বারাকপুর ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ এনে পুলিশ সুপার বরাবর আবেদন
স্টাফ রিপোর্টার
দিঘলিয়া উপজেলার বারাকপুর ইউপি চেয়ারম্যান গাজী জাকির হোসেনের কাছে সেবা মিলছে না। তার পরিবর্তে রয়েছে দুর্নীতি ও সন্ত্রাসী কর্মকান্ড। চেয়ারম্যান ও তার সহযোগিদের হাত থেকে পরিত্রান পাওয়ার জন্য পুলিশ সুপার বরাবর আবেদন করা হয়েছে। অর্ধশতাধিক অপরাধের খতিয়ান তুলে ধরে লাখোহাটি গ্রামের শেখ আনছার উদ্দিন গত ৭মে পুলিশ সুপার বরাবর আবেদন করেন।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। তিনি মাতাল অবস্থায় ব্যবসায়ীদের অশালিন ভাষায় গালাগালি করেন। এর প্রতিবাদ করায় তিনি ব্যবসায়ীদের নামে ২০ এপ্রিল একটি মিথ্যা সাজানো মামলা করে। তার ভাই গাজী নাসির উদ্দিন মাহমুদ বাজার বনিক সমিতির সভাপতি ব্যবসায়ীদের হুমকি ও ভয়ভিতি দিচ্ছে। পরে চেয়ারম্যান ব্যবসায়ীদের রোষানল থেকে বাঁচার জন্য ২২ এপ্রিল আরো একটি মামলা করে হয়রানি করে। চেয়ারম্যান গাজী জাকির হোসন ভিজিএফ এর ৩০০ বস্তা সরকারি চালসহ আটক হয়। এ ঘটনায় গত বছরের ১১ আগস্ট মামলা হয়। যার নং ১০। মামলায় মাত্র ৬বস্তা চাল দেখানো হয়। ২০১৩ সালে আগস্ট মাসে ঈদ মেলায় নাহিদ নামের এক কলেজ ছাত্রকে হত্যা করে। এই মামলাটি দীর্ঘ ৮ বছরেও আলোর মুখ দেখিনি। তার ভাই দীর্ঘ কাল বনিক সমিতির সভাপতির দায়িত্ব পালন করায় লাখ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছে। তার হিসেব চাইতে গেলে ব্যবসায়ীদের ভয়ভিতি ও হুমকি দিয়ে থাকে।
তিনি আবেদনে আরো বলেন, চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে সরকারি চাল আত্মসাৎ , হত্যা, সংখ্যালঘু মেয়েদের ধর্ষন, নির্যাতন, বাড়ি ঘর দখল, জোর করে বাড়ি লিখে নেয়া, ঘের দখল, কালো টাকার মালিক হওয়া, গরীব মানুষের মাঝে চাল বিতরণ না করে আত্মসাৎ, একাধিক বাস ও ট্রাকের মালিক হয়ে বনে যাওয়া, প্রকল্পের কাজ না করে চাল আত্মসাৎ করা, বাড়ি ঘর ভাংচুর , আলীশান বাড়ির মালিক হওয়া ও হামলা করাসহ নানা সন্ত্রাসী কর্মকান্ড রয়েছে। এলাকার সাধারণ জনগন তার কাছ থেকে সেবার পরিবর্তে পাচ্ছেন ভয়ভিতি ও হুমকি। তার রয়েছে একটি বাহিনী। তারা তাকে সহযোগিতা করছেন।
চেয়ারম্যান ও তার বাহিনীর হাত থেকে বাচাঁর জন্য লাখোহাটি গ্রামের শেখ আনছার উদ্দিন পুলিশ সুপার বরাবর আবেদন করেছে। তিনি প্রধান মন্ত্রী, স্ব-রাষ্ট্র মন্ত্রী, আইজিপিসহ প্রসাশনের কাছে দিঘলিয়া ও ইউনিয়ন বাসীকে রক্ষা ও চেয়ারম্যানসহ সহযোগিদের বিচারের দাবী জানান।
এ ব্যাপারে চেয়ারম্যান গাজী জাকির হোসেন বলেন, জামায়াত ও বিএনপির একটি চক্র আমার ওপর হামলা করেছে। আমি যখন আইনের আশ্রায় নেয়ার চেষ্টা করেছি ঠিক তখনই আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ এনে পুলিশ সুপার বরাবর আবেদন করেছেন।
বটিয়াঘাটায় ভুট্টার বাম্পার পলন: মাড়াই কার্যক্রম শেষ কৃষকদের স্বপ্ন পূরণ
রশীদ হারুন
বটিয়াঘাটার দেবীতলায় এ বছর ভুট্টার বাম্পার ফলন হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকা সুষম সার প্রয়োগ করা ও মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট গোপালগঞ্জ-খুলনা-বাগেরহাট-সাতক্ষীরা-পিরোজপুর এসআরডিআই প্রকল্পের প্রকল্প সঠিক পরামর্শ গ্রহণ করায় তাদের এ সফলতা। গতকাল সোমবার মাড়াই কাজ শেষ হয়েছে। কৃষকদের মুখে ফুটছে হাসি। তাদের স্বপ্œ পূরণ হয়েছে। প্রকল্পের পক্ষ থেকে দেয়া মাড়াই যন্ত্রে মাড়াই কাজ সম্পন্ন হয়েছে। তবে সামান্য কিছু রয়েছে তাও অল্প দিনের মধ্যে কাটা ও মাড়াই শেষ হবে।
বটিয়াঘাটার দেবীতলা এলাকায় ১৯৯৬ সালে ১০একর জমির ওপর নির্মাণ করা হয়েছে মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট’র লবনাক্ততা ব্যবস্থাপনা ও গবেষনা কেন্দ্র। মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইন্সটিটিউট এর উদ্ভাবিত প্রযুক্তি ব্যবহার করে বটিয়াঘাটা উপজেলার দেবীতলা গ্রামের ১১জন কৃষক ১০ জমি বিঘা, বিনা চাষে ডিবলিং, চারা রোপন ও পলি ব্যাগের চারা রোপন পদ্ধতিতে ভুট্টার চাষ করা করেন। লবণাক্ত এলাকায় একটি ফসল আবাদ করা হয় আমন ধানের মৌসুমে ,শুষ্ক মৌসুমে ফসল আবাদের মূল সমস্যা হল লবণাক্ত পানি ।
আমন ধান কাটার পর এলাকার জমি পতিত অবস্থায় পড়ে থাকে। এখন পতিত জমিতে ফলছে সোনা। কৃষককের মুখে ফুটছে হাসির ফোয়ারা। কাটা শেষে মাড়াই করে ঘরে তুলছের সোনার ফসল। স্বার্থক হয়েছে তাদের গায়ের ঘাম। সরে জমিনে দেখা গেছে, রোপন কৃত ভুট্টার চারার চেয়ে পলি ব্যাগের চারা বড় এবং দেখতে সুন্দর ও সে গাছ আগে থেকে কাটা ও মাড়াই করা হয়েছে।
সূত্র জানিয়েছেন, ভুট্টা জাতের নাম-বারি হাইব্রিড ভুট্টা-১৬। চাষী- ১১ জন। জমি ১০ বিঘাচাষ পদ্ধতি: বিনা চাষে পলি ব্যাগের চারা রোপন পদ্ধতি: পলি ব্যাগে বীজ বপন- ৮-১২ জানুয়ারি। পলি ব্যাগের চারা জমিতে রোপন- ২৮- ২৯ জানুয়ারি। চারার বয়স- ১৫-২০ দিন। বিনা চাষে চারা রোপন পদ্ধতি: বীজ তলায় বীজ বপন- ৮-১২ জানুয়ারি। চারা জমিতে রোপন- ২৮- ২৯ জানুয়ারি।চারার বয়স- ১৫-২০ দিন। বিনা চাষে ডিবলিং পদ্ধতি: ডিবলিং পদ্ধতিতে বীজ বপন:১৫-২০ জানুয়ারি। ফসলের বর্তমান অবস্থাঃ পরিপক্ক অবস্থা
উদ্দেশ্য- বিনা চাষে ৩০-৪৫ দিন আগে জমিতে বীজ রোপন করা যায় ও ফসল কর্তন করা যায় । লবণাক্ততা বৃদ্ধির ও ঝড়-ঝঞ্জার আগেই ফসলঘরে তোলা যায় । উপকূলীয় লবণাক্ত এলাকায় পতিত জমিতে অতিরিক্ত একটি ফসল আবাদ করা। সুষম মাত্রায় সার প্রয়োগের মাধ্যমে ফসল আবাদ করা।
গতবছর ২৫ বিঘা জমিতে ও চারা ভুট্টার আবাদ করা হয়। কৃষক ছিলেন ১৫জন। উৎপাদন হয়েছিল প্রতি হেকটরে ৮টন। ২৬ টন ভুট্টা উৎপাদন হয়েছে। যার মুল্য দাড়ায় ৫লাখ ২০হাজার টাকা। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা তাদের উৎপাদিত পন্য কিনি নিয়ে যায়। এতে তাদের আর বিক্রি করতে তেমন কোন কষ্ট করতে হয়নি। কৃষকদের বিনা মূল্যে সার ও বীজসহ সকল উপকরণ বিনা মূল্যে প্রদান করা করেছে মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট।
লবণাক্ততা ব্যবস্থাপনা ও গবেষণা কেন্দ্র এর উদ্ভাবিত প্রযুক্তি ব্যবহার করে এ এলাকার কৃষকেরা জমির পার্শ্ববর্তী ভরাখালী খালের পানি ব্যবহার করে খরিফ মৌসুমে আবাদ করছে । এলাকার অন্যান্য খাল পুনঃখননের ব্যবস্থা করলে মিষ্টি পানির সংরক্ষনের পরিমান বৃদ্ধির পাশাআশি আবাদকৃত জমির পরিমানও বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা যায়।
এলাকার কৃষক নেতা কাকন মল্লিক বলেন, গত বছর ফলন ভালো হয়েছিল। বিনা চাষে অধিক লাভবান হয়েছেন কৃষকরা। এ বছর আরো বেশী জমিতে ভুট্টার চাষ হয়েছে। কৃষকদের সেচের মাধ্যম হচ্ছে ভরাখালি খালটি। খালটি মৃত প্রায় । দ্রুত খনন না করলে কৃষকদের সেচ দিতে সমস্যা হবে। তিনি এই খালটি খননের জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবী জানিয়েছেন। মৃত্তিকা সম্পাদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট’র এসআরডিআই প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক শচিন্দ্র নাথ বিশ্বাসসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা প্রতিনিয়ত ভুট্টার ক্ষেত পরিদর্শন করছেন এবং কৃষকদের পরামর্শ দিচ্ছেন।
মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট গোপালগঞ্জ-খুলনা-বাগেরহাট-সাতক্ষীরা-পিরোজপুর এসআরডিআই প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক শচিন্দ্র নাথ বিশ্বাস বলেন, গত ১২ মার্চ কৃষি মন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক প্রকল্প পরিদর্শন করেছেন। তিনি ঘুরে দেখেন এবং সন্তোষ প্রকাশ করেন। এ বছর ১১০জন কৃষককে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে। তাদের বীজ ও সারসহ সকল প্রকার উপকরণ বিনামূল্যে প্রদান করা হয়েছে। তিনি বলেন, কৃষকদের ভাগ্য উন্নয়নে সরকার কাজ করছেন। বিশেষ করে দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলে কৃষি বিপ্লব ঘটানোর জন্য মৃত্তিকা সম্পাদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট নিরলস ভাবে কাজ করছে।
বটিয়াঘাটার দেবীতলা এলাকায় ভুট্টা মাড়াই কার্যক্রম পরিদর্শন করেন মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট গোপালগঞ্জ-খুলনা-বাগেরহাট-সাতক্ষীরা-পিরোজপুর এসআরডিআই প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক শচিন্দ্র নাথ বিশ্বাস।
যশোরে চৌগাছায় দুই নার্সসহ তিন নারী ‘করোনামুক্ত’
যশোর অফিস
চৌগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দুই নার্সসহ তিন নারীকে ‘করোনামুক্ত’ ঘোষণা করা হয়েছে। এনিয়ে উপজেলার মোট পাঁচজন করোনামুক্ত হলেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. লুৎফুন্নাহার।
সোমবার দুপুরে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার কার্যালয়ে দুই নার্স হাফিজা ও শিমুল আক্তারকে করোনামুক্তির ছাড়পত্র ও ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান চৌগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. লুৎফুন্নাহার।
তিনি বলেন, ‘পরপর দুটি রিপোর্ট নেগেটিভ হওয়ায় হাসপাতালের দুই নার্সকে করোনামুক্তির ছাড়পত্র দিয়ে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে। তবে চৌগাছায় প্রথম শনাক্ত কিশোরের নানির করোনামুক্তির ছাড়পত্র দেওয়া হলেও ওই কিশোর ও তার নানার এখনো দুবার নেগেটিভ রিপোর্ট না আসায় তাদের বাড়ি লকডাউনই থাকছে।
এর আগে চৌগাছার বৃহস্পতিবার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের মেডিকেল অফিসার ডা. আসিফ রায়হান চৌগাছা এবং যশোরের প্রথম করোনামুক্ত হন। এরপর শনিবার যশোরের আরো তিনজনের সঙ্গে করোনামুক্তির ছাড়পত্র দেওয়া হয় চৌগাছার গর্ভবতী নারী জান্নাতিকে। এরপর সোমবার করোনামুক্তির ছাড়পত্র দেওয়া হলো গর্ভবতী জান্নাতির সংস্পর্শে এসে করোনা পজেটিভ হওয়া দুই নার্স হাফিজা ও শিমুল আক্তারকে।
বাঘারপাড়ায় বজ্রপাতে পুড়লো কৃষকের ধান
যশোর অফিস
বাঘারপাড়ায় বাজের আগুনে এক হতদরিদ্র কৃষকের ধান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।
রোববার রাতে ঝড়োহাওয়ার সঙ্গে বাজ পড়তে থাকে। ওই সময় বাজ পড়ে কৃষক সঞ্জয় ওরফে সোনা দেবনাথের লিজ নেওয়া জমিতে কেটে রাখা ১৬ কাঠা জমির ধান পুরোটাই পুড়ে ছাই হয়ে যায়। এতে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন ওই দরিদ্র কৃষক। ঘটনাটি ঘটেছে বাঘারপাড়া উপজেলার বাসুয়াড়ী ইউনিয়নের জামালপুরে।
ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক পাশের ঘোষনগর গ্রামের বাসিন্দা।
কৃষক সঞ্জয় ওরফে সোনা দেবনাথ জানান, তার নিজের কেনো জমি নেই। এলাকার গোসাঁইনাথ নামে এক ব্যক্তির কাছ থেকে একবিঘা জমি লিজ নিয়ে ১৬ কাঠা জমিতে জিরা মিনিকেট ধানের আবাদ করেছিলেন। এতে তার খরচ হয়েছিল ১২-১৩ হাজার টাকা। কিন্তু রোববার রাত সাড়ে নয়টার দিকে ঝড়োহাওয়ার সঙ্গে বাজ পড়তে থাকে। ওই সময় জমিতেই কেটে গাদা করে রাখা ছিল তার ধান। বাজ পড়ে আগুন ধরে যায় সেই ধানে।
ইউপি সদস্য সাদেকুর রহমান বলেন, ‘সঞ্জয় একজন দরিদ্র কৃষক। মানুষের জমি লিজ নিয়ে চাষাবাদ করে সংসার চালায়। বাকিটা সময় বিভিন্ন হাটে মৌসুমি ফল বিক্রি করে।’
স্থানীয় বাসুয়াড়ী ইউপি চেয়ারম্যান আবু সাঈদ সরদার সোমবার দুপুরে জানান, এই বিষয়ে তাকে কেউ কিছু জানায়নি। এখন তিনি খোঁজ নেবেন।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জাহিদুল করিম বলেন, ‘এই বিষয়ে আমি খোঁজখবর নিয়েছি। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে সেখানে পাঠানো হয়েছে। বজ্রপাতের তীব্রতা বেশি হওয়ায় গাদা করে রাখা ধান পুড়ে গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।’
এদিকে ক্ষতিগ্রস্ত খবর পেয়েই ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের পাশে দাঁড়িয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজ শিক্ষার্থীদের স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘লাল সবুজ সংঘ’। সংগঠনের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে সঞ্জয়কে সান্তনা দেন। তাকে আর্থিক সহায়তাও প্রদান করে সংগঠনটি।
চৌগাছায় স্বামী পরিত্যক্তা আদিবাসীর আত্মহনন
যশোর অফিস
চৌগাছায় বাবার ওপর অভিমান করে অবলা বালা (৩৭) নামে এক স্বামী পরিত্যক্তা নারী আত্মহত্যা করেছেন। তিনি উপজেলার পুড়াপাড়া সরদারপাড়ার (আদিবাসীপাড়ার) অনিল সরদারের মেয়ে।
রোববার সকাল আটটার দিকে ঘাষমারা ওষুধ পান করে আত্মহত্যা করার চেষ্টা করেন অবলা। তাকে উদ্ধার করে প্রথমে চৌগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনা হয়। এরপর সেখান থেকে তাকে যশোর জেনারেল হাসপাতালে রেফার করা হয়েছিল। কিন্তু অবস্থার ক্রমাগত অবনতির প্রেক্ষাপটে তাকে ঢাকায় রেফার করা হয়। কিন্তু ঢাকা নেওয়ার পথে রাত সাড়ে আটটার দিকে তার মৃত্যু হয়।
ভাই জয়গোপাল জানান, রোববার সকাল আটটার দিকে তার বোন কীটনাশক পান করেন। পরে দুই হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়ার পর ঢাকায় নেওয়ার পথে গাড়িতেই তার মৃত্যু হয়।
তিনি জানান, অবলা পেটের ব্যথায় ভুগছিলেন। দীর্ঘদিন চিকিৎসা নিয়েও তা সারেনি। একারণেই হয়তো তিনি আত্মহত্যা করেছেন।
অবলার একটি মেয়ে আছে। তার বয়স ২১ বছর। তারও বিয়ে হয়ে গেছে। স্বামীর সঙ্গে ছাড়াছাড়ির পর অবলা বাবার বাড়িতেই থাকতেন।
তবে স্থানীয়রা জানান, স্বামী পরিত্যক্তা হয়ে বাবার বাড়িতে থাকায় বিভিন্ন
সময়ে ঝগড়াঝাটি হতো। শনিবার রাতে ও রোববার সকালেও বাবার সঙ্গে তার গোলমাল হয়। এরপর রোববার কীটনাশক পান করেন তিনি।
এ রিপোর্ট লেখার সময় পরিবারের সদস্যরা ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ সৎকারের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন।
চৌগাছা থানার সেকেন্ড অফিসার উপ-পরিদর্শক (এসআই) বিপ্লব রায় বলেন, ‘বিষয়টি আমরা জেনেছি। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হচ্ছে।’
যবিপ্রবির ল্যাবে আরো ৬ করোনা রোগী শনাক্ত
যশোর অফিস
যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) ল্যাবে নমুনা পরীক্ষায় তিন জেলার আরো ৬ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় যবিপ্রবিতে তিন জেলার ৬৫ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ৬ জনের করোনা পজিটিভ ধরা পড়ে। তবে যশোরে কেউ আক্রান্ত হননি।
সোমবার সকালে যবিপ্রবি থেকে এ ফলাফল প্রকাশ করা হয়। এ নিয়ে যবিপ্রবির জিনোম সেন্টারে ১৬ দিনে ১৫৭ জন করোনা রোগী শনাক্ত হলো।
যবিপ্রবি জিনোম সেন্টারের সহযোগী পরিচালক প্রফেসর ড. ইকবাল কবীর জাহিদ জানান, তিন জেলার ৬৫টি নমুনা পরীক্ষা করে ৬জন করোনা পজিটিভ শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে চুয়াডাঙ্গার ১২টি নমুনা পরীক্ষা করে দুইজন, মাগুরার ৩০টি নমুনা পরীক্ষা করে দুইজন এবং ঝিনাইদহে ১৮টি নমুনা পরীক্ষা করে দুইজন নতুন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে। যশোরের পাঁচটি নমুনার সবগুলো নেগেটিভ এসেছে।
ফকিরহাটে স্বল্প মূল্যে চাউল বিতরনের লক্ষে মতবিনিময়
ফকিরহাট প্রতিনিধি
বাগেরহাটের ফকিরহাটে খাদ্য বান্ধব কর্মসূচির আওতায় অসহায় গরীব ও দরিদ্রদের মাঝে স্বল্প মূল্যে চাউল বিতরন করার লক্ষে উপজেলা প্রশাসন ও ৮ইউনিয়নের ২০জন ডিলারের সাথে মতবিনিময় সভা সোমবার সকাল ১১টায় উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোছাঃ শাহানাজ পারভীন এর সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন খুলনা বিভাগের শ্রেষ্ট ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান স্বপন দাশ। এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) রহিমা সুলতানা বুশরা, সমাজসেবা কর্মকর্তা আব্দুর সবুর, খাদ্য কর্মকর্তা ফহামিদা পারভীন বানু, খাদ্য পরিদর্শক অচিন কুমার দাশ, ডিলার আশিষ কুমার দাস, মোঃ দেলায়ার হোসেন, মোঃ সেলিম শেখ, আবেদ হোসেন লেবু ও মধু সুধন ঘোষ সহ ৮ইউনিয়নের ২০জন ডিলারবৃন্দ। সভায় ফেয়ার প্রাইজের (স্বল্প মূল্যে) চাউল কোন প্রকার অনিয়ম র্দুনীতি না করে তা সুষ্টু ভাবে বন্ঠন করার উপর গুরুত্বারোপ করা হয়। এছাড়াও সভায় আরো কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
ফকিরহাটে মৎস্য ঘেরে বিষ প্রয়োগে ২লক্ষ্য টাকার ক্ষতি
ফকিরহাট প্রতিনিধি
বাগেরহাটের ফকিরহাটে মৎস্য ঘেরে বিষ প্রয়োগ করে ২লক্ষাধীক টাকার সাদা ও চিংড়ি এবং রেনু মাছের ব্যাপক ক্ষতি সাধন করা হয়েছে। রবিবার গভীর রাতে পিলজংগ ইউনিয়নের মোড়ল পাড়ায় এঘটনাটি ঘটেছে। ভুক্তভোগী মৃতঃ আকাম উদ্দিন মোড়লের পুত্র মোঃ ওদুত মোড়ল জানান, পাশর্^বর্তী এলাকার মোঃ জিয়াউর রহমান এর বৈলতলী বিশ^রোড সংলগ্ন একটি ১বিঘার পুকুর তিনি লীজ নিয়ে রেনু সাদা ও চিংড়ী মাছের চাষ করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছিলেন। মাছও খুব ভাল হয়েছিল। ঘটনার দিন গভীর রাতে একটি অজ্ঞাত দুস্কৃতি চক্র তার মাছের ঘেরে বিষ প্রয়োগ করলে সকল মাছ মরে ফেসে উঠে। সকালে লোক মুখে খবর পেয়ে তিনি ঘেরে যেয়ে ভাসমান মরা মাছ দেখতে পান। তার ধারনা পূর্ব শত্রতার জের ধরে একটি কুচক্রি মহল একান্ডটি ঘটিয়েছে। এরির্পোট লেখা পর্যন্ত সংশ্লি মডেল থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছিল।
আলীম ও ইষ্টার্ণ জুট মিলের শ্রমিক কর্মচারীদের বকেয়া বেতন বেনাসের দাবীতে গেট সভা
ফুলবাড়ীগেট(খুলনা)প্রতিনিধি
খুলনার আটরা শিল্পাঞ্চলের আলীম জুট মিলের শ্রমিক কর্মচারীদের বকেয়া বেতন পরিশোধ ও অবিলম্বে ভুয়া মালিকের নাটক বন্ধের দাবিতে এবং খুলনার সকল রাষ্ট্রয়াত্ব মিলের মুজুরী বেতন ও বোনাসের দাবীতে সংগ্রাম পরিষদের ঘোষিত ৩দিনের কর্মসূচীর অংশ হিসেবে সোমবার সকাল ১০ টায় আলীম জুট মিল গেটে এক গেট সভা অনুষ্ঠিত হয়। গেট সভায় সভাপতিত্ব করেন, সিবিএ সভাপতি মোঃ সাইফুল ইসলাম লিটু। বক্তৃতা করেন সাধারণ সম্পাদক আঃ হামিদ সরদার, সহ সভাপতি হাফেজ আঃ সালাম , শেখ জাকারিয়া, বাবুল রেজা,প্রমুখ। ইষ্টার্ণ জুটমিলস গেটে গেট সভায় সভাপতিত্ব করেন ইষ্টান জুট মিল সিবিএ সভাপতি মোঃ আলাউদ্দিন, ইষ্টার্ণ জুট মিলের (ভারপ্রাপ্ত)সাধারণ সম্পাদক ইউসুফ গাজী, ইজদান আলী, মোজাম্মেল হক প্রমুখ। কাল ১৩ মে বুধবার সকাল ১০টায় আটরা শিল্পাঞ্চলের কুলনা যশোর মহাসড়কে বিক্ষোভ মিছিল ও ১৪ মে বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টায় রাজপথে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হবে। তাদের সকল দাবী ১৪ মে ভিতর না মানা হলে ১৫ মে শুক্রবার সংগ্রাম পরিষদ শ্রমিক জনসভার মাধ্যমে রাজপথ, রেলপথ অবোরোধ সহ কঠিন কর্মসূচী ঘোষনা করা হবে।
খানজাহান আলী থানা ইসলামী আন্দোলনের ইফতার সামগ্রী বিতরণ
ফুলবাড়ীগেট(খুলনা)প্রতিনিধি
প্রাণ ঘাতী করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে কর্মহীন হয়ে পড়ায় অসহায় হত দরীদ্রদের মাঝে খানজাহান আলী থানা ইসলামী আন্দোলনের ইফতার সামগ্রী বিতরণ। ১১ মে সোমবার বিকাল সাড়ে ৫টায় ফুলবাড়ীগেট বাসস্টার্ণ চত্ত্বরে খানজাহান আলী থানা ইসলামী আন্দোলনের উদ্যোগে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন খানজাহান আলী থানা ইসলামী আন্দোলনের সভাপতি আলহাজ্ব শেখ জামিল আহম্মেদ, সাধারণ সম্পাদক মোঃ কামরুজ্জামান, মাও. সিরাজুল ইসলাম , মোঃ বজলুর রহমান, মোঃ মইন উদ্দিন ভুইয়া, মোঃ আল আমিন, মোঃ আঃ লতিফ, মোঃ আজাদ মোল্যা, মোঃ রিয়াজ হাওঃ , তৌহিদুর রহমান পলাশ প্রমুখ।
নওয়াপাড়া প্রেসকাবের সাংবাদিকদের মাঝে পিপিই বিতরণ
অভয়নগর প্রতিনিধি
মহামারী করোনা ভাইরাসে যশোরের অভয়নগরে করোনা পরিস্থিতির মধ্যে উপজেলা প্রশাসন, উপজেলা পরিষদ, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, পুলিশ, সেনা বাহীনি সাথে মাঠ পর্যায়ে কর্মরত ১২ জন সাংবাদিককে ব্যাক্তিগত সুরক্ষা সামগ্রী পিপিই প্রদান করা হয়েছে। ১১মে সোমবার দুপুরে নওয়াপাড়া প্রেসকাব হলরুমে নওয়াপাড়া প্রেসকাবের সভাপতি ও দৈনিক নওয়াপাড়া পত্রিকার প্রকাশক-সম্পাদক আসলাম হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক মোজাফফার আহম্মেদের পক্ষ থেকে এ পিপিই প্রদান করা হয়।
পিপিই হস্তান্তরের সময় উপস্থিত ছিলেন, প্রেসকাবের সভাপতি ও দৈনিক নওয়াপাড়ার প্রকাশক-সম্পাদক আসলাম হোসেন, সিনিয়র সহ-সভাপতি নজরুল ইসলাম মল্লিক, সাধারণ সম্পাদক মোজাফফার আহম্মেদ, যুগ্ম-সম্পাদক ও দৈনিক নওয়অপাড়ার মফস্বল সম্পাদক এস জেড মাসুদ তাজ, কোষাধ্যক্ষ ও দৈনিক নওয়াপাড়ার বার্তা সম্পাদক মো. মফিজুর রহমান দপ্তরী, সদস্য ও দৈনিক নওয়াপাড়ার নির্বাহী সম্পাদক হারুন অর রশীদ, আইসিটি সম্পাদক তারিম আহমেদ ইমন, সদস্য সাকিব জিকো, জাকির হোসেন হৃদয়, মো. রিপানুল ইসলাম (রিপন), রকিবুল ইসলাম রুবেল, আরআই রাজা, রবিউল ইসলাম, ডিআর আনিস প্রমুখ।
পিপিই বিতরণ অনুষ্ঠানে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে নওয়াপাড়া প্রেসকাবের সভাপতি ও দৈনিক নওয়াপাড়ার প্রকাশক-সম্পাদক আসলাম হোসেন বলেন, ভয়াবহ করোনাভাইরাস প্রতিরোধ ও সংবাদ সংগ্রহে স্থানীয় উপজেলা প্রশাসন, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সো ডাক্তার, সেনাবাহিনী ও অভয়নগর থানা পুলিশের সাথে সাংবাদিকরা মাঠ পর্যায়ে কাজ করছেন। সাংবাদিকদের সুস্থতা এবং সুরক্ষার কথা চিন্তা করে এ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে বলে তিনি জানান।
সাধারণ সম্পাদক মোজাফফার আহম্মেদ বলেন, করোনা পরিস্থিত শুরু থেকে নওয়াপাড়া প্রেসকাবের পক্ষ থেকে প্রচার মাইকিং, হ্যান্ডবিল বিতরণ সহ সচেতনতামূলক বিভিন্ন কর্যক্র পরিচালনা করা হয়েছে। উপজেলার মধ্যে কর্মহীন ও অসহায় পরিবার সহ পত্রিকার হকারদের খাদ্য সহায়তা দেয়া হয়েছে।
দেবহাটার সখিপুর ইউনিয়নের মে মাসের ভিজিডি কার্ডের চাউল বিতরণের উদ্বোধন
কে,এম,রেজাউল করিম দেবহাটা
দেবহাটায় সোমবার সকালে (১১মে) সামাজিক পৃথক দুরত্ব বজায় রেখে সখিপুর ইউনিয়নে ৪১৪ টি হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে মে মাসের ভিজিডি কার্ডের চাউল বিতরণের উদ্বোধন করেন ৩নং সখিপুর ইউনিয়ন পরিষদের সুযোগ্য চেয়ারম্যান জনাব শেখ ফারুক হোসেন রতন। এসময় উপস্থিত ছিলেন ইউপি সচিব গোলাম রব্বানী সহ সকল ইউপি সদস্য ও গ্রাম পুলিশ বৃন্দ। এসময় ইউপি চেয়ারম্যান শেখ ফারুক হোসেন রতন করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য উপকারভোগীদেরকে বিভিন্ন পরামর্শ প্রদান করেন।
কেশবপুরে শিক্ষক আজাহারুল ইসলামের মৃত্যুতে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির শোক
কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি
কেশবপুর সরকারি পাইলট উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গাজী আজাহারুল ইসলামের মৃত্যুতে গভীর শোক ও শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন উপজেলা নি¤œ মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষক কর্মচারী কল্যাণ সমিতির নেতৃবৃন্দ। শোক বিবৃতি প্রদানকারীরা হলেন উপজেলা নি¤œ মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষক কর্মচারী কল্যাণ সমিতির সভাপতি সুফলাকাটি ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুস সামাদ, সাধারণ সম্পাদক মকবুল হোসেন, সহ-সভাপতি (অর্থ) বাসুদেব সেনগুপ্ত, সহকারী সাধারণ সম্পাদক (সাধারণ) শাহাজাহান, সহকারী সাধারণ সম্পাদক (অর্থ) আশরাফুজ্জামান-সহ সমিতির নেতৃবৃন্দ। শিক্ষক নেতৃবৃন্দ বলেন, গাজী আজাহারুল ইসলাম ছিলেন শিক্ষার্থী বান্ধব শিক্ষক। তাছাড়া তিনি কেশবপুর সরকারি পাইলট উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে অবসরের পূর্ব পর্যন্ত সুনামের সহিত সহকারী সাধারণ সম্পাদক (সাধারণ)-এর দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
উল্লেখ্য দেশের অবন্থা স্বাভাবিক হলে সমিতির আয়োজনে শিক্ষক গাজী আজাহারুল ইসলামের স্মরণ সভা ও দোয়া মাহফিল শিক্ষক মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হবে।
কেশবপুরে কৃষদের ধান কেটে সহযোগিত করলেন উপজেলা কৃষকলীগ ও পৌর ছাত্রলীগ
কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি
কেশবপুরে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে লকডাউনে শ্রমিক সংকটে উপজেলা কৃষকলীগ ও পৌর ছাত্রলীগ কৃষদের ধান কেটে সহযোগিত করেছেন। সোমবার আলতাপোল গ্রামের কৃষক জালাল উদ্দীনের আলতাপোল মৌজায় ধান কাটার উদ্বোধন করেন যশোর জেলা কৃষকলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদ। ধান কেটে সহযোগিতা করেন উপজেলা কৃষকলীগের সভাপতি আলহাজ্ব সৈয়দ নাহিদ হাসান, সাধারণ সম্পাদক রমেশ চন্দ্র দত্ত, সাংগঠনিক সম্পাদক রবিউল ইসলাম, পৌর কৃষকলীগের সভাপতি আব্দুল গফুর, সাধারণ সম্পাদক মুকুল হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম ফারুক বাবু প্রমুখ।
অপরদিকে কেশবপুর পৌর ছাত্রলীগও কৃষকের ধান কেটে সহযোগিতা করেছেন। পৌর ছাত্রলীগ নেতা সাইফুল ইসলামের নেতৃত্বে ধান কাটায় অংশনেন সাতক্ষীরা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট ছাত্রলীগের সভাপতি মাহমুদুল হাসান, যশোর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইস্কেন্দার ইসলাম পারভেজ, কেশবপুর পৌর ছাত্রলীগের অন্যতম নেতা তাজিম হাসান খান, পৌর ছাত্রলীগের শামীম খান, মুন্না খান প্রমুখ।
কেশবপুরের বালিয়াডাঙ্গায় জামে মসজিদের ছাদ ঢালাই উদ্বোধন
কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি
কেশবপুর পৌরসভা ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বালিয়াডাঙ্গা মোড়ল পাড়া জামে মসজিদের ছাদ ঢালাই উদ্বোধন করা হয়েছে। পৌরসভার আর্থিক সহায়তায় সোমবার সকালে উক্ত ছাদ ঢালাই উদ্বোধন করেন পৌর মেয়র রফিকুল ইসলাম। এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পৌর কাউন্সিলর মনিরা খানম, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি রমজান আলী মোড়ল, সাধারণ সম্পাদক হাফিজুর রহমান, সহ-সভাপতি মোহাম্মদ মোকাম, সদস্য মোজাহার উদ্দিন, এরশাদ আলী গাজী ওয়াসেল খা,মসজিদ কমিটির সদস্য ডাক্তার শাহজাহান, ডাক্তার আতিয়ার রহমান, শিক্ষক লুৎফর রহমান, যুবলীগনেতা ফারুক হোসেন, স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা আব্দুল কুদ্দুস, ওমর ফারুক, সালাউদ্দিন রনি, ছাত্রলীগের শারাফাত হোসেন সোহান, সুমন, হযরত প্রমুখ।
ইন্দুরকানীতে আশা সংস্থার উদ্যোগে ২শতাধিক হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে খাদ্য সহায়তা বিতরণ
ইন্দুরকানী(পিরোজপুর)প্রতিনিধিঃ
ইন্দুরকানীতে বে-সরকারী উন্নয়ন সংস্থা ”আশা”র উদ্যোগে ২শতাধিক হতদরিদ্র পরিবারে মাঝে খাদ্য সহায়তা বিতরণ করা হয় । সোমবার সকালে উপজেলা পরিষদের সামনে চাল,ডাল, আলু, তৈল,লবনসহ ২শতাধিক পরিবারে মাঝে এ খাদ্য সহায়তা বিতরন করা হয়েছে। এসময় উপস্থিত ছিলেন ,উপজেলা চেয়ারম্যান এ্যাডঃ এম মতিউর রহমান,উপজেলা নির্বাহী অফিসার হোসাইন মুহাম্মদ আল মুজাহিদ, আশার সংস্থার পিরোজপুর জেলার ডিস্ট্রিক ম্যানেজার শেখ ফিরোজ আহমদ,রিজোনাল ম্যানেজার শংকর লাল পাল, শফিকুল ইসলাম ইন্দুরকানী ব্রাঞ্চ ম্যানেজার মোঃ হুমায়ুন কবির, ও আশার কর্মীবৃন্দরা প্রমুখ ।
আশা সংস্থার পিরোজপুর জেলার ডিস্ট্রিক ম্যানেজার শেখ ফিরোজ আহমদ বলেন, বাংলাদেশ সরকারের পাশাপাশি আশার সংস্থার কেন্দ্রীয় নির্দেশনায় কোভিট Ñ১৯ এর বিপর্যয়ের কারনে সারাদেশের ন্যায় পিরোজপুর জেলা প্রশাসকের মহোদয়ে ৫শত ও প্রত্যেক উপজেলায় ২শত হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে এ খাদ্য সহায়তা বিতরন করি ।
ইন্দুরকানীতে ৪৫০ কৃষক পরিবারের মাঝে বিনামুল্যে সবজী বীজ বিতরন
ইন্দুরকানী(পিরোজপুর) প্রতিনিধি ঃ
ইন্দুরকানীতে কৃষক পরিবারে মাঝে বিনামুল্যে সবজী বীজ বিতরন করা হয় । সোমবার উপজেলা পরিষদ হলরুমে কৃষি অফিসের আয়োজনে উপজেলা নির্বাহী অফিসার হোসাইন মুহাম্মদ আল মুজাহিদ এর সভাপতিত্বে ৪৫০জন কৃষকদের মাঝে সবজী বীজ বিতরন করা হয়েছে । প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান এ্যাডঃ মতিউর রহমান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন পিরোজপুর জেলা মনিটরিং অফিসার ধান,পাট ও গম উৎপাদন প্রকল্প মোঃ তাজুল ইসলাম,অতিরিক্ত উপ-পরিচালক কৃষি সম্পাসরন রথীন্দ্র নাথ বিশ্বাস, উপজেলা কৃষি অফিসার হুমায়রা সিদ্দিকা,উপজেলা কৃষি সম্প্রসারন অফিসার মোঃ আসাদুজ্জামান প্রমুখ ।
সাংবাদিক সম্মেলনে অভিযোগ: শরণখোলায় এনজিও কর্মকর্তার নামে মিথ্যা মামলা নিরাপত্তাহিনতায় কর্মীরা
শরণখোলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি
বাগেরহাটের শরণখোলায় জোয়ার ইকোট্যুরিজম প্রাইভেট লিমিটেড নামের সদ্য কাজ শুরু করা একটি বেসরকারী সংস্থার বিরুদ্ধে উঠেপড়ে লেগেছে একটি স্বার্থান্বেসী মহল। সংস্থাটির পরিচালকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলাসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একের পর এক অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে তারা। বর্তমানে ওই মহলটির অব্যাহত হুমকিতে তাদের কর্মীরা নিরাপত্তাহিনতায় ভুগছেন। সোমবার সকালে সংস্থাটির প্রকল্প সম্মন্বয়কারী সুবর্ণা রাণী মিত্র শরণখোলা প্রেসকাবে এক সাংবাদিক সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন।
লিখিত বক্তব্যে তিনি জানান, প্রায় ৮মাস আগে তারা সুন্দরবন নির্ভরশীল জনগোষ্ঠির বিকল্প কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে শরণখোলায় কাজ শুরু করেন। এর আগে শরণখোলা প্রেসকাবে প্রশাসনের কর্মকর্তাবৃন্দ, জনপ্রতিনিধি, মুক্তিযোদ্ধা, সাংবাদিক ও গন্যমান্য ব্যাক্তিদের নিয়ে এক মতবিনিময় সভা করা হয়। এরপর সুন্দরবন সংলগ্ন শরণখোলা বাজারের পাশে ১২ বিঘা জমির উপর ইকোপার্ক নির্মানের কাজ করছেন। কিন্তু এসব কাজ শুরু করার পর থেকে স্থানীয় একটি এনজিও’র পরিচালক ঈর্ষান্বিত হয়ে তাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র শুরু করেন। প্রথমে জোয়ার সাতক্ষিরা নামে একটি ফেইসবুক আইডি খুলে বিভিন্ন অপপ্রচার চালায়। এ ব্যাপারে তারা শরণখোলা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করেন। এ অবস্থায় গত ১ মে তাদের সংস্থার সাবেক কর্মী সুমি আক্তার ও মারুফা বেগমের মধ্যে পারিবারিক কলহের জের ধরে মারামারি সংগঠিত হয়। এর চার মাস আগে মারুফা বেগমকে চাকুরি থেকে আপসারনের সময় একমাসের বেতন নিয়ে তাদের সংস্থার পরিচালক আঃ রহমান আকাশের সাথে বিরোধ চলে আসছে। এই সুযোগটিকে কাজে লাগায় স্বার্থান্বেসী মহলটি। মারুফা বেগমকে হাতিয়ার হিসাবে ব্যবহার করে পরিচালক আঃ রহমান আকাশের নামে মিথ্যা মামলা দায়ের করানো হয়। এছাড়া বিভিন্ন সময় অনৈতিক সুবিধা আদায় করতে না পেরে কতিপয় ব্যক্তি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে বিভিন্ন প্রকার হুমকিসহ কুরুচিপূর্ণ অপপ্রচার চালিয়ে তাদেরকে হেয়প্রতিপন্ন করে চলছে। তাই এব্যাপারে নিরপেক্ষ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা গ্রহনের জন্য সরকার ও প্রশাসনের উর্ধ্বতন কতৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করছেন তারা।
এব্যাপারে শরণখোলা থানার অফিসার ইন চার্জ এসকে আব্দুল্লাহ আল সাইদ জানান, একটি মারামারির ঘটনায় মারুফা বেগম বাদী হয়ে জোয়ার এনজিও’র পরিচালকসহ তিনজনের নামে মামলা করেছেন। ঘটনাটি তদন্তাধীন রয়েছে।
পারুলিয়ায় গ্রামীন ব্যাংকের উদ্যোগে ত্রাণ বিতরণ
দেবহাটা প্রতিনিধি
দেবহাটার পারুলিয়ায় গ্রামীন ব্যাংকের উদ্যোগে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। সোমবার বেলা ১১টায় পারুলিয়াস্থ গ্রামীন ব্যাংক শাখার আয়োজনে এ বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এতে পারুলিয়া শাখার ব্যবস্থাপক মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন খুলনা জোন জোনাল ম্যানেজার মো. এমাজউদ্দীন। বিশেষ অতিথি ছিলেন সাতক্ষীরা এরিয়া ম্যানেজার জয়নুল আবেদিন, কালিগঞ্জ এরিয়া ম্যানেজার দীপক কুমার দাশ, প্রোগ্রাম অফিসার (সাতক্ষীরা) আব্দুল আলিম। এসময় ৮জন সংগ্রামী সদস্যকে ২য় দফায় ৩৮ কেজি চাল, ৪ কেজি ডাল, ৪ কেজি পেঁয়াজ, ৮ কেজি আলু, লবন ২ কেজি, তেল ২ লিটার, সাবান ৪ টি সহ নগদ ৬০০ টাকা হারে প্রদান করা হয়। এছাড়া পর্যায়ক্রমে আরো সদস্যদের এ সহায়তা প্রদান করা হবে জান গেছে প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে।
মহানগর যুব নাগরিক ফোরামের মাসব্যাপী খালিশপুরে সবজি বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন
খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনা মহানগর যুব নাগরিক ফোরামের উদ্যোগে মাসব্যাপী কর্মহীন মানুষের মাঝে সবজি বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন মহানগর যুবলীগের আহবায়ক সফিকুর রহমান পলাশ। গতকাল সোমবার সকাল ৯টায় খালিশপুর মানষী বিল্ডিং মোড়ে এ সবজি বিতরন কার্যক্রমের আয়োজন করা হয়। প্রায় চার শত মানুষের মাঝে সবজি বিতরন অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মহানগর যুব নাগরিক ফোরামের চেয়ারপার্সন মাহাবুবুল হক সজিব, সার্বিক পরিচালনায় ছিলেন খালিশপুর থানা আওয়ামীলীগের নির্বাহী কমিটির সদস্য মোল্লা মুরাদ হোসেন রিপন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংরক্ষিত আসনের কাউন্সিলর পারভীন আক্তার, খালিশপুর থানা আওয়ামীলীগের স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা: এএসএম সায়েম মিয়া, মহিলা আওয়ামীলীগ নেত্রী রেহানা গাজী, ১১ নং ওয়ার্ড আ’লীগের সা: সম্পাদক সরদার আলী আহম্মেদ, যুবলীগ নেতা আব্দুল্লাহ আল মামুন, শ্রম প্রতিমন্ত্রীর এপিএস মেহেদী হাসান মোড়ল, খালিশপুর ফুটবল একাডেমির সভাপতি কাজী নেয়ামুল হক মিঠু, মেছবাউল ইসলাম তমাল, কাজল, নাছিরুদ্দিন, ফরহাদ হোসেন বিপ্লব, আব্দুল আজিজ, আহাম্মেদ হোসেন গুড্ডু, কামাল, ই¯্রাফিল, রানা, জুম্মান, খানজাহান আলী, স্বাধীন, বিপ্লব, মিরাজ প্রমুখ। অনুষ্ঠানে কুমড়া, লাউসহ সাত প্রকার সবজি বিতরন করা হয়।
মোড়েলগঞ্জে স্কুল ফিডিংয়ের বিস্কুট শিক্ষার্থীদের বাড়িতে বসেই পাচ্ছে
এম.পলাশ শরীফ, মোড়েলগঞ্জ:
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর কর্তৃক পরিচালিত “দারিদ্র পীড়িত এলাকায় স্কুল ফিডিং কর্মসূচি”কোভিড-১৯ পরিস্থিতির কারনে বন্ধ স্কুল শিক্ষার্থীদের উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন স্কুল ফিডিং বিস্কুট বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দেয়া হচ্ছে।
সরকারের সিদ্ধান্ত মোতাবেক রুরাল রিকনস্ট্রাকশন ফাউন্ডেশন (আরআরএফ) বাগেরহাট জেলার মোড়েলগঞ্জ উপজেলায় এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। প্রাথমিক শিক্ষার মান উন্নয়ন তথা শিশুদের পুষ্টিহীনতা দুর , শিক্ষণ ক্ষমতা ,ভর্তির হার, স্কুলে উপস্থিতির হার ও স্কুলের প্রতি আগ্রহ বৃদ্ধিতে এ কর্মসূচির ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তুু করোনার কারনে গত ১৭ মার্চ থেকে সকল প্রতিষ্ঠান সহ স্কুল ফিডিং কর্মসূচি বন্ধ ছিল।
এ কর্মসূচির আওতায় উপজেলার ৩০৯ টি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ৪ টি স্বতন্ত্র এবতেদায়ী মাদ্রাসার সহ মোট ৩১৩ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সুবিধাভোগী শিক্ষার্থী ৩২ হাজার ৫ শ’ ৯৫ জন। এর মধ্যে ছাত্র ১৫ হাজার ৮শ’ ৬৭ জন। ছাত্রী ১৬ হাজার ৭ শ’ ২৮ জন। একদিকে স্কুল বন্ধ অপরদিকে স্কুলগামী ছাত্র-ছাত্রীদের পুষ্টির চাহিদা পূরনে জনপ্রতি ৫০ প্যাকেট করে মোট ১২২ দশমিক ২২৬৮ মেট্রিক টন বিস্কুট শিক্ষার্থীদের বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে বিতরণ করা হচ্ছে বলে মনিটরিং এন্ড রিপোটিং অফিসার জনাব উজ্জল কুমার রায়। এতে সহযোগীতা করছে স্কুল শিক্ষক-শিক্ষিকাবৃন্দ।
বাগেরহাটের প্রকল্প সমন্বয়কারী তাপস সাধু বলেন, এ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মোঃ রুহুল আমীন খান (অতিরিক্ত সচিব) এর নির্দেশনা ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ কামরুজ্জামান এর অনুমোদন সাপেক্ষে এ বিস্কুট সরবরাহ করা হচ্ছে। বাংলাদেশ সরকারের প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের এ সময়োপযোগী সিদ্ধান্তে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও অভিভাবকবৃন্দ সন্তোষ প্রকাশ করেছে।
পাইকগায় চেয়ারম্যানের আরিফুজ্জামান তুহিনের প্রচেষ্টায় ব্রিটিশ টোবাকো কোম্পানীর কাছ থেকে ১লক্ষ টাকার আর্থিক অনুদান পেল এক বিধবা মহিলা
পাইকগাছা প্রতিনিধি
পাইকগাছা উপজেলার খড়িয়া লেবুবুনিয়া গ্রামের নিরোদ ঢালীর পুত্র তুষার কান্তি ঢালী ডার্বি সিগারেট কোম্পানিতে চাকরী করা অবস্থায় পৌরসভার ভাড়া বাসায় স্টোক জনিত কারনে মারা যায় । পরদিন সকালে লস্কর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কে এম আরিফুজ্জামান তুহিন তাকে দেখতে যান। এবং চেয়ারম্যান ব্রিটিশ টোবাকো সাতক্ষীরা জেলা কার্যালয়ে দফায় দফায় যোগাযোগ করতে থাকেন অসহায় পরিবারটি আর্থিক অনুদানের জন্য। তার এ অকান্ত প্রচেষ্টা বৃথা যায়নি। কোম্পানীর কাছ থেকে পাওয়া ১ লক্ষ্য টাকা প্রায়ত তুষারের বিধবা স্ত্রীর কাছে সোমবার দুপুরে ইউপি কার্যালয়ে উক্ত টাকা চেয়ারম্যান কে এম আরিফুজ্জামান তুহিন তুলেদেন এবং তাকে একটি বিধবা কার্ড করে দেয়ার জন্য আশ্বস্ত করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, সংরক্ষিত ইউপি সদস্য মিনতী রাণী মিস্ত্রী, প্যানেল চেয়ারম্যান তাজউদ্দীন, হাসানুজ্জামান, প্রকাশ মন্ডল, অরবিন্দু মন্ডল।
মোংলায় একযুগ ধরে বেদখল হওয়া নিজ সম্পত্তি ফেরত পাননি মুক্তিযোদ্ধা সোবাহান হাওলাদার
মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি
মোংলায় এক মুক্তিযোদ্ধা ও অবসারপ্রাপ্ত শিক্ষকের পৈত্রিক মালিকানা সম্পত্তি দীর্ঘ এক যুগেরও বেশি সময় ধরে দখল করে রাখার অভিযোগ পাওয়া গেছে স্থানীয় প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে। ২০০৯ সাল থেকে উপজেলার সুন্দরবন ইউনিয়নে বেদখলে থাকা ওই সম্পত্তি ফিরে পেতে ১৯৭১ সালের রণাঙ্গনের মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আঃ সোবাহান হাওলাদার প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত আবেদনসহ সমাজপতিদের দ্বারে দ্বারে ঘুরেও পাননি কোন প্রতিকার।
মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আঃ সোবাহান হাওলাদার জানান, ২০০৯ সালের ১৮ জানুয়ারী সুন্দরবন ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডে পৈত্রিক সূত্রে পাওয়া একটি চিংড়ি ঘের ও বসতভিটা দখল করে নেয় একই এলাকার রোকা মিয়া হাওলাদার, সেলিম হাওলাদার ও হালিম হাওলাদার।
তিনি বলেন, দেশ স্বাধীন করার জন্য তিনি জীবন বাজি রেখে পাক সেনাদের সাথে যুদ্ধ করেছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা স্বাক্ষরিত সনদে তিনি ভাতা পেয়ে আসছেন। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর স্কুল শিক্ষক হিসেবে কর্ম জীবন শুরু করেন তিনি। কিন্তু স্বাধীন দেশে আজ তিনি পরাধীন। নিজের পৈত্রিক সম্পত্তি একযুগেরেও বেশি সময় ধরে দখল করে নিয়েছেন প্রভাবশালী একটি গোষ্ঠি। প্রশাসন আর সমাজপতিদের দ্বারে দ্বারে ঘুরে তিনি নিজের মালিকানা সম্পতি দখল নিতে পারেননি। কর্মজীবন থেকে অবসরে গিয়ে তার এখনও থাকতে হচ্ছে পৌর শহরের ভাড়া বাড়িতে। তাই মৃত্যুর আগে মুক্তিযোদ্ধা আঃ সোবাহান পৈত্রিক সম্পত্তিটুকু নিজ দখলে রেখে যেতে চান বলে আবেগ আপ্লুত হয়ে সাংবাদিকদের কাছে বলেন।
এদিকে মুক্তিযোদ্ধা সোবাহানের ভূমিতে দখলে থাকা রোকা মিয়া দাবী করেন, মুক্তিযোদ্ধা আঃ সোবাহান হাওলাদার তার চাচাতো ভাই। তিনি তার বাবার ওয়ারিশ সূত্রে পাওয়া মালিকানা ভূমিটুকু দখলে রেখেছেন।
মুক্তিযোদ্ধা ও অবসারপ্রাপ্ত শিক্ষক মোঃ আঃ সোবাহানের অভিযোগের ব্যাপারে মোংলা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোঃ রাহাত মান্নান বলেন, তার অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বেই করোনা মোকাবেলা করে এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ: এমপি রবি
কাজী আতিক
মরণঘাতী করোনা ভাইরাসের কারণে বিশ্বের সাথে বাংলাদেশে যে সংকট বিরাজ করছে তা এক সময় দূরীভূত হবে ইনশাআল্লাহ। আল্লাহর রহমতে বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরতœ শেখ হাসিনার নেতৃত্বেই এই করোনা ভাইরাস মোকাবেলা করে শান্তি ও সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ। দৈনিক খুলনাঞ্চলকে এমনটি জানিয়েছেন সাতক্ষীরা সদর -২ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি।
তিনি বলেন, করোনা সংকট কেটে যাওয়ার আশা প্রকাশ করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশবাসীর মনে যে আশার সঞ্চার তৈরী করেছেন এবং সঠিক নির্দেশনার মাধ্যমে দেশবাসীর মনে প্রতিনিয়তই সাহস যুগিয়ে যে সকল প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ তিনি গ্রহণ করেছেন, তাতে করে এ বিপর্যয় কাটিয়ে উঠতে আমাদের বেশি সময় লাগবে না।
এমপি রবি আরও বলেন, আমি মনে প্রাণে বিশ্বাস করি মহান আল্লাহপাকের ইচ্ছায় প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া সকল সঠিক নির্দেশনা মেনে নেওয়ার মাধ্যমেই খুব তাড়াতাড়ি এ মহামারী করোনা সংকট মোকাবেলা করতে আমরা সক্ষম হবো। আর অচিরেই আগের মতই স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসবে আমাদের বাংলাদেশ। এমপি রবি আরও আশা প্রকাশ করে আরও বলেন করোনা যুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী দিন রাত যে অকান্ত পরিশ্রম করে চলেছেন তা বৃথা যাবে না ইনশাআল্লাহ। আল্লাহর রহমতে তার নেতৃত্বেই এ যুদ্ধে আমরা বিজয়ী হবো।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করে সরকারের দেওয়া সকল নির্দেশনা মেনে নিয়ে সচেতনতা ও সাহসিকতার সাথে জীবন জাপন করার জন্য সকলের প্রতি আহবান জানিয়েছেন এমপি রবি।
কর্মহীন ও দুস্থদের মাঝে নৌবাহিনীর ইফতার বিতরণ
স্টাফ রিপোর্টার
করোনা ভাইরাস এর সংক্রমণ রোধকল্পে বাংলাদেশ নৌবাহিনী সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা প্রদান করে আসছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে কর্মহীন অসহায় মানুষের পাশে সবসময় রয়েছে নৌবাহিনী। অসহায় ও দুস্থ পরিবারে ঘরে ঘরে ত্রাণ ও ইফতার সামগ্রী পৌছানোসহ জনসাধারণের মাঝে জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় নৌ ঘাঁটি তিতুমীর কর্তৃক ০৪ নং ঘাট বস্তি এলাকায় ২০০ অসহায় ও দুস্থ পরিবারের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হয়। এছাড়া নৌ ঘাঁটি সোলাম কর্তৃক জিরোপয়েন্ট এলাকায় ১০০ অসহায় ও দুস্থ পরিবারের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হয়। অপরদিকে মোতায়েনকৃত নৌবাহিনী কন্টিনজেন্ট বরগুনা জেলার বিভিন্ন এলাকায় টহলের পাশাপাশি জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে ও ২০০টি জনসচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করা হয়। সাধারণ জনগণকে কাঁচা বাজার, ঔষধের দোকান ও মসজিদ ব্যবহারে সরকারী নীতিমালা অনুসরণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। একই সাথে অনুমোদিত নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য সামগ্রীর দোকান নির্দিষ্ট রুটিন সময়ের পর বন্ধ রাখার বিষয়টি নিশ্চিত করে। নৌ কন্টিনজেন্ট মংলা জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে দিগরাজ বাজার, মংলা বন্দর, আপাবাড়ি, চাঁদপাই, মিঠাখালি, বুড়িরডাঙ্গা ও চরকানাই এলাকায় টহল পরিচালনা করে। এ সময় ২৭৫টি অসহায় ও দুস্থ পরিবারের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণে সহায়তা প্রদান করা হয়।
কর্মহীন মানুষের মধ্যে যারা আর্থিক সংকট রয়েছে তাদেরকে সহযোগিতা করতে হবে: জনউদ্যোগ
খবর বিজ্ঞপ্তি
ঘরে থাকুন, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন। করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সকলকে সজাগ থাকতে হবে। কোন মতে যেন আমরা নিজেরা আক্রান্ত না হই অপরকে আক্রন্ত না করি তার দিকে লক্ষ্যে রাখতে হবে। কর্মহিন মানুষের মধ্যে যাদের আর্থিক সংকট রয়েছে তাদেরকে সকলে মিলে সহযোগিতা করতে হবে। মনে রাখতে হবে এই দূর্যোগমোকাবেলা করতে হলে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানদের এগিয়ে আসতে হবে। আমরা যা কিছু করিনা কেন তাযেন স্বাস্থ্যবিধির বাইরে না যায়। আমাদের এ যুদ্ধের সবচেয়ে বড় সৈনিক ডাক্তার। তাদের অকান্ত পরিশ্রমে আমরা এই মহামারিকে জয় করতে পারবো নিশ্চয় -এভাবে বললেন জনউদ্যোগ,খুলনার উপহার সামগ্রি বিতরণকালে বক্তারা বলেন।
সোমবার বেলা ১১টায় বিএমএ মিলনায়তনে করোনা (কভিড-১৯) ভাইরাস মোকামেলায় আইইডি’র সচেতনতামূলক প্রচারণা এবং খাদ্য ও প্রতিরোধ সামগ্রী সহযোগিতা কর্মসূচির অংশ হিসাবে জনউদ্যোগ,খুলনার আয়োজনে কর্মহীন মানুষের মাঝে উপহার সামগী বিতরণ করা হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন বিএমএ’র সভাপতি ডা: শেখ বাহারুল আলম। সভায় অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার সোনালী সেন। সভায় সঞ্চালনা করেন জনউদোগ নারী সেলের আহবায়ক এ্যাড: শামীমা সুলতানা শীলু। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখে খুলনা নাগরিক সমাজের আহবায়ক এ্যাড: আফম মহসিন, জনউদ্যোগ, খুলনার সদস্য সচিব মহেন্দ্র নাথসেন, এ্যাড: আফম মুস্তাকুজ্জামান, রিপন কুমার বিশ্বাস, প্রশান্ত হালদার প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, করোনা ভাইরাস এমন একটি সংক্রামক ভাইরাস – যা এর আগে কখনো মানুষের মধ্যে ছড়ায়নি। এই ভাইরাসে বিশ্বব্যাপী প্রাণহানি হয়েছে দুই লাখ ৭৭ হাজার মানুষের। বিশ্বব্যাপী আক্রান্তের সংখ্যা ৪০ লাখ ছড়িয়েছে। ভাইরাসটির আরেক নাম ২০১৯ – এনসিওভি বা নভেল করোনা ভাইরাস। এটি এক ধরণের করোনা ভাইরাস। করোনা ভাইরাসের অনেক রকম প্রজাতি আছে, কিন্তু এর মধ্যে মাত্র ছয়টি প্রজাতি মানুষের দেহে সংক্রমিত হতে পারে। তবে নতুন ধরণের ভাইরাসের কারণে সেই সংখ্যা এখন থেকে হবে সাতটি। বক্তারা আরো বলেন, মানুষের মধ্যে যখন ভাইরাসের উপসর্গ দেখা দেবে তখন বেশি মানুষকে সংক্রমণের সম্ভাবনা থাকবে তাদের। তবে এমন ধারণাও করা হচ্ছে যে নিজেরা অসুস্থ না থাকার সময়ও সুস্থ মানুষের দেহে ভাইরাস সংক্রমিত করতে পারে মানুষ। শুরুর দিকের উপসর্গ সাধারণ সর্দিজ্বর এবং ফু’য়ের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ হওয়ায় রোগ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে দ্বিধাগ্রস্থ হওয়া স্বাভাবিক।
গোপালগঞ্জে পানিতে ডুবে ও গলায় লিচু আটকে দুই শিশুর মৃত্যু
হুসাইন ইমাম সবুজ, গোপালগঞ্জ
গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলায় গলায় লিচু আটকে সালমান (৫) ও পানিতে ডুবে ফাতেমা (২) নামে দুই শিশুর মুত্যু হয়েছে। সোমবার দুপুরে কোটালীপাড়া উপজেলার চিত্রাপাড়া ও মাঝবাড়ী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। কোটালীপাড়া থানার ওসি শেখ লুৎফর রহমান জানান, নিহত শিশু সালমান কোটালীপাড়া উপজেলার চিত্রাপাড়া গ্রামে মামা বাড়িতে বেড়াতে এসেছিল। আজ সোমবার দুপুরে লিচু খাওয়ার সময় তার শ্বাসনালীতে একটি লিচু আটকে যায়। পরে তাকে কোটালীপাড়া উপজেলা হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষনা করেন।সালমান বরিশাল জেলার আগৈলঝড়া উপজেলার নগরবাড়ী গ্রামের সুমন সিকদারের ছেলে।
অপরদিকে, কোটালীপাড়া উপজেলার মাঝবাড়ী গ্রামে বাড়ির সামনের পুকুর থেকে ফাতেমার মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। সে পরিবারের অজান্তে পুকুরে পড়ে যায়। পরে খোঁজাখুঁজির পর বাড়ীর সামনের পুকুর থেকে ফাতেমাকে উদ্ধার করা হয়। পরিবারের লোকজন কোটালীপাড়া হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষনা করেন। নিহত ফাতেমা মাঝবাড়ী গ্রামের কামাল দাড়িয়ার মেয়ে। দুই শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যুতে উপজেলায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
মণিরামপুরে স্বাস্থ্যকর্মী রবিউলের করোনা জয়
মণিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি
অবশেষে দীর্ঘ একমাস পর যশোর জেলায় প্রথম করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত মণিরামপুরের সেই স্বাস্থ্যকর্মী রবিউল ইসলাম সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। সোমবার (১ মে) মণিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্স থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা নিয়ে মশ্মিমনগরের হাজরাকাঠি গ্রামের বাড়িতে ফিরেছেন তিনি। এরআগে সোমবার দুপুরে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জীবাণুবিজ্ঞান বিভাগের চিকিৎসক এসএম মাসুদুর রহমান স্বাক্ষরিত রবিউলের করোনা নেগেটিভ ফলাফলটি মণিরামপুর হাসপাতালে পৌঁছায়।
এরপর বিকেলে যশোরের সিভিল সার্জন ডা. শেখ আবু শাহীন, মণিরামপুর হাসপাতালের ইউএইচও ডা. শুভ্ররানী দেবনাথ, আরএমও ডা. অনুপবসু এবং মণিরামপুর থানার ওসি রফিকুল ইসলাম ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানিয়ে রবিউলকে বিদায় জানান।
হাসপাতাল থেকে ফিরে মোবাইলে রবিউল তার প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন। তিনি বলেন, সর্বপ্রথম আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় করছি। এরপর কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি যশোরের সিভিল সার্জন স্যার, মণিরামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, হাসপাতালের ইউএইচও ও চিকিৎসকদেরপ্রতি। তারা সবসময় আমার খোঁজ নিয়েছেন। বিশেষ করে ইউএনও আহসান উল্লাহ শরিফী স্যার প্রায়ই ফোন করে আমার খবর নিয়েছেন। আজও (সোমবার) তিনি আমাকে ফোন দিয়ে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। আমি ইউএনও স্যারের প্রতি কৃতজ্ঞ।
রবিউল ইসলাম বলেন, করোনা আক্রান্ত হওয়ারপর নাপা, এন্টিবায়োটিক (এজিথ্রোমাইসিন ও রিকনিল-২০০), সিভিট, জিংক ও গ্যাসের বড়ি দিয়ে আমার চিকিৎসা চলেছে। এতেই আল্লাহপাকের ইচ্ছায় আমি সুস্থ হয়েছি। দীর্ঘ একমাস একাকিত্ব সময়ে নামাজ পড়ে, কোরআন তেলওয়াত করে ও মোবাইল নিয়ে সময় কেটেছে। একাকিত্বটাই ছিল বড় কষ্টের। মানসিকভাবে প্রেসারে থাকলেও শারীরিকভাবে আমি সুস্থ ছিলাম।
গত ৮ এপ্রিল জ¦র ও সমস্থ শরীরের ব্যথা নিয়ে মণিরামপুর হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসেন রবিউল। তখন ডা. অনুপ বসু তাকে করোনা পরীক্ষা করানোর পরামর্শ দিলে ওই দিনই নমুনা সংগ্রহ করা হয় তার। এরপর ১২ এপ্রিল খুলনা মেডিকেলের ল্যাবের রিপোর্টে রবিউলের করোনা পজেটিভ রিপোর্ট আসে। এরপর পাঁচবার রবিউলের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। তারমধ্যে প্রথম তিনটি পজেটিভ আসলেও পরের দুইটির ফলাফল নেগেটিভ আসে। একমাস ধরে তিনি কেশবপুরের ইমাননগরে শ^শুর বাড়িতে ও মণিরামপুর হাসপাতালের আইসোলেশনে ভর্তি থেকে চিকিৎসা নিয়েছেন।
এদিকে মণিরামপুর হাসপাতালের করোনা পজেটিভ এক সেকমো, এক মেডিকেল টেকনোলজিস্ট (ইপিআই), অপর এক স্বাস্থ্যকর্মী ও এক অফিস সহকারী আইসোলেশনে রয়েছেন। আইসোলেশনে থাকা অবস্থায় আরও দুইবার তাদের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। কিন্তু সেগুলোর ফলাফল এখনো আনুষ্ঠানিক জানা যায়নি। তবে আক্রান্ত চারজনই সুস্থ রয়েছেন বলে জানাগেছে।
মণিরামপুর হাসপাতালের আরএমও ডা. অনুপ বসু বলেন, রবিউল সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। তাকে স্বাভাবিক ভিটামিনযুক্ত খাবার খেতে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বিশ্রামে থাকার একসপ্তাহ পর তাকে কাজে যোগ দেওয়ার জন্য বলা হয়েছে। এছাড়া হাসপাতালের আক্রান্ত অপর চার স্টাফ এখন সুস্থ আছেন।
করোনা মোকাবেলায় প্রধানমন্ত্রী দৃঢ় পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন: সিটি মেয়র
খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক বলেছেন, করোনা ভাইরাসের কারণে সৃষ্ট সংকট মোকাবেলায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা দৃঢ় পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। মানবিক সাহায্য হিসেবে তিনি দেশব্যাপী পর্যাপ্ত খাদ্যসামগ্রী বিতরণসহ আর্থিক সহায়তা প্রদান করছেন। বিনা প্রয়োজনে ঘরের বাইরে না আসার জন্য নগরবাসীর প্রতি আহবান জানিয়ে সিটি মেয়র বলেন, প্রত্যেককে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে স্বাভাবিক কাজকর্ম করতে হবে। বিশেষ করে ঈদ প্রাক্কালে শপিং মল ও বাজারসমূহে ক্রয়-বিক্রয়ের ক্ষেত্রে বিষয়টির ওপর সর্বাধিক গুরুত্ব দিতে হবে।
সিটি মেয়র সোমবার বেলা ১১টায় নগরীর নতুন বাজারে ২২নং ওয়ার্ড কার্যালয় প্রাঙ্গণে দু:স্থ ও নি¤œআয়ের মানুষের মাঝে চাল ও নগদ অর্থ বিতরণকালে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত মানবিক সহায়তা কর্মসূচির আওতায় সিটি মেয়র ওয়ার্ডের ৪’শ ২৮টি পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী ও নগদ অর্থ বিতরণ করেন।
খুলনা মহানগর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক এমডিএ বাবুল রানা, কেসিসি’র কাউন্সিলর কাজী আবুল কালাম আজাদ বিকু, ফকির মো: সাইফুল ইসলাম, সংরক্ষিত আসনের কাউন্সিলর কনিকা সাহা, সাবেক কাউন্সিলর হালিমা ইসলামসহ আওয়ামীলীগের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে সিটি মেয়র নগরীর ২৯নং ওয়ার্ড কার্যালয়ে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে খুলনা-২ আসনের সংসদ সদস্য শেখ সালাহউদ্দিন জুয়েল-এর পক্ষ থেকে ওয়ার্ডের অসহায় ও নি¤œআয়ের পরিবারে মাঝে চাল, ডালসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেন।
মোড়েলগঞ্জে মিয়া ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে খাদ্য সহায়তা প্রদান
মোড়েলগঞ্জ প্রতিনিধি
মিয়া ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে পবিত্র রমজান উপলক্ষ্যে বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জে সোমবার দুপুরে করোনায় কর্মবিমুখ গরীব অসহায় ১৫০ পরিবারের মাঝে খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।
বাগেরহাট-৪ আসনের সংসদ সদস্য এ্যাড. আমিরুল আলম মিলন এ খাদ্য সহায়তা কর্মসূচির উদ্ধোধন করেন। মোড়েলগঞ্জ রওশন আরা ডিগ্রী মহিলা কলেজ চত্বরে খাদ্য সহায়তা প্রদান অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অধ্যক্ষ মো.জাহাঙ্গীর আল আজাদ, অধ্যাপক আব্দুল আউয়াল, অধ্যাপক ফায়জুল ইসলাম, অধ্যাপক নজরুল ইসলাম, আল-আমিন তালুকদার সহ প্রতিষ্ঠানের সকল শিক্ষক ও শিক্ষিকাবৃন্দ। খাদ্য সহায়তায় ছিল ৫ কেজি চাল, ১ কেজি তেল, ২ কেজি আলু, ১ কেজি ডাল, ২ কেজি পিয়াজ। এর আগে নবাগত সংসদ সদস্য এ্যাড. আমিরুল আলম মিলন কে অধ্যক্ষ মো. জাহাঙ্গীর আল আজাদ ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।
শৈলকুপায় প্রতিপক্ষের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে নিহত-২, আহত ১০
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি
ঝিনাইদহের শৈলকুপা এলাকায় প্রভাব বিস্তার করাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে ২জন নিহত ও আহত হয়েছে অন্তত ১০ জন। সোমবার দুপুরে উপজেলার ধুলিয়া পাড়া গ্রামে সামাজিক দল খা” গ্রুপের হামলায় মন্ডল গ্রুপের লাল্টু মন্ডল ও অভি মন্ডল নিহত হয়।
নিহত লাল্টু একই গ্রামের মনজের মন্ডলের ছেলে ও অপরজন অভি মন্ডল একই গ্রামের লোকমান মন্ডলের ছেলে। ঝিনাইদহ পুলিশ সুপার হাসানুজ্জামান জানান, শৈলকুপার ধুলিয়া পাড়া গ্রামে দীর্ঘদিন ধরে এলাকার আধিপত্য ও প্রভাব বিস্তার করাকে কেন্দ্র করে সামাজিক দুটি দলের চরম দ্বন্দ রয়েছে। এ দুটি দলের সামাজিক মাতব্বর আব্দুর রশিদ ”খা” গ্রুপের নেতৃত্ব দেন আর মকবুল মহুরী ”মন্ডল ” গ্রুপের নেতৃত্ব দেন।
পুর্বের শত্রুতার জের ধরে সোমবার দুপুরে মন্ডল গ্রুপের লাল্টু ও অভি বাড়ির সামনে গল্প করছিলো। এ সময় প্রতিপক্ষ খা গ্রুপের লোকজন ধারালো অস্ত্র-শস্ত্র নিয়ে তাদের উপর অতর্কিত হামলা চালিয়ে কুপিয়ে ঘটনাস্থলেই দুজনকে হত্যা করে।
এ সময় তাদেরকে ঠেকাতে গেলে আরও ১০ জন মারাত্বক জখম হয়। স্থানীয় গ্রামবাসিরা সবাইকে উদ্ধার করে শৈলকুপা হাসপাতালে নেওয়া হলে ঘটনাস্থলেই লাল্টু মন্ডল ও অভি মন্ডল নিহত হয় বলে দায়িত্বরত চিকিৎসক জানান।
এ ঘটনার পর থেকে এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনের জন্য গ্রামে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। তবে এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে পুলিশ আরও জানান।
পাইকগাছা পৌরসভার প্রধান সড়কের পিচের কাজ উদ্বোধন
পাইকগাছা প্রতিনিধি
পাইকগাছা পৌরসভার প্রধান সড়কের পিচের কাজ উদ্বোধন করা হয়েছে। সোমবার সকালে পৌর মেয়র সেলিম জাহাঙ্গীর উপজেলা খাদ্য গুদামের সামনে এ কাজের উদ্বোধন করেন। ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান পারভেজ এন্টারপ্রাইজ ৮২ লাখ টাকায় ৮শ মিটার পিচের রাস্তার কাজের টেন্ডার পায়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্যানেল মেয়র এসএম এমদাদুল হক, কাউন্সিলর এস,এম ইমদাদুল হক, ইঞ্জিনিয়ার এম,এম নুর আহম্মদ ঠিকাদার, মিরাজুল ইসলাম ও সেলিম রেজা লাকী।
সুন্দরবনে বন বিভাগের অভিযান অবৈধ জাল সহ ৮ জেলে আটক
কয়রা প্রতিনিধি
সুন্দরবন খুলনা রেঞ্জের আদাচাই টহল ফাঁড়ির অধিনস্থ বুড়বুড়িয়া খাল এলাকায় অভিযান চালিয়ে সুন্দরবনে নিষিদ্ধ ২ টি ভেশাল জাল, ৬ টি খাল পাটা জাল, ৪ টি নৌকা সহ ৮ জেলে আটক করেছে বন বিভাগ। জানা গেছে গত রবিবার সকাল ৮ টার দিকে আদাচাই টহল ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ ফারুক হোসেনের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে অবৈধ এ সকল জাল নৌকা সহ তাদেরকে আটক করা হয়। আটককৃতদের সকলের বাড়ি কয়রা উপজেলার জোড়শিং গ্রামে। তারা কোবাদক স্টেশন হতে পারমিট নিয়ে সুন্দরবনে মাছ ধরতে যায়। খুলনা রেঞ্জের সহকারি বন সংরক্ষক (এসিএফ) মোঃ আবু সালেহ বলেন এ ব্যাপারে বন আইনে ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়েছে।
খুলনায় হতদরিদ্রের মাঝে ইসলামী আন্দোলনের ইফতার বিতরণ
খবর বিজ্ঞপ্তি
সোমবার (১১ মে) বিকাল ৪ টায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ খুলনা মহানগরের উদ্দোগে ঐতিহাসিক ১৭ রমজান বদর দিবস উপলক্ষে হতদরিদ্রের মাঝে নগরীর বিভিন্ন স্পটে ইফতারের খাবার বিতরণ করা হয়।
একসময় উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ খুলনা মহানগর সভাপতি মুফতী আমানুল্লাহ, নগর সহ সভাপতি মুফতী মাহবুবুর রহমান, সেক্রেটারী শেখ মোঃ নাসির উদ্দিন, জয়েন্ট সেক্রেটারী আলহাজ্ব মাওঃ দ্বীন ইসলাম, সহ সাংগঠনিক মোল্লা রবিউল ইসলাম তুষার, প্রচার সম্পাদক মোঃ তরিকুল ইসলাম কাবির, সহ প্রচার আব্দুর রশীদ, সহ দপ্তর মুফতী আমিরুল ইসলাম, ছাত্র ও যুব বিষয়ক মাওঃ ইমরান হোসাইন, কৃষি ও শ্রম বিষয়ক আলহাজ্ব আমজাদ হোসেন, নির্বাহী সদস্য মাওঃ শায়খুল ইসলাম বিন হাসান, মোঃ ইব্রাহীম ইসলাম খান, ইসলামী যুব আন্দোলন নগর সভাপতি আলহাজ্ব আবুল কাশেম, মোঃ নাসিব ইসলাম প্রমুখ।
নেতৃবৃন্দ নগরীর পাওয়ার হাউজ মোড়, রয়্যাল মোড়, ময়লাপোতা, শীববাড়ি মোড়, পিপলস চত্বর, চিত্রালীর মোড়, দৌলতপুর শহীদ মিনার চত্বর, ফুলবাড়ী গেট, নতুনভাবে রাস্তা, বয়রা বাজার, মেডিকেল কলেজ মোড়, আল ফারুকের মোড় ও সোনাডাঙ্গা বাসষ্টান্ডে ইফতারের খাবার বিতরণ করা হয়।
পাইকগাছায় সাংসদ বাবু’র নির্দেশে কৃষকের ধান কেটে দিল যুবলীগ-ছাত্রলীগ
খবর বিজ্ঞপ্তি
করোনা পরিস্থিতিতে শ্রমিক সংকটে পড়া পাইকগাছা উপজেলার চাঁদখালী ইউনিয়নের কৃষ্ণনগর দোখোলা গ্রামের অসহায় কৃষক রামপ্রসাদ সরদারের প্রায় তিন বিঘা জমির পাকা ধান কেটে ঘরে তুলে দিয়েছেন উপজেলা যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। খুলনা-৬ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোঃ আক্তারুজ্জামান বাবু’র নির্দেশে ও পাইকগাছা উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের সম্মেলন প্রস্তুত কমিটির সদস্য মোঃ আকরামুল ইসলামের নেতৃত্বে সোমবার (১১ মে) কৃষকের জমি থেকে ধান কেটে বাড়িতে পৌঁছে দেন নেতাকর্মীরা।
ধান কাটায় অংশ নেন ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সম্পাদক আফি আজাদ বান্টি, জেলা ছাত্রলীগ নেতা পার্থ প্রতীম চক্রবর্তী, মোঃ মাসুদুর রহমান মানিক, চাঁদখালী ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ আঃ বারিক গাজী, প্রসেন ঢালী, প্রভাষক মোঃ বাবলুর রহমান, জেলা ছাত্রলীগ নেতা মিঠুন দেবনাথ, যুবলীগ নেতা বাপ্পি সরদার, বিশ্বজিত দফাদার, খানজাহান, দেবব্রত মন্ডল দেবু, সাহেব আলী, দিনার, সাইফুল ইসলাম, আঃ হাকিম, তুহিন, সবুজ, ছাত্রলীগের মুক্ত অধিকারী,মোঃ মাহাবুবুর রহমান নয়ন, মোঃ শামিম হোসেন, ইমরান হোসেন রানা, আবু হাসান, ইমরান মালী, বাপ্পি সহ প্রমুখ।
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণকালে মঞ্জু: ঐক্যবদ্ধ ভাবে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে
খবর বিজ্ঞপ্তি
কেন্দ্রীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও মহানগর বিএনপির সভাপতি নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেছেন, দলমত জাতি ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে করোনার দুর্যোগময় মুহুর্তে সকলকে সাহায্য করতে হবে। যুগে যুগে মহামারি আসে পৃথিবীতে, তবে একই সঙ্গে গোটা বিশ্বকে তছনছ করে দেয়ার মহামারি এটাই প্রথম। করোনা ভাইরাসে মৃতু’র মিছিল অব্যাহত রয়েছে। হঠাৎ করেই যেন চাপের মুখে পৃথিবীর মানুষ। এই রোগ থেকে বাঁচার উপায় আপাতত একটাই, তাহলো নিজেকে ঘরে আবদ্ধ করে রাখা। অদৃশ্য এই মরণব্যধিকে নিয়ন্ত্রণে আনতে চলছে নিরন্তর আলোচনা, গবেষণা। জয় ঠিকই হবে একদিন। তবে তার আগে দিতে হবে আমাদের সমবেত ধৈর্যের পরীক্ষা। এই ধৈর্য্যরে পরীক্ষায় উর্ত্তীণ হওয়ার জন্য দলের সকল স্তরের নেতা-কর্মিদের ঐক্যবদ্ধ ভাবে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য আহবান জানিয়েছেন বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান দেশনায়ক তারেক রহমান।
সোমবার দুপুর আড়াইটায় মহানগর বিএনপি’র করোনা ভাইরাসে গৃহবন্ধি মানুষের ত্রাণ সহায়তার কর্মসুচির অংশ হিসেবে সোনাডাঙ্গা থানার ১৯নং ওয়ার্ডের পৈপাড়া সর্বজনিন সনাতন ধর্মাবলম্বীদের করোনা ভাইরাসের কারণে গৃহবন্ধি মানুষের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণকালে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন নগর বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক সাবেক মেয়র মনিরুজ্জামান মনি, আরিফুজ্জামান অপু, আসাদুজ্জামান মুরাদ, মেহেদী হাসান দীপু, কাউন্সিলর আশফাকুর রহমান কাকন, শরিফুল ইসলাম বাবু, আকরাম খোকন, সরদার রবিউল ইসলাম রবি, মহিউদ্দিন টারজান, আনিসুর রহমান আরজু, ইকবাল হোসেন, মোস্তফা জামান মিন্টু, হাসমত হোসেন, আশিকুর রহমান আশিক, ইমরান হোসেন, মোস্তাফিজুর রহমান দিহান, আব্দুর রহমান, হাফিজুর রহমান, ইউনুস মোল্লা, ইব্রাহিম হোসেন, গোরা রায়। এছাড়াও মন্দির কমিটির নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কার্তিক চক্রবর্তী, বাপ্পী রায়, গৌরাঙ্গ কুমার প্রমুখ।
খুলনা বিভাগের করোনা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ সেল’ গঠন করল বিএনপি
খবর বিজ্ঞপ্তি
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি’র কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ও খুলনা মহানগর শাখার সভাপতি সাবেক সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম মঞ্জুকে আহ্বায়ক করে ২৪ সদস্যের খুলনা বিভাগীয় ‘করোনা (কোভিড-১৯) পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ সেল’ গঠন করা হয়েছে। বিএনপি’র জাতীয় স্থায়ী কমিটির অন্যতম সদস্য ও বিএনপি’র জাতীয় করোনা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ সেল’র কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ কমিটি ঘোষণা করা হয়।
কমিটির সদস্য নেতৃবৃন্দ হলেন বিএনপির বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম অমিত ও জয়ন্ত কুমার কুন্ডু, কুষ্টিয়া জেলা সভাপতি মেহেদী আহমেদ রুমী, সম্পাদক অধ্যক্ষ সোহরাব উদ্দীন, খুলনা জেলা সভাপতি এ্যাড. শফিকুল আলম মনা, নগর সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনি, যশোরের আহ্বায়ক অধ্যাপিকা নার্গিস বেগম, মেহেরপুর জেলা সভাপতি মাসুদ অরুন, চুয়াডাঙ্গা জেলার ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক মাহমুদ হাসান খান, ঝিনাইদহের আহ্বায় এ্যাড. এসএম মশিউর রহমান, সাতক্ষীরার আহ্বায়ক এ্যাড. সৈয়দ ইফতেখার আলী, মাগুরার আহ্বায়ক আলী আহম্মদ, নড়াইল জেলা সভাপতি বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম, বাগেরহাটের এটিএম আকরাম হোসেন তালিম, যশোরের সদস্য সচিব এ্যাড. সাবেরুল ইসলাম সাবু, ঝিনাইদহের সদস্য সচিব এসএম মজিদ, চুয়াডাঙ্গার ওয়হেদুজ্জামান বুলা, খুলনার আমীর এজাজ খান, মেহেরপুরের আমজাদ হোসেন, মাগুরার আখতার হোসেন, বাগেরহাটের শেখ মোজাফ্ফর আলম, নড়াইলের মোঃ মনিরুল ইসলাম ও সাতক্ষীরার আব্দুল আলীম।
মোংলায় চলমান সরকারী উন্নয়মুলক কাজ বন্ধ করতে ঠিকাদারকে হয়রানীর অভিযোগ
মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি
কাজ না পেয়ে মোংলায় অন্য এক ঠিকাদারের নির্মাণাধীন ব্রিজের কাজে বাঁধাগ্রস্থ করতে নানা রকম গুজব ছড়ানোর অভিযোগ উঠেছে। নির্মাণাধীন ব্রিজের কাজ বন্ধ করতেও মরিয়া হয়ে উঠেছে প্রতিপক্ষ এক ঠিকাদার। এ নিয়ে হয়রানী বন্ধ করতে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মোঃ নাহিদুজ্জামান সবাইকে সতর্ক থাকতে বলেছেন।
ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান মেসার্স মাহতাব এন্টারপ্রাইজের মালিক এস,এম মাহাতাব অভিযোগ করে বলেন, মোংলা ও এর পাশ্ববর্তী অন্যান্য উপজেলায় দীর্ঘ দিন যাবৎ সুনামের সাথে ঠিকাদারী ব্যবসা করে আসছেন তিনি। সরকারী দপ্তর থেকে কাজ নেয়ার জন্য তার প্রতিদ¦ন্ধী ছিলেন আরো কয়েকজন ঠিকাদার। যথাযথ পন্থা অবলম্বন করেই এবং কম মূল্যে তিনি ওইসব কাজ করার অনুমতি পান। এতে প্রতিদ¦ন্ধী ঠিকাদার ও পৌর শহরের কাপড় ব্যবসায়ী এ কাজ না পেয়ে তাকে বিভিন্নভাবে হয়রানী করে চলেছেন। প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরসহ সামাজিকভাবে তাকে হেয় প্রতিপন্ন করতে জনৈক কাপড় ব্যবসায়ী ও ঠিকাদার তার বিরুদ্ধে নানা রকম গুজব ছড়াচ্ছেন বলেও জানান ঠিকাদার মাহাতাব। তিনি বলেন, যারা হয়রানী করে সরকারী প্রকল্পের কাজ বন্ধ করতে চান তাদের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করবেন তিনি।
এ বিষয়ে মোংলা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা নাহিদুজ্জামান বলেন, ঠিকাদার মাহাতাবের চলমান তিনটি ব্রীজ নির্মাণের প্রতিটি ধাপে তারা কাজ বুঝে নিয়েছেন এবং নির্মাণ কাজের ছবি সংরক্ষণ করেছেন। সুতরাং নিয়ম অনুযায়ী কাজ না পেয়ে একে অপরকে ক্ষতি না করা থেকে বিরত থাকার জন্য তিনি স্থানীয় ঠিকাদারদের প্রতি আবহবাণ জানান।
সংসদ সদস্য সেখ জুয়েলের পক্ষে ত্রাণ বিতরণ
খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনা-২ আসনের সংসদ সদস্য সেখ সালাহউদ্দিন জুয়েলের পক্ষ থেকে সোমবার খুলনা সদর ও সোনাডাঙ্গা থানার দুই হাজার দুঃস্থ ও অসহায় পরিবারের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ করা হয়। করোনা মহামারীর কারণে খেটে খাওয়া শ্রমজীবী মানুষ ও নিম্ন আয়ের মানুষ যারা রোজগার বন্ধ হয়ে যাওয়ায় আর্থিক কষ্টের মধ্যে আছেন, তাদের মধ্যেই মূলতঃ এই খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়। পাশাপাশি সংখ্যালঘু সম্প্রদায় ও বিভিন্ন পেশাজীবীদের মধ্যেও ত্রাণ বিতরণ করা হয়।
চাল, ডাল, আলু, পেঁয়াজসহ অন্যান্য খাদ্য সামগ্রী খুলনা সদর ও সোনাডাঙ্গা থানার ১৬ টি ওয়ার্ডের কাউন্সিলর এবং আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাদের উপস্থিতিতে বিতরণ করা হয়। এই নিয়ে তৃতীয়বারের মতো সংসদ সদস্য সেখ সালাহউদ্দিন জুয়েলের পক্ষ থেকে ১৬ টি ওয়ার্ডে ত্রাণ বিতরণ করা হলো। সেখ সালাহউদ্দিন জুয়েল ছাড়াও তার সহধর্মিণী মিসেস সাহানা ইয়াসমিন শম্পা, ছোট দুই ভাই শেখ সোহেল ও শেখ রুবেলের পক্ষ থেকেও উল্লেখযোগ্য পরিমাণে ত্রাণ বিতরণ করা হয়েছে।
চিকিৎসা সংকট নিরাসনের দাবীতে সিপিবি’র মানববন্ধন
খবর বিজ্ঞপ্তি
চিকিৎসা সংকট নিরাসনের দাবীতে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে সারা দেশের ন্যায় বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি), খুলনা জেলা ও মহানগর কমিটির উদ্যোগে সোমবার বেলা ১১টায় খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, করোনা চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিল আমাদের চিকিৎসা ব্যবস্থার করুণ হাল।
উন্নয়ন পরিকল্পিত না হলে তথাকথিত উন্নয়ন কোনো কাজে আসে না। উন্নয়ন হতে হয় টেকসই। খুবই দুঃখজনক যে, দেশের কর্তাব্যক্তিরা বিদেশ চিকিৎসা গ্রহণ করেন বলে দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থার প্রতি কোনো নজর নেই। অনেকে দেশে চিকিৎসা নিলেও পাঁচ তারকা মার্কা প্রাইভেট হাসপাতালে যান। সেখানে দেশের মতকরা ৯৯ ভাগ মানুষের যাওয়ার ক্ষমতা নেই। দেশের সরকারি স্বাস্থ্য পরিকল্পিতভাবে ধ্বংস করা হয়েছে। স্বাস্থ্য সেবার নামে বাণিজ্যিকীকরণদের উৎসাহিত করা হয়েছে, শাসক দলগুলোর কর্তাব্যক্তিদের নিজেদের স্বার্থে, ব্যবসার স্বার্থে। মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন সোনাডাঙ্গা থানা সিপিবি’র সভাপতি নিতাই পাল। অন্যান্যের উপস্থিত ছিলেনÑসিপিবি কেন্দ্রীয় সদস্য এস এ রশীদ, জেলা সাধারণ সম্পাদক এড. রুহল আমিন, মহানগর সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. মোঃ বাবুল হাওলাদার, সিপিবি নেতা মিজানুর রহমান বাবু, রুস্তম আলী হাওলাদার, মোস্তাফিজুর রহমান রাসেল, হুমায়ুন করীর, অধ্যাপক সঞ্জয় সাহা, এস এম চন্দন, শরিফুল ইসলাম সেলিম, রঙ্গলাল মৃধা, অশোক কুমার ম-ল, যব নেতা আফজাল হোসেন রাজু, শ্রমিক নেতা রুহুল আমিন, মোঃ জসীম উদ্দিন, মোঃ আমজাদ হোসেন, ইশারাত শেখ, সোহেল রানা, মোঃ শাহজাহান, মোঃ নূরুল ইসলাম, হাবিবুর রহমান, ছাত্র নেতা রবিউল ইসলাম রবি, সুদীপ্ত দাশ, এস ডি জয়, আজিজুল ইসলাম খান আরমান প্রমুখ। মানবন্ধনে বক্তারা বলেন, চীনে করোনা সংক্রমণ শুরু হওয়ার অনেক পরে আমাদের দেশে সংক্রমিত হয়েছে। আমরা দীর্ঘ সময় পেয়েছিলাম করোনা মোকাবেলা করায় প্রস্তুতি গ্রহণ করার। কিন্তু দুঃখজনকভাবে সরকারের দায়িত্বশীলরা বাগড়াম্বরপূর্ণ বক্তৃতা দিয়েই সময় পার করেছেন, যা এখনও অব্যাহত আছে। বক্তারা করোনা যখন চরম আকার ধারণ করেছে তখন লকডাউন প্রত্যাহার করায় হতাশা ব্যক্ত করেন। মানববন্ধনে ত্রাণ বিতরণে অস্বচ্ছতা, কারসাজির তীব্র নিন্দা জানিয়ে প্রকৃত গরীব মানুষের মধ্যে ত্রাণ বিতরণের আহ্বান জানান।
প্রানঘাতী করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায় যশোর সেনানিবাস
খবর বিজ্ঞপ্তি
বর্তমানে দেশের করোনা পরিস্থিতিতে রমজান এবং ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে বন্ধ থাকা মাকের্ট ও শপিংমল সীমিত পরিসরে চালু রাখার স্বার্থে খুলে দেয়া হয়েছে। এতে মার্কেটসমূহে বেড়েছে জনসমাগম, রাস্তায় বেড়েছে যানবাহনের পরিমাণও। এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে বেসামরিক প্রশাসনকে যথাসাধ্য সহায়তা করে যাচ্ছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৫৫ পদাতিক ডিভিশনের প্রতিটি সদস্য।
এরই অংশ হিসেবে সোমবার বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৫৫ পদাতিক ডিভিশনের সেনাসদস্যরা যশোর অঞ্চলের বিভিন্ন জেলা শহরগুলোতে সেনাবাহিনীর চেকপোষ্ট বসিয়ে অপ্রয়োজনীয় যানবাহন এবং জনসামাগম এড়ানোর জন্য তৎপরতা ছিল চোখে পড়ার মত। এছাড়াও নিয়মিত কার্যক্রমের অংশ হিসেবে আজও দেশের বিভিন্ন স্থানে ছিন্নমূল এবং সত্যিকারের দুস্থ মানুষের বাড়ী বাড়ী খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দেয়ার প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে যশোর সেনানিবাসের সেনাসদস্যরা। পাশাপাশি প্রত্যন্ত গ্রাম-অঞ্চলের অসহায় কৃষকদের ক্ষেত থেকে বিভিন্ন ধরনের সবজি ক্রয় করে চাষীদের আর্থিক সচ্ছলতা ফিরিয়ে দেয়া এবং প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিভিন্ন ধরনের শস্য/সবজি/ফলে’র বীজ বিতরণ অব্যাহত রেখেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৫৫ পদাতিক ডিভিশন।
বাগেরহাটে ১৯ বন্দির মুক্তি
বাগেরহাট প্রতিনিধি
করোনা ভাইরাসের কারণে সরকারের সাধারণ ক্ষমায় বাগেরহাট জেলা কারাগারের ১৯ জন কয়েদি মুক্তি পেয়েছে। শেষ ধাপে রবিবার (১০ মে) বিকালে ১৩ জনকে মুক্তি দিয়েছে কারা কর্তৃপক্ষ। এর আগে, শুক্রবার বিকালে পাঁচ জন এবং তারও আগে একজনকে মুক্তি দেওয়া হয়। বাগেরহাট কারাগারের জেলার এস এম মহিউদ্দিন হায়দার এই তথ্য জানিয়েছেন। তিনি জানান, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দ্বিতীয় ধাপে বাগেরহাট কারাগার থেকে ১৯ জন বন্দিকে মুক্তি দিতে অনুমোদন দেয়। তিন ধাপের শেষ দিনে রবিবার বিকালে ১৩ কারা বন্দি মুক্তি পেয়েছে। বাগেরহাট জেলা কারাগারে বন্দি ধারণক্ষমতা চারশ’। ধারণক্ষমতার প্রায় দ্বিগুণ ৭২৪ জন বন্দি রয়েছে এখানে।
ঢাকা থেকে বেড়াতে এসে করোনা শনাক্ত, গোপনে ফিরে গেলেন রোগী
স্টাফ রিপোর্টার
ঢাকা থেকে খুলনায় বেড়াতে এসে করোনা পজিটিভ শনাক্ত হওয়া পলি খাতুন গোপনে ঢাকায় ফিরে গেছেন বলে পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে। রবিবার (১০ মে) খুলনা মেডিক্যাল কলেজে (খুমেক) পিসিআর ল্যাবে তার করোনা টেস্ট রিপোর্ট পজিটিভ পাওয়া যায়। এদিন খুলনার ল্যাবে ১৭২ টেস্টের মধ্যে দুজনের পজিটিভ পাওয়া গেছে। অপরজন হলেন বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলার বাসিন্দা রানী বেগম (২৫)।
খুলনা সিভিল সার্জন ডা. সুজাত আহম্মেদ জানান, শনিবার ঢাকার কামরাঙ্গীচর থেকে স্বামী মতিনকে নিয়ে পিকআপ যোগে খুলনার দিঘলিয়া উপজেলার সেনহাটি এলাকার মদিনা মসজিদের সামনে বোনকে দেখতে তার বাড়িতে আসেন পলি খাতুন। এরপর খুমেক হাসপাতালে তার করোনা টেস্টের নমুনা নেওয়া হয়। তিনি নমুনা দিয়েই সেনহাটি ফিরে যান। অথচ তাকে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার জন্য বলা হয়েছিল। তার করোনা পজিটিভ রিপোর্ট আসার পর গোপনে তিনি আবারও স্বামীকে নিয়ে ঢাকার উদ্দেশে খুলনা ত্যাগ করেছেন।
পলির বোন পপি জানান, তার বোনের স্বামী মতিন পিকআপ গাড়ির চালক। তারা একসঙ্গে এসেছিলেন, আবার চলে গেছেন।
সিভিল সার্জন আরও জানান, পলি খাতুন করোনা পজিটিভ। তাই তার বোন পপির বাড়িটি লকডাউন করার জন্য স্থানীয় প্রশাসনকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. মুন্সী মোহাম্মদ রেজা সেকেন্দার জানান, এখন পর্যন্ত খুলনা ল্যাবে ৩ হাজার ২১৭টি টেস্টের মধ্যে ৩০টি পজিটিভ পাওয়া যায়। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৩ জন। মারা গেছে দুজন।
পরিচালক আরও বলেন, ‘শনিবার খুমেক হাসপাতালে ঢাকা থেকে আসা পলি খাতুন নামে এক গৃহবধূ করোনা টেস্টের জন্য নমুনা দিয়ে যান। ওই সময় তাকে হাসপাতালের আইসোলেশনে ভর্তি হওয়ার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়। কিন্তু তিনি তা না মেনে বাড়িতে চলে যান এবং করোনা টেস্ট পজিটিভ হওয়ার পর তিনি এলাকা ছেড়ে চলে গেছেন।’
করোনা উপসর্গ নিয়ে মেহেরপুরে এক তরুণের মৃত্যু
মেহেরপুর প্রতিনিধি
করোনা উপসর্গ নিয়ে মেহেরপুরের গাংনীতে ১৮ বছর বয়সী এক তরুণের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার দিবাগত মধ্যরাতে তার নিজ বাড়িতে মৃত্যু হয়। করোনা সন্দেহে তার নমুনা সংগ্রহ করেছে স্থানীয় স্বাস্থ্য বিভাগ। মৃত তরুণ গাংনী উপজেলার আজান গ্রামের ছেলে।
মৃতের আত্মীয় শেফালী খাতুন জানান, সে গত কয়েকদিন যাবত ঠা-া জ্বর ও কাশিতে ভুগছিল। গাংনী থানার ওসি মো. ওবায়দুর রহমান জানান, সীমিত সংখ্যক মুসল্লী নিয়ে জানাজা পড়ানোর জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। এছাড়া জানাযা স্থলে পুলিশও উপস্থিত ছিল।
গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কর্মকর্তা ডাক্তার রিয়াজুল আলম জানান, মৃতদেহ থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। নমুনা পরীক্ষার ফলাফল হাতে পাওয়ার পর মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।
কুষ্টিয়ায় আরও ২ জন করোনা শনাক্ত
কুষ্টিয়া প্রতিনিধি
কুষ্টিয়ায় গত ২৪ ঘণ্টায় আরও দু’জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। আক্রান্তরা ঢাকা থেকে এসেছেন। সোমবার (১১ মে) দুপুরে কুষ্টিয়ার সিভিল সার্জন অফিসের দায়িত্বপ্রাপ্ত মেডিক্যাল অফিসার ডাক্তার নজমুল মনির এ তথ্য জানান।
তিনি জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় কুষ্টিয়া মেডিক্যাল কলেজের পিসিআর ল্যাব থেকে ৪১টি এবং খুলনা মেডিক্যাল কলেজের পিসিআর ল্যাব থেকে ১২টি রিপোর্ট পাওয়া গেছে। এর মধ্যে কুষ্টিয়া পিসিআর ল্যাবে দু’জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। আক্রান্ত দু’জনের একজন পুরুষ (২৯) ও একজন নারী (২২)। তারা একই পরিবারের সদস্য এবং দৌলতপুরের রেফায়েতপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা।
উল্লেখ্য, কুষ্টিয়ায় এখন পর্যন্ত করোনাভাইরাসে ২০ জন আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে আট জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।
কেশবপুরে ডাক্তারসহ ১০ জনের করোনা জয়
কেশবপুর(যশোর) প্রতিনিধি
কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ৪ জন ডাক্তারসহ ১০ জন করোনা জয় করেছেন। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ৭ জন সহ ১০ জনকে সোমবার বিকেলে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে থেকে ছাড়পত্র দেয়া হয়েছে। করোনা জয়ী প্রত্যেককেই স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার মোঃ আলমগীর জানান, ইতিপূর্বে করোনায় আক্রান্ত হয়ে আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাক্তার জাহিদুর রহমান, ইমারজেন্সি মেডিকেল অফিসার ডাক্তার প্রদীপ্ত চৌধুরী, উপ সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার সঞ্জিত কুমার বিশ্বাস, আশিকুর রহমান, স্বাস্থ্য সহকারী ওয়াহেদুজ্জামান সুমন, আমিনুল ইসলাম, টিবিও কুষ্ঠ নিয়ন্ত্রণ সহকারী নাজমুল করিমসহ উপজেলার ধর্মপুর গ্রামের গৃহবধূ বকুল, শহরের আলতাপোল এলাকায় ইলেক্ট্রিশিয়ান ফিরোজ আলম রিপন ও বায়সা গ্রামের মুনছুর করোনায় আক্রান্ত হয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আইসোলেশনে চিকিৎসাধীন ছিলেন। পরবর্তীতের তাদের নমুনা পরীক্ষার রিপোর্ট নেগেটিভ আসে। তারা সকলেই এখন করোনামুক্ত।
করোনা জয়ী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাক্তার জাহিদুর রহমান বলেন, আক্রান্ত হবার পরে আইসোলেশনে ছিলাম। এখন সুস্থ হয়েছি। দ্রুত আবারো কর্মস্থলে ফিরে মানুষের সেবা করতে চাই। অপর করোনা জয়ী গৃহবধূ বকুল বলেন, আইসোলেশনের সঠিক চিকিৎসা পেয়েছি। এখন বাড়ি ফিরে স্বামী ও সন্তানদের নিয়ে সুখে সংসার করবো । উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার আলমগীর হোসেন বলেন, জেলা সিভিল সার্জন ডাক্তার শেখ আবু শাহীন করোনা জয়ীদের ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়ে ছাড়পত্র প্রদান করেন।
জেলা সিভিল সার্জন ডাক্তার শেখ আবু শাহীন বলেন, করোনা আক্রান্ত ব্যক্তিদের চিকিৎসার মাধ্যমে সুস্থ করে তোলা হয়েছে।
তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রের এক চোখ উপড়ে নৃশংসভাবে হত্যা
চৌগাছা (যশোর) প্রতিনিধি
যশোরের চৌগাছায় সাকিব হোসেন (১০) নামে তৃতীয় শ্রেণির এক ছাত্রকে এক চোখ উপড়ে নৃশংসভাবে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। সোমবার সকাল ১০টার দিকে উপজেলার হাকিমপুর ইউনিয়নের স্বরূপপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশের একটি খাল থেকে তার লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত সাকিব চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার কুন্দিপুর বেলেমাঠ গ্রামের মৃত আলমগীর হোসেনের ছেলে। সে স্বরূপপুর গ্রামে নানা খলিলুর রহমান ম-লের বাড়িতে থাকতো। সাকিব স্বরূপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্র ছিল।
হাকিমপুর ইউপি চেয়ারম্যান মাসুদুল হাসান নিহতের নানী ফাতেমা বেগমের উদ্ধৃতি দিয়ে জানান, রবিবার সন্ধ্যার পর থেকে সাকিবকে পাওয়া যাচ্ছিল না। পরিবারের সদস্যরা তাকে খোঁজাখুঁজি করে কোথাও তাকে পাননি।
সোমবার ভোররাত থেকে আবারো সাকিবের নানী ফাতেমা ও তার বোন রহিমা সকালে খোঁজ করার সময় স্বরূপপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দক্ষিণ পাশের একটি খালে তার লাশ পড়ে থাকতে দেখেন। সংবাদ পেয়ে চৌগাছা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) এসএম এনামুল হকের নেতৃত্বে পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে। পুলিশ জানায়, নৃশংসভাবে শিশুটিকে হত্যা করা হয়েছে। তার ডান চোখটি উপড়ে ফেলা হয়েছে। পুলিশ এ হত্যাকা-ের কারণ উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রেখেছে। চৌগাছা থানার ওসি রিফাত খান রাজীব ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন এ বিষয়ে মামলার প্রস্তুতি চলছে।
১০ মিনিটের ঝড়ে ভেঙে গেল স্বপ্ন
গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি
অনেক স্বপ্ন ছিল মুরগির খামার ও মাছ চাষ করে স্বাবলম্বী হবেন। পরিবার নিয়ে ভালভাবে বাঁচার ও ছেলে-মেয়েদের লেখা-পাড়া শিখিয়ে সমাজে প্রতিষ্ঠিত করারও স্বপ্ন ছিল দুই বন্ধুর। কিন্তু মাত্র ১০ মিনিটের কাল বৈশাখী ঝড়ে তাদের সেই স্বপ্ন ভেঙে চুরমার হয়ে গেল দুই বন্ধুর। রোববার (১০ মে) রাতে কাল বৈশাখী ঝড়ে উপজেলার সাহাপুর ইউনিয়নের বৈরাগীটোল গ্রামের হারাধন পোদ্দার ও কৌশিক বাইনের মৎস্য ও পোল্ট্রি খামারের ছয়টি শেড ও ছয়টি খাবার রাখার ঘর তছনছ হয়ে যায়।
মারা যায় খামারের সাড়ে ১২ হাজার মুরগি। এসব মুরগি পরদিন সোমবার (১১ মে) বিক্রি করার কথা ছিল। সব মিলিয়ে খামারের প্রায় ৩০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি কররছেন দুই বন্ধু। খামারী হারাধন পোদ্দার বলেন, ‘আমরা দু’জনে এলাকার বৈরাগীটোল গ্রামে বছরে তিন লাখ টাকা চুক্তিতে ৩২ বিঘা জমি লিজ নিয়েছি। এসব জমিতে আটটি মুরগির শেড তৈরি করেছি। প্রতিটি শেড তৈরিতে খরচ হয়েছে তিন লাখ টাকা করে। আটটি খাবার রাখার ঘর তৈরি করেছি। এগুলো বানাতে খরচ হয়েছে দেড় লাখ টাকা করে। তিন বছর ধরে পোল্ট্রি ও মাছের ব্যবসা করে আসছি। অনেক আশা ও স্বপ্ন নিয়ে সাজিয়ে ছিলাম খামারটি।’
কৌশিক বাইন বলেন, ‘আমাদের স্বপ্ন ছিল আমরা স্বাবলম্বী হব। পরিবার নিয়ে ভালভাবে বাঁচব ও ছেলে-মেয়েদের লেখা-পড়া শিখিয়ে সমাজে প্রতিষ্ঠিত করব। কিন্তু গত শনিবার (৯ এপ্রিল) সন্ধ্যায় ১০ মিনিটের কালবৈশাখী ঝড়ে আমাদের সে স্বপ্ন ভেঙে চুরমার হয়ে গেছে। আমরা ব্র্যাক ও অগ্রণি ব্যাংক থেকে অনেক টাকা লোন নিয়েছি। এ লোন কীভাবে শোধ করবো? এই খামার আবার কীভাবে দাঁড় করাব তাই নিয়ে দুঃশ্চিন্তায় আছি। সরকারের কাছে আমাদের দাবি, পোল্ট্রি শিল্প বাচাঁতে সরকার যেনো আমাদের পাশে দাঁড়ায়।’
গোপালগঞ্জ সদর উপজেলা প্রানী সম্পদ কর্মকর্তা ডা. গোবিন্দ চন্দ্র সরদার বলেন, ‘সাহাপুর ইউনিয়নের বৈরাগীটোলের হারাধন পোদ্দার ও কৌশিক বাইনের খামারটি পরিদর্শন করেছি। খামারটির ছয়টি শেড, খাবার রাখার ছয়টি ঘর ঝড়ে উড়ে গেছে। প্রায় সাড়ে ১২ হাজার মুরগি মারা গেছে। তাদের অন্তত ৩০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। আমরা বিষয়টি আমাদের ঊর্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানাব। আমরা ক্ষতিগ্রস্ত খামারীদের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করব।’
গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সাদিকুর রহমান বলেন, ‘বিষয়টি আমি শুনেছি। সদর উপজেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সচিত্র প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য। এরপর আমরা ক্ষতিগ্রস্ত খামারটির ব্যাপারে পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করব।
বাগানের ঝুপরি ঘরের সেই বাক প্রতিবন্ধী নারী পেলেন স্থায়ী নিবাস
বাগেরহাট প্রতিনিধি
বাগেরহাটে দীর্ঘদিন ধরে রাস্তার পাশে বাগানের মধ্যে ঝুপরি ঘরে থাকা সন্তানসহ বাক প্রতিবন্ধী অজ্ঞাত নারীকে সরকারি গুচ্ছগ্রামে বসতঘর দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। সোমবার বিকেলে বারাকপুর গ্রাম থেকে বাগেরহাট সদর উপজেলা প্রশাসনের গাড়িতে করে অজ্ঞাত ওই নারীকে (মরিয়ম) সাড়ে তিন বছর বয়সী সন্তান আব্দুল্লাহসহ বিষ্ণপুর গুচ্ছ গ্রামে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তার জন্য আগে থেকে নির্ধারিত ঘরে তুলে দেওয়া হয়।
এসময় বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক মো. মামুনুর রশীদ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. কামরুল ইসলাম, সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সরদার নাসির উদ্দিন, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ তানজিল্লুর রহমান, সদর উপজেলাআওয়ামীলীগের সভাপতি ষাটগম্বুজ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ আকতারুজ্জামান বাচ্চু, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান রিজিয়া পারভীন, সুপ্তি মহিলা উন্নয়ন সংস্থার নির্বাহী পরিচালক ঝিমি মন্ডলসহ স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
এসময় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রতিবন্ধী মরিয়ম ও তার সন্তানকে খাদ্য সহায়তা ও পরিধানের জন্য পোশাক দেওয়া হয়। স্থানীয় সুপ্তি মহিলা উন্নয়ন সংস্থার নির্বাহী পরিচালক ঝিমি মন্ডল সহজে রান্নার জন্য একটি উন্নত চুলা উপহার দেন মরিয়মকে। স্থানীয়রা জানান, প্রায় তিন বছর ধরে সদর উপজেলার বারাকপুর গ্রামের জনৈক শহিদুলের বাগানে একটি ঝুপরি ঘর তৈরি করে নিজের ৬ মাস বয়সী শিশু সন্তান নিয়ে থাকতেন বাক প্রতিবন্ধি ওই নারী। সেখানে স্থানীয় লোকজন ও এলাকাবাসীর দেওয়া সামান্য খাদ্যে কোন মতে বেঁচে ছিলেন তিনি।
বাক প্রতিবন্ধী নারীকে স্থান দেওয়া শহিদুল বলেন, ‘প্রায় তিন বছর আগে থেকে ওই নারী আমার বাগানে থাকত। যখন যা পারতাম দিতাম। এলাকার অনেকে ওকে সহযোগিতা করেছে। ও আমাদের কথা বুঝলেও আমরা ওর কোন কথা বুঝতাম না। কখনও কারও জিনিসপত্র চুরি করত না সে। এলাকাবাসী ওর ছেলের নাম রাখে আব্দুল্লাহ। ওর ছেলের বয়স এখন সাড়ে তিন বছর। আজ ছেলেসহ সে একটি স্থায়ী নিবাস পেয়েছে এজন্য উপজেলা প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানাই।’
সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ তানজিল্লুর রহমান বলেন, ‘কিছুদিন আগে জানতে পারি বারাকপুর এলাকায় অজ্ঞাত এক নারী ঝুপরি ঘরে মানবেতর জীবন যাপন করছেন। রামপাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে বিষয়টি জানার পরে আমি ঘটনাস্থলে আসি। জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলি। কিন্তু সব থেকে বড় সমস্যা ছিল বাক প্রতিবন্ধি ওই নারীর কোন পরিচয় ছিল না। তারপরও সবকিছু উপেক্ষা করে ওই নারীকে পুনঃবাসনের জন্য কাজ শুরু করি। বিষ্ণপুর ইউনিয়নের সরকারি গুচ্ছগ্রামে আমরা ওর জন্য একটি আধাপাকা ঘর তৈরি করে দেই। গুচ্ছগ্রামে রফিকুল ইসলামকে আব্দুল্লাহ ও তার মায়ের অভিভাবক হিসেবে নিয়োজিত করি। মরিয়ম নাম দিয়ে বিষ্ণপুর ইউনিয়ন পরিষদে জন্ম নিবন্ধণ সম্পন্ন করি। ওর সন্তানেরও জন্ম নিবন্ধন করা হয়েছে। সকলের চেষ্টায় মরিয়মকে আমরা তার স্থায়ী নিবাসে তুলে দিয়েছি। ’ তার সকল প্রকার সরকারি সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।
খুলনায় বেআইনি অপারেশনের দায়ে ক্লিনিক লকডাউন
সুমন শেখ টিটন
বেআইনি অপারেশনের (অস্ত্রপচার) দায়ে খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার চুকনগরে হালিমা মেমোরিয়াল নার্সিং হোম অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। একই সঙ্গে কিনিক মালিককে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। সোমবার (১১ মে) কিনিক লকডাউন ও জরিমানা করা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, করোনায় চলমান লকডাউন অমান্য করে সাতক্ষীরা থেকে ডাক্তার গিয়ে খুলনায় অপরেশন করছে- এমন সংবাদ পেয়ে হালিমা মেমোরিয়াল নার্সিং হোম অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অভিযান চালান ডুমুরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছা. শাহনাজ বেগম। এসময় তিনি জানতে পারেন সাতক্ষীরার বে-সরকারি সংস্থা ঋশিল্পিতে কর্মরত মেডিক্যাল অফিসার ডা. মো. বরকত আলী সেখানে অপরেশন করেছেন। তবে, ভ্রাম্যমাণ আদালত মেখানে পৌঁছানোর আগেই ডা. বরকত আলী পালিয়ে যান। এ অভিযোগে ভ্রাম্যমাণ আদালত, কিনিক মালিক পল্লী চিকিৎসক কামাল হোসেনকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেন এবং কিনিক ১৪ দিনের জন্যে লকডাউন ঘোষণা করেন।
ডুমুরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছা. শাহনাজ বেগম বলেন, ‘গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওই কিনিকে অভিযান চালিয়ে ঘটনার সত্যতা পাওয়ায় এই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।’











































