Home আঞ্চলিক কালীগঞ্জের বেদে পল্লীতে হামলায় আহত ৮: ঘরবাড়ি ভাংচুর

কালীগঞ্জের বেদে পল্লীতে হামলায় আহত ৮: ঘরবাড়ি ভাংচুর

4

বিশেষ প্রতিনিধি ॥
ঝিনাইদহ কালীগঞ্জের কাশিপুর বেদে পল্লীতে এক পক্ষের হামলায় ১০ জন আহত হয়েছে। এ সময় কমপক্ষে ১০ বাড়ি ভাংচুর করা হয়েছে। তাদের মধ্যে সেলিনা বেগম ও কায়েস নামের দুই জনের অবস্থা আশংকাজনক। তাদেরকে যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। শনিবার সকাল সাড়ে ৬ টার দিকে পৌরসভাধীন কাশিপুর বেদেপল্লীতে এ ঘটনা ঘটে। তারা উভয় গ্রুপই আওয়ামীলীগের সঙ্গে জড়িত বলে তাদের দাবি। স্থানীয়রা জানায়, দীর্ঘদিন ধরে বেদে সম্প্রদায়ের লোকজন আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপে বিভক্ত হয়ে পড়েছে। এরমধ্যে এক পক্ষের নেতৃত্ব দিচ্ছে মনিরুল ইসলাম এবং অন্যপক্ষের রাসেল হোসেন। শনিবার সকালে রাসেল গ্রুপের লোকজন মনিরুল গ্রুপের ওপর হামলা ও বাড়িঘর ভাংচুর করে।
উল্লেখ্য, গত বছরের ২৯ নভেম্বর সন্ধ্যা রাতে বেদেপল্লীর দুই পক্ষের সংঘর্ষে যুবলীগ নেতা আরিফুল ইসলাম আরিফ (৪৮) নিহত হয়। নিহত আরিফুল ইসলাম বেদেপল্লীর রাসেল গ্রুপের নেতৃত্ব দিত। সে সময় থেকে বেদেপল্লীতে উত্তেজনা বিরাজ করে আসছে। বিগত কয়েক মাসে বেদে পল্লীতে বেশ কয়েক দফা হামলা ও ভাংচুরের ঘটনা ঘটেছে। এ কারনে একাধিক মামলার ঘটনাও ঘটেছে।

স্থানীয়দের ভাষ্য, বেদে পল্লীতে মাদক ও জুয়া খেলাকে কেন্দ্র করেই মুলত বিভাজন শুরু হয়েছে। পুলিশ মাঝেমধ্যে হানা দিলেও তা নিয়ন্ত্রনে যতেষ্ট নয়। তাদের আশংকা এখনই এগুলো বন্ধ করা না হলে বড় ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটতে পারে।
বেদেপল্লীর এক গ্রুপের নেতা রাশেল হোসেন জানান, শনিবার ভোরে তিনি ঘরে ঘুমিয়েছিলেন। এমন সময় মনিরুলের লোকজন তার বাড়িতে হামলা চালিয়ে মারধর ও ভাংচুর শুরু করে। পরে আমার চিৎকারে লোকজন এগিয়ে আসলে মারামারির ঘটনা ঘটে।
কালীগঞ্জ থাানার ওসি আব্দুর রহিম মোল্লা বেদে পল্লীতে হামলা ও ভাংচুরের ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন। খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছিলেন।