমায়ূন কবীর, কাজী এনায়েত আলী আলো, শাহজাহান জমাদ্দার, মো. শফিউল্লাহ, আসলাম আলী, বীরমুক্তিযোদ্ধা শেখ হাফিজুর রহমান সহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

এদিকে হাবিবুর রহমানের মৃত্যুতে গভীর শোক, শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা ও মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিবৃতি দিয়েছেন, মৃত্যুতে গভীর শোক, শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা ও মরহুমদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিবৃতি দিয়েছেন, শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান এমপি, খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সিটি মেয়র আলহাজ্ব তালুকদার আব্দুল খালেক, খুলনা-২ আসনের সংসদ সদস্য সেখ সালাহউদ্দিন জুয়েল, কেন্দ্রিয় সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল হোসেন, খুলনা জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব শেখ হারুনুর রশীদ, খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এমডিএ বাবুল রানা, জেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. সুজিত অধিকারী, খুলনা-১ আসনের সংসদ সদস্য পঞ্চানন বিশ্বাস, খুলনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য নারায়ন চন্দ্র চন্দ, খুলনা-৬ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মো. আকতারুজ্জামান বাবু, সোনাডাঙ্গা থানা আওয়ামী লীগ সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান বুলু বিশ্বাস, সাধারণ সম্পাদক তসলিম আহমেদ আশা, মহানগর শ্রমিক লীগের সভাপতি আবুল কাশেম মোল্লা, সাধারণ সম্পাদক রনজিত কুমার ঘোষ, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সভাপতি চ. ম. মুজিবর রহমান, সাধারণ সম্পাদক মীর মো. লিটন।

লেবুর খোসা কি ফেলে দেন!

মিলি রহমান:

বিশ্বব্যাপী চলমান করোনাভাইরাস মহামারি পরিস্থিতির মধ্যে দেশের স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বেশি বেশি ভিটামিন-সি গ্রহণের পরামর্শ দিচ্ছেন। আমাদের দেশে ভিটামিন-সি এর সবচেয়ে ভালো উৎস হিসেবে ধরা হয় লেবুকে। তাই বলে আপনি কি রস বের করে ফেলার পরে লেবুর খোসা ফেলে দেন? আপনার স্বাস্থ্য এবং ত্বকের জন্য লেবুর খোসা কতটুকু দরকারি তা জানার পর আপনি এ অভ্যাসটি পরিবর্তন করবেন তা হলফ করে বলাই যায়। মজার বিষয় হলো প্রতিটি লেবুর খোসাই পুষ্টিতে পরিপূর্ণ এবং এটি আপনার প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে রোগ প্রতিরোধ করতে সহায়তা করতে পারে। এছাড়াও, ত্বকের যতেœ লেবুর খোসার বহুমুখী ব্যবহারের সুযোগ রয়েছে এবং ঘরে ব্যবহার্য বিভিন্ন জিনিসের সুরক্ষায়ও কাজে আসে। আর দেরি কেন, লেবু ও এর খোসার উপকারিতা ও ব্যবহার সর্ম্পকে জেনে নিন এ নিবন্ধে। জেনে নিন লেবুর খোসা খাওয়ার উপকারিতা-

পুষ্টি সরবরাহ করে: লেবুর রসের মতো এর খোসাতেও প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, ক্যালসিয়াম, ফাইবার, পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম এবং বিটা ক্যারোটিন রয়েছে। বাস্তবতা হলো, লেবুর খোসা এর রসের চেয়ে প্রায় ৫ থেকে ১০ গুণ বেশি পুষ্টি সরবরাহ করতে পারে। প্রায় ১০০ গ্রাম লেবুর খোসায় ১৩৪ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়ম, ১৬০ মিলিগ্রাম পটাসিয়াম, ১২৯ মিলিগ্রাম ভিটামিন-সি এবং ১০.৬ গ্রাম ফাইবার রয়েছে।

হাড়কে মজবুত করে: ভিটামিন-সি এবং ক্যালসিয়াম আপনার হাড়কে মজবুত করতে এবং হাড়ের স্বাস্থ্যগত উন্নতি ঘটাতে পারে। লেবুর খোসার এ পুষ্টিগুলো প্রদাহজনিত পলি আর্থ্রাইটিস, অস্টিওপোরোসিস, রিউম্যাটয়েড আর্থ্রাইটিসের মতো রোগও প্রতিরোধ করতে সহায়তা করে।

ছত্রাক ও ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ প্রতিরোধ করে: ভিটামিন-সি এর অ্যান্টিব্যাকটিরিয়াল ক্ষমতা আপনার নাড়িভুঁড়ি/অন্ত্রের ভেতরে থাকা কৃমি এবং পরজীবী জীবাণু মেরে আপনাবে রক্ষা করতে পারে। এর এ বৈশিষ্ট্য আপনার দেহের বিভিন্ন অঙ্গকে বিভিন্ন ছত্রাক বা ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ থেকে রক্ষা করতে পারে।

ক্যান্সার প্রতিরোধ করে: একইভাবে লেবুর রসের মতো লেবুর খোসাও সাইট্রাস বায়োফাভোনয়েড সমৃদ্ধ। যা আপনার জারণ চাপের মাত্রা কমাতে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখতে পারে। এছাড়াও আর যা আছে তা আপনার দেহের ভেতরকে ক্ষারীয় করে তোলে। লেবুর খোসা ক্যান্সারও প্রতিরোধ করতে পারে। আপনি হয়ত জানেন যে অ্যাসিডিক পরিবেশে ক্যান্সারের কোষগুলো বাড়তে থাকে। লেবুর খোসা আপনার দেহের ভেতরে ক্যান্সার কোষগুলোর বেড়ে ওঠার বিরুদ্ধে লড়াই করতে পারেন এমন উপাদান লিমোনিন এবং সালভস্ট্রোল কিউ৪০ এর মতো উপাদান সরবরাহ করে।

কীভাবে খাবেন লেবুর খোসা? লেবুর থেকে ছাড়ানো খোসা আপনি জমিয়ে শুকিয়ে রাখতে পারেন। যাতে এগুলোকে ভালোভাবে গুড়ো করে নিতে পারেন। এটা করার সহজ উপায় হলো ওভেন ব্যবহার করে ২০০ ডিগ্রি ফারেনহাইট তাপমাত্রায় লেবুর খোসাগুলোকে ভাজাভাজা করা নিতে পারেন এবং সেঁকা খোসাগুলোকে পরে গুঁড়ো করে নিন। লেবুর খোসা গুঁড়ো বিভিন্নভাবে খাওয়া যেতে পারে। আপনি আপনার প্রতিদিনকার খাবার, পানীয়, অর্গানিক চা এবং স্যুপে লেবুর খোসার গুঁড়ো মিশিয়ে খেতে পারেন।

লেবুর খোসা খাওয়া কতটা নিরাপদ? লেবুর খোসা অক্সালেটের এক বড় উৎস। প্রতিদিন ৮০ মিলিগ্রামেরও বেশি অক্সালেট গ্রহণ কিডনি এবং পিত্তথলিতে পাথর তৈরি করতে পারে। ১ চা চামচ লেবুর খোসাতে প্রায় ২৫ মিলিগ্রাম অক্সালেট থাকতে পারে। তাই, প্রতিদিন লেবুর খোসা গ্রহণের সর্বাধিক মাত্রা ৩ চা চামচের বেশি হওয়া উচিত নয়।

ত্বকের যতেœ লেবু খোসার ব্যবহার: এক মুঠো লেবুর খোসার পেস্ট করে নিন। তারপরে ১-২ কাপ চিনি দিয়ে পেস্টটি ভালো করে মেশান। পরে আপনার ত্বকের ধরন বিবেচনা করে কয়েক ফোঁটা অলিভ অয়েল মিশিয়ে নিন। শুষ্ক ত্বকের জন্য তৈরি পেস্টে তৈলাক্ত ত্বকের চেয়ে বেশি তেল দিয়ে মিশ্রণটি তৈরি করতে হবে। মিশ্রণটি তৈরি করার পরে, ভেজা ত্বকে আলতোভাবে ঘষে ঘষে লাগিয়ে নিন। এবার আপনি পরিষ্কার পানি দিয়ে আপনার মুখ ধুয়ে ফেলুন। এ স্ক্রাব ব্যবহারের ফলে আপনার ত্বক আরও উজ্জ্বল দেখাবে এবং ত্বকের মৃত কোষগুলোকে জীবিত করে তুলবে। লেবুর খোসার এ স্ক্রাবটি আপনার শুকনো কনুই নরম করতেও সহায়তা করবে। সপ্তাহে একবার আপনি লেবুর খোসার স্ক্রাব লাগাতে পারেন।

ফেস মাস্ক হিসেবে ব্যবহার: এক চিমটি লেবুর খোসার গুঁড়োর সাথে ২ টেবিল চামচ চালের গুড়ো মিশিয়ে নিন। এবার এ মিশ্রণটিতে ঠা-া দুধ দিয়ে ঘন পেস্ট তৈরি করুন। ত্বকের মৃত কোষগুলোকে জীবিত করে তুলতে এ পেস্টটি আপনার মুখের ভেজা ত্বকে সমানভাবে মেখে দিন। ১৫ মিনিটের জন্য মুখে এটি রেখে দিন। তারপরে পরিষ্কার পানি দিয়ে আপনার মুখটি ভালোভাবে ধুয়ে ফেলুন। লেবুর খোসার এ ফেস প্যাকটি আপনার ত্বক-কোষকে চাঙা করে তুলবে।

পা ফাটার চিকিৎসায়: এক কাপ ঝাঁঝরা করা লেবুর খোসা গুঁড়ো করে নিন। পরে এ গুঁড়োতে পেট্রোলিয়াম জেলি দিয়ে মিশ্রণের মতো পেস্ট তৈরি করুন। এবার তৈরি করা এ পেষ্টটি আপনার ফাটা পায়ে লাগিয়ে নিন। এর পরে আপনার পায়ে মোজা পড়ে নিন এবং পেস্টটি কয়েক ঘণ্টা রেখে দিন। পা ধুয়ে ফেলার পরে আপনার পায়ের ত্বক নরম এবং স্বাস্থ্যকর দেখাবে।

ছত্রাকের সংক্রমণ রোধে পায়ের চিকিৎসায়: তিন কাপ লেবুর খোসায় ৬ থেকে ৭ কাপ পানি দিয়ে আধা ঘণ্টা ধরে সিদ্ধ করুন। সিদ্ধ পানি একটি পাত্রে ছেঁকে নিন। এ তরলটিতে দুধ বা অলিভ অয়েল মিশিয়ে নিন। এখন এ মিশ্রণটিতে কমপক্ষে ৩০ মিনিটের জন্য পা ডুবিয়ে রাখুন। তারপরে, পানি দিয়ে আপনার পা ধুয়ে নিন এবং ময়শ্চারাইজার ব্যবহার করুন। নিয়ম করে লেবুর খোসার পানিতে পা ডুবিয়ে রাখলে সংক্রমণ দূর রাখতে সহায়তা করবে।

নখ সাদা রাখতে: আপনি কি নখ বিবর্ণ হয়ে যাওয়ার সমস্যায় ভুগছেন? এক মুঠো লেবুর খোসা পেস্ট করে নিন। আপনার বিবর্ণ নখগুলোতে এ মিশ্রণটি ব্যবহার করুন এবং কয়েক মিনিটের জন্য রেখে দিন। পরে, পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এ ধরনের যতœ আপনার নখগুলোকে স্বাভাবিক রঙ ফিরে পেতে সহায়তা করবে। গৃহস্থালির কাজে লেবুর খোসার ব্যবহার:

সব ধরনের পরিচ্ছন্নতায়: আপনার ঘরের আসবাব, মেঝে এবং অন্যান্য ব্যবহার্য তৈজসপত্র জীবাণুমুক্ত রাখতে আপনি পরিষ্কারক হিসেবে লেবুর খোসা ব্যবহার করতে পারেন। প্রথমে লেবুর খোসাগুলোকে পানি দিয়ে সেদ্ধ করে নিন এবং পরে ছেঁকে নিন। এবার অ-বিষাক্ত ডিআইওয়াই কিনার তৈরি করতে এ পানির সাথে প্রয়োজন মতো ভিনেগার বা বেকিং সোডা মিশিয়ে নিন। লেবুর খোসায় থাকা রাসায়নিক পদার্থগুলোর দাগ তুলে ফেলার ক্ষমতা রয়েছে। লেবুর খোসা দিয়ে তৈরি কিনার ব্যবহারের বোনাস হিসেবে আপনার কাছে ধরা দিতে পারে সুগন্ধ।

দুর্গন্ধ দূর করতে: লেবুর খোসাগুলো প্রায়শই ফ্রিজ, বদ্ধ ড্রয়ার, ট্র্যাশ ক্যান ইত্যাদির ভেতরে তৈরি হওয়া দুর্গন্ধ দূর করে দিতে পারে। লেবুর খোসা আপনার মাইক্রোওয়েভ, কাটার বোর্ড এবং অন্যান্য ব্যবহার্য পাত্র পরিষ্কার করার ক্ষেত্রে যাদুর মতো কাজ করতে পারে। বাটির পানিতে কয়েকটি লেবুর খোসা রেখে বাটিটি কিছু সময়ের জন্য আপনার মাইক্রোওয়েভের ভেতরে রাখুন। এটি মাইক্রোওয়েভের ভেতরের দুর্গন্ধকে সতেজ গন্ধে পরিণত করবে। কাটার বোর্ডকে জীবাণুমুক্ত করার জন্য লেবুর খোসার সাথে লবণ মিশিয়ে ঘষুন। তারপরে ধোয়ে ফেলার পরে আপনি একটি নতুন বোর্ড পাবেন।

রুম ফ্রেশনার হিসেবে: লেবুর খোসা ব্যবহার করে আপনি ঘরে তৈরি প্রাকৃতিক রুম ফ্রেশনার তৈরি করতে পারবেন। শুকনো ফুল এবং প্রয়োজনীয় তেলের সাথে লেবুর খোসা মেশান। এবার এ সাইট্রাস-সুগন্ধযুক্ত মিশ্রণটি একটি পরিষ্কার স্প্রে বোতলে রাখুন। এভাবে আপনি টাকা খরচ না করে আপনার ঘরকে সবসময় সুবাসিত রাখতে পারেন।

পোকা-মাকড় তাড়ানোর ওষুধ: আপনার বাড়িতে পোকামাকড়ের উপদ্রব কমাতে খরচ কমিয়ে দিয়ে বিকল্প হতে পারে লেবুর খোসার ব্যবহার। বিশেষ করে পিঁপড়া, তেলাপোকা ইত্যাদি লেবুর গন্ধকে সহ্য করতে পারে না। সুতরাং, আপনি আপনার ঘরের কোণে বা কোণার মতো জায়গা যেমন বইয়ের তাক, আলমারি, রান্নাঘরের তাক, স্টোর রুম ইত্যাদিতে লেবুর খোসা ছড়িয়ে রাখতে পারেন। মশার মতো পোকার হাত থেকে আপনার ত্বককে বাঁচাতে আপনি লেবুর খোসার ব্যবহার করতে পারেন। লেবুর রসের পরিবর্তে এর খোসার নির্যাস আপনার ত্বকের কোনো ক্ষতি করবে না এবং কীটপতঙ্গ দূরে থাকবে। ইউএনবি

বাগেরহাটে পুলিশ সদস্যসহ একদিনে করোনা শনাক্তের রেকর্ড

বাগেরহাট প্রতিনিধি

বাগেরহাটে একজন পুলিশ সদস্যসহ আরও ১৭ জনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এটিই এ পর্যন্ত একদিনে জেলায় সর্বোচ্চ সংখ্যক শনাক্ত। শুক্রবার (১২ জুন) খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল এবং যশোরের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পিসিআর ল্যাবে নমুনা পরীক্ষায় তাদের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। এ নিয়ে জেলায় মোট ৬৬ জনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হলো। এর মধ্যে ১৫ জন সুস্থ হয়েছেন। শনিবার (১৩ জুন) বাগেরহাটের সিভিল সার্জন ডা. কে এম হুমায়ুন কবির এসব তথ্য জানান। নতুন করে আক্রান্তদের অধিকাংশের শরীরে উপসর্গ না থাকায় নিজ নিজ বাড়িতে রেখে চিকিৎসা দিচ্ছে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ। স্বাস্থ্য বিভাগ জানায়, আক্রান্তদের মধ্যে বাগেরহাট সদর থানার এক এসআই, শরণখোলায় চার জন, কচুয়ার তিন জন, ফকিরহাটের দুই জন এবং মোংলার একজন রয়েছেন। বাকি ছয় জনের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানাতে পারেনি স্বাস্থ্য বিভাগ। এদের মধ্যে দু’জন বাদে সবাই জেলার বাইরে থেকে ফেরা। বাগেরহাট জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সদর থানায় কর্মরত ওই পুলিশ সদস্যের করোরা পজিটিভ আসার পর তাকে বাসায় আইসোলেশনে রাখা হয়েছে। তার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করা অন্যদেরও নমুনা সংগ্রহ করা হবে। বাগেরহাটের সিভিল সার্জন ডা. কে এম হুমায়ুন কবির বলেন, ‘গত ৩০ মে থেকে চলতি মাসের ৮ এপ্রিল পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে বাগেরহাটে সন্দেহভাজন করোনা রোগীদের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য ল্যাবে পাঠানো হচ্ছে। শুক্রবারের পরীক্ষায় ভাইরাস শনাক্ত হওয়াদের অনেকেই চিকিৎসা নেওয়ার ১৪ দিন সময়সীমা পার করেছেন। আক্রান্তরা সবাই সুস্থ স্বাভাবিক রয়েছেন। এদের প্রত্যেকের নমুনা সংগ্রহ করে দ্বিতীয়বারের মতো পরীক্ষার জন্য ল্যাবে পাঠানো হবে।

 ‘রেড জোন’ হচ্ছে অর্ধশতাধিক এলাকা, চূড়ান্ত হতে পারে আজ

ঢাকা অফিস

করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) সংক্রমণের মাত্রা বেশি- এমন এলাকাগুলোকে ‘রেড জোন’ ঘোষণা করে তালিকা প্রকাশ হতে পারে আগামীকাল সোমবার (১৫ জুন)। এই তালিকায় ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের ৪৫টি ও চট্টগ্রামের ১০টি এলাকা থাকতে পারে বলে জানা গেছে। রোববার (১৪ জুন) স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে এ তথ্য জানা গেছে। আগে থেকেই বলা হচ্ছে, করোনাভাইরাসে আক্রান্তের আধিক্য বিবেচনায় রেড জোন, ইয়েলো জোন ও গ্রিন জোনে চিহ্নিত করে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বাস্তবায়ন হবে স্বাস্থ্যবিধি ও আইনি পদক্ষেপ। এ বিষয়ে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন) ও করোনা সংক্রান্ত মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক মো. হাবিবুর রহমান খান জাগো নিউজকে বলেন, কোন এলাকাগুলো রেড জোন হবে তা এখনো প্রকাশ করা হয়নি। দুই/একদিনের মধ্যেই তালিকা প্রকাশ করা হবে। তিনি বলেন, সংক্রামক ব্যাধি আইনে এ সংক্রান্ত তালিকা প্রকাশের ক্ষমতা স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালককে দেয়া আছে। তবে লকডাউন বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে স্থানীয় সরকার, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়সহ অন্যান্য মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতা প্রয়োজন হবে। ঢাকায় ৪৫টি স্থানকে রেড জোন হিসেবে চিহ্নিত করে লকডাউন করা হবে বলা হচ্ছে, এ বিষয়ে জানতে চাইলে অতিরিক্ত সচিব বলেন, ‘৪৫টি তো হতে পারে, কমও হতে পারে। চূড়ান্ত তালিকাটা হয়তো আজকে প্রকাশ হতে পারে।’ এ বিষয়ে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন জাগো নিউজকে বলেন, ‘কোথায় লকডাউন হবে তার তালিকা স্থানীয় প্রশাসন ঠিক করবে। কোন কোন স্থান লকডাউন করা হবে তা এখনো প্রকাশ করা হয়নি। কোথায় কোথায় লকডাউন হবে তা আমার বলারও সুযোগ নেই। স্বাস্থ্য অধিদফতর এটা ঘোষণা করবে।’ জানা গেছে, করোনা প্রতিরোধে গঠিত জাতীয় টেকনিক্যাল কমিটি ঢাকার ৪৫টি এলাকাকে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ বা রেড জোন হিসেবে চিহ্নিত করে তা লকডাউনের সুপারিশ করেছে। এর মধ্যে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ২৮টি এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ১৭টি এলাকা রয়েছে। ঢাকা উত্তর সিটির গুলশান, বাড্ডা, ক্যান্টনমেন্ট, মহাখালী, তেজগাঁও, রামপুরা, আফতাবনগর, মগবাজার, এয়ারপোর্ট, বনশ্রী, রাজাবাজার, মোহাম্মদপুর, কল্যাণপুর, গুলশান, উত্তরা, মিরপুরকে রেড জোন হিসেবে ঘোষণার সুপারিশ করেছে টেকনিক্যাল কমিটি। ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে রেড জোনের জন্য সুপারিশকৃত এলাকার মধ্যে আছে- যাত্রাবাড়ী, ডেমরা, মুগদা, গেন্ডারিয়া, ধানমন্ডি, জিগাতলা, লালবাগ, আজিমপুর, বাসাবো, শান্তিনগর, পল্টন, কলাবাগান, রমনা, সূত্রাপুর, মালিবাগ, কোতোয়ালি, টিকাটুলি, মিটফোর্ড, শাহজাহানপুর, মতিঝিল, ওয়ারী, খিলগাঁও, পরীবাগ, কদমতলী, সিদ্ধেশ্বরী, লক্ষ্মীবাজার, এলিফ্যান্ট রোড ও সেগুনবাগিচা। চট্টগ্রাম সিটির রেড জোনের মধ্যে থাকতে পারে- বন্দর এলাকার ৩৭ ও ৩৮ নম্বর ওয়ার্ড, পতেঙ্গার ৩৯ নম্বর ওয়ার্ড, পাহাড়তলীর ১০ নম্বর ওয়ার্ড, কোতোয়ালির ১৬, ২০, ২১ ও ২২ নম্বর ওয়ার্ড, খুলশীর ১৪ নম্বর ওয়ার্ড এবং হালিশহর এলাকার ২৬ নম্বর ওয়ার্ড। করোনা মোকাবিলায় ৬৬ দিনের সাধারণ ছুটি শেষে গত ৩১ থেকে ১৫ জুন পর্যন্ত শর্ত সাপেক্ষে সীমিত পরিসরে অফিস খুলে দেয়া হয়। স্বাস্থ্যবিধি মেনে চালু হয় গণপরিবহনও। এই পরিস্থিতিতে করোনা সংক্রমণের মাত্রা বেড়ে যেতে থাকায় ফের সাধারণ ছুটি ঘোষণার কথা বলা হচ্ছিল। কিন্তু এখন সেদিকে যাচ্ছে না সরকার। জোনভিত্তিক লকডাউনের মাধ্যমে করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে চাইছেন কর্মকর্তারা। বেশি আক্রান্ত এলাকাকে রেড, অপেক্ষাকৃত কম আক্রান্ত এলাকাকে ইয়োলো ও একেবারে কম আক্রান্ত বা সংক্রমণমুক্ত এলাকাকে গ্রিন জোন হিসেবে চিহ্নিত করা হবে। রেড জোনকে লকডাউন করা হবে, ইয়োলো জোনে যেন আর সংক্রমণ না বাড়ে সেই পদক্ষেপ নেয়া হবে। সতর্কতা থাকবে গ্রিন জোনেও। লকডাউনের মেয়াদ হবে ১৪ থেকে ২১ দিন পর্যন্ত। গত ৯ জুন দিনগত রাত ১২টা থেকে রাজধানীর পূর্ব রাজাবাজার এলাকাকে পরীক্ষামূলকভাবে ‘রেড জোন’ হিসাবে লকডাউন করে স্বাস্থ্যগত ও আইনি পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে ১৪ দিনের জন্য এই লকডাউন কার্যকর করা হবে সেখানে।

খুলনায় সাবেক এমপি মঞ্জু ও তার ছেলে-মেয়ের করোনা নেগেটিভ

স্টাফ রিপোর্টার

বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ও খুলনা মহানগর শাখার সভাপতি সাবেক সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম মঞ্জু, ছেলে আনান এহসান সিয়াম ও কন্যা আদৃতা আলো সেমন্তির করোনাভাইরাস পরীক্ষায় ফলাফল নেগেটিভ এসেছে। নগর বিএনপির সহ-দপ্তর সম্পাদক সামছুজ্জামান চঞ্চল রোববার রাত সাড়ে ৮ টার দিকে একথা জানান। এক বিজ্ঞপ্তিতে তিনি বলেন, পরিবারের অন্য তিন সদস্য করোনা নেগেটিভ হওয়ায় মহান সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ্’র দরবারে শুকরিয়া আদায় এবং তাদের জন্য দোয়া করায় খুলনাবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন নজরুল ইসলাম মঞ্জু। একই সাথে তিনি করোনা আক্রান্ত সহধর্মিণী মানবাধিকার সংগঠক অ্যাডভোকেট সৈয়দা সাবিহা’র দ্রুত সুস্থতা কামনায় খুলনা তথা দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন। বিবৃতিতে তিনি বলেছেন, সৈয়দা সাবিহা আমাকে খুলনাবাসীর পাশে থাকতে অকৃত্রিম সহযোগিতা করে থাকেন। পর্দার অন্তরালের এই মানুষটির অকুণ্ঠ অনুপ্রেরণায় তরুণ বয়স থেকেই অদ্যবধি পুরোজীবনটাই আমি খুলনার মা-মাটি ও মানুষের কল্যাণে সত্য-ন্যায়ের পক্ষে লড়েছি। জীবনের বেশিটা সময় কেটেছে রাজপথে, সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের পাশে, কাঁধে হাত রেখে। সর্বশেষ অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনে জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হয়ে জাতীয় সংসদে বিরোধী দলের সংসদ সদস্য হয়ে খুলনাবাসীর প্রতিনিধিত্ব করেছি। অসীম স্বাদ-সীমিত সামর্থ্যের মধ্যে পূরণ করতে পারিনি হয়তো। তবে খুলনাবাসীর বিশ্বাস ও আস্থায় সকলের মঞ্জু ভাই হতে পারাটাই আমার অর্জন। দেশ-জাতি ও দলের বৃহত্তর স্বার্থে অনেক ক্ষেত্রেই সকলের মন রক্ষা করা সম্ভব হয়নি। প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে কারো মনে কষ্ট দিয়ে থাকলে বৈশ্বিক করোনা মহামারিকালে নিজগুনে আমাকে ক্ষমা করে, আমার সহধর্মিণীর সুস্থতা কামনায় দোয়া করবেন।

খুমেকে করোনার উপসর্গ নিয়ে অবসরপ্রাপ্ত এসআইয়ের মৃত্যু

স্টাফ রিপোর্টার

খুলনা মেডিকেল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালের করোনা সাসপেক্টেড আইসোলেশন ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় করোনার উপসর্গ নিয়ে আবুল হোসেন (৭০) নামের পুলিশের অবসরপ্রাপ্ত এক এসআইয়ের মৃত্যু হয়েছে। খুলনায় উপসর্গ নিয়ে মোট ৪২ জনের মৃত্যু হয়েছে। পরবর্তীতে তাদের মধ্যে ৪ জনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়েছে। রোববার (১৪ জুন) সন্ধ্যা ৭টা ২০ মিনিটের দিকে তার মৃত্যু হয়। খুমেক হাসপাতালের ফু কর্ণারের ফোকাল পার্সন (আরএমও) ডা. মিজানুর রহমান বলেন, জ্বর ও শাসকষ্ট নিয়ে রোববার বেলা ৩টা ৪০ মিনিটের দিকে আবুল হোসেনকে হাসপাতালের আইসোলেশনে ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা গেছেন। করোনা পরীক্ষার জন্য তার নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। আবুল হোসেন মহানগরীর খালিশপুর হাউজিংয়ের মৃত হাতেম শেখের ছেলে। পারিবার সূত্রে জানা গেছে, এসআই আবুল হোসেন সর্বশেষ খুলনা ডিআইজি অফিসে কর্মরত ছিলেন। প্রসঙ্গত, করোনাকালীন সময়ে খুলনায় ৪২ জন করোনার উপসর্গ নিয়ে মারা যান। এর মধ্যে ৪ জনের নমুনায় করোনায় পজিটিভ পাওয়া যায়। মারা যাওয়া ব্যক্তিরা হলেন, রূপসা উপজেলার নুর আলম খান, দিঘলিয়ার নজরুল ইসলাম, নগরীর খালিশপুরের আনোয়ার হোসেন ও মনোয়ারা বেগম।

দ. কোরিয়ার বিরুদ্ধে ‘সামরিক ব্যবস্থা’ নেওয়ার হুমকি কিমের বোনের

খুলনাঞ্চল ডেস্ক

দক্ষিণ কোরিয়ার বিরুদ্ধে ‘ব্যবস্থা’ নেবে উত্তর কোরিয়া এবং তা করার জন্য সামরিক বাহিনীকে ব্যবহার করা হবে। শীর্ষ নেতা কিম জং উনের ক্ষমতাশালী বোন কিম ইয়ো জং এই হুমকি দিয়েছেন বলে খবর প্রকাশ করেছে রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা কেসিএনএ। সিউলকে দেওয়া সর্বশেষ হুমকিতে ইয়ো জং বলেছেন, ‘আমি মনে করি দক্ষিণ কোরিয়ান কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সবকিছু থেকে বিরত থাকার এখনই সঠিক সময়। আমরা শিগগিরই পরবর্তী ব্যবস্থা নেবো।’ প্রায় সময় সীমান্ত দিয়ে উত্তর কোরিয়ার অভ্যন্তরে পিয়ংইয়ং বিরোধী লিফলেট ভর্তি বেলুন উড়িয়ে দেয় দেশত্যাগী কোরিয়ানরা। এই দেশবিরোধী কাজ বন্ধে সিউলকে ব্যবস্থা নিতে বলেছিল পিয়ংইয়ং। কিন্তু তারা ব্যর্থ হওয়ায় গত সপ্তাহ থেকে দক্ষিণ কোরিয়ার বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দিচ্ছে উত্তর কোরিয়া। ভাই কিমের গুরুত্বপূর্ণ উপদেষ্টা ইয়ো জং বলেছেন, ‘শীর্ষ নেতা, আমাদের দল ও রাষ্ট্র প্রদত্ত শক্তিবলে আমি শত্রুর বিরুদ্ধে পরবর্তী ব্যবস্থা নিতে সশস্ত্র বিভাগকে নির্দেশ দিয়েছিলাম।’ তিনি আরও যোগ করেছেন যে ‘শত্রুর বিরুদ্ধে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে আমাদের সেনাবাহিনীর জেনারেল স্টাফকে।’ কী ধরনের সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হবে তা স্পষ্ট করেননি ইয়ো জং। কিন্তু উত্তর কোরিয়ার সীমান্ত শহর কায়েসংয়ে অবস্থিত যৌথ লিয়াজো অফিস ধ্বংস করে দেওয়ার হুমকি দিলেন। লিফলেট ভর্তি বেলুন পাঠানো বন্ধে ব্যর্থ হওয়ার কথা উল্লেখ করে কিমের বোন বলেছেন, ‘তাদের বুঝিয়ে দেওয়া উচিত তারা কী করেছে।’ পিয়ংইয়ং বিরোধী লিফলেট পাঠানোর কারণে গত সপ্তাহে দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে সব যোগাযোগ বন্ধ করে দেয় উত্তর কোরিয়া।

অভিনেতা সুশান্ত সিংয়ের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

বিনোদন ডেস্ক

বলিউড অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুত আর নেই। তার বয়স হয়েছিল ৩৪। এনডিটিভি ডটকম জানিয়েছে, রোববার (১৪ জুন) মুম্বাইয়ে এই অভিনেতার বাড়ি থেকে তার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ধারণা করা হচ্ছে তিনি আত্মহত্যা করেছেন। টিভি ধারাবাহিকে অভিনয় করে বিশেষ খ্যাতি পান সুশান্ত। বড় পর্দাতেও সফল হয়েছেন। ২০১২ সালে ‘কাই পো চে’ সিনেমার মাধ্যমে বলিউড সিনেমায় তার অভিষেক হয়। এরপর ‘পিকে’, ‘এম এস ধোনি: দ্য আনটোল্ড স্টোরি’, ‘কেদারনাথ’, ‘ছিছোরে’ প্রভৃতি সিনেমায় অভিনয় করে দর্শকের প্রশংসা কুড়িয়েছেন। তার সর্বশেষ মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমা ‘ড্রাইভ’। নেটফিক্সে মুক্তি পায় এটি। ‘দিল বেচারা’ সিনেমার শুটিং করছিলেন তিনি। ইরফান খান, ঋষি কাপুরের মতো তারকাদের হারিয়ে ইতোমধ্যে শোকে বিহ্বল বলিউড। এর মধ্যে সুশান্তের মৃত্যু মেনে নিতে পারছেন না তার সহকর্মীরা। বলিউড অভিনেতা অক্ষয় কুমার মাইক্রোব্লগিং সাইট টুইটারে লিখেছেন, ‘সত্যি বলতে এই খবর শোনার পর আমি মর্মাহত ও বাকরুদ্ধ। আমার মনে আছে, ছিছোরে সিনেমায় সুশান্ত সিং রাজপুতকে দেখার পর, সিনেমাটি কতটা উপভোগ করেছি তা এর প্রযোজক ও আমার বন্ধু সাজিদকে বলেছিলাম। আমার ইচ্ছা হচ্ছিল, যদি সিনেমাটিতে অভিনয় করতে পারতাম। খুবই প্রতিভাধর একজন অভিনেতা ছিল। সৃষ্টিকর্তা তার পরিবারকে ধৈর্যধারণ করার শক্তি দিক।’

কপিলমুনিতে আরো ৩ জনের করোনা শনাক্ত, মোট আক্রান্ত ৫

পলাশ কর্মকার, কপিলমুনি

পাইকগাছার কপিলমুনির সাংবাদিক তপন পালের পর এবার তার স্ত্রী তৃপ্তি পালের নমুনাতেও করোনা পজেটিভ শানাক্ত হয়েছে। এছাড়া কপিলমুনির কাশিমনগর এলাকার সন্তোষ শীলের ছেলে রাম প্রসাদ শীল ও একই উপজেলার সোলাদানা বেতবুনিয়া এলাকার জনৈকা আঞ্জুয়ারা যিনি রুপসা উপজেলায় স্বাস্থ্য সহকারী হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন তাদের নমুনাতেও করোনা শণাক্ত হয়েছে বলে জানা গেছে। এনিয়ে এখন পর্যন্ত ৫ জনের করোনা পজেটিভ শনাক্ত হয়েছে। এর আগে সাংবাদিক তপনের পর উপজেলার চাঁদখালী ইউনিয়নের শাহাপাড়া গ্রামের রমজান গাজী (৫১) নামে এক পুলিশ সদস্যের করোনা শনাক্ত হয়। তিনি খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নমুনা দিলে হাসপাতালের করোনা ইউনিটের পিসিআর ল্যাবে তার কোভিট-১৯ রিপোর্ট পজেটিভ আসে। কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার বরাদ দিয়ে পাইকগাছা উপজেলা সেনেট্যারী কর্মকর্তা ও উপজেলা নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক উদয় কুমার মন্ডল জানান, উপজেলার কপিলমুনির কাশিমনগরের সন্তোষ সরকারের ছেলে রামপ্রসাদ শীল’র শরীরে করোনা উপসর্গ দেখা দিলে তিনি ৬ জুন যশোরের কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নমুনা দেন। ১০ জুন তার রিপোর্টে করোনা পজেটিভ শনাক্ত হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জুলিয়া সুকায়নার নির্দেশে স্থানীয় ইউপি সদস্য আব্দুস সালাম মোড়লের নেতৃত্বে রাম প্রসাদের বাড়ী ও তৎসংলগ্ন এলাকা লকডাউন করেছে। এসময় তারা তার বাড়ির সামনের রাস্তয় বাঁশ পুতে লকডাউনের আওতায় নিয়েছে। তবে এলাকার কেউ লকডাউন মানছেনা বলে একাধিক সূত্র দাবি করছে।

এদিকে পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: নীতিশ চন্দ্র গোলদারের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন,এখন পর্যন্ত পাইকগাছা উপজেলায় এক সাংবাদিক ও তার স্ত্রীসহ মোট ৪ জনের নমুনায় করোনা পজেটিভ শনাক্ত’র তথ্য রয়েছে। স্বাস্থ্য সহকারীর ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন,তার ব্যাপারে জেলা থেকে তাকে কোন মেসেজ দেওয়া হয়নি তবে তিনি অন্য মাধ্যমে শুনেছেন।

কপিলমুনি বাজার লকডাউন ঘোষণা

কপিলমুনি প্রতিনিধি

পাইকগাছার কপিলমুনি বাজার লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। শুধুমাত্র নিত্য প্রয়োজনীয় দোকানপাঠ খোলা থাকবে। হাট-বাজারে চলাচলের ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করতে হবে। কপিলমুনিতে অবসরপ্রাপ্ত এক শিক্ষকের করোনা পজেটিভ হওয়ার পর উপজেলায় এ পর্যন্ত মোট ৫ জন করোনা রোগী শনাক্ত হলেও স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য মতে উপজেলায় ৩ জন আক্রান্ত। আক্রান্তদের মধ্যে কপিলমুনিতে বাড়ি ৪ জন এবং অপরজনের বাড়ি চাঁদখালী ইউনিয়নে।

এদিকে গত বৃহস্পতিবার থেকে জেলায় লকডাউন ঘোষণা করা হলেও পাইকগাছা উপজেলায় এর তেমন কোন প্রভাব পড়েনি। প্রশাসনের তরফ থেকে প্রতিদিন এলাকায় মাইকিং করা হলেও লোকজন বেমালুম নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করেই যে যার মত করে চলাফেরা করছে। তবে দিনদিন আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে উপজেলাবাসী। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, জেলায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়া জেলা প্রশাসক গত বৃহস্পতিবার থেকে জেলাব্যাপী লকডাউন ঘোষণা করেন। কিন্তু এরপরও লোকজন স্বাস্থ্য বিধি না মেনে চলাফেরা করছে। নেই মুখে মাস্ক, নেই সামাজিক দূরত্ব। এদিকে উপজেলার কপিলমুনি ইউপির প্রতাপকাটি গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক মোঃ আব্দুল মান্নান সরদার করোনা আক্রান্ত হওয়ার পর এ পর্যন্ত উপজেলায় মোট ৫ জন করোনা আক্রান্ত হলো। এর মধ্যে কপিলমুনিতেই বাড়ি ৪ জনের। এরা হলেন সাংবাদিক তপন পাল ও তার স্ত্রী তৃপ্তি পাল, কাশিমনগর গ্রামের রামপ্রসাদ শীল ও প্রতাপকাটি গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক আব্দুল মান্নান সরদার। এ ছাড়া চাঁদখালী ইউনিয়নের শাহাপাড়া গ্রামের রমজান গাজী নামে এক পুলিশ সদস্য করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ নীতিশ চন্দ্র গোলদার জানান, তার কাছে থাকা স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্যমতে উপজেলায় এ পর্যন্ত ৩ জন করোনা রোগী সনাক্ত হয়েছে। এরা হলেন তপন পাল ও তার স্ত্রী এবং কাশিমনগরের রামপ্রসাদ শীল। পুলিশ সদস্য চাঁদখালীর রমজান গাজী এবং প্রতাপকাটির অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক আব্দুল মান্নান সরদারের ব্যাপারে কোন তথ্য উপজেলায় নেই। তবে কপিলমুনি ইউপি চেয়ারম্যান কওছার আলী জোয়াদ্দার জানান, গত কয়েকদিন আগে শিক্ষক আব্দুল মান্নান অসুস্থ হলে তিনি খুলনায় গিয়ে চিকিৎসা নেন। ওখানেই তার নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরে তার রিপোর্ট পজেটিভ পাওয়া যায়।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার জুলিয়া সুকায়না জানান, জেলা প্রশাসকের নির্দেশনায় উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ কপিলমুনি বাজারকে লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। নিত্য প্রয়োজনীয় কিছু পণ্যের দোকান ছাড়া সকল দোকানপাট ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার জন্য নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। নির্দেশনা বাস্তবায়নে প্রশাসনও নিবিড়ভাবে কাজ করবে বলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানান। এলাকাবাসী প্রশাসনের পক্ষ থেকে কড়া পদক্ষেপ নেওয়ার জোর দাবি জানিয়েছেন।

ছেলে-মেয়ে ও নিজের করোনা রিপোর্ট নেগেটিভ আসায় সৃষ্টিকর্তার প্রতি শুকরিয়া মঞ্জুর : স্ত্রীর জন্য দোয়া প্রার্থনা

খবর বিজ্ঞপ্তি

বিএনপি’র কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ও খুলনা মহানগর শাখার সভাপতি সাবেক সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম মঞ্জু’র নিজের এবং ছেলে আনান এহসান সিয়াম ও কণ্যা আদৃতা আলো সেমন্তি’র করোনাভাইরাস পরীক্ষায় নেগেটিভ আশায় মহান সৃষ্টিকর্তা আলাহ্’র দরবারে শুকরিয়া আদায় এবং দোয়া করায় খুলনাবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা স্বীকার করে বিবৃতি দিয়েছেন। গতকাল রবিবার এক বিবৃতিতে তিনি করোনা আক্রান্ত সহধর্মিনী মানবাধিকার সংগঠক এ্যাড. সৈয়দা সাবিহা’র দ্রুত সুস্থ্যতা কামনায় খুলনা তথা দেশবাসীর নিকট দোয়া প্রার্থনা করেছেন।

বিবৃতিতে তিনি বলেছেন, অর্ধাঙ্গিনী এ্যাড. সৈয়দা সাবিহা আমাকে খুলনাবাসীর পাশে থাকতে অকৃত্রিম সহযোগিতা করে থাকেন। পর্দার অন্তরালের এই মানুষটির অকুণ্ঠ অনুপ্রেরণায় তরুণ বয়স থেকেই অদ্যবধি পুরোজীবনটাই আমি খুলনার মা-মাটি ও মানুষের কল্যাণে সত্য-ন্যায়ের পক্ষে লড়েছি। জীবনের বেশিটা সময় কেটেছে রাজপথে, সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের পাশে; কাঁধে হাত রেখে। সর্বশেষ অংশ গ্রহনমুলক নির্বাচনে জনগনের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হয়ে জাতীয় সংসদে বিরোধী দলের সংসদ সদস্য হয়ে খুলনাবাসীর প্রতিনিধিত্ব করেছি। অসীম স্বাদ-সীমিত সামর্থ্যরে মধ্যে পূরণ করতে পারিনি হয়তো। তবে খুলনাবাসীর বিশ্বাস ও আস্থায় সকলের মঞ্জু ভাই হতে পারাটাই আমার অর্জন। দেশ-জাতি ও দলের বৃহত্তর স্বার্থে অনেক ক্ষেত্রেই সকলের মন রক্ষা করা সম্ভব হয়নি। প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে কারো মনে কষ্ট দিয়ে থাকলে বৈশ্বিক করোনা মহামারিকালে নিজগুনে আমাকে ক্ষমা করে, আমার সহধর্মিনীর আশুসুস্থ্যতা কামনায় দোয়া করুন। বৈশ্বিক করোনা মহামারী থেকে খুলনা, দেশ তথা বিশ্ববাসীর আশু মুক্তিকামনায় সকলেই সকলের জন্য মহান আলাহ্’র দরবারে দোয়া প্রার্থনা করি।

করোনা সতর্কতায় দলীয় নেতাকর্মী ও খুলনাবাসীকে স্বাস্থ্য বিধি নেমে নিজ দায়িত্বে পরিবার-পরিজনের সুস্থ্য রাখতে প্রতি উদ্যত্ত আহ্বান জানিয়ে তিনি আরও বলেছেন, সৃষ্টিকর্তা ব্যতীত অন্য কারো উপর ভরসা না করে নিজ দায়িত্বে স্বাস্থ্যবিধি মেনে শারিরিক দুরত্ব বজায় রেখে ধর্য্য ও প্রার্থনার মাধ্যমে করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে হবে।

সাংবাদিক হিমালয়ের শ্বশুরের মৃত্যুতে নগর বিএনপির শোক

খবর বিজ্ঞপ্তি

দৈনিক সমকাল ও দৈনিক পূর্বাঞ্চলের স্টাফ রিপোর্টার আবুল হাসান হিমালয়ের শ্বশুর নূর ইসলাম ব্যাপারী (৭২) আজ ১৪ জুন রোববার সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে বার্ধক্যজনিত কারণে খুলনা মহানগরীর শেখপাড়াস্থ নিজ বাড়িতে ইন্তেকাল করেছেন(ইন্না লিল্লাহি… রাজিউন)। রবিবার নগর বিএনপির সহ-দপ্তর সম্পাদক শামসুজ্জামান চঞ্চল স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন খুলনা মহানগর বিএনপির নের্তৃবৃন্দ। বিবৃতিদাতারা হলেন, বিএনপির চেয়ারপাসনের উপদেষ্টা এম নুরুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও মহানগর সভাপতি নজরুল ইসলাম মঞ্জু, সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনি, সাহারুজ্জামান মোর্ত্তজা, সৈয়দা নার্গিস আলী, মীর কায়সেদ আলী, শেখ মোশারফ হোসেন, জাফরউলাহ খান সাচ্চু, জলিল খান কালাম, সিরাজুল ইসলাম, এড. ফজলে হালিম লিটন, অধ্যক্ষ তারিকুল ইসলাম, শেখ আমজাদ হোসেন, অধ্যাপক আরিফুজ্জামান অপু, সিরাজুল হক নান্নু, আসাদুজ্জামান মুরাদ, এস এম আরিফুর রহমান মিঠু, ইকবাল হোসেন খোকন প্রমুখ।

দলীয় নেতা আবু হোসেন বাবুসহ তিন জনের সুস্থ্যতা কামনায় দোয়া চেয়েছেন নগর বিএনপি

খবর বিজ্ঞপ্তি

খুলনা জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক আবু হোসেন বাবু’র করোনা পজেটিভ হওয়ায় তার সুস্থ্যতা কামনায় দোয়া চেয়েছেন মহানগর বিএনপির নেতৃবৃন্দ। একই সাথে জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি শেখ আব্দুর রশিদ এবং মোল্লা খায়রুল ইসলামের মেয়ে অসুস্থ্য থাকায় তাদের সুস্থ্যতা কামনা কওে বিবৃতি দিয়েছে নেতৃবৃন্দ। রবিবার নগর বিএনপির সহ-দপ্তর সম্পাদক শামসুজ্জামান চঞ্চল স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিবৃতিদাতারা হলেন, বিএনপির চেয়ারপাসনের উপদেষ্টা এম নুরুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও মহানগর সভাপতি নজরুল ইসলাম মঞ্জু, সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনি, সাহারুজ্জামান মোর্ত্তজা, সৈয়দা নার্গিস আলী, মীর কায়সেদ আলী, শেখ মোশারফ হোসেন, জাফরউলাহ খান সাচ্চু, জলিল খান কালাম, সিরাজুল ইসলাম, এড. ফজলে হালিম লিটন, অধ্যক্ষ তারিকুল ইসলাম, শেখ আমজাদ হোসেন, অধ্যাপক আরিফুজ্জামান অপু, সিরাজুল হক নান্নু, আসাদুজ্জামান মুরাদ, এস এম আরিফুর রহমান মিঠু, ইকবাল হোসেন খোকন প্রমুখ।

ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ আব্দুল্লাহ’র মৃত্যুতে বিভিন্নমহলের শোক

খবর বিজ্ঞপ্তি

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কেন্দ্রিয় কমিটির সাবেক ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক, ধর্ম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ’র মৃত্যুতে গভীর শোক, শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা ও মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিবৃতি দিয়েছেন, শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান এমপি, খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সিটি মেয়র আলহাজ্ব তালুকদার আব্দুল খালেক, খুলনা-২ আসনের সংসদ সদস্য সেখ সালাহউদ্দিন জুয়েল, কেন্দ্রিয় সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল হোসেন, খুলনা জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব শেখ হারুনুর রশীদ, খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এমডিএ বাবুল রানা, জেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. সুজিত অধিকারী, খুলনা-১ আসনের সংসদ সদস্য পঞ্চানন বিশ্বাস, খুলনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য নারায়ন চন্দ্র চন্দ, খুলনা-৬ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মো. আকতারুজ্জামান বাবু, সোনাডাঙ্গা থানা আওয়ামী লীগ সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান বুলু বিশ্বাস, সাধারণ সম্পাদক তসলিম আহমেদ আশা, মহানগর শ্রমিক লীগের সভাপতি আবুল কাশেম মোল্লা, সাধারণ সম্পাদক রনজিত কুমার ঘোষ, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সভাপতি চ. ম. মুজিবর রহমান, সাধারণ সম্পাদক মীর মো. লিটন। অনুরূপ বিবৃতি দিয়েছেন খুলনা চেম্বারের সভাপতি কাজি আমিনুল হক, উর্দ্ধতন সহ-সভাপতি শেখ আসাদুর রহমান, সহ-সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান বিশ্বাস বুলু, সহ-সভাপতি মোঃ মোস্তফা জেসান ভূট্টো, পরিচালকবৃন্দ গোপী কিষণ মুন্ধড়া, এম এ মতিন পান্না, জেড এ মাহামুদ ডন, এস এম ওবায়দুল্লাহ, আলহাজ্ব মোঃ মফিদুল ইসলাম টুটুল, ঠাকুর মোঃ শাহ্ আলম, জোবায়ের আহমেদ খান (জবা), মোঃ সিরাজুল হক, কাজী মাসুদুল ইসলাম, আলহাজ্ব মোঃ মোশাররফ হোসেন, শেখ আল্লামা ইকবাল তুহিন, মোঃ আবুল হাসান, দীপক কুমার দাস, মোঃ ইসলাম খান, উজ্জল কুমার গাঙ্গুলী, শেখ মোঃ গাউসুল আজম, খান সাইফুল ইসলাম, মোঃ মনিরুল ইসলাম মাসুম, মোঃ মাহবুব আলম ও চৌধুরী মিনহাজ¦ উজ জামান এবং খুলনা চেম্বারের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ গভীর শোক প্রকাশ করে মরহুমের রুহের মাগফেরাত কামনা এবং তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারবর্গের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ফায়েক উজ্জামান ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ মো. আবদুল্লাহ’র মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। এক শোক বার্তায় তিনি মরহুমের রুহের মাগফেরাত কামনা করে শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেন। সোনাডাঙ্গা থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান বুলু বিশ্বাস, সাধারন সম্পাদক সাবেক ছাত্রনেতা তসলিম আহম্মেদ আশা,শাহজাহান পারভেজ, মোঃ আমির হোসেন, মোঃ মোজাফফার হোসেন, জান্নাতুল ফেরদৌস পিকুল, রফিকুল ইসলাম পিটু, জাহাঙ্গির আলী মন্টু, আঃ কাইয়ুম গোরা, এস এম রাজুল হাসান রাজু, এস এম কবির উদ্দিন বাবলু, টি এম আরিফ, কাউন্সিলর আমেনা হালিম বেবী, শরীফ এনামুল কবীর, মোক্তার হোসেন, এজাজ পারভেজ বাপ্পি, কামরুজ্জামান, এড এনামুল হক, আলী আকবর, মোঃ রুহুল আমীন খান, এড শামীম আহম্মেদ পলাশ, আইয়ুব আলী, মেহেজাবিন খান, তোতা মিয়াঁ ব্যাপারী, ইঞ্জিনিয়ার আঃ জব্বার, খাজা মঈনুদ্দিন, শিপন চৌধুরী, খান হুমায়ুন কবীর, এড সোহেল পারভেজ, তৌহিদুর রহমান দিপু, শাহাদাৎ হোসেন, মঈন খান সেলিম, কাজী রকিবুল হক পলাশ, আসাদুজ্জামান মিলটন, নাসরিন ইসলাম, হায়দার আলী খোকন, মোঃ রাজ্জাক হোসেন, আরজুল ইসলাম আরজু, মুন্সি আইয়ুব আলী, চম মুজিবুর রহমান, শেখ নুর ইসলাম, শেখ জাহিদুল হক, শেখ আবিদউলাহ, শেখ আব্দুল আজিজ,মোঃ জাহিদুল ইসলাম,সরদার আঃ হালিম,শেখ হাসান ইফতেখার চালু, ইউসুফ আলী খান, হাজি মোতালেব মিয়াঁ, শেখ রুহুল আমিন, মীর মোঃ লিটন, জাকির হোসেন হাওলাদার,রেজাউল করিম, মোঃ সবুর হোসেন,শেখ কুদ্দুস হোসেন, মহাদেব সাহা, মোস্তাক আহম্মেদ টুটুল, সোহেল চৌধুরী, আলী রেজা হায়দার রনি, আনিসুর রহমান, মীর মাসুদ আলী, রকিবুল ইসলাম রকি, এম এম সিপার হায়দার, শেখ সিদ্দিকুর হক, মোঃ মামুন উকিল, মাহবুব মম, জিয়াউর রহমান বাবু সাহেব, এড রাকিবুল ইসলাম, এ এম আল মামুন চৌধুরী, এস এম মনির হোসেন, মশিউজ্জামান খান মশি, এড জসিমউদ্দিন খান লিটন প্রমুখ।

দেশে করোনা ভাইরাসে আরও ৩২ জনের মৃত্যু, নতুন শনাক্ত ৩১৪১

ঢাকা অফিস

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসে আরও ৩২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে দেশে করোনায় মৃতের সংখ্যা দাঁড়ালো এক হাজার ১৭১ জনে। গত ২৪ ঘণ্টায় আরও তিন হাজার ১৪১ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এ নিয়ে দেশে মোট করোনা শনাক্ত হলেন ৮৭ হাজার ৫২০ জন। রবিবার দুপুরে করোনা ভাইরাস সম্পর্কিত সার্বিক পরিস্থিতি জানাতে স্বাস্থ্য অধিদফতরের নিয়মিত স্বাস্থ্য বুলেটিনের আয়োজন করা হয়। সেখানে এসব তথ্য জানান স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক নাসিমা সুলতানা। তিনি সংযোজিত একটিসহ মোট ৬০টি ল্যাবে নমুনা পরীক্ষার তথ্য তুলে ধরে জানান, করোনাভাইরাস শনাক্তে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১৪ হাজার ৬৯০টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরীক্ষা করা হয় ১৪ হাজার ৫০৫টি নমুনা। এ নিয়ে দেশে মোট নমুনা পরীক্ষা করা হলো পাঁচ লাখ এক হাজার ৪৬৫টি। নতুন নমুনা পরীক্ষায় করোনা সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে আরও তিন হাজার ১৪১ জনের মধ্যে। ফলে ভাইরাসটিতে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ৮৭ হাজার ৫২০ জনে। আক্রান্তদের মধ্যে মারা গেছেন আরও ৩২ জন। এ নিয়ে মোট মৃত্যু হলো এক হাজার ১৭১ জনের। ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৯০৩ জন। ফলে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরলেন মোট ১৮ হাজার ৩৩১ জন। তিনি জানান, ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষার তুলনায় শনাক্তের হার ২১ দশমিক ৬৫ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ২১ দশমিক ৪০ শতাংশ এবং শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুর হার এক দশমিক ৩৪ শতাংশ। ডা. নাসিমা বরাবরের মতো করোনাভাইরাস থেকে সুরক্ষিত থাকতে সবাইকে সাবান দিয়ে হাত ধোয়া, মুখে মাস্ক পরা এবং অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান জানান বুলেটিনে।

বটিয়াঘাটায় জেলা ডিবির অভিযানে গাঁজাসহ গ্রেফতার ১

স্টাফ রিপোর্টার

বটিয়াঘাটা থানাধীন মাইলমারা খেয়াঘাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১০০ গ্রাম গাঁজাসহ এক মাদক বিক্রেতাকে গ্রেফতার করেছে খুলনা জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। ১৩জুন বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার মাদক বিক্রেতা হলেন খুলনা জেলার বটিয়াঘাটা   থানার গজালিয়া গ্রামের আ. হামিদ শেখখের ছেলে মো. আ. ছালাম (৩৫)। 

জেলা গোয়েন্দা শাখার অফিসার ইনচার্জ সেখ কনি মিয়া জানান, ১৩জুন বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে বটিয়াঘাটা থানাধীন মাইলমারা খেয়াঘাট এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন আমার  নেতৃত্বে পুলিশ পরিদর্শক গোপাল চন্দ্র রায় ও এসআই মো. হামিদুল ইসলাম। এসময়  খেয়াঘাট সংলগ্ন বটগাছের নিচ থেকে  ১০০ গ্রাম গাঁজাসহ আ. ছালামকে গ্রেফতার করা হয়। তার বিরুদ্ধে বটিয়াঘাটা থানায় মাদকদ্রব্য আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

সাতক্ষীরায় র‌্যাবের অভিযানে গাঁজাসহ গ্রেফতার ১

স্টাফ রিপোর্টার

সাতক্ষীরা জেলার সদর থানাধীন ভবানীপুর গ্রামে অভিযান চালিয়ে এক কজি গাঁজাসহ এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৬। ১৩ জুন রাত ৯টার দিকে গোপন সংবাদের মাধ্যমে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার মাদক ব্যবসায়ী হলেন সাতক্ষীরা জেলার কলারোয়া থানার কেড়াগাছি গ্রামের   মো. আব্দুল গফুর সরদারে ছেলে মোঃ জুয়েল ইসলাম সরদার (২৩)। 

র‌্যাব-৬ জানায়, ১৩ জুন রাত ৯টার দিকে সাতক্ষীরা জেলার সদর থানাধীন ভবানীপুর গ্রামে অভিযান পরিচালনা করে র‌্যাবের একটি আভিযানিক দল। এসময় ভবানীপুর গ্রামস্থ মের্সাস নিবরাজ ব্রিকস নামক ইটের ভাটার সামনে থেকে এক কজি গাঁজাসহ জুয়েল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়। তার  বিরুদ্ধে সাতক্ষীরা সদর থানায় হ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

মহেশপুরে আরো একজন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত

মহেশপুর (ঝিনাইদহ) মহেশপুরে

৫ দিনের ব্যবধানে ঝিনাইদহের মহেশপুরে আরো একজন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে। এ নিয়ে এ উপজেলায় আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ৫ জনে। নতুন করে আক্রান্ত মহিলার বাড়ি উপজেলার বাশবাড়িয়া ইউপির ভৈরবাা গ্রামের বিদ্যুৎ অফিস পাড়ায়।  তিনি এখন নিজ বাড়িতে হোম কোয়ারেন্টাইনে চিকিৎসাধীন আছেন।

মহেশপুর হাসপাতালের ইউএচএন্ডএফপিও ডাঃ আঞ্জুমানারা বেগম জানান, গত ১ তারিখে করোনা উপস্বর্গ নিয়ে সে মহেশপুর হাসপাতালের আইসলোয়েশনে চিকিৎসাধীন ছিল এবং ১ তারিখে করোনা টেস্টের জন্য তার নমুন সংগ্রহ করে খুলনা ল্যাবে টেস্টে পাঠায়। রাবিবার তার করোনা পজেটিভ রিপোর্ট আসে। তিনি আরো জানান তার পরিবারে অন্য এক সদস্যের নমুন সংগ্রহ করে ল্যাবে টেস্টের জন্য পাঠানো হয়েছে।

 তারা ঢাকা থেকে এসেছে। সেখান থেকে সংক্রমিত হয়েছে বলে ধারনা করা হচ্ছে। উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ জানায় তার বাড়িসহ সংস্পর্শে আশা ব্যাক্তিদের বাড়িও লক ডাউন করার জন্য ব্যাবস্থা গ্রহনের প্রস্তুতি চলছে।

উল্লেখ্য ৯ জুন ঝিনাইদহ জেলায় ৪ জনের করোন পজেটিভ রিপোট আসে। এরমধ্যে মহেশপুরে একজন। মহেশপুরে ৫ জন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তির মধ্যে ৩ জন চিকিৎসাধীন রয়েছে।

নাসিমের ইন্তেকালে খুবি স্বাশিপের শোক

খবর বিজ্ঞপ্তি

সাবেক সফল স্বরাষ্ট্র ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম গতকাল সকাল ১১ টা ১০ মিনিটে ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহে … রাজিউন)। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদ তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছে। পরিষদের সকল সদস্যের পক্ষ থেকে সভাপতি প্রফেসর ড. মোসাম্মাৎ হোসনে আরা এবং সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর ড. আশীষ কুমার দাস এক শোক বিবৃতিতে মরহুমের রুহের মাগফেরাত কামনা করে শোকসন্তপ্ত পরিবারবর্গের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন।

কেশবপুর প্রেসকাবের নবাগত সাংবাদিকদের সদস্য পদের চিঠি প্রদান

কেশবপুর প্রতিনিধি

যশোরের কেশবপুর প্রেসকাব এর নবাগত ১২ জন সাংবাদিককে সদস্য পদের চিঠি প্রদান করা হয়েছে। তারা হলেন- রমেশ চন্দ্র দত্ত, কামরুজ্জামান রাজু, মিলন কুমার দে, পরেশ চন্দ্র দেবনাথ, শহিদুল ইসলাম, উদয় শংকর সিংহ, মেহেদী হাসান জাহিদ, সুশান্ত কুমার মল্লিক, আলমগীর হোসেন, মাহবুবুর রহমান, অলিয়ার রহমান ও আব্দুল্লাহ আল মামুন।

কেশবপুর প্রেসকাবের হলরুমে ১৩ জুন (শনিবার) সন্ধ্যায় নবাগত সাংবাদিকদের হাতে সদস্য পদের চিঠি তুলে দেন কেশবপুর প্রেসকাব এর সভাপতি আশরাফ-উজ-জামান খান ও সাধারণ সম্পাদক মোতাহার হোসাইন।

এসময় কেশবপুর প্রেসকাব এর সভাপতি আশরাফ-উজ-জামান খান এর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মোতাহার হোসাইন এর পরিচালনায় শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন কেশবপুর প্রেসকাবের কোষাধ্যক্ষ শামসুর রহমান, সাংবাদিক উৎপল দে, নতুন সদস্য পদ প্রাপ্তদের মধ্য থেকে বক্তব্য রাখেন রমেশ চন্দ্র দত্ত, উদয় শংকর সিংহ ও কামরুজ্জামান রাজু।

উল্লেখ্য, কেশবপুর প্রেসকাবে সদস্য পদের আবেদনের পেক্ষিতে সংগঠনের নির্বাহী কমিটির ১২ জুন অনুষ্ঠিত ১১নং সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১২ জন সাংবাদিককে সদস্য পদ প্রদান করা হয়েছে। নবাগত সদস্যদের গঠনতন্ত্রের ধারাসমূহ মেনে সুনাম বৃদ্ধি ও পেশাদারিত্ব বজায় রাখতে বলেছেন কেশবপুর প্রেসকাব কর্তৃপক্ষ। এর আগে গত ১ মার্চ প্রথম দফায় ৫ জন এবং ১২ জুন দ্বিতীয় দফায় ১২ জনকে সদস্য করা হয়।  কেশবপুর প্রেসকাব ১৯৭৮ সালের ২০ জানুয়ারি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

দাকোপে মুক্তিযোদ্ধার বাড়ীতে হামলা-ভাংচুরের ঘটনায় খুলনা জেলা সুনাম কমিটির নিন্দা

খবর বিজ্ঞপ্তি

খুলনার দাকোপ উপজেলা সদরে প্রয়াতঃ বীর মুক্তিযোদ্বা দুলাল কৃষ্ণ বিশ্বাসের বসতবাড়িতে হামলা ও ভাংচুর এবং মুক্তিযোদ্বার স্ত্রী মিনা বিশ্বাসকে ধাক্কা মারপিট ও শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেছে স্থানীয় উপজেলা চেয়ারম্যান মুনছুর আলী খানের সন্ত্রাসী বাহিনী। এ ঘটনায় মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রী মিনা বিশ্বাস বাদী হয়ে স্থানীয় দাকোপ থানায় মামলা দায়ের করলেও পুলিশ এখনও কাউকে আটক করতে পারেনি। এই ন্যাক্কারজনক হামলা ও মারপিটের ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়ে দোষীদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবী করে বিবৃতি প্রদান করছে খুলনা জেলা সুরক্ষা, নাগরিক অধিকার ও মর্যাদা (সুনাম) কমিটির নেতৃবৃন্দ। বিবৃতিদাতারা হলেন খুলনা জেলা সুরক্ষা, নাগরিক অধিকার ও মর্যাদা (সুনাম) কমিটির সভাপতি সাংবাদিক সুনীল দাশ, সহসভাপতি প্রভাষক পঞ্চানন মন্ডল ওমাহফুজুর রহমান মুকুল, সাধারণ সম্পাদক এসএম সোহেল ইসহাক, সহসাধারণ সম্পাদক এ্যাড: নুরুন নাহার পলি ও এনজিও কর্মকর্তা পলাশ দাশ, কোষাধ্যক্ষ তরিকুল ইসলাম বাপী, মানবাধিকার সম্পাদক এ্যাড: পপি ব্যানার্জি, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক রিংটন মন্ডল, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক শরীফ খান, কার্যকারী সদস্য যথাক্রমে, মাহমুদ হাসান রনি, মাহবুব আলম বাদশা, ফরহাদ হোসেন মিটন,শেখ হাসান মাহফুজ, তাপসী রাবেয়া, মিজানুর রহমান স্বপন,অনুপম সরকার,সাগর সেন, রিপন দাস,বাহালুল আলম,জগন্মাথ কর্মকার, বেনজির আহমেদ মুকুল, রোজি গাইন, জি এম রাসেল ইসলাম, মিঠুন দাস।

উল্লেখ্য, গত ১০জুন দাকোপ উপজেলা চেয়ারম্যান মুনছুর আলী খানের নির্দেশে তার সন্ত্রাসী বাহিনী মুক্তিযোদ্ধা দুলাল কুষ্ণ বিশ্বাসের বাড়ীতে হামলা করে বাউন্ডারী ওয়ালসহ ঘরবাড়ী ভাংচুর এবং গাছপালা কেটে ফেলে। 

গিলাতলা মাত্তমডাঙ্গায় বখাটে কর্তৃক  ল্যাটেক্স এর মহিলা কর্মচারীকে  মারপিট : থানায় অভিযোগ 

ফুলবাড়ীগেট(খুলনা)প্রতিনিধি

নগরীর খানজাহান আলী থানাধীন মাত্তমডাঙ্গায় বখাটে কর্তৃক খুলনার গিলাতলা  এ্যাসেনসিয়াল  ল্যাটেক্স এ কর্মরত মোছাঃ সাথী আকতার নামে এক মহিলা কর্মচারীকে  মারপিট করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।  এ ঘটনায় ভুক্তভোগি সাথী বেগম খানজাহান আলী থানায়  লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। লিখিত অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, সাথী বেগম প্রায়  ৩ বছর আগে  তার ১২ বছরের এক শিশু পুত্র নিয়ে  আটরা গিলাতলা ইউনিয়নের মাত্তমডাঙ্গা এলাকায় নিজ বাড়িতে  বসবাস করেন । তার স্বামী  ঢাকার একটি মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করেন  । একই এলাকার দুলাল দাস এর পুত্র উত্তম রায় (৩৫) সাথী আকতারের বসত ঘরের ফাক দিয়ে প্রায়ই আজে বাজে কথা বলে এবং কুপ্রস্তাব দেয় , কিছুদিন আগে ঘরের ফাক দিয়ে চুল ধরে এবং চুল ছিড়ে ফেলে এমনকি সাথী বেগমের মোবাইলটি নিয়ে যায় । বিষয়টি সাথী উত্তম এর মা এবং বড় ভাইদের জানায় । এতে ক্ষিপ্ত হয়ে গত ১০ মে রবিবার সাথী বেগমের ঘরে শুকাতে দেয়া কাপড়ে মোটা কালি দিয়ে আজেবাজে কথা লিখে রাখে । পুনরায় সাথী বেগম উত্তম এর মাকে জানালে তারা ছেলের পক্ষ নিয়ে উল্টো তার পরিবারের লোকজন নিয়ে সাথীকে হুমকি ধামকী দিয়ে বাক বিতন্ডার এক পর্যায়ে তাকে কোদাল এর আছাড় দিয়েমারপিট করে  তার স্বর্নের দুল ছিনিয়ে নেয়। এবং তার বাড়ির বিদ্যুৎ এর লাইনটিও কেটে দেয় ।   এসময় স্থানীয়রা এগিয়ে এসে গুরতর জখম অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ফুলতলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স্রে ভর্তি করে।  সাথী বেগম আরোও বলেন,আমার স্বামী চাকরীর সুবাদে ঢাকায় থাকে এ সুযোগে উত্তম আমাকে বিভিন্ন ভাবে শারিরিক ও মানসিক নির্যাতন চালিয়ে আসছিল । এ ঘটনায় তিনি প্রশাসনের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেন । এ ব্যাপারে খানজাহান আলী থানার ওসি মোঃ শফিকুল ইসলাম বলেন থানায় অভিযোগ হয়েছে এবং  অভিযুক্ত উত্তম পলাতক রয়েছে তাকে আটকের ব্যাপারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

সাতক্ষীরায় নতুন করে আরো ১২ জনের করোনা শনাক্ত, এনিয়ে জেলায় মোট করোনা আক্রান্ত-৭৮ জন

খান নাজমুল হুসাইন, সাতক্ষীরা

সাতক্ষীরায় নতুন করে আরো ১২ জনের করোনা পজেটিভ শনাক্ত হয়েছে। খুলনা পিসিআর ল্যাব থেকে পাঠানো এক রিপোর্টে এ তথ্য জানানো হয়। এ নিয়ে সাতক্ষীরায় আজ পর্যন্ত মোট ৭৮ জন করোনা শনাক্ত হয়েছে।

করোনা আক্রান্ত ব্যক্তিরা হলেন, সাতক্ষীরা শহরের মুন্সিপাড়া এলাকার আফরোজা খাতুন, একই এলাকার আহসান কবির, শহরের মুনিজিতপুর এলাকার মনিরুজ্জামান, কালিগঞ্জ উপজেলার ভাড়াশিমলা গ্রামের রাজু আহমেদ, তালা উপজেলার জালালপুর গ্রামের রিপন মোড়ল, তালা উপজেলা সদরের রমা দাস ও অহনা বিশ^াস, দেবহাটা উপজেলার সখিপুর গ্রামের সায়রা বিবি, একই গ্রামের রাজু আহমেদ, একই উপজেলার বদরতলা গ্রামের খাদিজা বিবিসহ ১২ জন। ইতিমধ্যে করোনা আক্রান্ত ব্যক্তিদের বাড়িসহ তাদের আশে পাশের কয়েকটি বাড়ি স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে লক ডাউন করা হয়েছে। সেখানে টানানো হয়েছে লাল পতাকা।

সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার ডাঃ জয়ন্ত সরকার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আজ পর্যন্ত এ জেলা থেকে মোট ১ হাজার ৩৬৭ জনের নমুনা সংগ্রহ করে আইডিসিআর ও পিসআির ল্যাবে পাঠানো হয়। ইতিমধ্যে ৯০২ জনের নমুনা পরীক্ষার রিপোর্ট সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন কার্যালয়ে এসে পৌছেছে। এর মধ্যে ৭৮ জনের করোনা পজিটিভ ও বাকীসব রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে।

বেনাপোল গাঁজা সহ যুবক আটক

বেনাপোল প্রতিনিধিঃ

বেনাপোল সাদিপুর সীমান্ত থেকে ৬ কেজি গাঁজা সহ শরিফুল ইসলাম (২১) নামে এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে  বিজিবি। রবিবার দুপুর ১২ টায় তাকে আটক করা হয়।

আটককৃত শরিফুল বেনাপোল পোর্ট থানার সাদিপুর গ্রামের সাইদুর রহমানের ছেলে।

৪৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের বেনাপোল আইসিপি কোম্পানি কমান্ডার সুবেদার আব্দুল ওহাব জানান গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারি মাদক পাচারকারীরা ভারত থেকে বিপুল পরিমান গাঁজা এনে সাদিপুর আস্তানা মোড়ে অবস্থান করছে।এমন সংবাদের ভিত্তিতে হাবিলদার আব্দুল হালিম সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে সেখানে অভিযান চালিয়ে ৬ কেজি গাঁজাসহ তাকে হাতে নাতে আটক করা হয়।

তার বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে বেনাপোল পোর্ট থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।

কামাল হাজীর মৃত্যুতে খুলনা সোসাইটির নেতৃবৃন্দের শোক

খবর বিজ্ঞপ্তি

আমেরিকা প্রবাসী আনোয়ার হোসেন শাহীন’র পিতা বিশিষ্ট সমাজসেবক আলহাজ্ব কামাল উদ্দিন (৮৩) গত  শনিবার দুপুর ২টায় হাসানবাগস্থ নিজ বাসভবনে তিনি ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি … রাজিউন)। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, পুত্র, কন্যাসহ অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে গেছেন। বাদ মাগরিব সরকারি জয় বাংলা কলেজ মাঠে (সাবেক কমার্শিয়াল কলেজ) মরহুমের নামাজে জানাজা শেষে বসুপাড়া কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়েছে।

এদিকে তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ ও শোক সন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে বিবৃতি প্রদান করেছেন খুলনা সোসাইটির নেতৃবৃন্দ। বিবৃতিদাতারা হলেন- খুলনা সোসাইটির উপদেষ্টা ড. সৈয়দ হাফিজুর রহমান, এ্যাড. শাহনেওয়াজ বাবুল, মো: আবু তৈয়ব মুন্সী ও আজিজুল হাসান দুলু, চীফ ট্রেইনার মো: মাহাবুব আলম, চেয়ারম্যান এস এম সোহেল ইসহাক, ভাইস-চেয়ারম্যান এ্যাড. সেলিনা আক্তার পিয়া, মো: আব্দুস সালাম শিমুল, আতাউর রহমান শিকদার রাজু, মহাসচিব ফারহানা চৌধুরী কনিকা, যুগ্ম মহাসচিব এস এম ময়েজ উদ্দিন চুন্নু, সাইফুর রহমান সুজন, ওয়াহিদ জামান ও ইঞ্জি. মিজানুর রহমান, সম্পাদকম-লীর সারিকা জামান রুনা, জি এম শহিদুল ইসলাম, ইঞ্জি. সাব্বির হোসেন ও শেখ সাদিকুর রশিদ অভি, কাজী আইনুল মুন, ইসরাত আমিন শাবানা, প্রফেসর তাসরিনা বেগম, ডা: প্রদীপ দেবনাথ, ডা: দেবাশিষ সরকার, ডা. মেহেদী হাসান, আব্দুল জলিল সাগর, মো: জয়নাল ফরাজী, শেখ সুমনা আহমেদ, এ্যাড. জামিলা আকতার, গোপাল কর্মকার, কাজী মাহফুজুর রহমান, এস এম মিশকাতুল ইসলাম, মো: মাসুদ রানা, ইঞ্জি: আরিফুল ইসলাম, ইঞ্জি: হাসিবুর রহমান ইমন, ডা: মো: নজরুল ইসলাম, সদস্য বেগ রফিকুল ইসলাম, তৈয়বা খাতুন চেমি, প্রফেসর আহমেদুল কবির চাইনিজ, রফিকুল ইসলাম পিটু, মো: নুর ইসলাম, সাজিনা ইসলাম, ডা: বিষ্ণুপদ সাহা, ডা: চয়ন বিশ্বাস, কাজী আসমা আজমেরী, ইমরুল কায়েস জুয়েল, মো: তারেক হাসান, ডা. কামাল উদ্দিন।

যশোরে কোভিড-১৯ ভাইরাসে নতুন করে ১৬ জন আক্রান্ত

যশোর অফিস

করোনা ভাইরাসে যশোরে নতুন করে ১৬ জন আক্রান্ত হয়েছে।  এ নিয়ে যশোরে আক্রান্তর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে  ২শ’ ১৬জন। এর মধ্যে সুস্থ্য হয়ে বাড়ি ফিরেছেন  ১০১জন।  আক্রান্তের মধ্যে যশোরের অভয়নগর উপজেলায় ১৫জন ও ১জন কেশবপুরে। যশোর সিভিল সার্জন ডাক্তার শেখ আবু শাহীন এ তথ্য সাংবাদিকদের কাছে নিশ্চিত করেছেন। যশোর সিভিল সার্জন অফিস  সূত্রে আরো জানাগেছে, রোববার ১৪ জুন যশোর জেলা থেকে রেকর্ড পরিমান নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। জেলার ৮টি উপজেলা ও যশোর শহরসহ ১৮৫ জনের মধ্যে ১শ’ ৬৯জন নতুন ও ১৬টি ফলোআপ নমুনা সংগ্রহ করে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠানো হয়েছে।

যশোর সদরের শেখহাটিতে দূবৃর্ত্ত কর্তৃক জোরপূর্বক জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ

যশোর অফিস

যশোর শহরতলীর শেখহাটিতে দূবৃর্ত্ত কর্তৃক জোরপূর্বক জমি দখল চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ব্যাপারে যশোর কোতয়ালী থানায় অভিযোগ করা হয়েছে। অভিযোগের তদন্ত নেমেছেন উপশহর পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ।

অভিযোগে বলা হয়েছে, শেখহাটির পশ্চিমপাড়ার আবু দাউদ বিশ্বাসের স্ত্রী জাহানারা বেগম ২৬ শতক পৈত্রিক জমি ওয়ারেশ সূত্রে প্রাপ্ত হয়ে দীর্ঘদিন যাবৎ ভোগদখল করছেন। যার সর্বশেষ জরিপ পর্চাও তার নামে। এই জমির এক অংশে ঘর করে ভাড়া দেয়া এবং অপর অংশে ধান চাষ করা হয়। গত বছর থেকে এই জমি দখলের চেষ্টা করছেন একই গ্রামের মৃত জালাল মুন্সির ছেলে কুতুব মুন্সি, বাবু মুন্সি, মাসুম মুন্সি, নাছিম মুন্সি এবং নূহ মুন্সির ছেলে কাইয়ুম মুন্সি, রবিউল মুন্সি ও তাদের ওয়ারেশরা।

অভিযোগে আরো বলা হয়েছে, গত ০৮ জুন মৃত জালাল মুন্সি ও নূহ মুন্সির ছেলেরা জাহানারার দখলীয় এই জমি তার অগোচরে চাষ করে চলে যায়। জাহানারার পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি জানতে পেরে স্থানীয়দের বললে তারা জালাল মুন্সি ও নূহ মুন্সির ছেলেদের সাথে যোগাযোগ করলে তারা গত ১২ জুন শুক্রবার বিষয়টি নিয়ে বসাবসি করবেন বলে জানান। কিন্তু এই দিন তারা বসাবসি করেনি।

পরদিন ১৩ জুন সকালে আবারো মৃত জালাল মুন্সি ও নূহ মুন্সির ছেলেরা ওই জমি পাওয়ার ট্রিলার দিয়ে চাষ করা শুরু করে। বিষয়টি জানতে পেরে জাহানারা এবং তার স্বামী ও ছেলে শহিদুল ইসলাম মিলন ঘটনাস্থলে যেয়ে তাদের জমি চাষে বাধা দিলে তাদের ওপর কুতুব মুন্সি, বাবু মুন্সি, মাসুম মুন্সি, নাছিম মুন্সি কাইয়ুম মুন্সি, রবিউল মুন্সি ও তাদের ওয়ারেশরা হামলা করে এলোপাতাড়িভাবে মারপিট করতে থাকে। এ সময় প্রতিবেশিরা এগিয়ে এসে দুর্বৃত্তদের প্রতিরোধ করলে তারা জাহানারা, তার স্বামী এবং ছেলে শহিদুল ইসলামকে খুন, জখমের হুমকি দিয়ে চলে যায়। এ বিষয়ে ঘটনার দিন ১৩ জুন যশোর কোতয়ালী থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন জাহানারা বেগম। অভিযোগে তিনি তার পরিবারের সদস্যদের জীবনাশংকার কথা উল্লেখ করে বিষয়টির আইনগত প্রতিকার দাবি করেছেন। অভিযোগটি তদন্তে নেমেছেন যশোর উপশহর পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এস আই এইচএম এ আব্দুল লতিফ। তিনি বলেন, অভিযোগ পেয়ে আমি ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম। বিবাদীদের (আসামী) কাউকে পাইনি। সোমবার ১৫ জুন সকাল ১০টায় উভয়পক্ষকে পুলিশ ক্যাম্পের আসতে বলা হয়েছে। আসলে শুনে বুঝে  আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বরে তিনি সাংবাদিকদের জানান।

করোনার মধ্যে যশোরে পৌরকর আদায়ে মালামাল ক্রোকের ঘোষনায় মানুষ উদ্বিগ্ন

পৌরকর আদায় ও মালক্রোকের কার্যক্রম বন্ধের দাবিতে ওয়ার্কার্স পার্টি মার্কবাদীর স্মারক লিপি পেশ

কে এম রফিক, যশোর

করোনার রুদ্ররোষে দেশের মানুষ যখন দিশেহারা। যশোর পৌর এলাকাও করোনার হিংস্র থাবায় বিদ্ধস্ত। মানুষ জীবন জীবিকা নিয়ে চোখে অন্ধকার দেখছে। ব্যবসা বানিজ্য মৃতপ্রায়। কাল কি হবে হবে জানে না। এমতবস্থায় পৌরকর আদায় আর, আদায়ের নামে মালামাল ক্রোকের ঘোষণা মানুষকে আরো উদ্বগ্ন ও আতঙ্কিত করে তুলেছে।

এ অবস্থায় পৌরকর আদায় ও মাল ক্রোকের কার্যক্রম বন্ধের দাবীতে বাম গণতান্ত্রিক জোট ও বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি (মার্কসবাদী) যশোর জেলা সমন্বয় কমিটি রবিবার দুপুর ১ টায় পৌর মেয়রের নিকট স্মারক লিপি প্রদান করে। মেয়রের পক্ষে স্মারক লিপি গ্রহণ করেন প্যানেল মেয়র হাবিবুর রহমান চাকলাদার মনি।

স্মারকলিপি প্রদানের সময় উপস্থিত ছিলেন বাম গণতান্ত্রিক জোট ও বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি (মার্কসবাদী) যশোর জেলা সমন্বয় কমিটি সমন্বয়ক কমরেড জিল্লুর রহমান ভিটু , বাম গণতান্ত্রিক জোটের সমন্বয়ক কমরেড তসলিমউর রহমান,সিপিবি যশোর জেলা সভাপতি কমরেড আবুল হোসেন,ওয়ার্কার্স পার্টি (মার্কসবাদী) যশোর জেলা কমরেড নাজিমউদ্দিন, বাসদ (মার্কসবাদী)’র সমন্বয়ক কমরেড হাচিনুর রহমান, ইউনাইটেড কমিউনিস্ট লীগের কমরেড কামাল হাসান পলাশ, কমরেড আলাউদ্দিন বাসদ।

যশোরে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া ইমামদের ৫ হাজার টাকা প্রদান

যশোর অফিস

যশোর সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আরবপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহারুল ইসলাম বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একজন ধার্মিক মহিলা। তিনি নিজে যেমন ধর্ম পালন করেন, তেমনি অন্যরা যাতে ধর্ম পালন করতে পারেন তার জন্য সর্বাত্মক সহযোগিতা করেন। তিনি বিশ্বে প্রথম প্রধানমন্ত্রী তিনি একযোগে সারা দেশে প্রত্যেকটি উপজেলায় একটি করে মডেল মসজিদ নির্মাণ করেছেন। ধর্মের জন্য তিনি যত অর্থ দিয়েছেন, এ রকম অর্থ আর কোন রাষ্ট্র প্রধান দেননি। তিনিই প্রথম সারা দেশের মসজিদের ইমাম-মুয়াজ্জিনদের ঈদ উপহার দিয়েছেন।

শাহারুল ইসলাম বলেন, প্রধামন্ত্রী শেখ হাসিনা ধর্মের জন্য যত অর্থ দিয়ে আসছেন, আর কোন প্রধানমন্ত্রী এভাবে দেননি। আজ প্রথম পর্বে আরবপুর ইউনিয়নের প্রায় অর্ধশত মসজিদের ইমামের হাতে ৫ হাজার টাকার এই অর্থ তুলে দিতে পেরে আমি খুশি। প্রধামন্ত্রী শেখ হাসিনার দেওয়া অর্থ স্বচ্ছতার সাথে দিতে পেরে আমি তার একজন কর্মী হিসেবে খুশি।

ইমাম-মুয়াজ্জিনদের কাছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জন্য দোয়া চেয়ে শাহারুল ইসলাম বলেন, শেখ হাসিনা এ দেশের কোন মানুষ যাতে খারাপ কিম্বা দুঃখ-দুদর্শায় থাকুক তা তিনি চান না। তিনি সকলের মঙ্গল কামনা করেন। আমারও তার জন্য দোয়া ও মঙ্গল কামনা করি। তিনি যাতে সুস্থ্য থেকে দেশের মানুষের পাশে সব সময় এভাবে সহযোগিতা করতে পারে।

আজ রোববার দুপুরে সদর উপজেলার আরবপুর ইউনিয়ন পরিষদে এ উপহার প্রদান করেন।

আবরপুর ইউনিয়নের অর্ধশত (৪২) ইমামদের হাতে ৫ হাজার টাকা উপহার তুলে দেন শাহারুল ইসলাম। এ সময় উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ের কর্মকর্তারা ছাড়াও এলাকার গণ্যমান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

ইসলামী আন্দোলন খুলনার নেতা আমজাদ হোসেন করোনায় আক্রান্ত ঃ দোয়া কামনা

খবর বিজ্ঞপ্তি

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ খুলনা মহানগরীর কৃষি ও শ্রম বিষয়ক সম্পাদক, সোনাডাঙ্গা থানা শাখার সহ-সভাপতি মোঃ আমজাদ হোসেনের করোনা রিপোর্ট গতকাল শনিবার (১০ জুন) দিবাগত রাতে পজিটিভ এসেছে, তিনি এখন খুলনার করোনা হাসপাতাল (ডায়াবেটিস হাসপাতালে) চিকিৎসাধীন আছেন, তার জন্য সকলের কাছে দোয়া কামনা করে বিবৃতি দিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ খুৃলনা মহানগর সভাপতি আলহাজ্ব মুফতী আমানুল্লাহ, সহ সভাপতি মাওঃ মোজাফ্ফার হোসাইন, মুফতী মাহবুবুর রহমান, সেক্রেটারী শেখ মুহা. নাসির উদ্দিন, জয়েন্ট সেক্রেটারী মাওঃ দ্বীন ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক জি.এম সজিব মোল্লা, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মোল্লা রবিউল ইসলাম তুষার, প্রচার সম্পাদক মোঃ তরিকুল ইসলাম কাবির, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মুহা. আব্দুর রশিদ, দপ্তর সম্পাদক মোঃ শরিফুল ইসলাম, সহ-দপ্তর সম্পাদক শেখ মুহা. আমীরুল ইসলাম, অর্থ সম্পাদক মুক্তিযোদ্ধা জিএম কিবরিয়া, সহ-অর্থ সম্পাদক আলহাজ্ব মোমিনুল ইসলাম, প্রশিক্ষণ সম্পাদক মুফতী ইসহাক ফরিদী, সহ-প্রশিক্ষণ সম্পাদক মাওঃ হাফিজুর রহমান, ছাত্র ও যুব বিষয়ক সম্পাদক মুফতী ইমরান হুসাইন, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জিঃ এজাজ মানসুর হোসেন, আইন বিষয়ক সম্পাদক এ্যাড. কামাল হোসেন, সমাজ কল্যাণ সম্পাদক আলহাজ্ব আব্দুস সালাম, মহিলা ও পরিবার বিষয়ক সম্পাদক ডাঃ মাওঃ নাসির উদ্দিন, সংখ্যালঘু বিষয়ক সম্পাদক আলহাজ্ব আবু তাহের, নির্বাহী সদস্য মাওঃ শায়খুল ইসলাম বিন হাসান, মাওঃ সিরাজুল ইসলাম, আলহাজ্ব জাহিদুল ইসলাম প্রমুখ।

করোনায় ঢাকায় মারা গেলেন মণিরামপুরের বাবু

মণিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি :

করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে সিরাজুল ইসলাম বাবু (৪৮) নামে এক ব্যবসায়ীর ঢাকায় মৃত্যু হয়েছে। রোববার (১৪ জুন) সন্ধ্যায় রাজধানীর কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে চিকিৎসারত অবস্থায় মারা যান তিনি।

নিহত বাবু যশোরের মণিরামপুরের রামনাথপুর গ্রামের আব্দুল বারিক মোড়লের ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ঢাকায় অটোমোবাইলসের ব্যবসা করতেন।

নিহতের মামাতো ভাই মণিরামপুর সরকারি কলেজের প্রভাষক সাজেদুর রহমান লিটু বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ১১ দিন আগে জ্বরে আক্রান্ত হন বাবু। ছয় দিন বাসায় থেকে চিকিৎসা নেওয়ার পর জ্বর না পড়ায় চারদিন আগে তিনি (বাবু) রাজধানীর কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে ভর্তি হন। এরপর পরীক্ষা নিরীক্ষা করে তার করোনা পজেটিভ রিপোর্ট আসে। হাসপাতালে চিকিৎসারত অবস্থায় রোববার সন্ধ্যায় মৃত্যু হয় বাবুর।

প্রভাষক লিটু বলেন, সিরাজুল ইসলাম বাবুর মরদেহ মণিরামপুরে আনার চেষ্টা চলছে। আমরা তাকে গ্রামে দাফনের কথা ভাবছি।

যুবদল নেতা মিলুর মেয়ের মৃত্যুতে খুলনা জেলা যুবদলের শোক

খবর বিজ্ঞপ্তি:

তেরখাদা উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক চৌধুরী আমিনুল ইসলাম মিলুর মেয়ে জ্যোতি খাতুন (১৯) দীর্ঘ ১ মাস যাবত শারীরিক অসুস্থতার কারনে খুলনা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গতকাল রাত ২টায় ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তার মেয়ের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ ও পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাই। আল্লাহ তাদের পরিবারকে শোক সহ্য করার তৌফিক দান করবেন ও তার মেয়ে কে জান্নাত নসিব করবেন.. আমিন।

শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন খুলনা জেলা যুবদলের নেতৃবৃন্দ। বিবৃতিদাতারা হলেন খুলনা জেলা যুবদল সভাপতি এস এম শামীম কবির ও সাধারন সম্পাদক ইবাদুল হক রুবায়েদ সহ নেতৃবৃন্দ।

মোড়েলগঞ্জে হেলথ্ কমপ্লেক্সে ভিডিও ডর্ক্টস কল বুথ স্থাপনের উদ্বোধন

এম.পলাশ শরীফ,মোড়েলগঞ্জ :

বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জে হেলথ্ কমপ্লেক্স-এ একটি ভিডিও ডর্ক্টস কল বুথ স্থাপনের কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়েছে। ওয়ার্ল্ডওয়াইড-এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে যুক্তরাজ্যের দাতাসংস্থা ইউকে এইড এর সহযোগিতায় সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর জন্যঅত্যাবশ্যকীয় স্বাস্থ্যসেবা (ইএইচডি) প্রকল্প। ভিডিও ডর্ক্টস কল বুথের শুভ উদ্বোধন করেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ কামাল হোসেন মুফতি। এ সময় উপস্থিত ছিলেন খুলনা মুক্তি সেবা সংস্থার (কেএমএসএস) ইএইচডি প্রকল্পের রুরাল হেল্থ কোঅর্ডিনেটর, হারুন অর রশিদ মজুমদার ও আরবান হেল্থ কোঅর্ডিনেটর মোঃ মহিউদ্দিন।

উল্লেখ্য, কনসার্ন ওয়ার্ল্ডওয়াই এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে যুক্তরাজ্যের দাতাসংস্থা ইউকে এইড এর সহযোগিতায় খুলনা মুক্তি সেবা সংস্থা (কেএমএসএস) খুলনা বিভাগের খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাট ৩ টি জেলায় এই প্রকল্প বাস্তবায়নকারী সংস্থা হিসেবে কাজ করছে। ইএইচডি প্রকল্পের সংস্থা ডিজিটাল হেলথকেয়ার সল্যুশন-এর কারিগরী সহায়তায় উক্ত ভিডিও ডর্ক্টস কল বুথের মাধ্যমে সকলে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত বিনা খরচে অভিজ্ঞ চিকিৎসকের পরার্মশ ও স্বাস্থ্য সেবা নিতে পারবেন।