Home আঞ্চলিক সাংবাদিক মহসিন উল হাকিম এবার বিষমুক্ত সুন্দরবন করার কাজ শুরু করেছেন

সাংবাদিক মহসিন উল হাকিম এবার বিষমুক্ত সুন্দরবন করার কাজ শুরু করেছেন

10

 

 

মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি ।।

সুন্দরবনকে দস্যুমুক্তর করার পর এবার সুন্দরবনকে বিষমুক্ত (কীটনাশক) করার কাজ শুরু করেছেন যমুনা টেলিভিশনের বিশেষ প্রতিনিধি মহসিন উল হাকিম।  আজ ১৪ ফেব্রুয়ারী সুন্দরবন দিবসে সুন্দরবনকে বিষমুক্ত করার অঙ্গিকার নিয়ে  পূর্ব বনবিভাগের চাঁদপাই রেঞ্জের জিউধারা ষ্টেশন কার্যালয় এলাকা থেকে  তিনি এ কার্যক্রম শুরু করেন। এ উপলক্ষ্য জিউধারা ফরেস্ট অফিস থেকে প্রচার শোভাযাত্রা করেছেন।  প্রচার শোভাযাত্রায় বনবিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী, কমিউনিটি পেট্রোলিং গ্রুপ, ভিলেজ কনজারভেশন ফোরাম, ভিলেজ টাইগার রেসপন্স টিমের সদস্যসহ বননির্ভরশীল জেলে-বাওয়ালীরা অংশ নেয়। সুন্দরবনের নদী-খালে বিষ দেয়া বন্ধে এই প্রথম সুন্দরবন দিবসে চালানো প্রচারাভিযানে প্রধান অতিথি হিসেবে বনবিভাগের জিউধারা ষ্টেশন কর্মকর্তা মোঃ শাহজাহান।  শোভাযাত্রা শেষে সাংবাদিক মহসিন উল হাকিম সুন্দরবনকে বিষমুক্ত করার ক্ষেত্রে সকলকে সজাগ থেকে বনবিভাগকে সহযোগীতা করার আহবান জানান।

এসময়  বন কর্মকর্তা মোঃ শাহজাহান বলেন, সুন্দরবন দিবসে সুন্দরবনকে বিষমুক্ত করার প্রচারাভিযান চালানো হয়েছে। যাতে  করে বন সংলগ্ন জনগোষ্ঠীর মাঝে সচেতনতা সৃষ্টি করার পাশাপাশি বনের অভ্যন্তরে বিষ প্রয়োগ থেকে সকলে বিরত থাকেন।  দসুমুক্ত সুন্দরবন গড়ার কারিগর যমুনা টেলিভিশনের বিশেষ প্রতিনিধি মহসিন উল হাকিম  আরো বলেন, একদিকে মাছের দাম কম পাওয়ায় ও অপরদিকে প্রচুর মাছের আশায় এক শ্রেণীর দুর্বৃত্তরা অধিক মুনাফার লোভে বিষ প্রয়োগের কাজ করছেন। অর্থাৎ একবারেই অধিক মাছের আশায় বিষ প্রয়োগের এ ঘটনা ঘটছে। সুতরাং এ বিষ বন্ধে আজ থেকেই  আন্দোলন শুরু হলো। সুন্দরবনের জিউধারা থেকে শুরু হওয়া এ আন্দোলন ছড়িয়ে পড়বে পুরো বনজুড়ে। তিনি বলেন, যেভাবে সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত ও হরিণ শিকারীদের প্রতিহত করা হয়েছে, ঠিক সেভাবেই সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে বিষ প্রয়োগকারীদেরকে প্রতিহত করতে হবে। এতে স্থানীয়দেরকে সামাজিকভাবে প্রতিরোধ গড়ে তোলার পাশাপাশি বনবিভাগকে সহযোগীতা করতে হবে। আর আইনি বিষয়টি বনবিভাগ তো দেখছেনই।

উল্লেখ্য, ২০০৯ সাল থেকে সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত করতে কাজ শুরু করেন ঢাকার সাংবাদিক মহসিন উল হাকিম। তার প্রচেষ্টায় সুন্দরবন দস্যুমুক্ত হয়েছে। এখন বিষ দস্যুমুক্ত করতে বনবিভাগের সাথে কাজ শুরু করেছেন তিনি। সুন্দরবন দিবসেই তিনি বনবিভাগের সহায়তায় বননির্ভরশীলদেরকে নিয়ে এ কাজ শুরু করেছেন।