রামপাল (বাগেরহাট) সংবাদদাতা।।
রামপালে আদালতের ১৪৪ ধারার নোটিশ অমান্য করে বিদ্যুতের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার ভাগা কলেজ রোড এলাকায়। জানা গেছে, ভাগা এলাকার বাসিন্দা দৈনিক চৌকশ পত্রিকার সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মী সহকারী অধ্যাপক সুখময় ব্রহ্ম জনৈক আ. মান্নানের কাছ থেকে একটি অফিসের জন্য জায়গায় নেন। কোন কারণ ছাড়াই ঘরের মালিক অধ্যাপক সুখময়কে ঘর ছেড়ে দিতে বললে তিনি বলেন ঘরের প্রকৃত মালিকের কাছ থেকে আমি জমি কিনেছি। সেই জমি এখান থেকে জমিদাতা বুঝিয়ে দিয়েছেন। এতে ক্ষুদ্ধ হয়ে আ. মান্নান উকিল নোটিশ পাঠান। এর বিপরীতে অধ্যাপক সুখময় বাগেরহাটের বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালতে গত ২০ জুলাই ১২৪২/২০২৩ (রামপাল) নং একটি মিস পিটিশন মামলা দায়ের করেন। রামপাল থানা পু্লশি গত ২২ জুলাই উভয়পক্ষকে শান্তি শৃঙ্খল বজায় রাখতে নোটিশ করেন। নোটিসের একদিন পর গত ২৩ জুলাই ভাগা জোনাল অফিসের ডিজিএম নওশের আলী মান্নানের কথা মতো বিদ্যুত সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেন। এ বিষয়ে ভুক্তভোগী সুখময় জানান, নোটিস জারির একদিন পরেই পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ডিজিএমের নির্দেশে লাইনম্যান বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে আসেন। তাৎকালিকভাবে আদালতের ১৪৪ ধারা বলবৎ আছে বলে জানালেও সেটি ডিজিএম উপেক্ষা করেন। তিনি আরও অভিযোগ করেন, অফিসের মধ্যে জাতীয় নেতাদের ছবি থাকায় আক্রোশমূলকভাবে ডিজিএম নওশের আলী সংযোগ বিচ্ছিন্ন করান। এ বিষয়ে ভাগা পল্লী বিদ্যুত সমিতির জোনাল কর্মকর্তা নওশের আলীর মুঠোফোনে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, কোন আইনি নোটিশ দেখাতে না পারায় সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। জানতে চাওয়া হয়, ১৪৪ ধারা বলবৎ আছে কি না সে বিষয়টি রামপাল থানা পুলিশের কাছ থেকে জানার সুযোগ ছিল। সেটি জেনে নেওয়া যেত ? এ বিষয়ে তাদের লিগ্যাল এ্যাডভাইজারের পরামর্শে সিদ্ধান্ত মোতাবেক ব্যাবস্হা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান। অভিযোগের বিষয়ে আ. মান্নানের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, জমি আমার, ঘর আমার। রামপাল থানা তাকে ২৬ তারিখে নোটিশ করেছেন বলে দাবী করলেও জারিকৃত নোটিশে ২২ জুলাই লেখা দেখা যায়। তিনি আরও বলেন, আমি তাকে ঘর দিবো না। তবে ওই জমি এ্যাওজ বদল নয় বলে তিনি দাবী করেন, তার সকল ডকুমেন্ট রয়েছে।











































